ছবি: সংগৃহীত।

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৪:২৬ এএম

ত্রয়েদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেটের ৬টি আসনে ৩৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বৈধ হয়েছে। এর মধ্যে ২২ জনই কোটিপতি প্রার্থী। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামায় বিশ্লেষনে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।


হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি সম্পদ সিলেট-৬ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জাহিদুর রহমানের। তার সম্পদের পরিমাণ ৫২ কোটি ৭৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫৭৫ টাকা। এছাড়া প্রার্থীদের মধ্যে অন্তত ৫ জনের স্ত্রীও কোটি টাকার উপরে সম্পদের মালিক।


সিলেট-১ আসনে সম্পদের দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৩৪ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার ৭৩০ টাকা। আর তার স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ১৪ কোটি ৫২ লাখ ৩০ হাজার ৯০৩ টাকা।


সম্পদের দিক দিয়ে মুক্তাদিরের পরেই রয়েছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন। তার নামে ৩ কোটি ৮০ লাখ ১১ হাজার ২৫ টাকা ও স্ত্রীর ২ কোটি ৮৫ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪৭ টাকার সম্পদ রয়েছে।


ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী মো. শামীম মিয়ার সম্পদের পরিমাণ ২ কোটি ৩৪ লাখ ৮৭০ টাকা। আর জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমানের সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ১ কোটি ৭৪ লাখ ২৩ হাজার ৩০৩ টাকা।


এছাড়া কোটি টাকার নিচে সম্পদ রয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদীর সঞ্জয় কান্ত দাস, গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন, খেলাফত মজলিসের তাজুল ইসলাম হাসান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রণব জ্যোতি পালের।


সিলেট-২ আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪ জন কোটিপতি। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সম্পদ বিএনপি প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর (ইলিয়াসপত্মী)। তার সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ৩৯ লাখ ৬৭ হাজার ৬৫৯ টাকার।


এছাড়া কোটিপতি সম্পদশালীদের মধ্যে খেলাফত মজলিসের মো. মুনতাসির আলীর ২ কোটি ১৫ লাখ ৪০ হাজার ৬৩৪ টাকা, জামায়াতের আব্দুল হান্নানের ১ কোটি ৬০ লাখ ৪২ হাজার ৯৮৭ টাকা ও জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর রয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ৮২ হাজার টাকার সম্পদ। কোটি টাকার নিচে সম্পদ রয়েছে গণফোরামের মুজিবুল হক, ইসলামী আন্দোলনের মো. আমির উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদের জামান আহমদ সিদ্দিকীর।


সিলেট-৩ আসরে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনই কোটিপতি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সম্পদ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুছলেহ উদ্দিন রাজুর। স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি ৭৯ লাখ ১ হাজার ৫৩৩ টাকা।


জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমানের ৪ কোটি ৬৬ লাখ ৪৯ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা ও স্ত্রীর নামে ১ কোটি ৩৩ লাখ ২৭ হাজার ৫২৫ টাকার সম্পদ রয়েছে।

বিএনপির মো. আবদুল মালিকের চেয়ে তার যুক্তরাজ্য প্রবাসী স্ত্রীর সম্পদ বেশি। আবদুল মালিকের ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা ও স্ত্রীর প্রায় ১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে।


খেলাফত মজলিসের দিলওয়ার হোসাইনের ৩ কোটি ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৯২ টাকা ও স্ত্রীর নামে দেড় কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে।


আর জামায়াতের লোকমান আহমদের সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮২ হাজার ১৯২ টাকা। এছাড়া কোটি টাকার নিচে সম্পদ রয়েছে এনসিপির নুরুল হুদা জুনেদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেদওয়ানুল হক চৌধুরীর।


সিলেট-৪ আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনই কোটিপতি। এর মধ্যে বিএনপি প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর ১৯ কোটি ৫৯ লাখ ৯৫ হাজার ২৬৬ টাকা ও তার স্ত্রীর ৮ কোটি ৪২ লাখ ৭১ হাজার ৯৯১ টাকার সম্পদ রয়েছে।


এনসিপির মো. রাশেদ উল আলমের ২ কোটি ৭৫ লাখ ৮৫ হাজার ৯৩৫ টাকা ও জামায়াতের জয়নাল আবেদীনের ১ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৯৭৬ টাকার সম্পদ রয়েছে।

