নোবিপ্রবি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪০ এএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে মাস্টার অব সোশ্যাল সায়েন্স (MSS) in Political Science প্রোগ্রামে ভর্তির পুনর্বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদনকারীদের আবেদনের সময় ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


আবেদনের সময় ও ফি

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিভাগীয় অফিস থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করে তা পূরণ করে জমা দিতে হবে। আবেদন ফরমের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা।

ভর্তির যোগ্যতা

নোবিপ্রবি অথবা অন্য কোনো স্বীকৃত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান কিংবা সংশ্লিষ্ট বিষয়-আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, লোক প্রশাসন এবং পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট স্টাডিজ, এ স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন।

তবে আবেদনকারীর স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ের শিক্ষাবর্ষ ২০১৯-২০ অথবা ২০২০-২১ হতে হবে। অভ্যন্তরীণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে ন্যূনতম সিজিপিএ ২.৫০ এবং বহিঃস্থ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সিজিপিএ ২.৭৫ থাকতে হবে।

অভ্যন্তরীণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় এবং বহিঃস্থ প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।


পরীক্ষার সময়সূচি

বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া সময়সূচি অনুযায়ী, বহিঃস্থ শিক্ষার্থীদের লিখিত পরীক্ষা আগামী ৪ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে অভ্যন্তরীণ ও বহিঃস্থ শিক্ষার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বিকেল ২টায়।

চূড়ান্ত মূল্যায়ন ৫ অক্টোবর ২০২৬ এবং ভর্তি ও ক্লাস শুরু হবে ৬ অক্টোবর ২০২৬।

যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে

আবেদনপত্রের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতার সকল পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট/মার্কশিট ও সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি, সর্বশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান/বিভাগের প্রত্যয়নপত্র, তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং আবেদন ফি জমার রশিদের ফটোকপি জমা দিতে হবে।

এছাড়া, চাকরিরত প্রার্থীদের ক্লাস ও শিক্ষাকার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করার জন্য নিয়োগকর্তার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র/অফিস আদেশ দাখিল করতে হবে। ভর্তির সময় মূল সনদপত্র/প্রমাণপত্র প্রদর্শন করতে হবে।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:১৯ এএম

২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। এবার গুচ্ছভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে নতুন করে আরও দুই থেকে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে যুক্ত হতে পারে।


বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জিএসটি গুচ্ছের এক সভায় ভর্তি পরীক্ষার এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সভা শেষে এবারের ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটির কো-কনভেনর ও নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের (মানবিক) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের ১৯ মার্চ, ‘সি’ (বাণিজ্য) ও ‘ডি’ (আর্কিটেকচার) ইউনিটের পরীক্ষা ২০ মার্চ এবং ‘এ’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের পরীক্ষা হবে ২৭ মার্চ।


ভর্তি আবেদনের সময়সূচি ও আবেদনসংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।


নোবিপ্রবি মূল ফটক

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৬ এএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এ প্রোগ্রামে মাস্টার অব সায়েন্স ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (M.Sc. Engg. (EEE)) এবং মাস্টার অব ইঞ্জিনিয়ারিং ইন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (M. Engg. (EEE))—দুই ধরনের ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ থাকছে। আবেদনের শেষ সময় ২২ অক্টোবর ২০২৬।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইইই বিভাগের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


আবেদনের সময় ও ফি

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এবং চলবে ২২ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫০০ টাকা। প্রার্থীদের অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখায় নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে আবেদন ফি জমা দিতে হবে। অনলাইনে ফি পরিশোধের পর মূল রসিদ আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

ভর্তির যোগ্যতা

ইইই বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তির জন্য প্রার্থীকে স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) বিষয়ে চার বছর মেয়াদি স্নাতক ডিগ্রি বা সমমানের ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।

এ ছাড়া মাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অথবা জিপিএ ৪.০০ (৫.০০-এর মধ্যে) এবং উচ্চমাধ্যমিক/সমমান পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ অথবা জিপিএ ৪.০০ (৫.০০-এর মধ্যে) থাকতে হবে।

