ছবি : সংগৃহীত
থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে কয়েক দশক ধরে চলা সংঘাত থামার বদলে আবারও নতুন করে উত্তেজনার কেন্দ্রে এসেছে। দেশটির প্রধান মালয়-মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন বারিসান রেভোলুসি ন্যাশনাল (বিআরএন) জানিয়েছে, স্বাধীন ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে সম্প্রতি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক বিরল সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন বিআরএনের শান্তি আলোচনাবিষয়ক প্রতিনিধি দলের মুখপাত্র নিকমাতুল্লাহ সেরি। তিনি বলেন, তাদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠাই এখনো সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য।
বিআরএন ১৯৬০-এর দশক থেকেই থাইল্যান্ডের মুসলিম-অধ্যুষিত দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্বাধীন ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবি করে আসছে। তবে বর্তমান সংঘাতের বড় পর্ব শুরু হয় ২০০৪ সালে। ডিপ সাউথ ওয়াচের হিসাবে, এরপর থেকে সংঘাত-সংশ্লিষ্ট সহিংসতায় ৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদী, থাই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং বেসামরিক মানুষ রয়েছেন।
ঐতিহাসিকভাবে দক্ষিণ থাইল্যান্ডের এই অঞ্চল মালয়-মুসলিম অধ্যুষিত পাতানি সালতানাতের অংশ ছিল। ১৯০০-এর দশকের শুরুর দিকে তৎকালীন সিয়াম রাজ্যের সঙ্গে অঞ্চলটির রাজনৈতিক সংযুক্তি ঘটে। এরপর থেকেই স্থানীয় মালয় মুসলিমদের একটি অংশ ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় পরিচয় ও রাজনৈতিক অধিকারের ক্ষেত্রে স্বায়ত্তশাসনের দাবি জানিয়ে আসছে।
২০১৩ সাল থেকে মালয়েশিয়ার মধ্যস্থতায় থাই সরকার ও বিআরএনের মধ্যে শান্তি আলোচনা চলছে। তবে আলোচনার প্রক্রিয়া বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ গত জুলাইয়ে একটি হামলায় পাঁচ থাই সেনা নিহত হওয়ার পর ব্যাংকক শান্তি আলোচনা স্থগিত করে। ওই হামলায় ছয় বেসামরিক মানুষও আহত হন বলে থাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সাম্প্রতিক সহিংসতায় বিআরএনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি অবশ্য নিকমাতুল্লাহ নিশ্চিত বা অস্বীকার করেননি।
তবে স্বাধীনতার দাবির পাশাপাশি বিআরএন থাই সরকারের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগির একটি কাঠামোর প্রস্তাবও দিয়েছে। নিকমাতুল্লাহর ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্তবর্তী দক্ষিণাঞ্চলের চারটি প্রদেশে বিআরএন রাজনৈতিক ক্ষমতা নিয়ে অঞ্চল পরিচালনা করতে চায়।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় পাঁচ থেকে ১০ বছরের একটি অন্তর্বর্তী সময়ে ওই অঞ্চলের শাসনভার নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংগঠনটি। মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য শরিয়াহভিত্তিক পুলিশ ও আদালত ব্যবস্থা চালুর কথাও বলা হয়েছে। এরপর জনগণের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নির্ধারণের কথা বলেছেন নিকমাতুল্লাহ।
বিআরএনের এই অবস্থানকে ঘিরে থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের সংঘাত আবারও আলোচনায় এসেছে। তবে থাই সরকারের অবস্থান, রাজনৈতিক সংলাপের মাধ্যমেই সংঘাতের সমাধান করতে হবে। একই সঙ্গে দেশটির সার্বভৌমত্ব ও সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে কোনো সমাধান গ্রহণযোগ্য নয়। থাইল্যান্ডের প্রধান শান্তি আলোচক থানুত সুওয়ার্নানন্দও বলেছেন, আলোচনার টেবিলে বিচ্ছিন্নতার বিষয়টি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি; বরং সংঘাত কমানো, নিরাপত্তা ব্যবস্থা শিথিল করা এবং রাজনৈতিক অভিযোগগুলোর সমাধানের বিষয়গুলো আলোচনায় রয়েছে।
এই সংঘাতে মালয়েশিয়ার ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চল মালয়েশিয়ার সীমান্তবর্তী হওয়ায় দীর্ঘদিনের সহিংসতার প্রভাব দেশটির উত্তরাঞ্চলেও পড়ে। শান্তি আলোচনায় মালয়েশিয়া মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে বর্তমানে নতুন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে বলে মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ খালেদ নর্দিন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মালয়েশিয়ার অগ্রাধিকার হলো শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং থাইল্যান্ডের সার্বভৌমত্বকে দেশটি সম্মান করে।
