জামায়াতের আমির ডা.শফিকুর রহমান

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৪২ পিএম

সাত দফা দাবিতে ১১ দলের লংমার্চ কর্মসূচি আজ শনিবার সকাল ৯ টা ৪০ মিনিটে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে পদ্মা সেতু উত্তর প্রান্তে এসে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন  জামায়াতের আমির ডা.শফিকুর রহমান।


পরে পদ্মা সেতু পারি দিয়ে খুলনা, যশোর ও ঝিনাইদহের দিকে রওনা দেন লং মার্চ। মুন্সীগঞ্জ থেকে লং মার্চে যুক্ত হন মুন্সীগঞ্জ জেলার জামায়াতে ইসলামসহ ১১ দলের নেতাকর্মীরা। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্ত থেকে লং মার্চে যুক্ত হন নেতাকর্মীরা।


গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি ও সার সংকট নিরসন এবং দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। 


সকালে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে ৪১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ কর্মসূচির যাত্রা শুরু হবে। ঢাকা থেকে শুরু হয়ে লংমার্চ প্রথমে যাবে খুলনায়, পরে সেখান থেকে যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া গিয়ে শেষ হবে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:৫২ পিএম

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের উপর ইন্টার্ন চিকিৎসকদের হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেছেন- স্বাধীন সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে শেকলবন্দি করতেই দুজন সাংবাদিকের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা করা হয়েছে। সিলেটের মানুষের সেবা পাওয়ার ন্যায্য দাবির প্রতি এটা চরম আঘাত। এই হামলা শুধু সাংবাদিকদের ওপর নয়, গোটা সিলেটবাসীর ওপরেই করা হয়েছে। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সিলেটবাসীর সম্পত্তি, এখানে কোনো ধরনে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বরদাশত করা হবে না।


ওসমানী হাসপাতালে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হামলার শিকার হন সাংবাদিক রেজা রুবেল ও নিবেন্দু তালুকদার। এর প্রতিবাদে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সর্বস্তরের সাংবাদিকদের উদ্যোগে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সিলেটের সকল সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ নেন।


সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি মুকতাবিস-উন-নূরের সভাপতিত্বে ও জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তারা বলেন- এই প্রতিবাদ সমাবেশ শুধু সাংবাদিকদের নয়, বরং পুরো সিলেটবাসীকে জাগ্রত করার সমাবেশ। অতীতে ওসমানী হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আন্দোলনের সময় সাংবাদিকরাই তাদের পাশে থেকে সংবাদ প্রচার করেছিলেন, যার প্রতিদান দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকদের রক্তাক্ত করে। হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত করে রোগীদের জিম্মি করার সংস্কৃতি চলতে পারে না।


পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বক্তারা বলেন-অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।


সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- ঘটনার তিন দিন অতিবাহিত হলেও কর্তৃপক্ষ দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। অতীতে হাসপাতালের অচলাবস্থা নিরসনে প্রশাসন তাৎক্ষণিক ভূমিকা রাখলেও সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার এবং নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন না হওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকবে। এই হামলা পুরো চিকিৎসক সমাজকে কলঙ্কিত করেছে। ওসমানী হাসপাতালে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ও মাস্তানি বন্ধ করে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।


সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের একটি অংশের মাধ্যমে রোগীদের স্বজন ও সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করা এবং লাঠিসোটা নিয়ে পেটানোর ঘটনা নিত্যদিনের চিত্রে পরিণত হয়েছে। গত বুধবার দুই সাংবাদিককে নির্যাতনের ঘটনায় অবিলম্বে ওসমানী মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন- কোনো আপসকামী সমাধান নয়, সাংবাদিকদের সম্মান রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে শীঘ্রই বৈঠকে বসা হবে এবং সেখানেই পরবর্তী কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিন, সিলেট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি ইকরামুল কবির ইকু, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য অধ্যক্ষ লিয়াকত শাহ ফরিদী, ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (ইমজা) সিলেট-এর সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান রিপন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি সিলেট ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল হক চৌধুরী (ভিপি মাহবুব), সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ দিদার আলম চৌধুরী নবেল, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি গুলজার আহমদ হেলাল, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হুমায়ূন কবীর লিটন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আহমদ রনি প্রমুখ।

