ছবি: সংগৃহীত।
আগামী কয়েক দিন দেশজুড়ে শীত কিছুটা বাড়তে পারে। তাপমাত্রা কমতে পারে পরের সপ্তাহ থেকে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমবে। তবে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা। এ সময় সারা দেশে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। ভোরের দিকে নদী অববাহিকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র প্রকাশিত বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একইসঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। ভোরে নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে।
পরবর্তী দিন শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে আবহাওয়ার তেমন পরিবর্তন নেই বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে এবং ভোরে নদী অববাহিকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে সারা দেশে আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ভোরের দিকে কুয়াশা পড়তে পারে নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও। এদিন রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে সারা দেশে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
এছাড়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পরবর্তী বর্ধিত পাঁচ দিনে সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।
পে-স্কেল বাস্তবায়ন
পে স্কেল কার্যকরে এখন শুধু অপেক্ষা গেজেটের। তবে গেজেট যখনই হোক না কেন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৯ম জাতীয় পে-স্কেল নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বাস্তবায়ন হবে।
জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ এর সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য গঠিত কমিটি চলতি মাসের মধ্যেই তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিবে। এরপর প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সব ধরনের প্রশাসনিক ও নীতিগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আগামী আগস্টের মধ্যেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা হবে। তবে নতুন বেতনকাঠামোর আর্থিক কার্যকারিতা গণনা করা হবে ১ জুলাই থেকে। অর্থাৎ গেজেট পরে প্রকাশ পেলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১ জুলাই থেকেই নতুন বেতনের সুবিধা পাবেন।
সূত্রের তথ্য বলছে, নতুন পে-স্কেল একবারে কার্যকর করা হবে, নাকি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে-সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এবার শুধু মূল বেতন বৃদ্ধি নয়; সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াত ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে সরকারের শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানান, ‘পে-স্কেল বাস্তবায়ন যথা সময়েই হবে। জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিষয়টি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গেজেট জারিসহ অন্যান্য বিষয় কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগলেও পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে।’
এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নতুন পে স্কেল দেওয়ার তো সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটা আমরা গ্রহণ করেছি এবং এটার বাস্তবায়ন করা হবে। দেশে বর্তমান আর্থিক প্রেক্ষাপটের কঠিন সময় আমরা অতিক্রম করছি। এটাকে মাথায় নিয়ে পে স্কেল ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।’
সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়াতে সাবেক সচিব জাকির হোসেনের নেতৃত্বে নবম পে কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রায় ছয় মাসের পর্যালোচনার পর প্রতিবেদন জমা দেয় ২১ সদস্যের কমিটি। যেখানে কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আগস্টে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।
ছবি : সংগৃহীত
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর পরিত্যক্ত হয়ে থাকা শেখ হাসিনার ধানমন্ডির বাসভবন সুধা সদন থেকে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে ধানমন্ডির ৫ নম্বর রোডের ওই বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধারের তথ্য দিয়েছেন ধানমন্ডি থানার এসআই ওয়াদুজ্জামান।
মো. শাকিল নামে ২০ বছরের ওই যুবকের বাসা মোহাম্মদপুরে হলেও তিনি থাকতেন ধানমন্ডির জিগাতলার শিবপুর টালি অফিস এলাকায়।
এসআই ওয়াদুজ্জামান বলেন, “আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি সুধা সদনের একটি পরিত্যক্ত কক্ষে অজ্ঞাত এক যুবক গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলে আছে৷ পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি।”
আঙুলের ছাপ শনাক্তের মাধ্যমে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার কথা বলছে পুলিশ।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রমনা বিভাগের উপ কমিশনার জাহিদুল ইসলাম বলেন, “রিকশাচালক এই যুবক মাদকাসক্ত ছিলেন। কিছুদিন আগে স্ত্রী চলে গেছে। বাবা-মায়ের সাথে দীর্ঘদিন সম্পর্ক নেই। এসব নানা কারণে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। এই হতাশা থেকেই সে গত রাতে বাসাটি ফাঁকা পেয়ে আত্মহত্যা করে বলে আমরা ধারণা করছি।”
শেখ হাসিনার স্বামী পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ডাকনাম সুধা মিয়া। সেই হিসেবে বাড়িটির নামকরণ করা হয়েছিল সুধা সদন। বাড়িটি একসময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত কার্যালয় হয়ে উঠেছিল। সেখানে নেতাকর্মীরা নিয়মিত আসা যাওয়া করতেন।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে শেখ হাসিনার ধানমন্ডির ওই বাড়িতে কয়েকদফা হামলা-ভাঙচুর ও আগুন দেওয়া হয়। এরপর থেকে বাড়িটি পরিত্যক্ত। সেখানে এখন ভবঘুরেদের যাতায়াত।
প্রতীকী ছবি
দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে প্রাণহানি ৮১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়াও গত একদিনে নতুন করে আরও ৬৯১ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে। আজ শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগেই ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৮১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে ৭২১ জন ও হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ৬১৩ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৩ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১৫ হাজার ২৭২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৫ হাজার ২৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ১ লাখ ১ হাজার ৫৩৫ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে
দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনকই রয়ে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এডিসবাহিত এই রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ জনে। আজ শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে নতুন করে ৪৩৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৮৩ জন, ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৪১ জন, খুলনা বিভাগে ৪১ জন, রংপুর বিভাগে ৩০ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৯ জন এবং সিলেট বিভাগে একজন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১২ হাজার ৬৪০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ৬১ দশমিক ৪ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ দশমিক ৬ শতাংশ নারী।
এদিকে, একই সময়ে ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১১ হাজার ৪৯৭ জন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সব বাধা অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নভো থিয়েটারে দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি স্বনির্ভর ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ারও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন ভেরিফিকেশন ট্রেনিং এমবেডেড সিস্টেম পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স এবং অ্যাডভান্স প্যাকেজিং— এসব ক্ষেত্রে কাজ শুরু হয়েছে। দেশের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রবেশ করেছেন। সেমিকন্ডাক্টর খাতকে একটি জাতীয় অগ্রাধিকারভিত্তিক খাত হিসেবে আমরা বিবেচনা করছি। এই খাতের উন্নয়নে খুব সম্ভবত একক কোনো মন্ত্রণালয় বা প্রতিষ্ঠানের কাজ নয়, এটা একটা সম্মিলিত জাতীয় মিশন।
তিনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি এই সেক্টরকে কীভাবে সামনে এগিয়ে নেয়া যায়, তার জন্য আমরা কতগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি; বিশেষ করে এই বাজেটে সেমিকন্ডাক্ট শিল্প তৈরির সব কাঁচামালের ওপরে সব ধরনের ট্যাক্স বা শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সার্ভিসের রপ্তানি আয়ের ওপরে নগদ ইনসেন্টিভ বা প্রণোদনা চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তা উদ্ভাবন বাস্তবায়নের জন্য সরকার প্রথমবারের মতো বছরে ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ অনুদানও রেখেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সর্বাত্মক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। বিনিয়োগবান্ধব নীতি কর সুবিধা, বন্ডের সুবিধা প্রদান এবং বিশেষায়িত অবকাঠামো নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ) এবং সিলিকন রিভার বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সামিটে নীতিনির্ধারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, গবেষক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন। দুদিনে ১১টি প্লেনারি সেশন, সাতটি কৌশলগত প্যানেল আলোচনা এবং প্রযুক্তি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
সামিটে টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টসের চিফ টেকনোলজি অফিসার ড. আহমেদ বাহাই, পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দিমিত্রিওস পেরুলিসসহ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বক্তব্য দেবেন। এ ছাড়া গ্লোবালফাউন্ড্রিজ, এনএক্সপি, অ্যাপলাইড ম্যাটেরিয়ালস, স্যান্ডিস্ক, ক্রেডো এবং ভিয়েতনাম সেমিকন্ডাক্টর অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন।
সামিটের পাশাপাশি ‘বিইএআর ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে। এতে শিক্ষার্থী ও স্টার্ট-আপ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবিত সেমিকন্ডাক্টর, এআই, রোবোটিক্স, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য ডিপ-টেক খাতের উদ্ভাবন ৩৫টি স্টলে প্রদর্শন করা হবে।
ছবি : সংগৃহীত
বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বায়োটেকনোলজি ও রোবোটিক্স খাতের সক্ষমতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সুযোগ তুলে ধরতে রাজধানীতে আজ থেকে শুরু হয়েছে ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট-২০২৬’। এরইমধ্যে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নভো থিয়েটারে দু’দিনব্যাপী এ সামিট শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
জানা যায়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টর ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআইএ) এবং সিলিকন রিভার বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সামিটে নীতিনির্ধারক, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, গবেষক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও প্রবাসী বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেবেন। দুদিনে ১১টি প্লেনারি সেশন, সাতটি কৌশলগত প্যানেল আলোচনা এবং প্রযুক্তি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
সামিটে টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টসের চিফ টেকনোলজি অফিসার ড. আহমেদ বাহাই, পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দিমিত্রিওস পেরুলিসসহ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা বক্তব্য দেবেন। এছাড়া গ্লোবালফাউন্ড্রিজ, এনএক্সপি, অ্যাপলাইড ম্যাটেরিয়ালস, স্যান্ডিস্ক, ক্রেডো এবং ভিয়েতনাম সেমিকন্ডাক্টর অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন।
সামিটের পাশাপাশি ‘বিইএআর ইনোভেশন এক্সপো ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে। এতে শিক্ষার্থী ও স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবিত সেমিকন্ডাক্টর, এআই, রোবোটিক্স, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি ও অন্যান্য ডিপ-টেক খাতের উদ্ভাবন ৩৫টি স্টলে প্রদর্শন করা হবে।