• প্রকাশ : সোমবার ৩১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৪১ এএম

সেবার আলোয় গড়ব সমাজ এই স্লোগানকে সামনে রেখে পথচলা শুরু করা সামাজিক সংগঠন ‘আলোকিত গাজীপুর’-এর নিজস্ব কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে।


​আজ রোববার (৩০ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১.০০ ঘটিকায় টঙ্গী পূর্ব থানার সামনে অবস্থিত কার্যালয়ে এ উপলক্ষে এক জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। কোরআন তিলাওয়াত করেন মরকুন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব, বিশিষ্ট ওয়ায়েজ হাফেজ মাওলানা মুফতী তানভীর আল মাহমুদী। তিলাওয়াত শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 


সংগঠনের সভাপতি মোঃ মোস্তাকিম খান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, গাজীপুর মহানগরের অন্যতম নেতা সরকার শাহনূর ইসলাম রনি। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন পিনাকল স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা বিভাগ-এর সভাপতি ডাঃ মাহবুব আলম মাহফুজ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক কলিমুল্লাহ ইকবাল।


​‘আলোকিত গাজীপুর’-এর সহ-সভাপতি মোঃ নুরুজ্জামান শেখ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা উপদেষ্টা মোঃ মাসুম রানা। অনুষ্ঠানে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পলাশ সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী শিকদার, প্রচার সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, অর্থ সম্পাদক রাসেল আহমেদ, নির্বাহী সদস্য মো: হানিফ হোসেন ও পাপেল মিয়া। 


এছাড়াও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে সাংবাদিক সুজন সারোয়ার, আল-আমীন হোসেন এবং মোস্তফা মিয়া অনুষ্ঠানে অংশ নেন। অনুষ্ঠানের বক্তারা সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম এবং সমাজের কল্যাণে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। 


তারা বলেন, অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং সমাজ থেকে সব ধরনের অন্ধকার দূর করতে এই সংগঠন অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আলোকিত গাজীপুর’-এর নতুন কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ৩১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:০২ পিএম

সৌদি আরবের তায়েফ শহরে মো. কামরুল জামান (৩৭) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় হামলাকারী এক সৌদি তরুণও নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন।


নিহত কামরুল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবপুর গ্রামের কাজী বাড়ির খোরশেদ আলমের ছেলে। তিনি দুই ছেলের জনক ছিলেন। রোববার (৩০ আগস্ট) স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে তায়েফের হাওয়াইয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।


এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুতুবপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) আবু নাসের চৌধুরী।


স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কামরুল সুপার মার্কেটের ডিউটি শেষ করে বাসায় ফিরছিলেন। পথে দাঁড়িয়ে মুঠোফোনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় হঠাৎ এক সৌদি তরুণ তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। প্রাণ বাঁচাতে কামরুল দৌড়ে কর্মস্থল সুপার মার্কেটের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় সেখানে কর্মরত আরও দুই কর্মী আতঙ্কে পালিয়ে যান। পরে ওই হামলাকারী মার্কেটের ভেতরে ঢুকে কামরুলকে পরপর তিন রাউন্ড গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর হামলাকারী নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন।


ইউপি সদস্য আবু নাসের চৌধুরী আরও বলেন, কামরুলের বাবা পেশায় কৃষক। জীবিকার তাগিদে প্রায় আড়াই বছর আগে সৌদি আরবে যান কামরুল। রোববার বেলা ১১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেন। কামরুলের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে কী কারণে ওই সৌদি তরুণ কামরুলকে গুলি করে হত্যা করেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ৩১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৪৫ এএম

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে (ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভূল্লি উপজেলা) অনুষ্ঠিতব্য উপ-নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। রবিবার (৩০ আগষ্ট) সকালে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক দায়িত্বশীল সমাবেশে দলের পক্ষ থেকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারি সেক্রেটারী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি দেলাওয়ার হোসেনক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আব্দুল হালিম। 


প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা আব্দুল হালিম আরো বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রধান পদ্ধতি হলো নির্বাচন। যেহেতু জামায়াত দেশে গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রাম করছে। তাই আমরা সকল প্রকার নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সে আলোকে ১১ দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে অনুষ্ঠিতব্য উপনির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মজলুম ছাত্রনেতা ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতিসন্তান দেলাওয়ার হোসেনকে জামায়াতের পক্ষে ১১ দলের মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করছি। আমরা আশাকরি জনগণ যদি সঠিকভাবে তাদের ভোট দিতে পারে এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে আমাদের প্রার্থী জয়লাভ করবে ইনশাআল্লাহ। 


জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন প্রধান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারি পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন। জেলা জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি অধ্যক্ষ কফিল উদ্দিন আহাম্মদ এর সঞ্চালনায়, সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, ঠাকুরগাঁওয়ের সাবেক জেলা আমীর মাওলানা আব্দুল হাকিম, দিনাজপুরের সাবেক জেলা আমীর মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম, নীলফামারীর সাবেক জেলা আমীর আব্দুর রশিদ, পঞ্চগড় জেলা আমীর ইকবাল হোসেন, ঠাকুরগাঁও জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলমগীর। এসময় বিভিন্ন উপজেলা, পৌরসভা, ও ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায়, আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। উক্ত জাতীয় নির্বাচনেও জামায়াতের প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করেছিলেন দেলাওয়ার হোসেন। শীঘ্রই এ আসনে নির্বাচনের তফশীল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ৩১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:১৬ এএম

গাজীপুরের টঙ্গীতে পৃথক অভিযানে ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাকর্মীসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে টঙ্গী পশ্চিম থানায় পাঁচজন এবং টঙ্গী পূর্ব থানায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানোর সময় টঙ্গী পূর্ব থানার ভেতরে অপেক্ষমাণ স্বজন ও সমর্থকদের কয়েকজনকে প্রকাশ্যে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, জয় জননেত্রী শেখ হাসিনা’ স্লোগান দিতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।


গতকাল রোববার (৩০ আগস্ট) টঙ্গী পশ্চিম থানায় পাঁচজন এবং টঙ্গী পূর্ব থানায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের গাড়িতে তোলার সময় দেওয়া এসব স্লোগান নিয়ে থানার অভ্যন্তরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ সময় কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। 


তাদের কয়েকজনের দাবি, পরে টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি ও সংশ্লিষ্ট সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) গণমাধ্যমকর্মীদের মোবাইল ফোন থেকে ওই স্লোগানের ভিডিও মুছে দিতে বলেন এবং কয়েকটি ভিডিও মুছে দেওয়া হয়। তবে ভিডিও মুছে দেওয়ার অভিযোগের সুনির্দিষ্ট কারণ এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিষয়টি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। 


টঙ্গী পশ্চিম থানায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- বড় দেওরা এলাকার মন্ডল মার্কেটের বাসিন্দা মো. ফারুক (২৮), শেরপুরের ঝিনাইগাতী এলাকার আলামিন (৩১), নোয়াখালীর মাইজদী এলাকার সাকিবুল হোসেন ওরফে শাকিব (১৯), ঢাকার দোহার এলাকার শিহাব (২৭) এবং নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ এলাকার মিনহাজ মাসুম (২৮)। 


পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফারুক ছাত্রলীগের সদস্য, আলামিন ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য, সাকিবুল হোসেন ৫১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহসভাপতি এবং মিনহাজ মাসুম গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য। গ্রেপ্তার শিহাবের কোনো পদবির তথ্য দেওয়া হয়নি।


অন্যদিকে, টঙ্গী পূর্ব থানার মরকুন মাস্টারপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মতিনকে (৪৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদুল আলম বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী মামলা করা হয়েছে এবং তাদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। 


তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করছে। নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।


পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ সব খবর

সংগৃহীত ছবি

  • প্রকাশ : রবিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৫৩ পিএম

খুলনার পাইকগাছায় এক ভোজ আয়োজনে রান্নার সময় গরুর মাংসের রং বদলে সবুজ হওয়ার ঘটনার ‘সম্ভাব্য’ কারণ বর্ণনা করেছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)।



ল্যাব পরীক্ষার প্রাথমিক ফলাফলের বরাতে সংস্থাটি বলছে, রান্নার সময় উচ্চ তাপের সংস্পর্শে আসার কারণে মাংসের মায়োগ্লোবিন বা হিম-রঞ্জক (এক ধরনের আয়রন ও প্রোটিনযুক্ত উপাদান, যা পেশিকোষে অক্সিজেন জমা রাখে এবং এর জন্য মাংসের লাল বা গোলাপি রঙের দেখায়) পদার্থের রাসায়নিক রূপান্তরের কারণে মাংস সবুজ রঙ ধারণ করেছে।



গত ২৭ অগাস্টের ল্যবরেটরি পরীক্ষার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিএফএসএ। সেখানে বলা হয়, “নমুনায় কোনো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বা পিগমেন্ট উৎপাদনকারী সিউডোমোনাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে মাংসে কোনো পচনশীল দুর্গন্ধ বা আঠালো ভাবও ছিল না। যা নিশ্চিত করে, এই রঙ পরিবর্তন কোনো ব্যাক্টেরিয়াঘটিত বা পচনের কারণে ঘটেনি।”



