সামাজিক বনায়নের টেন্ডার ঘিরে উঠেছে অনিয়মের অভিযোগ
বরগুনা সদর উপজেলার ধূপতি মনসাতলী এলাকায় সামাজিক বনায়নের গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অনিয়ম, ভুয়া মেজারমেন্ট এবং পরিকল্পিতভাবে গাছের পরিমাণ কম দেখানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় উপকারভোগী, জমির মালিক ও এলাকাবাসীর দাবি বন বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা, বনায়ন সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের যোগসাজশে বিপুল পরিমাণ কাঠ গোপনে লোপাট করা হয়েছে। এতে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে, তেমনি প্রকৃত উপকারভোগীরাও বঞ্চিত হচ্ছেন।
জানা যায়- বরগুনা জেলার খাকধোন নদীর উত্তর পাড় ঘেঁষে মনসাতলী এলাকায় সুধাংশুর বাড়ি থেকে হোসেন শরীফের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকায় ১৯৯৩-৯৪ অর্থবছরে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৪ হাজার ৮০০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়। রেন্ট্রি, মেহগনি, শিশু, চাম্বল, অর্জুন, আকাশমনি, কড়ই, করমজা, খইয়াবাবলা, পিটালি, জাম, খয়ের ও জারুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ নিয়ে গড়ে ওঠে এই বাগান। এ প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসেবে স্থানীয় ৩২ জনকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়, যার সভাপতি মো. আব্দুল আজিজ খান।
প্রচলিত সামাজিক বনায়ন নীতিমালা অনুযায়ী, এসব গাছ বিক্রির অর্থের ৬৫ শতাংশ উপকারভোগীদের পাওয়ার কথা। এছাড়া ১০ শতাংশ এনজিও, ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগার এবং ৫ শতাংশ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের তহবিলে জমা হওয়ার বিধান রয়েছে। তবে টেন্ডার প্রক্রিয়াকে ঘিরে ওঠা অভিযোগে স্থানীয়দের আশঙ্কা। প্রকৃত হিসাব গোপন করে বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। বন বিভাগের প্রস্তুত করা টেন্ডার শিডিউল অনুযায়ী বিক্রয়যোগ্য গাছের সংখ্যা দেখানো হয়েছে ৪৬৭টি, যার মোট কাঠের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৩০৫৫ দশমিক ২৯ ঘনফুট। পাশাপাশি জ্বালানি কাঠ হিসেবে আরও প্রায় ১৪৬৯ ঘনফুট দেখানো হয়েছে। তবে এলাকাবাসীর দাবি, বাস্তবে গাছের সংখ্যা সিডিউলে উল্লেখিত সংখ্যার তুলনায় অন্তত দ্বিগুণ। স্থানীয়দের অভিযোগ, গাছ পরিমাপের সময় প্রতিটি গাছে গড়ে ১০ থেকে ১২ সিএফটি পর্যন্ত কাঠ কম দেখানো হয়েছে। ফলে সহস্রাধিক ঘনফুট কাঠ কম দেখিয়ে সরকারি রাজস্ব ও উপকারভোগীদের প্রাপ্য অংশ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
এছাড়া আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, ৩৭৯ থেকে ৪০৩ নম্বর পর্যন্ত মোট ২৪টি মেহগনি গাছ পরিমাপ করা হলেও সেগুলো কোনো ধরনের টেন্ডার ছাড়াই অপসারণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, জনৈক মামুন খান নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে এসব গাছ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে কীভাবে এবং কার নির্দেশে এ গাছগুলো অপসারণ করা হয়েছে। সে বিষয়ে বনায়ন কমিটির সদস্যরাও স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি। এছাড়া বন বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের অভিযোগ, বিভাগের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বজনরা এই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন। এসব অনিয়মকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। জমির প্রকৃত মালিকদের গাছ টেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় মালিকপক্ষ ও ঠিকাদারদের মধ্যে বিরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় জালাল মোল্লা বলেন, মেজারমেন্টের সময় স্থানীয় মানুষের ব্যক্তিগতভাবে রোপণ করা কিছু গাছেও নম্বর দিয়ে সেগুলোকে সামাজিক বনায়নের আওতায় দেখানো হয়েছে। আবার কেউ কেউ অর্থের বিনিময়ে নিজেদের গাছ তালিকা থেকে বাদ দিতে সক্ষম হয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। যেসব মালিক অর্থ দিতে পারেননি, তাদের গাছ টেন্ডারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার প্রতিবাদে বনায়ন কমিটির সদস্যদের পক্ষ থেকে পূর্ব ধূপতির বাসিন্দা মো. শানু খা বলেন, এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলেও এখনো কোনো প্রতিকার মেলেনি। অভিযোগে টেন্ডার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে গাছের প্রকৃত মেজারমেন্ট পুনঃযাচাই, টেন্ডার ছাড়াই অপসারণ করা ২৪টি মেহগনি গাছের তদন্ত এবং পুরো প্রক্রিয়ার অনিয়ম খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি অর্থ আত্মসাৎ ও উপকারভোগীদের বঞ্চিত করার অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেন তিনি।
এ বিষয়ে বরগুনা বন বিভাগের রেঞ্জ সহকারী মো. হাসান বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ীই গাছ বিক্রির জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে এবং কোনো ধরনের দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতির আশ্রয় নেওয়া হয়নি। তিনি আরও দাবি করেন, একটি মহল টেন্ডার প্রক্রিয়া বন্ধ করার উদ্দেশে বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ দিচ্ছে।
তবে অভিযোগকারীদের দাবি, বন বিভাগের রেঞ্জ সহকারী পরিচয়ধারী মো. হাসানই এই দুর্নীতি ও লুটপাটের মূল পরিকল্পনাকারী। এ বিষয়ে বরগুনা-পটুয়াখালী অঞ্চলের সহকারী বন সংরক্ষক নুরুন্নাহারের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, হতাশা ও বিষণ্নতা মোকাবিলা এবং আত্মহত্যার ঝুঁকি কমাতে প্রতিটি মেডিকেল কলেজে ‘স্টুডেন্ট সাপোর্ট সেন্টার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. রুবিনা ইয়াসমিন। তবে এ উদ্যোগ এখনো অনুমোদন পায়নি।
গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের তারাবো পৌরসভার কর্ণগোপে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মনোরোগ বিভাগ আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক ডা. রুবিনা ইয়াসমিন বলেন, মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা, বিষণ্নতা ও আত্মহত্যার চিন্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় পাঠ্যক্রমের অতিরিক্ত চাপ ও পড়ার বিষয়বস্তুর আধিক্যও মানসিক চাপের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। পাঠ্যক্রম পরিবর্তন সময়সাপেক্ষ হওয়ায় বিদ্যমান ব্যবস্থার মধ্যেই শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করতে ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচি তিন দিনব্যাপী করা হয়েছে। এর একটি দিনে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আলোচনা, সেমিনার ও পোস্টার উপস্থাপনার মতো কার্যক্রম রাখা হচ্ছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি সহপাঠীদের মানসিক অবস্থার প্রতিও সচেতন হতে পারবেন।
প্রতিটি মেডিকেল কলেজে প্রস্তাবিত স্টুডেন্ট সাপোর্ট সেন্টারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ‘ফিজিক্যাল অ্যান্ড মেন্টাল ওয়েলবিং কমিটি’ রাখার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, কমিটি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে এবং মানসিক সমস্যায় পড়লে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেতে ভূমিকা রাখবে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে।
মেডিকেল কলেজগুলোতে বুলিং ও র্যাগিং প্রতিরোধের বিষয়ে অধ্যাপক ডা. রুবিনা ইয়াসমিন বলেন, এসব আচরণ বন্ধে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কমিটি থাকলেও সমস্যা পুরোপুরি দূর হয়েছে বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই। কোনো শিক্ষার্থী যেন সহপাঠীর মানসিক কষ্টের কারণ না হন, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
শিক্ষকদের ভূমিকার বিষয়ে তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষ, ছোট দলে পাঠদান, ব্যবহারিক ক্লাস ও ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থীদের আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। কোনো শিক্ষার্থীকে আগের তুলনায় ভিন্ন আচরণ করতে দেখা গেলে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজের মনোরোগ বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে। আমরা চাই না কোনো মেডিকেল কলেজের কোনো শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করুক। আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে যদি একজন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যাও প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়, সেটিও হবে বড় সাফল্য।
শিক্ষার্থীদের নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি বন্ধু, জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ সহপাঠীদের প্রতি সহমর্মী হওয়ার আহ্বান জানান অধ্যাপক ডা. রুবিনা ইয়াসমিন।
ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. মো. আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. সাদিয়া খান। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন মনোরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ডা. রুবিনা হোসেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নাজনীন সুলতানা, নিউরোডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধিতা সুরক্ষা ট্রাস্ট বোর্ডের সাবেক চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ গোলাম রব্বানী, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথের সাবেক পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টসের (বিএপি) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. ওয়াজিওল আলম চৌধুরী, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফুন নাহার এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) মনোরোগ বিভাগের বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এএইচএম কাজী মোস্তফা কামাল।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উপদেষ্টা ডা. মো. এনায়েত করিম, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. মহবুবা সুলতানা এবং হাসপাতালের পরিচালক মেজর ডা. এ কে এম মাহবুবুল হক (অব.)।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজের পরিচালক মেজর (অব.) ডা. এ কে এম মাহবুবুল হক, মেডিসিন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. স্বপ্না ভট্টাচার্য, গাইনি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. রওশন আরা খানম, সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. মো. আব্দুল মতিন।
‘তরী বাংলাদেশ’ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি
ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র্যালি ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছে নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন ‘তরী বাংলাদেশ’।
গতকাল বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শহরের প্রেসক্লাব চত্বর থেকে র্যালিটি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় পথচারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