M.Sc. Engg. (EEE) প্রোগ্রামের জন্য বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (EEE) বা সমমানের ডিগ্রিতে প্রথম শ্রেণি অথবা সিজিপিএ ৩.২৫ (৪.০০-এর মধ্যে) এবং M. Engg. (EEE) প্রোগ্রামের জন্য দ্বিতীয় শ্রেণি অথবা সিজিপিএ ২.৫০ (৪.০০-এর মধ্যে) থাকতে হবে।

নোবিপ্রবি ছাড়া অন্য কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং বা সমমানের ডিগ্রিতে ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ থাকতে হবে।


ভর্তি পরীক্ষা ও প্রক্রিয়া

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভর্তি কমিটির প্রয়োজন অনুযায়ী প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হতে পারে। নোবিপ্রবি ব্যতীত অন্য বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠান থেকে ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের ইইই বিভাগের ভর্তি কমিটির আয়োজিত ৩০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

লিখিত পরীক্ষায় ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটস, ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার অ্যান্ড মেশিনস এবং ইলেকট্রনিক্স—প্রতিটি বিষয়ে ১০ নম্বর করে মোট ৩০ নম্বর থাকবে। এছাড়া মৌখিক পরীক্ষা হবে ২০ নম্বরের।


দেড় বছরে সম্পন্ন হবে মাস্টার্স

ইইই বিভাগের এ মাস্টার্স প্রোগ্রামের ন্যূনতম মেয়াদ দেড় বছর বা তিনটি একাডেমিক টার্ম। উভয় ডিগ্রির জন্য মোট ৪৩ ক্রেডিট সম্পন্ন করতে হবে।

এর মধ্যে M.Sc. Engg. (EEE)-তে থিওরি ২১, থিসিস/প্রজেক্ট ১৮ এবং সেমিনার/ভাইভা-ভোস ৪ ক্রেডিট। অন্যদিকে M. Engg. (EEE)-তে থিওরি ৩০, থিসিস/প্রজেক্ট ৯ এবং সেমিনার/ভাইভা-ভোস ৪ ক্রেডিট নির্ধারণ করা হয়েছে।


গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, লিখিত ভর্তি পরীক্ষা ২ নভেম্বর ২০২৬ সকাল সাড়ে ১১টায় এবং ভাইভা একই দিন দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ৩ নভেম্বর। ভর্তির শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর এবং ক্লাস শুরু হবে ১ ডিসেম্বর ২০২৬।

যেসব কাগজপত্র লাগবে

আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রার্থীকে দুই কপি সত্যায়িত পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ও গ্রেড/মার্কশিট/ট্রান্সক্রিপ্টের সত্যায়িত কপি, থিসিস/প্রজেক্ট সুপারভাইজার চয়েস ফরম এবং সর্বশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সত্যায়িত প্রশংসাপত্র/চারিত্রিক সনদের কপি জমা দিতে হবে।

আবেদন ফরম ও সুপারভাইজার চয়েস ফরম ইইই বিভাগের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা যাবে। আবেদনপত্র ইইই বিভাগ, কক্ষ নম্বর ৫২১, প্রশাসনিক ভবন, নোবিপ্রবি-তে জমা দিতে হবে।

এ ছাড়া চাকরিরত প্রার্থীদের নির্বাচিত হলে ভর্তির আগে নিজ নিজ নিয়োগকর্তার কাছ থেকে স্টাডি লিভ বা ডেপুটেশনের প্রমাণপত্র ভর্তি কমিটির কাছে জমা দিতে হবে।


নোবিপ্রবি শব্দকুটিরের সভাপতি জসিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শান্ত রায়

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৩৬ এএম

‎নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) সাহিত্য সংগঠন ‘শব্দকুটির’র ২০২৬-২৭ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জসিম উদ্দীন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন কৃষি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শান্ত রায়।


‎নবগঠিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের ফরাদিন পারভেজ ও ওশানোগ্রাফি বিভাগের মো. শফিউল্লাহ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাহবুবুর ইসলাম মিলি। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সুমাইয়া ইসলাম সারা।

