পারভেজ হোসেন ইমন।

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ১১:২৪ পিএম

এমনিতে ওপেনার হলেও পারভেজ হোসেন ইমন এবারের বিপিএল শুরু করেছিলেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবে। তার পারফরম্যান্সও ছিল বেশ উজ্জ্বল। পরে তাকে তুলে আনা হয় তাকে ওপেনিংয়েই। সহজাত ব্যাটিং পজিশনেও খুব একটা খারাপ করেননি। ধারাবাহিক পথচলার শেষে আসরের সবচেয়ে বেশি রান এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানেরই।


বিপিএলের গত আসরে চারশর বেশি রান করেছিলেন চার জন ব্যাটসম্যান। যাদের একজন ছুঁয়েছিলেন পাঁচশর ঠিকানা। এবার চারশ রান করতে পারেননি কেউ। কাছাকাছি যেতে পেরেছেন কেবল পারভেজ। তার মতো তিনশ বা এর বেশি রান করেছেন আরও চার জন। রানের তালিকায় সেরা পাঁচে আছেন তাওহিদ হৃদয়, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত ও দাভিদ মালান।


পারভেজ হোসেন ইমন- ১২ ইনিংসে ৩৯৫ রান


বিপিএলের নিলামে এবার পারভেজকে ৩৫ লাখ টাকায় দলে নেয় সিলেট টাইটান্স। এমনিতে সহজাত টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান তিনি। ওপেনারই তার মূল পরিচয়। তবে এবারের আসরে প্রথম পাঁচটি ম্যাচে তাকে খেলানো হয় চার নম্বরে।


শুরুটাও তিনি করেন দারুণ। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ৫টি ছক্কা ও ৪টি চারে ৩৩ বলে অপরাজিত ৬৫ রানের ইনিংস দিয়ে শুরু করেন আসর। পরের ম্যাচে আরেকটি ফিফটি করেন নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে (৪১ বলে ৬০)। তৃতীয় ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে করেন ৩২ বলে ৪৪।


পাঁচ ম্যাচ চার নম্বরে খেলে ৫০.২৫ গড় ও ১৩৬.৭৩ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেন ২০১।


নোয়াখালীর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাকে তুলে আনা হয় ওপেনিংয়ে। তবে এখানে ব্যর্থ হন তিনি প্রথম দুই ম্যাচে ( ১ ও ২)। পরে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ৩টি করে চার ও ছক্কায় ৪১ বলে অপরাজিত ৫২ রানের ইনিংস খেলে দলের জয়ে অবদান রাখেন ২৩ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান।


দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজশাহীর বিপক্ষে হেরে বিদায় নেয় তার দল সিলেট। ওই ম্যাচে রান তাড়ায় পারভেজের ব্যাটে আসে ৩৪ বলে ৪৮ রানের ইনিংস।


সব মিলিয়ে ১২ ইনিংসে ৩৯.৫০ গড় ও ১৩২.৯৯ স্ট্রাইক রেটে তার রান ৩৯৫।


আসরের সেরা ব্যাটসম্যানের পুরস্কার তিনি পেয়েছেন। যদিও তার দল ফাইনালে ছিল না বলে তিনিও ছিলেন না মঞ্চে। তার হয়ে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন সেরা বোলারের স্বীকৃতি পাওয়া শরিফুল ইসলাম।


তাওহীদ হৃদয়।
তাওহিদ হৃদয়- ১১ ইনিংসে ৩৮২ রান


পারভেজের খুব কাছেই আছেন হৃদয়। এলিমিনেটর ম্যাচে হেরে বিদায় নেওয়া রংপুর রাইডার্সের হয়ে ১১ ইনিংসে ৩৮.২০ গড় ও ১৩৭.৯০ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেন ৩৮২ রান।