এদিকে শান্তি আলোচনা আবারও এগিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছে না বিআরএন। নিকমাতুল্লাহ জানিয়েছেন, অক্টোবর মাসে থাইল্যান্ডের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বা গোপন যোগাযোগের মাধ্যমে আলোচনায় ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।
দক্ষিণ থাইল্যান্ডের সংঘাত তাই এখন একদিকে স্বাধীনতার পুরোনো দাবিকে ঘিরে, অন্যদিকে স্বায়ত্তশাসন ও ক্ষমতা ভাগাভাগির নতুন প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা সহিংসতার অবসানে ব্যাংকক ও বিআরএন শেষ পর্যন্ত কী ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
সূত্র: এএফপি, রয়টার্স
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা করলে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ভারত মহাসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে পারে ইরান। বৃহস্পতিবার এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা ইয়াহিয়া রহিম সাফাভি।
আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স-এ প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় ইয়াহিয়া রহিম বলেন, এরইমধ্যে সংঘাত পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। আরও যুদ্ধ হলে সেটির জবাবে সংঘাতের ফ্রন্ট বিস্তৃত হবে। যা ভারত মহাসাগর ও এর বাইরের অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
সৌদি আরবের সঙ্গে লড়াইরত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সম্প্রতি লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। এর মাধ্যমে বাব এল-মান্দেব প্রণালিতে তাদের অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। এই প্রণালি সুয়েজ খালের মাধ্যমে এশিয়াকে ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে হুতিদের সামরিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আছে। তবে ইয়েমেনের সংঘাতে নিজেদের সম্পৃক্ত থাকার কথা তেহরান অস্বীকার করে আসছে।
এর আগেও ইরানি কর্মকর্তারা মার্কিন হামলার জবাবে যুদ্ধের ভৌগোলিক পরিসর বিস্তৃত করার হুমকি দিয়েছিলেন। তবে বৃহস্পতিবারের সতর্কবার্তায় প্রথমবারের মতো সর্বোচ্চ নেতার কোনো উপদেষ্টা সরাসরি ভারত মহাসাগরের কথা উল্লেখ করলেন। মহাসাগরটির দিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি আছে। এটি ইরান থেকে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে।
সংঘাত অবসানের প্রচেষ্টা হিসেবে চলতি সপ্তাহে দুই দেশের প্রতিনিধিরা নিউইয়র্কে বৈঠক করেছেন। সেখানে নিজেদের শর্ত তুলে ধরে ইরান। এরমধ্যে আছে- আর্থিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও বিদেশে জব্দকৃত সম্পদ ছাড়।
গত মঙ্গলবার এএফপিকে বিশেষ সাক্ষাৎকার দেন বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি। তখন তিনি ইয়েমেনে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিও উল্লেখ করেছিলেন।
ছাড়া হলো ৩০ হাজার প্রজননে অক্ষম পুরুষ মশা
পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে পরীক্ষামূলকভাবে ৩০ হাজার পুরুষ মশা ছাড়া হয়েছে। বিশেষ পদ্ধতিতে মশাগুলোকে প্রজননে অক্ষম করা হয়েছে। এশিয়ান টাইগার মশার সংখ্যা কমানো এবং এর মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি কমানোই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
লিসবনের আলভালাদে এলাকায় এসব মশা ছাড়া হয়েছে। এডিস অ্যালবোপিকটাস প্রজাতির এই মশা ডেঙ্গু, জিকা ও হলুদ জ্বরের মতো রোগ ছড়াতে পারে। তবে পুরুষ মশা মানুষকে কামড়ায় না। স্ত্রী মশাই মানুষের রক্ত পান করে। তাই পরীক্ষামূলকভাবে প্রজননে অক্ষম পুরুষ মশা ছেড়ে দিয়ে বন্য মশার সংখ্যা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
প্রজননে অক্ষম পুরুষ মশা বন্য পুরুষ মশার সঙ্গে স্ত্রী মশার মিলনে প্রতিযোগিতা করবে। এসব পুরুষ মশার সঙ্গে স্ত্রী মশার মিলন হলেও কোনো বংশধর জন্মাবে না। ফলে ধীরে ধীরে ওই এলাকায় মশার সংখ্যা কমে আসবে।
