অভিনেতা ও নাট্যব্যক্তিত্ব ফারুক আহমেদ

  • প্রকাশ : বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১১:৩৬ এএম

জনপ্রিয় অভিনেতা ও নাট্যব্যক্তিত্ব ফারুক আহমেদ। ১৯৬০ সালের ২৫ মার্চ মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। 


শিশুকাল থেকেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহী এ অভিনেতা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে অধ্যয়নকালেই মঞ্চে অভিনয় শুরু করেন।


আজ বুধবার (২৫ মার্চ) ফারুক আহমেদের জন্মদিন। দিনটি কখনো উদ্‌যাপন করেননি এই অভিনেতা। নিজে ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আজ ২৫ মার্চ আমার জন্মদিন। ঘটনা সত্য। ছোটবেলায় আমাদের বাড়িতে জন্মদিন পালনের কোনো রেওয়াজ ছিলো না। তাই এই দিনটি নিয়ে আলাদা কোম অনুভূতি কাজ করতো না।’


তিনি আরও লিখেছেন, ‘যখন দেখলাম আত্মীয়, বন্ধু বান্ধবরা তাদের জন্মদিন ঘটা করে পালন করছে তখন জন্মদিনের আবেগ আমার ভিতরও কিছুটা চিলিক দিতে লাগলো। কিন্তু ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাত্রি হওয়াতে আমি আমার জন্মদিন পালন করা থেকে বিরত থাকি। যারা আমার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তাদের সকলের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।’


ফারুক আহমেদ বাংলাদেশের মঞ্চ ও টেলিভিশন নাটকে দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয়। তিনি হুমায়ূন আহমেদের নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে দেশব্যাপী পরিচিতি পান। 


তার প্রথম পরিচিতি আসে টিভি নাটক ‘আজ রবিবার’ দিয়ে। এ নাটকে তিনি মতি চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করে রাতারাতি জনপ্রিয়তা পান।


১৯৮৩ সালে ফারুক আহমেদ ঢাকা থিয়েটারে যোগ দেন। সেখানে হুমায়ুন ফরিদী, আফজল হোসেন, সুবর্ণা মুস্তফা, শিমুল ইউসুফ, রাইসুল ইসলাম আসাদ, আহমেদ রুবেল এবং লিটু আনামসহ অন্যান্য প্রখ্যাত অভিনেতার সঙ্গে কাজ করেন।


তিনি প্রায় ২৫ বছর থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য মঞ্চনাটকের মধ্যে রয়েছে, ‘কীর্তনখোলা’, ‘প্রাচা’, ‘কেরামত মণ্ডল’, ‘চক্র’, ‘যাবতী কন্যা’।


এছাড়া তিনি ‘বদরাগী বদরুল’ ও ‘কিভাবে মৌ খাও’ নাটক দুটি পরিচালনাও করেছেন।



  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:০৩ পিএম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:০৩ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:০৩ পিএম

বিশ্বখ্যাত কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস সংগীতাঙ্গনের মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা 'গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস' বয়কটের এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গ্র্যামির আয়োজক প্রতিষ্ঠান 'রেকর্ডিং একাডেমি' ২০২৭ সালের আসরের জন্য 'বেস্ট এশিয়ান পপ মিউজিক পারফরম্যান্স' নামে একটি নতুন ক্যাটাগরি চালুর ঘোষণা দেওয়ার পরই মূলত এই প্রতিবাদের পথ বেছে নেয় জনপ্রিয় এই ব্যান্ডটি। 


বুধবার বিটিএসের সাত সদস্য— জিন, সুগা, জে-হোপ, আরএম, জিমিন, ভি এবং জংকুক— নিজ নিজ ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এক বার্তায় জানান, তারা চলতি যোগ্যতার মেয়াদে গ্র্যামির কোনো ক্যাটাগরিতেই নিজেদের কাজ জমা দেবেন না।