খেলাফত মজলিসের মুফতি আলী হাসান উসামার সম্পদ কোটি টাকার নিচে। আর জাতীয় পার্টির মুজিবুর রহমান ও গণঅধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলামের হলফনামার সম্পদের হিসাব অংশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়নি।


সিলেট-৫ আসনের ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে কোটিপতি দুইজন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) মামুনুর রশিদের ১ কোটি ২২ লাখ ৫৫ হাজার ২৯৪ টাকা ও জমিয়তের মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুকের ১ কোটি ২২ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে।


কোটি টাকার নিচে সম্পদ রয়েছে জামায়াতের হাফেজ মাওলানা আনওয়ার হোসেন খান, খেলাফত মজলিসের মুফতি আবুল হাসান, মুসলিমলীগের মো. বিল্লাল উদ্দিনের।

সিলেট-৬ আসনে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে একমাত্র জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. আব্দুন নূরের সম্পদ কোটি টাকার নিচে। বাকি ৪ প্রার্থীর মধ্যে গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমানের মোট সম্পদের পরিমাণ ৫২ কোটি ৭৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫৭৫ টাকা।


বিএনপির ফয়সল আহমদ চৌধুরীর ১১ কোটি ১৬ লাখ ২১ হাজার ৯০২ টাকা ও একই দলের প্রার্থী এমরান আহমদ চৌধুরীর ১ কোটি ৫ লাখ ৫০ হাজার ৮১০ টাকা ও জামায়াতের মো. সেলিম উদ্দিনের সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ১২৪ টাকা।


নাম প্রকাশে অনিশ্চুক একজন মানবাধিকার  কর্মী জানান সঠিক ভাবে হলফনামায় হিসাব দেয়া উচিত।কারন ইহা প্রারখীর স্বচ্ছতার প্রতিট্ছবি।তাই স্বচ্চতার জন্য হলফনামায় সঠিক তথ্য দেয়া উচিত।



সর্বশেষ সব খবর

নীলফামারী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:১৪ পিএম

বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার প্রায় দুই দশক পেরিয়ে গেলেও নীলফামারীতে এখনো চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতের জন্য নিজস্ব ভবন নির্মাণ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো মুন্সেফ কোর্ট ভবনেই চলছে আদালতের বিচারিক কার্যক্রম। এতে বিচারক, আইনজীবী, আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিচারপ্রার্থীদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।


সরকারের ‘৬৪ জেলা সদরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণ (১ম পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় নীলফামারীতেও একটি পৃথক আদালত ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত ভবনটির দৃশ্যমান নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।


সরকারি নথি অনুযায়ী, নীলফামারীর সাবেক জেলা কারাগার চত্বরে ১ দশমিক ৪৫ একর জমি চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধিগ্রহণ শাখা-১ থেকে জেলা প্রশাসনকে ওই জমি আদালত ভবনের জন্য হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।


নীলফামারীর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হক বসুনিয়া বলেন, আদালতের নিজস্ব ভবন না থাকলেও পুরোনো ভবনেই নীলফামারী সিজেএম আদালতের বিচারিক কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও জনসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।


তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে মালখানায় থাকা মামলার নিষ্পত্তি হওয়ার পর পুরোনো আলামত ও মাদকদ্রব্য ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন থানায় থাকা পুরোনো মোটরসাইকেল, বাইসাইকেলসহ অন্যান্য মামলার আলামত নিলামের মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।


সিজেএম আরও জানান, সাবেক জেলা কারাগারের পরিত্যক্ত ভবনে মাদকসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নতুন আদালত ভবনের নির্ধারিত স্থানে গাইড ওয়াল নির্মাণ, রেকর্ড রুম থেকে সত্যায়িত কপি দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা, সমন জারির ক্ষেত্রে অনিয়ম প্রতিরোধ এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে।


এ ছাড়া বিচারসংক্রান্ত তথ্য ও সেবা সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছে দিতে একটি তথ্যসেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে নিজস্ব ভবন না থাকায় নীলফামারী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় নানা সীমাবদ্ধতা রয়ে গেছে।

