ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতার অগ্রগতির দিকে তাকিয়ে বিশ্ব
যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারকে ইরান কী প্রতিক্রিয়া দেখাবে, তা নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। গতকাল বৃহস্পতিবারই তেহরান এ বিষয়ে মতামত জানানোর কথা।
মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের মাধ্যমে তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এ প্রতিক্রিয়া জানাবে। তবে এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, প্রস্তাবে সম্মত না হলে আরও বড় হামলা চালানো হবে। ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রস্তাবটি বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলছেন। তবে এক কর্মকর্তা উষ্মা প্রকাশ করে এটাকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের ইচ্ছার তালিকা’ বলে বর্ণনাও করেন।
টানা ৪০ দিন ভয়াবহ যুদ্ধ চলার পর গত ৮ এপ্রিল দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি হয়। পরে এটি অনির্দিষ্টকালের জন্য দীর্ঘ করেন ট্রাম্প। অন্তর্বর্তী এ সময়ে গোপনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা চলছিল। পর্দার আড়ালের এ কূটনীতিই সমঝোতার সম্ভাবনাকে উজ্জ্বল করেছে।
তবে এতে ইরান সম্মত না হলে সব চেষ্টা ভবিষ্যতের অপেক্ষায় পড়তে পারে। যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র একাধিক প্রস্তাব দিলেও তাতে আগ্রহ দেখায়নি ইরান। তারা চায়, তাদের প্রস্তাবনা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা করুক।
গতকাল বৃহস্পতিবার দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়ী নেতা, ভোক্তা, রাজনীতিবিদ, জাহাজ কোম্পানিসহ অনেকেই একটি যুগান্তকারী সমাধানের বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। এ সংঘাত তৃতীয় মাসে গড়িয়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ প্রণালির চারপাশে পাল্টাপাল্টি অবরোধ আরোপ করেছে। এতে বিশ্বের প্রধান তেল পরিবহন পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়; লাফিয়ে বাড়তে থাকে জ্বালানির দাম।
যুক্তরাষ্ট্রের এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারকের আগে তেহরান ১৪ দফার একটি প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রকে। ইরান চায় ওই প্রস্তাবের বিষয়ে যেন আলোচনা হয়। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই গত বুধবার সন্ধ্যায় বলেন, তাঁর সরকার যুদ্ধ শেষ করার জন্য ইরানের ১৪ দফা প্রস্তাবের জবাবে মার্কিন প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা করছে। তারা প্রধান মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানকে প্রতিক্রিয়া জানাবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবিকে বাঘাই বলেন, ‘পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে; এসব বার্তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’
এ প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও হামলার হুমকির পর গত বুধবার বলেন, ইরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো আলোচনা’ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ভালো অবস্থায় আছি এবং এখন আমরা ভালোভাবেই এগোচ্ছি। আমাদের যা পাওয়ার তা পেতেই হবে।’ এর আগে দিনের শুরুতে ট্রাম্প ইরানকে একটি নতুন হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ইরান যদি আপাত ছাড়গুলোয় সম্মত না হয়, তবে ‘অনেক উচ্চতর মাত্রা ও তীব্রতায়’ হামলা পুনরায় শুরু করা হবে। তবে সেই ছাড়গুলো কী ছিল, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাননি।
এ অবস্থায় সমঝোতা হওয়ার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছে কাতার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল থানি মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধানের ‘প্রবল সম্ভাবনা’ রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের যে কোনো চুক্তিতে এ অঞ্চলের দেশগুলোর ও পুরো বিশ্বের স্বার্থ অবশ্যই বিবেচনায় রাখতে হবে।
আল-আরাবি আল-জাদিদকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি; সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি তেহরান ও ওয়াশিংটন উভয়ের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান থাকা সত্ত্বেও একটি কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।’
শান্তিচুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই ‘বিজয়ের আখ্যান’ চাইছে
