সারা
দেশে হাম-রুবেলার প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রংপুর সিটি করপোরেশনে (রসিক) টিকাদান ক্যাম্পেইন সোমবার (২০ এপ্রিল)
থেকে শুরু হচ্ছে। এ কর্মসূচির আওতায়
সিটি করপোরেশনের ৩৩ ওয়ার্ডের ৭৮
হাজার ৬২৮ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
রোববার
(১৯ এপ্রিল) দুপুরে রংপুর সিটি করপোরেশনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো
হয়।
সংবাদ
সম্মেলনে সিটি প্রশাসক মাহফুজ উন-নবী চৌধুরী
ডন বলেন, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে
২০ মে পর্যন্ত হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন চলবে। এতে ৬ মাস থেকে
৫৯ মাস অর্থাৎ পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রতিটি
শিশুকে বিনামূল্যে এক ডোজ করে
টিকা দেওয়া হবে।
তিনি
আরও জানান, সিটি করপোরেশনের ৩৩টি ওয়ার্ডের ২৮০টি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই টিকাদান কার্যক্রম
পরিচালিত হবে। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত মোট ১৪ দিনের এ
ক্যাম্পেইনে ১৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক ৩৮টি
গ্রুপে দায়িত্ব পালন করবেন।
সিটি
প্রশাসক জানান, ক্যাম্পেইন সফল করতে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের
মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইসলামিক ফাউণ্ডেশনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
মাহফুজ
উন নবী আরও বলেন, হামমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে এই ক্যাম্পেইন গুরুত্বপূর্ণ।
কোনো শিশু যেন টিকা থেকে বাদ না পড়ে এবং
অভিভাবকেরা যেন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হন—সে
বিষয়ে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। এসময় হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণের পর কোন সমস্যা
দেখা দিলে অভিভাবকদের না ঘাবড়ে শিশুকে
কাছের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে পরামর্শ দেন তিনি।
সংবাদ
সম্মেলনে ওয়াল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) এর ডিভিশনাল কনসালটেন্ট
ডা. জুবায়ের আল মামুন, রংপুর
সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান ইবনে তাজ, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. পলাশ কুমার রায় ও স্বাস্থ্য শাখার
প্রধান নাঈম উল হকসহ অন্যান্য
কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ধল্লা গ্রামে অন্যের মালিকানাধীন কৃষিজমিতে রাতের আঁধারে ট্রাকভর্তি বালু ফেলে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী জমির মালিকরা সিংগাইর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ধল্লা গ্রামের বাসিন্দা ওমর আলী ও তার সন্তানদের মালিকানাধীন কৃষিজমি দীর্ঘ প্রায় ১০০ বছর ধরে তাদের পরিবার ভোগদখল করে আসছে। গত ১ আগস্ট সকালে একই গ্রামের বাসিন্দা আবুল কালাম আজাদ, সোহরাব মিয়া, আহসান মিয়া এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় দালাল ও ভূমিদস্যু হিসেবে অভিযুক্ত সলিম মিয়া, কামাল, নুরুল ইসলাম, ইকবাল, আফসার খান, সজিব খান, সুমন খান, আসান খানসহ আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই জমিতে প্রবেশ করেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, এ সময় অভিযুক্তরা জমি দখলের উদ্দেশ্যে জমি পরিমাপ করেন। জমির প্রকৃত মালিকরা বাধা দিলে তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পরে পরদিন গভীর রাতে জমির মালিকদের অজ্ঞাতসারে কয়েক ট্রাক বালু ফেলে কৃষিজমি ভরাট করে দখলের চেষ্টা করা হয়।
ঘটনার পর নিরুপায় হয়ে জমির মালিকরা সিংগাইর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠান। পুলিশ সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলে।
পুলিশের উপস্থিতিতে অভিযুক্তরা প্রথমে দাবি করেন, জমিটি তারা পাবেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো বৈধ মালিকানার দলিল বা কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেননি। পরে তারা দাবি পরিবর্তন করে জানান, তারা জমিটি অন্যদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন এবং বিষয়টি সম্পর্কে ক্রেতারাই ভালো জানেন।
এরপর পুলিশ কথিত ক্রেতা আফসার খান, সজিব খান, সুমন খান ও আসান খানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানান, ভবিষ্যতে জমির কাগজপত্র তৈরি করা হবে—এমন একটি চুক্তির ভিত্তিতে তারা জমিটি কিনেছেন বলে দাবি করেন। তবে পুলিশকে তারাও কোনো বৈধ রেজিস্ট্রিকৃত দলিল বা মালিকানার কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, প্রভাবশালী একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে তাদের জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। তারা প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের জমির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বর্তমান ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরেই তাদের জমি দখলের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এর আগে একই বিরোধকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত সলিম মিয়া, কামাল মিয়া, নুরুল ইসলাম ও ইকবাল মিয়া জমির মালিকদের একজন ইউনুস মিয়ার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই ঘটনায় আহত ইউনুস মিয়া সিংগাইর থানায় পৃথক একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ওই মামলায় অভিযুক্তরা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। তারা বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলে বেড়ান যে, পুলিশ বা আদালত তাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না এবং তারা সবকিছু "ম্যানেজ" করতে সক্ষম। এসব হুমকির কারণে পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে সিংগাইর থানার পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় মাছবাহী পিকআপ ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় যশোর ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত এক সেনাবাহিনীর এক সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।
