ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:২৯ পিএম

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ে আসার সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে। অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার নতুন এ নিয়ম ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। এর আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, তথাকথিত ‘ভিসা হপার’ এবং ব্যাকপ্যাকারদের জন্যও বিভিন্ন নিয়ম কঠোর করা হয়েছে।


নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি শিক্ষার্থীরা আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের পরিবারের সদস্যদের অস্ট্রেলিয়ায় সঙ্গে আনতে পারবেন না। অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানের মেয়াদ বাড়াতে চাইলে তাদের উচ্চতর কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের পথ বেছে নিতে হবে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক বলেন, আমরা আর এমন কোনো ব্যবস্থা রাখব না যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে আসতে পারেন।


তবে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত বিদেশি শিক্ষার্থী এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে এই নিয়মে কিছু ছাড় থাকবে। পিএইচডি শিক্ষার্থীরা তাদের পরিবারকে সঙ্গে আনতে পারবেন। 


বার্ক বলেন, স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের তুলনায় পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জীবন ও পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট ভিন্ন।


‘অভিবাসন কর্মসূচি পরিচালনার কাজ: কারা আসেন, কারা থেকে যান এবং কারা চলে যান’ শিরোনামে দেওয়া এক বক্তৃতায় বার্ক এসব পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। সরকারের লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে নিট অভিবাসীর সংখ্যা ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা।


স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে ‘ভিসা হপিং’ বা ঘন ঘন ভিসা পরিবর্তনের প্রবণতাও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এ প্রক্রিয়ায় একজন শিক্ষার্থী একটি কোর্স শেষ করার পর আরেকটি কোর্সে ভর্তির আবেদন করেন, যা অনেক সময় আগেরটির চেয়ে নিম্নমানের যোগ্যতার হয়। 


এমন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করা হয়, যার বৈধতা বা মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে যারা উচ্চতর শিক্ষার দিকে এগোতে চান, যেমন স্নাতক ডিগ্রি শেষ করে স্নাতকোত্তর বা মাস্টার্স করতে চান, তাদের ক্ষেত্রে অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানান বার্ক।


১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণদের জন্য প্রযোজ্য ‘ওয়ার্কিং হলিডে ভিসা’র নিয়মেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাধারণত ব্যাকপ্যাকাররা এই ভিসা ব্যবহার করেন। এতে অস্ট্রেলিয়ায় ১২ মাস কাজ করার সুযোগ থাকে এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বছর পর্যন্ত থাকার সুযোগ রয়েছে। কৃষি খাতেও এই ভিসাধারীরা গুরুত্বপূর্ণ শ্রমের উৎস।


বর্তমানে দ্বিতীয় বছরের ভিসার যোগ্য হতে হলে প্রথম বছরে অস্ট্রেলিয়ার আঞ্চলিক এলাকায় তিন মাস কাজ করতে হয়। তৃতীয় বছরের যোগ্যতার জন্য কাজ করতে হয় ছয় মাস। নতুন নিয়মে দ্বিতীয় বছরের জন্য যোগ্যদের একটি ব্যালট বা লটারি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এতে সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার জনের সুযোগ থাকবে, যা গত বছর ৫৭ হাজার ছিল।


তৃতীয় বছরের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা কমিয়ে ৫ হাজার করা হয়েছে। গত বছর ৩১ হাজার মানুষ তৃতীয় বছরের ভিসার জন্য যোগ্য হয়েছিলেন। তবে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির কারণে ব্রিটিশ ওয়ার্কিং হলিডে-মেকাররা এসব পরিবর্তনের আওতায় পড়বেন না।


বার্ক বলেন, অভিবাসন অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটি ‘শক্তি’ বা ইতিবাচক দিক হলেও এর ওপর ‘উচ্চ মাত্রার নিয়ন্ত্রণ’ থাকা প্রয়োজন।


বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ান ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকস প্রকাশিত নতুন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ১২ মাসে অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ২ কোটি ৭৯ লাখে দাঁড়িয়েছে। এই হিসাবের মধ্যে জন্ম ও মৃত্যুর পাশাপাশি নিট অভিবাসন হিসেবে ২ লাখ ৯২ হাজার ১০০ জনের হিসাবও রয়েছে।


জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, আবাসন ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়া এবং জনসেবার ওপর বাড়তি চাপের কারণে অস্ট্রেলিয়ার জনসংখ্যা নিয়ে বিতর্ক বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে অভিবাসন দেশটির বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে রয়েছে।


অভিবাসনবিরোধী অবস্থানের জন্য পরিচিত ডানপন্থী ও জনতুষ্টিবাদী দল ‘ওয়ান নেশন’ চলতি সপ্তাহের শুরুতে তাদের অভিবাসন নীতি প্রকাশ করেছে। এতে তিন বছরের মধ্যে অস্থায়ী অভিবাসী ভিসার সংখ্যা ৭ লাখ ৫০ হাজার কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। গত মে মাসে নিম্নকক্ষে দলটি তাদের প্রথম আসন জয় করে।


দলটি নিট বৈদেশিক অভিবাসনের সংখ্যা ১ লাখ ৩০ হাজারে সীমাবদ্ধ রাখারও প্রস্তাব দিয়েছে। বার্ক এই প্রস্তাবের সমালোচনা করে বলেছেন, এমন পদক্ষেপ নিলে তা ‘অস্ট্রেলীয় অর্থনীতির কিছু অংশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে পারে’।


জুলাই মাসে সরকার একটি নীতি চালু করে। এর আওতায় বিদেশ থেকে জমা দেওয়া আবেদনের তুলনায় অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরতদের করা পারিবারিক ভিসার আবেদনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। বিদেশে অবস্থানরতদের তুলনায় অস্ট্রেলিয়ায় আগে থেকেই বসবাসরত দক্ষ অভিবাসীদের স্থায়ী ভিসার আবেদনকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য বাদে ২৪টি দেশের নাগরিকদের জন্য ‘ওয়ার্কিং হলিডে ভিসা’র আবেদন গ্রহণ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।


অস্ট্রেলিয়ায় নতুন আসা অভিবাসীদের সহায়তাকারী সংস্থা ‘সেটেলমেন্ট সার্ভিসেস ইন্টারন্যাশনাল’-এর ভায়োলেট রুমেলিওটিস বলেন, অভিবাসন বিষয়ক বিতর্কটি এখন দেশের জন্য যা সর্বোত্তম, তার পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদি রাজনীতির দ্বারা বেশি প্রভাবিত হচ্ছে।


তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে পারিবারিক ভিসার নিয়মে প্রস্তাবিত পরিবর্তনটি এর একটি বড় উদাহরণ। তার মতে, এর ফলে ভবিষ্যতে মেধাবীদের আকৃষ্ট করার প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়ার জন্য টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।




  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:০৯ পিএম

ভারতে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ব্যাপক ভোটার তালিকা কারচুপি ও ভোট চুরির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সরাসরি আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী।


রোববার রাজধানী দিল্লির ঐতিহাসিক রামলীলা ময়দানে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় দেওয়া ভাষণে ভারতের শীর্ষ বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী মোদী ও অমিত শাহকে উদ্দেশ্য করে স্পষ্টভাবে বলেন, ইন্ডিয়া জোট ভারতের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন হতে দেবে না। ভোট চুরি করে আপনারা কোথাও পালাতে পারবেন না।




নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত এই সমাবেশে হাজার হাজার সমর্থকের উপস্থিতিতে রাহুল গান্ধী বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদচ্যুত করা এবং দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সঠিক পথে ফেরানোই ‘ইন্ডিয়া’ জোটের প্রধান লক্ষ্য।


সম্প্রতি বিজেপি নেতৃত্বের মন্তব্যের জবাব দিয়ে তিনি বলেন, তারা বলছে নরেন্দ্র মোদী নাকি কোথাও যাবেন না। আসল কথা হলো, ওনাকে কোথাও পালাতে দেয়া হবে না! সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পর আমরা আপনাদের কাছে আসব এবং আপনাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




নির্বাচন কমিশনের ব্যাপক অনিয়মের তথ্য তুলে ধরে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর ভোটার তালিকা থেকে সাড়ে ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, দেশের প্রতি সাতজন ভোটারের মধ্যে একজনের (প্রায় ১৫ শতাংশ) ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে।


তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনে শাসকদল এনডিএ ও বিরোধী জোটের ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। ফলে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম কাটার এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, গত নির্বাচনটি ছিল পুরোপুরি অবৈধ। এ ধরনের কারচুপিকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেন, সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের প্রত্যক্ষ সহায়তা ছাড়া নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারতেন না।




ভাষণে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) ও বিজেপির তীব্র সমালোচনা করে বিরোধী নেতা বলেন, দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান দখল করে গুটিকয়েক শিল্পপতি- আম্বানি ও আদানিদের হাতে সুবিধা তুলে দেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে কৃষকদের সামান্য ঋণ মওকুফ না করে জেলে পাঠানো হচ্ছে।


রাহুল গান্ধী স্পষ্ট করেন যে, নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ বা জ্ঞানেশ কুমারের প্রতি তাঁর কোনো ব্যক্তিগত ঘৃণা নেই। তবে বিজেপি-আরএসএস যে ঘৃণার রাজনীতি ছড়িয়ে দেশের ক্ষতি করছে, তার বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে। জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষাই বিরোধীদের প্রধান ধর্ম বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।


তথ্যসূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস


মণিপুরে নতুন করে সংঘাত

  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৫০ পিএম

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে নতুন করে জাতিগত সহিংসতায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। শনিবার ও রোববার (১ নভেম্বর) দুটি পৃথক ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সংঘাতকবলিত রাজ্যটিতে কুকি ও নাগা সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বেড়েছে।


পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শনিবার রাজ্যের নোনে জেলায় ‘অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র ব্যক্তিদের’ মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় কুকি সম্প্রদায়ের তিনজন নিহত হন।


এ ছাড়া চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিখোঁজ হওয়া একই সম্প্রদায়ের আরও দুই ব্যক্তির মরদেহ রোববার সকালে কাংপোকপি জেলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর তল্লাশি অভিযানের সময় মরদেহ দুটি পাওয়া যায় বলে পুলিশের আরেকটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।


কুকি সম্প্রদায়ের একটি শীর্ষ সংগঠন এই হত্যাকাণ্ডের জন্য নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোকে দায়ী করেছে। তাদের ভাষায়, নিজ ভূমিতে কুকিদের ওপর এটি ছিল ‘সরাসরি ও বিনা উসকানিতে চালানো হামলা’।


এদিকে কুকি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে ভারতের সরকারের মধ্যে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিলের দাবিতে রাজ্যের রাজধানী ইম্ফলসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। এসব বিক্ষোভে কয়েক লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


প্রধানত খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী কুকি ও নাগা সম্প্রদায়ের মধ্যে নিজ নিজ জনগোষ্ঠীর আবাসভূমির দাবি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কুকি সম্প্রদায়ের কয়েকজনের বিরুদ্ধে এক নাগা ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ ওঠার পর নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়।


এরপর মে মাসে তিন কুকি যাজক হত্যার ঘটনায় উত্তেজনা আরও বাড়ে। ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য নাগা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করা হয়। এর জেরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অপহরণ ও হত্যার ঘটনা ঘটে।


কুকি-নাগা সংঘাতের পাশাপাশি মণিপুরে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু মেইতেই সম্প্রদায়ের সঙ্গে কুকিদের দীর্ঘদিনের সহিংস বিরোধও চলছে। ২০২৩ সালের মে মাসে অর্থনৈতিক সুবিধা ও চাকরির কোটা নিয়ে বিরোধ থেকে এই সংঘাত শুরু হয়।


এ সংঘাতে এখন পর্যন্ত তিন শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ৬০ হাজারের বেশি মানুষ। তাদের অনেকে এখনো অস্থায়ী আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছেন।


সূত্র: রয়টার্স


সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৩১ পিএম

ভারতের মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস জেলায় মদপানে ১৩ জনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় বাড়িতে তৈরি করা মদ পান করেই ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।


গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) ইন্ডিয়া টুডের একটি প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


