প্রণোদনা বিতরণ উদ্বোধন করেন নওগাঁ-৩ আসনের এমপি ফজলে হুদা বাবুল

  • প্রকাশ : রবিবার ১২ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ৮:২৮ এএম

নওগাঁর মহাদেবপুরে এবার ১২ হাজার ৭৪০ জন চাষী পাচ্ছেন বিনামূল্যে প্রণোদনার বীজ ও সার। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব বিতরণ উদ্বোধন করেন নওগাঁ-৩ (মহাদেবপুর-বদলগাছী) আসনের এমপি ফজলে হুদা বাবুল। 


এ উপলক্ষে সেখানে আয়োজিত চাষীদের এক সমাবেশে এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চাষীদের হাতে বীজ ও সার তুলে দেন। বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আরিফুজ্জামান এতে সভাপতিত্ব করেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ।


উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিপ-১ মৌসুমে উফশী আউশ বীজ, মুগ ফসলের আবাদ ও উদপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে এসব বীজ ও সার বিতরণ করা হবে। কর্মসূচির আওতায় মোট ১২ হাজার ৭০০ জন উফশী আউশ চাষীর প্রত্যেকের মধ্যে প্রতি এক বিঘা জমিতে আবাদের জন্য পাঁচ কেজি করে বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি করে এমওপি রাসায়নিক সার এবং গ্রীষ্মকালীন মুগ ফসল আবাদের জন্য মোট ৪০ জনের প্রত্যেকের মধ্যে এক বিঘা জমিতে আবাদের জন্য পাঁচ কেজি করে বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও পাঁচ কেজি করে এমওপি রাসায়নিক সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে।


উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে রাইগাঁ ও চেরাগপুর ছাড়া অন্য আটটি ইউনিয়নের প্রতিটিতে পাঁচজন করে মোট ৪০ জন মুগ চাষী নির্বাচন করা হয়েছে। এছাড়া উফশী আউশ চাষের প্রণোদনার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে সদর ইউনিয়নে এক হাজার ৫৬০ জন, হাতুড় ইউনিয়নে ৬০০ জন, খাজুর ইউনিয়নে ৩০০ জন, চাঁন্দাশ ইউনিয়নে ২৫০ জন, রাইগাঁ ইউনিয়নে দুই হাজার ১০০ জন, এনায়েতপুর ইউনিয়নে এক হাজার ৭৫০ জন, সফাপুর ইউনিয়নে ৬০০ জন, উত্তরগ্রাম ইউনিয়নে এক হাজার ৬৪০ জন, চেরাগপুর ইউনিয়নে দুই হাজার ১০০ জন ও ভীমপুর ইউনিয়নে এক হাজার ৮০০ জন।




সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৩০ পিএম

রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকসহ একই পরিবারের আলোচিত খুনের ঘটনাটি একটি লোমহর্ষক ঘটনা। এই হত্যাকাণ্ডটির রহস্য উদঘাটনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কাজ করছে। একই সাথে হত্যাকাণ্ডটির রহস্য উদঘাটনে দ্বারপ্রান্তে পুলিশ বলে মন্তব্য করেছেন রংপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তোফায়েল আহমেদ।

মঙ্গলবার( সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের জন হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার মুগ্ধ সিদ্ধার্থকে জেলগেটে প্রথম দিনের  জিজ্ঞাসাবাদ পরবর্তি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, খুনের মামলাটি তদন্তাধীন। তাই এই বিষয় বিস্তারিত আলোচনার এখন সময় না। তবে আপনাদেরকে আপডেট দিতে চাই, গ্রেফতার দুইজনকে জিজ্ঞাবাসাদের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছিলো। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে আজকে তাদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এটি অব্যাহত থাকবে। মামলার রহস্য উদঘাটনে আমাদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করছি। আশা করছি সেই পেশাদারিত্বের মাধ্যমে এই মামলার নিষ্পত্তি হবে।

এদিকে গতকাল বেলা ১১ টা ৪৫ মিনিটে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলীর নেতৃত্বে তিনসদস্যের একটি টীম কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ করেন। তিনঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে নতুন কোন তথ্য সামনে এসেছে কিনা এবং তারা বিষয়ে মুখ খুলেছে কিনা তা জানা যায়নি। এর আগে ৩১ আগস্ট সোমবার আদালতে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলো মামলার তদন্তকর্মকর্তা। পরে মেট্রোপলিটন চীফ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের বিচারক রফিকুল ইসলাম তিনদিনের মধ্যে যে কোন দুইদিন তিন ঘন্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুমতি প্রদান করেন।

