ডিজিটাল মিটার পুনঃস্থাপনের দাবি
রংপুর নগরীর যে সকল বাসা-বাড়িতে ডিজিটাল মিটার অপসারণ করে প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে অবিলম্বে সে সকল বাসা-বাড়ি থেকে প্রিপেইড মিটার অপসারণ করে পুনরায় ডিজিটাল মিটার সংযোগ দিতে হবে। প্রিপেইড মিটারের দুঃসহ বোঝা জনগণ আর বহন করতে করতে পারছে না।
নতুন করে আর কোনো বাসা-বাড়িতে শোষণ ও হয়রানির যন্ত্র প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা চলবে না। জনগণের অভিযোগ ও অসন্তোষ আমলে নিয়ে সরকারকে এই প্রিপেইড মিটার বাতিলে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। নতুবা জনগণের এই ক্ষোভ গণবিস্ফোরণে রুপ নেবে।
আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আদালত চত্বরে রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ এ কথাগুলো বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সামগ্রিক বিষয়ে আলোকপাত করে বক্তৃতা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব এডভোকেট পলাশ কান্তি নাগ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য আব্দুল জব্বার সরকার, এবিএম মসিউর রহমান, বিজয় প্রসাদ তপু, মাহাবুব আলম, সবুজ রায়, সানজিদা আক্তার, কনক রহমান, রেদোয়ান ফেরদৌস প্রমুখ।
বিগত ২২ জুলাই ২০২৬ ভুক্তভোগী গ্রাহকরা বাদী হয়ে জেলা প্রশাসকসহ নেসকোর ৬ কর্মকর্তাকে বিবাদী করে নগরীর বাসা-বাড়ীতে প্রিপেইড মিটার প্রতিস্থাপনের কার্যক্রম অবৈধ এবং বেআইনি মর্মে ঘোষণামুলক মোকদ্দমা করেন।
আজ রোববার অত্র মোকদ্দমার শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিলো। কিন্তু বিবাদীগণের বরাবরে সমন জারি না হওয়ার কারণে দিনান্তর হয়। পরবর্তীতে আদালত চত্বরে ভুক্তভোগী গ্রাহক ও রংপুর মহানগর নাগরিক কমিটির নেতৃবৃন্দ আদালত চত্বরে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আদালতের সমন জারির দায়িত্বে নিয়োজিত জারি কারকের কর্তব্য কাজে অবহেলার সমালোচনা করে জনগুরুত্বপূর্ণ মোকদ্দমায় এহেন গাফিলতির জন্য সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ, সংবাদ সম্মেলন থেকে গণবিরোধী প্রিপেইড মিটার বাতিল, বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ, বিদ্যুৎ এর দাম কমানো, বিদ্যুৎ খাতকে বেসরকারিকরণের তৎপরতা বন্ধ এবং গ্রাহকদের নামে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ, উল্লেখিত দাবিতে আগামীতে ভুক্তভোগী গ্রাহকদের গণস্বাক্ষরসহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচিসহ ধারাবাহিক আন্দোলনের ঘোষণা দেন।
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সদর নরোত্তমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আবদুল বাতেন মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কবিরহাট উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য মো. গোলাম মোমিত ফয়সাল। স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নরোত্তমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক মাসুদ, কবিরহাট উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আবদুল বাছেত হিরণ, নরোত্তমপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বাবলু, নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি বাকি বিল্লাহ তুষার ও দপ্তর সম্পাদক মো. মহসিন রিয়াজসহ অনেকে।
বক্তারা জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান। পরে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক, নগদ অর্থ, ব্যাগ, কলম ও ডায়েরি তুলে দেওয়া হয়। কাঙ্ক্ষিত সম্মাননা হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেখা যায় আনন্দ ও উচ্ছ্বাস। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল উৎসব মুখর পরিবেশ।
এ সময় অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি : সংগৃহীত
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং সদস্য সন্দেহে আবারও ২৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলার ১৮ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান (মিডিয়া) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য সন্দেহে ৬২৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের থেকে যাচাই-বাছাই করে ১৭৩ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। বাকিদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান (মিডিয়া) বলেন, পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশে কুমিল্লা জেলার কিশোর গ্যাংবিরোধী নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে শনিবার রাতে জেলার ১৮টি থানা এবং ডিবি পুলিশ একযোগে অভিযান পরিচালনা করে। কুমিল্লা নগরীর বিভিন্ন স্থানসহ প্রত্যেকটি থানা এলাকার যেখানে কিশোর বয়সি বখাটেদের উৎপাত রয়েছে সেই সব স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। এতে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ৬ ঘণ্টার অভিযানে ২৫৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের অপরাধের সম্পৃক্ততা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। উঠতি বয়সি কিশোররা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে সেজন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিতই এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ রোধ করতে জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।
রংপুর পথমূকাভিনয় উৎসব ২০২৬
‘জাগো বাহে কোনঠে সবায়’ স্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্বখ্যাত ফরাসি মূকাভিনয়শিল্পী মার্সেল মার্সোর প্রয়াণ দিবস স্মরণে রংপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রংপুর পথমূকাভিনয় উৎসব ২০২৬’।
গতকাল শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় নগরীর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ, পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পথমূকাভিনয় পরিষদের আয়োজনে এবং মুক্তবিহঙ্গ রংপুর-এর সার্বিক সহযোগিতায় আলোচনা সভা ও পথমূকাভিনয় প্রদর্শনী হয়। উৎসবের মিডিয়া পার্টনার ছিল সময় টিভি ও ছায়ানট। সহযোগিতায় ছিল পিওর হার্ট ও সুপ্ত এন্টারপ্রাইজ।
বাংলাদেশ পথমূকাভিনয় পরিষদের চেয়ারম্যান আসবাবীর রাফসানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী (ডন)
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ইহতিয়াজ ত্বকী এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল রবি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন কারমাইকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান, স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সমর্পিতা ঘোষ তানিয়া, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ওমর ফারুক, রংপুর মিউজিক্যাল ব্যান্ড এসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ জহির আলম নয়ন, নাট্য ফোরামের সভাপতি চৌধুরী মাহমুদুন্নবী ডলার, তিস্তা ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান আসরাফুল আলম আল-আমীন এবং বাংলাদেশ পথমূকাভিনয় পরিষদের কো-চেয়ারম্যান শাকুর শাহরিয়ার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জয় লালা ও অন্তরা আক্তার। সাংকেতিক ভাষায় কথা বলেন ইমরানা আনসারী বীথি।
আলোচনা পর্ব শেষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত মূকাভিনয় দল পরিবেশনা করে। নওগাঁ মাইম থিয়েটার পরিবেশন করে ‘প্রতিবাদী কৃষক’ ও ‘মুক্ত পাখি’, সাইলেন্ট থিয়েটার পরিবেশন করে ‘দৌড়’ ও ‘দুর্গমগিরি’, কাকাশিস কারমাইকেল কলেজ পরিবেশন করে ‘এই শহরে’, চট্টগ্রামের পুরাণ পরিবেশন করে ‘জাত’, মুক্তবিহঙ্গ রংপুর পরিবেশন করে ‘সীমারের প্রত্যাবর্তন’ এবং রংপুরের পদাতিক পরিবেশন করে ‘একটি স্বপ্নের মৃত্যু’।
নিস্তব্ধতার ভাষা, শারীরিক অঙ্গভঙ্গি ও অভিব্যক্তির মাধ্যমে শিল্পীরা সমাজ ও মানবিকতার নানা দিক তুলে ধরেন, যা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। আয়োজকরা জানান, মূকাভিনয় শিল্পের প্রসার ও নতুন প্রজন্মকে এ শিল্পের সাথে পরিচিত করতেই এই আয়োজন।
পটুয়াখালীর মহিপুর থানার আলীপুর মৎস্যবন্দর থেকে মাছ ধরতে গিয়ে গভীর সমুদ্রে ১৫ জেলেসহ এমবি মায়ের দোয়া-৬ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে গেছে। তবে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের সহায়তায় ওই ট্রলারে থাকা ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া যায়নি।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার গভীর বঙ্গোপসাগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ট্রলারটির মাঝি মূসা জানান, সকালে আলীপুর বন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে তারা সাগরে রওনা হন। কিছুদূর যাওয়ার পর সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের ঝাপটায় ট্রলারটির তলা/কাঠামো ফেটে যায়। এতে ট্রলারে পানি ঢুকে সেটি ডুবতে শুরু করে। পরে কিছুক্ষণ সাগরে ভেসে থাকার পর কাছাকাছি থাকা অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার তাদের দেখতে পেয়ে ১৫ জেলেকে উদ্ধার করে।
