নোয়াখালীর সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ১২ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরের দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সোনাপুর লিংক রোডের ইসলামিয়া মাদরাসা মোড় এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তি হলেন মো. আতিকুল্যা আতিক (৫৫)। তিনি নোয়াখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জালিয়াল এলাকার এলাহি বক্স মিয়ার বাড়ির মৃত সামসুদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির এসআই নূরুল আলমের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে আতিককে আটক করে। পরে তার হেফাজত থেকে ১২ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন আরও জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হবে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি বিদায়ী পোস্ট দেওয়ার একদিন পর সাব্বির আহাম্মেদ (২০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল প্রায় ৯টার দিকে উপজেলার বিত্তাগুন খালে একটি মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা ভালুকা মডেল থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত সাব্বির আহাম্মেদ উপজেলার বাশিল এলাকার সুলতান আহমদের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৪ বছর আগে তার বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে তিনি খালার তত্ত্বাবধানে বড় হন।
স্বজনদের ভাষ্য, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি বিদায়ী পোস্ট দেওয়ার পর থেকেই সাব্বির নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন সকালে খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, "মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।"
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। তাই এ মুহূর্তে মৃত্যুর কারণ নিয়ে কোনো ধরনের অনুমান বা মন্তব্য করা সমীচীন নয়।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় একটি পুকুর থেকে ৫০ বছর বয়সী অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মিরাজের পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, সকালে স্থানীয় লোকজন পুকুরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন বলেন, নিহত ব্যক্তির পরনে হালকা গোলাপি রঙের ফুলহাতা শার্ট ও নীল-খয়েরি রঙের লুঙ্গি ছিল। শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে দীর্ঘ সময় পানিতে থাকায় হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানের চামড়া আংশিক খসে গেছে।
তিনি আরও জানান, মরদেহের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
বান্দরবানের রুমা উপজেলার কেওক্রাডং পাহাড়ের খাদ থেকে দুই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে রুমা-কেওক্রাডং সড়কের বগালেক ভিউ পয়েন্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানান রুমা থানার ওসি মানস বড়ুয়া।
নিহতরা হলেন, ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার মানিকারহাট বড় মানিকা এলাকার জহির উদ্দিনের ছেলে জামির উদ্দিন (৩২) এবং ঢাকার লালবাগ থানার পোস্তা টিএসও এলাকার মো. চুন্নু গাজীর মেয়ে রোকাইয়া আক্তার (৩০)।
পর্যটক গাইডের বরাত দিয়ে ওসি মানস বড়ুয়া বলেন, বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ছয়টি মোটরসাইকেলে ১০ জন পর্যটক ঢাকা থেকে বান্দরবানের উদ্দেশে রওনা হন। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তারা রুমা উপজেলায় পৌঁছে বগালেক এলাকায় একটি কটেজে রাত্রিযাপনের জন্য ওঠেন।
“বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ওই পর্যটকরা বগালেক ভিউ পয়েন্টে ঘুরতে যান। সেখানে ছবি তোলা শেষে আটজন ফিরে এলেও জামির উদ্দিন ও রোকাইয়া আক্তার গাইডের নিষেধ অমান্য করে মোটরসাইকেলে ভিউ পয়েন্ট অতিক্রম করে সামনের দিকে চলে যান।”
ওসি আরও বলেন, সঙ্গে থাকা গাইড মো. ইসমাইল সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিষয়টি বগালেক আর্মি ক্যাম্পে জানান।
পরে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে শুরু হওয়া তল্লাশি অভিযানে রাত প্রায় ১১টার দিকে ভিউ পয়েন্ট সংলগ্ন খাদ থেকে ওই দুই পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওসি আরও বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ছবি : সংগৃহীত
