৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৪১ এএম

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে দেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আজ বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। আজ বুধবার সকাল ৬টায় এটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৮৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৭২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।


গভীর নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার রাতে ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওডিশা উপকূল অতিক্রম করতে পারে।


এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে নিম্নচাপের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।


এদিকে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।



সর্বশেষ সব খবর

লঞ্চ ভাড়া ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়াতে চান মালিকরা

  • প্রকাশ : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:২১ পিএম

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন মালিকরা। প্রতি কিলোমিটারে ৫১ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ভাড়া বাড়ানোর জন্য নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে চিঠি দিয়েছে লঞ্চ মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল (যাপ) সংস্থা। বৃহস্পতিবার এ নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। 


নৌমন্ত্রীর কাছে নতুন বর্ধিত ভাড়া নির্ধারণের এই প্রস্তাব দিয়ে  মঙ্গলবার চিঠিটি পাঠানো হয়। চিঠিতে প্রথম ১০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য বিদ্যমান দুই টাকা ৯৫ পয়সার স্থলে চার টাকা ৪৫ পয়সা এবং পরবর্তী প্রতি কিলোমিটার দুই টাকা ৫২ পয়সার স্থলে চার টাকা দুই পয়সা নির্ধারণ করার কথা বলেছে। তা না হলে জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম বাতিলের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে নৌমন্ত্রী জানিয়েছেন, লঞ্চের ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।


চিঠিতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল (যাপ) সংস্থার সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর উল্লেখ করেন, ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৫০ পয়সা বাড়ালে ভাড়া ৫১ শতাংশ এবং ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে একই হারে বাড়ালে ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়বে। একই সঙ্গে যাত্রীপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ৩২ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। 


চিঠিতে বলা হয়, সোমবার সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করেছে। এতে জ্বালানি ব্যয় প্রায় ১৮ শতাংশ বেড়েছে। অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী পরিবহণে নিয়োজিত লঞ্চগুলো ডিজেল ও মবিলচালিত হওয়ায় এ মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি পরিচালন ব্যয়ে পড়বে।


সংগঠনটির দাবি, এরই মধ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বিভিন্ন ফি ও চার্জ বেড়েছে। এর মধ্যে কনজারভেন্সি চার্জ ৩০ শতাংশ, রুট পারমিট ফি ৫০ শতাংশ এবং বার্দিং (ঘাটে ভেড়ার জন্য বিআইডব্লিউটিএ-কে প্রদত্ত) চার্জ ১১৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নৌযানের রুট পারমিটের আবেদন ফরমের ফিও ৬০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। 


এছাড়া নৌযানের বিশেষ অনুমতি, স্থগিত রুট পারমিট পুনর্বহাল এবং মালিকানা, নাম বা রেজিস্ট্রেশন পরিবর্তনের জন্য নতুন করে বিভিন্ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি শ্রমিকদের মজুরি, নৌযানের সার্ভে ও রেজিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন ফি এবং আয়কর ও ভ্যাটের ব্যয়ও বেড়েছে বলে চিঠিতে দাবি করা হয়েছে। লঞ্চের প্লেট, অ্যাঙ্গেল, প্রপেলার, ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ, ওয়েল্ডিং রড, গ্যাস, রং ও স্পেয়ার পার্টসের দাম এবং ডকিংসহ পরিচালন ব্যয়ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে লঞ্চ মালিকদের সংগঠনের দাবি।


চিঠিতে আরও বলা হয়, সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের কারণে বর্তমানে অনেক যাত্রী সড়কপথে যাতায়াত করছেন। ফলে লঞ্চগুলো ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী না পাওয়ায় মালিকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ অবস্থায় লঞ্চ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে প্রস্তাবিত হারে যাত্রীভাড়া বাড়ানোর অনুমোদন বা ডিজেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে যাপ। লঞ্চ মালিকদের দাবি মানা হলে ঢাকা থেকে বরিশাল পর্যন্ত ডেক শ্রেণির ভাড়া ৪২৯ থেকে বেড়ে ৬৬০ টাকা হবে। কেবিন শ্রেণির যাত্রীর ভাড়া হবে ডেকের চারগুণ।