আসরের শুরুটা হৃদয়ের মোটেও ভালো ছিল না। প্রথম ছয় ম্যাচে তিন ও চার নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ফিফটি করতে পারেন কেবল একটি। ওই ছয় ম্যাচে ১৭.৬৬ গড় ১০৯.২৭ স্ট্রাইক রেটে তার রান ছিল কেবল ১০৬।


এরপরই তাকে তুলে আনা হয় ওপেনিংয়ে। তাতে বদলে যায় তার ব্যাটিংও। প্রথম ম্যাচেই রাজশাহীর বিপক্ষে ৮ চার ও ৬ ছক্কায় খেলেন ৫৬ বলে ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস। পরের ম্যাচে ভালো করতে না পারলেও ঢাকার বিপক্ষে করেন ৪৬ বলে ৬২।


আরও বিধ্বংসী রূপে দেখা দেন তিনি পরের ম্যাচে। নোয়াখালীর বিপক্ষে ১৭৪ রান তাড়ায় ১৫ চার ও ২ ছক্কায় উপহার দেন ৬৩ বলে ১০৯ রানের ইনিংস।


এলিমিনেটর ম্যাচে অবশ্য ৪ রানের বেশি তিনি করতে পারেননি।



তানজিদ হাসান।
তানজিদ হাসান- ১৩ ইনিংসে ৩৫৬ রান


গত আসরে ১২ ইনিংসে ৪৮৫ রান করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তানজিদ। এবার অতটা ভালো তিনি করতে পারেননি। ১৩ ইনিংসে ২৭.৩৮ গড় ও ১৩৬.৯০ স্ট্রাইক রেটে ৩৫৬ রান করে তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার ২৫ বছর বয়সী ওপেনার।


নিজের সেরাটা উপহার দেন তিনি সবচেয়ে বড় ম্যাচে। ফাইনালে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে রাজশাহীর শিরোপা জয়ের নায়ক তিনিই। এ দিন ৭ ছক্কা ও ৬ চারে তিনি খেলেন ৬২ বলে ১০০ রানের ইনিংস।


বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে বিপিএলে তিনটি সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন তিনি।


এবার নিলামের আগেই সরাসরি চুক্তিতে তাকে দলে নেয় রাজশাহী। কিন্তু শুরুতে দলের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। প্রথম সাত ইনিংসে ছুঁতে পারেননি ৩০, তিনটিতে আউট হন তিনি দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগে। অষ্টম ম্যাচে ৪৩ বলে ৭৬ রানের ইনিংস খেলেন ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে।


পরের দুই ম্যাচে আবার তিনি আউট হয়ে যায় দুই অঙ্ক ছোঁয়ার আগে। প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলেন ৪১ রানের মন্থর ইনিংস। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে শুরুটা ভালো করলেও ইনিংস টেনে নিতে পারেননি (১৫ বলে ৩২)।


তবে ফাইনালে নিজের সেরাটা মেলে ধরে দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে দলকে শিরোপা জেতালেন তিনি।


নাজমুল হোসেন শান্ত- ১৩ ইনিংসে ৩৫৫ রান


রানের তালিকায় তানজিদের ঠিক পরেই আছেন তার দলের অধিনায়ক শান্ত। ১৩ ইনিংসে ২৯.৯৮ গড় ও ১৩৫.৪৯ স্ট্রাইক রেটে ৩৫৫ রান করেছেন রাজশাহীর শিরোপা জয়ী অধিনায়ক।


১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিতে এবারের আসর শুরু করেন শান্ত। সিলেটের বিপক্ষে ১০ চার ও ৫ ছক্কা খেলেন ৬০ বলে অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংস। পরের ম্যাচে ঢাকার বিপক্ষে করেন ২৮ বলে ৩৭। পরের দুই ম্যাচে ২৪ ও ৪১।


এরপর দুই ম্যাচে অল্পে আউট হয়ে যান তিনি। তবে রংপুরের বিপক্ষে খেলেন ৪২ বলে ৭৬ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস।


