• প্রকাশ : শুক্রবার ২২ মে, ২০২৬, সময় : ৪:৩৬ এএম

কখনও কোনো কারণ ছাড়াই মন ভালো নেই। কখনও বা কারণ আছে, তবে কাউকে বলা যায় না। আবার কখনও সারাদিন কাজের মধ্যে থেকেও মনে একটা শূন্যতা কাজ করে।


কেন এমন হয়?


জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান দিনা বলেন, “মন খারাপ মানুষের জীবনের একটা স্বাভাবিক অংশ। সম্পর্কের ঝামেলা, কাজের চাপ, ব্যর্থতার বোঝা, একাকিত্ব, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা — কারণ থাকতে পারে অনেক। তবে সমস্যা হয় তখন-ই, যখন এই অনুভূতি চেপে ধরে রাখা হয়, কাউকে বলা হয় না, কোনো উপায় খোঁজা হয় না।”


তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন মন খারাপ ভেতরে জমিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে। তাই সময় থাকতে নিজের অনুভূতির যত্ন নেওয়া জরুরি।”


শ্বাস নিন সচেতনভাবে


এটা পড়ে অনেকে ভাবতে পারেন, ‘শ্বাস নেওয়াতে কী আর এমন হবে।’ তবে বিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিস’য়ের তথ্যানুসারে- মন অস্থির হলে শ্বাস-প্রশ্বাস এমনিতেই দ্রুত হয়ে যায়। সেটাই উদ্বেগ বাড়ায়, শরীরকে সতর্ক অবস্থায় রাখে। এই চক্র ভাঙতে হলে সচেতনভাবে ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নিয়ে, আস্তে আস্তে ছাড়তে হবে। কয়েক মিনিট এই শ্বাসের ব্যায়াম করলেই পার্থক্য টের পাওয়া যায়।


ডা. ফারজানা রহমান দিনা বলেন, “সচেতনভাবে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস আবেগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। উদ্বেগের মুহূর্তে এটি শরীরের 'ফাইট অর ফ্লাইট' প্রতিক্রিয়াকে শান্ত করে।”


ঘর ছেড়ে বের হওয়া, একটু হাঁটা


মন খারাপের সময় বেশিরভাগ মানুষ ঘরের কোণে গুটিয়ে থাকেন। কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকেন, ফোন স্ক্রল করতে থাকেন। তবে এটা আসলে মন খারাপকে আরও গভীর করে।


বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘প্রোমোটিং মেন্টাল হেল্থ থ্রু সাইকেলিং অ্যান্ড ওয়াকিং’ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিনিট বাইরে হাঁটলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, মস্তিষ্কে অক্সিজেন পৌঁছায় এবং মনের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।


ডা. ফারজানা রহমান দিনা বলছেন, “প্রকৃতির মাঝে হাঁটলে মানসিক চাপ কমে এবং মন সতেজ হয়। পার্কে যাওয়ার দরকার নেই। বিল্ডিংয়ের সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামুন, গলির মোড় পর্যন্ত হেঁটে আসু — এটুকুই যথেষ্ট শুরুর জন্য।”


কষ্টটা লিখে ফেলা


মনের ভেতরে যা ঘুরছে, সেটা বলতে না পারলেও লেখা যায়। ডায়েরিতে বা নোটবুকে নিজের কষ্ট, ভয়, হতাশার কথা লিখলে একটা অদ্ভুত হালকা লাগা আসে।


এই তত্ত্ব ও ধারণার জনক হলেন টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় (অস্টিন)-এর মনস্তত্ত্ববিদ ও অধ্যাপক ড. জেমস ডব্লিউ পেনেব্যাকার।


‘জার্নাল অফ অ্যাবনরমাল সাইকোলজি’তে ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত তার গবেষণার ফলাফলে উল্লেখ করা হয়, ‘নিজের অনুভূতি বা আবেগ লিখে প্রকাশ করা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী’।


ডা. দিনা পরামর্শ দেন, “শুধু নেতিবাচক কথাই নয়, নিজের ভালো গুণগুলোও লিখুন। আজকে কোন কাজটা ঠিকমতো করেছেন, কে আপনাকে ভালোবাসে, কোন জিনিসটার জন্য কৃতজ্ঞ— এগুলো লিখলে নিজের ইতিবাচক দিকগুলো নতুনভাবে চোখে পড়ে।”


মন খারাপের সময় মনে হয় সবকিছুই নেতিবাচক। তবে লিখতে বসলে দেখা যাবে, ভালো জিনিসও কম নেই।


বর্তমানে থাকা, অতীত আর ভবিষ্যৎ সরিয়ে রাখা


ডা. দিনার ভাষায়, “মন খারাপের একটা বড় কারণ হল, আমরা হয় অতীতের অনুশোচনায় ডুবে থাকি, নয়তো ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তায়। তবে এই মুহূর্তে যা আছে, সেটাতেই মনোযোগ দেওয়ার অভ্যাস করতে হবে। যাকে বলা হয় ‘মাইন্ডফুলনেস’। আর এটা উদ্বেগ ও হতাশা কমাতে কার্যকর।”


উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিষয়টা একটু সহজ। এই মুহূর্তে চা খাচ্ছেন তো চায়ের উষ্ণতা অনুভব করুন। হাঁটছেন তো পায়ের নিচে মাটির স্পর্শ টের পান। এই ছোট্ট সচেতনতাগুলো মাথাকে অতীত বা ভবিষ্যৎ থেকে সরিয়ে বর্তমানে নিয়ে আসে।”


নিজেকে দোষ দেওয়া বন্ধ করা


মন খারাপের সময় অনেকে নিজেকেই সবচেয়ে বেশি দোষ দেন। ‘আমি কেন এমন করলাম’, 'আমার জন্যই সব হল’, 'আমি আসলে কিছুই পারি না' — এই ধরনের চিন্তা মনকে আরও ভেঙে দেয়।


ভুল মানুষের জীবনের অংশ। সবার জীবনেই ব্যর্থতা আসে, কঠিন সময় আসে। নিজেকে ক্ষমা করতে শিখতে হবে।


ডা. দিনা বলেন, “আত্মসহানুভূতি মানুষের মানসিক শক্তি বাড়ায় এবং হতাশা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে। অন্যের সঙ্গে যেভাবে সহানুভূতি দেখান, নিজের সঙ্গেও সেটুকু দেখান।”


একা থাকা যাবে না, কথা বলতে হবে


মন খারাপের সময় একা থাকার প্রবণতা স্বাভাবিক। তবে এটা সমাধান নয়। কাছের মানুষের সঙ্গে বন্ধু, পরিবারের যে কেউ— মনের কথাটা বলুন। শুধু বললেই অর্ধেক ভার নেমে যায়।


যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্রিগহাম ইয়ং ইউনিভার্সিটি’র মনোবিজ্ঞান ও স্নায়ুবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জুলিয়ান হোল্ট-লুনস্টাড, তার গবেষণাপত্র ‘সোশাল রিলেশনশিপস অ্যান্ড মর্টালিটি রিস্ক: এ মেটা-অ্যানালিটিক রিভিউ’তে উল্লেখ করেন যে- মন খারাপ বা বিষণ্নতার সময় একাকিত্ব মানুষের নেতিবাচক চিন্তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এর পরিবর্তে মানুষের সাথে যোগাযোগ করলে মস্তিষ্ককে দ্রুত সুস্থ করে তোলে।


‘পিএলওএস মেডিসিন’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণায় তিনি দেখিয়েছন- মন খারাপ বা মানসিক কষ্টের সময় একা থাকা এবং সামাজিক যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া স্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন ১৫টি সিগারেট খাওয়ার মতোই ক্ষতিকর।


অন্যদিকে, মানুষের সঙ্গে মেলামেশা ও সামাজিক সমর্থনে বেঁচে থাকার মাধ্যমে মানসিক কষ্ট কাটিয়ে ওঠার সম্ভাবনা পঞ্চাশ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়।


“পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, পানি পান এবং স্বাস্থ্যকর খাবারের কথাও মাথায় রাখতে হবে। শরীর ভালো না থাকলে মনও ভালো থাকে না”- পরামর্শ দেন ডা. দিনা।


তবে দীর্ঘদিন ধরে মন খারাপ ঠিক না হলে, কোনো কিছুতে আগ্রহ না থাকলে, ঘুম বা খাওয়াতে সমস্যা হলে, একজন মনোবিজ্ঞানী বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত হবে।


কারণ, “দীর্ঘস্থায়ী হতাশা কখনও কখনও বিষণ্নতার লক্ষণও হতে পারে। সেটাকে উপেক্ষা করা ঠিক নয়” মন্তব্য করেন এই মনোবিদ।

বিষয় : মন



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:১১ এএম

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত নগরী কক্সবাজারে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে গ্লোবাল উইনার গ্রুপের অন্যতম সফল অঙ্গপ্রতিষ্ঠান “বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্ট” এর ৩ দিনব্যাপী ১ম বর্ষপূর্তি সম্মেলন ও উদযাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।


শুক্রবার কক্সবাজারের একটি ফাইভ স্টার হোটেল এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 


সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জনাব ইব্রাহিম খলিল এবং উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) জনাব ফেরদৌসুর রহমান রুমী সহ মূল ৮ জন প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, পরিচালনা পর্ষদের কর্মকর্তাবৃন্দ, সম্মানিত পার্টনার এবং শেয়ারহোল্ডারগণ। 

অনুষ্ঠানটিকে আরও মহিমান্বিত করেন সম্মানিত অতিথিবৃন্দ; এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক ‘নওরোজ’ পত্রিকার সম্পাদক এবং বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক ডিআইজি।