কিংস কলেজ লন্ডনের ভিজিটিং লেকচারার সামির পুরি আলজাজিরাকে বলেন, যদিও কোনো পক্ষই একটি পূর্ণাঙ্গ সংঘাতে ফিরতে চায় না, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই এমন একটি চুক্তি চাইছে, যা তাদের নিজ নিজ জনগণের কাছে একটি ‘বিজয়ের আখ্যান’ তুলে ধরার সুযোগ দেবে। তিনি বলেন, একটি সমাধানের জন্য ‘সংঘাত মধ্যস্থতার কৌশল’ প্রয়োজন; তাই এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানিদের একটি বড় ভূমিকা পালন করতে হবে।
মোজতবা খামেনির সঙ্গে আড়াই ঘণ্টা বৈঠক পেজেশকিয়ানের
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে আড়াই ঘণ্টার বৈঠক করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, বৈঠককে পেজেশকিয়ান ‘অত্যন্ত আন্তরিক’ বলে বর্ণনা করেছেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এ বৈঠকে অন্য যে কোনো বিষয়ের চেয়ে যা আমার কাছে বেশি লক্ষণীয় ছিল, তা হলো ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতার মুখোমুখি হওয়ার ধরন, তাঁর চাহনি ও তাঁর নম্র ও গভীর অন্তরঙ্গ আচরণ। এটা এমন একটি বিষয়, যা আলোচনার পরিবেশকে আস্থা, প্রশান্তি, সহানুভূতি ও সরাসরি সংলাপের ওপর ভিত্তি করে একটি আবহে রূপান্তর করেছে।’
মার্চের শুরুতে সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে আর দেখা যায়নি। জানা গেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি আহত হন। ওই হামলায় তাঁর বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন।
বিশ্ববাজারে আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ করা ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার মার্কিন পরিকল্পনার সর্বশেষ অগ্রগতির প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমেছে। সেই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। গত বুধবার ১০ শতাংশ দর পতনের পর গতকাল বৃহস্পতিবার অপরিশোধিত তেলের দাম আরও ৩ শতাংশ হ্রাস পায়। অয়েল প্রাইস ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল প্রতি ব্যারেল জ্বালানি তেলের দাম ছিল ৯৭ দশমিক ৪৭ ডলার। প্রাকৃতিক গ্যাসের দামও কিছুটা কমেছে।
ফরাসি যুদ্ধজাহাজ হরমুজের দিকে অগ্রসর হচ্ছে
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচল পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে একটি সম্ভাব্য প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবে ফ্রান্সের একটি রণতরী সুয়েজ খালের দক্ষিণ দিকে লোহিত সাগরের দিকে যাত্রা করছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পারমাণবিক শক্তিচালিত শার্ল দ্য গল জাহাজটি প্রণালিটির দিকে যাচ্ছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নৌ চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে একটি বহুজাতিক মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা ‘সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক’ হবে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই কেবল এ রণতরী মোতায়েন করা হবে।
Voluptas ad tempora
Laborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum ConsequuntuLaborum Consequuntu
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
ফেসবুকে মোদি জানান, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় সরকারের ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে দেওয়া ওই বার্তায় মোদি আরও লেখেন, ‘যারা আমাদের তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চায়, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’
৬ সপ্তাহে সর্বোচ্চ তেলের দাম
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছয় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এখন ১০০ ডলারের কাছাকাছি চলে গেছে।
আজ ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৬ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৮৮ ডলার অতিক্রম করেছে।
আজ ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৯৩ ডলার বা ২ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৪১ ডলার বা ১ দশমিক ৬২ শতাংশ বেড়েছে। খবর রয়টার্স ও টাইমস অব ইন্ডিয়া।
