মোজতবা হোসেইনি খামেনি

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ মার্চ, ২০২৬, সময় : ১:০৯ এএম

আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা হোসেইনি খামেনিকে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করার খবর দিয়েছে ইসরায়েলি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম।


সেসব খবরে বলা হচ্ছে, ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস মোজতবাকে খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে বেছে নিয়েছে।


এ খবর প্রথম প্রকাশ করে লন্ডন থেকে পরিচালিত ফার্সি ভাষার স্যাটেলাইট টেলিভিশন ইরান ইন্টারন্যাশনাল। পরে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবরটি আসে।


নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়, মোজতবাকে খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে বেছে নেওয়ার বিষয়টিকে ইরানের কট্টরপন্থিদের বিজয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।


তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এখনো এ বিষয়ে কোনো খবর আসেনি।  


৩৬ বছর দেশ শাসন করা খামেনি ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন। তার সঙ্গে তার মেয়ে, জামাতা ও নাতনিরও প্রাণ যায়। হামলায় আহত হওয়ার পর তার স্ত্রী মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহও মারা যান।


ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস টেলিগ্রামে জানিয়েছে, খামেনিকে মাশহাদে দাফন করা হবে এবং তেহরানে একটি বড় স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। তবে দাফনের তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।


খামেনির কোনো মনোনীত উত্তরসূরি ছিল না। পরবর্তী নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি, প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এবং প্রধান বিচারপতি গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেইকে নিয়ে গঠিত তিন সদস্যের অন্তর্বর্তী পরিষদ সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করছিল।



সর্বশেষ সব খবর

অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের

‘আমি তোমার যত্ন নেব’ বলেই ‘ধর্ষণ’ করেন ট্রাম্প


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সাবেক মিস সুইজারল্যান্ড ও মডেল বিয়াট্রিস কিউল

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:০২ পিএম

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন সাবেক মিস সুইজারল্যান্ড ও মডেল বিয়াট্রিস কিউল। ১৯৯৩ সালের নভেম্বরে নিউইয়র্কের প্লাজা হোটেলে ট্রাম্প তার ওপর এই নির্যাতন চালান বলে ডেমোক্র্যাটদের এক তদন্তকারী দলের কাছে তিনি দাবি করেন।


সোমবার (২৬ অক্টোবর) টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।


হোয়াইট হাউস এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ভুয়া খবর বলে আখ্যা দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র জানান, ট্রাম্প অ্যাপস্টাইন সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় থেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। ডেমোক্র্যাটদের উন্মোচিত প্রতিবেদনটিকে ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ঐতিহাসিক সাফল্যের ওপর ভর করে তৈরি হওয়া রিপাবলিকানদের ঊর্ধ্বমুখী গতি থেকে আমেরিকানদের মনোযোগ সরানোর জন্য উন্মাদ ডেমোক্র্যাটদের একটি মরিয়া চেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে হোয়াইট হাউস।


ডেমোক্র্যাটিক কমিটির কর্মচারীদের সঙ্গে কয়েক সপ্তাহের সাক্ষাৎকারে ২৪ বছর বয়সে ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের প্রথম সাক্ষাতের কথা জানান কিউল। তিনি জানান, ট্রাম্প তাকে ভিসা ও নিউ ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি তোমার যত্ন নেব।’ পরবর্তীতে ট্রাম্পের এক প্রতিনিধি তাকে প্লাজা হোটেলের ওপরের তলায় ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে নিয়ে যান।


তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘প্রবেশ মাত্রই ট্রাম্প কিউলকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরেন এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন; এই প্রক্রিয়ায় তার পোশাক ছিঁড়ে যায় এবং শরীরের একাধিক স্থানে রক্তপাত ও আঘাতের চিহ্ন তৈরি হয়।’ 


প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কিউল এই ধর্ষণকে ‘নৃশংস’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ঘটনার পর ট্রাম্প তাকে বিছানার ধারে বসিয়ে পুনরায় ভিসা ও ভর্তির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং চুপ থাকতে বলে বলেন, ‘শো চলতেই হবে।’


এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ডেইলিমেইলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিউল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, ‘তিনি আমাকে ঠোঁটে ও ঘাড়ে চুমু খেয়েছিলেন। তিনি আমার পোশাক তোলার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি আমার শরীরের সর্বত্র স্পর্শ করছিলেন।’ তবে সেই সময় কিউল জানান, তিনি কথা বলে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তার উচ্চতার কারণে তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন। 


