রাজধানীর মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একটি কেন্দ্রে একজন ভোটার

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১:০৯ এএম

সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছে ব্যালট পেপারে স্বাক্ষর দেওয়া থেকে শুরু করে গোপন কক্ষে ভোট দিয়ে তা বক্সে জমা দেওয়া- এই প্রক্রিয়া শেষ করতে একজন ভোটারের সময় লাগছে গড়ে প্রায় পৌনে তিন মিনিট। আর গোপন কক্ষে প্রবেশ থেকে ব্যালট বক্সে ভোট জমা দেওয়া- এই প্রক্রিয়ায় একজন ভোটারের গড়ে দেড় মিনিটের কিছু বেশি সময় লাগছে।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আজ বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ হচ্ছে। সকালে রাজধানীর মিরপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের একটি পুরুষ কেন্দ্রের ভোটারদের ভোট দেওয়ার সময় বিশ্লেষণ করে উল্লিখিত তথ্য পাওয়া গেছে।


একই কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা কিছু ভোটারের মধ্যে গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা গেছে। গণভোটের ব্যালটটা কীসের, সেটা দিয়ে কী করবেন, কোথায় ভোট দিতে হবে- এমন প্রশ্নও কিছু ভোটারকে করতে দেখা গেছে। গণভোট নিয়ে এই বিভ্রান্তির প্রভাব ভোটকেন্দ্রে সময় ব্যয়ের ওপর পড়ছে বলে জানালেন কিছু ভোটার।


এদিকে ঢাকা ১৪ আসনে বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মোট ৩৪৪টি ভোট পড়েছে। মোট ভোটার ২ হাজার ৭৯৯ জন। শতাংশের হিসেবে এটি ১২ দশমি ২৯।



সর্বশেষ সব খবর

মিরপুর ১১ নম্বরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা

  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৮ পিএম

রাজধানীর মিরপুর এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় মেট্রোরেলের তিনটি স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষের পর থেকে মিরপুর-১০, মিরপুর-১১ ও পল্লবী স্টেশনে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।


মেট্রোরেল পুলিশের (এমআরটি পুলিশ) অপারেশন বিভাগের পরিদর্শক মো. মহসীন শেখ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


এদিকে, মিরপুর ১১ এলাকায় পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।


আগুন নেভাতে তাদের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার হামিদুর রহমান।

সর্বশেষ সব খবর

মিরপুর ১১ নম্বরে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা

  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৪২ পিএম

রাজধানীর মিরপুরে ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করা পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। রোববার সকাল আটটার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। এতে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। অবরোধের কারণে মিরপুর-১০ নম্বর মেট্রো স্টেশনের প্রবেশপথও বন্ধ করে দেওয়া হয়।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছিলেন শ্রমিকেরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশ শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরে যেতে বললে বেলা সোয়া ১১টার দিকে তারা পুলিশের দিকে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। এরপর পুলিশ লাঠিপেটা করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।


এ সময় পুলিশ জলকামান দিয়ে পানি ছোড়ে। পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে শ্রমিকেরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরে তারা আবার সংগঠিত হয়ে বিভিন্ন অলিগলির মুখে অবস্থান নেন এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।


সোয়া ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা রাস্তা ছেড়ে চলে যান। এরপর যান চলাচল স্বাভাবিক হতে থাকে। তবে এ সময় পর্যন্ত বিভিন্ন অলিগলিতে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি চলছিল।


এদিকে মিরপুর-১১ নম্বর এলাকায় পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।


একই দাবিতে শনিবারও মিরপুরে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন পোশাকশ্রমিকেরা। সেদিন মিরপুর-১০, ১১ ও ১২ নম্বরসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে মিরপুর-১ নম্বরের শাহ আলী এলাকায় কয়েকটি মার্কেট ও পোশাক কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।


এদিকে পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে আজ মজুরি বোর্ড গঠনের কথা জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।


সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৫১ পিএম

রাজধানী ঢাকায় যাত্রীপরিবহনের শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচলের নীতিমালা প্রকাশ করেছে সরকার। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে পারবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ব্যাটারিচালিত রিকশার এই নীতিমালা প্রকাশ করে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, ই-রিকশা নিবন্ধনের জন্য কোনো ব্যক্তিকে কর্তৃপক্ষের কাছে ফিসহ কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। এরপর বর্ণিত ফরম অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।


রেজিস্ট্রেশনের জন্য পাওয়া আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই-বাছাইয়ে সন্তুষ্ট হলে আবেদনের ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন হবে। নিবন্ধনের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।


