বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাত
বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও প্রকৃত পর্যটকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে ‘ভিসা বন্ড’ ব্যবস্থা পর্যালোচনা ও আরও সহজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, পারস্পরিক সম্মান ও সমতার নীতিকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেয় বাংলাদেশ। আগামীতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থ সুরক্ষার মাধ্যমে আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পাদিত পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তবে উভয় দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে এ চুক্তিকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করার সুযোগ রয়েছে।
রাষ্ট্রপতি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং আসিয়ান দেশসমূহের সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ করেন।
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বাড়িয়েছে সরকার। নতুন পে স্কেল শুধু সরকারি কর্মচারীদের আয় বাড়াবে, কিন্তু তা দেশের পুরো শ্রমবাজারের মজুরি কাঠামোয় প্রভাব ফেলবে। কারণ এতে জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কিন্তু জ্বালানি সংকট, উৎপাদন, বিনিয়োগে স্থবিরতাসহ নানা কারণে বেসরকারি খাতের পক্ষে বেতন বাড়ানো কতটুকু সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
এর আগে ২০১৫ সালে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো হয়। তার প্রভাব নিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সিপিডির করা গবেষণায় বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারীদের বেতন বাড়ার পর বেসরকারি খাতের উচ্চ বেতনভোগীদের একটি অংশ নিজেদের বেতন সমন্বয় করতে পেরেছিল। কিন্তু কম বেতন পাওয়া কর্মীরা সেই সুযোগ পাননি। ফলে সরকারি-বেসরকারি কর্মীদের বেতন ব্যবধানের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের ভেতরেও বৈষম্যের চাপ তৈরি হয়।
নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে একযোগে সব ভাতা কার্যকর হলে বছরে বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রায় অর্ধেক।
বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বিপুল অর্থের সংস্থান কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে, সরকারকে বাড়তি রাজস্ব আয়ের জন্য মূলত বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভর করতে হবে। সেই চাপও বেসরকারি খাতের কর্মীদের ওপর পড়বে।
বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের একটি অংশ অবশ্য বলছে, বেসরকারি খাতে কোনো একক বেতন কাঠামো নেই। সরকারি পে স্কেলের সঙ্গে বেসরকারি খাতের মজুরি পুনর্গঠনের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। বেসরকারি খাতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিয়মিত বেতন বেড়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাড়লেও মূল্যস্ফীতির সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় হয়নি। আবার কোথাও হয়তো দীর্ঘদিন বাড়েনি। একটি মিশ্র চিত্র রয়েছে।
বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক। এর ফলে সৎ কর্মচারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরবে। তাঁর মতে, ১৮ কোটি মানুষের দেশে মাত্র ২৪ লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন বাড়ানোর কারণে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। তবে জনগণের করের টাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে ঘুষ-দুর্নীতি কমা উচিত।
ফজলে শামীম এহসান বলেন, গত ১১ বছরে তৈরি পোশাক খাতে বেতন ১৩৬ শতাংশ বেড়েছে। অন্যান্য বেসরকারি খাতেও বিভিন্ন হারে বেড়েছে। এ কারণে সরকারি পে স্কেলের সঙ্গে বেসরকারি খাতে বেতন পুনর্গঠনের কোনো সম্পর্ক নেই।
২০১৫ সালের পর করা ওই গবেষণায় সিপিডি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রমশক্তি জরিপের ডেটা ব্যবহার করেছিল। গবেষণা অনুযায়ী, বেতন বৃদ্ধির কারণে সরকারি চাকরি তুলনামূলক আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। ফলে বেসরকারি খাত দুধরনের চাপে পড়ে। একদিকে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে তাল মেলাতে কর্মীদের
বেতন বাড়ানোর দাবি ওঠে। অন্যদিকে সরকারি চাকরির তুলনায় বেতন ও সুযোগ-সুবিধার ব্যবধান বেশি হওয়ায় দক্ষ কর্মী ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। বিগত সরকারি বেতন কাঠামোর অভিজ্ঞতা বলছে, সরকারি চাকরির সঙ্গে বেসরকারি খাতের প্রতিযোগিতা তাই শুধু বেতনের নয়; পেনশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড, ছুটি, চিকিৎসা, মাতৃত্বকালীন সুবিধা, চাকরির নিরাপত্তা ও অন্যান্য সুবিধাও এর অংশ। সিপিডির গবেষণায় দেখা যায়, এসব বেতনবহির্ভূত সুবিধার আওতাও সরকারি খাতে তুলনামূলক বেশি। এবারের বেতন কাঠামোয় সরকারি কর্মচারীদের পেনশনও বাড়ানো হয়েছে।
কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেও এই পে স্কেল শ্রমবাজারের সিংহভাগজুড়ে থাকা বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে। বেসরকারি চাকরিজীবীদের আয় না বাড়লেও খরচ বাড়বে, যা সামাজিক বৈষম্য ও ক্ষোভের জন্ম দিতে পারে।
২০১৫ সালের বেতন কাঠামোর আরেকটি প্রভাব দেখা গিয়েছিল বেসরকারি শিক্ষা খাতে। অনেক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তখন বেতন ও শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি অস্বাভাবিক হারে বাড়াচ্ছিল– এমন অভিযোগের পর সরকার শিক্ষার্থীদের বেতন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ সীমা নির্ধারণ করে দেয়। নতুন বেতন কাঠামো মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পরদিন গতকালই এ প্রশ্ন সামনে এসেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কী হবে?
