• প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:০৭ পিএম

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম তদারকি জোরদার, ঝুঁকিপূর্ণ ভবন সংস্কার ও আধুনিক ভবন নির্মাণ এবং শিক্ষাক্রম পরিমার্জনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নতুন মনিটরিং নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও বিজ্ঞান সম্মত ও সহজবোধ্য শিক্ষাক্রম প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। 


আজ বুধবার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এস এম ফয়সল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের (ডব্লিউএফপি) স্কুল ফিডিং কর্মসূচি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 


প্রতিমন্ত্রী বলেন, "হবিগঞ্জের প্রাথমিক শিক্ষার অবস্থান দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন—এমন ধারণা সঠিক নয়। তবে এ জেলার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এস এম ফয়সল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪০০-এর বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়টির কয়েকটি শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন করে আমি মানসম্মত পাঠদান লক্ষ্য করেছি।"


তিনি বলেন, সরকার দেশব্যাপী স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করেছে এবং আগামী বছরের মধ্যে এটি দেশের সব বিদ্যালয়ে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, ডব্লিউএফপি মাধবপুর উপজেলায় ১৫০টির বেশি বিদ্যালয়ে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্কুল ফিডিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তাদের কর্মসূচির ভালো দিকগুলো অনুসরণ এবং সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে সরকারি কর্মসূচিকে আরও কার্যকর করার সুযোগ রয়েছে। 


তিনি আরও বলেন, অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নতুন মনিটরিং নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে। চলতি মাসেই নীতিমালা টি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে ববি হাজ্জাজ বলেন, দেশের অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ এবং অবকাঠামোগত নানা সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে মডেল স্কুল প্রকল্প, পিডিবি-৫, জিপিএস প্রকল্পসহ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও কার্যকর বিদ্যালয় ভবন নিশ্চিত করা। এর মধ্যে দুটি প্রকল্প শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে এবং পিডিবি-৫ প্রকল্পটি ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলাম প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের বয়স ও শেখার উপযোগিতা বিবেচনায় নিয়ে আরও উন্নত ও বিজ্ঞানসম্মত শিক্ষাক্রম প্রণয়নের কাজ চলছে। এ দায়িত্ব জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) দেওয়া হয়েছে। নতুন শিক্ষাক্রমে বিদ্যালয়ের এক শিফট ও দুই শিফটের কারণে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সময়ের বৈষম্য দূর করা, বিষয়ভিত্তিক শিক্ষা ও শিখনসামগ্রী সহজবোধ্য করা এবং নৈতিক শিক্ষা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। 


এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য এস এম ফয়সল, ডব্লিউএফপির হেড অব প্রোগ্রাম জেসি উড, স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের হেড এমা লেফু, মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান, সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ রাফিউর রহমানসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


পরে প্রতিমন্ত্রী জগদীশপুর চা বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।




সর্বশেষ সব খবর

চোর দলের সক্রিয় সদস্য ১৩ জন আটক। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ০৭ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৪৬ এএম

বিরলে আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ চোর দলের সক্রিয় সদস্য ১৩ জন আটক এবং গোডাউন হতে চুরি হওয়া ভূট্টা উদ্ধারসহ একইরাতে অপর একজনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। 


বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আল এমরান আটককৃতদের পরিচয়ে জানান বৃহস্পতিবার রাতে আটককৃতরা হলেন- রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলার রহমতচোর গ্রামের খলিল মিঞা এর ছেলে দিনাজপুরের বিরল পৌরশহরের চকভবানী বলদিয়া মোড়ের ভাঙ্গারী মালামাল ক্রয়- বিক্রয়ের দোকানদার ও পিকআপ চালক মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৬), পীরগাছা উপজেলার রহমতচোর গ্রামের মৃত আইজদ্দীন এর ছেলে বিরল উপজেলার ফেরীওয়ালা খইবুর আলী (৫০), একই গ্রামের বাসিন্দা আলেবদ্দীন শেখ এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা আফাজ আলী (৩২), একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল কুদ্দুস এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা মোঃ শাখাওয়াত হোসেন (২৮), একই গ্রামের খলিল এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা আজিজুল ইসলাম (৩৮) ও একই গ্রামের আলেক উদ্দীন এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা ছাপড় আলী (৩০), একই জেলার পীরগাছা উপজেলার চরছাওলা কামলাহাটের হযরত আলী এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা জাহাঙ্গীর আলম (২৮), একই উপজেলার কিষামত ছাওলা গ্রামের মৃত আবু সাঈদ এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা রফিকুল ইসলাম (৩০), একই উপজেলার চর ভুট্টার (বাজার) গ্রামের ইউছব আলী এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা জিয়াউল ইসলাম (২৮), একই গ্রামের মজিবর এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা আব্দুল কুদ্দুস (২৪), একই জেলার বদরগঞ্জ উপজেলার যাদুনগর সর্দারপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেক এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা মাহিদুর রহমান (২৩), একই এলাকার দুলাল প্রামাণিক এর ছেলে এই এলাকার ফেরীওয়ালা মোঃ সাপেল (২১), গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার লাটশালা গ্রামের মোকছেদ আলী এর ছেলে এই উপজেলার ফেরীওয়ালা সাইফুল ইসলাম (২০)।