কোরিয়ান ভাষায় দেওয়া সেই বার্তায় বিটিএস সদস্যেরা স্পষ্ট করেন যে, অঞ্চল বা ভাষার ভিত্তিতে সংগীতকে বিভক্ত না করে, সুরকে যেন স্বাধীনভাবে শোনা ও ভালোবাসা হয়। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা তাদের অগণিত ভক্ত বা 'আর্মি' এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে তারা এই সিদ্ধান্ত নেন। চলতি বছরের মার্চে মুক্তি পাওয়া তাদের ব্যাপক জনপ্রিয় অ্যালবাম 'আরিরাং'-এর জন্য বিটিএস একাধিক গ্র্যামি মনোনয়ন পেতে পারে বলে জোর গুঞ্জন ছিল। তবে ব্যান্ডটির এই ঐতিহাসিক বয়কটের সিদ্ধান্ত বিশ্বজুড়ে তাদের কোটি কোটি ভক্তকে হতাশ করার পাশাপাশি বড় এক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


উল্লেখ্য, ২০২১ সালে 'ডাইনামাইট' গানের মাধ্যমে প্রথম কে-পপ গোষ্ঠী হিসেবে গ্র্যামি মনোনয়ন পেয়ে ইতিহাস গড়েছিল বিটিএস। পরবর্তীতে 'বাটার', কোল্ডপ্লে-র সঙ্গে যৌথ গান 'মাই ইউনিভার্স', 'ইয়েট টু কাম'সহ মোট পাঁচটি বিভাগে তারা মনোনয়ন পায় এবং তিনবার গ্র্যামির জমকালো মঞ্চে সরাসরি পারফর্ম করেছে। অন্যদিকে, রেকর্ডিং একাডেমির প্রধান নির্বাহী হার্ভি মেসন জুনিয়র এশীয় পপসহ নতুন ক্যাটাগরিগুলোকে বিশ্ব সংগীতের বিস্তৃতির প্রতিফলন হিসেবে দাবি করলেও, বিটিএসের এই অবস্থান সংগীতকে ভৌগোলিক সীমারেখায় আটকে রাখার নীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিল।


হানিফ সংকেত। ছবি: ইত্যাদির সৌজন্যে

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:৫৬ পিএম

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র নতুন পর্বের জন্য এবার বেছে নেওয়া হয়েছে নদীঘেরা উপকূলীয় জনপদ লক্ষ্মীপুরকে। এ জেলার ইতিহাস ও সৌন্দর্যকে উপজীব্য করে এবার নান্দনিক মঞ্চ নির্মাণ করা হয় লক্ষ্মীপুর জেলা সদরে অবস্থিত শতবর্ষপ্রাচীন দালাল বাজার জমিদারের স্মৃতিবহনকারী নবীন কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে। ‘ইত্যাদি’র নতুন এই পর্বটি আগামী ৩১ জুলাই রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হবে। এটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত।


এবারের পর্বে থাকছে দুটি বিশেষ গান। এর একটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন লক্ষ্মীপুরের কণ্ঠশিল্পী তানজিনা রুমা এবং ফেনীর কণ্ঠশিল্পী সাজিয়া সুলতানা পুতুল। গীতিকার কবির বকুলের কথায় গানটির সুর করেছেন আকাশ মাহমুদ।


প্রতিবারের মতো এবারও থাকছে জেলা পরিচিতিমূলক নৃত্যগীত। মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন উজ্জ্বল সিনহা। তানজিনা রুমা ও রাজিবের কণ্ঠে এবং এস কে জাহিদের মনোমুগ্ধকর কোরিওগ্রাফিতে মঞ্চ মাতিয়েছেন স্থানীয় নৃত্যশিল্পীরা।


দ্বিতীয় পর্বে নির্বাচিত দর্শকেরা এই পর্বের অতিথি, লক্ষ্মীপুর জেলারই সন্তান নাট্যব্যক্তিত্ব দিলারা জামানের সঙ্গে অভিনয় করবেন।