বিষয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী জানান, একই পরিবারের জনকে হত্যা ঘটনায় নতুন কিছু তথ্য আসায় সেগুলো ক্রোস চেক করার জন্য গ্রেফতার সিদ্ধার্থ-মুগ্ধ দাসকে রিমান্ডের প্রয়োজন থেকে আদালতে আবেদন করা হয়েছিলো। যে কোন দুইদিন তিন ঘন্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি প্রদান করেন আদালত।

উল্লেখ গত ২২ আগস্ট রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনায় একই এলাকার প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস মুগ্ধ দাসকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। একই ঘটনায় দুই জন সাক্ষীও আদালতে জবানবন্দি দেন।

এর আগে পুলিশ জানিয়েছিলো ইয়াবা সেবন দেখে ফেলায় এবং সামাজিক সম্মানের ভয়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীকে গলায় গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর পরিবারের অন্য তিনজনকেও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এদিন সিদ্ধার্থ দাস মুগ্ধ দাস - ইয়াবা সেবন করেছিলো বলে জানায় পুলিশ।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৩২ পিএম

ঢাকার সাভারে সাত বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাদরাসার চার শিক্ষক ও ছয় শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।আদালতের নির্দেশে, বুধবার (২৬ আগস্ট) সাভার মডেল থানায় মামলাটি করেন ভুক্তভোগীর বাবা।


শিশুটির বাবা পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সোমবার তিনি বলেন, সাভারের পূর্ব শাহীবাগ এলাকায় অবস্থিত মারকাযুল উলুম আশ-শরইয়্যাহ মাদরাসায় তার সাত বছর বয়সী ছেলে পড়ালেখা করে এবং সেখানেই আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে থাকে।


তিনি বলেন, ছেলে বাড়িতে এলে তাকে মনমরা হয়ে থাকতে দেখা যেত। সে ঠিকমতো কথা বলত না এবং খাবারও খেত না। আমরা ভেবেছিলাম, হয়তো মাদরাসার পড়ালেখার চাপের কারণে এমনটি করছে। সে মাদরাসায় যেতে চাইতো না। তাই বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেইনি।


এই বাবা জানান, পরে মাদরাসার এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন যে, সেখানে শিশু শিক্ষার্থীদের বলাৎকারের অভিযোগ রয়েছে এবং কয়েক দিন আগে এ নিয়ে মাদরাসায় বিচারও হয়েছে। এরপর তিনি ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে যান। গত ১৪ আগস্ট শিশুটি পরিবারের সদস্যদের কাছে তাকে বলাৎকারের শিকার হওয়ার কথা জানায়। 


শিশুটির বাবার অভিযোগ, চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থী তার ছেলেকে বলাৎকার করে। এরপর তিনি মাদরাসার পরিচালক জিয়া বিন কাশেমের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরদিন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকতে তাকে নির্দেশ এবং হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


এদিকে, শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিচিত এক চিকিৎসকের পরামর্শ নেন তার বাবা। ওই চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে দ্রুত সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। গত ১৮ আগস্ট শিশুটিকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকেরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) নেওয়ার পরামর্শ দেন। ওই দিনই শিশুটিকে ওসিসিতে নেওয়া হয় এবং সেখানে চারদিন ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগীর বাবা।


শিশুটির বাবা জানান, পরে পরিচিত এক আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে মামলা করা হয়। আদালত শিশুটির জবানবন্দি গ্রহণ করে সাভার মডেল থানাকে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপর গত ২৬ আগস্ট থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। তবে, এখনও কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।


মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সামিরুল হাসান বলেন, শিশুটিকে বলাৎকার এবং বলাৎকারে সহায়তার অভিযোগে ছয় শিক্ষার্থী ও চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় পাঁচ শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরাসরি বলাৎকারের অভিযোগ আনা হয়েছে। বাকি চারজনের বিরুদ্ধে বলাৎকারে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।


