ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৫৪ পিএম

সাজেক সড়কে রোববার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ১২ ঘণ্টার পাল্টা সড়ক অবরোধ পালন করছে পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি। এতে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা-সাজেক-বাঘাইছড়ি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত ২২ অক্টোবর থেকে ‘সাজেক’ ইস্যুতে থেমে থেমে এ সড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে আসছিল ‘সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন’। 


শুক্রবার সংগঠন দুটির নেতা বাবুধন চাকমা ও নতুনজয় চাকমা এক বার্তায় রোববারের জন্য অবরোধ শিথিলের ঘোষণা দেন। সাজেক এলাকার সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদা এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মাসব্যাপী কঠিন চীবর দান উৎসবের কথা বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তাঁরা।


তবে অবরোধ এক দিনের জন্য শিথিল করার ঘোষণায় অসন্তোষ জানিয়ে শনিবার রাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটির সদস্যসচিব বিন্দু লাল চাকমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাল্টা অবরোধের ডাক দেন।


রোববার সকাল থেকে অবরোধের কারণে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কে কোনো যানবাহন চলাচল করেনি। এতে কর্মজীবী মানুষ ও দূরপাল্লার যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। খাগড়াছড়ি জেলা শহরের ন্যান্সী বাজার এলাকার দীঘিনালা-খাগড়াছড়ি স্টেশনে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে যাত্রীদের জটলা দেখা যায়। যানবাহন না পেয়ে অনেকে হতাশা প্রকাশ করেন।


পরিবহন শ্রমিক জসীম উদ্দিন বলেন, দুটি সংগঠন পর্যটনের ভরা মৌসুমে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য পুরো পরিবহন খাতকে জিম্মি করে ফেলেছে। এক দিনের জন্য অবরোধ শিথিলের ঘোষণা আমরা মানিনা। তাই পাল্টা সর্বাত্মক সাজেক অবরোধের পথে নেমেছি।


খাগড়াছড়ির পরিবহন নেতা মীর হোসেন ও আয়ুস কান্তি চাকমা বলেন, এ অচলাবস্থা নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে চলমান আলোচনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। স্থায়ী সমাধান না হলে চলমান পর্যটন মৌসুমে সব ধরনের ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হাজারো মানুষের জীবিকা সংকটে পড়বে।





  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:০৫ পিএম

“দক্ষ যুব গড়বে দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ”—এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঝালকাঠির নলছিটিতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।


রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নলছিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব, প্রতীক কুমার কুন্ডু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নলছিটি উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আনিচুর রহমান হেলাল খান, নলছিটি উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ তৌহিদ আলম মান্না, নলছিটি প্রেসক্লাবের সহ- সভাপতি মোঃ শাহাদাৎ হোসেন মনু প্রমুখ।


অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, নলছিটি উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ এনামুল হক। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন, প্রভাষক আমির হোসেন।


আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে যুবসমাজকে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় সম্পৃক্ত করতে হবে।


তারা আরও বলেন, যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে দেশ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা পালনে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। অনুষ্ঠানে যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


অনুষ্ঠান শেষে যুব ঋনের চেক ও সম্মাননা স্মারক প্রধান করা হয়৷


রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ

  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:২১ পিএম

এইচএসসিতে রংপুর জেলায় তৃতীয় স্থান ধরে রেখেছে পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার কমলেও ভালো ফলাফলের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ। গতবারের মতো এবারও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে রংপুর জেলায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এবার প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৬ দশমিক ৫২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২২ জন শিক্ষার্থী।


চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় রংপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৭১০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৬৯৩ জন। অনুত্তীর্ণ হয়েছে ১৭ জন। পাসের হার ৯৬ দশমিক ৫২ শতাংশ।


ফলাফলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২২ জন শিক্ষার্থী। জেলার বেশ কয়েকটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তুলনায় ভালো ফলাফল করেছে প্রতিষ্ঠানটি। গত বছরও ৯৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়ে জেলার শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছিল পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ। ধারাবাহিকভাবে ভালো ফলাফলে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, শিক্ষকদের আন্তরিক পাঠদান, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন এবং অভিভাবকদের সহযোগিতায় এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।


