শাকিব খান ও সাবিলা নূর। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ৩১ মে, ২০২৬, সময় : ১২:৫০ পিএম

প্রেক্ষাগৃহে এখন চলছে আজমান রুশোর সিনেমা ‘রকস্টার’। ছবিতে জুটি হয়েছেন শাকিব খান ও সাবিলা নূর। ‘রকস্টার’ নিয়ে সাবিলা নূর বলেন, ‘এটা অনেক ব্যতিক্রমী সিনেমা হতে যাচ্ছে। কারণ, এখানে যেভাবে শাকিব ভাই নিজেকে যেভাবে প্রেজেন্ট করেছেন, আগে তিনি যা করেছেন, সেটার চেয়ে একেবারেই আলাদা। সিনেমার জনটাও অন্য রকম—এটা মিউজিক্যাল রোমান্টিক সিনেমা। এখানে আমার আর শাকিব ভাইয়ের রসায়ন এক্সপ্লোর করার অনেক জায়গা ছিল।


সম্প্রতি ক্যাপিটাল ইন্টারটেইনমেন্টের ‘টক অব দ্য ক্যাপিটাল’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন সাবিলা। অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলার সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানের ‘রকস্টার’ সিনেমা ও নানা প্রসঙ্গে কথা বলেন সাবিলা।


সাবিলা আরো বলেন, আমি খুবই সৌভাগ্যবান কারণ, শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে দ্বিতীয় প্রকল্পেই আমি এ ধরনের একটা ছবিতে সুযোগ পেয়েছি। যেখানে অভিনয় করার সুযোগ ছিল। সেখানে মীরা চরিত্রের সঙ্গে আগুন চরিত্রের একটা কেমেস্ট্রি। দর্শকেরা এটা কীভাবে নেন, সেটা জানার জন্য মুখিয়ে আছি। কারণ, এটা একেবারে অন্য রকম একটা সিনেমা।’


গত বছর পবিত্র ঈদুল আজাহায় রায়হান রাফীর ‘তাণ্ডব’ সিনেমায় শাকিব খানের সঙ্গে প্রথম জুটি বাঁধেন সাবিলা। এরপর চলতি বছরের পবিত্র ঈদুল ফিতরে তানিম নূরের ‘বনলতা এক্সপ্রেস’–এ শরীফুল রাজের সঙ্গে দেখা যায় তাঁকে। আর এবারের ঈদুল আজহায় এল ‘রকস্টার’; অর্থাৎ টানা তিন ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল সাবিলার সিনেমার।


বিষয়টি নিয়ে সাবিলা বলেন, ‘এটা নিয়ে আমি সেভাবে আলাদা করে ভাবিনি। যখন সবাই বলছিল, নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে হচ্ছিল। আরেকটা বিষয় হলো, তিনটাই আলাদা ধরনের সিনেমা। যেমন “তাণ্ডব” বাণিজ্যিক সিনেমা, সেখানে “লিচুর বাগানে” ধরনের গান ছিল। একদম আলাদা হলো “বনলতা এক্সপ্রেস”; আগের সিনেমার চরিত্রের সঙ্গে কোনো মিল নেই। “বনলতার এক্সপ্রেস”–এর চিত্রের চেয়ে “রকস্টার”–এর মীরা একেবারে আলাদা।’ পরপর তিন ঈদে ভিন্নধর্মী তিন চরিত্রে সুযোগ পেয়ে নিজেকে সৌভাগ্য হিসেবেও উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।


দীর্ঘদিন নাটকে কাজ করে সিনেমায় আসা প্রসঙ্গে সাবিলা বলেন, তাঁর ইচ্ছা ছিল, নাটকে তাঁর ‘পাশের বাড়ির মেয়ে’ টাইপ ইমেজ যেটা হয়েছিল, সিনেমায় যেন সেটা ভেঙে যায়। দর্শকেরা যেন চমকে যান। ‘তাণ্ডব’ দিয়ে, বিশেষ করে সিনেমার গান ‘লিচুর বাগানে’ দিয়ে সেটা করতে পেরেছেন বলেও মনে করেন সাবিলা।


