নির্বাচন কবে, জার্মানির রাষ্ট্রদূতকে জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন (ইসি) জাতীয় নির্বাচনের যে তারিখই নির্ধারণ করুক, আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।’
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে শেখ হাসিনার রায় পরবর্তী জনপ্রতিক্রিয়া, জাতীয় নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ ও এ উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি, বন্দি প্রত্যর্পণ, সাইবার ক্রাইম ও দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ ২ দেশের পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘জার্মানি ও বাংলাদেশ পরীক্ষিত বন্ধু। অদূর ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।’আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশন (ইসি) জাতীয় নির্বাচনের যে তারিখই নির্ধারণ করুক, আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।’
মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত জার্মানির রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন।
বৈঠকে শেখ হাসিনার রায় পরবর্তী জনপ্রতিক্রিয়া, জাতীয় নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ ও এ উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি, বন্দি প্রত্যর্পণ, সাইবার ক্রাইম ও দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ ২ দেশের পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘জার্মানি ও বাংলাদেশ পরীক্ষিত বন্ধু। অদূর ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে।’
ছবি: সংগৃহীত
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে করণীয় সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশমালা প্রণয়নে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো জাতীয় গ্রিড পরিচালনাকারী সংস্থার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সঞ্চালন-২ এর প্রধান প্রকৌশলী (অতিঃ দায়িত্ব) সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এ কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
এর আগে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে একযোগে রাজধানী ঢাকার পূর্বাঞ্চলের বড় একটি এলাকা এবং চট্টগ্রামের কিছু অংশে হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর প্রায় দুই ঘণ্টা পর যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে সচল হয় জাতীয় গ্রিড। এখন পর্যায়ক্রমে বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু করা হচ্ছে।
বিকেলে জাতীয় গ্রিড পরিচালনাকারী সংস্থা পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির পাঠানো বার্তায় বলা হয়, দুপুর আড়াইটায় জাতীয় গ্রিডের রিস্টোরেশন কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুতের সব গ্রিড লাইন ও গ্রিড উপকেন্দ্রগুলো চালু রয়েছে।
পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু করা হচ্ছে। উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষিপ্ত লোডশেডিংও কমে আসবে।
অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জনসাধারণের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ।
দুদক ভবন। ছবি: সংগৃহীত
ভুয়া বিল তৈরি করে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের মধ্যে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা এবং সীমান্ত ব্যাংকের কর্মকর্তারা রয়েছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) চট্টগ্রামে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ বাদী হয়ে মামলাটি করেন দুদকের উপপরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন।
মামলার আসামিরা হলেন, রেলওয়ের অস্থায়ী কর্মচারী মো. হাবিবুল্লাহ খান, সাবেক অডিটর পবন কুমার পালিত, জুনিয়র অডিটর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান ও খোকন চন্দ্র দে, হিসাব কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেন, হিসাবরক্ষক সৈয়দ মো. সাইফুর রহমান, হিসাব কর্মকর্তা মো. আবু নাছের এবং অফিস সহায়ক মো. মাকসুদুর রহমান।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স ও বিজ্ঞাপন পরিদর্শক মুহাম্মদ ইকবাল, সাবেক উপকর কর্মকর্তা এম. মনজুর উদ্দিন চৌধুরী ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে আসামি করা হয়েছে। আসামি হিসেবে আরও রয়েছেন, সীমান্ত ব্যাংক পিএলসির সাবেক অফিসার মো. পারভেজ, রিলেশনশিপ ম্যানেজার বিদেশ বড়ুয়া এবং সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক গোলাম মোহাম্মদ ফরহাদ সরওয়ার।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে জালিয়াতি, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রেলওয়ের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। ‘মেসার্স দি কসমোপলিটন করপোরেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের চারটি বিলের বাইরে অতিরিক্ত ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকার একটি ভুয়া বিল তৈরি করে অর্থ পরিশোধ করা হয় বলে অভিযোগ করেছে দুদক। ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর রেলওয়ের ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকার একটি চেক ইস্যু করা হয়। পরদিন চেকটি সীমান্ত ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখায় ‘দি কসমোপলিটন করপোরেশন’-এর নামে খোলা একটি হিসাবে জমা দেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে ওই হিসাব থেকে পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
দুদকের অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে দপ্তরের বিল রেজিস্টার ও অন্যান্য নথিতে কথিত ভুয়া বিলটির বৈধ এন্ট্রি পাওয়া যায়নি। বিল গ্রহণ ও চেক ইস্যুর প্রক্রিয়ায় নিয়ম অনুসরণ না করা এবং মূল ঠিকাদারের তথ্য যাচাই না করার অভিযোগও আনা হয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া এবং সীমান্ত ব্যাংকে হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কোহিনুর আক্তার নামের এক নারীর পরিচয় ব্যবহার করা হয়। তবে প্রকৃত কোহিনুর আক্তার নিজেকে শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসা ও ব্যাংক হিসাবের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
চট্টগ্রাম দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর দুদকের উপপরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘আসামিরা পরস্পরের সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।’
অনুসন্ধানকালে কথিত ভুয়া কোহিনুর আক্তার ও সোহাগ আলীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তদন্তে তাদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়া অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানায় দুদক।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুরাতন ভবনের দ্বিতীয় তলায় ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ডিক্যাব)-এর লাউঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে এই আগুন লাগে।বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম।
তিনি বলেন, পাঁচতলা ভবনের দোতলায় সাংবাদিকদের বসার রুমে বই পুস্তকে আগুন লাগে। অবশ্য সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট পৌঁছানোর আগেই আগুন নিভে যায়।তদন্ত করে আগুন লাগার উৎস বের করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য বড় সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। কোনো ধরনের জরিমানা ছাড়াই বকেয়া কর ও ফি জমা দিয়ে মোটরযানের কাগজপত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা আরও বাড়োনো হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিআরটিএর এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জরিমানা ছাড়া কেবল মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সব প্রকার মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সুযোগ আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে সরকার।
বিআরটিএ জানিয়েছে, এটিই শেষ সুযোগ। তাই জরিমানা এড়াতে নির্ধারিত বৃহস্পতিবারের মধ্যে মূল কর ও ফি পরিশোধ করে মোটরযানের সব ধরনের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার জন্য সব যানবাহন মালিক ও চালকদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। ছবি: সংগৃহীত