এদিকে, এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে রংপুর জেলায় প্রথম স্থান ধরে রেখেছে রংপুর ক্যাডেট কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৯৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ফলে জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ভালো ফলাফলের প্রতিযোগিতায় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে নগরীর এই দুই প্রতিষ্ঠান।


তবে সার্বিকভাবে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল হতাশাজনক। বোর্ডটিতে এবার পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। ২১৩টি কেন্দ্রে ১ লাখ ১১ হাজার পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হয়েছে মাত্র ৫১ হাজার ৩৯৮ জন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, বোর্ডের ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।


বোর্ডের সামগ্রিক ফলাফল খারাপ হলেও পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত শিক্ষকরা। তারা বলছেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও মনন বিকাশের পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানটির নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে কাজ করবেন তারা।


জাহাঙ্গীর আলম, উপাধ্যক্ষ, পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রংপুর বলেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এ সাফল্য এসেছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের লক্ষ্যে শিক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া হবে।


প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. ওবায়দুল আনোয়ার বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, পরিশ্রম, শিক্ষকদের আন্তরিক পাঠদান এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার সম্মিলিত ফল এই সাফল্য। আমরা শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফল নয়, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতেও গুরুত্ব দিয়ে থাকি। ভবিষ্যতেও শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং ভালো ফলাফলের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০১ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৩ পিএম

গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে পুলিশের একটি বক্সে আগুন দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। এ সময় শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে, পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় যমুনা ব্যাংকে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছেন শ্রমিকরা। এ ছাড়া সফিপুরে একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।


রোববার সকাল ৮টা থেকে শ্রমিকরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে রাখায় ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অধিকাংশ শ্রমিকের হাতে লাঠিসোঁটা দেখা গেছে। এ সময় কয়েকজন শ্রমিককে ‘শফিপুর আমরা চালাচ্ছি’ বলতেও শোনা যায়।


কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে পুলিশ কাজ করছে। কয়েকটি এলাকায় বিচ্ছিন্ন কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। সকাল ১১টার দিকে সফিপুরে একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। যমুনা ব্যাংক ভাঙচুরের তথ্য পাওয়া গেছে। কোনাবাড়ীতে পুলিশের বক্সেও আগুন দেওয়ার খবর পেয়েছি।


প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনাবাড়ী এলাকায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ চলছিল।



  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৮ পিএম

দৈনিক কালবেলার গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মহিন উদ্দিন রিপনের ওপর হামলা, অপহরণ, শারীরিক নির্যাতন, চাঁদা দাবি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগের প্রতিবাদে গাজীপুরের টঙ্গীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন থেকে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।


আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের সামনে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক মহিন উদ্দিন রিপনের ওপর হামলা ও অপহরণের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংবাদ প্রকাশের কারণে কোনো সাংবাদিককে অপহরণ, নির্যাতন, চাঁদা দাবি কিংবা ব্যক্তিগত সম্মানহানির হুমকির মুখে পড়তে হলে তা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য অশনিসংকেত। অপরাধ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব। তাই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব।


তারা আরও বলেন, সাংবাদিকের কলম স্তব্ধ করে অপরাধ আড়াল করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এ ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।


সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এ কে এম আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক কালিমুল্লাহ ইকবালের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন, বিএনপি নেতা বি. এম. শামীম, গাজীপুর সেন্ট্রাল ক্লাবের সভাপতি আব্দুল ওহাব রিঙ্কু, গাজীপুর মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান জিলানী, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল বারী চৌধুরী, সহসভাপতি আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সফিউদ্দিন খান।


এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক মামুন হাসান, রোমান হোসাইন, সুজন সারওয়ার, পারভীন ইতি, মো. পাপেল মিয়া, মো. আনু হাসান, মোহাম্মদ শামীম রেজা, গাজী মামুন, হানিফ মিয়া, মো. খোকন মিয়া ও মো. জাহাঙ্গীর আলম সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান শাহা, দৈনিক যায় যায় দিন পত্রিকার টঙ্গী প্রতিনিধ রেজাউল কবির রাজীব, রোমান, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন টঙ্গী পূর্ব থানার যুগ্ন আহবায়ক মোক্তার হোসেনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