সিনেমায় শাকিব খানকে দেখা গেছে এক সংগীতশিল্পীর চরিত্রে। আজমান রুশোর গল্পে নির্মিত ছবিতে একজন সংগীতশিল্পীর জীবনসংগ্রাম, উত্থান-পতন এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। আজমান রুশো জানান, নির্মাণে আসার আগে তিনি নিজেও সংগীতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নিজের জীবন ও বাস্তব জীবনের রকস্টারদের নানা অভিজ্ঞতার মিশেলে তিনি এই গল্প তৈরি করেছেন। সিনেমাটিতে শাকিবের সঙ্গে আরও আছেন সাবিলা নূর, তানজিয়া মিথিলা ও সুনিধি নায়েক।


সিনেমাটির বেশির ভাগ গানের কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন আহমেদ হাসান সানি। গানগুলোয় কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি। সংগীত পরিচালনায় আছেন জাহিদ নিরব। অঞ্জন চৌধুরী নিবেদিত সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন নুসরাত মাটি। সংলাপ লিখেছেন আয়মান আসিব ও সামিউল ভূঁইয়া। সিনেমাটির এক্সক্লুসিভ স্ট্রিমিং পার্টনার চরকি। সিনেমাটির সব গান মুক্তি পাচ্ছে এসভিএফ মিউজিক, চরকি, বিলিং মিউজিকের অফিশিয়াল চ্যানেলে।



  • প্রকাশ : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৫ পিএম
  • আপডেট : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৫ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


রিভেঞ্জ ড্রেসে প্রিন্সেস ডায়ানা

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৫ পিএম

ব্রিটিশ রাজপরিবারের ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয়, প্রভাবশালী এবং মানবতাবাদী সদস্য প্রয়াত প্রিন্সেস ডায়ানার বহুল আলোচিত কালো গাউনটি (রিভেঞ্জ ড্রেস) প্রায় ৩০ বছর পর আবারও নিলামে উঠতে যাচ্ছে। বিখ্যাত এ পোশাকটির মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ মার্কিন ডলার। পোশাকটিকে ডায়ানার আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে ভাবা হয়।


গ্রিক ডিজাইনার ক্রিস্টিনা স্টাম্বোলিয়ানের নকশা করা কালো রঙের অফ-দ্য-শোল্ডার সিল্কের এ বিশেষ গাউনটি ১৯৯৪ সালে ভ্যানিটি ফেয়ার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরেছিলেন লেডি ডায়ানা স্পেন্সার (প্রিন্সেস ডায়না)। ওই রাতেই ডায়ানার সাবেক স্বামী এবং তৎকালীন প্রিন্স অব ওয়েলস চার্লস প্রকাশ্যে স্বীকার করেন যে, তিনি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। এর পর থেকেই ডায়ানার ওই পোশাকটি পরিচিতি পায় ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ বা ‘প্রতিশোধের পোশাক’ নামে।


এ বছর ৯ ডিসেম্বর নিউইয়র্কে সোথবির আয়োজনে বিশেষ ফ্যাশন নিলামে পোশাকটি তোলা হবে। এটি হবে প্রিন্সেস ডায়ানাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত একটি স্বতন্ত্র ফ্যাশন নিলামের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।


নিলামকারী সংস্থা সোথবির ভাষ্য অনুযায়ী, ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে স্মরণীয় ও পরিচিত ফ্যাশন মুহূর্তগুলোর একটি। পোশাকটি পরা ডায়ানার ছবি বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমে অসংখ্যবার প্রকাশিত হয়েছে।


সোথবির জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগ শুরু হওয়ারও আগে এবং তারকাদের ছবি মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ তৈরি হওয়ার আগে ডায়ানা একটি গাড়ি থেকে নেমেই যেন একটি ‘ভাইরাল ফ্যাশন মুহূর্ত’ তৈরি করেছিলেন।


নিউইয়র্কে নিলামে ওঠার আগে প্রিন্সেস ডায়ানার ঐতিহাসিক পোশাকটি লন্ডন, হংকং ও জেনেভায় প্রদর্শন করা হবে বলে জানিয়েছে ফ্যাশন ম্যাগাজিন ভোগ।