সিলেটের সর্বস্তরের সাংবাদিক সমাবেশে সংহতি জানিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)-সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব এবং দক্ষিণ সুমরা ও বিশ্বনাথসহ বিভিন্ন উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ এবং সিলেট উইমেনস জার্নালিস্ট ক্লাব ও বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র এর সিলেট বিভাগীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সিলেট কল্যাণ সংস্থাসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন। 


আরো উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল আজাদ, দৈনিক উত্তর পূর্বের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, দৈনিক সমকাল’র সিলেট ব্যুরো প্রধান মুকিত রহমানী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন, সিলেট প্রেসক্লাবের পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্য়মদ মুহিবুর রহমান,সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ মহসিন ও শফিকুর রহমান, জেলা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি সজল ঘোষ, কোষাধ্যক্ষ আনন্দ সরকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক রবি কিরণ সিংহ (মাইস্লাম রাজেশ), দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আহাদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. রেজাউল হক ডালিম, তথ্য-প্রযুক্তি সম্পাদক আহমেদ জামিল, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র (বিএনজেসি)-এর সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি বিলকিস আক্তার সুমি, সিলেট উইমেনস জার্নালিস্ট ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাকিলা ববি, সিনিয়র সাংবাদিক কাউছার চৌধুরী, জেলা প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য নবীন সোহেল, রনজিৎ কুমার সিংহ, তুহিন আহমদ ও রাজীব রাসেল, অধ্যক্ষ মকসুদ আহমদ, সিলেট কল্যাণ সংস্থা’র প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহের, সাংবাদিক নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থ, মো. ইউসুফ আলী, সোয়েব বাসিত, সাঈদ চৌধুরী টিপু, পিংকু ধর, রাশেদুল হোসেন সুয়েব, এনামুল কবীর, সাঈদ নোমান, মো. আহসান হাবীব, মোজ্জাম্মেল আহমদ, লুৎফুর রহমান, মোহাম্মদ কামরুল হাসান, মাকসুদ হোসেন, মোখলেছুর রহমান, শামীম হোসেন সামী, আলমগীর আলম, কামরুল হাসান বুলবুল, মাকসুদুর রহমান নাহিদ, এস. এম. সুজন, দেবব্রত রায় দিপন প্রমুখ।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৪৮ পিএম
  • আপডেট : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৪৮ পিএম


  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৪৮ পিএম

শারদীয় দুর্গাপূজা-পরবর্তী সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহের ভালুকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘শারদীয় দুর্গাপূজা-পরবর্তী পুনর্মিলনী ও শুভেচ্ছা বিনিময়-২০২৬’। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ভালুকা পৌরসভাসহ উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা অংশ নেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্যের এক মিলনমেলায়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।


বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রমোদ চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুহুল আমিন মাসুদ, ভালুকা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ হাতেম খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট উসমান গণি মলিক মাখন, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান উল্লা খান রুবেলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।


এ ছাড়া ভালুকা পৌরসভা ও উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৬৮টি শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।


অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজনে ছিলেন রতি রঞ্জন বর্মন, রানা সরকার, অসীম মোদক ও রতন সরকার।


আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজা-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও সামাজিক ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ আয়োজন পরিণত হয় পারস্পরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করা এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মিলিত হওয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে।


বক্তারা ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’–এই চেতনাকে ধারণ করে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা বলেন, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শান্তিপূর্ণ, অসাম্প্রদায়িক ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানান বক্তারা।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৩২ পিএম

গাজীপুরের টঙ্গীতে ইয়াবা তৈরির ল্যাব খুঁজে পেয়েছেন পুর্ব থানা পু‌লিশ। শুক্রবার মধ্যরাতে পাগার আলে‌কের টেক এলাকায় এক‌টি বাসায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবা তৈরির কাঁচামাল, সরঞ্জামসহ ল্যাবের মালিক নজরুল ইসলাম বা‌প্পি‌কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনলাইনে দেখে ও পড়াশোনা করে ইয়াবা তৈরির প্রক্রিয়া শেখার চেষ্টা করা হ‌চ্ছে ব‌লে জানা গে‌ছে। তবে এখনো উৎপাদন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি বলে জানিয়েছেন পু‌লিশ। নজরুল পাগাড় এলাকার তাইজুল ইসলামের ছে‌লে।