ছয় শেষ ইনিংসে অবশ্য তিনি ত্রিশ ছুঁতে পারেন মাত্র একবার। ফাইনালে ৭ বলে ১১ রানে অপরাজিত রয়ে যান বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক।


দাভিদ মালান- ৯ ইনিংসে ৩০০


দেশি-বিদেশি ক্রিকেটার আর শক্তি সামর্থ্যে অন্য সব দলের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকা রংপুর রাইডার্সের হয়ে এবার ৯ ইনিংসে ৩৭.৫০ গড় ও ১১২.৩৫ স্ট্রাইক রেটে ৩০০ রান করেন মালান।


ইংলিশ ব্যাটসম্যান প্রথম দুই ম্যাচেই করেন কার্যকর ফিফটি। প্রথম পাঁচ ম্যাচের চারটিতেই তিনি স্পর্শ করেন ত্রিশ। ষষ্ঠ ম্যাচে আউট হয়ে যান অল্পতে। পরের ম্যাচে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় খেলেন ৪৯ বলে ৭৮ রানের ইনিংস।


তবে শেষ দুই ম্যাচে তিনি ভালো করতে পারেননি। বিশেষ করে এলিমিনেটর ম্যাচে আউট হয়ে যান কেবল ৪ রানে।



সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৪ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৪ এএম


বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল

  • প্রকাশ : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৪ পিএম

এশিয়া কাপের প্রথম দুই ম্যাচে একাদশে ছিলেন শারমিন আক্তার সুপ্তা আর রাবেয়া খান। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তাদের ওপর ভরসা করেছিল টাইগ্রেসরা। সেই ভরসার প্রতিদান দিলেন দুজনই। একজন দায়িত্ব নিলেন ব্যাটিংয়ে। আরেকজন ছড়ি ঘুরালেন বলহাতে। তাদের দারুণ নেপূণ্যেই সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল বাংলাদেশ।


মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) নারী এশিয়া কাপের ‘বি’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রান করেছিল। জবাব দিতে নেমে ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে মোটে ৬৯ রান করতে পেরেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। টাইগ্রেসরা জয় পেয়েছে ৩৪ রানের।


‘বি’ গ্রুপ থেকে তিন ম্যাচের সবগুলো জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। আর সমান ম্যাচে ২ জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে গেল বাংলাদেশ। যেখানে আগে থেকেই নিগার সুলতানা জ্যোতিদের জন্য অপেক্ষা করছে ভারত।


আগের দুই ম্যাচের মতো আরব আমিরাতের বিপক্ষেও ব্যাটিংটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ব্যর্থ হয়েছেন টপঅর্ডার ব্যাটাররা। এরপর নিজের কাধে দায়িত্ব তুলে নেন চলমান এশিয়া কাপে প্রথমবার একাদশে জায়গা পাওয়া শারমিন আক্তার সুপ্তা। তার ৩১ বলে ৪৮ রানের ইনিংসে ভর করেই লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।


স্বল্প রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আরব আমিরাতের শুরুটা ভালো হয়নি। টাইগ্রেস পেসার মারুফা আক্তারের তোপের মুখে পড়ে স্বাতিকরা। ১৩ রানের মধ্যেই টপঅর্ডারের দুই ব্যাটারকে ফেরত পাঠান তিনি। ওপেনার ঈশা ওজা (৪ বলে ২) আর তিন নম্বরে নামা সামাইরা ধারনিধারকা (১৯ বলে ৮) ফিরে যান মারুফার শিকার হয়ে।


এরপরই নিজের স্পিন ঘূর্ণিতে স্বাগতিক ব্যাটারদের চোখে সরষে ফুল দেখান প্রথমবার একাদশে সুযোগ পাওয়া রাবেয়া খান। এই লেগস্পিনারের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি আরব আমিরাতের কোনো ব্যাটার। মিডল অর্ডারের দুই ব্যাটার রিনিথা রাজিথ (১২ বলে ৫) আর হেনা হটচান্দানিকে (১৯ বলে ১৮) ফিরিয়ে কোমড় ভেঙে দেন আরব আমিরাতের ব্যাটিং লাইনের। পরে ধরেন আরও এক শিকার।