প্রকল্পের নেতা ও জনস্বাস্থ্যবিষয়ক চিকিৎসক আফনসো মোরেইরা বলেন, প্রথম ধাপে ছাড়া মশাগুলো কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে এবং কতদিন টিকে থাকে, তা পর্যবেক্ষণ করা হবে।
পরীক্ষার ফল ইতিবাচক হলে আগামী মে মাসে মশা ছাড়া হয়েছে এমন এলাকা এবং নিয়ন্ত্রিত এলাকার মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করা হবে।
পর্তুগালে এরই মধ্যে মোট ৬০ হাজার মশা ছাড়া হয়েছে। এবারের উদ্যোগটিই এ ধরনের মশা ছাড়ার শেষ ধাপ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে শুধু প্রজননে অক্ষম মশা ছাড়লেই মশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে না। মশার বংশবিস্তারের স্থান, বিশেষ করে জমে থাকা পানি ও অন্যান্য প্রজননস্থল ধ্বংস করাও জরুরি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
তথ্যসূত্র: ইউরোনিউজ
দুই স্তরে কনটেইনার সাজিয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো অবরুদ্ধ করা হয়েছে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভের আগে দেশটির রাজধানী ইসলামাবাদের প্রধান সড়ক ও প্রবেশপথগুলো কনটেইনার দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আজ বৃহস্পতিবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর) দুই স্তরে কনটেইনার সাজিয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো অবরুদ্ধ করা হয়। খবর এএফপির
বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, ইসলামাবাদে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় ২২ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) শাসনাধীন প্রতিবেশী খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সঙ্গে রাজধানীর প্রবেশ ও বের হওয়ার পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক, প্রবেশপথ ও মোড়গুলো কনটেইনার দিয়ে আটকে দেওয়ায় সড়ক যোগাযোগ প্রায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন সড়কে দীর্ঘ যানজট দেখা দেয়। কনটেইনারের ফাঁক দিয়ে মোটরসাইকেল চালকদের চলাচলের চেষ্টা করতে দেখা যায়।
আগামী রোববারের (২৭ সেপ্টেম্বর) বিক্ষোভকে সামনে রেখে সরকারের এই আগাম পদক্ষেপ চলতি সপ্তাহের শুরুতেই জোরদার হয়। ইমরান খানের তিন বোন আলিমা খান, উজমা খান ও নরিন নিয়াজিকেও আটক করা হয়েছে।
এএফপির হাতে আসা সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের সংগঠিত করা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তাদের ৩০ দিনের জন্য আটক করা হয়েছে। পাঞ্জাবের জনশৃঙ্খলা রক্ষণ অধ্যাদেশের (এমপিও) আওতায় এই আটকাদেশ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া পাঞ্জাব প্রদেশের বিভিন্ন জেলা ও রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের কয়েক ডজন আইনপ্রণেতা, আঞ্চলিক নেতা ও বিরোধী দলের কর্মীকেও আটক করা হয়েছে।
পিটিআইয়ের তথ্যসচিব শেখ ওয়াকাস আকরাম দাবি করেছেন, দলের প্রায় ১ হাজার ৫০০ কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
পাকিস্তানের চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে সংবাদমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ, ব্যাপক ধরপাকড় এবং মৌলিক অধিকার সীমিত করার বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো বারবার উদ্বেগ জানিয়েছে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বাবু রাম পান্ত বলেন, ‘ইমরান খানের পরিবার ও পিটিআইয়ের কর্মীদের লক্ষ্য করে এ ধরনের পদক্ষেপ তাদের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশ, সংগঠন করা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন।’
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের পদক্ষেপ পাকিস্তানে বর্তমানে যে বিধিনিষেধ চলছে, তার মাত্রা তুলে ধরে।’
৭৩ বছর বয়সি সাবেক ক্রিকেট তারকা ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। ২০২৩ সালের মে মাসে সরকারবিরোধী ব্যাপক সহিংস বিক্ষোভের পর তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রদ্রোহ ও সহিংসতায় উসকানিসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা হয়েছে।
তবে ইমরান খান ও তার আইনজীবীরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, ইমরানের জনপ্রিয়তা কমিয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় করার লক্ষ্যেই এসব মামলা করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: ব্লুমবার্গ, ইয়াহু