কর্মসূচিতে ডেঙ্গু বিস্তার রোধে বাড়ির আঙিনা, আশপাশের নালা-নর্দমা এবং পানি জমে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে- এমন স্থান নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র ও পানির ট্যাংকে জমে থাকা পানি অপসারণের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার আহ্বান জানানো হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। তাই মশার বংশবিস্তার রোধে বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে জ্বর, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, পেশি ও অস্থিসন্ধিতে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি বা রক্তপাতের মতো বিপৎসংকেত দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন।
কর্মসূচিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়। শুধু মশা নিধন নয়, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তি, পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
রংপুর বিভাগে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গত এক বছরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক হাজার ২০০ জন স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর অস্ত্রোপচার হয়েছে। যা সার্জারি বিভাগের মোট অস্ত্রোপচারের মধ্যে সর্বাধিক। অজ্ঞতার কারণে অনেক রোগী হাসপাতালে স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা নিতে আসছে না। চিকিৎসা নিতে দেরী করায় অনেককে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হচ্ছে।
আজবৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রংপুর মেডিকেল কলেজের সার্জারি বিভাগ আয়োজিত ‘স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস’ উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচীতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এ তথ্য দেন। সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন।
সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. শরিফুল ইসলাম নন্তুর সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান, রংপুর মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জহিরুল হক, সার্জারি বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ডা. সৈয়দা শাহনাজ নাসরুল্লাহ ইলোরাসহ সার্জারির মাধ্যমে স্তন ক্যান্সার থেকে সুস্থ্য হওয়া নারীরা।
এতে বক্তারা বলেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জার বিভাগ স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসায় বর্হিবিভাগে একটি ক্লিনিক চালু করেছে। যেখানে স্তনের স্ক্রিনিংসহ চিকিৎসকরা স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। যাদের বয়স ৩০ থেকে ৫০ কিংবা তার বেশি, তাদের স্তনে যদি কোন গুটি, চাকা বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, যা পরবর্তী মাসিক ঋতুচক্র পাড় হওয়ার পরও থেকে যায়। তাহলে স্তন ক্যান্সারের শংঙ্কা থেকে দ্রুত কোন সার্জনের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। বেশির ভাগ রোগী দেরী করে হাসপাতালে আসায় তাদের সুস্থ্য করে তোলা সম্ভব হয় না।
বক্তারা আরও বলেন, স্তন ক্যান্সার হলে মানুষ মারা যায় সমাজে এমন ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। এই ক্যান্সারের চিকিৎসা করে মানুষ সুস্থ্য হয়ে স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারবে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেডিও থেরাপি মেশিন নেই। যদি এই মেশিন চলে আসে তখন স্তন কেটে না ফেলেও স্তন ক্যান্সারের অপারেশন করা সম্ভব হবে। এছাড়া স্তন ক্যান্সার রোগীদের অপারেশনসহ কেমোথেরাপি কার্যক্রম রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চালু রয়েছে।
এরপর একটি র্যালী রংপুর মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এরপর কেককাটাসহ কলেজ অডিটরিয়ামে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
ছবি : সংগৃহীত
দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাজেক সড়কে দ্বিতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু হয়েছে। সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও গণঅধিকার রক্ষা কমিটির ডাকে আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল থেকে সাজেক-দীঘিনালা সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। যদিও প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞায় গত ১২ অক্টোবর হতে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। ফলে বর্তমানে সাজেকে কোনো পর্যটক নেই।
সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র কর্মীদের সাজেক এলাকা থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে অবরোধ কর্মসূচি দেয় সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও গণঅধিকার রক্ষা কমিটি। অবরোধের কারণে বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬ নম্বর সাজেক ইউনিয়নে চলছে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ। খাগড়াছড়ির দীঘিনালার জোড়াব্রিজ সাজেক ভ্যালি ও তার আশেপাশের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে সকাল থেকে কোনো যানবাহন চলতে দেখা যায়নি সড়কগুলোতে।
সকাল থেকে সাজেক-দীঘিনালা সড়কের গঙ্গারাম উঁচাবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করছেন অবরোধকারীরা। সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে তারা।
এদিকে অবরোধের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাজেকের লুসাই, ত্রিপুরা, চাকমা ও মারমা জাতিগোষ্ঠীর অন্তত ৩০ হাজার মানুষ। সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় হাটের দিনেও স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে দেখা গেছে সুনসান নীরবতা। পরিবহন সংকটে জুমের উৎপাদিত ফসল হাটে নিতে পারছেন না জুমচাষীরা।
স্থানীয়রা বলছেন অবরোধ দীর্ঘায়িত হলে সাজেকে খাদ্যসংকট দেখা দেয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। দ্রুত সংকট নিরসনের দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন মহল।