মঙ্গলবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন লেখেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নতুন বেতন কাঠামোতে বেতন দেওয়া হবে।’ এর আগে গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা নতুন পে স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হবেন কিনা— জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন, এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের বক্তব্যের পর এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। দেশের প্রায় সোয়া ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সংগঠন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোট দ্রুত নতুন পে স্কেলে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানায়।
ব্যাংক, টেলিকম, ওষুধ, তথ্যপ্রযুক্তি, ভোগ্যপণ্য, উৎপাদন, এনজিও, গণমাধ্যম– এসব খাতে কী হবে, এখনও পরিষ্কার নয়। বড় প্রতিষ্ঠানের কেউ কেউ বাজার ধরে রাখতে বেতন সমন্বয় করতে পারে। কিন্তু ছোট ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানের জন্য একই হারে বেতন বাড়ানো কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে দুই ধরনের শ্রমবাজার তৈরি হতে পারে।
নিটওয়্যার শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, বেসরকারি খাতের শিল্পকারখানা এমনিতেই নানা সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গত তিন বছরে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আরও অনেক কারখানা বন্ধ হওয়ার পথে। এ অবস্থায় মজুরি বাড়ানো হলে শিল্পমালিকদের পক্ষে তা বহন করা সম্ভব হবে না।
তিনি বলেন, শ্রম আইন অনুযায়ী তৈরি পোশাক খাতে ২০২৮ সালের আগে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন বা মজুরি নির্ধারণের আইনগত সুযোগ নেই। ২০২৩ সালে সর্বশেষ মজুরি বোর্ড গঠন করে মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছিল। সে সময়কার আইনে পাঁচ বছর পর নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের বিধান আছে।
সরকারি কর্মীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কেবল সরকারি কোষাগারের হিসাব নয়। এর প্রভাব পড়বে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ ব্যয়, কর্মী ধরে রাখার সক্ষমতা, পণ্যের উৎপাদন ব্যয়, মূল্যস্ফীতি এবং শেষ পর্যন্ত দেশের সামগ্রিক মজুরি কাঠামোর ওপর।
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, দুর্বল রাজস্ব আদায়ের মধ্যে সরকার ব্যাংক ঋণ বা নতুন টাকা সৃষ্টির ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করলে বেসরকারি বিনিয়োগের ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হতে পারে এবং মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে। উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বরাদ্দ কমিয়েও এ ব্যয় মেটানো সমীচীন হবে না। তাই করের আওতা সম্প্রসারণ, কর ফাঁকি রোধ, অপ্রয়োজনীয় পরিচালন ব্যয় হ্রাস এবং ভর্তুকির যৌক্তিকীকরণের মাধ্যমে অর্থসংস্থান করতে হবে। তিনি মনে করেন, সরকারি খাতে নতুন পে স্কেল বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বেতন বাড়ানোর চাপ তৈরি করবে।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। বাজেট ঘাটতি মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ছাপানো হলে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বাড়বে। আবার ব্যাংকিং খাত থেকে অতিরিক্ত ঋণ নিলে সুদের বোঝা বাড়বে। এর ফলে ভবিষ্যতে বাজেট ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে। এমনকি বাজেট বিস্ফোরণের ঝুঁকিও দেখা দিতে পারে।
জাহিদ হোসেন বলেন, সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে বেসরকারি খাত এমনিতেই খারাপ অবস্থায় রয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোর বিশাল ব্যয়ের চাপে সরকার যদি ভর্তুকি পরিশোধে দেরি করে, তাহলে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে এবং লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে। এতে বেসরকারি খাতসহ দেশের ১৮ কোটি মানুষের জীবনযাত্রা আরও সংকটের মুখে পড়বে। তাই সুষ্ঠু আর্থিক ও অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা না গেলে নতুন পে স্কেল সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে জরুরি বিভাগ থেকে তাঁকে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, জরুরি বিভাগ থেকে মন্ত্রীকে সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি হাসপাতালে আসেন।
তবে কী শারীরিক সমস্যা নিয়ে মন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়েছে কি না বা বুকে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে এসেছেন কি না, সে বিষয়েও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো তথ্য দেয়নি।
ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের জনসংযোগ বিভাগ মন্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তাঁর বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি ।
