ছবিঃ সংগৃহীত
আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ক্যালকুলেটর ও হাতঘড়ি ব্যবহারের বিষয়ে নির্দেশনা জারি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষাকেন্দ্রে নির্ধারিত ৮ মডেলের সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। পাশাপাশি সাধারণ ক্যালকুলেটর ব্যবহারের সুযোগও রাখা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানুর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীরা সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল মডেলের ক্যালকুলেটর হিসেবে Fx-82MS, Fx-100MS, Fx-570MS, Fx-991MS, Fx-991EX, Fx-991ES, Fx-991ES Plus এবং Fx-991CW ব্যবহার করতে পারবে। এছাড়া উল্লিখিত মডেলের বাইরে সাধারণ ক্যালকুলেটর ব্যবহারেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
বোর্ড আরও জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষাকেন্দ্রে কাঁটাযুক্ত (নন-প্রোগ্রামেবল) হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবে। বিষয়টিকে অতীব জরুরি উল্লেখ করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে বিশেষ পরীক্ষা কন্ট্রোল রুম খুলেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। পরীক্ষাসংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান, জরুরি যোগাযোগ এবং সার্বিক সমন্বয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে।
একই দিনে জারি করা পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা উপলক্ষে কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর, মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা জনসাধারণের অবগতির জন্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার এবং সংবাদ স্ক্রলে প্রদর্শনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
কন্ট্রোল রুমের টেলিফোন নম্বর ০২-২২৩৩৬৯৮১৫। এছাড়া যোগাযোগের জন্য ০১৫৫০৪১১২০৩, ০১৭১৪৯৯৪০৭৩ এবং ০১৭৫৬১০৩১৫২ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। ই-মেইল ঠিকানা হলো controller@dhakaeducationboard.gov.bd।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ২ জুলাই শুরু হবে। লিখিত পরীক্ষা চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার রুটিন ইতোমধ্যে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশ করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর কার্যকর ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। হুমায়ুনি কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপান সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
বিস্তারিত আসছে...
তাহসিফের ‘বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই’ আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে নিয়ে ঘটনাস্থলে নৌ পুলিশ ও পিবিআই
বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরি’র (২৮) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাঁর ‘বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই’ আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে নৌ পুলিশ ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে তাকে নিয়ে টঙ্গীর হোন্ডা রোড ও হাজী মাজার বস্তি সংলগ্ন ইজতেমার মাঠ পরিদর্শন করা হয়।
বুধবার বিকেলে ঢাকার তুরাগ নদের রাজবাড়ী ঘাট থেকে তাহসিফের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। তার কাছাকাছি জায়গা টঙ্গী সেনাকল্যাণ সংস্থার পাশে হোন্ডা রোড থেকে একটি মোটরসাইকেল পাওয়া গেছে। সেই হোন্ডা রোড থেকে উদ্ধার করা মোটরসাইকেল এবং হাজী মাজার বস্তি সংলগ্ন ইজতেমার মাঠ পরিদর্শন করেন তাঁরা।
তাহসিফের মৃত্যুর আগে এই স্থানটিতেই এসেছিলেন তাহসিফ ও দ্বীপ। জিজ্ঞাসাবাদে দ্বীপ পুলিশকে বলেছেন, ‘সেদিন তারা ঘটনাস্থলে কথা বলছিলেন। এ সময় কিছু লোক তাদের ধাওয়া করে। তাহসিফ নদে ঝাঁপ দেন। আর তিনি পালিয়ে আসেন।’
পিবিআই কর্মকর্তারা বলছেন, ‘রাজবাড়ী ঘাট এলাকাটি মাদকের স্পট হিসেবে পরিচিত। যারা ধাওয়া দিয়েছিল তারা মাদক কারবারি হতে পারে এমন প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে। তাদের ধাওয়ায় তাহসিফ নদে পড়ে ডুবে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