অভিযানের সময় ল্যাবের মা‌লিক নজরুল ইসলাম বা‌প্পি জানান, তিনি ছয় মাস ধরে সেখানে কাজ করছেন। তবে এখনো ইয়াবা উৎপাদন শুরু হয়নি এবং পরীক্ষার কাজও সম্পন্ন হয়নি। তি‌নি আরও জানান, অনলাইনে দেখে তিনি এ বিষয়ে শিখ‌ছেন ব‌লে জানান।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নজরুল ওই এলাকার তাইজুল ইসলামের বড় ছেলে এবং কয়েক বছর আগে বিদেশ থেকে দেশে ফেরার পর মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন।


পু‌লিশ জানায়, কারখানাটিতে কতটুকু উৎপাদনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, কী পরিমাণ মাদক তৈরির পরিকল্পনা ছিল এবং এর সঙ্গে আর কারা জড়িত এসব বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে কারখানাটির কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে আরও তথ্য জানা যাবে।


টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাকছুদুল আলম বলেন, কারখানাটিতে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ও যন্ত্রপাতি রয়েছে। এগুলো ব্যবহার করে ইয়াবা তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অনলাইনে তথ্য সংগ্রহ করে এ কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করা হচ্ছে। একজন‌কে গ্রেপ্তার করা হ‌য়ে‌ছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:২৩ পিএম

সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করা এবং জেলে-বাওয়ালিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩১ শে অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল ১১টায় ভেটখালী ও কৈখালী মাদার নদীর ব্রিজের  উপর এ মানববন্ধনে হাজার জেলে, বাওয়ালি ও স্থানীয় বাসিন্দা অংশ নেন।


মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সুন্দরবন উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। মাছ ও কাঁকড়া আহরণ এবং বনজ সম্পদ সংগ্রহ করে হাজারো পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু বনদস্যুদের অপতৎপরতা, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের আতঙ্কে তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। জীবিকার তাগিদে বনে গিয়েও জেলে-বাওয়ালিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।


বক্তারা সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযান জোরদার করার দাবি জানান। একই সঙ্গে অপহৃত জেলেদের দ্রুত উদ্ধার, মুক্তিপণ আদায় বন্ধ এবং বনদস্যুদের দমনে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তাঁরা।


আয়োজক কমিটির পক্ষে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান আহবায়ক এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী শহিদুজ্জামান শহিদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বনদস্যু নির্মূল কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের নেতা সালাউদ্দিন লিটন। 


বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পিপি ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান প্রার্থী গাজী শাহ-আলম, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক রবিউল ইসলাম লিটন, জেলেদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, বাঘের সঙ্গে লড়াই করে বা বাঘের মুখ থেকে জেলেদের উদ্ধার করা আব্দুল গণি ওরফে টাইগার গণি, শফিকুল ইসলাম, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিমসহ গন্যমান্য ব্যক্তিরা ৷ 


মানববন্ধনে অংশ নেওয়া জেলে ও বাওয়ালিরা নিরাপদে সুন্দরবনে যাতায়াত এবং নির্বিঘ্নে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান। তাঁদের মতে, সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করার পাশাপাশি উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অনুষ্ঠানটি সার্বিক পরিচালনা করেন, সাংবাদিক আক্তার হোসেন ৷

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:১০ পিএম

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বাবার বিক্রি করা জমি ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি না করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ছেলেদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন রুবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে চরজব্বর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অতীতে জমি দখলের অভিযোগও করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।


শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাতে চরজব্বর থানায় এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য একরামুল হক (৫০)।


ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য একরামুল হক অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের খাসেরহাট রাস্তার মাথা এলাকার মৃত সাইদুল হক ও তার স্ত্রী ময়ুরা খাতুনের কাছ থেকে ২০১০ সালে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাদের নামে সরকারি বন্দোবস্তীয় ২৪ শতক জমি কেনেন তার চাচা সিরাজ মিয়া। জমি কেনার পর সেখানে দোকানপাট নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন তিনি। নোটারি চুক্তিতে উল্লেখ ছিল, সরকারি জরিপে বিএস খতিয়ানে জমিটি বিক্রেতাদের নামে সঠিকভাবে রেকর্ডভুক্ত হলে তারা ক্রেতার নামে জমি রেজিস্ট্রি করে দেবেন। একইভাবে সাইদুল হকের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে আলী আক্কাস, শাহাদাত হোসেন, জাহানারা বেগম ও বেলাল হোসেনসহ আরও কয়েকজন জমি কেনেন।


তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ১ মে সাইদুল হকের মৃত্যুর পর সরকারি জরিপে জমিটি তার ও স্ত্রী ময়ুরা খাতুনের নামে বিএস খতিয়ানে রেকর্ডভুক্ত হয়। এরপর ওয়ারিশ হিসেবে তাদের ছেলেরা জমি ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা থাকলেও তা না করে উল্টো তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সিরাজ মিয়া ও অপরাপর ক্রেতাদের ভোগদখলীয় জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। এরই মধ্যে কিছু জমি দখলও করা হয়েছে ।


 একরামুল হক অভিযোগ করে আরও বলেন, গত ২০ অক্টোবর সকালে দেলোয়ার হোসেন রুবেল (২৮), মো. শিপন (৪৫), মো. খোকন (৩৮) ও মো. সাদ্দাম হোসেন (৩৪) পুনরায় তার চাচা সিরাজ মিয়ার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি ও স্থানীয় কয়েকজন বাধা দিলে অভিযুক্তরা তাদের ভয়ভীতি দেখান। একপর্যায়ে দোকানঘর ও বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করেন।


এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, সাইদুল হকের ছেলেরা অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থেকে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় জমি দখল ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করে বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে ছবি তুলে নিজেদের নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ তাদের। দেলোয়ার হোসেন রুবেলের বিরুদ্ধে এর আগেও জমি দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত একটি মামলায় তিনি কারাগারে রয়েছেন।


ভুক্তভোগী একরামুল হক বলেন, জমির প্রকৃত ক্রেতাদের নামে রেজিস্ট্রি করে না দিয়ে উল্টো তাদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।


তবে অভিযোগ অস্বীকার করে দেলোয়ার হোসেন রুবেলের স্ত্রী মিলি আক্তার বলেন, তার স্বামীসহ পরিবারের সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। জমির বৈধ কাগজপত্র তাদের পরিবারের নামে রয়েছে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তার স্বামীকে আওয়ামী লীগের তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার করানো হয়েছে।


চরবাটা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা বলেন, সাইদুল হক জীবিত থাকাকালে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে সিরাজ মিয়াসহ কয়েকজনের কাছে ওই জমি বিক্রি করেন। পরে ক্রেতারা সেখানে দোকানপাট নির্মাণসহ বিভিন্নভাবে ভোগদখল করে আসছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে সাইদুল হকের ছেলেরা একাধিকবার জমি দখলের চেষ্টা করেন এবং দুটি কক্ষ দখলও করে নেন। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদে মামলা হলে শুনানি শেষে ক্রেতাদের পক্ষে রায় দেওয়া হয়। বর্তমানে আবারও তারা দোকানপাটসহ ওই জমি দখলের চেষ্টা করছেন।


চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান বলেন, সিরাজ মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


তিনি আরও বলেন, রুবেলের বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল-মিটিং ও অপতৎপরতায় পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় লোকজন তাকে চার-পাঁচ দিন আগে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

  • প্রকাশ : শনিবার ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:০২ পিএম

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জনগণ প্রমাণ করেছে বিরোধী দলের জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।


শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের টাঙন ব্যারেজে আয়োজিত মাছ ধরা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।


তিনি বলেন, বিএনপি সরকার আট মাসে কী করেছে, কী করেনি; তার মূল্যায়ন করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের জন্য কী করছে, সেটিও মানুষ দেখছেন। অন্যদিকে, যারা আজ বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে, তারাই বিভিন্ন সময়ে লংমার্চ-রোডমার্চ করেছে। কিন্তু উপনির্বাচনের ফলাফলে জনগণ তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন।


প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন। বিপরীতে বিরোধী দলের প্রার্থী পেয়েছেন তুলনামূলক অনেক কম ভোট। এ ফলাফলই প্রমাণ করে- বিগত দিনে বিরোধী দল যেসব কর্মকাণ্ড করেছে, তাতে জনগণের মধ্যে তাদের জনপ্রিয়তা কমেছে।


তিনি আরও বলেন, সরকার দেশব্যাপী খাল খনন ও নদী খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন৷ এসব প্রধানমন্ত্রী নিজে তত্ত্বাবধান করছেন। কোনো ধরনের অনিয়ম পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এ সময় জেলা প্রশাসক রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ পয়গাম আলী,পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কৃষ্ণকমল সরকারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন৷

সর্বশেষ সব খবর