সাজেক থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন জানান, সড়ক অবরোধ চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। অবরোধ ঘিরে কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে বুধবার সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন ব্যানারে দুটি সংগঠন যৌথ বিবৃতিতে সাজেক ইউনিয়নে এ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিল।
এর আগে গত ১১ অক্টোবর থেকে চলে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ। অবরোধে সাজেকে আটকা পড়ে কয়েক হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটক। পরে সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় সাজেক থেকে পর্যটক ফিরিয়ে আনতে গেলে সাজেকের ওজোবাজার আটকে দেয় অবরোধকারীরা। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার আলোচনার পর পর্যটকবাহী নিরাপত্তা স্কটটি ছেড়ে দেয়া হয় এবং সড়ক অবরোধ ৪৮ ঘণ্টার জন্য শিথিল করা হয়।
এরপর বুধবার আবার দ্বিতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধ ডাকা হয়। পরে পর্যটক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দেয় রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসন।
এদিকে, পর্যটনকেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বুধবার খাগড়াছড়ি জেলা শহরে মানববন্ধন করেছে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও শ্রমিক কর্মচারীরা।
সীমান্তের কাছাকাছি ৬৪ মণ্ডপ, বিসর্জন পর্যন্ত থাকবে টহল তৎপরতা। শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পূজাকে কেন্দ্র করে দুই জেলার সীমান্ত এলাকায় মোট ৮৬টি পূজামণ্ডপ চিহ্নিত করেছে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)। এর মধ্যে ৬৪টি মণ্ডপ আন্তর্জাতিক সীমারেখার খুব কাছাকাছি অবস্থিত। পূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিনরাত টহল কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বিজিবি।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যাটালিয়নের দায়ীত্বপূর্ণ দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলার ৯৯ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকায় পূজামণ্ডপগুলোকে নিরাপত্তার আওতায় আনা হয়েছে।
এর মধ্যে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের দুই থেকে তিন কিলোমিটারের মধ্যে ২২টি, দিনাজপুরের বিরল ও বোচাগঞ্জ উপজেলাধীন সীমান্ত এলাকায় ২৩টি এবং ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকায় ৪১টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। বিজিবি জানায়, শারদীয় দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহাবস্থানের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন এই উৎসব। তাই সীমান্তবর্তী এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং পূজারীদের নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ইতোমধ্যে বিজিবির টহল দল সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দায়ীত্বপূর্ণ এলাকার পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় কাজ করছে। প্রতিমা বিসর্জন পর্যন্ত এ তৎপরতা অব্যাহত ও জোরদার থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া পূজামণ্ডপের সংশ্লিষ্ট কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় করছেন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক ও বিজিবির সদস্যরা।
এর মাধ্যমে পূজার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয়দের নিরাপত্তা ও সহযোগীতার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক জানান, সীমান্তের নিরাপত্তা ও মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে বিজিবির প্রতিটি সদস্য নিরলসভাবে কাজ করছেন। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করাও বাহিনীর অন্যতম অগ্রাধীকার।
বিজ্ঞপ্তিতে সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, সীমান্ত বা পূজামণ্ডপ এলাকায় কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি কিংবা তৎপরতা চোখে পড়লে দ্রুত বিজিবিকে জানাতে হবে। স্থানীয় জনগণের সচেতনতা ও সহযোগীতাকে নিরাপত্তা কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে বাহিনী।
উল্লেখ্য, এ বছর ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে বলে বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
‘দৃষ্টি যেখানে সীমিত, সম্ভাবনা সেখানে সীমাহীন'এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের মধ্যে স্মার্ট সাদাছড়ি বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার(১৫ অক্টোবর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১৩০ জন অংশ নেন। এ সময় দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের মধ্যে ১৪টি স্মার্ট সাদাছড়ি বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসন, জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এবং প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ রফিকুল হক। সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আবু তাহের। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলমগীর রহমান, জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফয়সাল আহমদ এবং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ঠাকুরগাঁও প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্রের ফিজিওথেরাপি কনসালট্যান্ট চিকিৎসক আল মানসুর। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিবন্ধী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।