সূত্র : ওয়াশিংটন পোস্ট


অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪১ পিএম

ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার পর নিজের কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতা ও পাশে থাকা মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। গতকাল বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে বাঁধন তার ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘জীবন যখন কঠিন সময়ের মুখোমুখি করে, তখন সবসময় মনে রাখবেন অন্য প্রান্তে হয়তো আপনার জন্য সুন্দর কিছু অপেক্ষা করছে।’


নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রের এই অভিনেত্রী বলেন, ‘কী দীর্ঘ এক যাত্রা ছিল এটি! এমন এক যাত্রা, যেখানে ছিল কঠিন সব মুহূর্ত; ছিল অপমান, হয়রানি, শারীরিকভাবে আক্রান্ত হওয়া, এমনকি নিজের মানুষদের কাছ থেকেই পরিত্যক্ত হওয়ার অনুভূতি। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও আমি একটি গভীর সত্য উপলব্ধি করেছি কখনো কখনো সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকেই আসে সবচেয়ে বড় সমর্থন।’


কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশ ও ইতালি সরকার, ইতালিতে বাংলাদেশ দূতাবাস, ইতালিয়ান পুলিশ এবং উৎসব কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বাঁধন।


তিনি বলেন, ‘যখন আমার সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা ও সমর্থনের প্রয়োজন ছিল, তখন আপনারা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন।’


নিজের কিছু মানুষ যখন দূরে সরে গিয়েছিল, তখন এসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিই তার শক্তি ও সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হয়ে উঠেছিল বলেও জানান এই অভিনেত্রী। পাশাপাশি যারা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন, খোঁজ নিয়েছেন, দোয়া করেছেন কিংবা একটি ভালো কথা বলেছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতিও হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বাঁধন।


সবশেষে আজমেরী হক বাঁধন লেখেন, ‘আমি আপনাদের সবাইকে ভালোবাসি।’


৮৩তম ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতেই ইতালিতে গেছেন বাঁধন।


গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে ভাই ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে স্থানীয় একটি পার্কে গেলে সেখানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু কর্মী-সমর্থক তার ওপর হামলা ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন বলে অভিযোগ করেন বাঁধন।


ঘটনার পর তার পাশে দাঁড়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থানীয় প্রশাসন। একই সঙ্গে দেশে-বিদেশে অসংখ্য মানুষ ঘটনার প্রতিবাদ জানান এবং অভিনেত্রীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেন।


জেনিফার উইনগেট।

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:১৫ এএম

বিয়ে মানেই কি অভিনয় থেকে দূরে সরে যাওয়া? অনেক অভিনেত্রীকেই এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এবার একই প্রশ্নের মুখে পড়লেন অভিনেত্রী জেনিফার উইনগেট।


সম্প্রতি বিয়ের পর কাজের অগ্রাধিকার ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।


আসন্ন ওয়েব সিরিজ ‘শক: ট্রাস্ট নো ওয়ান’-এর প্রচারে গিয়ে জেনিফার জানান, বিয়ের পর জীবনের অগ্রাধিকার কিছুটা বদলেছে ঠিকই, তবে অভিনয় কিংবা কাজের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি।




গত ১৬ জুলাই প্রবাসী ব্যবসায়ী উইলিয়াম ইসমাইলের সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন জেনিফার। বিয়ের পর কাজের ক্ষেত্রে তার অগ্রাধিকার বা দৃষ্টিভঙ্গিতে কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে অভিনেত্রী বলেন,‘কিছুই বদলায়নি। আমি শুধু বিয়ে করেছি। বাকি সব একই আছে।’


জুলাই মাসে উইলিয়াম ইসমাইলকে বিয়ে করেন জেনিফার উইনগেট। ছবি: সংগৃহীত।

জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখতেই বিশ্বাসী জেনিফার। কাজের পরিবেশ এবং সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্কও তার কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অভিনেত্রীর ভাষায়, কিছু মানুষ জীবনে ভারসাম্য পছন্দ করেন, তিনিও তাদেরই একজন।


টেলিভিশন কিংবা ডিজিটাল- যে মাধ্যমেই কাজ করুন না কেন, সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক ও স্বচ্ছন্দ পরিবেশকে গুরুত্ব দেন জেনিফার। একই মানুষদের সঙ্গে বারবার কাজ করার কারণও জানিয়েছেন তিনি।