সর্বশেষ সব খবর

চার আসামি গ্রেপ্তার

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৫৬ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী ছেলে ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করেছে কুমিল্লা জেলা পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্যপ্রযুক্তি ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে চারজনকে এ ঘটনায় জড়িত হিসেবে শনাক্ত করে আটক করা হয়েছে।


আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জেলা পুলিশের সংবাদ ব্রিফিং ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইসব তথ্য জানানো হয়।


গ্রেপ্তারকৃত চারজন হলেন সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), তাঁর পিতা নুরে আলম; মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৬), পিতা মনির হোসেন; মো. কামরুল হাসান (১৫), পিতা আব্দুল কুদ্দুস; এবং মো. সিয়াম (১৯), পিতা সেলিম মিয়া।




সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি নির্জন টিলায় যায় সাইফুল ইসলাম তুহিন। সেখানে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।


পুলিশ আরো জানায়, প্রধান আসামি তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ, মো. কামরুল হাসান ও মো. সিয়ামের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। পরে তাদের আটক করা হয়। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাসা থেকে অপ্রতিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে।


পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত আছে কি না, তা তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে।


উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন পশ্চিম সানন্দা এলাকার একটি টিলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর

ভালুকা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের হেল্প ডেস্ক

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:৪২ পিএম

২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় হেল্প ডেস্ক চালু করেছে ময়মনসিংহের ভালুকা সরকারি কলেজ ছাত্রদল। ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্য ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে কলেজ প্রাঙ্গণে এ হেল্প ডেস্ক পরিচালনা করা হচ্ছে।


ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ভর্তি আবেদন, প্রয়োজনীয় তথ্য, কাগজপত্র প্রস্তুত এবং ভর্তি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা ও পরামর্শ দিচ্ছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে নতুন শিক্ষার্থীরা যাতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা সমস্যার মুখোমুখি না হন, সে লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ভালুকা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. রোহাদ মিয়া বলেন, “একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে আসা শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করাই আমাদের এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। নতুন শিক্ষার্থীরা যেন সহজে ভর্তি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা পায়, সে জন্য আমরা হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে তাদের পাশে থাকছি।”


তিনি আরও বলেন, “ভর্তি কার্যক্রম চলাকালে শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার জন্য আমাদের নেতাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করবেন। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে এ ধরনের সহযোগিতামূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”


ছাত্রদলের নেতারা জানান, ভর্তি কার্যক্রম চলাকালে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য ও সহযোগিতা প্রদান করা হবে।শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রক্রিয়া সহজ ও নির্বিঘ্ন করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:১৬ পিএম

গাজীপুরের টঙ্গীতে মুদাফা হাজী সৈয়দ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক কমিটির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এডহক কমিটির মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।




আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, এডহক কমিটির সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুদাফা হাজী সৈয়দ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ও টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির সদস্য সচিব মো. আসাদুজ্জামান নূর (ভিপি আসাদ)।


নবগঠিত এডহক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সুমন, এডহক কমিটির শিক্ষক প্রতিনিধি সদস্য নুরুল ইসলাম এবং অভিভাবক সদস্য মোস্তফা কামাল উপস্থিত ছিলেন।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৫২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইদ্রিস শরিফ, সাধারণ সম্পাদক মো. সামসুল আলম, এডহক কমিটির সাবেক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হাজী আবুল হোসেন, টঙ্গী পশ্চিম থানা শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন, বিএনপি নেতা সোলাইমান কবির, আরিফুল আলম সরকার, সাইদুল ইসলাম জনি মাস্টার, ইকবাল হোসেন, আলম মিয়া, কামাল হোসেন, আক্তার হোসেন, হারুন মিয়া, নাহিদ শাহরিয়ার, মেহেদী হাসান তারা, সোবহান জিন্নাহ ও ফাইজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুদাফা হাজী সৈয়দ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জিন্নত আলী।


পরিচিতি সভায় নবগঠিত এডহক কমিটির সদস্যদের পরিচয় তুলে ধরা হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষা পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, পড়াশোনার মানোন্নয়ন, শৃঙ্খলা, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।


সভায় বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।


তারা আরও বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করাই শিক্ষার মূল লক্ষ্য নয় শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, উপস্থিতি ও আচরণের বিষয়ে নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে হবে।


সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এডহক কমিটি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ভবিষ্যতে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক ও অভিভাবকরা নবগঠিত এডহক কমিটির সদস্যদের সঙ্গে পরিচিত হন এবং বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁদের বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।

সর্বশেষ সব খবর

হাসপাতালের বারান্দায় চিকিৎসাধীন চাষি লোকমান

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৫৯ পিএম

নওগাঁর মহাদেবপুরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা লোকমান আলী (৫৫) নামে এক চাষিকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেছে। তিনি উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের বামনসাতা গ্রামের মৃত সুজন হোসেনের ছেলে। আহত হয়েছেন তার ছেলে নাইম (২৫)। আজ রোববার (২০) সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৬টার দিকে গ্রামের মাঠের একটি খেতে কাজ করার সময় প্রতিপক্ষরা এ হামলা চালায়।


আহত নাইম জানান, ১৯৯৮ সালে তার বাবা আদালতে একটি বাটোয়ারা মোকদ্দমা দায়ের করেন। ২০১৫ সালে আদালতযোগে তাদের ২৫ শতক জমির দখল বুঝে দেয়া হয়। কিন্তু প্রতিপক্ষরা এরমধ্যে ১৫ শতক জমি দখলে নিতে একের পর এক ক্ষতি সাধন করে যাচ্ছে। গত ১০ আগস্ট আগাছানাশক প্রয়োগ করে ওইজমিতে রোপণ করা ধানগাছ বিনষ্ট করা হয়। লোকমান আলী সেসময় সেখানে কয়েকটি আমগাছের চারা রোপণ করেন। 


গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রতিপক্ষরা আমগাছের চারাগুলো উপড়ে ফেলে। জানতে পেরে লোকমান আলী এর প্রতিবাদ জানালে প্রতিপক্ষরা তাকে নানান হুমকি দেয়। এরই জের ধরে আজ রোববার ভোরে লোকমান আলী ও তার ছেলে পাশের অন্য একটি খেতে কাজ করতে গেলে প্রতিপক্ষরা হাসুয়া, লোহার রড, লাঠি প্রভৃতি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এতে দুজনেই আহত হন। লোকমান আলীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। তার মাথায় ৭টি সেলাই দিতে হয়েছে এবং ডান হাত ভেঙ্গে গেছে।


এব্যাপারে লোকমান আলীর স্ত্রী নুরজাহান বেগম বাদী হয়ে বামনসাতা গ্রামের মৃত ময়েজ উদ্দিনের দুই ছেলে ফেরদৌস ও সিদ্দিক, মৃত হোসেন আলীর দুই ছেলে নাজিম উদ্দিন ও আব্দুর রহমান, নাজিম উদ্দিনের ছেলে রানা, আয়েজ উদ্দিনের দুই ছেলে চয়েন ও আয়নালের বিরুদ্ধে মহাদেবপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।


জানতে চাইলে প্রতিপক্ষ আয়নাল বলেন, তারা হাইকোর্টে আপিল দায়ের করেছেন। কোর্ট থেকে যে দখল দেয়া হয়েছে তা ভূয়া। জমি দখল করতে দিবেন না জন্যই আমগাছগুলো কেটেছেন। আজ রোববারের ঘটনায় তাদেরও দুজন আহত হয়েছেন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। 


মহাদেবপুর থানার এসআই আব্দুল মতিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:০১ পিএম

বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে নীলফামারীতে জাতীয় দৈনিক ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে নীলফামারী জেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা সম্পাদক মো. ইলিয়াস খান সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পত্রিকাটির নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি সাজ্জাদ আহম্মেদ তান।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নীলফামারী জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জয়নাল আবেদীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের নির্বাহী সম্পাদক মো. নাহিদ হোসেন, নীলফামারী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি তহমিন হক ববী, সভাপতি মঞ্জুরুল আলম সিয়াম, সাধারণ সম্পাদক মিল্লাদুর রহমান মামুন, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ইয়াসিন মোহাম্মদ শিথুনসহ জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও সুধীজন।


বক্তারা বলেন, গণমাধ্যম সমাজের নানা অসঙ্গতি, অনিয়ম ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বস্তুনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল ও তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের অধিকার ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।


আলোচনা শেষে ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেক কাটা হয়। অনুষ্ঠানে পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর