• প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৯ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএডিসি) ফোরম্যান ও ডিপ্লোমাধারীদের পদোন্নতির মাধ্যমে প্রকৌশলী পদে পদায়নের প্রতিবাদ এবং বিএসসি ডিগ্রিধারী প্রকৌশলীদের নিয়োগের সুযোগ নিশ্চিতের দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মানববন্ধন করেছেন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থীরা।


শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষদের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।


মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, কৃষি খাতের প্রকৌশল-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পদে বিএসসি ডিগ্রিধারী কৃষি প্রকৌশলীদের নিয়োগের সুযোগ সীমিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ফোরম্যান ও ডিপ্লোমাধারীদের পদোন্নতির মাধ্যমে প্রকৌশলী পদে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে বিএসসি ডিগ্রিধারী প্রকৌশলীদের নিয়োগের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।


শিক্ষার্থী শাকিল বলেন, কৃষি খাতে যত ক্ষেত্রে প্রকৌশল প্রয়োজন রয়েছে, কৃষি প্রকৌশলীরা সকল ক্ষেত্রে উপযুক্ত। এইখানে অন্য কোনো প্রকৌশল আসার সুযোগ নেই। বাঁধ নির্মাণ থেকে শুরু করে বড় বড় প্রজেক্টে নেতৃত্ব দিচ্ছে আমাদের প্রকৌশলীরা। কিন্তু আমাদের সাথে যে প্রহসন করে আমাদের নিয়োগ আটকে রাখা হচ্ছে, এগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই আমরা সবাই সমবেত হয়েছি। 


শিক্ষার্থী আশিক বলেন, ‎আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নির্বাচনী ইশতেহারে ৩১ দফা, ২৭ দফায় কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন এবং স্মার্ট প্রযুক্তির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। কৃষি ক্ষেত্রে এআই, ড্রোন, রিমোট সেন্সিং, স্মার্ট সেচ পদ্ধতি এগুলো ব্যবহারের জন্য তিনি বিশেষভাবে তাগিদ দিয়েছেন। আগামী ১৫ বছর পরে এসব ক্ষেত্রে লাগবে রিমোট সেন্সিং, অটোমেশন, স্মার্ট সিস্টেম। এগুলো শুধুমাত্র করতে পারে কৃষি প্রকৌশলীরা। আমাদের কৃষি প্রকৌশলে মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল এবং সিভিল সবগুলোই আমরা পড়াশোনা করে থাকি। আমরা এই সেক্টরগুলোতেও কৃষি খাতের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করতে পারবো।


আরেক শিক্ষার্থী জসিম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী সপ্তম থেকে নবম গ্রেডে নিয়োগে কৃষি প্রকৌশলীদের যথাযথ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এর ফলে ফোরম্যানকে প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে, যা দেশের জন্য লজ্জাজনক। তাই নবম গ্রেডের কৃষি পদে শতভাগ প্রকৌশলী নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি। কৃষি প্রকৌশলীরা পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করলেও কর্মক্ষেত্রে তাঁদের যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান করছি।


মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো—


১. ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ৯ম গ্রেড বা সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদে প্রবেশের জন্য সবাইকে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে এবং বি.এসসি ডিগ্রিধারী হতে হবে। কোটার মাধ্যমে কোনো পদোন্নতি নয়, এমনকি অন্য নামে সমমান পদ তৈরি করেও পদোন্নতি দেওয়া যাবে না। বিএডিসি, বিনা, বিএমডিএ-তে একক ভাবে কৃষি প্রকৌশলী দের নিয়োগ দিতে হবে। 


২. টেকনিক্যাল ১০ম গ্রেড বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ পূরণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ ডিপ্লোমা ও বি.এসসি উভয় ডিগ্রিধারীদেরকে পরীক্ষায় সুযোগ দিতে হবে।


৩.বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ব্যতীত প্রকৌশলী পদবি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।


মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, কৃষি খাতের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে দক্ষ প্রকৌশলী প্রয়োজন। তাই সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে যোগ্যতা ও শিক্ষাগত মানদণ্ড অনুসরণ করে নিয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেন তারা।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৫০ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএডিসি) ফোরম্যান ও ডিপ্লোমাধারীদের পদোন্নতির মাধ্যমে প্রকৌশলী পদে পদায়নের প্রতিবাদ এবং বিএসসি ডিগ্রিধারী প্রকৌশলীদের নিয়োগের সুযোগ নিশ্চিতের দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মানববন্ধন করেছেন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থীরা।


শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষদের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।


মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, কৃষি খাতের প্রকৌশল-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পদে বিএসসি ডিগ্রিধারী কৃষি প্রকৌশলীদের নিয়োগের সুযোগ সীমিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ফোরম্যান ও ডিপ্লোমাধারীদের পদোন্নতির মাধ্যমে প্রকৌশলী পদে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে বিএসসি ডিগ্রিধারী প্রকৌশলীদের নিয়োগের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।


শিক্ষার্থী শাকিল বলেন, কৃষি খাতে যত ক্ষেত্রে প্রকৌশল প্রয়োজন রয়েছে, কৃষি প্রকৌশলীরা সকল ক্ষেত্রে উপযুক্ত। এইখানে অন্য কোনো প্রকৌশল আসার সুযোগ নেই। বাঁধ নির্মাণ থেকে শুরু করে বড় বড় প্রজেক্টে নেতৃত্ব দিচ্ছে আমাদের প্রকৌশলীরা। কিন্তু আমাদের সাথে যে প্রহসন করে আমাদের নিয়োগ আটকে রাখা হচ্ছে, এগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই আমরা সবাই সমবেত হয়েছি। 


শিক্ষার্থী আশিক বলেন, ‎আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নির্বাচনী ইশতেহারে ৩১ দফা, ২৭ দফায় কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন এবং স্মার্ট প্রযুক্তির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। কৃষি ক্ষেত্রে এআই, ড্রোন, রিমোট সেন্সিং, স্মার্ট সেচ পদ্ধতি এগুলো ব্যবহারের জন্য তিনি বিশেষভাবে তাগিদ দিয়েছেন। আগামী ১৫ বছর পরে এসব ক্ষেত্রে লাগবে রিমোট সেন্সিং, অটোমেশন, স্মার্ট সিস্টেম। এগুলো শুধুমাত্র করতে পারে কৃষি প্রকৌশলীরা। আমাদের কৃষি প্রকৌশলে মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল এবং সিভিল সবগুলোই আমরা পড়াশোনা করে থাকি। আমরা এই সেক্টরগুলোতেও কৃষি খাতের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করতে পারবো।


আরেক শিক্ষার্থী জসিম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী সপ্তম থেকে নবম গ্রেডে নিয়োগে কৃষি প্রকৌশলীদের যথাযথ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এর ফলে ফোরম্যানকে প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে, যা দেশের জন্য লজ্জাজনক। তাই নবম গ্রেডের কৃষি পদে শতভাগ প্রকৌশলী নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি। কৃষি প্রকৌশলীরা পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করলেও কর্মক্ষেত্রে তাঁদের যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান করছি।


মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো—


১. ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ৯ম গ্রেড বা সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদে প্রবেশের জন্য সবাইকে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে এবং বি.এসসি ডিগ্রিধারী হতে হবে। কোটার মাধ্যমে কোনো পদোন্নতি নয়, এমনকি অন্য নামে সমমান পদ তৈরি করেও পদোন্নতি দেওয়া যাবে না। বিএডিসি, বিনা, বিএমডিএ-তে একক ভাবে কৃষি প্রকৌশলী দের নিয়োগ দিতে হবে। 


২. টেকনিক্যাল ১০ম গ্রেড বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ পূরণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ ডিপ্লোমা ও বি.এসসি উভয় ডিগ্রিধারীদেরকে পরীক্ষায় সুযোগ দিতে হবে।


৩.বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ব্যতীত প্রকৌশলী পদবি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।


মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, কৃষি খাতের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে দক্ষ প্রকৌশলী প্রয়োজন। তাই সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে যোগ্যতা ও শিক্ষাগত মানদণ্ড অনুসরণ করে নিয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৯ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএডিসি) ফোরম্যান ও ডিপ্লোমাধারীদের পদোন্নতির মাধ্যমে প্রকৌশলী পদে পদায়নের প্রতিবাদ এবং বিএসসি ডিগ্রিধারী প্রকৌশলীদের নিয়োগের সুযোগ নিশ্চিতের দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মানববন্ধন করেছেন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের শিক্ষার্থীরা।


শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষদের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।


মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, কৃষি খাতের প্রকৌশল-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পদে বিএসসি ডিগ্রিধারী কৃষি প্রকৌশলীদের নিয়োগের সুযোগ সীমিত করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ফোরম্যান ও ডিপ্লোমাধারীদের পদোন্নতির মাধ্যমে প্রকৌশলী পদে দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। এতে সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে বিএসসি ডিগ্রিধারী প্রকৌশলীদের নিয়োগের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।