তার মতে, পরিচিত মানুষদের সঙ্গে কাজ করলে একটি স্বচ্ছন্দ পরিবেশ তৈরি হয়। একে অপরকে বুঝতে সুবিধা হয়। কে কী করবেন কিংবা কী করবেন না, সেটিও অনেকটা আগে থেকেই জানা থাকে। ফলে কাজের জায়গায় বোঝাপড়া আরও সহজ হয়।


তবে বিয়ের পর জীবনের অগ্রাধিকার কিছুটা বদলেছে বলে স্বীকার করেছেন জেনিফার। কাজের প্রয়োজনে তাকে এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াত করতে হচ্ছে। কখন কোথায় থাকতে হবে, কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন কীভাবে সামলাবেন- এসব বিষয় এখন আগের চেয়ে কিছুটা বেশি ভাবতে হচ্ছে তাকে।


তবুও নতুন জীবন নিয়ে এখন পর্যন্ত তার অভিজ্ঞতা বেশ ভালো বলেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী। পাশাপাশি ভক্তদের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছার জন্যও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।


এদিকে জেনিফার বর্তমানে ব্যস্ত তার নতুন ওয়েব সিরিজ ‘শক: ট্রাস্ট নো ওয়ান’-এর প্রচারে। রহস্য-রোমাঞ্চ ঘরানার এ সিরিজে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন পরিণীতি চোপড়াসহ আরও অনেকে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সিরিজটির।


সিডনি সুইনি

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৪৪ পিএম

হলিউড অভিনেত্রী সিডনি সুইনি এবার সিনেমা বা সিরিজে নয়, আলোচনায় এসেছেন একটি বিজ্ঞাপনকে ঘিরে। নতুন স্পোর্টস ট্রেডিং ও প্রেডিকশন অ্যাপ নোভিগের বিজ্ঞাপনে প্রায় পুরোপুরি নগ্ন হয়ে ক্যামেরার সামনে হাজির হয়েছেন ‘ইউফোরিয়া’ অভিনেত্রী। বিজ্ঞাপনটিতে সুইনিকে দেখা যায় বিভিন্ন খেলাধুলার সরঞ্জামের সঙ্গে। কোথাও বাস্কেটবল ও ফুটবল দিয়ে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঢেকেছেন, কোথাও আবার হকি গোলপোস্ট, ফুটবল প্যাড, বেসবল ক্যাচারের হেলমেট কিংবা হকি গোলকিপারের মাস্ক ব্যবহার করেছেন। সুইনি শুধু এই বিজ্ঞাপনের মুখ নন, নোভিগের কৌশলগত অংশীদার ও শেয়ারহোল্ডারও হয়েছেন।


বিজ্ঞাপনটি নিয়ে এক বিবৃতিতে সুইনি বলেন, ‘মজার একটি ধারণাকে সামনে আনাই ছিল এই প্রচারের উদ্দেশ্য। ভাবনাটি খুব সহজ—সব ধরনের বাড়তি শব্দ সরিয়ে মনোযোগটা পুরোপুরি খেলাধুলার দিকে নেওয়া।’


বিজ্ঞাপনের শুরুতেই সুইনিকে বলতে শোনা যায়, ‘ভাবছেন খেলাধুলা সম্পর্কে আপনি সব জানেন? তাহলে প্রমাণ করুন।’ এরপর ক্যামেরার সামনে নগ্ন অবস্থায় একটি বাস্কেটবল হুপের ওপর বসে থাকতে দেখা যায় তাঁকে। শরীর ঢেকে রেখেছেন কয়েকটি বাস্কেটবল ও ফুটবল দিয়ে।


এরপর বিজ্ঞাপনটি আরও চমকপ্রদ হয়ে ওঠে। কখনো হকি গোলকিপারের পোশাকের অংশ, কখনো ফুটবল প্যাড, আবার কখনো বেসবল ক্যাচারের হেলমেট পরে দেখা যায় সুইনিকে। একপর্যায়ে তিনি নোভিগের জার্সিও পরেন।