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য বরাদ্দ দেয়া আটা আত্মসাতের অভিযোগে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) তাদের বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয় এবং বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) তাদের কালাই উপজেলা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- কালাই উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হুমায়ূন আহম্মেদ, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মো. মাহমুদুন্নবী সরকার ও সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক আব্দুল মোমিন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর নির্বাচনি এলাকার অন্তর্ভুক্ত আক্কেলপুর, কালাই ও ক্ষেতলালে বিশেষ ওএমএস কার্যক্রমের আওতায় চাল ও আটা বিক্রি শুরু হয়। এই তিন উপজেলায় প্রতিদিন ২ টন আটা (৪০ বস্তা) ও ২ টন চাল বরাদ্দ ছিল। একজন সুবিধাভোগীর ২৭০ টাকায় ৫ কেজি আটা ও ৫ কেজি চাল কিনতে পারবেন।
তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিদিন ৪০ বস্তা আটা বরাদ্দের বিপরীতে বিক্রয় কেন্দ্রে মাত্র ২০ বস্তা আটা রাখা হতো। বাকি ২০ বস্তা আটার কোনো হদিস পাওয়া যেত না। ফলে অনেক সুবিধাভোগী চাল পেলেও আটা ছাড়াই বাড়ি ফিরতেন।
গত ২৭ জুলাই (সোমবার) সকালে বিক্রয়কেন্দ্রে গিয়ে স্থানীয়রা ৪০ বস্তার জায়গায় ২০ বস্তা আটা দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ শুরু করেন।
এ বিষয়ে জানতে কয়েকজন সাংবাদিক উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদের সঙ্গে কথা বলতে যায়। তাদের গোপনে ধারণ করা একটি ভিডিওতে খাদ্য কর্মকর্তা বলেন, 'এত কথা কওয়া লাগবে ক্যা, কয় টন বরাদ্দ, এতদিন পর আচ্ছেন। সবাই মিলেমিশে খাই। এখানে তেমন কিছু নাই। যা হবে ভাই-ব্রাদার মানুষ, সবাই মিলে মিশে খামু। আর আপনারা যদি কন বন্ধ করে দিতে, কালকে থেকে বন্ধ করে দিমু।'
ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আটা সরবরাহের দায়িত্বে রয়েছেন সাদিয়া ফ্লাওয়ার মিলস। এই মিলের ব্যবস্থাপক জহুরুল ইসলাম জানান, তারা নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিন ৪০ বস্তা করেই আটা সরবরাহ করেছেন। সপ্তাহে পাঁচ দিন এ কার্যক্রম চলে। বিক্রির আগের দিন মিল থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আটা বিক্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হয়। কালাই উপজেলা সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক আব্দুল মোমিন ৪০ বস্তা আটা বুঝে নিয়ে প্রাপ্তিস্বীকারপত্রে স্বাক্ষর করেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদকে কালাই কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। তাকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।
জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ জানান, ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং তিন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বরগুনা সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া-আদাবাড়িয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে চোরাই স্বর্ণালঙ্কার, নগদ অর্থ ও একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় দুই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা, পিপিএম-সেবা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৯ জুলাই সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া-আদাবাড়িয়া এলাকার একটি পরিত্যক্ত ঘরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় মো. খাদিজা ও মোছা. মরিয়ম নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।অভিযানে নগদ ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা, ৬ ভরি ১১ আনা ৫ রতি স্বর্ণালঙ্কার এবং একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৪ লাখ ১১ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা বলেন, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং চুরি, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এই অভিযানে চোরাই মালামাল উদ্ধার এবং দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার ও আরও চোরাই মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় বরগুনা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
টাঙ্গাইলের ডিসি লেক'কে নিয়ে অনেক পরিকল্পনা আছে এই লেকে মাছ চাষ করা হবে, যার সুফল পাবে জনগণ। এছাড়াও উন্নত মানের মিনি পর্যটন কেন্দ্র করার ঘোষণা দিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তা পালন করার চেষ্টা করবো। চরাঞ্চলে যমুনা তীরবর্তী এলাকায় একটি বৃহৎ পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে যাহার কার্যক্রম ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। পর্যটন চেয়ারম্যান ইতোমধ্যে এলাকা পরিদর্শন করে গেছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সফল না হই আমরা কাজ করে যাবো। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে ইনশাল্লাহ।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে ডিসি লেকের কচুরিপানা পরিস্কার কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু'সহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।