ছবি : সংগৃহীত
পবিত্র নগরী মক্কাসহ সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ এলাকায় সম্ভাব্য বিপদ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে দেশটির সিভিল ডিফেন্স। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) একাধিক সতর্কবার্তায় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে থাকার এবং কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।
সতর্কতার আওতায় ছিল পবিত্র মক্কা, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবুক, লোহিত সাগরের উপকূলীয় শহর জেদ্দা ও ইয়ানবু এবং দক্ষিণাঞ্চলের তায়েফ। এসব এলাকায় অবস্থানরত বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্যের জন্য সরকারি নির্দেশনার ওপর নজর রাখতে বলা হয়।
মক্কার সতর্কবার্তায় সম্ভাব্য বিপদের কথা উল্লেখ করা হলেও ঠিক কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল, তা প্রাথমিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি জানিয়েছে, সৌদি সিভিল ডিফেন্সের এ ধরনের সতর্কতা সাধারণত সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার আশঙ্কার ক্ষেত্রে দেওয়া হয়ে থাকে।
তবে বৃহস্পতিবারের সতর্কতার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট করে কোনো হুমকির ধরন জানায়নি। সতর্কতার পর মক্কা, তাবুক, জেদ্দা ও ইয়ানবুসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। পরে এসব এলাকায় বিপদ কেটে গেছে বলে সিভিল ডিফেন্স জানায়।
মক্কা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় নগরী হওয়ায় সেখানে সতর্কতা জারির বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। একইভাবে জেদ্দা ও ইয়ানবু লোহিত সাগর উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ শহর ও বন্দর এলাকা। তাবুক ও তায়েফও সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল।
সৌদি আরবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলা নিয়ে একাধিক সতর্কতা জারি হয়েছে। এর আগে জেদ্দা, তায়েফ, ইয়ানবু ও অন্যান্য এলাকাতেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি ও এএফপি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস থেকে মিডিয়া নিষেধাজ্ঞার আদেশটি স্থগিত করে দিয়েছেন দেশটির এক ফেডারেল বিচারক। একইসঙ্গে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোর সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
রয়টার্স জানিয়েছে, আজ বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট জজ টিম কেলি এ আদেশ দেন। তিনি বলেন, ওই তিনটি সংবাদমাধ্যমের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা ছিল অসাংবিধানিক।
এই আদেশকে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ওই তিন সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার বাতিল করে দিয়েছিলেন। এর বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমগুলো যে মামলা করেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এই আদেশ দেন।
বিচারক কেলি ট্রাম্প প্রশাসনকে অবিলম্বে ওই সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রেস পাস ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি আগামী ১৪ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞার পেছনে জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখানো হলেও বিচারক তা গ্রহণ করেননি।
আদেশে কেলি বলেন, ‘বাদীদের প্রেস পাস বাতিল করলে জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষিত হবে, এমন দাবির পক্ষে যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। একইভাবে তাদের প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দিলে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে, এমন দাবিরও ভিত্তি নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছিলেন যে ওই সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে “সত্যতার ঘাটতি ও নেতিবাচকতার” কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস এবং সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিনিধিরা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প বলেছিলেন, ওই তিন সংবাদমাধ্যমের ‘মিথ্যা ও কল্পকাহিনী’ প্রকাশ বা প্রচার চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকা উচিত নয়। অন্যদিকে, মার্কিন বিচার বিভাগের আইনজীবীরা জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি দেখিয়ে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