তিনি বলেন, যেহেতু আদালতের নির্দেশে মামলাটি হয়েছে, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।


তিনি বলেন, ছেলে বাড়িতে এলে তাকে মনমরা হয়ে থাকতে দেখা যেত। সে ঠিকমতো কথা বলত না এবং খাবারও খেত না। আমরা ভেবেছিলাম, হয়তো মাদরাসার পড়ালেখার চাপের কারণে এমনটি করছে। সে মাদরাসায় যেতে চাইতো না। তাই বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেইনি।


এই বাবা জানান, পরে মাদরাসার এক শিক্ষার্থীর অভিভাবকের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন যে, সেখানে শিশু শিক্ষার্থীদের বলাৎকারের অভিযোগ রয়েছে এবং কয়েক দিন আগে এ নিয়ে মাদরাসায় বিচারও হয়েছে। এরপর তিনি ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে যান। গত ১৪ আগস্ট শিশুটি পরিবারের সদস্যদের কাছে তাকে বলাৎকারের শিকার হওয়ার কথা জানায়। 


শিশুটির বাবার অভিযোগ, চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থী তার ছেলেকে বলাৎকার করে। এরপর তিনি মাদরাসার পরিচালক জিয়া বিন কাশেমের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেন। অভিযুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরদিন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকতে তাকে নির্দেশ এবং হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


এদিকে, শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিচিত এক চিকিৎসকের পরামর্শ নেন তার বাবা। ওই চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা করে দ্রুত সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। গত ১৮ আগস্ট শিশুটিকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানকার চিকিৎসকেরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) নেওয়ার পরামর্শ দেন। ওই দিনই শিশুটিকে ওসিসিতে নেওয়া হয় এবং সেখানে চারদিন ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগীর বাবা।


শিশুটির বাবা জানান, পরে পরিচিত এক আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে মামলা করা হয়। আদালত শিশুটির জবানবন্দি গ্রহণ করে সাভার মডেল থানাকে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এরপর গত ২৬ আগস্ট থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়। তবে, এখনও কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।


মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সামিরুল হাসান বলেন, শিশুটিকে বলাৎকার এবং বলাৎকারে সহায়তার অভিযোগে ছয় শিক্ষার্থী ও চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় পাঁচ শিক্ষার্থী ও এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরাসরি বলাৎকারের অভিযোগ আনা হয়েছে। বাকি চারজনের বিরুদ্ধে বলাৎকারে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।


তিনি বলেন, যেহেতু আদালতের নির্দেশে মামলাটি হয়েছে, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।


সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম বলেন, বাদী চাইলে সরাসরি থানায় গিয়ে মামলা করতে পারতেন। সরাসরি থানায় মামলা হলে দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের সুযোগ থাকত। তবে এখন তারা পালিয়ে গেছে। আমরা তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:১০ পিএম

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর স্বজনের গলার দুটি সোনার চেইন চুরির অভিযোগে সিনারা বেগম (৫০) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। পরে তার দেহ তল্লাশি করে চেইন না পাওয়া গেলে এক্সরে পরীক্ষায় তার পেটের ভেতরে সোনার চেইন দুটির অস্তিত্ব শনাক্ত করা হয়।


আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আউটডোরে ডাক্তার দেখানোর সময় এ ঘটনা ঘটে।


আটক সিনারা বেগম সিলেট জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে সদর উপজেলার দাদপুর ইউনিয়ন থেকে চিকিৎসা নিতে আসা বিবি ফাতেমা নামে এক নারীর গলায় থাকা সোনার চেইন দুটি কৌশলে টার্গেট করে একটি চক্র। সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় চক্রের সদস্যরা ধাক্কা দিয়ে তার গলার চেইন দুটি খুলে নেয়। এ সময় চক্রের অন্য সদস্যরা পালিয়ে গেলেও সন্দেহ হওয়ায় সিনারা বেগমকে রোগীর স্বজনরা আটক করে তল্লাশি চালায়।