প্রতিটি নিবন্ধিত ই-রিকশার জন্য একটি কিউআর কোডযুক্ত ইউনিক নিবন্ধন নম্বর ও নম্বর প্লেট দেবে কর্তৃপক্ষ। কিউআর কোডযুক্ত নিবন্ধন নম্বর ই-রিকশার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে।


আবেদন যাচাই-বাছাইয়ে সন্তুষ্ট না হলে তা নামঞ্জুর করবে কর্তৃপক্ষ। নামঞ্জুরের কারণ আবেদনকারীকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানো হবে।


নামঞ্জুরে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আদেশ পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করতে পারবেন। আপিলের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।


একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে যেকোনো এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে অনধিক পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে। এক সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না।


বুয়েটনির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড, নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, ফিটনেস সার্টিফিকেট ও সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের প্রতিস্বাক্ষর ছাড়া কোনো ই-রিকশার নিবন্ধন হবে না। নবায়ন করা যাবে না।


স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯-এর ক্ষমতাবলে এ-সংক্রান্ত একটি বিধিমালা প্রণয়ন করেছে সরকার। এটি সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বিধিমালা, ২০২৬ নামে অভিহিত হবে। এটি দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচলকারী ই-রিকশার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।


পর্যায়ক্রমে ই-রিকশাকে বিমার আওতায় আনা হবে। প্রতিটি ই-রিকশার ‘ইকোনমিক লাইফটাইম’ হবে নিবন্ধনের তারিখ থেকে ১২ বছর। এই মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নম্বর প্লেটসহ সংশ্লিষ্ট ই-রিকশার নিবন্ধন বাতিল হবে।


প্রতিটি ই-রিকশায় ‘স্পিডোমিটার’ বা ‘ওডোমিটার’ স্থাপন করতে হবে। ত্রুটিযুক্ত ও অবৈধ যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ। কোনো যান্ত্রিক বা নিরাপত্তা ত্রুটিযুক্ত ও নিবন্ধনবিহীন অবৈধ ই-রিকশা সড়কে চালানো যাবে না।


মেট্রোপলিটন এলাকার ট্রাফিক বিভাগ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যৌথভাবে অথবা পৃথকভাবে অবৈধ ই-রিকশা চলাচল বন্ধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।


ই-রিকশা জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও প্রধান বাস চলাচলের সড়ক বা করিডর এবং প্রশাসন কর্তৃক সময়–সময় নিষেধাজ্ঞা আরোপিত সড়কে চলাচল করতে পারবে না।


ই-রিকশা ফুটপাতে চলাচল করতে পারবে না। ই-রিকশাচালক সব সময় সড়কের বাঁ লেন অনুসরণ করে চলাচল করবে।


ই-রিকশাচালক ড্রাইভিং করা অবস্থায় মুঠোফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। ই-রিকশাচালক নিয়মবহির্ভূতভাবে ওভারটেকিং ও লেন পরিবর্তন করতে পারবেন না।


নীতিমালায় বলা হয়েছে, ই-রিকশায় চালক ছাড়া আকারভেদে দুই বা চারজনের বেশি যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। যাত্রীর হাতে বহনযোগ্য মালামাল ছাড়া অন্য কোনো বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন করা যাবে না।


ই-রিকশায় ৪০ ডেসিবেলের অধিক তীব্রতার হর্ন ব্যবহার করা যাবে না। স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় বা জনবহুল স্থানে ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি হবে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার।


ই-রিকশা চলাচলের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে রুট (চলাচলের সড়ক) নির্ধারণ করে দেবে। সিটি করপোরেশন এলাকায় রুট হবে জোনভিত্তিক। এক জোনের ই-রিকশা অন্য জোনে চলাচল করতে পারবে না।


নীতিমালায় বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে পরামর্শক্রমে প্রতিটি ওয়ার্ডে বা উপযুক্ত স্থানে প্রয়োজনীয়সংখ্যক পার্কিং এলাকা নির্ধারণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।


কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত ও সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত চার্জিং পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট গ্যারেজে ই-রিকশা ব্যাটারি চার্জ দিতে পারবে। সংশ্লিষ্ট চার্জিং পয়েন্ট বা গ্যারেজে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা সৌরশক্তি ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে। ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণ ও উৎসাহিত করতে হবে। অনিয়ন্ত্রিত ও নিয়মবহির্ভূত চার্জিং পরিহার করতে হবে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ করলে বিদ্যমান সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় দণ্ড প্রদান করা হবে।


সর্বশেষ সব খবর

কে এম তাহসিফ সাউরি

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৫ এএম

রাজধানীর উত্তরখান থানা এলাকার তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এসব তথ্য জানান নৌ পুলিশের ঢাকা রিজিয়নের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন।