পিবিআই জানায়, বুধবার রাতে দ্বীপকে তথ্য সংগ্রহের জন্য পিবিআইয়ের ঢাকা মেট্রো উত্তরে নেওয়া হয়। যেহেতু দুইজন একসাথে ছিলেন। কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন- তার দেওয়া এ ধরনের কিছু তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই তাকে হেফাজতে নিয়েছে পিবিআই।
যে মোটরসাইকেলটি নিয়ে তাহসিফ বাসা থেকে বের হয়েছিলেন উদ্ধার করা মোটরসাইকেল সেটিই বলে নিশ্চিত হয়েছে পিবিআই। তবে নম্বর প্লেটবিহীন এই মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কিনা তা যাচাই করছে পিবিআই। নম্বর প্লেট না থাকায় এর মূল মালিকানা যাচাই করা হচ্ছে।
হেফাজতে নেওয়ার পর দ্বীপের কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছে পিবিআই। পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ বলেন, ‘দ্বীপ বলেছে, আমরা সেখানে (ঘটনাস্থল) কথা বলছিলাম। এ সময় কিছু লোক ধাওয়া করে। তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেয়। আর আমি পালিয়ে আসি। তার এ কথাসহ জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।’
পুলিশ সুপার আরও বলেন, ‘যে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে তাতে কোনো নম্বর প্লেট নেই। তাহসিফ যে মোটরসাইকেলটি ব্যবহার করতেন তাতেও কোনো নম্বর প্লেট নেই বলে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি তারই মোটরসাইকেল। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে আরও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।’
পিবিআইয়ের ছায়া তদন্তে এসব তথ্য উঠে এসেছে। পিবিআই জানিয়েছে, এই মামলার মূল তদন্ত করছে নৌ পুলিশ। ঘটনাটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় তারা এর ছায়া তদন্ত করছে। নৌ পুলিশকে সহযোগিতার জন্য পুলিশের অন্যান্য ইউনিটের মতো কাজ করে যাচ্ছে পিবিআই। প্রাপ্ত তথ্য সবকিছু নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।
ছবি : সংগৃহীত
তুরাগ নদের যে স্থান থেকে বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তার সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে মাজার বস্তি এলাকা থেকে নম্বর প্লেটবিহীন একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ এক বার্তায় জানান, নদ থেকে আনুমানিক ৫০ গজ দূরে মাজার বস্তি এলাকায় একটি মোটরসাইকেল পাওয়া গেছে। মোটরসাইকেলটি তাহসিফের কি না, তা যাচাই-বাছাই চলছে।
অবশ্য পিবিআই প্রধান মোস্তফা কামাল শুক্রবার সকালে বলেন, “আমরা তাহসিফের মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছি।”
ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ‘ভিডিও ধারণকারী’ হিসেবে আলোচনায় থাকা তাহসিফ সাউরীর ভাসমান লাশ বুধবার বিকালে তুরাগের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। এ স্থানটি উত্তরখান থানায় পড়লেও উদ্ধার হওয়া বাইকের ঘটনাস্থল টঙ্গী পশ্চিম থানার অধীন। তবে দুই স্থানেই তুরাগ নদের সংযোগ রয়েছে।
পিবিআইয়ের এক পুলিশ সুপার বলেন, “দীপের দেখানো মতে নম্বর প্লেটবিহীন মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। নম্বর প্লেট না থাকায় মালিকানা যাচাই করা হচ্ছে। তাহসিফ বাসা থেকে যে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হন, সেটিও নম্বর প্লেটবিহীন বলে সিসিটিভি ভিডিওতে দেখা গেছে।”
তাহসিফ নিখোঁজ হওয়ার আগে যে বন্ধুস্থানীয় ছোটভাইয়ের ডাকে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন, সেই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃহস্পতিবার রাতে হেফাজতে নেয় পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর।
দীপকে নিয়ে রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানোর তথ্য দিয়ে ওই পুলিশ সুপার বলেন, “দীপ বলেছে, ‘আমরা সেখানে (ঘটনাস্থল) কথা বলছিলাম। এ সময় কিছু লোক ধাওয়া করে। তাহসিফ ভাই নদীতে ঝাঁপ দেয়। আর আমি পালিয়ে আসি।’
“দীপের এ কথাসহ জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।”
অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মোস্তফা কামাল বলেন, “দীপকে হেফাজতে নেওয়ার পর আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি।”
তদন্তের স্বার্থে সেসব এখনই প্রকাশ করতে চাননি তিনি।
তাহসিফের বাবা এনায়েতুল করিমের ভাষ্য, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দীপের ফোন কলেই তাহসিফ বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন। রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে তাহসিফ তার মায়ের মোবাইলে একটি বার্তা পাঠিয়ে জানান, তিনি বাসায় ফিরছেন।
তবে ওই বার্তায় তাকে ব্যস্ত মনে হয়েছিল জানিয়ে তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে বলেন, এরপর থেকে তাহসিফ সাউরীর আর কোনো হদিস মিলছিল না।
তবে তাহসিফের এক নিকটাত্মীয় বলেছেন, মায়ের মোবাইলে সবশেষ পাঠানো ‘ভয়েস মেসেজটি’ তার কাছে তাহসিফের বলে মনে হয়নি।
বিমান বাহিনীর সাবেক এ কর্মকর্তা উত্তরার দিয়াবাড়ির বাসা থেকে নিজের বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন। তার লাশ উদ্ধারের সময় নৌপুলিশ হাতঘড়ি ও মানিব্যাগ পেলেও তখন বাইকটির সন্ধান পায়নি।
রেজা দীপ বৃহস্পতিবার বিকালে বলেছিলেন, বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাহসিফের বাইক মেরামতের জন্য তারা গ্যারেজে যান। সেখান থেকে উত্তরার রুয়াপ শপিং কমপ্লেক্সের ‘কুকরুকু’ রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার খান।
এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে দুজন নিজ নিজ বাইকে ফিরছিলেন। উত্তরা হাউজ বিল্ডিং এলাকা পর্যন্ত একসঙ্গেই ছিলেন। রাত আনুমানিক ১২টার দিকে দুজন আলাদা হয়ে যান। এরপর দীপ নিজে বাসায় ফিরলেও তাহসিফের বিষয়ে ‘আর কিছু জানেন না’ বলে দাবি করেন।
দীপ একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য স্নাতক সম্পন্ন করেছেন জানিয়ে বলেন, তার বাসা রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল এলাকায়।
পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল শুক্রবার সকালে বলেন, দীপ ও তাহসিফ মোটরসাইকেল ঠিক করা এবং রেস্তোরাঁয় যাওয়া ছাড়া আর কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, সেই জায়গাগুলোতে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
ছবি : সংগৃহীত
সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচলকারী ব্যাটারিচালিত তিন চাকার ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল স্থানে এসব যানবাহনের সর্বোচ্চ গতি হতে হবে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় চলাচলরত ই-রিকশার ক্ষেত্রে এ বিধিমালা প্রযোজ্য হবে।
নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা বা ই-রিকশার নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে পাঁচ বছরের জন্য। এসব যানবাহনের সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার।
পাশাপাশি, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড ও নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য পূরণ না করলে কোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না। নতুন বিধিমালায় ই-রিকশার চলাচলের স্থান, গতি, যাত্রী ধারণক্ষমতা, নিবন্ধন, ফি, ফিটনেস, প্রযুক্তিগত মান এবং চালকদের দায়িত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, ই-রিকশাকে সবসময় সড়কের বাম লেন দিয়ে চলাচল করতে হবে। তবে জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং প্রধান বাস চলাচলের সড়ক বা করিডোরে এসব যান চলতে পারবে না।
সাধারণ অবস্থায় ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার হলেও স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল এলাকায় তা ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে রাখতে হবে। যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ই-রিকশার আকার ও ধারণক্ষমতা অনুযায়ী চালক ছাড়া সর্বোচ্চ দুই অথবা চারজন যাত্রী বহন করা যাবে। যাত্রীর হাতে বহনযোগ্য মালামাল ছাড়া অন্য কোনো বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া ই-রিকশায় ৪০ ডেসিবেলের বেশি তীব্রতার হর্ন ব্যবহার করা যাবে না।