ট্রলার মালিক মিজানুর রহমান বলেন, ট্রলারটি মাছ ধরার জন্য সাগরে পাঠানো হয়েছিল। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর জেলেদের উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পেরেছি। ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, গভীর সমুদ্রে ট্রলারডুবির ঘটনায় ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ট্রলারটির এখনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। ট্রলারটি উদ্ধারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
উপনির্বাচনে মির্জা ফয়সল আমিনের মনোনয়নপত্র দাখিল
ঠাকুরগাঁওয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই ও বিএনপির দলীয় প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলামের কাছে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।
এর আগে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশ নেন ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমিন। তিনি বর্তমানে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মনোনয়নপত্র দাখিলের পর সাংবাদিকদের মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, উন্নয়নের ধারা শতভাগ অব্যাহত থাকবে। কারণ যে সরকার এই মুহূর্তে বাংলাদেশে ক্ষমতায় আছে, সেই সরকারি দলের একজন প্রার্থী হিসেবে আমি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। অতএব উন্নয়নের ধারাবাহিকতা কোনোভাবেই ব্যাহত হওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও-১ আসনকে নিয়ে আমার প্রত্যাশা মূলত, আমার একটা স্বপ্ন আছে, আমাদের সকলেরই একটা স্বপ্ন আছে, সেই স্বপ্নগুলো আমরা পূরণ করতে চাই। আমরা দেখতে চাই ঠাকুরগাঁও একটা অসাধারণ সুন্দর, আবাসযোগ্য জনপদের ভূমি হয়ে প্রস্ফুলিত হবে।
মির্জা ফয়সল আমিন আরও বলেন, ‘এখানে মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে, এখানে বেকারদের কর্মসংস্থান হবে এখানে মানুষে মানুষে কোনো ভেদাভেদ বা বৈষম্য থাকবে না। আমি সেই স্বপ্ন দেখি এবং সেই স্বপ্নের জন্য যে কাজগুলো করা দরকার সেই কাজগুলোই আমরা করতে চাই।’
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে। বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত আপিল করা যাবে। আপিল নিষ্পত্তি হবে ৬ অক্টোবর।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৮ অক্টোবর। আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
বর্তমানে ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) অনুমোদন ছাড়াই গভীর নলকূপের বরিং স্থাপনের স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে পল্লী বিদ্যুতের অনুমোদন ছাড়াই গভীর নলকূপে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় আজ (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার রনচন্ডী ইউনিয়নের বদি মাঝাপাড় গ্ৰামের মমিনুর রহমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে জানা যায়, রনচন্ডী ইউনিয়নের বদি মাঝাপাড়া গ্ৰামের আনারুল ইসলামের ছেলে কামরুজ্জামান বিটিশ তার চাষাবাদী জমির এলাকায় বিএডিসির অনুমোদন ছাড়াই গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পাইপ ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করেছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই এলাকায় পাশাপাশি ৪ থেকে ৫টি অগভীর নলকূপ ইতোমধ্যে চালু রয়েছে, যেগুলো বিএডিসি কর্তৃক অনুমোদিত।
অভিযোগকারী আরও জানান, গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য বগুড়া থেকে পাইপ ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি আনা হয়েছে। এরই মধ্যে সেখানে একটি টাওয়ার নির্মাণের কাজ চলমান।
অভিযোগকারী মমিনুর রহমান বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অনুমোদন না দেওয়া বা কার্যক্রম বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), পানি উন্নয়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর এবং পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির দায়িত্বশীলদের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে কামরুজ্জামান বিটিশের কাছে অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অনুমোদন না পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন কার অনুমতি নেব, আমার অনুমতির প্রয়োজন নেই।”
এবিষয়ে নীলফামারী জোনাল অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মুশফিকুর রহমান বলেন, নিয়মের বহির্ভূত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।