তবে অভিযুক্তদের তৈরি মদের সঙ্গে ১৩ জনের মৃত্যুর সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ বিষয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।


পুলিশের দাবি, মূল অভিযুক্ত অজয় রাঠোর ইন্দোরের বাসিন্দা। গত সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যম ব্যবহার করে বাড়িতে মদ তৈরির পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য খোঁজেন তিনি। সেখান থেকে পাওয়া অসম্পূর্ণ তথ্য কাজে লাগিয়ে পরে ইন্টারনেটে রাসায়নিক সরবরাহকারীদের সন্ধান শুরু করেন।


তদন্তকারীদের ভাষ্য, এরপর ইন্দোরের ‘রাইজিং ব্রাদার্স’ নামে একটি দ্রাবক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন অজয়। সেখান থেকে একটি রাসায়নিক সংগ্রহ করেন তিনি।


পুলিশের অভিযোগ, ওই রাসায়নিক ব্যবহার করে অজয় ও তার সহযোগীরা বেআইনিভাবে মদ তৈরি শুরু করেন। ১ অক্টোবর রাসায়নিক হাতে পাওয়ার পর পুরোনো ও ফেলে দেওয়া মদের বোতলে তৈরি করা তরল ভরে বিক্রি শুরু করেন তারা। এমনকি আসল মদের সঙ্গে নকল মদ মিশিয়ে গ্রামাঞ্চলেও সরবরাহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের ধারণা।


এতে ক্রেতাদের পক্ষে আসল ও নকল মদের পার্থক্য বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। রাসায়নিক সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইন্দোরের আরেক বাসিন্দা আমন কাসলিওয়ালকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।


যে গুদাম থেকে রাসায়নিক সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেটি সিল করে দিয়েছে পুলিশ। সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সন্দেহভাজন মদের নমুনাও পরীক্ষাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।


ওমর আবদুল্লাহ ও নিধি রাজদান

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:০৭ পিএম

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ নিধি রাজদান নামে এক হিন্দু নারী সাংবাদিককে বিয়ে করেছেন। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) তারা এ ঘোষণা দিয়েছেন।


৫৬ বছর বয়সী ওমর এক্সে লিখেছেন, “গতকাল এক নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে।” এতে নিধি রাজদানকে ট্যাগ করেন তিনি।


সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মিরের রাজধানী শ্রীনগরে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়েটি সম্পন্ন হয়। এতে পরিবারের কাছের সদস্যরা আসেন।


যারমধ্যে ছিলেন ওমর আব্দুল্লাহর বাবা ফারুক আব্দুল্লাহ এবং মোলি আব্দুল্লাহ। অপরদিকে নিধি রাজদনের বাবা এমকে রাজদান এবং শার্লা রাজদানও উপস্থিত ছিলেন।


ওমর আব্দুল্লাহ এর আগে পায়েল আব্দুল্লাহ নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। তাদের ঘরে দুই সন্তানও আছে। তবে স্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো ছিল না। এ কারণে তিনি তাকে ডিভোর্স দিতে চান। পরে তাদের এই বিয়ের সম্পর্কটি কয়েক বছর ধরে ঝুলে থাকার পর গত জুলাইয়ে সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে তাদের চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়।


এরআগে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। পরবর্তীতে তারা মামলা তুলে নিতে সম্মত হন এবং বিচ্ছেদ চূড়ান্ত করেন।


এদিকে তার সাবেক স্ত্রী পায়েল আব্দুল্লাহও হিন্দু ছিলেন। বিয়ের আগে তার নাম ছিল পায়েল নাথ। ওমর আব্দুল্লাহর সঙ্গে বিয়ের পর তিনি নিজের নাম পাল্টে রাখেন পায়েল আব্দুল্লাহ।


সূত্র: এনডিটিভি


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৪৫ পিএম

কলকাতায় ফের বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ঘেরাওকে কেন্দ্র করে এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ‘বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্বাধীন সনাতনী রাষ্ট্রের দাবি এবং চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির’ দাবিতে শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাজপথে নেমেছিল ‘বঙ্গসেনা’ নামের একটি কট্টরপন্থি সংগঠন। তবে পুলিশের বাধার মুখে  মিশনের মূল ফটক পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি তারা।