ল্যাবরেটরি থেকে পাওয়া পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বিএফএসএর খাদ্য বিশ্লেষণ শাখার প্রতিবেদন বলছে, “স্পেক্ট্রোফোটোমেট্রিক পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, ফ্রিজে দীর্ঘক্ষণ সংরক্ষণ এবং পরবর্তী সময়ে রান্নার সময় উচ্চ তাপের সংস্পর্শে আসার কারণে মাংসের মায়োগ্লোবিন বা হিম-রঞ্জক পদার্থের রাসায়নিক রূপান্তর বা গাঠনিক পরিবর্তনের কারণে সবুজ রঙ ধারণ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”


এ বিষয়ে বিএফএসএর খুলনা জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, “আজকেই (রোববার) এ প্রতিবেদন আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে এই নমুনা মাংসগুলো পরীক্ষা করা হয়েছে। আমাদের কাছে পাঠানো প্রতিবেদনে মাংসগুলো সবুজ হওয়ার সম্ভাব্য কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।”



এর আগে গত ২২ জুলাই কুলনার পাইকগাছা পৌরসভার মডার্ন বেকারির কর্মচারীরা কর্মস্থলে একসঙ্গে ভোজের আয়োজন করেন। সেজন্য বাজার থেকে গরুর মাংস কিনে আনেন তারা। তবে রান্নার সময় গরুর মাংসের রং বদলে সবুজ হয়ে যেতে শুরু করে।


এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে রান্না করা মাংসের কড়াই নিয়ে স্থানীয় থানায় হাজির হন রান্নার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।



বেকারির কর্মচারীদের ভাষ্য, তেল-মশলা দিয়ে স্বাভাবিক নিয়মে রান্না শুরুর কিছুক্ষণ পরই মাংসের স্বাভাবিক লালচে রং বদলে নীলচে-সবুজ হতে থাকে। যতই নাড়াচাড়া করা হচ্ছিল, পরিবর্তিত রং ততই গাঢ় হচ্ছিল। বিষয়টি দেখে তারা চুলা থেকে কড়াই নামিয়ে অন্যদের ডাকেন।


পরে রান্না করা মাংসসহ কড়াই নিয়ে প্রথমে যান তারা মাংস বিক্রেতার দোকানে। তিনিও এ ঘটনা দেখে বিস্মিত হন। পরে তারা মাংসসহ কড়াই নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। সেখান তাদের থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলে কড়াইসহ তারা থানায় যান।



সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবুজ মাংসের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ঘটনাটি নিয়ে দেশব্যাপী শুরু হয় আলোচনা। এর প্রেক্ষিতে মাংস সবুজ হয়ে যাওয়ার কারণ জানতে পরীক্ষার জন্য নমুনা ২৬ জুলাই বিএফএসএর ল্যাবে পাঠানো হয়।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৫৬ পিএম

নাকে অক্সিজেনের নল। পাশে সিলিন্ডার। স্পিডবোটে মুমূর্ষু ৮০ বছরের এক বৃদ্ধা শুয়ে আছেন স্বজনদের কোলে। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের ধাক্কায় কখনো ওপরে উঠছে নৌযানটি, আবার আছড়ে পড়ছে নিচে। 


এর মধ্যে মুষলধারে বৃষ্টি। বৃদ্ধাকে সাদা পলিথিনে ঢেকে কোনোরকমে বৃষ্টিতে বাঁচানোর চেষ্টা। এভাবেই গুরুতর অসুস্থ মাকে নিয়ে সন্দ্বীপ থেকে চট্টগ্রামের পথে সাগর পাড়ি দিতে হয়েছে জাহাঙ্গীর কবিরকে।


আজ রোববার সকালে ধারণ করা সেই যাত্রার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সন্দ্বীপভিত্তিক একাধিক ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।


ভিডিওটি দেখে অনেকে বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন জরুরি মুহূর্তে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের নিরাপদে চট্টগ্রামে নেওয়ার ব্যবস্থা নিয়ে।


মুমূর্ষু রওশন আরা বেগম সন্দ্বীপ পৌরসভার তালতলি বাজারসংলগ্ন ছটাই বাড়ির বাসিন্দা। তাঁর ছেলে জাহাঙ্গীর বলেন, তাঁর মা কয়েক বছর ধরে শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। শনিবার সন্ধ্যা থেকে তাঁর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। রোববার সকালে স্থানীয় বেসরকারি হাসপাতাল সন্দ্বীপ মেডিক্যাল সেন্টারে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে দ্রুত চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।