মানববন্ধনে কালিমুল্লাহ ইকবাল বলেন, “সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়, বরং সমাজের অপরাধ, অনিয়ম ও দুর্নীতি তুলে ধরাই সাংবাদিকদের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে একজন সাংবাদিক যদি অপহরণ, নির্যাতন, চাঁদাবাজি কিংবা ব্ল্যাকমেইলের শিকার হন, তাহলে তা শুধু ব্যক্তির ওপর হামলা নয়, স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি আঘাত। আমরা কোনো বিশেষ সুবিধা চাই না; চাই সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার। মহিন উদ্দিন রিপনের ঘটনায় অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে তাঁর ও পরিবারের নিরাপত্তা দিতে হবে। অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের ঊর্ধ্বে থাকার সুযোগ দেওয়া যাবে না।”


মানববন্ধন থেকে সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধ, গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়।


বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে সত্য প্রকাশের অধিকার এবং সাধারণ মানুষের তথ্য জানার অধিকার সুরক্ষিত করা। তাই এ ঘটনায় দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।


যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:১৫ পিএম

গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার ও সাংগঠনিক ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিলেন মন্ত্রী জাহিদ হোসেন। ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৮ বছর পূর্তিতে নানা আয়োজন, আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালির মধ্য দিয়ে দিনাজপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি, গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার, রাজনৈতিক সহনশীলতা ও সাংগঠনিক ঐক্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


দিনাজপুর ইনস্টিটিউট মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এ কে এম মাসুদুল ইসলাম মাসুদ। সঞ্চালনা করেন জেলা যুবদলের সদস্যসচিব রেজাউর রহমান রেজা।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন যুবদলের ৪৮ বছরের পথচলায় সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের বর্তমান নেতৃত্বের অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছে। এ পথচলায় অসংখ্য নেতাকর্মী ত্যাগ স্বীকার করেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।


তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটাধিকার ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুবদল শুধু দিনাজপুরে নয়, সারা দেশেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দেশের যুবসমাজকে সংগঠিত করতেও সংগঠনটির ভূমিকা রয়েছে।


রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতের দমন-পীড়ন, গুম, খুন ও কারাবরণের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে। স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটলেও তার সহযোগীরা বিভিন্নভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করতে পারে। তাই গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অতীতের অন্যায়-অবিচারের বিচার নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতে একই ধরনের পরিস্থিতি ফিরে আসার আশঙ্কা থেকে যায় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।


মন্ত্রী বলেন, বিএনপি কথার চেয়ে কাজে এবং জনগণের শক্তিতে বিশ্বাস করে। জনগণই রাষ্ট্রের সব ক্ষমতার উৎস। কোনো বিদেশি শক্তি, প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর নির্ভর করে নয়, জনগণের সমর্থন ও আস্থার ভিত্তিতেই রাজনীতি করতে চায় বিএনপি।তিনি আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও মুসলমান- সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। পাহাড় ও সমতলের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সবার অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা রাজনৈতিক দায়ীত্ব। বিএনপির নেতাকর্মীরা ক্ষমতায় কিংবা বিরোধী দলে- উভয় অবস্থাতেই মানুষের পাশে থাকার ঐতিহ্য ধারণ করে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


রাজনৈতিক বক্তব্য ও পারস্পরিক সমালোচনার ক্ষেত্রে শালীনতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধান অতিথি বলেন, গণতন্ত্রে সবার কথা বলার অধিকার রয়েছে। তবে বক্তব্যের ভাষা ও পরিসরে দায়ীত্বশীলতা থাকা জরুরী। অহেতুক কাদা ছোড়াছুড়ি না করে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। একই সঙ্গে স্বৈরাচারের পথ উন্মুক্ত হয়- এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।


দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো ষড়যন্ত্র ও গণতন্ত্রবিরোধী অপচেষ্টা ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলাল এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচি।


এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ মোকাররম হোসেন, সহসভাপতি আলহাজ্ব মাহবুব আহমেদ, মোঃ আখতারুজ্জামান জুয়েল ও মোঃ হাসানুজ্জামান উজ্জ্বল। জেলা বিএনপির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মুন্না, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ও মোঃ নাজমুল হুদা জনি, কোষাধ্যক্ষ আনিসুর রহমান বাদশা এবং পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন মণ্ডল বকুলসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন এবং অনেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন।