এ ছাড়া থাকছে পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী, লক্ষ্মীপুরের নিশাত মজুমদারের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার। এভারেস্ট জয়ের সেই ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় নিশাত মজুমদার ও আরেক এভারেস্ট বিজয়ী এম এ মুহিতের হাতে শোভা পেয়েছিল ‘ইত্যাদি’ লেখা একটি বিশেষ প্ল্যাকার্ড।


এবারের বিদেশি পর্বে রয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধফেরত সৈনিকদের তৈরি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ও চোখধাঁধানো উপকূলীয় পথ এবং বিশ্বের দীর্ঘতম যুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ ‘গ্রেট ওশান রোড’।


এ ছাড়া ‘ইত্যাদি’র নিয়মিত আয়োজন চিঠিপত্র পর্ব এবং বিভিন্ন সামাজিক অসংগতি ও সমসাময়িক প্রসঙ্গনির্ভর বেশ কিছু নাট্যাংশ রয়েছে।


বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে ‘স্পাইডার-ম্যান’–এর নতুন সিনেমা

  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:৪৮ পিএম

মার্ভেল-ভক্তদের তুমুল উম্মাদনার মধ্য দিয়ে আবারও পর্দায় আসছে ‘স্পাইডার-ম্যান’। ৩১ জুলাই আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেতে চলেছে সিরিজের নতুন সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। 


আরও চমকপ্রদ খবর হলো, আন্তর্জাতিক মুক্তির আগেই সিনেমাটি দেখার সুযোগ পাবেন বাংলাদেশের দর্শকেরা। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে মুক্তির আগের দিন, ৩০ জুলাই বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। মাল্টিপ্লেক্সটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের ৩৮তম এবং ‘স্পাইডার-ম্যান’ সিরিজের চতুর্থ সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রেটন পরিচালিত এ সিনেমায় যথারীতি স্পাইডার-ম্যানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন টম হল্যান্ড। আর তাঁর নায়িকা জেনডায়াও থাকছেন আগের মতোই। জেনডায়া, জ্যাকব ব্যাটালন এবং হাল্ক চরিত্রে মার্ক রাফেলোর চেনা প্রত্যাবর্তনের পাশাপাশি এ সিনেমায় বেশ কয়েকটি নতুন মুখের সংযোজন ঘটছে।


পিটারের স্মৃতি মন থেকে মুছে যাওয়ার পর এমজে তার জীবনে নতুন করে এগিয়ে গেছে। অভিনেতা ইমান এসফান্দি এ ছবিতে এমজের নতুন বয়ফ্রেন্ডের চরিত্রে অভিনয় করছেন। ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ অভিনেত্রী সেডি সিঙ্ক এ ছবিতে একটি অত্যন্ত রহস্যময় চরিত্রে হাজির হচ্ছেন।


মার্ভেল–ভক্তদের জন্য সবচেয়ে বড় চমক হলো, জনপ্রিয় নেটফ্লিক্স সিরিজ ‘ডেয়ারডেভিল’-এর পর জন বার্নথাল আবারও তাঁর আইকনিক ‘ফ্র্যাঙ্ক ক্যাসেল’ বা ‘দ্য পানিশার’ চরিত্রে বড় পর্দায় ফিরছেন। ছবিটি পিটারের মানসিক দ্বন্দ্ব ও অস্তিত্বের লড়াইকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে যাবে। বিশেষ করে ‘নো ওয়ে হোম’-এর পর পিটার পার্কারের নতুন অধ্যায় কীভাবে শুরু হবে, এটা দেখার জন্য মুখিয়ে আছে সবাই। 


‘স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম’-এর চার বছর পরের ঘটনা নিয়ে নির্মিত হয়েছে এবারের সিনেমা। ‘নো ওয়ে হোম’-এর শেষে ড. স্টিফেন স্ট্রেঞ্জের জাদুর পর বিশ্ব পিটার পার্কারের অস্তিত্ব ভুলে গেছে।