নোভিগ গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে কার্যক্রম শুরু করেছে। ফেডারেল নিয়ন্ত্রিত কাঠামোর আওতায় পরিচালিত এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের জন্য বয়স হতে হবে অন্তত ২১ বছর। আধুনিক আর্থিক বাজারের ট্রেডিং পদ্ধতির সঙ্গে খেলাধুলাকেন্দ্রিক প্রেডিকশন মার্কেটের ধারণা মিলিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।


তবে খোলামেলা বিজ্ঞাপনে সুইনির উপস্থিতি এবারই প্রথম নয়। চলতি বছর নিজের অন্তর্বাসের ব্র্যান্ড সির্ন চালু করার পর সেখানকার প্রচারণাতেও একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে তাঁকে। গত বছর আমেরিকান ইগলের একটি জিনসের বিজ্ঞাপনেও অভিনয় করেছিলেন সুইনি। বিজ্ঞাপনে ‘গুড জিনস’ শব্দ নিয়ে করা শব্দখেলা নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।


অভিনয়ের দিক থেকেও এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন সুইনি। ‘দ্য হাউসমেইড’-এর সাফল্যের পর এর সিকুয়েল ‘দ্য হাউসমেইডস সিক্রেট’-এ দেখা যাবে তাঁকে। ‘এনিবডি বাট ইউ’ ছবিতেও তিনি অভিনয় করেছিলেন। তুলনামূলক ছোট বাজেটের সেই রোমান্টিক কমেডি শেষ পর্যন্ত প্রায় ৪০ কোটি ডলার আয় করে বড় বক্স অফিস সাফল্য পায়।


সুইনির সামনে আরও আছে নেটফ্লিক্সের ‘গান্ডাম’ সিনেমা এবং স্টুডিওক্যানালের ‘দ্য কাস্টম অব দ্য কান্ট্রি’।


মেঘনা আলম

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৪ পিএম

ব্যক্তিগত জীবন, পোশাক ও সামাজিক অবস্থান নিয়ে নানা সময় আলোচনায় থাকেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ, পর্দা করা এবং গণমাধ্যমে তার পুরোনো ছবি প্রকাশ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি।


মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মেঘনা আলম লেখেন, ‘আমি মাথায় কাপড় দিয়ে থাকি প্রায় ২ বছর। এদিকে মিডিয়া সব নিউজ করে আমার আগের ক্লিভেজ শো করা। একজন নারীর চয়েস, কমফোর্ট, মডেস্টি সব কিছুর চেয়ে ভিউ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইচ্ছা থাকলেও পর্দা করা সম্ভব না।’


এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দেওয়া আরেকটি ফেসবুক পোস্টে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কথা বলেন মেঘনা। সেখানে তিনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত কোনো শারীরিক সম্পর্কে জড়াননি তিনি।


মেঘনা আলম লেখেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্কে জড়াইনি। তবুও আমাকে কত অপবাদ দেওয়া হয়, শুধু ধর্মীয় লেবাসে না থাকার কারণে।’


তার দাবি, শুধু পোশাক বা ধর্মীয় অনুশাসন অনুসরণ না করার কারণে একজন নারীকে নিয়ে নানা ধরনের অপবাদ ছড়ানো হয়। একই সঙ্গে একজন নারীর ব্যক্তিগত পছন্দ ও জীবনযাপনের সিদ্ধান্তকে সম্মান করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।


পোস্টে সমাজের দ্বিমুখী মানসিকতার সমালোচনাও করেন মেঘনা। তার অভিযোগ, নৈতিকতা ও ধর্মের মুখোশ পরে থাকা কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ কিংবা ভাইরাল অডিও ছড়িয়ে পড়লেও তাদের নির্দোষ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়।


এমন সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মেঘনা আলম লেখেন, ‘এ কেমন দুনিয়া?’