সর্বশেষ সব খবর

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি

  • প্রকাশ : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৫ এএম

আমদানি পর্যায়ে একক পণ্য হিসেবে সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আসে ডিজেল থেকে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসাবে, গত অর্থবছরে শুধু ডিজেল আমদানিতেই বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারকে ১১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা শুল্ক-কর দিয়েছে। ডিজেলসহ সব ধরনের জ্বালানি তেল মিলিয়ে অঙ্কটি আরও বড়। 


বিপিসির হিসাবে, ২০১৬-১৭ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত ১০ বছরে জ্বালানি তেল আমদানিতে শুল্ক-কর বাবদ সরকারকে প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা দিয়েছে সংস্থাটি।


এই বিপুল শুল্ক-কর দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় মুনাফায় ছিল বিপিসি। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত নিরীক্ষিত হিসাবে মাত্র এক বছর লোকসান হয়েছে তাদের। সেই লোকসান বাদ দিয়ে বাকি ১০ বছরে সংস্থাটির নিট মুনাফা টিকেছে ৫৩ হাজার ১৩২ কোটি টাকা।


১০ বছরের শুল্ক-কর ও মুনাফার দুই অঙ্ক যোগ করলে পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৭২ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। এই অর্থ এসেছে শেষ পর্যন্ত ভোক্তার কাছে জ্বালানি বিক্রির আয় থেকেই।


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিশ্ববাজারে দাম কমলেও দেশে তেলের দাম সেভাবে না কমানো হয়নি। বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরই বিশ্ববাজারে অস্থিরতা শুরু হয়। গত ১৮ এপ্রিল ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা করা হয়। 


গত রোববার তা আরও ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেরোসিন ১৫৫, পেট্রল ১৬০ ও অকটেনের দাম ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।


এ বিষয়ে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লেও মানুষের অসুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকার এত দিন দাম বাড়াতে চায়নি। কিন্তু বিপিসির আর্থিক সক্ষমতা কমে যাওয়া, নিয়মিত সরবরাহ ধরে রাখা এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে দামের ব্যবধান থেকে পাচারের ঝুঁকি-সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে।


কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, তেলের ওপর সরকার কেন এত বেশি হারে শুল্ক-কর আরোপ করে রেখেছে।


লোকসান এক বছর


বিপিসির নিরীক্ষিত হিসাব অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মধ্যে শুধু ২০২১-২২ অর্থবছরে সংস্থাটি ২ হাজার ৭০৫ কোটি টাকা লোকসান করেছে। অন্য বছরগুলোতে মুনাফা হয়েছে।


সদ্য বিদায়ী অর্থবছরেও লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে বিপিসি, যদিও নিরীক্ষিত হিসাব এখনো প্রকাশিত হয়নি। সংস্থাটির প্রাথমিক হিসাবে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চ মূল্যে তেল কিনে দেশে নিয়ন্ত্রিত দামে বিক্রি করায় প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকার ঘাটতি হয়েছে।


বিপিসি জানিয়েছে, আগের মুনাফার পুরো অর্থ তাদের হাতে নেই। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২৪-২৫ পর্যন্ত মুনাফার প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্প ও পরিচালন ব্যয়েও অর্থ গেছে।


বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, গত ১ মার্চ সংস্থাটির হাতে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা ছিল। এরপর জ্বালানি আমদানির বিলসহ বিভিন্ন দায় পরিশোধ করতে হয়েছে। বিপিসির কিছু অর্থ দুর্বল ব্যাংকে আটকে আছে, আর কিছু অর্থ বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য সংরক্ষিত। বর্তমানে জ্বালানি আমদানিতে ব্যবহারযোগ্য অর্থ প্রায় সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকা। ৪০টি ঋণপত্রের অর্থের ব্যবস্থা করতে গিয়ে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার ঘাটতি হতে পারে।


ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে খরচ ১৭৭ টাকা


চলতি মাসে প্রায় ১৩ কোটি ১৩ লাখ লিটার ডিজেল খালাস করেছে বিপিসি। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস ও বাংলাবান্ধা স্থল কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, বন্দর পর্যন্ত প্রতি লিটার ডিজেলের গড় আমদানি ব্যয় ছিল ১২৬ টাকা ৪১ পয়সা।


এর ওপর লিটারে প্রায় ৩৩ টাকা শুল্ক-কর দেওয়ায় ব্যয় দাঁড়ায় ১৫৯ টাকা ৪১ পয়সা। বন্দর থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পরিচালন, পরিবহন, ডিলার কমিশন, উন্নয়ন তহবিলসহ আরও ১৭ টাকা ২৭ পয়সা খরচ হয়। সব মিলিয়ে প্রতি লিটারে ব্যয় দাঁড়ায় প্রায় ১৭৬ টাকা ৬৮ পয়সা। বর্তমান বিক্রয়মূল্য ১৩৫ টাকা ধরে এই চালানগুলোতে বিপিসির ঘাটতি লিটারে প্রায় ৪২ টাকা। 


তবে এর মধ্যে সরকারের শুল্ক-করই প্রায় ৩৩ টাকা। শুল্ক-কর বাদ দিলে আমদানি ও অন্যান্য ব্যয়ের তুলনায় ঘাটতি থাকে প্রায় ৯ টাকা।


তবে বিপিসির চেয়ারম্যান বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারদর, শুল্ক-কর ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেলের ব্যয় প্রায় ২০৫ টাকা। দাম বাড়ানোর আগে তা বিক্রি করা হচ্ছিল ১১৫ টাকায়। অর্থাৎ তখন প্রতি লিটারে প্রায় ৯০ টাকা ঘাটতি হচ্ছিল। এর মানে, এখনো প্রতি লিটারে ঘাটতি ৭০ টাকা।


এখন ভর্তুকি চায় বিপিসি


বিপিসির মুনাফার প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকা গত এক দশকে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এখন আর্থিক চাপের মধ্যে সংস্থাটি উল্টো সরকারের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি পাওয়ার আশা করছে।


বিপিসির চেয়ারম্যান জানান, জ্বালানির দাম বাড়ানোর ফলে প্রয়োজনীয় ভর্তুকির পরিমাণ কিছুটা কমবে। পাশাপাশি জ্বালানি বিক্রি থেকে পাওয়া অর্থ নতুন আমদানির অর্থায়নে ব্যবহার করা হবে।


চাপ কমানোর সুযোগ কতটা


দাম না বাড়িয়ে শুল্ক-কর কমানোর সুযোগ ছিল কি না, এ প্রশ্নও উঠেছে। জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, সুযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চয়ই কর কমাত। তা না হওয়ায় ধরে নিতে হচ্ছে সেই সুযোগ ছিল না।


নলেজ হাব ইনস্টিটিউট ট্রাস্টের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বিপিসির মুনাফার বড় অংশ সরকারি কোষাগারে নেওয়া হয়েছে। সংকটের সময়ে তার একটি অংশ ফেরত দিলে ভোক্তার ওপর চাপ কমানো যেত।


খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের মতে, বিপিসিকে মূলত সেবাদানকারী সংস্থা হিসেবে ‘না লাভ, না ক্ষতি’ কাঠামোয় পরিচালনা করা উচিত। পাশাপাশি পরিচালন ব্যয়ে স্বচ্ছতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক মানের স্বাধীন নিরীক্ষা প্রয়োজন। কারণ, জ্বালানির দাম বাড়লে তার প্রভাব শুধু পরিবহনে সীমাবদ্ধ থাকে না; উৎপাদন, কৃষি ও পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত চাপ পড়ে ভোক্তার ওপর।