পার্কার ‘স্পাইডার-ম্যান’ নায়ক হিসেবে বেনামে নিউইয়র্ক শহরকে রক্ষা করে এবং একটি শক্তিশালী নতুন হুমকির তদন্ত করে, যখন তার অতিমানবীয় শক্তিগুলো একটি আশ্চর্যজনক এবং সম্ভাব্য বিপজ্জনক বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। পিটার পার্কার এখন সম্পূর্ণ একা। কেউ জানে না সে কে, তাই সে পূর্ণ সময়ের স্পাইডার-ম্যান হিসেবে নিউইয়র্ককে রক্ষা করছে। কিন্তু একাকিত্ব, মানসিক চাপ ও নতুন এক রহস্যময় শত্রুর আবির্ভাব তাকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলে। 


আগের সিনেমাগুলোর তুলনায় এবার পিটারকে আরও দায়িত্বশীল, স্বাধীন এবং মানসিকভাবে পরিণত অবস্থায় দেখা যাবে। যাঁরা চরিত্রের বিকাশ দেখতে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এটি আকর্ষণীয় হতে পারে। শুধু গল্প বা ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট নয়, প্রযুক্তিগত দিক থেকেও অভিনব সিনেমাটি।


এটি বিশ্বের প্রথম সিনেমা, যা সম্পূর্ণভাবে ‘শট ফর স্ক্রিন-এক্স’ উদ্যোগের আওতায় নির্মিত হয়েছে। স্ক্রিন-এক্স হলো একধরনের উন্নত সিনেমা প্রদর্শন প্রযুক্তি। সাধারণ সিনেমা হলে দর্শক শুধু সামনের পর্দায় সিনেমা দেখেন। কিন্তু স্ক্রিন-এক্স প্রযুক্তিতে মূল পর্দার পাশাপাশি হলের দুই পাশের দেয়ালেও দৃশ্য সম্প্রসারিত হয়। ফলে দর্শকেরা ২৭০ ডিগ্রি প্যানোরামিক ভিউ উপভোগ করতে পারবেন, যা সিনেমার অভিজ্ঞতাকে আরও প্রাণবন্ত করবে।


মুক্তির তারিখ ঘোষণার আগে থেকেই ভক্তদের আলোচনার তুঙ্গে রয়েছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। ট্রেলার প্রকাশের পর তো রীতিমতো ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 


প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই ট্রেলারটি ৭১ কোটি ৮৬ লাখ ভিউ পেয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। অগ্রিম টিকিট বুকিংও চলছে ব্যাপকভাবে। এতে বোঝা যায়, সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ কতটা প্রবল।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:৪৩ পিএম

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা নূর। বড়পর্দায় পা রাখার পর অল্প সময়েই দর্শকদের নজর কাড়েন তিনি। ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তাণ্ডব’ দিয়ে প্রথমবার সিনেমায় অভিনয় করেন। আর প্রথমবারই তিনি নায়ক হিসেবে পান ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানকে। এরপর ‘রকস্টার’ সিনেমাতেও জুটি বেঁধে আলোচনায় আসেন এই দুই তারকা।


সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা এবং পর্দার রোমান্টিক রসায়ন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সাবিলা নূর।


তিনি বলেন, শাকিব খানের সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে কোনো অস্বস্তি হয়নি। বরং সহশিল্পী হিসেবে তিনি এমন একটি স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি করেছিলেন যেখানে অভিনয় করাটা সহজ হয়ে যায়।


সাবিলার ভাষায়, ‌‘ক্যামেরা রোল হওয়ার পর উনি আর শাকিব খান থাকেন না, আমিও সাবিলা নূর থাকি না। তখন উনি ‘আগুন’, আমি ‘মীরা’। চরিত্রটাই তখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই কোনো দ্বিধা বা অস্বস্তি কাজ করেনি।’


