আলহাজ্ব হাতেম খান
আসন্ন ভালুকা পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে উত্তাপ। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপের মধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ও ভালুকা পৌর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব হাতেম খানের নাম।
মাঠপর্যায়ে গণসংযোগ, তৃণমূলের সক্রিয়তা ও অতীত নির্বাচনী অভিজ্ঞতা তাকে সম্ভাব্য শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে সামনে আনছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ইতোমধ্যে মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠলেও স্থানীয়দের মুখে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে হাতেম খানের নাম। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় উপস্থিতির কারণে তিনি আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের মতে, হাতেম খান নিজেকে কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয়, বরং “পৌরবাসীর সেবক” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন সংকটে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে তার একটি মানবিক ইমেজ তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাতেম খানের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো তিনি এর আগেও দুইবার বিএনপির দলীয় প্রতীক “ধানের শীষ” নিয়ে ভালুকা পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, উভয় নির্বাচনেই তিনি জনসমর্থনের দিক থেকে শক্ত অবস্থানে ছিলেন এবং বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত নানা রাজনৈতিক সমীকরণ, অভ্যন্তরীণ বিভাজন ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেননি।
তবে সেই অভিজ্ঞতা তাকে রাজনৈতিকভাবে আরও পরিণত করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। অতীতের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার আরও সুসংগঠিতভাবে মাঠে কাজ করছেন তিনি। তৃণমূলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নিয়মিত জনসম্পৃক্ততার কারণে এবারের নির্বাচনেও তাকে ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আলাদা প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ইতোমধ্যে পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডজুড়ে গণসংযোগ জোরদার করেছেন। ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, ভ্যান ও রিকশাচালক, চা-দোকানীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করছেন। দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে নিজের প্রার্থিতার কথাও তুলে ধরছেন সরাসরি জনসংযোগে।
এছাড়াও তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করছেন, যেখানে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাদের সমস্যা, চাহিদা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন। এসব বৈঠকে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে তার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা রিপন খান বলেন, “মানুষ এখন শুধু রাজনীতি দেখে না, কে বিপদে পাশে থাকে সেটাও দেখে। হাতেম খান সেই জায়গায় এগিয়ে।”
ভালুকা বাজারের ব্যবসায়ী রহমান মিয়া মন্তব্য করেন, “তিনি মানুষের খোঁজখবর নেন এটা ভোটের সময় বড় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।”
পৌরসভার শ্রমজীবী ভোটার আক্কাস আলী বলেন, “আমাদের মতো সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ আছে।”
রাজনৈতিকভাবে হাতেম খান বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু করে বর্তমানে জেলা ও পৌর পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা তার রয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, তৃণমূলের ওপর তার প্রভাব ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে শক্ত অবস্থানে রেখেছে। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন ও জোট-সমীকরণই নির্ধারণ করবে তার নির্বাচনী ভাগ্য।
ভালুকা পৌরসভার এই নির্বাচনে ভোটার সংখ্যাও একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পৌর এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় (২৮৬৩৪) জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার প্রায় (১৩৯৫০) জন এবং নারী ভোটার প্রায় (১৪৬৮৪) জন। নারী-পুরুষ ভোটারের এই ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থিতি নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, এবারের নির্বাচনে নতুন ভোটারদের উপস্থিতিও লক্ষণীয়, যা নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। বিশেষ করে তরুণ ও প্রথমবারের ভোটারদের ভোটের ধরণ কোন দিকে যায়, সেটি প্রার্থীদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত ইমেজ, দলীয় অবস্থান, জাতীয় রাজনীতির প্রভাব এবং স্থানীয় ইস্যুর সমন্বয়েই নির্ধারিত হবে এই নির্বাচনের ফলাফল। তারা বলছেন, জনপ্রিয়তা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও সেটি কতটা ভোটে রূপ নেবে সেটিই এখন দেখার বিষয়।
এদিকে পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি সড়ক উন্নয়ন, কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সুপেয় পানির নিশ্চয়তা, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং স্বচ্ছ প্রশাসন। এসব মৌলিক নাগরিক সমস্যার সমাধানে দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ভোটারদের প্রত্যাশা অনেক বেশি।
এই প্রেক্ষাপটে হাতেম খান উন্নয়ন ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন। তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। সুযোগ পেলে ভালুকাকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও নাগরিকবান্ধব পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