অপরদিকে, বিরল পৌরশহরের কইদিঘী ঈদগাহ মাঠের গেট সংলগ্ন বীরমুক্তিযোদ্ধা আইবুর রহমান এর গোডাউন হতে ভাড়াটিয়া নর্থ বেঙ্গল এগ্রো এর আমদানীকৃত হাইব্রীড ৬ বস্তা ভূট্টা বীজ চুরির ঘটনায় কালিয়াগঞ্জ বাজার হতে বীজগুলো উদ্ধার এবং একজনকে আটক করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই শাকিল আহমেদ।


গোডাউন হতে বীজ চুরির ঘটনায় আটককৃত উপজেলার রাণীপুকুর ইউনিয়নের দক্ষিণ জগতপুর গ্রামের সমশদ্দীন এর ছেলে আলফাজ হোসেন (৪৯)সহ অপর ১৩ জন আন্তঃজেলা সংঘবদ্ধ চোরদলের সক্রিয় সদস্যকে শুক্রবার বিকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন থানার ওসি (তদন্ত) আনিছুর রহমান সরকার।

সর্বশেষ সব খবর

লালমনিরহাটে ড্রামট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:১০ পিএম

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুটবল খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে ড্রামট্রাকের চাপায় বিপ্লব মিয়া (২২) নামের এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশার আরও অন্তত ৩জন যাত্রী গুরুত্বর আহত হয়েছেন।


শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় লালমনিরহাট-বুড়িমারী জাতীয় মহাসড়কের দক্ষিণ গোপাল রায় এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

​

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত বিপ্লবসহ কয়েকজন যুবক নামুড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুটবল খেলা শেষে অটোরিকশায় করে কাকিনা বাজারের দিকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী বালুভর্তি ড্রামট্রাক অটোরিকশাটিকে সজোরে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই বিপ্লব মিয়ার মৃত্যু হয়।


​দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করেন।


​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মঞ্জুরে মাওলা জানায়, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়িটি জব্দ করার প্রক্রিয়া চলছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

কয়লা উত্তোলনের দাবিতে মানববন্ধন। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৫৫ পিএম

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া ও ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের আলোকে কয়লা উত্তোলনের উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।


গতকাল শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টায় দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া খনি এলাকা সংলগ্ন ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম চার রাস্তার মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ‘ফুলবাড়ী কয়লাখনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন এলাকার পাঁচ শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. জাকারিয়া নয়ন।



তিনি বলেন, ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ইতিপূর্বে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক মানুষ ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। ফুলবাড়ী কয়লাখনি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যেন একই পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সরকারকে আগে থেকেই কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। খনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেকের অধিকার ও জীবিকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।


জাকারিয়া নয়ন বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম এলাকায় ফুলবাড়ী কয়লাখনির মুখ রয়েছে। এখান থেকেও কয়লা উত্তোলনের দাবি জানান তিনি। তাঁর মতে, দেশের চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে ফুলবাড়ী কয়লাখনির কয়লা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য দ্রুত খনি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি। এ সময় বড়পুকুরিয়া ও ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে কয়লা উত্তোলনের পক্ষে আরও বক্তব্য দেন মো. আব্দুল কাদের, মো. আব্দুল আজিজ ও মো. বিপ্লব হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


ফুলবাড়ী কয়লাখনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ’ এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

সর্বশেষ সব খবর

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে সোনাইমুড়ীতে ছাত্রদলের আনন্দ শোভাযাত্রা