২০ বছর আগেই কিউল তার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে এই ঘটনার কথা জানিয়েছিলেন বলে ডেইলিমেইল উল্লেখ করে এবং তখন ট্রাম্পের তৎকালীন প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিটের অভিযোগটি ভুয়া বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন।


কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য জেমি রাসকিন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পাঁচজন নারী অ্যাপস্টাইনের উপস্থিতিতে বা তার সান্নিধ্যে সরাসরি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন; অন্যরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, অ্যাপস্টাইন বা ম্যাক্সওয়েল তাদের ট্রাম্পের কাছে পাচারের চেষ্টা করেছিলেন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রেসিডেন্টকে রক্ষা করতে ট্রাম্পের বিচার বিভাগ এই অপরাধগুলো ধামাচাপা দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।’


আসন্ন ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের মাত্র এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হলো। নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্পের অ্যাপস্টাইন সংক্রান্ত নথি ব্যবস্থাপনা এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে দেখা দেওয়া মূল্যস্ফীতি রিপাবলিকান প্রার্থীদের রাজনৈতিক চাপের মুখে ফেলেছে।


সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

সর্বশেষ সব খবর

তেহরান সফরে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধি দল

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:১৬ পিএম

সম্প্রতি গঠিত মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় একযোগে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে ইরান। সোমবার রাতে ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে মক্কা জোটের তিন মূল সদস্য দেশ সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতৈক্য প্রতাশ করে দেশটি।


বৈঠক শেষে তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইরান এবং মক্কা চুক্তিভুক্ত দেশগুলো আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখা এবং পারস্পরিক সংলাপ ও আলোচনা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে সম্পূর্ণ সম্মত হয়েছে। গতকালের তেহরান সফরে প্রতিনিধি দল ইরানের প্রেসিডেন্ট এবং জাতীয় নিরাপত্তা প্রধানের সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দ্বিপক্ষীয় সংলাপে মিলিত হন। 


সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বৈঠকে অংশ নিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের উপসচিব আলী বাঘেরি কানি, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান আল সৌদ, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির ও তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন।


সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি বিভাগের উপমন্ত্রী রায়েদ ক্রিমলিও তাদের অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চলমান সংকটে জড়িত পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা কমানো, সংলাপ এগিয়ে নেওয়া এবং কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই সফর হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেবে মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের মিত্র দেশগুলো।


সামাজিক মাধ্যম এক্সে ক্রিমলি লিখেছেন, ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে অঞ্চলের সব দেশের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়টি এই সফর তুলে ধরছে।’


সংবাদ সংস্থা আনাদোলু দেশটির নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান তেহরানের বৈঠকে অংশ নেবেন। যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার বিষয়ে আন্তরিক না হলেও ইরান কূটনীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি। তেহরানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘স্পষ্ট বিষয়টি হলো মার্কিন পক্ষ আলোচনা নিয়ে আন্তরিক নয়। গত দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র দেখিয়েছে, তারা আলোচনার সঙ্গে নিজেদের শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার বিষয়টিকে গুলিয়ে ফেলে।’ 


বাঘায়ি আরও বলেন, ‘আমরা কখনও কূটনীতির দরজা বন্ধ করিনি। নিজেদের জনগণ ও বিশ্বকে আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, কূটনীতির প্রতি আমাদের অঙ্গীকার আন্তরিক ও অবিচল।’


মধ্যপ্রাচ্যের আসন্ন বৈঠক সামনে রেখে নিজেদের স্বার্থ ও উদ্বেগের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়ায় আঞ্চলিক দেশগুলোর প্রশংসা করেছে ইরান। তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসমাইল বাঘায়ি বলেন, ‘আঞ্চলিক দেশগুলো নিজেদের স্বার্থ ও উদ্বেগের ভিত্তিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, কিংবা অন্তত এ ধরনের ব্যবস্থা বিবেচনা করছে, এটি আমরা ইতিবাচক অগ্রগতি বলে মনে করি।’


তিনি বলেন, ‘এই বৈঠক নিজস্ব সক্ষমতা ও উদ্যোগের ভিত্তিতে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার পথ তৈরি করতে পারে। কয়েক দশক ধরে আমরা এই নীতির ওপর জোর দিয়ে আসছি। আমরা ধারাবাহিকভাবে বলে আসছি, অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সেখানকার দেশগুলোর স্বার্থ ও নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগের ওপর নির্ভর করতে হবে।’