সর্বশেষ সব খবর

প্রায় চার দশক পর এবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৩৯ পিএম

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে তিনি এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। প্রতিবছরই বিশ্বনেতাদের এই সমাবেশ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 


তবে এবার বাংলাদেশের গুরুত্বের জায়গাটি কিছুটা আলাদা। কারণ, এই অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি ৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেন এবং আগামী এক বছর ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।  এটি অবশ্য বাংলাদেশের জন্য প্রথমবারের ঘটনা নয়। 



প্রায় চার দশক আগে, ১৯৮৬–৮৭ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন। ফলে খলিলুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও কোনো বাংলাদেশি এই গুরুত্বপূর্ণ পদে ফিরলেন।



জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে খলিলুর রহমানের দায়িত্বের মূল জায়গা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ নয়, বরং সব সদস্যরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা, সমঝোতা ও ঐকমত্য তৈরির প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়া। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি বলেছেন, সব সদস্যরাষ্ট্রকে সম্পৃক্ত করে আস্থা পুনর্গঠন এবং আলোচনার মাধ্যমে অভিন্ন জায়গা খুঁজে বের করাই তার অন্যতম লক্ষ্য। এবারের অধিবেশনের মূল প্রতিপাদ্যও ‘আস্থা পুনর্গঠন, পরিবর্তন সামলানো এবং সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ’।



এই দায়িত্ব বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিকভাবে কিছু বাড়তি সুযোগ তৈরি করতে পারে। সবচেয়ে বড় বিষয়গুলোর একটি রোহিঙ্গা সংকট। খলিলুর রহমান নিজেই রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরাসরি কাজ করেছেন। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে থেকে তিনি সংকটটি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার সুযোগ পাবেন। ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। 



প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিষয়টি তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নয়ন অর্থায়ন, শান্তি ও নিরাপত্তা এবং জাতিসংঘের সংস্কারের মতো বিষয়ও বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। খলিলুর রহমান তার মেয়াদের অগ্রাধিকার হিসেবে শান্তি ও নিরাপত্তা, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু কার্যক্রম, শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত মানুষের অধিকার এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের বিষয়গুলো সামনে এনেছেন। 



এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও স্বার্থ আন্তর্জাতিক আলোচনায় আরও দৃশ্যমান করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে সভাপতির পদকে বাংলাদেশের জন্য সরাসরি কোনো বিশেষ সুবিধা আদায়ের মাধ্যম হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। খলিলুর রহমান নিজেও বলেছেন, তিনি সব সদস্যরাষ্ট্রের সভাপতি এবং তার দায়িত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে পুরো সাধারণ পরিষদ। তাই বাংলাদেশের জন্য এবারের বিশেষত্ব মূলত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতার চেয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রস্থলে থাকার সুযোগে। 



প্রায় চার দশক পর আবার একজন বাংলাদেশি যখন বিশ্বের সবচেয়ে প্রতিনিধিত্বশীল আন্তর্জাতিক ফোরামটির সভাপতির আসনে, তখন এবারের সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশের কূটনীতির জন্য যে বাড়তি দৃশ্যমানতার সুযোগ তৈরি করেছে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০৭ পিএম

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ‘নর্থ ডেলিগেটস লাউঞ্জ’-এ সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক এ তথ্য জানিয়েছেন।


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বক্তব্য রাখেন।


অধিবেশনস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। বিশ্বনেতাদের সঙ্গে মর্যাদাপূর্ণ এই বৈশ্বিক ফোরামের উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেন তিনি।


এবারের অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক সংঘাত নিরসন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বিশেষভাবে প্রাধান্য পাচ্ছে।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া তিনি সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে (জেনারেল ডিবেট) বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন। 