আজ বিকেলে জাহাঙ্গীর বলেন, তাঁর মা এখন চট্টগ্রাম শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে (নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র) ভর্তি আছেন। তাঁর অবস্থা এখন কিছুটা ভালো হলেও আশঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।


পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার দিকে মেডিক্যাল সেন্টার থেকে রওশন আরাকে নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন স্বজনেরা। বেলা দুইটার দিকে চট্টগ্রামের ওই হাসপাতালে পৌঁছান। এর মধ্যে তাঁকে অক্সিজেন দিতে হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে স্বাভাবিক নৌযান চলাচলও ব্যাহত হচ্ছিল।


জাহাঙ্গীর বলেন, জরুরি রোগী পারাপারের জন্য ঘাটে গিয়ে তাঁরা কোনো বিশেষ সহায়তা পাননি। শেষ পর্যন্ত কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে জনপ্রতি ৩০০ টাকা ভাড়ায় একটি স্পিডবোটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন।


ভিডিওতে দেখা যায়, সাগর উত্তালের পাশাপাশি বৃষ্টিও হচ্ছিল। স্পিডবোটে রওশন আরাকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। বৃষ্টি থেকে তাঁকে আড়াল করারও তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না। পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হলেও বাতাসে তা বারবার সরে গিয়ে তিনি বৃষ্টিতে ভিজে যান।


জাহাঙ্গীর বলেন, ‘এমন দুর্ভাগ্য আমাদের, জরুরি চিকিৎসায় পারাপারের ব্যবস্থা নেই। উল্টো জীবনের শঙ্কা নিয়েই রোগী নিয়ে সাগরে ঝাঁপ দিতে হয়।’


পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ বশির আহম্মেদ বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রামসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ সময় সাগর উত্তাল থাকে। ১ সেপ্টেম্বর সকাল পর্যন্ত এই সতর্কসংকেত বহাল থাকবে।


সন্দ্বীপে জরুরি রোগী পারাপারের জন্য দুটি সি-অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে অচল। 


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি সি-অ্যাম্বুলেন্স ২০০৮ সাল থেকে গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে কেওড়াবাগানে স্থলভাগে পড়ে আছে। এক দিনের জন্যও সেটি রোগী পরিবহনে ব্যবহার করা হয়নি।


২০১৫ সালে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের আরও একটি সি-অ্যাম্বুলেন্স সন্দ্বীপে দেওয়া হয়। সেটিও একবারের জন্যও চলাচল করেনি বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। বর্তমানে সেটি হারামিয়া ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল প্রাঙ্গণে পড়ে আছে।


মুমূর্ষু রোগী পারাপারে সি-অ্যাম্বুলেন্স কেন ব্যবহার করা হচ্ছে না জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মানস বিশ্বাস বলেন, ‘ওই দুটি সি-অ্যাম্বুলেন্স অচল হয়ে আছে দীর্ঘদিন ধরে। আমরা নতুন সি-অ্যাম্বুলেন্সের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন জানিয়ে এখনো কোনো সাড়া পাইনি।’

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : রবিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২৭ পিএম
  • আপডেট : রবিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২৭ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


এসপি রুহুল কবীর খান

  • প্রকাশ : রবিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২৭ পিএম

মাদকবিরোধী অভিযান, চাঁদাবাজি, সড়ক অবরোধ, যানজট নিরসন, মোবাইল গেইম- জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির সাধ্যমে সামাজিক আন্দোলনের পথ ধরে চুয়াডাঙ্গার আইন-শৃঙ্খলার আমূল পরিবর্তনে উন্নয়ন ও প্রত্যাশার নতুন ঠিকানা হয়ে উঠেছে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার (এসপি) রুহুল কবীর খান।


বিগত মাসের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে এমন তথ্য উঠে এসেছে,চুয়াডাঙ্গার সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।


২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খানের তত্ত্বাবধানে ও নেতৃত্বে দর্শনা থানাধীন আকন্দবাড়িয়ায় একটি বড় ধরনের মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। "মাদকের আগ্রাসন দৃশ্যমান, প্রতিরোধেই সমাধান", প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত এ সভায় তিনি মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা সদর থানার উদ্যোগেও মাদকবিরোধী বিশেষ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


চলতি পআগস্ট মাসে চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের হাতিকাটায় জেলা পুলিশ এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে একটি বড় অনলাইন জুয়া ও মাদক সিন্ডিকেটের সন্ধান পায়, যেখান থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ চক্রের মূল হোতাদের আটক করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী


আগস্ট মাসের শেষের দিকে (২৮ আগস্ট ২০২৬) পুলিশের দায়ের করা পূর্বের মাদক মামলার শক্তিশালী তদন্ত ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা আদালত এক মাদক ব্যবসায়ীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন, যা পুলিশের অপরাধ দমনে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।