তিনি আরও বলেন, ‘উনি আমাকে এমন একটি কমফোর্ট জোন দিয়েছেন, যেখানে খুব স্বাভাবিকভাবেই রোমান্টিক দৃশ্যগুলো করতে পেরেছি।’


শুধু অভিনয় নয়, শাকিব খানের পেশাদারিত্বেরও প্রশংসা করেন সাবিলা। জানান, প্রতিটি দৃশ্যের শুটিং শেষে শাকিব মনোযোগ দিয়ে নিজের অভিনয় পর্যালোচনা করেন এবং কোথায় আরও ভালো করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন।


সাবিলার মতে, ‘উনার এই বিষয়টাই আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে। প্রতিটি শট বিশ্লেষণ করে নিজেকে আরও ভালো করার চেষ্টা করেন। একজন অভিনেতা হিসেবে এটি আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে।’


এ ছাড়া ‘রকস্টার’ সিনেমার মালয়েশিয়া শুটিংয়ের স্মৃতিও ভাগ করে নেন তিনি। সাবিলার দাবি, মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে নিজেকে যেভাবে বদলে নিয়েছিলেন শাকিব, তা দেখে তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন।


উল্লেখ্য, আজমান রুশো পরিচালিত ‘রকস্টার’ সিনেমায় শাকিব খান ও সাবিলা নূরের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন দিলারা জামান, তানজিয়া জামান মিথিলা, সুনিধি নায়েক, পান্থ কানাই ও তারিক আনাম খান। সিনেমাটি চলতি বছরের ২৮ মে মুক্তি পায়।


  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:১৭ এএম

ভারতের নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ইন্টারনেটে আলোড়ন সৃষ্টিকারী চাপ প্রয়োগকারী গোষ্ঠী ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির নেতৃত্বে চলা জেন জি প্রজন্মের আন্দোলন এবং এর রিলগুলোকে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত। 


সোমবার (২৭ জুলাই) নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এই প্রজন্মের প্রতিবাদের ধরন ও ভাষা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি একে ‘বমি উদ্রেককারী’ বলে মন্তব্য করেন।




একটি পোস্টে কঙ্গনা প্রতিবাদকারীদের অভিব্যক্তি ও আচরণ নিয়ে উপহাস করে লেখেন, তাদের কথা বলার ধরণ এবং ব্যবহৃত ভাষা অত্যন্ত অসম্মানজনক এবং প্রতিটি ফ্রেমেই সবকিছু এত বেশি বেসুরো ও স্থূল যে তিনি জীবনে কখনো এমন কিছু দেখেননি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলে তিনি লেখেন, ইউউউ, কারা এদের জন্ম দিচ্ছে আর মানুষ করছে?


আন্দোলনকারীদের প্রধান প্রতীক ‘তেলাপোকা’ বা ‘ককরোচ’ রূপকটিরও তীব্র সমালোচনা করেন কঙ্গনা। তিনি লেখেন, প্রতিবাদকারীরা নিজেদের তেলাপোকা বলে ডাকছেন এবং তাদের আচরণও ঠিক তাদের মতোই। এখানে কোনো প্যারাডক্স বা বৈপরীত্য নেই, বরং এটি কেবল পৃথিবীকে তাদের নোংরা ও কদর্যতায় ডুবিয়ে দেওয়ার মতো বিষয়। ইনস্টাগ্রাম স্টোরির শেষাংশে তিনি যোগ করেন যে এই রিলগুলো দেখে তিনি মানসিকভাবে আতঙ্কিত হয়েছেন।



উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে একাধিক দফার বৈঠকের পর গত সপ্তাহে সিজেপি তাদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়। কেন্দ্রীয় সরকার তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি মেনে নেওয়ার পর আন্দোলন সমাপ্তির ঘোষণা দেয় গোষ্ঠীটি। 


ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রস্থানের পর নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রবীণ বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ জোশীকে নতুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেছে।


সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।


মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ১৫ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:০০ এএম

জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। দীর্ঘ ১৬ বছরের নীরবতা ভেঙে নিজের অতীত জীবন, সম্পর্ক এবং সাইবার বুলিং নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছেন তিনি। 


সম্প্রতি একটি পডকাস্টে হাজির হয়ে নিজের অতীত জীবনের এক ঝড়ো অধ্যায় এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন প্রভা। 


দীর্ঘদিনের গুঞ্জন ও ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে প্রভা জানিয়েছেন, তিনি কারও সাথে কোনো ধরনের প্রতারণা বা বিশ্বাসভঙ্গ করেননি। ঘটনার অন্তরালে যে অনেক ঘটনা থাকে, সেটাই তিনি দর্শকদের মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন।



পডকাস্টে নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার ছোট্ট করে শুধু একটু বলার আছে, এটা যদিও খুব একটা প্রয়োজনীয় না। আমাকে মানুষজন বলে যে আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি। শুধু আমার এতটুকুই বলার আছে যে, আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করিনি। ঘটনার পেছনে তো আসলে অনেক ঘটনা থাকে। প্রায় ১৫ থেকে ২০ দিন আমি আমার ফ্যামিলিকে এবং যার সাথে আমার এনগেজমেন্ট হয়েছিল তাকে—যেহেতু আমার একটা ভয়ও ছিল, প্রতিটা জায়গা থেকে আমি চেষ্টা করেছিলাম যে এটা বিয়ে পর্যন্ত না গড়ায়।’ 


‘মুরুব্বিরা মিলেই যেহেতু কথাবার্তা বলছিলেন। একটা পুরো সময় ছিল যখন আমার ফ্যামিলি এগেইন্সটে ছিল। কারণ ওই সময়ে ব্রোকেন ফ্যামিলি থেকে আসা একটা ছেলে, স্বভাবতই আসলে কেউ চায় না। এখন আমরা দেখি আমাদের অনেক ফ্রেন্ডরা ব্রোকেন ফ্যামিলি থেকে আসছে, কিন্তু বাচ্চাগুলো অনেক মানুষের মতো মানুষ হয়েছে।’




এনগেজমেন্টের পর সম্পর্ক ভাঙার কঠিন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এনগেজমেন্ট হয়ে যাওয়া একটা জিনিসকে ভাঙা, সেটা সহজ ছিল না। আমাদের তো অনেকদিনের একটা গ্যাপ ছিল, প্রায় ৯-১০ মাসের। ব্রেকআপ-প্যাচআপ যেই সেগমেন্টটাকে বলে ছিল।’


তার কথায়, ‘বাট ওই সময় একদম লম্বা গ্যাপ ছিল এবং ওই সময় আমার সাথে যা হয়েছে, আমি আমার লয়ালিটির জায়গা থেকে জানিয়েছি কার সাথে আমার সম্পর্ক হয়েছিল। সবকিছুই আসলে অনেক ক্লিয়ার ছিল। একদম হুট করে ওয়ান ফাইন মর্নিং আমি জাস্ট বললাম আমি এটা করে ফেলেছি, এরকম কোনো কিছু না।’




সমালোচকদের উদ্দেশে নিজের মানসিক অবস্থা তুলে ধরে প্রভা বলেন, ‘এক্সপ্লেনেশন করার কিছুই নাই। কারণ আমি জানি যারা আমাকে ভালোবাসে, হয় না যে ওরা আমাকে আমার জায়গাতে, ওরা ওদেরকে রেখে ফিল করতে পারে। ওরা অলরেডি জানে, আই হ্যাভ বিন থ্রু আ লট। এতটুকুই জাস্ট, আমি আসলে প্রতারণা করিনি। ওয়ান ফাইন মর্নিং আমি জাস্ট ফোন দিয়ে বলি নাই, বা সে উঠে পত্রিকা খুলে দেখেনি যে আই গট ম্যারিড।’