ই-রিকশার নিবন্ধন পেতে আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং তার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। নির্ধারিত ফি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট আবেদন ফরম পূরণ করে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে। আবেদন ও দাখিল করা কাগজপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি বুয়েটের নির্ধারিত প্রযুক্তিগত মানদণ্ড এবং নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্যের সঙ্গে ই-রিকশার সামঞ্জস্য পরীক্ষা করা হবে। এসব বিষয়ে সন্তুষ্ট হলে আবেদন পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
নিবন্ধন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে যাত্রী ধারণক্ষমতার ভিত্তিতে। দুজন যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার প্রারম্ভিক এককালীন নিবন্ধন ফি ৮ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৪ হাজার টাকা। অন্যদিকে, চারজন যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি ১০ হাজার টাকা এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্রতিটি ই-রিকশার ফিটনেস সার্টিফিকেটের জন্য ১ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিটি নিবন্ধিত ই-রিকশার জন্য কিউআর কোডযুক্ত স্বতন্ত্র নিবন্ধন নম্বর ও নির্দিষ্ট নম্বর প্লেট দেওয়া হবে। এসব নম্বর ও প্লেট যানবাহনের দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে এক বা একাধিক সিটি করপোরেশন থেকে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন নেওয়া যাবে। তবে কোনো একটি সিটি করপোরেশনে নিবন্ধিত ই-রিকশা অন্য সিটি করপোরেশন এলাকায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে চালানো যাবে না।
বিধিমালা অনুযায়ী, ই-রিকশার নিবন্ধনের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। মেয়াদ শেষ হলে নির্ধারিত ফি দিয়ে নিবন্ধন নবায়ন করতে হবে। নিবন্ধন গ্রহণ বা নবায়ন ছাড়া কোনো ই-রিকশা সড়কে চলাচল করতে পারবে না। বর্তমানে সড়কে চলাচলরত ই-রিকশাগুলোকেও নিবন্ধন পেতে হলে বুয়েটের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নকশা পরিবর্তন করতে হবে।
প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ই-রিকশায় বুয়েট নির্ধারিত মানদণ্ড ও নিরাপত্তাবৈশিষ্ট্য থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি যানবাহনে স্পিডোমিটার বা ওডোমিটার স্থাপন করতে হবে। কোনো যান্ত্রিক বা নিরাপত্তাজনিত ত্রুটিযুক্ত এবং নিবন্ধনবিহীন অবৈধ ই-রিকশা সড়কে চালানো যাবে না। বিধিমালায় প্রতিটি ই-রিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল নিবন্ধনের তারিখ থেকে ১২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সময়সীমা শেষ হলে সংশ্লিষ্ট ই-রিকশার নম্বর প্লেটসহ নিবন্ধন বাতিল করতে হবে।
ব্যাটারি চার্জের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট ব্যবস্থা অনুসরণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ই-রিকশার ব্যাটারি সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত চার্জিং পয়েন্ট অথবা নির্ধারিত গ্যারেজে চার্জ দিতে হবে। এসব চার্জিং পয়েন্ট বা গ্যারেজে নবায়নযোগ্য জ্বালানি কিংবা সৌরশক্তি ব্যবহারের ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
নতুন বিধিমালায় ই-রিকশাচালকদের দায়িত্ব ও নিষিদ্ধ কার্যক্রমও উল্লেখ করা হয়েছে। নিবন্ধন ছাড়া যান চালানো, অনুমোদিত গতিসীমা অতিক্রম করা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, অননুমোদিত ব্যাটারি ব্যবহার, মোটর বা যানবাহনের কাঠামো পরিবর্তন এবং নিষিদ্ধ সড়ক বা এলাকায় ই-রিকশা চালানো আইনত দণ্ডনীয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া বিপজ্জনকভাবে যান চালানো এবং দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়াও দণ্ডনীয় অপরাধ বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। দুর্ঘটনা ঘটলে চালককে সঙ্গে সঙ্গে থামতে হবে।