গতকাল তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। ফলে ব্রেন্টের দাম ৮ জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠে। এর মধ্যে লোহিত সাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে নতুন হামলার ঘটনায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আরও জোরালো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সংঘাতের দিকে বাজার সব সময় নজর রাখছে। যুক্তরাষ্ট্র টানা ১২তম রাতে ইরানে হামলা চালানোর পর উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান যখনই কোনো জাহাজে হামলা করবে, তখনই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কোনো সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করবে। তাঁর এ মন্তব্যে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়বে, এমন শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে মাইন পাতা আছে- এমন পথ দিয়ে যাওয়ার সময় বিস্ফোরণে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়। তাদের ভাষ্য, ওই ঘটনার পর আরও দুটি ট্যাংকার যাত্রাপথ থেকে ফিরে যায়।
আইআরজিসি আরও বলেছে, এ অঞ্চলে মার্কিন সামরিক অভিযান চলাকালে হরমুজ প্রণালি তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। এই প্রণালি এখন পুরোপুরি বন্ধ। ইরানের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়া কোনো ট্যাংকার প্রণালিতে প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হতে দেওয়া হবে না বলেও তারা সতর্ক করেছে। এদিকে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরে অভিযান আরও জোরদার করায় সরবরাহ-সংকটের আশঙ্কা বেড়েছে।
হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করেছে এবং বাব আল-মানদেব প্রণালি দিয়ে সৌদি তেল বহনকারী জাহাজে হামলার হুমকি দিয়েছে। তাদের দাবি, সামরিক অভিযানে তারা সৌদি আরবের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা করেছে। সামুদ্রিক নিরাপত্তাবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি পতাকাবাহী ট্যাংকার এনসেলিয়া লোহিত সাগরে হামলার শিকার হয়েছে।
এ ছাড়া হুতিদের দাবি, সৌদি বন্দরের দিকে যেতে নিষেধ করে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর প্রায় ১০টি জাহাজ ফিরে গেছে। তবে রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে এ তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
এসব ঘটনায় বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুই নৌপথ-হরমুজ ও বাব আল-মানদেব প্রণালি-দিয়ে তেল পরিবহন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আইআরজিসির এক মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) শিপিং কোম্পানিগুলোকে সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাঞ্চলে মাইন পাতা আছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি অকার্যকর ঘোষণার পর এবার তেলের দাম এখনো ১০০ ডলারের নিচেই আছে। যদিও প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত অব্যাহত আছে।
এর আগে তেলের দাম সর্বোচ্চ ১২৬ ডলারে উঠেছিল, এখন দাম তার চেয়ে ৩০ ডলার কম।
শাহবাজ শরিফ, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও আসিম মুনির
অর্থনৈতিক সংকটে থাকা পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা সুবিধা চেয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। দেশটির অর্থনীতি চাঙ্গা করতে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের মেয়াদে এই সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার (২২ জুলাই) রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের এই অনুরোধ এমন সময় এসেছে, যখন দেশটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চলমান সহায়তা কর্মসূচির অধীনে অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের সময় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করায় ইসলামাবাদের কূটনৈতিক অবস্থানও কিছুটা শক্তিশালী হয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই ওয়াশিংটনের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছে দেশটি।
অনুমোদন মিললে এই তহবিল পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে, রুপির ওপর চাপ কমাতে এবং বহুপাক্ষিক ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাসে সহায়ক হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্র বা পাকিস্তান। তবে পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব জানান, মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের সঙ্গে বৈঠকে তিনি আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে পাকিস্তানের অর্থনীতির ঝুঁকির বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বৈঠকে আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারে সহজ প্রবেশাধিকার, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং দেশের সার্বভৌম ঋণমান উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের আরও সহযোগিতা চেয়েছেন আওরঙ্গজেব। পাশাপাশি দুই দেশ অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার, যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কৌশলগত প্রকল্প এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