আরবে আমিরাতের পুরো ইনিংসে মাত্র দুজন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পোঁছাতে পেরেছেন। বাংলাদেশের বোলারদের তোপের মুখে বাকিরা সবাই ফিরেছেন সিঙ্গেল ডিজিটেই। থেমেছে ৬৯ রানেই।


বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট পেয়েছেন রাবেয়া খান। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মারুফা আক্তার আর নাহিদা আক্তার। একটি করে উইকেট গেছে সুলতানা খাতুন আর ফাহিমা খাতুনের ঝুঁলিতে।


এর আগে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। শুরুটা প্রত্যাশা মতো না হলেও শেষদিকে শারমিন আক্তারের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে একশ পেরোয় বাংলাদেশ।


বাংলাদেশের ইনিংসে সবচেয়ে কার্যকর ব্যাটিং করেছেন শারমিন আক্তার। ৩১ বলে ৩৮ রান করে দলের ইনিংসের ভিত গড়ে দেন তিনি। শারমিন আক্তার ১৮.৫ ওভারে ৯৭ রানের মাথায় আউট হন। তার বিদায়ের পর শেষ দিকে নাহিদা আক্তার ও রাবেয়া খান মিলে ইনিংস শেষ করেন। নাহিদা আক্তার অপরাজিত থাকেন ২৬ বলে ১৬ রান করে। অন্য প্রান্তে রাবেয়া খান ৪ বলে করেন ৩ রান।


শেষ পাঁচ ওভারে বাংলাদেশ যোগ করেছে ৩৩ রান, যেখানে হারিয়েছে মাত্র একটি উইকেট। ফলে শেষ দিকে কিছুটা গতি পেয়ে ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০৩ রান।


আমিরাতের বোলারদের মধ্যে জানানি থিরুক্কুমারান সবচেয়ে সফল। ১ ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে তিনি নিয়েছেন ১ উইকেট। হিনা হটচান্দানির ৪ ওভারে এসেছে ১৯ রান, তবে কোনো উইকেট পাননি।

সর্বশেষ সব খবর

লামিনে ইয়ামাল

  • প্রকাশ : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৬ পিএম

স্বপ্নের মতো একটি বছর কেটেছে লামিনে ইয়ামালের। টিনএজ এ ফুটবলার কদিন আগে স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছেন, বার্সেলোনাকে জিতিয়েছেন লা লিগা। এ দুই অর্জনের জন্য ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। এর পরও তাঁর একটি স্বপ্ন নাকি এখনও অপূর্ণ। সেটা হলো ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদার টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা। আজ ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে ডাচ ক্লাব ফেনুয়ার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে সেই স্বপ্ন ছোঁয়ার অভিযান শুরু করবেন ইয়ামাল। 


আসরের টানা দুবারের চ্যাম্পিয়ন পিএসজিও আজ মাঠে নামছে। ঘরের মাঠে আজ তাদের প্রতিপক্ষ দুর্বল স্লোভান ব্রাতিস্লাভা। গতবারের ফাইনালিস্ট আর্সেনালও শুরু করছে আজ। ইতালির ক্লাব নাপোলির বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু করবে মিকেল আর্তেতার দল। আজ রাতের বিগ ম্যাচটা হবে অ্যানফিল্ডে। স্বাগতিক লিভারপুলের মুখোমুখি হবে স্প্যানিশ জায়ান্ট অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। 