শনিবার শিয়ালদহ স্টেশন চত্বর থেকে মিছিল বের করেন বঙ্গসেনার কর্মী-সমর্থকেরা। মিছিলের সামনের সারিতে দেখা যায় বিপুল সংখ্যক গেরুয়া বসনধারী ও সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনীদের। সেখান থেকে বিভিন্ন স্লোগান তুলে মিছিলটি পার্ক সার্কাসের বাংলাদেশ মিশনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।


মিছিলটি উপ-হাইকমিশনের কাছাকাছি আসা মাত্রই প্রস্তুত থাকা কলকাতা পুলিশ ডাবল ব্যারিকেড তুলে সেটিকে থামিয়ে দেয়। মিশন থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ আগেই বিক্ষোভকারীদের আটকে দেয়া হয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সামান্য বচসা ও ধাক্কাধাক্কি হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে প্রশাসন। ব্যারিকেডের সামনেই অবস্থান নিয়ে নিজেদের দাবি-দাওয়া নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বঙ্গসেনার সদস্যরা।


এই কর্মসূচির কারণে পার্ক সার্কাস ও সংলগ্ন এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। শনিবারে মিশন বন্ধ থাকার কারণে এদিন কোনো স্মারকলিপি জমা দিতে পারেননি সংগঠনের প্রতিনিধিরা। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে উপ-হাইকমিশন ও তার আশপাশের এলাকায় আগাম অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।


উল্লেখ্য, চলতি মাসে এটি বাংলাদেশ মিশনের সামনে দ্বিতীয়বার উত্তেজনা সৃষ্টির ঘটনা। এর আগে গত ৩ অক্টোবর ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ এবং বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের সন্ন্যাসীরা প্রায় একই দাবিতে মিশনের বাইরে অবস্থান নিয়েছিলেন। সেবারে অবশ্য তারা মিশনের কর্মকর্তাদের কাছে একটি স্মারকলিপি তুলে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন।


আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে সংসদ সদস্যদের মধ্যে তুমুল মারামারির ঘটনা ঘটেছে। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৫ পিএম

‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ বা যৌনতা মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব নিয়ে বিতর্কের জেরে আর্মেনিয়ার পার্লামেন্টে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় সংসদ সদস্যদের পরস্পরের দিকে কিল-ঘুষি, লাথি ও চেয়ার ছুড়তে দেখা যায়। অধিবেশনকক্ষের পাশাপাশি পার্লামেন্ট ভবনের করিডোরেও ছড়িয়ে পড়ে হাতাহাতি।


চলতি বছরের শুরুতে বিরোধী দল স্ট্রং আর্মেনিয়া পার্টি নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে দেশে ‘কোনো অসন্তুষ্ট নারী থাকবে না’—এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এ লক্ষ্য পূরণে দলটি ‘সেক্স মন্ত্রণালয়’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেয়। দলটির দাবি ছিল, যৌন অসন্তুষ্টির কারণে মধ্যবয়সী শ্বেতাঙ্গ নারীদের মধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, যা মোকাবিলায় এ ধরনের মন্ত্রণালয় প্রয়োজন।


গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) পার্লামেন্টে প্রস্তাবটি নিয়ে বিতর্কের একপর্যায়ে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। ক্ষমতাসীন সিভিল কন্ট্রাক্ট পার্টির সংসদ সদস্য তারন চাখোয়ান বিরোধী দলকে দুর্নীতিতে নিমজ্জিত বলে মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে দলটির নেতা নারেক রাপেতিয়ানকে নারীদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।


বিতর্কের সময় চাখোয়ান রাপেতিয়ানকে ‘আপাদমস্তক ঝামেলা’ বলে কটাক্ষ করলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় শুরু হয়। একপর্যায়ে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আসন ছেড়ে চাখোয়ানের বক্তব্য দেওয়ার ডায়াসের দিকে এগিয়ে যান। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।