বর্তমানে পাকিস্তান ৭ বিলিয়ন ডলারের আইএমএফ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। এই কর্মসূচির শর্ত অনুযায়ী কর বৃদ্ধি, সরকারি ব্যয় সংকোচন এবং বিভিন্ন কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন করছে দেশটি। ২০২৩ সালে সার্বভৌম ঋণ খেলাপি হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে পাকিস্তান প্রথমে ৩ বিলিয়ন ডলারের আইএমএফ স্ট্যান্ডবাই ঋণ পায়।
পরে আরও ৭ বিলিয়ন ডলারের ‘এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি’ এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় অতিরিক্ত ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদিত হয়।
তবুও পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখনো মূলত আইএমএফের অর্থছাড়, দ্বিপক্ষীয় সহায়তা এবং চীন ও সৌদি আরবের মতো অংশীদারদের আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক চলতি বছরের জানুয়ারিতে জানিয়েছিল, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
উল্লেখ্য, মুদ্রা স্থিতিশীলতা সহায়তা সুবিধা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘এক্সচেঞ্জ স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’-এর মাধ্যমে দেওয়া বিশেষ আর্থিক ব্যবস্থা। এর আওতায় ডলার সহায়তা, মুদ্রা বিনিময় চুক্তি বা গ্যারান্টির মাধ্যমে কোনো দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা এবং মুদ্রার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করা হয়।
রয়টার্স জানিয়েছে, এ ধরনের সহায়তা যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্থায়ী ডলার সোয়াপ লাইনের বাইরে একটি পৃথক ব্যবস্থা। ২০২৫ সালে আর্জেন্টিনাকে দেওয়া সহায়তার আগে সর্বশেষ বড় ধরনের এমন প্যাকেজ ২০০২ সালে উরুগুয়েকে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া মেক্সিকোর সঙ্গে ১৯৪০-এর দশক থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি মুদ্রা বিনিময় ব্যবস্থা রয়েছে।
জাপান প্রথমবারের মতো 'কোকুশোবি' বা 'প্রচণ্ড গরম দিন' ঘোষণা করেছে
জাপানের মধ্যাঞ্চলের তিনটি শহরে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। ফলে দেশটি প্রথমবারের মতো 'কোকুশোবি' বা 'প্রচণ্ড গরম দিন' ঘোষণা করেছে। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পেরোনো বিপজ্জনক তাপপ্রবাহ সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে চলতি বছরের এপ্রিলে নতুন এই সতর্কতা চালু করেছে জাপানের আবহাওয়া সংস্থা।
গতকাল মঙ্গলবার জাপানের মধ্যাঞ্চলের তিন শহর তাজিমি, গুজো এবং তয়োদায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। এই তীব্র তাপমাত্রা আগামী সপ্তাহেও অব্যাহত থাকবে- এমন ধারণা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাপানের আওহাওয়া সংস্থা।
তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে সেই দিনগুলোকে জাপানে ‘কোকুশোবি’ বলা হয়। তীব্র গরমের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে এই পরিভাষাটি চালু করা হয়েছিল।
বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহের মতো চরম আবহওয়া ঘন ঘন দেখা দিতে থাকার মধ্যে জাপানে প্রথমবারের মতো ‘অসহনীয় গরমের দিন’ ঘোষণা করা হল। গত বছর জাপানের ইসেসাকি নগরীতে এযাবৎকালের সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস দেখা গিয়েছিল।
জাপানে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের জন্য বিশেষ পরিভাষা আছে। যেমন: যেসব দিনে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়ে যায় তাকে বলে মোসোবি বা ‘চরম গরম দিন’।
কিন্তু ‘কোকু’ শব্দটি আরও প্রচণ্ড বা প্রখর তাপ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। কিয়োদো নিউজের খবরে বলা হয়েছে, দেশের ৯১৪ টি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রর প্রায় ৩০০ টিতেই মঙ্গলবার মোসোবি রেকর্ড করা হয়েছে।
তাছাড়া, কর্তৃপক্ষ দেশের ৪০ টিরও বেশি প্রশাসনিক এলাকায় হিটস্ট্রোক অ্যালার্ট জারি করেছে। লোকজনকে এয়ারকন্ডিশন ব্যবহার করা, যথেষ্ট পানি পান, লবণ খাওয়া এবং বাইরে কম যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বয়স্ক মানুষদেরকে শীতল পরিবেশে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জাপানের জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানায়, টোকিও দমকল বিভাগ জানিয়েছে, মঙ্গলবার সিটি হাসপাতালে ৩ থেকে ১০৩ বছর বয়সের মোট ২৮৭ জনকে হিটস্ট্রোকের কারণে ভর্তি করা হয়েছে। এবছর এটিই হিটস্ট্রোকে হাসপাতালে ভর্তির সর্বোচ্চ রেকর্ড।