সোমবার ওয়াশিংটনের একটি ফেডারেল আদালতে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করে সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকো কর্তৃপক্ষ। তাদের অভিযোগ, এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীতে থাকা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মুক্ত গণমাধ্যমের অধিকার এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকারকে লঙ্ঘন করেছে।
মামলার শুনানি চলাকালে হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য তারা আদালতের কাছে ট্রাম্পের আদেশে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করে।
বুধবারের শুনানিতে বিচারক কেলি বলেন, কলাম্বিয়া সার্কিটের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আপিল আদালতের দুটি পূর্ববর্তী রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, হোয়াইট হাউসের প্রেস পাস বাতিলের আগে সাংবাদিকদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার সুযোগ দিতে হবে।
তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলোকে তাদের প্রবেশাধিকার বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে আপত্তি জানানোর সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে মনে হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যমগুলোর আইনজীবী আদালতে বলেন, কোনো ধরনের আগাম নোটিশ বা সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ ছাড়াই তাদের হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তিনি এটিকে নজিরবিহীন, অযৌক্তিক ও কঠোর শাস্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
তবে বিচার বিভাগের আইনজীবী বলেন, মঙ্গলবার পাঠানো চিঠিতে ট্রাম্প প্রশাসন প্রেস পাস বাতিলের যথেষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে। কিন্তু বিচারক এ যুক্তির বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ওই চিঠিগুলো প্রেস পাস বাতিলের পর এবং মামলা দায়েরের পরে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার আদালতে জমা দেওয়া এক নথিতে বিচার বিভাগ যুক্তি দেয়, হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার কোনো অধিকার নয়, বরং এটি একটি বিশেষ সুবিধা। তাই সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রবেশাধিকার স্থগিত করার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের রয়েছে।
এদিকে, বুধবার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন এবং কয়েক ডজন সংবাদমাধ্যম ওই তিন প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আদালতে একটি নথি জমা দিয়েছে। এতে তারা বলেছে, কোনো সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকীয় অবস্থান বা দৃষ্টিভঙ্গির কারণে সাংবাদিকদের অধিকার কেড়ে নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের কয়েক দশকের সিদ্ধান্তের পরিপন্থি।
ওই নথিতে সই করেছে রিপোর্টার্স কমিটি ফর ফ্রিডম অব দ্য প্রেস, রয়টার্স, দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট ও ফক্স নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সংগঠন।
ছবি : সংগৃহীত
আফগানিস্তানে আবারও হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এবার অন্তত ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। আজ বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দা এএফপিকে জানান, গতরাতে আফগানিস্তানের দক্ষিণে অবস্থিত কান্দাহার শহরে বিমান হামলা হয়েছে।
এই শহরেই তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার অবস্থান বলে জানা গেছে।
পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, তাদের বাহিনী আফগানিস্তানে ১০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। তবে কোথায় কোথায় হামলা চালানো হয়েছে, তা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেননি তিনি।
