• প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:১০ পিএম

চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ হাজার ২০৪ শিক্ষার্থী। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় সিলেট শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন এ ফলাফল ঘোষণা করেন।


সংশ্নিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ও জিপিএ ৫ কমেছে। গত বছর সিলেটে পাসের হার ছিল ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ। আর জিপিএ ৫ পেয়েছিল ১ হাজার ৬০২ জন। এবার সিলেটের পাসের হার গত ১৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।


এদিকে, পাসের হারের পাশাপাশি সর্বোচ্চ সাফল্য জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতেও বড় ভাটা পড়েছে। এবার এই বোর্ড থেকে মাত্র ১ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পেরেছে। অথচ গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী। এ বছরের পরীক্ষায় ৭১,৮৯৩ জন অংশ নেন। যার মধ্যে পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় ৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৮,৯৩৫ জন ছাত্রের মধ্যে ১৪,০৯৬ জন পাস করায় পাসের হার ৪৮ দশমিক ৭২ শতাংশ; অন্যদিকে ৪২,৯৫৮ জন ছাত্রীর মধ্যে ২২,৫০১ জন পাস করায় তাদের পাসের হার ৫২ দশমিক ৩৮ শতাংশ। 


বিভাগ ভিত্তিক ফলাফলে ৬৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ পাসের হার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বিজ্ঞান বিভাগ এ বিভাগে ১৪,৩৫৩ জনের মধ্যে পাস করে  ৯,৮৩৮ জন, এরপর ৪৭ দশমিক ৮১ শতাংশ পাসের হার নিয়ে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ। এ বিবাগে ৮,১৮১ জনের মধ্যে পাস করে  ৩,৯১১ জন এবং ৪৬ দশমিক ২৯ শতাংশ পাসের হার মানবিক বিভাগে।এ বিভাগে ৪৯,৩৫৯ জনের মধ্যে পাস করে ২২,৮৪৮ জন।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:২৪ পিএম

পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ‌্যা‌লির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উত্তেজনার মধ্যেই এবার সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের সঙ্গে প্রসীত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে।


শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সা‌জে‌কের কৃলাবুনিয়া এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে এই গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। থেমে থেমে গোলাগুলি চলার খবরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে পুরো এলাকায়।


তবে এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সংঘর্ষ চলছিল বলে স্থানীয়দের বরাতে জানিয়েছেন বাঘাইছড়ি এলাকার স্থানীয় সাংবাদকর্মী মো. ম‌হিউদ্দিন। তার ভাষ্য, শনিবার দুপুর থেকে সা‌জেকের কলাবুনিয়া পাড়ায় দুপক্ষের মধ্যে আধিপত্য ধরে রাখার লড়াই চলছে।


এ বিষয়ে জানতে সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হো‌সে‌নের সঙ্গে যোগাযোগ করা হ‌লে বি‌কেল ৪টায়  তি‌নি দুপক্ষের গোলাগুলির সত‌্যতা নি‌শ্চিত ক‌রেছেন। তিনি বলেন, ইউপি‌ডিএফ ও জেএসএস’র সশস্ত্র সদস‌্যদের মধ্যে গোলাগু‌লির খবর শু‌নে‌ছি। ত‌বে এখ‌নও পর্যন্ত হতাহ‌তের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।


তাছাড়া গোলাগুলির ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে ইউপি‌ডিএফ ও জেএসএস’র পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি। সংগঠন দুটির দায়িত্বশীলদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নিরপেক্ষভাবে জানা সম্ভব হয়নি।


মূলত দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরোধের কারণে সাজেকে বেশ কিছুদিন ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে, চলছে অবরোধও। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ সচল রাখতে রোববার ১২ ঘণ্টার জন্য অবরোধ শিথিলের ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনকারী দুটি সংগঠন। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচলে বাধা থাকবে না। তবে সোমবার থেকে ফের অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হবে।


শুক্রবার রাতে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীসহ পণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে এক দিনের জন্য কর্মসূচি শিথিল করা হচ্ছে।


বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের কঠিন চীবর দানোৎসব উপলক্ষেও বিশেষ ছাড়ের কথা জানিয়েছে সংগঠন দুটি। বাবুধন চাকমা এক ভিডিও বার্তায় বলেন, উৎসব নির্বিঘ্নে পালনের জন্য বৌদ্ধ ভিক্ষুদের চলাচলে যানবাহন প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট বিহার ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।