বাসা থেকে বের হওয়ার আগে তাহসিফ সাউরি। ছবি-ভিডিও থেকে
বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরী নিখোঁজ হওয়ার আগে যে বন্ধুস্থানীয় ছোটভাইয়ের ডাকে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন, সেই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তাকে পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থার সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ।
পিবিআইয়ের এ গণমাধ্যম কর্মকর্তা শুক্রবার সকালে বলেন, “গত রাতে তাকে সেখানে নেওয়া হয়। দুজন একসঙ্গে ছিলেন বলে তারা কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে রেজা দীপের দেওয়া কিছু তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।”
পুলিশ কর্মকর্তা আবু ইউসুফ বলেন, তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের অংশ হিসেবেই তাকে পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরে নেওয়া হয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ‘ভিডিও ধারণকারী’ হিসেবে আলোচনায় থাকা তাহসিফ সাউরীর ভাসমান লাশ বুধবার বিকালে তুরাগের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।
তার বাবা এনায়েতুল করিম জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দীপের ফোন কলেই তাহসিফ বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন। রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে তাহসিফ তার মায়ের মোবাইলে একটি বার্তা পাঠিয়ে জানান, তিনি বাসায় ফিরছেন।
তবে ওই বার্তায় তাকে ব্যস্ত মনে হয়েছিল জানিয়ে তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে বলেন, এরপর থেকে তাহসিফ সাউরীর আর কোনো হদিস মিলছিল না।
তবে তাহসিফের এক নিকটাত্মীয় বলেছেন, মায়ের মোবাইলে সবশেষ পাঠানো ‘ভয়েস মেসেজটি’ তার কাছে তাহসিফের বলে মনে হয়নি।
বিমান বাহিনীর সাবেক এ কর্মকর্তা উত্তরার দিয়াবাড়ির বাসা থেকে নিজের বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন। তার লাশ উদ্ধারের সময় নৌপুলিশ হাতঘড়ি ও মানিব্যাগ পেলেও বাইকটির সন্ধান পায়নি।
পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মোস্তফা কামাল শুক্রবার সকালে বলেন, “দীপকে হেফাজতে নেওয়ার পর আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি।
“আশা করছি তাহসিফ সাউরীর মোটরসাইকেলটি খুব শিগগির পাওয়া যাবে।”
রেজা দীপ বৃহস্পতিবার বিকালে বলেছেন, বাসা থেকে বের হওয়ার পর তাহসিফের বাইক মেরামতের জন্য তারা গ্যারেজে যান। সেখান থেকে উত্তরার রুয়াপ শপিং কমপ্লেক্সের ‘কুকরুকু’ রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার খান।
এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে দুজন নিজ নিজ বাইকে ফিরছিলেন। উত্তরা হাউজ বিল্ডিং এলাকা পর্যন্ত একসঙ্গেই ছিলেন। রাত আনুমানিক ১২টার দিকে দুজন আলাদা হয়ে যান। এরপর দীপ নিজে বাসায় ফিরলেও তাহসিফের বিষয়ে ‘আর কিছু জানেন না’ বলে দাবি করেন।
দীপ একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য স্নাতক সম্পন্ন করেছেন জানিয়ে বলেছেন, তার বাসা রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল এলাকায়।
পুলিশ কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল শুক্রবার সকালে বলেন, দীপ ও তাহসিফ মোটরসাইকেল ঠিক করা এবং রেস্তোরাঁয় যাওয়া ছাড়া আর কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, সেই জায়গাগুলোতে নিয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কুর্মিটোলা বিমানবন্দর থেকে উড়োজাহাজে করে দেশত্যাগের যে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে, সেটি তাহসিফ সাউরী ধারণ করেছিলেন বলে আলোচনা রয়েছে।
গত জুলাইয়ে এক পডকাস্টে তাহসিফকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ওই ভিডিও ধারণ করায় বিমান বাহিনী থেকে তার চাকরি গেছে কি না। জবাবে তিনি বলেছিলেন, “হতে পারে।”
ওই পডকাস্ট অনুষ্ঠানে জানতে চাওয়া হয়, ‘আমার দেশ’ পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ভিডিওর বিষয়ে বিমান বাহিনী তদন্ত করতে গিয়ে বাহিনীর ভেতরে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পায় এবং যারা ‘র’-এর সংশ্লিষ্ট ছিলেন, তাদের মধ্যে আপনার নামও আসে।