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দেশ দিলে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা বাহিনী। গতকাল সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় সামরিক বাহিনী এরই মধ্যে ওই অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে। তবে অভিযান চালানোর বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি ট্রাম্প। সম্ভাব্য এই অভিযান সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরানের সামরিক স্থাপনায় চালানো সীমিত হামলাগুলোর তুলনায় অনেক বিস্তৃত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড ও পেন্টাগন সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর একটি বড় তালিকা তৈরি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি ও জ্বালানি অবকাঠামো।


আগের অভিযানগুলোতে মূলত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, রাডার স্থাপনা ও দ্রুত প্রতিস্থাপনযোগ্য অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। তবে নতুন পরিকল্পনায় ইরানের শাসকগোষ্ঠীর সামরিক সক্ষমতা ও অবকাঠামোর ওপর আরও ব্যাপক আঘাত হানার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি বড় ধরনের অভিযান হবে।’


পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, বছর শেষ হওয়ার আগেই ট্রাম্প আবার বড় পরিসরে সামরিক অভিযান চালানোর নির্দেশ দিতে পারেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন মনে করেন, ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর হামলা চালানোর সম্ভাবনা বেশি।


তবে ট্রাম্প এখনও সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, এর আগেও বড় ধরনের সামরিক অভিযান অনুমোদনের কাছাকাছি গিয়ে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন তিনি। 


এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। পেন্টাগনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, সামরিক অভিযানের বিভিন্ন বিকল্প পরিকল্পনা তৈরি করা প্রতিরক্ষা বিভাগের দায়িত্বের অংশ। তবে এ ধরনের পরিকল্পনা তৈরি করা মানেই প্রেসিডেন্ট হামলার নির্দেশ দিয়েছেন, এমন নয়। এদিকে ইরানে তাৎক্ষণিক সামরিক হামলার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন ট্রাম্প। গত রোববার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আজ কোনো হামলা হবে না।’

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৪৪ পিএম
  • আপডেট : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৪৪ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৪৪ পিএম

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় অর্ণব আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এরপর আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার দুপুর ১২টায় ঘূর্ণিঝড়টি পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।


সোমবার (২৬ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় অর্ণব পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। সোমবার দুপুর ১২টায় এর অবস্থান ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এ সময় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমানের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে সোমবার মধ্যরাত নাগাদ পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে।

পরে এটি আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। আগামী বুধবার ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

 

সর্বশেষ সব খবর

নেত্রী মাচাদো। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:১৫ পিএম

দীর্ঘ ১০ মাসের বেশি সময় নির্বাসনে থাকার পর নিজ দেশ ভেনেজুয়েলায় ফিরেছেন বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো। দেশে ফিরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘আমি এখানে, আপনাদের সঙ্গে।’  এর আগে, একাধিকবার দেশে ফেরার চেষ্টা করেও সফল হননি তিনি। এবার তার প্রত্যাবর্তন ঘটল ভেনেজুয়েলার জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে। গত জানুয়ারিতে, নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করতে যাওয়ার জন্য অন্ধকারের সুযোগে দ্রুতগতির নৌকায় ভেনেজুয়েলা ছাড়েন মাচাদো।


এর এক মাস পর যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করে দেশটির বাইরে নিয়ে যায়। এরপর মাদুরোর ডেপুটি ডেলসি রদ্রিগেজকে সমর্থন দেয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। পরে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন রদ্রিগেজ। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি তেল চুক্তিও সই করেন, যেখানে ওয়াশিংটনকে বেশ অনুকূল শর্ত দেওয়া হয়। রোববার (২৫ অক্টোবর) ভেনেজুয়েলার লারা রাজ্যের একটি গির্জায় প্রার্থনায় অংশ নিতে দেখা যায় মাচাদোকে। এ সময় তার চারপাশে ভিড় করেন সমর্থকেরা। তারা তাকে জড়িয়ে ধরেন এবং হাত ধরে স্বাগত জানান।


এরপর উল্লাসরত সমর্থকদের গাড়িবহর নিয়ে রাজধানী কারাকাসের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তিনি। রাজধানীতে যাওয়ার পথে বিভিন্ন স্থানে সমর্থকেরা তাকে স্বাগত জানাতে জড়ো হন। রোববার গভীর রাতে কারাকাসে প্রবেশের সময় গাড়ির সানরুফ দিয়ে বেরিয়ে হাসিমুখে সমর্থকদের অভিবাদন জানাতে দেখা যায় তাকে। এক্সে দেওয়া আরেক পোস্টে মাচাদো লেখেন, ‘আমাদের কারাকাসে পুনর্মিলনের রাত। প্রতিটি পরিবারের পুনর্মিলনের জন্য, প্রতিটি রাজনৈতিক বন্দির মুক্তির জন্য, ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতার জন্য।’