তিনি বলেন, বুধবার জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগ নদ থেকে তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর এক আত্মীয়কে খবর দেওয়ার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানান পুলিশ সুপার। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।


পুলিশ জানায়, বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে উত্তরখান থানার রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদে যায় টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল। সেখানে নদে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর বয়স আনুমানিক ২৮ বছর। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় তাঁর পরনে সাদা পাজামা ও কালো জামা, হাতে ঘড়ি এবং পকেটে একটি আইফোন পাওয়া যায়। ওই ফোনের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা হয়। তিনি বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি। তাঁর বাবার নাম কে এম এনায়েতুর। তিনি উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের ১৪/বি নম্বর সড়কের বাসিন্দা।


এদিকে, তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় শেখ হাসিনার দেশত্যাগের মুহূর্তের যে ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল, সেটি ধারণ করেছিলেন তিনি। তবে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেননি নৌ পুলিশের কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:১৭ পিএম

রাজধানী ঢাকার রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে আজ ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত থেকে শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। ডিএসসিসি’র  চারজন বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, শতাধিক উচ্ছেদ কর্মী এবং পর্যাপ্ত পুলিশ বলের সহায়তায় এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।




​বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে। পে-লোডারসহ বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অবৈধ অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়ার পর উচ্ছেদকৃত মালামাল ও সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।


​ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম সরাসরি উপস্থিত থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শন করেন এবং গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেন।




​পরিদর্শনকালে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, "সিটি কর্পোরেশনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাস্তা ও ফুটপাত পরিষ্কার এবং দখলমুক্ত রাখা হচ্ছে। হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, তারা কেবল সেখানেই বসতে পারবেন। বিশেষ করে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো রাস্তা সম্পূর্ণ পরিষ্কার রাখা হবে এবং মূল রাস্তায় কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না।"


​হকারদের সতর্ক করার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, "রাস্তা ও ফুটপাত পরিষ্কার রাখার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে  সতর্ক করার পাশাপাশি হকার সংগঠনের নেতাদের সাথেও একাধিকবার বৈঠক করা হয়েছে। কিন্তু উচ্ছেদের পরও পুনরায় বসে পড়ায় এখন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। নিয়ম অমান্য করে বসলে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেফতার করা হবে।" এই উচ্ছেদ ও দখলমুক্তকরণ অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।




অভিযানটি পরিচালনা করেন ডিএসসিসি’র প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খান এবং বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সিনিয়র সহকারী সচিব) মোঃ আমিনুল ইসলাম।


​পথচারীদের নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এই অভিযান সামনেও অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ সব খবর

রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় আজ উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএসসিসি

  • প্রকাশ : বুধবার ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:১৫ পিএম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম বলেছেন, রাজধানীর গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো রাস্তা দখলমুক্ত রাখা হবে। এই সড়কের কোথাও হকারদের বসতে দেওয়া হবে না। নির্ধারিত স্থানের বাইরে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে কোনো হকার দোকান বসালে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করা হবে। আজ বুধবার রাজধানীর গুলিস্তানে উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএসসিসি প্রশাসক।


এর আগে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত গুলিস্তানের ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট–সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় ডিএসসিসি। এ সময় ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা শতাধিক অবৈধ দোকান ও অবকাঠামো উচ্ছেদ করা হয়। পে-লোডারসহ ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে অবৈধ অবকাঠামো ভেঙে ফেলার পাশাপাশি মালামাল–সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।


অভিযান চলাকালে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা কেবল সেখানেই বসতে পারবেন। বিশেষ করে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো রাস্তা সম্পূর্ণ পরিষ্কার রাখা হবে। মূল রাস্তায় কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না।


উচ্ছেদের পর আবার রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর বিষয়ে প্রশাসক বলেন, হকারদের বিভিন্ন মাধ্যমে সতর্ক করা হয়েছে। হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গেও একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। এরপরও উচ্ছেদ করা জায়গায় আবার দোকান বসানো হচ্ছে। এ কারণে এখন কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই।


আবদুস সালাম বলেন, নিয়ম অমান্য করে বসলে মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করা হবে। রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


ডিএসসিসি জানিয়েছে, আজকের অভিযানে সংস্থাটির চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, শতাধিক উচ্ছেদকর্মী ও ছয় প্লাটুন পুলিশ অংশ নেন।


অভিযান পরিচালনা করেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম।


পথচারীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএসসিসি।

সর্বশেষ সব খবর