জবাবে তাহসিফ বলেন, “আমার মনে হয়, ‘আমার দেশ’ যে প্রতিবেদনটা করেছে, এটা তারা আসলে কোনো প্রোপাগান্ডা সার্ভ করছে।”
গত বছরের ৪ অগাস্ট ‘আমার দেশ’-এর প্রতিবেদনটি প্রকাশ হওয়ার পর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক প্রতিবাদলিপিতে বলে, প্রতিবেদনে তাহসিফসহ দুই কর্মকর্তাকে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। ‘বাস্তবে’ এ দুই কর্মকর্তাকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে বিমান বাহিনীর প্রচলিত আইন ও বিধিমালার আওতায় যথাযথ প্রক্রিয়ায় অবসরে পাঠানো হয়েছে, যার সঙ্গে ওই অভিযোগের কোনো সম্পর্ক নেই।
তাহসিফ সাউরীর বাবা বৃহস্পতিবার বলেন, বিমান বাহিনী থেকে তাহসিফের চাকরি যাওয়ার কারণ হিসেবে ‘শৃঙ্খলাজনিত’ বিষয় উল্লেখ করা হয়েছিল।
এরপর তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং নেত্র নিউজে কাজ করেছিলেন বলে জানান বাবা এনায়েতুল করিম।
তার আশঙ্কা, তাহসিফকে হত্যা করে তুরাগে ফেলে দেওয়া হয়।
ছবি : সংগৃহীত
সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বা ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জিং নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধান করেছে সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত চার্জিং পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট গ্যারেজে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে হবে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ দিলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার বিভাগ জারি করা ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’-এ এসব বিধান রাখা হয়েছে।
বিধিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ট্রাফিক বিভাগ, স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে অনুমোদিত চার্জিং স্টেশন, গ্যারেজ ও ব্যাটারি বিনিময় কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেবে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বা বেসরকারি খাতের মাধ্যমে এসব অবকাঠামো গড়ে তোলা যাবে। চার্জিং স্টেশন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন নিতে হবে।
চার্জিং অবকাঠামোয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধিমালায় বলা হয়েছে, চার্জিং স্টেশন বা গ্যারেজে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যায়ক্রমে বৈধভাবে নিবন্ধিত চার্জিং স্টেশনে ব্যাটারি চার্জিং নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ক্ষেত্রে নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ ও জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সংযোগ স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে দিনের বেলায় সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করে প্রয়োজন অনুযায়ী রাতে গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারি চার্জ করা যাবে।
বিধিমালায় প্রতিটি ওয়ার্ডে বা উপযুক্ত স্থানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পার্কিং এলাকা নির্ধারণের ব্যবস্থাও রাখতে বলা হয়েছে। চার্জিং স্টেশন ও গ্যারেজের তথ্য ই-রিকশার ব্লু-বুকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
ব্যাটারি ব্যবস্থাপনায় পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। পুরোনো বা অকার্যকর ব্যাটারি খোলা জায়গা, মাটি, জলাশয় কিংবা সাধারণ বর্জ্যে ফেলা বা পোড়ানো যাবে না। ব্যাটারি বিক্রেতাকে নতুন ব্যাটারি বিক্রির সময় ক্রেতার কাছ থেকে পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করে অনুমোদিত পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পাঠানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
এ ছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ব্যাটারি ভাঙা বা গলানোর কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না। পুরোনো ব্যাটারি অনুমোদিত এজেন্ট, ডিলার বা সংগ্রহকারীর কাছে হস্তান্তর করতে হবে।