গত ২২ অক্টোবর থেকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলছে। এটি তাদের তৃতীয় দফার কর্মসূচি। সংগঠন দুটির অন্যতম দাবি, পিসিজেএসএসের সন্তু লারমা-সমর্থিত সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক থেকে সরিয়ে নিতে হবে। তাদের অভিযোগ, ওই সশস্ত্র সদস্যদের কারণে এলাকায় নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।


তবে পিসিজেএসএস এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমার দাবি, সাজেকে সাধারণ মানুষের ওপর ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের দীর্ঘদিনের নিপীড়ন ও হয়রানির বিষয়টি আড়াল করতেই এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে।


অবরোধের জেরে সাজেকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ২৫ অক্টোবর আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। পরদিন ২৬ অক্টোবর সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সাজেকের উজো বাজারে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করে। প্রায় তিন ঘণ্টার আলোচনায় পাঁচ দফা দাবির চারটি বিষয়ে সমঝোতা হলেও সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার প্রশ্নে সমাধান হয়নি। ফলে অবরোধ প্রত্যাহার করেনি সংগঠন দুটি।


এর আগে সাজেক ঘিরে এই অস্থিরতা প্রথম প্রকাশে আসে গত অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে। গত ১১ অক্টোবর প্রথম দফায় অবরোধ শুরু হলে সেখানে প্রায় দেড় হাজার পর্যটক আটকা পড়েন। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়। দাবি পূরণ না হওয়ার অভিযোগ তুলে ১৫ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় অবরোধ শুরু হয়। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর কর্মসূচি স্থগিত ছিল। বিরতি শেষে ২২ অক্টোবর থেকে শুরু হয় তৃতীয় দফার অনির্দিষ্টকালের অবরোধ।


নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা জানিয়ে ২২ অক্টোবর থেকেই সাজেক পর্যটন ভ্যালি বন্ধ রেখেছে রাঙ্গামা‌টির জেলা প্রশাসন। পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সময় উজো বাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষকারী বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় পুলিশ-সেনা বাহিনী পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তৎপর হলে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ার ঘটনা ঘটে। পাল্টা গুলি ছৃুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও।


ওই ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের দায়ী করলেও অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংগঠনটি। পরে হামলা, লাঠিপেটা এবং ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের প্রতিবাদে ২৪ অক্টোবর রাঙ্গামা‌টি ও খাগড়াছড়িতে অর্ধদিবস অবরোধ পালন করে ‘ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ’।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:৫২ পিএম

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের উপর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেছেন- স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে শেকলবন্দি করতেই দুজন সাংবাদিকের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা করা হয়েছে। সিলেটের মানুষের সেবা পাওয়ার ন্যায্য দাবির প্রতি এটা চরম আঘাত। এই হামলা শুধু সাংবাদিকদের ওপর নয়, গোটা সিলেটবাসীর ওপরেই করা হয়েছে। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেটবাসীর সম্পত্তি, এখানে কোনো ধরনে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বরদাশত করা হবে না।


ওসমানী হাসপাতালে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার হন সাংবাদিক রেজা রুবেল ও নিবেন্দু তালুকদার। এর প্রতিবাদে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সর্বস্তরের সাংবাদিকদের উদ্যোগে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সিলেটের সকল সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ নেন।


সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন-নূরের সভাপতিত্বে ও জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তারা বলেন- এই প্রতিবাদ সমাবেশ শুধু সাংবাদিকদের নয়, বরং পুরো সিলেটবাসীকে জাগ্রত করার সমাবেশ। অতীতে ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলনের সময় সাংবাদিকরাই তাদের পাশে থেকে সংবাদ প্রচার করেছিলেন, যার প্রতিদান দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকদের রক্তাক্ত করে। হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত করে রোগীদের জিম্মি করার সংস্কৃতি চলতে পারে না।


পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বক্তারা বলেন-অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।


সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- ঘটনার তিন দিন অতিবাহিত হলেও কর্তৃপক্ষ দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। অতীতে হাসপাতালের অচলাবস্থা নিরসনে প্রশাসন তাৎক্ষণিক ভূমিকা রাখলেও সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার এবং নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে। এই হামলা পুরো চিকিৎসক সমাজকে কলঙ্কিত করেছে। ওসমানী হাসপাতালে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও মাস্তানি বন্ধ করে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।


সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের একটি অংশের মাধ্যমে রোগীদের স্বজন ও সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করা এবং লাঠিসোটা নিয়ে পেটানোর ঘটনা নিত্যদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে। গত বুধবার দুই সাংবাদিককে নির্যাতনের ঘটনায় অবিলম্বে ওসমানী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন- কোনো আপসকামী সমাধান নয়, সাংবাদিকদের সম্মান রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে শীঘ্রই বৈঠকে বসা হবে এবং সেখানেই পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিন, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি ইকরামুল কবির ইকু, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য অধ্যক্ষ লিয়াকত শাহ ফরিদী, ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (ইমজা) সিলেট-এর সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান রিপন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী (ভিপি মাহবুব), সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ দিদার আলম চৌধুরী নবেল, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গুলজার আহমদ হেলাল, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ূন কবীর লিটন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমদ রনি প্রমুখ।

সিলেটের সর্বস্তরের সাংবাদিক সমাবেশে সংহতি জানিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)-সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব এবং দক্ষিণ সুমরা ও বিশ্বনাথসহ বিভিন্ন উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ এবং সিলেট উইমেনস জার্নালিস্ট ক্লাব ও বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র এর সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সিলেট কল্যাণ সংস্থাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন। 


আরো উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল আজাদ, দৈনিক উত্তর পূর্বের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, দৈনিক সমকাল’র সিলেট ব্যুরো প্রধান মুকিত রহমানী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, সিলেট প্রেসক্লাবের পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্য়মদ মুহিবুর রহমান,সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ মহসিন ও শফিকুর রহমান, জেলা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি সজল ঘোষ, কোষাধ্যক্ষ আনন্দ সরকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক রবি কিরণ সিংহ (মাইস্লাম রাজেশ), দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আহাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. রেজাউল হক ডালিম, তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক আহমেদ জামিল, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র (বিএনজেসি)-এর সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি বিলকিস আক্তার সুমি, সিলেট উইমেনস জার্নালিস্ট ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাকিলা ববি, সিনিয়র সাংবাদিক কাউছার চৌধুরী, জেলা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য নবীন সোহেল, রনজিৎ কুমার সিংহ, তুহিন আহমদ ও রাজীব রাসেল, অধ্যক্ষ মকসুদ আহমদ, সিলেট কল্যাণ সংস্থা’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহের, সাংবাদিক নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. ইউসুফ আলী, সোয়েব বাসিত, সাঈদ চৌধুরী টিপু, পিংকু ধর, রাশেদুল হোসেন সুয়েব, এনামুল কবীর, সাঈদ নোমান, মো. আহসান হাবীব, মোজ্জাম্মেল আহমদ, লুৎফুর রহমান, মোহাম্মদ কামরুল হাসান, মাকসুদ হোসেন, মোখলেছুর রহমান, শামীম হোসেন সামী, আলমগীর আলম, কামরুল হাসান বুলবুল, মাকসুদুর রহমান নাহিদ, এস. এম. সুজন, দেবব্রত রায় দিপন প্রমুখ।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৪৮ পিএম
  • আপডেট : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৪৮ পিএম


  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৪৮ পিএম

শারদীয় দুর্গাপূজা-পরবর্তী সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহের ভালুকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘শারদীয় দুর্গাপূজা-পরবর্তী পুনর্মিলনী ও শুভেচ্ছা বিনিময়-২০২৬’। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ভালুকা পৌরসভাসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা অংশ নেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের এক মিলনমেলায়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।


বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রমোদ চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ, ভালুকা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ হাতেম খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট উসমান গণি মলিক মাখন, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান উল্লা খান রুবেলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।


এ ছাড়া ভালুকা পৌরসভা ও উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৬৮টি শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।


অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজনে ছিলেন রতি রঞ্জন বর্মন, রানা সরকার, অসীম মোদক ও রতন সরকার।


আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজা-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও সামাজিক ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ আয়োজন পরিণত হয় পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করা এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মিলিত হওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে।


বক্তারা ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’–এই চেতনাকে ধারণ করে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তিপূর্ণ, অসাম্প্রদায়িক ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানান বক্তারা।

সর্বশেষ সব খবর

জামায়াতের আমির ডা.শফিকুর রহমান

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৪২ পিএম

সাত দফা দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ কর্মসূচি আজ শনিবার সকাল ৯ টা ৪০ মিনিটে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পদ্মা সেতু উত্তর প্রান্তে এসে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন  জামায়াতের আমির ডা.শফিকুর রহমান।