গত ২২ আগস্ট দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় একটি কাভার্ড ভ্যান থেকে ৩৩০ কেজি প্রক্রিয়াজাত করা চুল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পুলিশ সুপার রুহুল কবীর খানের সরাসরি দিকনির্দেশনায় জেলা ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) ও দামুড়হুদা থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে দ্রুততম সময়ে ঘটনার ক্লু উদ্ধার করে এবং লুণ্ঠিত মালামালসহ অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।


আইনশৃঙ্খলা তদারকির অংশ হিসেবে আগস্টের ১৯ তারিখে পুলিশ সুপার আলমডাঙ্গা থানাধীন আসমানখালী পুলিশ ক্যাম্পের বার্ষিক পরিদর্শনের মাধ্যমে গ্রামীণ ও প্রান্তিক পর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশনা দেন।


আগস্টের শেষ সপ্তাহে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ এবং হাটবোয়ালিয়া ক্যাম্প পুলিশ বিশেষ রাত্রিকালীন অভিযান চালিয়ে মাদক, চুরি ও নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইনে একাধিক মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার ও আলামত জব্দ করেছে।


চুয়াডাঙ্গা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ, অপরাধমুক্ত এবং শান্তিময় হিসেবে গড়ে তুলতে এক অভূতপূর্ব সাফল্য দেখিয়ে চলেছেন নবাগত পুলিশ সুপার (এসপি) রুহুল কবির খান। যোগদানের পর থেকেই তিনি মাদক, চাঁদাবাজি, জুয়া ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে এক মাস ধরে জেলাজুড়ে পরিচালিত তার বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নে নেওয়া দূরদর্শী পদক্ষেপগুলো ইতিমধ্যেই সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। তৈরি হয়েছে একটি দুর্বার সামাজিক আন্দোলন এবং উন্নয়ন, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির নতুন ঠিকানা।


চুয়াডাঙ্গাকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে পুলিশ সুপার রুহুল কবির খানের নির্দেশে জেলা পুলিশ দিনরাত সাঁড়াশি অভিযান চালাচ্ছে। গত এক মাসে জেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা ও মাদকপ্রবণ পয়েন্টগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল, ইয়াবা, গাঁজা ও দেশি-বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে চিহ্নিত বেশ কয়েকজন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে।


শুধু মাদকই নয়, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাসা বাঁধা জুয়ার আস্তানাগুলো গুঁড়িয়ে দিচ্ছে পুলিশ। পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের কারণে জেলার কুখ্যাত জুয়াড়িরা এখন এলাকাছাড়া।


তরুণ ও যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে অনলাইন জুয়া এবং ক্ষতিকর মোবাইল গেমের (যেমন- ফ্রি ফায়ার, পাবজি) বিরুদ্ধে অভিনব এক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছেন এসপি রুহুল কবির খান।


বিভিন্ন পার্ক, চায়ের দোকান ও স্কুল-কলেজের আশেপাশে অভিযান চালিয়ে মোবাইল গেমে আসক্ত কিশোরদের আটক করে সচেতন করা হচ্ছে।


আটককৃতদের থানায় এনে শাস্তির বদলে তাদের অভিভাবকদের ডেকে কাউন্সেলিং করা হচ্ছে, যা চুয়াডাঙ্গায় অপরাধ দমনে এক অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।


সাধারণ ব্যবসায়ী এবং পরিবহন খাতের ওপর চেপে বসা চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন নতুন এসপি। মহাসড়ক কিংবা বাজার-কোথাও কোনো ধরনের অবৈধ চাঁদা আদায় বরদাশত করা হচ্ছে না। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে চাটুকার ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।


রুহুল কবির খান চুয়াডাঙ্গায় যোগ দেওয়ার পর থেকেই পুলিশি সেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে বিগত যেকোনো সময়ের চেয়েও দ্রুততর সাথে সাথে । থানায় জিডি বা অভিযোগ করতে এসে এখন আর সাধারণ মানুষকে কোনো হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের বক্তব্য—"বর্তমান এসপি স্যারের কঠোর ও সততারুণ্য পদক্ষেপের কারণে চুয়াডাঙ্গার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন আগের চেয়ে অনেক উন্নত এবং নিরাপদ।"


চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের এই ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করে, সঠিক নেতৃত্ব ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো সমাজকে অপরাধমুক্ত করা সম্ভব। এসপি রুহুল কবির খানের এই সাহসী অভিযান চুয়াডাঙ্গাবাসীর মনে এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।

সর্বশেষ সব খবর