সংঘর্ষের সময় সংসদ সদস্যদের একে অপরকে ঘুষি ও লাথি মারতে দেখা যায়। পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার ও ক্ষমতাসীন দলের সদস্য ভাহাগন আলেকসানিয়ান বিরোধী আইনপ্রণেতাদের দিকে একটি চেয়ার ছুড়ে মারেন। অন্যদিকে চাখোয়ানকে বিরোধী সংসদ সদস্য গার্নিক দাভতিয়ানের দিকে পানি ছিটাতে দেখা যায়। এ সময় কয়েকজন আইনপ্রণেতা পানির বোতল ছোড়েন এবং পার্লামেন্টের কয়েকটি টেবিল ভেঙে যায়।


পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্পিকার অধিবেশন মুলতবি না করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তার ভাষ্য ছিল, সবাই যেন ঘটনাটি সরাসরি দেখতে পারেন। তবে সংঘর্ষের মাত্রা বেড়ে গেলে শেষ পর্যন্ত অধিবেশনে বিরতি ঘোষণা করতে হয়। বিরতির পরও হাতাহাতি থামেনি; পার্লামেন্টের করিডোরেও দুই পক্ষের সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ চলে। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা দুই দলের মাঝখানে অবস্থান নিয়ে মানবপ্রাচীর তৈরি করেন। কয়েকজন সংসদ সদস্যকে আঘাতপ্রাপ্ত ও ছেঁড়া পোশাকে চেম্বার থেকে বের হতে দেখা যায়।


ঘটনার পর সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান সহিংসতার নিন্দা জানান। তবে একই সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের ভূমিকার প্রতি সমর্থনও জানান তিনি। পাশিনিয়ান বলেন, ‘আমি সহিংসতার নিন্দা করি, তবে আজ সিভিল কন্ট্রাক্ট উপদল যে ব্যবস্থা নিয়েছে আমি তাকে সমর্থন করি; কারণ বিরোধী দলে থাকার মানে এই নয় যে কেউ উদ্ধত আচরণ করবে। চেয়ার ছুড়ে মারা হোক বা অন্যকিছু, এটি ছিল যথাযথ ও সঠিক।’


পরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী কৌতুক করে লেখেন, ‘স্ট্রং আর্মেনিয়া’ নামের দলটির সংসদ সদস্যরা ‘শারীরিকভাবে ততটা শক্তিশালী নন’। 


সেই পোস্টের মন্তব্যে চাখোয়ান বলেন, ‘আমার কিছুটা খারাপ লাগছে। তারা [স্ট্রং আর্মেনিয়া] লড়াই শুরু করে আর তারপর পালিয়ে যায়।’


চাখোয়ান পরবর্তীতে প্রতিপক্ষের আচরণকে ‘গুণ্ডামি’ হিসেবে অভিহিত করে জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে সংঘাত উসকে দিয়ে মার না খেয়ে পালিয়ে যাওয়া চলবে না।’


অন্যদিকে, বিরোধী নেতা কারাপেতিয়ান সংঘর্ষের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ঘটনাটিকে ‘খাঁটি আর্মেনীয় ধাঁচের পুরুষে পুরুষে স্বাভাবিক লড়াই’ বলে বর্ণনা করেন। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরক্ত করে আসা ব্যক্তিরা এবার সরাসরি জবাব পেয়েছেন।


এ ঘটনায় কোনো ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা জানতে চাইলে আর্মেনিয়ার প্রসিকিউটর জেনারেলের কার্যালয় স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে, এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।


এদিকে একই দিনে আলবেনিয়ার পার্লামেন্টেও বিরোধী আইনপ্রণেতাদের বিক্ষোভ ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বিরোধী সংসদ সদস্যরা স্মোক বোমা বিস্ফোরণ ঘটান এবং ডায়াস অবরুদ্ধ করেন।


বিতর্কিত একটি রিসোর্ট প্রকল্পকে কেন্দ্র করে আলবেনিয়ায় কয়েক মাস ধরে চলা ‘ফ্লেমিংগো আন্দোলন’ পরে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেয়। সেন্ট্রাল ব্যাংক অব আলবেনিয়া-সংক্রান্ত একটি আইনের সংশোধনী নিয়ে ভোটাভুটির সময় ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন বিরোধী সদস্যরা। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী এডি রামার পদত্যাগ দাবি করেন।