পরে পদ্মা সেতু পারি দিয়ে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহের দিকে রওনা দেন লং মার্চ। মুন্সীগঞ্জ থেকে লং মার্চে যুক্ত হন মুন্সীগঞ্জ জেলার জামায়াতে ইসলামসহ ১১ দলের নেতাকর্মীরা। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত থেকে লং মার্চে যুক্ত হন নেতাকর্মীরা।


গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। 


সকালে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে ৪১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ কর্মসূচির যাত্রা শুরু হবে। ঢাকা থেকে শুরু হয়ে লংমার্চ প্রথমে যাবে খুলনায়, পরে সেখান থেকে যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া গিয়ে শেষ হবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৩২ পিএম

গাজীপুরের টঙ্গীতে ইয়াবা তৈরির ল্যাব খুঁজে পেয়েছেন পুর্ব থানা পু‌লিশ। শুক্রবার মধ্যরাতে পাগার আলে‌কের টেক এলাকায় এক‌টি বাসায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল, সরঞ্জামসহ ল্যাবের মালিক নজরুল ইসলাম বা‌প্পি‌কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনলাইনে দেখে ও পড়াশোনা করে ইয়াবা তৈরির প্রক্রিয়া শেখার চেষ্টা করা হ‌চ্ছে ব‌লে জানা গে‌ছে। তবে এখনো উৎপাদন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি বলে জানিয়েছেন পু‌লিশ। নজরুল পাগাড় এলাকার তাইজুল ইসলামের ছে‌লে।


অভিযানের সময় ল্যাবের মা‌লিক নজরুল ইসলাম বা‌প্পি জানান, তিনি ছয় মাস ধরে সেখানে কাজ করছেন। তবে এখনো ইয়াবা উৎপাদন শুরু হয়নি এবং পরীক্ষার কাজও সম্পন্ন হয়নি। তি‌নি আরও জানান, অনলাইনে দেখে তিনি এ বিষয়ে শিখ‌ছেন ব‌লে জানান।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নজরুল ওই এলাকার তাইজুল ইসলামের বড় ছেলে এবং কয়েক বছর আগে বিদেশ থেকে দেশে ফেরার পর মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন।


পু‌লিশ জানায়, কারখানাটিতে কতটুকু উৎপাদনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, কী পরিমাণ মাদক তৈরির পরিকল্পনা ছিল এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে কারখানাটির কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে আরও তথ্য জানা যাবে।


টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকছুদুল আলম বলেন, কারখানাটিতে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ও যন্ত্রপাতি রয়েছে। এগুলো ব্যবহার করে ইয়াবা তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ করে এ কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করা হচ্ছে। একজন‌কে গ্রেপ্তার করা হ‌য়ে‌ছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:২৩ পিএম

সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করা এবং জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ শে অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল ১১টায় ভেটখালী ও কৈখালী মাদার নদীর ব্রিজের  উপর এ মানববন্ধনে হাজার জেলে, বাওয়ালি ও স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সুন্দরবন উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। মাছ ও কাঁকড়া আহরণ এবং বনজ সম্পদ সংগ্রহ করে হাজারো পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু বনদস্যুদের অপতৎপরতা, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের আতঙ্কে তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। জীবিকার তাগিদে বনে গিয়েও জেলে-বাওয়ালিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।


বক্তারা সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযান জোরদার করার দাবি জানান। একই সঙ্গে অপহৃত জেলেদের দ্রুত উদ্ধার, মুক্তিপণ আদায় বন্ধ এবং বনদস্যুদের দমনে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তাঁরা।


আয়োজক কমিটির পক্ষে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান আহবায়ক এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদুজ্জামান শহিদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বনদস্যু নির্মূল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের নেতা সালাউদ্দিন লিটন। 


বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পিপি ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ-আলম, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রবিউল ইসলাম লিটন, জেলেদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, বাঘের সঙ্গে লড়াই করে বা বাঘের মুখ থেকে জেলেদের উদ্ধার করা আব্দুল গণি ওরফে টাইগার গণি, শফিকুল ইসলাম, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিমসহ গন্যমান্য ব্যক্তিরা ৷ 


মানববন্ধনে অংশ নেওয়া জেলে ও বাওয়ালিরা নিরাপদে সুন্দরবনে যাতায়াত এবং নির্বিঘ্নে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান। তাঁদের মতে, সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার পাশাপাশি উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করেন, সাংবাদিক আক্তার হোসেন ৷

সর্বশেষ সব খবর