শিক্ষার্থী শাকিল বলেন, কৃষি খাতে যত ক্ষেত্রে প্রকৌশল প্রয়োজন রয়েছে, কৃষি প্রকৌশলীরা সকল ক্ষেত্রে উপযুক্ত। এইখানে অন্য কোনো প্রকৌশল আসার সুযোগ নেই। বাঁধ নির্মাণ থেকে শুরু করে বড় বড় প্রজেক্টে নেতৃত্ব দিচ্ছে আমাদের প্রকৌশলীরা। কিন্তু আমাদের সাথে যে প্রহসন করে আমাদের নিয়োগ আটকে রাখা হচ্ছে, এগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই আমরা সবাই সমবেত হয়েছি। 


শিক্ষার্থী আশিক বলেন, ‎আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নির্বাচনী ইশতেহারে ৩১ দফা, ২৭ দফায় কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন এবং স্মার্ট প্রযুক্তির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। কৃষি ক্ষেত্রে এআই, ড্রোন, রিমোট সেন্সিং, স্মার্ট সেচ পদ্ধতি এগুলো ব্যবহারের জন্য তিনি বিশেষভাবে তাগিদ দিয়েছেন। আগামী ১৫ বছর পরে এসব ক্ষেত্রে লাগবে রিমোট সেন্সিং, অটোমেশন, স্মার্ট সিস্টেম। এগুলো শুধুমাত্র করতে পারে কৃষি প্রকৌশলীরা। আমাদের কৃষি প্রকৌশলে মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল এবং সিভিল সবগুলোই আমরা পড়াশোনা করে থাকি। আমরা এই সেক্টরগুলোতেও কৃষি খাতের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল করতে পারবো।


আরেক শিক্ষার্থী জসিম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী সপ্তম থেকে নবম গ্রেডে নিয়োগে কৃষি প্রকৌশলীদের যথাযথ সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এর ফলে ফোরম্যানকে প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে, যা দেশের জন্য লজ্জাজনক। তাই নবম গ্রেডের কৃষি পদে শতভাগ প্রকৌশলী নিয়োগের দাবি জানাচ্ছি। কৃষি প্রকৌশলীরা পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জন করলেও কর্মক্ষেত্রে তাঁদের যথাযথ মূল্যায়ন হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান করছি।


মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি জানান। দাবিগুলো হলো—


১. ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ৯ম গ্রেড বা সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদে প্রবেশের জন্য সবাইকে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে এবং বি.এসসি ডিগ্রিধারী হতে হবে। কোটার মাধ্যমে কোনো পদোন্নতি নয়, এমনকি অন্য নামে সমমান পদ তৈরি করেও পদোন্নতি দেওয়া যাবে না। বিএডিসি, বিনা, বিএমডিএ-তে একক ভাবে কৃষি প্রকৌশলী দের নিয়োগ দিতে হবে। 


২. টেকনিক্যাল ১০ম গ্রেড বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদ পূরণের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ ডিপ্লোমা ও বি.এসসি উভয় ডিগ্রিধারীদেরকে পরীক্ষায় সুযোগ দিতে হবে।


৩.বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ব্যতীত প্রকৌশলী পদবি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।


মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, কৃষি খাতের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে দক্ষ প্রকৌশলী প্রয়োজন। তাই সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে যোগ্যতা ও শিক্ষাগত মানদণ্ড অনুসরণ করে নিয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেন তারা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৫ পিএম

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা, যিনি দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে ধারণ করেন।


শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে জন্মাষ্টমী উৎসবে তিনি এ কথা বলেন।


রাশেদ খাঁন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা, যিনি দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমানভাবে ধারণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় রয়েছে, যেখানে ধর্ম যার যার কিন্তু নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সবার।


রাশেদ খাঁন আরোও বলেন, হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব হলেও তাঁর জীবন, দর্শন ও শিক্ষা আজও সমাজে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। শ্রীকৃষ্ণ আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার বংশপরিচয়ে নয়; বরং তার কর্মের মধ্য দিয়েই তার মর্যাদা ও অবস্থান নির্ধারিত হয়। তিনি সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাই শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ধারণ করে আমাদের একটি বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে।


অস্প্রদায়িক চেতনা আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যে ধর্মেরই অনুসারী হই না কেন, সকল ধর্মের মূল শিক্ষা হচ্ছে শান্তি, শৃঙ্খলা, মানবতা ও সম্প্রীতি। বাংলাদেশে কোনো নাগরিক যেন তার ধর্মীয় পরিচয় কিংবা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে বৈষম্য বা নির্যাতনের শিকার না হন এটি আমাদের সবার প্রত্যাশা। অতীতে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়েছিল। আমরা চাই না, ভবিষ্যতে আর কোনো বিশ্বজিৎ এ ধরনের নৃশংস হামলার শিকার হোক। এ ধরনের সহিংসতা ও বৈষম্যের সংস্কৃতি যেন আর কখনো ফিরে না আসে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।


তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিককে যেন বৈষম্যের শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।


সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপারে তিনি বলেন, অতীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ বৈষম্য ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বর্তমান সরকার এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত থাকবে এবং কোনো সনাতন ধর্মাবলম্বীর ওপর ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে হামলা বা নিপীড়নের ঘটনা ঘটবে না। একটি অসাম্প্রদায়িক, শান্তিপূর্ণ, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্য।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সনাতনী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৫৩তম আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।


জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের আচার অনুষ্ঠান ভিন্ন হলেও শান্তি, মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য অভিন্ন। শ্রীকৃষ্ণের জীবন ও দর্শন থেকে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা এবং সব ধরনের অনিষ্ট থেকে দূরে থাকার শিক্ষা পাওয়া যায়। তাঁর এই মহান শিক্ষাকে আমাদের ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে ধারণ করতে হবে।


তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া উচিত, যেখানে প্রত্যেক ধর্মাবলম্বী নিজ নিজ ধর্মীয় অধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারবেন এবং প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে পালন করতে পারবেন। একই সঙ্গে ভিন্নমতের মানুষও স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের সুযোগ পাবেন। অন্যায়, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে উঠে একটি শান্তিপূর্ণ, মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।


উপাচার্য বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, মানবিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এগিয়ে নিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সকল ভেদাভেদ ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।


অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল। তিনি জন্মাষ্টমীর তাৎপর্য তুলে ধরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সর্বশেষ সব খবর

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টার

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:২৫ এএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছাত্রী হলগুলোতে প্রতি বৃহস্পতিবার রোটেশনের মাধ্যমে একজন নারী চিকিৎসক উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা দেবেন বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া প্রতি সোমবার সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেডিক্যাল সেবা পাবেন শিক্ষার্থীরা।


বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদারের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কর্মরত চিকিৎসকদের সংখ্যা এবং সেবাগ্রহীতাদের প্রয়োজনের ওপর ভিত্তি করে নতুন ডিউটি রোস্টার তৈরি করা হয়েছে। মেডিকেল সেন্টারের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের নির্ধারিত রোস্টার অনুযায়ী উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


নতুন রোস্টারে বলা হয়, ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ও দপ্তরপ্রধান ডা. মাহমুদুল হাসান খান এবং ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদা আক্তার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। অন্যদিকে, ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. বেলায়েত হোসেন ভূঁইয়া এবং সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিদা আক্তার শিমু সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।


নতুন রোস্টার আরও বলা হয়, মাসের প্রথম সোমবার সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিদা আক্তার শিমু ও নার্স জেসমিন আক্তার, দ্বিতীয় সোমবার ডা. মো. বেলায়েত হোসেন ভূঁইয়া, তৃতীয় সোমবার মেডিকেল সেন্টারের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলী হাসান নেওয়াজ এবং চতুর্থ সোমবার ডা. মাহমুদা আক্তার দায়িত্ব পালন করবেন।


এ ছাড়া প্রতি বৃহস্পতিবার রোটেশনের মাধ্যমে একজন নারী চিকিৎসক ছাত্রী হলগুলোতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা দেবেন। এর ফলে নারী শিক্ষার্থীরা হলে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নেওয়ার সুযোগ পাবেন।


এ বিষয়ে কুবি মেডিকেল সেন্টারের ডেপুটি-চিপ মেডিক্যাল অফিসার ডা. মাহমুদুল হাসান খান বলেন, এতদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মেডিক্যাল সেবা চালু থাকতো। এখন রোটেশনের মাধ্যমে সকাল ৮টা থেকে মেডিক্যাল সেবা শুরু হবে। এছাড়া প্রতি বৃহস্পতিবার নারী চিকিৎসকেরা ছাত্রী হলে গিয়ে চিকিৎসা সেবা দিবেন।'

সর্বশেষ সব খবর

জবি'র কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে অর্ধশতাধিক আসন বৃদ্ধি

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:৫৯ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) পাঠাগার ও সেমিনার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রিয়াসাল রাকিবের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আসন সংকট নিরসনে নতুন করে অর্ধ-শতাধিক আসন বৃদ্ধি করা হয়েছে। 


আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জকসুর পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়াসাল রাকিব নিজে উপস্থিত থেকে আসন বৃদ্ধির এই কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।


জানা যায়, এতদিন জবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির ধারণক্ষমতা ছিল ২৮০টি আসন। নতুন এই আসন বৃদ্ধির ফলে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিটিতে পড়াশোনার আরও সুন্দর পরিবেশ এবং একসাথে আরও বেশি শিক্ষার্থী পড়ালেখার সুযোগ তৈরি হলো।


এই উদ্যোগে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, আগে সকালে লাইব্রেরিতে আসার পর অনেক সময় সিট পাওয়া যেত না। আসন সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন লাইব্রেরিতে সিট পাওয়ার ভোগান্তি অনেকটাই কমে যাবে এবং নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পথ আরও সুগম হবে।


চাকরিপ্রত্যাশী জবি শিক্ষার্থী মোঃ বেলাল হোসেন বলেন, "আগে লাইব্রেরিতে প্রতিদিন সকালে সিট পাওয়া নিয়ে এক প্রকার যুদ্ধ করতে হতো। ১০-১৫ মিনিট দেরি হলেই সিট পাওয়া যেত না, যা আমাদের মতো চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য খুব হতাশার ছিল। নতুন করে আসন সংখ্যা বাড়ানোয় এখন অনেক শিক্ষার্থী একসাথে পড়ার সুযোগ পাবে এবং আমাদের পড়াশোনার প্রস্তুতিটাও আরও গতি পাবে।"


ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের শিক্ষার্থী রিফাত হোসেন বলেন, "আমাদের লাইব্রেরিতে সিটের তুলনায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবসময়ই অনেক বেশি থাকত। রিয়াসাল রাকিব ভাইয়ের এই উদ্যোগে আসন বাড়ায় সেই তীব্র সংকট কিছুটা হলেও কমবে। লাইব্রেরির পরিবেশ আগের চেয়ে আরও প্রাণবন্ত হবে এবং নিয়মিত পড়ার জন্য সবাই এখন আরও বেশি অনুপ্রেরণা পাবে।"


উদ্যোগটির বিষয়ে লাইব্রেরি ও সেমিনার সম্পাদক রিয়াসাল রাকিব বলেন, "জকসুতে আমার অন্যতম একটি ইশতেহার ছিল সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে আসন বৃদ্ধি করা। সেটি বাস্তবায়ন করলাম। আগে আসনের স্বল্পতার কারণে অনেক শিক্ষার্থী চাইলেও লাইব্রেরির শান্ত ও অনুকূল পরিবেশে পড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতেন। এখন ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় আরও অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী একসাথে পড়াশোনা করার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে আমাদের যে ভাই-বোনেরা বিসিএস কিংবা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই বাড়তি আসনগুলো অত্যন্ত সহায়ক হবে বলে আশা রাখছি।"


তিনি আরও বলেন, "আমি বিশ্বাস করি, লাইব্রেরির এই পরিবেশ এবং সুযোগ-প্রসারণ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গঠনে এবং তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক ও সুদূরপ্রসারী ভূমিকা পালন করবে।"

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৩ পিএম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল পথশিশুদের মাঝে খেলাধুলার সামগ্রী ও খাবার বিতরণ ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি ও সাবেক জবি শিক্ষার্থী কাজী জিয়াউদ্দিন বাসিত।


বুধবার (২সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ভিক্টোরিয়া পার্কে উক্ত আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয়


জানা যায়, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দ সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচিতে শিশুদের হাতে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী তুলে দেওয়ার পাশাপাশি তাদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।


এই বিষয়ে বাসিত জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনব্যাপী বিভিন্ন সামাজিক, সৃজনশীল ও জনসম্পৃক্ততামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে আজ সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল পথশিশুদের মাঝে খেলাধুলার সামগ্রী ও খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।


তিনি বলেন, পথশিশুদের মধ্যে থাকা সম্ভাবনাময় প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি এবং তাদের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় উৎসাহিত করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। 


তিনি আরও বলেন, ছোট ছোট সামাজিক উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধ বাড়ানো এবং একটি সাম্য, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখতেই ছাত্রদল এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও শিক্ষার্থীকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।


কর্মসূচিতে উপস্থিত ব্যক্তিরা জানান, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য খেলাধুলার সামগ্রী ও খাবার বিতরণের মতো উদ্যোগ তাদের আনন্দের পাশাপাশি সামাজিকভাবে তাদের প্রতি দায়িত্ববোধ তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

সর্বশেষ সব খবর