সোমবার (৩ আগস্ট) ভোরে উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের কবিরহাট টু সোনাপুর সড়কের ইতালি মার্কেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত অটোরিকশা চালক মো.আমিনুল হক (৩০)। তিনি উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের পশ্চিম সোনাদিয়া গ্রামের নুর নবীর ছেলে। আহত সেনাসদস্য সৈকত স্থানীয় বাসিন্দা এবং বর্তমানে যশোর ক্যান্টনমেন্টে কর্মরত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোরে নোয়াখালীর সোনাপুর থেকে একটি মাছবাহী পিকআপ কবিরহাটের দিকে যাচ্ছিল। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে পিকআপটি সোনাপুর-কবিরহাট সড়কের ইতালি মার্কেট এলাকায় পৌঁছলে কবিরহাট থেকে আসা অটোরিকশার সঙ্গে মুখিমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে চালক আমিন উল্লাহ ও যাত্রী সৈকত গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে সকাল ৮টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমিন উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত সেনাসদস্য সৈকত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের আটক করে রাখা দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। তবে দুর্ঘটনার পর পিকআপের চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ছবি সম্বলিত বিলবোর্ডটি অপসারণ করে একই শিরোনামে নতুন একটি বিলবোর্ড টাঙানো হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিতদের ছবি সম্বলিত বিলবোর্ডটি অপসারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে রোববার রাতে বিলবোর্ডটি থেকে যুদ্ধাপরাধীদের ছবি মুছে দেওয়া হয়েছে।
দু’দিন আগে শুক্রবার ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ শিরোনামে বিলবোর্ডটি টানিয়ে দেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের সংগঠন ‘নভো কালচার’। এতে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাসেম আলী, আব্দুল কাদের মোল্লা, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে।
বিলবোর্ডটি অপসারণের দাবিতে কয়েকটি ছাত্র সংগঠন রোববার বিকেলে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তাদের দাবিতে রাত সোয়া ১০টার দিকে বিলবোর্ডটি মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত জানায় প্রশাসন। পরে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন আন্দোলনরত ছাত্রনেতা ও শিক্ষার্থীরা।
বিলবোর্ডটি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান। তিনি বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে বিলবোর্ডটি সরিয়ে নিতে বলা হয়েছিল। তিনি তাতে সম্মত হননি। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিলবোর্ডে থাকা আপত্তিকর ছবিগুলো মুছে দেওয়া হয়।
বিলবোর্ডটি অপসারণের দাবিতে আন্দোলনকারী নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদেক রহমান বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চিহ্নিত রাজাকারদের স্বাভাবিকীকরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা এর সুযোগ দেবেন না। প্রশাসন বিলবোর্ডটি সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় তারা রাতে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন। এটি সরানো না হলে পরবর্তী কর্মসূচি দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস কিংবা বাংলাদেশের কোথাও রাজাকারদের কোনো ধরনের স্বাভাবিকীকরণ তারা মেনে নেবেন না।
তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের প্রশ্নটি বাংলাদেশের মৌলিক জাতীয় ইস্যু। ২০২৪ সালের আন্দোলন কিংবা শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদবিরোধী অবস্থানকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে যুদ্ধাপরাধী মতাদর্শ বা তাদের পুনর্বাসনের কোনো সুযোগ নেই।
কাশিমপুর ভূমি অফিস
গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর ভূমি অফিসে অনিয়মের অভিযোগে চার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার সকালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে তাদের বরখাস্ত করেন জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সকালে কাশিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে হঠাৎ পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক। এ সময় তিনি ভূমি কর্মকর্তা ও সেবা নিতে আসা লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন।
পরে নানা অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ওয়াজেদ আলী খান, অফিস সহকারী মোস্তফা কামাল, সফিকুল ইসলাম খান, আব্দুল হালিমসহ চারজনকে বরখাস্ত করেন। পরে তিনি সফিপুরে অপর একটি ভূমি অফিস পরিদর্শনে যান।
ঝালকাঠির নলছিটিতে নাচনমহল বাজারে ভোক্তা অধিকারে অভিযানে ৫ টি দোকানে মোট ১৮০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রোজ সোমবার (৩ আগষ্ট) সকাল ১১ টায় নলছিটির নাচন মহল বাজারে এই জরিমানা করা হয়৷
এসময়ে মা মেডিকেল হল এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কারনে ১২০০০ টাকা, বিশ্বাস মেডিকেল হল এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কারনে ১০০০, লাইভ বেকারী এর মূল্য তালিকায় না থাকার কারনে ৩০০০, রাকিব ষ্টোর এর মূল্য তালিকা না থাকার কারনে ১০০০, শাহালম ষ্টোর এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কারনে ১০০০, মোট ৫ টি দোকানে ১৮০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জরিমানা পরিচালনা করেন সাফিয়া সুলতানা সহকারী পরিচালক ভোক্তা অধিকার ঝালকাঠি।
এসময়ে সাফিয়া সুলতানা বলেন নাচন মহল বাজারে কয়েকটি দোকানে মূল্য তালিকা না থাকার কারনে এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার কারনে ৫ টি দোকানে মোট ১৮০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সাফিয়া সুলতানা বলেন এই অভিযান আমাদের অব্যাহত থাকবে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চৌমুহনী পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের গনিপুর এলাকার চান মিয়া বাড়ির চাপরাশিয়া রাস্তার পাশে মাছের প্রজেক্টের পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভোরে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান জানান, নিহত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। প্রাথমিকভাবে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, মরদেহটি ৩ থেকে ৪ দিন পানিতে থাকায় হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে গেছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।