বার্সা সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিল ১১ বছর আগে। ২০১৫ সালে লিওনেল মেসি, নেইমার ও লুইস সুয়ারেজ– এই ত্রয়ীর নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল তারা। বর্তমান কোচ হ্যান্সি ফ্লিকের অধীনে ২০২৫ সালে সেমিফাইনাল ও গত বছর কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা। এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগকে ‘ভেরি স্পেশাল’ মর্যাদা দিয়েছেন ইয়ামাল। ১৯ বছর বয়সী এ তারকা এই ট্রফি জিততে মরিয়া চেষ্টা করবেন বলেও দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন, ‘এই বছর জাতীয় দল ও ক্লাবের হয়ে যা কিছু করেছি তার জন্য ভীষণ গর্বিত। আমরা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছি, ক্লাবের হয়ে লা লিগা জিতেছি। এর চেয়ে বেশি কিছু আসলে চাওয়ার নেই।’ এরপরই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন তিনি, ‘এই মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগটা আমার কাছে ভেরি স্পেশাল। সবকিছু জেতা হয়েছে। শুধু এটাই বাকি।’ এ কথাতেই বোঝা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ নিয়ে কতটা সিরিয়াস এ টিনএজার।


বার্সার কোচও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে মরিয়া, ‘প্রতিটি বড় ক্লাব এই ট্রফি নিয়ে স্বপ্ন দেখে। কারণ এটাই সেরা টুর্নামেন্ট। এই ট্রফি জেতার সামর্থ্য আমাদের আছে। তবে অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে।’ ইয়ামালেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন এই জার্মান কোচ। এই স্প্যানিশ মাঠে সময়টা ভীষণ উপভোগ করছেন বলেও জানান তিনি, ‘লামিনে হলো এমন একজন ফুটবলার, যে কিনা মুহূর্তের মধ্যে একটি ম্যাচ নির্ধারণ করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এটা দুর্দান্ত বিষয়। প্রতিদিন আপনি দেখতে পাবেন সে মাঠে কতটা উপভোগ করছে ফুটবল। আমার জন্য তাকে এভাবে দেখতে পারাটাই সবচেয়ে আনন্দের বিষয়।’ 


লিভারপুল-অ্যাথ. মাদ্রিদ

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আজ সবচেয়ে জমজমাট লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা অ্যানফিল্ডে। আন্দোনি ইরাওলার অধীনে আজ প্রথম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলতে নামছে লিভারপুল। তাদের প্রতিপক্ষ অভিজ্ঞ দিয়াগো সিমিওনির অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। ঘরোয়া লিগে দুই দল এখনও সেরা ছন্দে পৌঁছাতে পারেনি। প্রিমিয়ার লিগে সর্বশেষ ম্যাচে লিভারপুল ২-০ গোলে জিতলেও আগের দুই ম্যাচে ড্র করেছে। 


আর আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার হুলিয়ান আলভারেজের দলবদল নিয়ে তিক্ত সময় পার করা অ্যাথলেটিকো তো লা লিগায় গত শনিবার অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে। দুই দলের পরিসংখ্যানে অবশ্য এগিয়ে লিভারপুল। সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচে তিনটি জিতেছে লিভারপুল ও দুটি জিতেছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। তবে আজ ম্যাচ অ্যানফিল্ডে বলেই কিছুটা হলেও এগিয়ে থাকবে অলরেডরা।

সর্বশেষ সব খবর

সিটির জয়ে দুটি গোলই করেছেন আর্লিং হলান্ড

  • প্রকাশ : বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৯ পিএম

চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুম। নতুন কোচের অধীনে ম্যানচেস্টার সিটিরও নতুন শুরু। তবে পোর্তোর বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে নায়ক সেই পুরোনো একজনই। আর্লিং হলান্ড।


নতুন মৌসুমে সিটির দায়িত্ব নিয়েছেন এনজো মারেসকা। পেপ গার্দিওলার দীর্ঘ অধ্যায়ের পর তাঁর সামনে কাজটা কঠিনই। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচে সেই চাপের ছাপ খুব একটা দেখা গেল না। পোর্তোর মাঠে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখিয়েছে সিটি। আর শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দিয়েছেন হলান্ড। তবে প্রথমার্ধে তাঁকে আটকে রেখেছিলেন পোর্তো গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা। একবার দুর্দান্ত ঝাঁপিয়ে হলান্ডের শক্তিশালী হেড ফিরিয়েছেন । পরে আবারও নরওয়েজিয়ান স্ট্রাইকারকে হতাশ করেছেন জোড়া সেভে। প্রথম ৪৫ মিনিটে গোল না পেলেও সিটি তখনই বুঝিয়ে দিয়েছিল, পোর্তোর দুর্গে ধাক্কা আসছে।