তবে মাঠে অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীরাও সক্রিয় থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনই হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একতরফা কোনো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা কম এমনটাই ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
সব মিলিয়ে, ভালুকা পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে যে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে, সেখানে আলহাজ্ব হাতেম খানের অবস্থান নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে। এখন দেখার বিষয় জনপ্রিয়তা, সংগঠন এবং নির্বাচনী কৌশলের সমন্বয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত কতটা এগিয়ে যেতে পারেন।
তীব্র স্রোতে দৌলতদিয়া ঘাটে এসে ভিড়তে না পেরে কয়েক কিলোমিটার ভাটিতে ভেসে গেছে রো-রো ফেরি ‘হামিদুর রহমান’। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ফেরিতে থাকা যাত্রী ও যানবাহনের চালকরা। ভেসে যাওয়া ফেরিটিতে ৮টি যাত্রীবাহী বাস, ৪টি ট্রাক ও ৩টি প্রাইভেটকার রয়েছে। আজ সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, সকাল পৌনে ১০টার দিকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা রো-রো ফেরি ‘হামিদুর রহমান’ মাঝ নদী পার হলে তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে ত্রুটি দেখা দেয়। পরে ফেরিটি স্রোতে নিচের দিকে যেতে থাকলে সেখানেই নোঙর করা হয়। এরপর রুটে চলাচলকারী অপর রো-রো ফেরি ‘খানজাহান আলী’ গিয়ে ফেরিটিকে উদ্ধার করে।
তীব্র স্রোতের কারণে মাঝে মধ্যে এ রকম ভাটির দিকে ফেরি ভেসে যাওয়ার ঘটনা ঘটে থাকে।
কক্সবাজার সদর উপজেলার হাজীপাড়ায় চট্টগ্রাম কোর্টে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তা শহিদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৯০ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৮৫০ টাকাসহ তার শ্যালক মোমেন মেহেদী আশিক, স্ত্রী সাদিয়া ফারহানা এবং এক সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের বাসিন্দা, তারা ইয়াবাপাচারের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার তার বোন জামাই এসআই শহিদুল্লার বাড়িতে মাদক সহ অবস্থান করে।
ভোর ৬টা থেকে কক্সবাজার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সোমেন মন্ডলের নেতৃত্বে সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের হাজীপাড়ায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে মাদক ও টাকা উদ্ধার এবং গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তীতে তাদেরকে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন।
দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে এসে সুগার মিল ট্রেনিং কমপ্লেক্সের সামনে বৃক্ষরোপন, মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আখচাষীদের সাথে মতবিনিময়, চিনিকল এরিয়ার আখ ক্ষেত পরিদর্শন ও চাষীপ্লটে আখরোপন করেছেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো: শামছুজ্জামান (সুরুজ)।
৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর দুই দিনের সরকারি সফরে এসে এসব কর্মসুচিতে অংশ নেন তিনি। এসময় তাঁর সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফআইসি সচিব মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান।
জানা যায়, ক্রমাগত লোকসানে থাকা সুগার মিলগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে ধারাবাহিকভাবে করপোরেশনের আওতাধীন মিলগুলো পরিদর্শন করছেন সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো: শামছুজ্জামান সুরুজ। এরই ধারাবাহিকতায় দুই দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে এসেছেন তিনি।
সফরের প্রথম দিন ৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে তিনি ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের গেস্ট হাউজে পৌঁছালে তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস্ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবীর এবং জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) মো: আবু রায়হান।
এসময় মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) সাইফুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) নুরুল আমিন, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) সুভাষ চন্দ্র সিংহ, ডিজিএম (সম্প্রসারন) মো: তাজিরুল ইসলাম, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও ব্যবস্থাপক (উৎপাদন) মো: হাসানুজ্জামান, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি ও ঠাচিক শ্রমিক ইউনিয়নরে সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ খাঁন রতন সহ মিলের উর্ধতন কর্মকর্তা, শ্রমিক-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
সফরের দ্বিতীয় দিনে ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের অধিগ্রহনকৃত জমিতে নির্মানাধীন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিএসএফআইসি চেয়ারম্যান। ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ও চিলারং ইউনিয়নের ২জন আখচাষীর প্লটে আখরোপন করেন ও আখচাষীদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। এর আগে তিনি ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের কারখানা বিভাগ সহ অন্যান্য দপ্তর পরিদর্শন করেন।
মিল পরিদর্শনকালে তিনি মিলের দূর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করেন এবং তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধানের আশ্বাস দেন।
তাঁর এ সফর ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস্ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: হুমায়ন কবীর।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর পৃথক পাঁচটি বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর ও পীরগঞ্জ সীমান্ত এবং দিনাজপুরের বিরল সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট, ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসব অভিযানে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় একটি মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও ব্লুটুথ ইয়ারবাডও জব্দ করা হয়।
বিজিবির দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা ৪০ মিনিটে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গোবিন্দপুর বিওপির একটি দল ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার সীমান্ত পিলার ৩৪৫/১-আর থেকে প্রায় এক কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বোটডাঙ্গী ঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ২৬টি ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি মোটরসাইকেল, একটি মোবাইল ফোন, দুটি সিমকার্ড ও একটি ব্লুটুথ ইয়ারবাডসহ মো. শামীম আকতার (২৬) নামে একজনকে আটক করা হয়।
আটক শামীম আকতার ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার রসুলপুর গ্রামের মো. আব্দুল লতিফের ছেলে। পরে তাকে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য মালামালসহ হরিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে চাপসার বিওপির পৃথক অভিযানে হরিপুর উপজেলার সীমান্ত পিলার ৩৪৭/৬-এস থেকে প্রায় ৯০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভাতুরিয়া এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া রাত ৮টা ২০ মিনিটে চান্দুরিয়া বিওপির অভিযানে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত পিলার ৩৩৭/৪-এস থেকে প্রায় এক কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চান্দুরিয়া এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ২৭টি ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পরে রাত ৮টা ৫৫ মিনিটে দিনাজপুর বিওপির আরেকটি অভিযানে পীরগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত পিলার ৩৪০/৩-এস থেকে প্রায় ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দস্তমপুর এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ৫৮টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে বিজিবি।
সবশেষে ৭ সেপ্টেম্বর ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে এনায়েতপুর বিওপির অভিযানে দিনাজপুরের বিরল উপজেলার সীমান্ত পিলার ৩২২/৩-এস থেকে প্রায় এক কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কইকুরি এলাকায় মালিকবিহীন অবস্থায় ৪০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়।
বিজিবি জানায়, এসব অভিযানে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য মালামালের সর্বমোট সিজার মূল্য ১ লাখ ৯০ হাজার ৩০০ টাকা।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত ও কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান, মাদক, মানব ও অস্ত্র পাচারসহ বিভিন্ন আন্তঃসীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আজ এই এলাকার মানুষের জন্য আনন্দের দিন। কারণ, এখন থেকে এই এলাকার মানুষ উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন এবং এ অঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটবে। তরুণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এই এলাকার মানুষ সেই সুযোগ গ্রহণ করবেন এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সত্যিকার অর্থেই একটি সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তুলবেন এটাই আমার প্রত্যাশা।’ তিনি৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল সোয়া ১১ টায় সদর উপজেলার জামালপুর এলাকার আমতলী রেল ঘুন্টির ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে মহেশালী (ভাতার মারি ফার্মে) প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিস্তর স্থাপন করে উপরোক্ত কথা বলেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেব খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেন এবং পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করেন। সেই প্রেক্ষাপটে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো। আমি আশা করি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজাইন ও অবকাঠামোর নকশা তৈরি হবে এবং নির্মাণকাজ শুরু হবে।’রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পর অবশেষে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হলো। এর মধ্য দিয়ে জেলায় উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ তৈরির প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।
দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যাতে বজায় থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। রাষ্ট্রপতির সফর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকে ঘিরে ঠাকুরগাঁওজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। শহরের প্রধান সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও বিভিন্ন স্থাপনা সাজানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানস্থল ও যাতায়াতের পথেও নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা।
ঠাকুরগাঁও শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মহেশালী এলাকায় প্রায় ৮৬ একর জমিতে নির্মিত হতে যাচ্ছে এই বিদ্যাপীঠ। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বোর্ড থেকে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ কোটি ১২ লাখ টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হয় ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে।