এ ছাড়া কেন্দ্রীয় তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও দিনাজপুর জেলা তাঁতীদলের সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম গুরুও বক্তব্য দেন।


অনুষ্ঠানে দিনাজপুর জেলা মহিলা দলের সভাপতি জিনাত আরা ও সাধারণ সম্পাদক শাহীন সুলতানা ডিউটিসহ জেলা বিএনপি, যুবদল, মহিলা দল, তাঁতীদল এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জেলা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাসু খান ও সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সেলিমসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।


আলোচনা সভা ও বক্তব্য পর্ব শেষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা এবং বেলুন আকাশে উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়। এরপর প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি দিনাজপুর ইনস্টিটিউট মাঠ প্রাঙ্গণ থেকে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দিনাজপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।


উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল প্রতিষ্ঠা করেন। সংগঠনটির মূলনীতি ‘যুব-ঐক্য-প্রগতি’। প্রতিষ্ঠার পর থেকে দীর্ঘ ৪৮ বছরের পথচলায় সংগঠনটি বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন, সাংগঠনিক কার্যক্রম ও যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার মধ্য দিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ভূমিকা রেখে চলেছে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৫১ পিএম

ন্যূনতম বেতন বৃদ্ধি করে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে প্রায় তিন ঘণ্টা মহাসড়কে বিক্ষোভ করেছেন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। 


আজ শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে পুলিশ শ্রমিকদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশের টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জে সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।


ফয়সাল আহমেদ ও রোজিনা আকতারসহ একাধিক শ্রমিক জানান, এ সময় অর্ধশতাধিক বিক্ষোভকারী শ্রমিক আহত হয়েছেন।


এর আগে বেলা আড়াইটা থেকে শ্রমিকদের অবরোধের ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে। এর আগে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ওই এলাকার অন্তত ১৮টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।


গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন ইন্টারস্টপ কারখানার শ্রমিকেরা। পরে আরও কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভে অংশ নেন।


আন্দোলনরত শ্রমিকেরা বলেন, বর্তমান বেতনে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। আগের মতো ওভারটাইমের সুযোগও নেই। অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বাড়লেও তাদের বেতন বাড়েনি। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।


শিল্প পুলিশ, কারখানার শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত দুই সপ্তাহ ধরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, মৌচাকসহ বিভিন্ন এলাকায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করছেন। এর মধ্যে সরকার শ্রমিকদের বেতন বাড়ানোর জন্য নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরপরও বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে।


শনিবার দুপুরে টিফিন বিরতির সময় কাজে যোগ না দিয়ে ইন্টারস্টপ কারখানার শ্রমিকেরা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নেন। পরে আশপাশের ময়লা-আবর্জনার বস্তা রাস্তায় ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করেন তারা। একপর্যায়ে পাশের ডিভাইন টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিকরাও তাদের সঙ্গে যোগ দেন। এতে চন্দ্রা থেকে কোনাবাড়ী পর্যন্ত বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে। 


খবর পেয়ে থানা-পুলিশ ও শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। বেলা আড়াইটা থেকে অবরোধ শুরু হলে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী ও পরিবহনশ্রমিকরা। 


চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় কথা হয় বাসচালক খবির উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চন্দ্রা এলাকায় বসে আছি। এর আগে গত বৃহস্পতিবারও একই পরিস্থিতি হয়েছিল। পোশাকশ্রমিকেরা প্রায়ই এভাবে রাস্তা বন্ধ করে রাখলে আমাদের কী হবে?’


যাত্রী মো. কারেকুল ইসলাম বলেন, জরুরি কাজে ঢাকায় যাওয়া প্রয়োজন। চন্দ্রায় এসে বাস থেকে নেমে বাধ্য হয়ে হেঁটে যাচ্ছি।


জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য অবিলম্বে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের দাবি জানানো হয়েছে। শ্রমিকদের দাবি, ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। তবে দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে হবে। মানুষের জানমালের ক্ষতি বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়, এমন কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার জন্য শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।


কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আশপাশের ১০ থেকে ১২টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে পাঁচটার দিকে শ্রমিকদের ধাওয়া দিয়ে ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।