বিরতির পর আর অপেক্ষা করতে হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এনজো ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে হলান্ডের হেড। খুব জোরালো ছিল না শটটি, কিন্তু কস্তাকে ভুল পায়ে ফেলে বল গড়িয়ে গেল নিচের কোণায়। ১-০।


গোল খেয়ে যেন ঘুম ভাঙল পোর্তোর। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা ফিরে পেতে শুরু করে স্বাগতিকেরা। উল্টো সিটির রক্ষণেও দেখা দেয় অস্বস্তি। একবার জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা গোল ছেড়ে বেরিয়ে এসে পেপেকে ফেলে দিয়েছিলেন। অফসাইড না থাকলে সেটি পোর্তোর পেনাল্টি হতে পারত। পরে তাঁর একটি ক্লিয়ারেন্স উইলিয়াম গোমেসের গায়ে লেগে অল্পের জন্য গোল হয়নি।


তবু শেষ পর্যন্ত পোর্তোর সব চেষ্টা ব্যর্থ। কারণ রাতটা ছিল হলান্ডের।


যোগ করা সময়ের গভীরে রায়ান আইত নুরির ক্রস পেয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠালেন তিনি। ২-০। সেই সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৫৯ ম্যাচে হলান্ডের গোলও হয়ে গেল ৫৯টি।


চ্যাম্পিয়নস লিগে দ্রুততম ২০, ৩০, ৪০ ও ৫০ গোলের রেকর্ড আগেই নিজের করে নিয়েছেন তিনি। এবার তাঁর সামনে দ্রুততম ৬০ গোলের রেকর্ড গড়ার হাতছানি। যে জায়গায় পৌঁছাতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির লেগেছিল অনেক বেশি ম্যাচ, সেখানে হলান্ড ছুটছেন নিজের গতিতে।


সিটির হয়ে এটিই ছিল তাঁর ১৬৭তম গোল। ক্লাবটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় উঠে গেলেন তৃতীয় স্থানে।


ম্যাচ শেষে হলান্ড বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় মঞ্চে আমাদের ওপর চাপ থাকে। আমাদের কাজ ছিল সেটা সামলে নিজেদের দায়িত্ব পালন করা। আজ আমরা সেটাই করেছি।’


আর চ্যাম্পিয়নস লিগে জয়ের গুরুত্ব বোঝাতে তাঁর উপলব্ধি, ‘এই ম্যাচগুলো আপনাকে জিততেই হবে। না হলে হঠাৎ করেই সব চাপ আপনার ওপর চলে আসে। তারপর কী হবে, কেউ জানে না।’

সর্বশেষ সব খবর

ইমরান খান ও ওয়াসিম আকরাম

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০৫ পিএম

কারাগারে থাকা পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির কিংবদন্তি ক্রিকেটার ওয়াসিম আকরাম। ইমরানের সঙ্গে তিন বছর ধরে কথা না হলেও তাঁকে ভীষণ মিস করেন তিনি। 


ইমরানের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও কোনো ধরনের আপস না করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক এই ক্রিকেটার। দ্য অ্যাথলেটিককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আকরাম বলেন, ‘সে আমার বন্ধু। আমি তাকে অনেক মিস করি। তিন বছর ধরে তার সঙ্গে আমার কথা হয়নি। রাজনৈতিকভাবে তার সঙ্গে যা ঘটছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। আদালতের বিষয় আদালতেই থাকুক। কিন্তু তার স্বাস্থ্যের ব্যাপারে কোনো আপস হতে পারে না।’


ইমরানের সঙ্গে নিজের দীর্ঘ সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেছেন আকরাম। অবসর নেওয়ার পরও তাঁদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। আকরাম বলেন, ‘আমরা অবসর নেওয়ার পরও সে আর আমি নিয়মিত যোগাযোগ রাখতাম। আমি তার কাছে যেতাম, সময় কাটাতাম। আমি তার সঙ্গে কথা বলা মিস করি। একজন বন্ধু হিসেবে আমি তাকে মিস করি-রাজনীতি বাদ দিয়েই বলছি।’


আকরামের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ইমরানের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ইমরান তাঁকে গড়ে তুলতে ও খেলার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আকরামও বহুবার ইমরানকে নিজের গুরু হিসেবে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছেন।


ইমরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা জানিয়ে আকরাম বলেন, ‘ইমরানের অবস্থার উন্নতির দাবিতে ইংল্যান্ডসহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় একটি আন্দোলন হচ্ছে। কিন্তু এখানে, পাকিস্তানে? আমি নিশ্চিত নই। আমি একজন মানুষ হিসেবে তাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে হৃদয় থেকে কথাগুলো বলছি। সে দোষী সাব্যস্ত হোক বা না হোক। কারাগারে থাকুক বা না থাকুক। তার স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই হবে।’


ইমরানের শারীরিক অবস্থা ভালো আছে-সরকারের এমন বক্তব্য নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন আকরাম। তিনি বলেন, ‘আমরা জানি না সেখানে কী ঘটছে। সরকার বলছে, তার স্বাস্থ্য নাকি ভালো আছে। কিন্তু আমি উদ্বিগ্ন। আমি তাকে অনেক মিস করি।’


ইমরানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর মধ্যে আলোচনায় আসে লর্ডস টেস্টের প্রথম দিনের ঘটনা। মধ্যাহ্নবিরতিতে স্কাই স্পোর্টস ইমরানের দুই ছেলে সুলেমান ও কাসিমের সাক্ষাৎকার প্রচার করে। সেখানে তাঁরা কারাগারে বাবার জীবন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। ওই সাক্ষাৎকার নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) আপত্তির খবর প্রকাশিত হয়। এমনকি প্রতিবাদ হিসেবে পাকিস্তান দলের মাঠে না নামার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছিল। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়েই মাঠে নামে পাকিস্তান।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:১৩ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:০০ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


কাজাখস্তানকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্টে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:১৩ পিএম

জুনিয়র এশিয়া কাপ হকিতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২১ নারী হকি দলের জয়রথ ছুটেই চলছে। চায়নিজ তাইপে ও পাকিস্তানের পর এবার কাজাখস্তানকেও হারিয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা। আজ কাজাখস্তানকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে টুর্নামেন্টে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে তারা। আগামীকাল নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে হংকংয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এই জয়ে চ্যালেঞ্জার পুলে ৯ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে বাংলাদেশ। কাজাখস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছেন সারিকা রিমন। অন্য দুটি গোলের একটি করেছেন মোসাম্মত লিমা, অন্যটি লিজা আক্তার।


চীনের মোকি ট্রেনিং গ্রাউন্ডে ম্যাচের শুরু থেকেই কাজাখস্তানকে চাপে রাখে বাংলাদেশ। ম্যাচের মাত্র তৃতীয় মিনিটেই পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন সারিকা। এরপর ১৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লিজা। প্রথম কোয়ার্টারেই ২-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।


দুই গোল হজম করার পর কাজাখস্তান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। কয়েকটি আক্রমণও তৈরি করে তারা। তবে বাংলাদেশের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি কাজাখস্তান। দ্বিতীয় ও তৃতীয় কোয়ার্টারে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-০ ব্যবধানেই এগিয়ে থাকে বাংলাদেশ।