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৩৫ পিএম

বর্তমান সরকারের আট মাসের দেশ পরিচালনায় সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আনন্দ শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার চৌরাস্তা থেকে সোনাইমুড়ী পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সোহেল উদ্দিন সজীব ও পৌর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাইনুল হাসান মায়েনের নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সোনাইমুড়ী বাইপাসে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সোনাইমুড়ী পৌর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মো. সোহেল উদ্দিন সজীব, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাইনুল হাসান মায়েন, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রায়হান ভূঁইয়া ও শাহজাহান সাজু প্রমূখ।

এ সময় সোহেল উদ্দিন সজীব বলেন, বর্তমান সরকারের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি গোষ্ঠী দেশের বাইরে থেকে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। পাশাপাশি দেশের ভেতরে থাকা একটি গুপ্ত সংগঠনও বিদেশে অবস্থানরত গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগসাজশ করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এসব ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দিতে ছাত্রদল প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নিজ দলের সাংগঠনিক বিষয় তুলে ধরে সজীব বলেন, সোনাইমুড়ী উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। গত জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে তিনি নিজেও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং দলের দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তার মতো শত শত নেতাকর্মী দলের জন্য জীবন বাজি রেখে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। অথচ নতুন কমিটিতে তাদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে দলের স্বার্থে ভবিষ্যতেও সব নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সজীব। একই সঙ্গে দল থেকে যথাযথ মূল্যায়ন করা হলে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আশাবাদ জানান তিনি।
শোভাযাত্রায় সোনাইমুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ড থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে ছাত্রদলের শত শত নেতাকর্মী অংশ নেন।

সর্বশেষ সব খবর

আদাবর থানা। ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০৩ পিএম

রাজধানীর আদাবর থানার সামনে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত ৯টা ৫ মিনিটের দিকে এ বিস্ফোরণ হয়।

রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা ককটেল দুটি নিক্ষেপ করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। কারা কী উদ্দেশ্যে ককটেল নিক্ষেপ করেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ সব খবর

বর-কনের প্রতীকী। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৫১ পিএম

সাতক্ষীরার তালায় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে দুটি বাল্যবিয়ে পণ্ড করা হয়েছে। আকস্মিক এ অভিযানে অপ্রাপ্তবয়সী মেয়েদের বিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের আগামী সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ দুটি পৃথক অভিযান পরিচালিত হয়। পুরো অভিযানটি সমন্বয় করেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার উপপরিচালক নাজমুন নাহার।


প্রশাসন সূত্র জানায়, প্রথম অভিযান হয় উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের হাজরাপাড়া এলাকায় শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিচালক নাজমুন নাহার জানতে পারেন, তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাজেরপাড়া এলাকায় ধুমধাম করে একটি বাল্যবিয়ে চলছে। কনে ওই এলাকার বাসিন্দা এবং বর পার্শ্ববর্তী খলিশখালী এলাকার অপ্রাপ্তবয়সী ওসমান গাজী।


খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার নির্দেশে তালা উপজেলা কিশোর-কিশোরী ক্লাবের জেন্ডার প্রমোটার রিংকু আইচ, কুমিরা ইউনিয়ন কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সংগীত শিক্ষক শম্পা ভট্টাচার্য এবং ক্লাবের দপ্তরি মিনা দে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এছাড়া পাটকেলঘাটা থানার ওসির সহযোগিতায় এসআই আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিমও ঘটনাস্থলে যায়। তবে অভিযানের টের পেয়ে বর দ্রুত কনেকে গাড়িতে তুলে পালিয়ে যায়।


এ ঘটনায় মেয়ের বাবা মুচলেকা দিয়েছেন এবং আগামী সোমবার সকাল ১০টায় মেয়েসহ অভিভাবকদের ইউএনও মহোদয়ের অফিসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে কুমিরা মধ্যপাড়া এলাকা প্রথম ঘটনাটি প্রতিরোধ করে ফেরার সময় এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, কুমিরা মধ্যপাড়া এলাকায় দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া অপ্রাপ্তবয়সী এক মেয়ের বিয়ের আয়োজন চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের টিম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানে উপস্থিত হয়ে ওই বিয়েটিও সফলভাবে প্রতিরোধ করেন।


এ ক্ষেত্রেও মেয়ের পরিবার থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে এবং আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় মেয়েসহ অভিভাবকদের উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।


তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তালা উপজেলার পৃথক এলাকায় বাল্যবিয়ে বন্ধে অভিযান পরিচালিত হয়। এতে বিয়ের দুটি বন্ধ করা হয়েছে। তাছাড়া অভিভাবকদের আগামী সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

সর্বশেষ সব খবর