মাচাদোর ঘনিষ্ঠ মিত্র ও সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী এডমুন্দো গনসালেস উরুতিয়াও তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  রোববার হামলায় নিহত নয়জনের মধ্যে আটজনকে গির্জার পাশেই সমাহিত করা হয়। শেষকৃত্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। 


বার্তা সংস্থা এএফপির ছবিতে দেখা যায়, ধর্মীয় নেতাদের উপস্থিতিতে এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে পতাকায় মোড়ানো কফিনগুলো জনতার ভিড়ের মধ্য দিয়ে বহন করা হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

সৌদি আরব এবং পাকিস্তানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৫০ পিএম

সৌদি আরব-তুরস্ক-পাকিস্তানের শীর্ষ কর্মকর্তারা সোমবার ইরানের রাজধানী তেহরানে দেশটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সমন্বয় নিয়ে আলোচনার জন্য এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুই ব্যক্তি জানিয়েছেন। 

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান। আর পাকিস্তানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে ২টি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে জেরুজালেম পোস্ট। বৈঠকে তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধানও অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট একজন। 

ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থার উপসচিব আলী বাঘেরি কানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানান, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান মুনির এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধান ইব্রাহিম কালিন আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনার জন্য তেহরান সফর করবেন। সেখানে তারা ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে সৌদি সরকারের গণমাধ্যম কার্যালয়, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা এবং তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষই সাড়া দেয়নি। ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর হামলা বেড়ে যাওয়ার পর এই প্রথম তিন দেশের জোটের সব সদস্যের সঙ্গে ইরানের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ হতে যাচ্ছে। সৌদি আরবের ওপর হুতিদের ধারাবাহিক হামলার মধ্যে এ বৈঠককে আঞ্চলিক পরিস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে, গত সপ্তাহে, তেহরান সফর করেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। সে সময় তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ দেশটির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই সফরে ইরানি কর্মকর্তারা তাকে জানান, তেহরানের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হবে না।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে পাকিস্তান। এর আগে দেশটির মধ্যস্থতায় জুনে একটি অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তি হয়েছিল। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও লড়াই শুরু হলে চুক্তিটি ভেঙে পড়ে।

এদিকে সশস্ত্র গোষ্ঠীটির সঙ্গে সংঘাত অব্যাহত থাকায় রোববারও নতুন করে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের একটি ঝাঁক প্রতিহত করেছে সৌদি আরব।

চলতি মাসের শুরুর দিকে মক্কা চুক্তিভুক্ত দেশগুলোর মন্ত্রীরা রিয়াদে জরুরি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে সৌদি আরবে সামরিক বাহিনী ও প্রয়োজনীয় সামরিক সক্ষমতা দ্রুত মোতায়েন নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত হন তারা।

ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ঘিরে চলমান সংঘাতে সৌদি আরবের ওপর হামলা ক্রমেই অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র সৌদি আরব বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ চাপের মুখে পড়েছে।

 গত আগস্টে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের কোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে বাকি সদস্যদের ওপরও হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

রয়টার্সের দেখা চুক্তির নথি অনুযায়ী, এর প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সদস্য দেশগুলোর ভৌগোলিক অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব কিংবা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্তের জন্য হুমকি তৈরি হলে তা মোকাবিলায় পক্ষগুলো ‘সব প্রয়োজনীয় উপায়’ ব্যবহার করবে। চুক্তিটি অনুসমর্থনের প্রক্রিয়া গত সপ্তাহে শুরু করেছে তুরস্কের পার্লামেন্ট, যা এখনো চলমান। অন্যদিকে, গত সপ্তাহে চুক্তিটি অনুমোদন করেছে পাকিস্তান। 

সর্বশেষ সব খবর

ভূমিকম্প

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৩ পিএম

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকায় ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পে দুই দেশের একাধিক অঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।


বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্য অনুসারে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫.২।


শুরুতে এর মাত্রা ৫.৮ বলে ধারণা করা হলেও পরে তা সংশোধন করে ৫.২ নির্ধারণ করা হয়। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়েছিল ভূপৃষ্ঠের ১১০ কিলোমিটার গভীরে।


আফগান সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে দেশটির রাজধানী কাবুল, নানগারহারসহ আশপাশের কয়েকটি প্রদেশে কম্পন অনুভূত হয়। তবে আফগানিস্তানে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।


অন্যদিকে, পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের খবরে বলা হয়েছে, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা এবং উত্তরের গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলেও ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে।


দুই দেশেই পরিস্থিতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।


তথ্যসূত্র: রয়টার্স, জিও নিউজ। 

সর্বশেষ সব খবর