হাসপাতালের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মন্ত্রীর শারীরিক সমস্যার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চিকিৎসকরাই দিতে পারবেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক চিঠিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ প্রত্যাশার কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানান।
চিঠিতে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেলেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও এ দেশের জনগণের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন। চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি তার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসার কথাও জানান।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, বোয়িং বাংলাদেশকে হতাশ করবে না। একইসঙ্গে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত মনোযোগের কথা তিনি সবসময় মনে রাখবেন বলেও উল্লেখ করেন।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হবেন এবং সে অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নতুন বেতন কাঠামোতে বেতন দেওয়া হবে।’
এর আগে সোমবার বিকেলে ‘জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬’ অনুমোদন দেয় সরকারের মন্ত্রিসভা। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সন্ধ্যায় এ নিয়ে ব্রিফিং করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলে অন্তর্ভুক্ত হবেন কি না।
জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’
এ নিয়ে তাৎক্ষণিক ক্ষোভ জানায় দেশের প্রায় সোয়া ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সংগঠন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোট। সংগঠনের পক্ষ থেকে পে-স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানানো হয়।
জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন। আশা করি, সরকার বিষয়টি সদয় বিবেচনায় নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নবম পে-স্কেলের অন্তর্ভুক্ত করে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করবে।
জানা যায়, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা প্রতি মাসে সরকার থেকে বেতনের মূল অংশ এবং কিছু ভাতা পান। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সোয়া ৬ লাখের বেশি শিক্ষক–কর্মচারী এমপিওভুক্ত রয়েছেন।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যমতে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ৩ লাখ ৯৮ হাজার, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে প্রায় পৌনে ২ লাখ এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত রয়েছেন।
এদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা এতদিন সরকারের কাছ থেকে মাসে মূল বেতন, ১ হাজার টাকা বাড়িভাড়া ও ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পেয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি আন্দোলনের মুখে সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ১৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বাড়িভাড়া ভাতার এ অর্থ দুই ধাপে দেওয়া হয়েছে। প্রথম ধাপে ১৫ শতাংশের মধ্যে সাড়ে ৭ শতাংশ (ন্যূনতম ২ হাজার টাকা) ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। বাকি সাড়ে ৭ শতাংশ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামগামী আন্তনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনের খাবারের বগিতে এক নারী যাত্রীকে (৪৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ওই নারী যাত্রী আজ মঙ্গলবার সান্তাহার জিআরপি থানায় একটি মামলা করেছেন। এতে ক্যান্টিনবয় আবু বক্কর সিদ্দিক (২২) এবং ট্রেনে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অজ্ঞাতপরিচয় দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই মামলায় আবু বক্করকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে রেলওয়ে পুলিশ। তিনি নাটোরের আবদুলপুর এলাকার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার ও রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ সদর এলাকার ওই নারী গত রোববার রাতে রাজধানীর বিমানবন্দর স্টেশন থেকে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসে ওঠেন। ট্রেনটির সিরাজগঞ্জ স্টেশনে যাত্রাবিরতি নেই। তাই তিনি আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার জন্য দিনাজপুরের পার্বতীপুর স্টেশনে নামার সিদ্ধান্ত নেন।
এজাহারে ওই নারী অভিযোগ করেছেন, ট্রেনটি সিরাজগঞ্জ স্টেশন পার হওয়ার পর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দুই পুলিশ সদস্য তাঁকে দেহ তল্লাশির কথা বলে খাবারের বগিতে নিয়ে যান। সেখানে ওই দুই পুলিশ সদস্য তাঁর শ্লীলতাহানি করেন। খাবারের বগির ক্যান্টিনবয় আবু বক্কর সিদ্দিক তাঁকে ধর্ষণ করেন।
পরে ওই নারী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে অভিযোগ করেন। খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশের সান্তাহার থানার একটি দল চলন্ত ট্রেন থেকে আবু বক্করকে আটক করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সান্তাহার রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল উদ্দিন।