বক্তব্যে তিনি বিশ্ব শান্তিরক্ষা, জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং বাংলাদেশের সাম্প্রতিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিনসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

মনজুর রহমান পিপিএম পদকে ভূষিত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:১৩ পিএম

বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকা জেলার উপপরিদর্শক (এসআই) মনজুর রহমান পেশাগত দায়িত্বে দক্ষতা, নিষ্ঠা ও গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল (পিপিএম) পদকে ভূষিত হয়েছেন।


পুলিশের দায়িত্ব পালনকালে গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত, অপরাধ উদঘাটন এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ মর্যাদাপূর্ণ পদকের জন্য নির্বাচিত করা হয়।


পিপিএম পদক লাভ করায় সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এসআই মনজুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা তার কর্মজীবনের সাফল্য ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।


এসআই মনজুর রহমান বলেন, পিপিএম পদক তার জন্য অত্যন্ত সম্মানের ও গৌরবের। এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনে তাকে অনুপ্রাণিত করবে।


পুলিশের একজন কর্মকর্তা হিসেবে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সর্বশেষ সব খবর

রুহুল কবির রিজভী

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৫৩ পিএম

জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের পরও প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে সরকারের প্রায় ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি করেন।


রিজভী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এক লিটার ডিজেল কিনতে সরকারের প্রায় ২০৫ টাকা খরচ হয়েছিল। অথচ দীর্ঘদিন দেশে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা দরে বিক্রি করা হয়েছে। এতে প্রতি লিটারে সরকারের প্রায় ৯০ টাকা লোকসান হয়েছে।


সম্প্রতি ডিজেলের দাম ২০ টাকা সমন্বয় করা হলেও লোকসান পুরোপুরি কাটেনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখনো প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে সরকারের প্রায় ৭০ টাকা লোকসান হচ্ছে।


বিভিন্ন দেশের দামের তুলনা


আলোচনায় বিভিন্ন দেশের ডিজেলের দাম তুলে ধরে রিজভী বলেন, নেপালে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম প্রায় ১৬১ টাকা, মিয়ানমারে প্রায় ১৬৪ টাকা, শ্রীলঙ্কায় ১৭৯ টাকা ৪২ পয়সা এবং ফিলিপাইনে ১৮৮ টাকা ৫০ পয়সা। ভারতেও প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৩৪ টাকার বেশি বলে উল্লেখ করেন তিনি।


রিজভীর ভাষ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সময়ও বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ১১৫ টাকা দরে ডিজেল বিক্রি করা হয়েছে। পরে দাম ২০ টাকা বাড়ানো হলেও সরকারের লোকসান এখনো রয়েছে।


নাশকতার বিরুদ্ধে কর্মসূচির আহ্বান


দেশের বিভিন্ন স্থানে বাস ও ট্রেনে আগুন এবং ককটেল বিস্ফোরণের প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, মধ্যবাড্ডা, উত্তরা, মিরপুর ও কাফরুল এলাকায় বাসে আগুন, ট্রেনে আগুন এবং হাইকোর্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।


এসব ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের যোগসূত্র রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যারা লং মার্চ করছেন, তাদের এসব ঘটনার বিরুদ্ধেও কর্মসূচি দেওয়ার আহ্বান জানান রিজভী।


রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুরের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াতের উদ্দেশে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কর্মসূচির পাশাপাশি পরিকল্পিত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদসভা ও বিক্ষোভ মিছিল করা উচিত।


তিনি আরও বলেন, জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্দোলনে জামায়াতের ভূমিকা নেই। জনগণের সঙ্গে প্রতারণার কারণে তারা কখনো চূড়ান্ত পর্যায়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন রিজভী।


সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রধান সমন্বয়কারী ব্যারিস্টার নাসিম খান ও মুখপাত্র এস এম শাহাদাতসহ অন্যরা।

 

সর্বশেষ সব খবর