নবীন ফ্যাশন। সংগৃহীত ছবি

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০২ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ১১:৫১ এএম

চাঁদাবাজদের ঠেকাতে কেরানীগঞ্জ চাইনিজ ফ্যাক্টরিতে তৃতীয় লিঙ্গের ১০০ কর্মী নিয়োগ দেবে নবীন ফ্যাশন। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটি তাদের ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। 


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নির্বাচিতদের মাসিক ১৫ হাজার টাকা বেতন, বছরে দুটি উৎসব বোনাস, থাকার সুবিধা এবং প্রতিদিন এক বেলা খাবার প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সাপ্তাহিক একদিন ছুটি থাকবে, যা প্রয়োজনে মাসে একত্রে ভোগ করা যাবে।


কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতিদিন ১০ ঘণ্টা। এর মধ্যে দুপুরে এক ঘণ্টা বিশ্রাম এবং নামাজের জন্য নির্ধারিত বিরতির ব্যবস্থা থাকবে। নিয়োগপ্রাপ্তদের চাইনিজ বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দক্ষতা অনুযায়ী ভবিষ্যতে বিদেশে কাজের সুযোগও সৃষ্টি হতে পারে।


আগ্রহী প্রার্থীদের আগামী ৮ এপ্রিলের মধ্যে রাজধানীর চকবাজারে অবস্থিত নির্ধারিত অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। শুধুমাত্র প্রকৃত চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।


 


  ব্যবসা বন্ধ করে বিদেশ চলে যাচ্ছেন ‘নবীন ফ্যাশন’ এর মালিক





সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:৪৪ এএম

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) শিক্ষক নিয়োগে নবম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশে কার্যক্রম শুরু করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ পাবেন।


এনটিআরসিএকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন নিতে হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে। সে প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলেই নবম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।


৬৯ হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদের অনুমোদন চেয়ে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে এনটিআরসিএ। এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া শূন্য পদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে মোট ৭৫ হাজার ৭৬৯টি পদ চূড়ান্ত করা হয়। এর মধ্যে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনধারীদের জন্য সংরক্ষিত পদসহ অন্য কিছু পদ বাদ পড়ে। মোট ৬৯ হাজার ৫৭৭টি শূন্য পদে নবম এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।


এনটিআরসিএর সচিব এ এম এম রিজওয়ানুল হক প্রথম আলোকে বলেন, নবম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলে দ্রুততম সময়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে।


জিসান আহমেদ নামে একজন চাকরিপ্রার্থী বলেন, ১৮তম নিবন্ধনে পাস করলেও পরে আর সুপারিশপ্রাপ্ত হই নি। শুনেছিলাম এ বছরের শুরুর দিকে ১৯তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি দিবে। এটি নতুন পদ্ধতিতে হবে, পাস করলে সনদ দেবে। তাই আশা নিয়ে আছি। চাকরির বয়সও শেষ হয়ে যাচ্ছে, যত দ্রুত বিজ্ঞপ্তি দিবে আমাদের জন্য তত উপকার।


বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিবন্ধন পরীক্ষার পরিবর্তে এখন থেকে শিক্ষক সরাসরি নিয়োগ দেওয়া হবে। বদলে যাওয়া নিয়োগপদ্ধতিতে শিক্ষক নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে নয়; বরং বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরাসরি নিয়োগ পরীক্ষার মাধ্যমে দেওয়া হবে শিক্ষক নিয়োগ।


নিয়োগ পরীক্ষায় ২০০ নম্বরের এমসিকিউ ও ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পাস করতে পেতে হবে ৪০ শতাংশ নম্বর। নতুন পদ্ধতিতে যেসব প্রার্থী নিয়োগের জন্য চূড়ান্ত বিবেচিত হবেন, শুধু তাঁদের এনটিআরসিএ থেকে শিক্ষক পদে নিয়োগের একটি সনদ দেওয়া হবে।


এনটিআরসিএর সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনে শিক্ষকদের শূন্য পদের চাহিদা (ই-রিকুইজিশন) কয়েক দফা সময় বাড়ানোর পর ১৫ এপ্রিল কার্যক্রম শেষ হয়েছে। একই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য হালনাগাদের (ই-রেজিস্ট্রেশন) কাজও শেষ হয়।


গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ শিক্ষক নিবন্ধন সনদের ভিত্তিতে নিয়োগে সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল এনটিআরসিএ। বিজ্ঞপ্তিতে শূন্য পদের সংখ্যা ছিল ৬৭ হাজার ৮৭। এরপর প্রতিষ্ঠানপ্রধান পদে (অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার) নিয়োগের জন্য অষ্টম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে শূন্য পদের সংখ্যা ১২ হাজার ৯৫১।


২০০৫ সাল থেকে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা পরিচালনা করছে এনটিআরসিএ। শুরুতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির হাতে থাকলেও ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর সরকার এনটিআরসিএকে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশের দায়িত্বও দেয়। এর পর থেকে সাতটি গণবিজ্ঞপ্তিতে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৮০ হাজারের মতো শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ করেছে এনটিআরসিএ।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ১২:২৮ এএম

দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তরে শূন্য থাকা প্রায় ৫ লাখ পদে জনবল নিয়োগের একটি মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার। আগামী ছয় মাসের মধ্যেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শূন্যপদের তালিকা ও নিয়োগের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।


জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী আশ্বস্ত করেছেন যে, দ্রুততম সময়ে এবং কঠোর নিরপেক্ষতার মাধ্যমে এই নিয়োগগুলো সম্পন্ন করা হবে।


এদিকে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোনেম জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে কমিশন তাদের পরিকল্পনা সরকারকে জানিয়েছে। 


স্বাস্থ্য খাতে রেকর্ড নিয়োগ


সবচেয়ে বড় চমক আসছে স্বাস্থ্যখাতে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জাতীয় সংসদে ঘোষণা করেছেন যে, সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শুধু স্বাস্থ্য খাতেই এক লাখ নতুন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে।


বাজেট ও আর্থিক বরাদ্দ


এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়া সফল করতে সরকার বড় ধরনের আর্থিক সংস্থানও নিশ্চিত করেছে। মোট ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে এই কর্মযজ্ঞ চলবে, যার সিংহভাগ চলতি অর্থবছরের শেষ চার মাসেই খরচ করা হবে। বাকি অর্থ আগামী অর্থবছরের শুরুতেই ছাড় দেওয়া হবে।


জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি পদ খালি রয়েছে।


এর মধ্যে প্রথম শ্রেণিতে প্রায় ৬৯ হাজার, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১ লাখ ২৯ হাজার, তৃতীয় শ্রেণিতে ১ লাখ ৪৭ হাজার এবং চতুর্থ শ্রেণিতে ১ লাখ ১৫ হাজারের বেশি শূন্য পদ রয়েছে।


বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের এই মেগা নিয়োগ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তা দেশের শিক্ষিত বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য এক ঐতিহাসিক আশীর্বাদ হিসেবে গণ্য হবে এবং দেশের প্রশাসনিক গতিশীলতা কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে।


সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ, ২০২৬, সময় : ৯:৩২ এএম

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির রেশ কাটতে না কাটতেই সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আবারও লম্বা ছুটি কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। আসছে এপ্রিলে ২ দিন ম্যানেজ করতে পারলেই টানা ৫ দিনের লম্বা ছুটি কাটাতে পারবেন সরকারি চাকরিজীবীরা।


২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি থাকবে। দিনটি মঙ্গলবার পড়েছে। এই অবস্থায় বুধ ও বৃহস্পতিবার (১৫-১৬ এপ্রিল) ছুটি ম্যানেজ করতে পারলেই মিলবে টানা ৫ দিনের ছুটি। কারণ, এরপর শুক্র ও শনিবার (১৭ ও ১৮ এপ্রিল) সাপ্তাহিক ছুটি থাকছে।


এর আগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মোট ৭ দিনের সরকারি ছুটি ছিল। গত ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত লম্বা এই ছুটি কাটানোর পর মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে অফিস-আদালতে আবারও স্বাভাবিক কর্মতৎপরতা ফিরে আসে। এরমধ্যেই আবারও ৩ দিনের ছুটির সুযোগ পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা।


মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) একদিনের সরকারি ছুটি ছিল। পরের দু’দিন শুক্র ও শনিবারও সাপ্তাহিক ছুটি। সবমিলিয়ে টানা ৩ দিনের লম্বা ছুটি উপভোগ করছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, সময় : ১২:০৪ পিএম

ক্যাডার পদে চূড়ান্ত নিয়োগের দুই সপ্তাহ পর ৪৪তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে ৪ হাজার ১৩৬ জন প্রার্থীকে নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) প্রার্থীদের তালিকাসহ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। 


নির্বাচিতরা ৯ম থেকে ১১তম গ্রেডের বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগ পাবেন। মেধা ও পছন্দক্রম বিবেচনা করে প্রার্থীরা এ মনোনয়ন পেয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। 


এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি ৪৪তম বিসিএসে ১ হাজার ৪৯০ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।


২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর ১ হাজার ৬৭৬ জন প্রার্থীকে নিয়োগের চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়ে তৃতীয়বারের মত আলোচিত ৪৪তম বিসিএসের ফলাফল প্রকাশ করে পিএসসি।


প্রথম দফায় এই বিসিএসের ফল প্রকাশ করা হয়েছিল ২০২৫ সালের ৩০ জুন। ১ হাজার ৬৯০ জনকে উত্তীর্ণ করে প্রকাশিত ওই ফলে ৩০৩ জন প্রার্থী একই ক্যাডারে বা তাদের পছন্দক্রম অনুযায়ী নিচের ক্যাডারের পদে সুপারিশ পেয়েছিলেন বলে যোগদান করতে চাননি। এ কারণে পরে ৬ নভেম্বর সম্পূরক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছিল, যেখানে কিছু 'ত্রুটি বিচ্যুতি' পেয়েছিল কমিশন।


২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৭১০ জন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়ার কথা ছিল।


এ বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২০২৪ সালের এপ্রিলে। মাঝে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কারণে প্রথম দফায় এবং সরকার পতনের পর ২৫ অগাস্ট দ্বিতীয় দফায় তা স্থগিত করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর থেকে প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া শুরু করে পিএসসি।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, সময় : ৫:৫১ এএম

৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (পিএসসি)। 


গতকাল মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে।


গতকাল ৫০তম বিসিএসের প্রিলির ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এক বছরে একটি বিসিএস নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্যে লিখিত পরীক্ষার জন্য দুই মাস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।


৫০তম বিসিএসের প্রিলি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ১২ হাজার ৩৮৫ জন প্রার্থী। গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহএই আটটি বিভাগীয় শহরের ১৯০টি কেন্দ্রে একযোগে ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবারের বিসিএসে অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন মোট ২ লাখ ৯০ হাজার ৯৫১ জন পরীক্ষার্থী।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৯:২০ এএম
  • আপডেট : বুধবার ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১১:১৭ এএম


প্রাথমিকের ফল প্রকাশ

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, সময় : ৯:২০ এএম

প্রাথমিকের ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৬৯ হাজারেরও বেশি। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। 


এতে ৬৯,২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫ সালের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১টি জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা ব্যতীত) অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষার এই ফলাফলের ভিত্তিতে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে।


তবে উল্লেখ করা হয়েছে, এই ফলাফল সাময়িক এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচনের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। এর ভিত্তিতে কোনো শূন্য পদে সরাসরি নিয়োগের নিশ্চয়তা দেওয়া হয় না। 


পাশাপাশি ফলাফলে কোনো ত্রুটি থাকলে সংশোধনের অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে রেখেছে।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, স্থান ও সময় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হবে। 


মৌখিক পরীক্ষায় নির্বাচিত প্রার্থীদের রোল নম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের (https://mopme.gov.bd) এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (https://dpe.gov.bd) ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।


প্রার্থী নিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলের সমন্বয়ে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫’ অনুযায়ী গৃহীত হবে।

সর্বশেষ সব খবর