ওসি বলেন, মামলায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অজ্ঞাতপরিচয় দুই পুলিশ সদস্যকেও আসামি করা হয়েছে। ওই দুই পুলিশ সদস্য এ ঘটনায় জড়িত কি না-তা তদন্ত করা হচ্ছে। বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) নেতাদের যুক্ত করে দিল্লিতে ভারত সরকারের সেমিনারের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ বলে মনে করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, উপযুক্ত সময় বা পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভারত সফর করবেন। তবে এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ কেনা নিয়েও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন। এভিয়েশন খাতের চাহিদা অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসব ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’
গত ২৯ আগস্ট আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বক্তাদের নিয়ে দিল্লিতে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক আলোচনা সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি। দিল্লি পুলিশ ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবকে (এফসিসি) এই অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’।
উপযুক্ত সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর আপাতত হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ হয়নি। তবে একটি উপযুক্ত সময়ে অবশ্যই সফরটি হবে। পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে এবং উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় ও উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে তারিখ ঠিক করা হবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনা আছে কি না, জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করিনি।’
এ সময় সাংবাদিকেরা যে আলোচনাটি (ভারতের সঙ্গে) স্থবির হয়ে গিয়েছিল, তা নতুন করে আবার শুরু বা সচল হলো কি না, জানতে চান। এটা নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘না, কোনো তারিখ ঠিক না করা মানেই তো আর আলোচনা থমকে যাওয়া নয়।’ কোনো তারিখ নির্ধারণ না করলেও আলাপ-আলোচনা চলছিল বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আলোচনার সময়ে ৫ আগস্টের মতো একটি ঘটনা ঘটে, যা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছিল। আপনারা সবাই জানেন যে আমরা সেই বিষয়টি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছি। এখন আবারও আমাদের আলোচনা চলছে।’
সন্ত্রাসী যেন দিল্লিতে আশ্রয় না পায়
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে ঢাকায় আশ্রয় দেওয়া হবে না। একইভাবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো সন্ত্রাসী যেন দিল্লি কিংবা ভারতের কোনো সার্বভৌম ভূখণ্ডে আশ্রয় না পায়, সেই আশার কথা তিনি বলেন।
চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে
কোনো চাপের মুখে অথবা অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাক্ষরিত চুক্তির ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে কি না-জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘না, কোনো চাপের কারণে নয়।’ এভিয়েশন খাতের চাহিদা অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
বাংলাদেশে এয়ারক্রাফট ফ্লিটের (বিমানের বহর) সক্ষমতা বাড়াতে হবে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তা না হলে নতুন রুট চালু করা সম্ভব হবে না ও ব্যবসা হারাতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এভিয়েশন হাব হিসেবে রাজস্ব ও যাত্রীসংখ্যা বাড়াতে হলে দীর্ঘ মেয়াদে এয়ারক্রাফট কিনতেই হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
উড়োজাহাজ কেনার ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে, নাকি প্রাথমিক আলোচনা- এ প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথমত, ওয়াশিংটনের সঙ্গে অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আবার বেইজিংয়ের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক রয়েছে। বৈদেশিক সম্পর্কে একটি চমৎকার ভারসাম্য বজায় রেখে সরকার চলছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যেসব দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে, তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র একটি অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। তাই তাদের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বাড়ানো হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও উড়োজাহাজ কেনাকাটা করা হবে।
আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে ৭০ থেকে ৮০টি বা তারও বেশি উড়োজাহাজের চাহিদা রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগতভাবে বোয়িং বিমান কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।