চতুর্থ কোয়ার্টারে আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় বাংলাদেশের মেয়েরা। সেই সুযোগে আরও দুটি গোল আদায় করে নেয় তারা। ৪৬ মিনিটে ফিল্ড গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন লিমা। এরপর ৫১ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন সারিকা। তাতে ৪-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।


এবারই দ্বিতীয়বারের মতো জুনিয়র এশিয়া কাপে খেলছে বাংলাদেশের মেয়েরা। এর আগে ২০২৩ সালের আসরে অংশ নিয়ে নবম হয়েছিল বাংলাদেশ। মেয়েদের জুনিয়র এশিয়া কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত।


দশ দলের এই টুর্নামেন্টে চ্যালেঞ্জার পুলে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে কাজাখস্তান, পাকিস্তান, চায়নিজ তাইপে ও হংকং। অন্যদিকে এলিট পুলে স্বাগতিক চীনের সঙ্গে রয়েছে জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া ও মালয়েশিয়া।

চ্যালেঞ্জার পুলের শীর্ষ তিন দল এবং এলিট পুলের পাঁচ দল খেলবে কোয়ার্টার ফাইনালে। আর চ্যালেঞ্জার পুলের চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে থাকা দল দুটি খেলবে নবম-দশম স্থান নির্ধারণী ম্যাচে।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:০৩ পিএম
  • আপডেট : রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:০৩ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


ফুটবলার কাভান সুলিভান

  • প্রকাশ : রবিবার ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:০৩ পিএম

মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন ফুটবলার কাভান সুলিভান। ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের এই ফরোয়ার্ড এবার এমএলএসের ইতিহাসে প্রথম টিনেজার হিসেবে টানা পাঁচ ম্যাচে গোলে সরাসরি অবদান রাখার কীর্তি গড়েছেন। রোববার সিএফ মন্ট্রিলের বিপক্ষে ফিলাডেলফিয়ার ২-০ গোলের জয়ে একটি গোল করেন ১৬ বছর বয়সী কাভান।


দলের হয়ে ৫৭ মিনিটে ড্যানলে জিন জ্যাকেস গোল করার পর ৭৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সুলিভান। কাভানের গোলটি আসে দারুণ ফিনিশিংয়ে। বক্সের ভেতর সতীর্থের শটের পর বলের গতিপথ বুঝে দ্রুত এগিয়ে যান তিনি। একাধিক প্রতিপক্ষের বাধা এড়িয়ে এক শটেই বল জালে পাঠান তরুণ ফরোয়ার্ড।


এই গোলের ফলে চলতি মৌসুমে ফিলাডেলফিয়ার হয়ে কাভানের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারটি। এর সঙ্গে রয়েছে সাতটি অ্যাসিস্ট। অর্থাৎ মাত্র ১৬ বছর বয়সেই চলতি মৌসুমে ১১টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন তিনি।


এমএলএসে ১৬ বছর বা তার কম বয়সী খেলোয়াড়দের মধ্যে এক মৌসুমে গোলে অবদানের নতুন রেকর্ডও এখন কাভানের। এর আগে এই রেকর্ড ছিল সাবেক মার্কিন তারকা ফ্রেডি আদুর দখলে। ২০০৫ সালে ১৬ বছর বয়সে চার গোল ও ছয় অ্যাসিস্ট মিলিয়ে ১০টি গোলে অবদান রেখেছিলেন আদু।


এর আগে টানা চার ম্যাচে গোলে অবদান রাখার সময়ও রেকর্ড গড়েছিলেন কাভান। ১৬ বছর ৩৩৬ দিন বয়সে তিনি এমএলএসের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে টানা চার ম্যাচে গোলে অবদান রাখেন। এবার সেই কীর্তিকে আরও এক ম্যাচ বাড়িয়ে পাঁচে নিয়ে গেলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই তরুণ। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই এমন পারফরম্যান্সে কাভানকে ঘিরে পুরো এমএলএসেই প্রত্যাশা বাড়ছে।

সর্বশেষ সব খবর