প্রতিবেশী দেশটির বিরুদ্ধে ‘নিজ ভূখণ্ডে সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল’ গড়ে উঠতে দেওয়ার অভিযোগও আনেন তিনি। এই হামলার বিষয়ে মন্তব্যের জন্য আফগানিস্তানের সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সাড়া পায়নি এএফপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর কয়েক দিন আগেও আফগানিস্তানের সীমান্ত এলাকায় বোমা হামলা চালিয়েছিল পাকিস্তান।
গতরাতের হামলার বিষয়ে কান্দাহারের ওই বাসিন্দা এএফপিকে বলেন, তিনি একটি যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনার পর বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ পান। এরপর শহরের কেন্দ্রে আগুন জ্বলতে দেখেন।
কয়েক ঘণ্টা পর পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার আফগানিস্তানে বিমান ও ড্রোন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তারার এক্সে (সাবেক টুইটার) বলেন, ‘আফগানিস্তানের ১০টি স্থানে নির্ভুলভাবে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান।’
পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্ভুলভাবে ও নির্ধারিত মাত্রার মধ্যে থেকে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি শুধু চিহ্নিত সামরিক লক্ষ্যবস্তুতেই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তারার আরও দাবি করেন, এর আগে ওই লক্ষ্যবস্তুগুলো পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহার হয়েছে।
জাতিসংঘ জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে চালানো হামলায় অন্তত তিনজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। তবে পাকিস্তানের দাবি, ওই হামলায় ২৮ জন জঙ্গি নিহত হয়েছেন।
এএফপি বলছে, সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের একাধিক হামলার নজির থাকলেও আফগানিস্তানের শহরগুলোতে হামলার ঘটনা বেশ বিরল।
ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে লড়াই শুরু হলে কান্দাহার ও রাজধানী কাবুলেও হামলা হয়েছিল।
জাতিসংঘের আফগানিস্তান মিশন (ইউএনএএমএ) জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহের ওই সহিংসতায় শত শত আফগান বেসামরিক নাগরিক নিহত হন।
মার্চে যুদ্ধবিরতি হলেও কয়েকটি দেশের মধ্যস্থতায় দুই প্রতিবেশীর মধ্যে স্থায়ী সমাধান আনার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। নিরাপত্তা ইস্যুতে মতবিরোধই প্রধান বাধা হয়ে আছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই আফগানিস্তানের কাছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে।
ইসলামাবাদের অভিযোগ, পাকিস্তানে সাম্প্রতিক হামলা বেড়ে যাওয়ার পেছনে টিটিপিসহ অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীই দায়ী। তালেবান সরকার ওই গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দিচ্ছে।
টিটিপি বহু বছর ধরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সহিংস অভিযান চালিয়ে আসছে।
তারার এক্সে বলেন, ‘পাকিস্তান বহু বছর ধরে তালেবান সরকার ও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী ব্যক্তিদের কাছে আফগান ভূখণ্ডে সন্ত্রাসীদের আশ্রয়দান ও তাদের সহযোগী নেটওয়ার্কের উপস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়ে এসেছে।’
তারার দাবি করেন, তালেবান সরকার জেনে-বুঝেও এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধের কোনো উদ্যোগ নেয়নি। বরং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা চালিয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।
যদিও আফগান কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা দাবি করেন, পাকিস্তান বৈরী গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দেয় এবং আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখায় না।
চলতি সপ্তাহে সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তানের হামলার আগে শুক্রবার উত্তর পাকিস্তানে পুলিশের সদরদপ্তরে হামলা হয়। ওই হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হন।
টিটিপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী ওই হামলার দায় স্বীকার করে।