‎এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের মেহরাজ হোসেন এবং দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন বাংলা বিভাগের মারুফ হোসেন।


‎কমিটিতে বিভিন্ন বিভাগে আরও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উচ্চারণ ও আবৃত্তি বিভাগের প্রধান হিসেবে রয়েছেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের আবৃত্তি শুভ। উপস্থাপনা, অনুষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ বিভাগের প্রধান হয়েছেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অর্পিতা পৌদ্দার অর্পণ। লেখালেখি, সম্পাদনা ও প্রকাশনা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলা বিভাগের মাজেদা বেগম।


‎নতুন কমিটি নিয়ে সভাপতি জসিম উদ্দীন বলেন, শব্দকুটিরের সঙ্গে আমার পথচলা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই। সাহিত্য চর্চাকে আরো সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে  এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। আমি সবসময় একজন শ্রোতা হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আজ শব্দকুটির আমাকে যে দায়িত্ব ও জায়গা দিয়েছে, তার ভার আমি অনুভব করি। একা এই দায়িত্ব বহন করা সম্ভব নয়। আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে আমরা সবাই মিলে শব্দকুটিরকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে পারব।আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাহিত্যচর্চার যে দূরত্ব এবং প্রশাসনের সঙ্গে যে কিছুটা গ্যাপ রয়েছে, তা কমিয়ে সাহিত্যের মেলবন্ধন আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাবো।


‎ তিনি আরো বলেন, বিগত দুই বছর সদ্যবিদায়ী সভাপতি মুজতাবা ফয়সাল নাঈম ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। তাঁর নেতৃত্ব, ভালোবাসা ও সহযোগিতা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। সংগঠনের একটি ভঙ্গুর অবস্থা থেকে তিনি আমাদের এক জায়গায় নিয়ে এসেছেন। তাঁর প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।একই সঙ্গে শব্দকুটিরের প্রতিটি সদস্যের শ্রম ও ত্যাগের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা। সবার সহযোগিতা নিয়ে আমরা শব্দকুটিরকে আরও সমৃদ্ধ ও মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।

‎সাধারণ সম্পাদক শান্ত রায় বলেন, আমাকে সাধারণ সম্পাদকের গুরুদায়িত্বে ভূষিত করায় বিগত কমিটি এবং অ্যালুমনাই কমিটির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সংগঠনের পূর্ববর্তী সকল গঠনমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সাহিত্যচর্চাকে আরও সমৃদ্ধ ও সুদূরপ্রসারী করে তোলাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য। সাহিত্যপ্রেমী শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও যৌথ প্রচেষ্টায় সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রমকে আরও সুশৃঙ্খল ও গতিশীল উপায়ে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।"


‎এ ছাড়া সংগঠনটির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন—শ্রুতপূর্ণা মণ্ডল (শিক্ষা), হাসিবুর রহমান সরকার (এসিসিই), বুশরা আক্তার দীপালী (সমাজকর্ম), মীর মুনতাসীর (অনুজীব বিজ্ঞান), সামিয়া জাহান (সমাজবিজ্ঞান), বিশাখা চৌধুরী তমা (ইইই), সারিকুল আক্তার (বাংলা), মেহেদী হাসান ইমন (বিজিই), ইমতিয়াজ হোসেন সায়েম (ব্যবসায় প্রশাসন), আব্দুল হাই (বাংলা) এবং ইয়াসিন আরাফাত (শিক্ষা)।

‎নতুন কমিটির নেতৃত্বে ‘শব্দকুটির’র সাহিত্যচর্চা, লেখালেখি, আবৃত্তি, উপস্থাপনা, প্রকাশনা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা করছেন সংগঠনটির সদস্যরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাহিত্য ও সৃজনশীলতার চর্চা বাড়াতে সংগঠনটি বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:২৭ এএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত নবীনবরণের ছবি ও ভিডিও বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে পরিচালিত ফেসবুক পেজে প্রকাশের ঘটনায় জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফিরোজ আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উপাচার্যের অনুমোদন ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দলীয় আবহের বিভিন্ন খবরের তথ্য-উপাত্ত প্রচারিতভাবে Jagannath University নামে একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে ১৬ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের নিউজ প্রকাশের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের উপ-পরিচালক হিসেবে ওই পেজ থেকে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে নোটিশে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা হিসেবে তার এ ধরনের কার্যক্রম ‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থী, অসদাচরণের শামিল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।