২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতাল ক্যাম্পের পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ওই নারীকে সুধারাম মডেল থানায় নেওয়া হলে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, সোনার চেইন দুটি গিলে ফেলেছেন। এরপর এক্সরে পরীক্ষার মাধ্যমে তার পেটের ভেতরে চেইন দুটির অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার পেট থেকে সোনার চেইন দুটি বের করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সুধারাম মডেল থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিসুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত নারী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৪৫ পিএম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭’ উদযাপন উপলক্ষে নীলফামারীর ডিমলায় আলোচনা সভা ও দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের সব পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করে দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ২০২৬-২০২৭ আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে এ সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মীর হাসান আল বান্না, উপজেলা প্রকৌশলী মফিজুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বীরেন্দ্রনাথ রায়, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা অধ্যাপক রইসুল আলম চৌধুরী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন, সদস্য গোলাম রব্বানী প্রধান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি রোকনুজ্জামান বকুল এবং ডিমলা থানার ওসি (তদন্ত) দিবাকর অধিকারীসহ অন্যান্য অতিথি।


আলোচনা সভায় বক্তারা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য সাহিত্যকর্ম, দেশপ্রেম, সাম্য, মানবতা ও বিদ্রোহী চেতনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, নজরুলের সাহিত্য ও দর্শন বাঙালির সাংস্কৃতিক ও জাতীয় জীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। তাঁর সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন।


বক্তারা আরও বলেন, নতুন প্রজন্মকে নজরুলের সাহিত্য, সংগীত ও সংস্কৃতিচর্চার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় কবির জীবন, সাহিত্য ও আদর্শ শিক্ষার্থীদের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি তাঁর সৃষ্টিশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার সুযোগ তৈরি করতে হবে।


অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুধীজন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৪০ পিএম

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন বলেন, মাদক কোনো সমাধান নয়; বরং এটি জীবন ধ্বংসের অন্যতম কারণ। একটা ছেলে মাদকে জড়ালে শুধু সে নষ্ট হয় না, তার বাবা-মায়ের স্বপ্ন, তার ভবিষ্যৎ সব শেষ হয়ে যায়। তাই মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে পরিবার থেকে শুরু করে সামাজিকভাবে সবাইকে একযোগে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। গাজীপুরের কালীগঞ্জে দক্ষিণ সোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “মা সমাবেশ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ” এসব বলেন। 


আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে দক্ষিণ সোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয় পরিচালনা এডহক কমিটির জমিদাতা সদস্য মো. আল-আমিন দেওয়ানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেমিন আক্তার। তুমলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবু বকর মিয়ার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবিদা সুলতানা। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ইরশাদ মিয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম রহমান ও তুমলিয়া ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. হামিদুর রহমান। 


উদ্বোধনকালে তুমলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবু বকর মিয়া বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব গড়ে ওঠে। তাই বিদ্যালয়ে খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি সহ সুস্থ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।




সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম রহমান দক্ষিণ সোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার বর্তমান পরিস্থিতি, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং শিক্ষা কার্যক্রম আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। 


উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জেমিন আক্তার বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করেন।


পরিশেষে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, খেলাধুলায় উৎসাহ প্রদান এবং ক্রীড়া কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে তুমলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে দক্ষিণ সোম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান করা হয়। বিতরণ করা ক্রীড়া সামগ্রীর মধ্যে ছিল ফুটবল, ক্রিকেট ব্যাট, বল, স্টাম্পসহ বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার সরঞ্জাম। এসব সামগ্রী পেয়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।


এ সময় বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রুস্তম আলী, ডা. মো. ইয়ামিন খান, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. সেলিম রেজা, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, শিক্ষক মন্ডলী, শতাধিক শিক্ষার্থী অভিভাবক সহ স্থাণীয় অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৪ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৪ এএম


অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৪ পিএম

বিএনপির দুঃসময়ের কান্ডারি ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলামকে সুসময়ে ধানকাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান দলটির স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।


দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন প্রতিকূল সময়ে দলের পাশে থাকার কারণে তৃণমূল পর্যায়ে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলামের একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে বলে দাবি করছেন তাঁর সমর্থকরা। তাদের মতে, দলের কঠিন সময়ে যারা মাঠে থেকে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন, সুসময়ে তাদের মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।


স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রত্যাশা, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ধানকাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের সেবা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।


তাই আগামী দিনে ধানকাটি ইউনিয়নের নেতৃত্বে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলামকে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন তাঁর সমর্থকরা।

সর্বশেষ সব খবর