তার সাম্প্রতিক পোস্টে মূলত একজন নারীর পোশাক, ব্যক্তিগত পছন্দ ও সামাজিক মূল্যায়নের বিষয়টি সামনে এসেছে। একই সঙ্গে পুরোনো ছবি ও বর্তমান জীবনযাপনের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে গণমাধ্যমের সংবাদ পরিবেশনের ধরন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।


মেঘনা আলমের এসব বক্তব্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-প্রতিক্রিয়া। কেউ তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করছেন, আবার কেউ ভিন্নমতও জানাচ্ছেন। তবে নিজের অবস্থান ও ব্যক্তিগত পছন্দ নিয়ে নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করেছেন এই মডেল ও রাজনীতিবিদ।

বিষয় : মেঘনা আলম


এআই ছবিতে আশির দশকের লুকে তাসনিয়া ফারিণ ও তমা মির্জা

  • প্রকাশ : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৪৯ পিএম

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডের নতুন এক হাওয়া বইছে।  নেটিজেনরা যেন হুট করেই ফিরে গেছেন আশির দশকে। ফেসবুক খুললেই টাইমলাইনে ভেসে উঠছে আশির দশকের হলিউড-বলিউডের ক্লাসিক পোস্টার বা ভিন্টেজ ফটোশুটের ছবি। ওভারসাইজড ব্লেজার, পোলকা ডট পোশাক, চওড়া কলারের শার্ট, রট্রো হেয়ার স্টাইলে ধরা দিচ্ছেন তারকারা। 


নিজের বর্তমান ছবিকে এআই-এর মাধ্যমে বদলে নিয়ে নেটিজেনরা দেখে নিচ্ছেন, চার দশক আগের সেই স্নিগ্ধ ফ্রেমে নিজেকে কেমন দেখাত। এই রেট্রো রূপান্তরের ছোঁয়া বাদ পড়েনি বিনোদন জগতের তারকাদের জীবন থেকেও।


নতুন ট্রেন্ডে নজর কেড়েছেন অভিনেত্রী পূর্ণিমা, সাফা কবির, তমা মির্জা, তাসনিয়া ফারিণ, বিদ্যা সিনহা মিম তৌসিম মাহাবুব, আরশ খান, জিয়াউল ফারুক অপূর্বসহ অনেকে। 


নজর কাড়া একটি ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে পূর্ণিমা লিখেছেন, নতুন ট্রেন্ড 


চিত্রনায়িকা তমা মির্জা নিজের এমন একটি রেট্রো মেকওভারের ছবি অনুরাগী ও অনুসারীদের সাথে ভাগ করে নিয়ে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘ট্রেন্ড অনুসরণ করছি।’ 


অভিনেত্রী তানজিকা আমিন ছবিটি প্রকাশ করে লিখেছেন, গা ভাসাইলাম


অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা লিখেছেন, কালজয়ী গান আর পুরোনো দিনের স্টাইলের সেই সোনালী যুগে ফিরে যাওয়া!


অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম লিখেছেন, আশির দশকের লুক।


সাফা কবির লিখেছেন, আশির দশকের এই উন্মাদনা এখন পুরো ইন্টারনেট জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। আর চরকি এতে দারুণ এক চমৎকার ভাবনা নিয়ে হাজির হয়েছে! আশির দশকের এই লুকে ডা. ইরিনকে কেমন লাগছে?


অন্যদিকে, ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব আশির ধাঁচের একটি ফ্রেমে বন্দী হয়ে লিখে জানিয়েছেন, ‘আশির দশকের কোনো এক বিকেল থেকে।’


অভিনেত্রী সাফা কবীর ও তাসনিয়া ফারিণও পিছিয়ে নেই এই ডিজিটাল নস্টালজিয়া থেকে। নিজের আশির দশকের রূপ প্রকাশ করে সাফা কবীর লিখেছেন, ‘আশির দশকের উন্মাদনা এখন পুরো ইন্টারনেটজুড়ে, আর চরকি বিষয়টিকে এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছে! আশির দশকের লুকে ডা. ইরিনকে কেমন লাগছে?’ একই ধারায় তাসনিয়া ফারিণ কিছুটা স্মৃতিকাতর হয়েই যেন মন্তব্য করেছেন, ‘ভালোই হতো।’


সংগীতশিল্পী পড়শীও নিজের একটি সত্তাকে ৪০ বছর আগের সেই পুরোনো ক্যানভাসে আবিষ্কার করে বেশ রোমাঞ্চিত। ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘১৯৮০ সালে যদি থাকতাম, তাহলে মনে হয় এমন থাকতাম।’