এ বিষয়ে কেন তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা নোটিশ পাওয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


উল্ল্যেখ্য, ১৬ সেপ্টেম্বর জবি শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ মাঠে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে পরিচালিত ফেসবুক পেজে প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেওয়া হয়।


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:২১ এএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আগমন উপলক্ষে ৪২ সদস্যের প্রস্তুতি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর বরাত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। কমিটিতে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের শিক্ষক, হলসমুহের প্রভোস্ট, প্রশাসনিক দপ্তরের পরিচালক, বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, ছাত্র-শিক্ষক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বিষয়ক দপ্তরের প্রতিনিধিদের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।


এ কমিটি প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক প্রস্তুতি, বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় এবং অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করবে। এ ব্যাপারে কমিটির সদস্য সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছি। সবাইকে নিয়ে আরও চিন্তা ভাবনা করে আগাবো।


প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ঘিরে নিরাপত্তা জনিত ইস্যু নিয়ে কাজ করছি। সার্বিক বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নিব। কোনো ধরনের যাতে ঘাটতি না থাকে সেই বিষয়টা মাথায় রেখে কাজ করে যাচ্ছি।


প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত ‘শহীদ আবরার ফাহাদ হল’ উদ্বোধনে আগামী মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ১১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর গুলশানস্থ কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।


জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের লেখা ‘মনটাকে কাজ দিন’ বই শিক্ষার্থীদের উপহার দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির।

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:০৭ এএম

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রামে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের লেখা ‘মনটাকে কাজ দিন’ বই শিক্ষার্থীদের উপহার দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এবং বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে শাখা ছাত্রশিবির। অনুষ্ঠানে অন্যান্য উপহারসামগ্রীর সঙ্গে নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে গোলাম আযমের লেখা ‘মনটাকে কাজ দিন’ বইটিও তুলে দেওয়া হয়।


এ ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের একাংশ ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, নবীন বরণের মতো আয়োজনের মাধ্যমে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত একজন ব্যক্তিকে শিক্ষার্থীদের কাছে স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে।


নবীন শিক্ষার্থীদের আবেগ ও সরলতাকে ব্যবহার করে কোনো বিতর্কিত রাজনৈতিক মতাদর্শকে স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হলে তার প্রতিবাদ করা হবে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আহমেদুল কবীর তাপস।


ক্যাম্পাসে যেকোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড যেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, শিক্ষার পরিবেশ এবং শিক্ষার্থীদের স্বার্থের প্রতি দায়িত্বশীল থাকে, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।


এদিকে, ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর আহ্বায়ক রাফিউর রহমান রুহান বলেন, একাত্তরের রণাঙ্গনের একজন প্রমাণিত অপরাধীকে যখন কেউ সাংগঠনিকভাবে উদযাপন করে অথবা তাঁর মতাদর্শকে সাংগঠনিক ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, তখন তাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সম্মান ও বাংলাদেশপন্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়। 


ক্যাম্পাসে সদ্য আগত নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠানে দেশমাতৃকার রক্তক্ষয়ী ইতিহাসের জন্য দায়ী একজন ব্যক্তিকে ‘কাল্ট’ হিসেবে উপস্থাপনের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন রুহান।


এ বিষয়ে শেকৃবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মেহেদী হাসান নাঈমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অধ্যাপক গোলাম আযম একজন সম্মানীয় ব্যক্তি। তাঁর লেখনীও অনেক সহজ-সরল। বইটির বিষয়বস্তুর গুরুত্ব বিবেচনা করেই নবীন শিক্ষার্থীদের এটি উপহার দেওয়া হয়েছে।