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের সময় উপস্থিত ছিলেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালযয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মো. ইসরাফিল শাহিন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বোর্ডের বিভিন্ন কর্মকর্তা, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, জেলা ও পুলিশ প্রশাসন সহ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও সদস্যরা ।
উল্লেখ্য, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এ জেলায় দীর্ঘদিনের উচ্চশিক্ষার দাবির বাস্তবায়ন শুরু হলো। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলে ঠাকুরগাঁওসহ আশপাশের জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য জেলায় যাওয়ার প্রবণতা কমবে এবং এ অঞ্চলে শিক্ষা ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন সবাই।
নাটোরের লালপুরে মহিষের খামারিদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে সড়কের ওপর জমছে গোবর ও বর্জ্য। এতে একদিকে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, অন্যদিকে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে সৃষ্টি হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিলমাড়ীয়া বাজার থেকে কামারের মোড়, কামারের মোড় থেকে মোহরকয়া বাজার ও মোহরকয়া পশ্চিমপাড়া এবং বিলমাড়ীয়া থেকে ভেল্লাবাড়ীয়া সড়কের বিভিন্ন স্থানে রাস্তার ওপর মহিষ পালন ও খামারের বর্জ্য ফেলার কারণে চলাচলের পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।
বিশেষ করে কামারের মোড় থেকে মোহরকয়া বাজার ও পশ্চিমপাড়া অভিমুখী সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় খানাখন্দ, কাদা-পানি ও দুর্গন্ধে নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এর সঙ্গে স্থানীয় খামারগুলোর গোবর, আবর্জনা ও বর্জ্যপানি সড়কের ওপর পড়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বছরজুড়েই সড়কটির বিভিন্ন অংশ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে থাকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামীণ এ সড়কের বিস্তীর্ণ অংশে জমে আছে নোংরা পানি ও প্যাচপ্যাচে কাদা। কোথাও কোথাও চাকার দেবে যাওয়া গর্ত ও গভীর খাদ তৈরি হয়েছে। এসব গর্ত ও কাদা-পানি পার হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারী, বয়োবৃদ্ধ, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় যানবাহনের চালকেরা। সামান্য বৃষ্টি হলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কের দুই পাশে কয়েকজন প্রভাবশালী ও স্থানীয় বাসিন্দার মহিষের খামার রয়েছে। খামারের গোবর, আবর্জনা ও বর্জ্যপানি নিষ্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় তা রাস্তার ওপর চলে আসে। এতে সড়কজুড়ে গোবর ও কাদার মিশ্রণ তৈরি হয় এবং আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে তীব্র দুর্গন্ধ।
এতে স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকায় মশার উপদ্রবসহ পরিবেশগত নানা সমস্যাও দেখা দিয়েছে বলে জানান তারা।
একই অবস্থা বিলমাড়ীয়া থেকে ভেল্লাবাড়ীয়া সড়কের বিভিন্ন অংশেও। স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েকটি মহিষের খামারের কারণে ওই সড়কে দূরপাল্লার যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে না।
এ ছাড়া বিলমাড়ীয়া বাজার থেকে কামারের মোড় পর্যন্ত সড়কের কিছু অংশে সরকারি জায়গা দখল করে মহিষ পালন ও বিভিন্ন স্থাপনা তৈরির অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা। এতে সড়ক সংকুচিত হয়ে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে বলে তাদের দাবি।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইয়াকিন আলী বলেন, “মোহরকয়া গোরস্থান অভিমুখী এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ চলাচল করেন। বিশেষ করে গ্রামের মানুষ বিলমাড়ীয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে নামাজ পড়তে এবং মোহরকয়া কেন্দ্রীয় গোরস্থানে লাশ নিয়ে যাতায়াত করেন। রাস্তার এই অবস্থার কারণে তাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।”
বিলমাড়ীয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের একাধিক মুসল্লি অভিযোগ করেন, মহিষের কারণে মসজিদে যাতায়াত অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। সড়কে থাকা গোবর ও মলমূত্র কাপড়ে লেগে যাওয়ায় ধর্মীয় দিক থেকেও তারা সমস্যায় পড়ছেন বলে জানান।
বিলমাড়ীয়া বাজারের ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বলেন, “রাস্তা দখল করে মহিষ পালন করায় মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে না। দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।”
মোহরকয়া গ্রামের বাসিন্দা রেজাউল বলেন, “গোরস্থানে লাশ নিয়ে যেতে আমরা ভয় পাই। রাস্তা নোংরা, তার ওপর বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, মোহরকয়া কেন্দ্রীয় কবরস্থান, মোহরকয়া ডিগ্রি পাস ও অনার্স কলেজ, মোহরকয়া উচ্চ বিদ্যালয়, বিলমাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়, বিলমাড়ীয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বিলমাড়ীয়া কলেজ, বিলমাড়ীয়া দাখিল মাদ্রাসা, বিলমাড়ীয়া দারুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসা, বিলমাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বাথানবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ দুটি ইউনিয়নের বিপুলসংখ্যক মানুষ এসব সড়ক ব্যবহার করেন।
এ অবস্থায় দ্রুত সড়ক সংস্কার, পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সড়কের ওপর খামারের বর্জ্য ফেলা বন্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল। একই সঙ্গে সরকারি জায়গা দখল করে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হলে তা উচ্ছেদেরও দাবি করেছেন তারা।