দমকল বিভাগও অ্যালার্ট জারি করে লোকজনকে তাপ থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখার আহ্বান জানিয়েছে।
মানুষের সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে জাপানসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তীব্র তাপপ্রবাহের ঘটনা আরও ঘন ঘন এবং বেশি মাত্রায় ঘটছে। গত বছর জাপান ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ গ্রীষ্ম পার করেছে।
আন্দোলনের চাপের মুখে মোদি
পরীক্ষাসংক্রান্ত কেলেঙ্কারির পর জবাবদিহি ও সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া আন্দোলন ভারতের পার্লামেন্টে বিরোধীদলীয় এমপিদের সমর্থন পাওয়ার পর আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। রাজধানী নয়াদিল্লির প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরে আজ বুধবার (২২ জুলাই) অনলাইনভিত্তিক সংগঠন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে হাজার হাজার সমর্থকের বিশাল জমায়েত দেখা গেছে।
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার আর শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে রূপ নিয়েছে। খবর এএফপির।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-ভিত্তিক আন্দোলন সিজেপির নেতৃত্বে ভারতজুড়ে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদি পুনরায় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তার সরকারের জন্য অন্যতম বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। যন্তর মন্তরে অবস্থানরত বিক্ষোভকারীরা রাজধানী ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
উপস্থিত সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের মাঝে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, "ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা যন্তর মন্তর ছাড়ব না। যে দেশে মানুষ প্রশ্ন করতে ভুলে গিয়েছিল, সরকারের সমালোচনা করাকে দেশদ্রোহিতা বলা হতো, আমরা এখন সেই দেশকে জাগিয়ে তুলেছি।"
বেশিরভাগ তরুণ ও শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে গড়ে ওঠা এই আন্দোলন মঙ্গলবার দেশটির বিরোধী দলগুলোর কাছ থেকে সমর্থন পাওয়ার পর মোদি সরকারের জন্য বড় সংকট তৈরি করে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রী মোদির বাসভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করে।
কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী গত সোমবার (২০ জুলাই) আন্দোলনকারীদের ওপর চালানো পুলিশি দমনপীড়নের জন্য সরকারের ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলেন। গতকাল মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাহুল গান্ধীকে প্রতিবাদস্থল থেকে তুলে নিয়ে দুই ঘণ্টা আটকে রাখে পুলিশ। আজ বুধবার কালো পোশাক পরে পার্লামেন্টে উপস্থিত হয়ে সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব অভিযোগ করেন, তরুণেরা যখন রাজপথে, তখন প্রধানমন্ত্রী নীরব ভূমিকা পালন করছেন।
এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় গত মে মাসে, যখন দেশটির প্রধান বিচারপতি সুর্য কান্ত আদালতে শুনানির সময় তরুণদের ‘ককরোচ’ বা তেলাপোকা এবং ‘পরজীবী’ বলে মন্তব্য করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে ককরোচ জনতা পার্টির, যা এখন বেকারত্ব ও সরকারি অনিয়মের বিরুদ্ধে তরুণদের প্রধান প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। গত সোমবার বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের দিকে পদযাত্রা করার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিপেটা ও টিয়ারগ্যাস প্রয়োগ করে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল পুলিশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট-ইউজির প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং অনলাইন মূল্যায়নে অনিয়মের কারণে প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে বাধ্য করা হলে এই অসন্তোষ তীব্র আকার ধারণ করে। পরিস্থিতির উত্তাপ বুঝে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় সংস্কার এবং আলোচনার আশ্বাস দিয়েছেন।
তবে দিল্লি ছাড়িয়ে এখন মুম্বাই, বেঙ্গালুরু ও গোয়াতেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতিতে চাপের মুখে থাকা সরকার কীভাবে এই অচলাবস্থা নিরসন করে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।