৩ দিনব্যাপী এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণের মধ্যে ছিল প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত স্পেশাল মার্কেটিং ট্রেনিং। 


আধুনিক বিপণন কৌশল ও পেশাগত দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে এই বিশেষ সেশনটি পরিচালনা করেন দেশের জনপ্রিয় লার্নিং প্ল্যাটফর্ম স্কিলস রাইডার’ (Skills Rider)-এর ফাউন্ডার ও এমডি রাশেদুল ইসলাম।


সম্মেলনে প্রজেক্টের ভবিষ্যৎ মেগা পরিকল্পনা তুলে ধরে উদ্যোক্তারা জানান, বর্তমানে ১৭ একর জমিতে বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। 


পর্যায়ক্রমে জমি বৃদ্ধির মাধ্যমে এই প্রজেক্টটিকে মোট ২০০০ একর জমিতে বিস্তৃত করার এক বিশাল মাস্টারপ্ল্যান হাতে নেওয়া হয়েছে, যা দেশের পরিবেশবান্ধব এগ্রো-ট্যুরিজমে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।


১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বিনিয়োগকারী ও গ্রাহকদের সুবিধার্থে অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন কিছু শেয়ার প্যাকেজ উন্মোচন করা হয়। 


একই সাথে, যেসকল বিনিয়োগকারী সফলভাবে তাঁদের বিনিয়োগ সম্পন্ন করেছেন, অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র প্রদান করা হয়। 


এছাড়া প্রতিষ্ঠানের অগ্রযাত্রায় অসামান্য অবদান রাখায় সেরা পারফর্মকারী প্রতিনিধিদের বেস্ট মার্কেটার’ সম্মাননা ও বিশেষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।


সম্মেলনের সমাপনী দিনে সফল পার্টনারদের মাঝে সম্মাননা স্মারক বিতরণ এবং এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মধ্য দিয়ে ৩ দিনব্যাপী এই স্মরণীয় উদযাপনের সফল সমাপ্তি ঘটে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:৫০ এএম

চুল পড়ার সমস্যায় আমরা সাধারণত শ্যাম্পু পরিবর্তন করি বা দামি হেয়ার সিরাম ব্যবহার করি। অনেকে আবার বিভিন্ন ঘরোয়া টোটকা বা সাপ্লিমেন্ট নিতে শুরু করেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চুলের যত্নে বাইরে থেকে কী ব্যবহার করছেন তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনার শরীর ভেতরে কী ধরণের পুষ্টি পাচ্ছে। প্রতিটি চুলের গোছার বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট। এই প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব হলে বা ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে চুলের স্বাস্থ্য নষ্ট হতে পারে।


সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়ার লাইফস্টাইল বিষয়ক একটি প্রতিবেদনে এমন ৮টি খাবারের কথা উঠে এসেছে, যা অতিরিক্ত গ্রহণ করলে আপনার চুলের ক্ষতি হতে পারে:


১. মিষ্টি ও চিনিযুক্ত খাবার: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার রক্তে গ্লুকোজ ও ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এই পরিবর্তনটি এমন কিছু হরমোনকে প্রভাবিত করতে পারে যা চুলের তেলের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় এবং চুল পাতলা করে ফেলে। এছাড়া চিনি শরীরের প্রদাহ বাড়ায় যা চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।


২. ডিপ-ফ্রাইড ফাস্ট ফুড: ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, ফ্রাইড চিকেন বা চিপস জাতীয় খাবারে অস্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ক্যালোরি অনেক বেশি থাকে, কিন্তু পুষ্টিগুণ থাকে না বললেই চলে। নিয়মিত এসব খাবার খেলে শরীরে জিঙ্ক, আয়রন ও প্রোটিনের অভাব দেখা দেয়, যা চুলের স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।


৩. অত্যধিক প্রক্রিয়াজাত খাবার: ইনস্ট্যান্ট নুডলস, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস বা প্রক্রিয়াজাত মাংসে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম, রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট এবং প্রিজারভেটিভ থাকে। চুলের টিস্যু শরীরের দ্রুত বর্ধনশীল টিস্যুগুলোর অন্যতম, যার জন্য নিরবচ্ছিন্ন পুষ্টির প্রয়োজন হয়। প্রক্রিয়াজাত খাবার এই পুষ্টির জোগান দিতে ব্যর্থ হয়।


৪. পারদ সমৃদ্ধ মাছ: মাছ সাধারণত চুলের জন্য ভালো হলেও সমুদ্রের বড় শিকারি মাছ যেমন- সোর্ডফিশ, শার্ক বা কিছু বিশেষ জাতের টুনা মাছ অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়। কারণ এসব মাছে পারদ বা মার্কারির পরিমাণ বেশি থাকে, যা অতিরিক্ত গ্রহণে চুল পড়ার ঝুঁকি বাড়ে।


৫. অতিরিক্ত ভিটামিন এ: ভিটামিন এ চুল ও ত্বকের জন্য ভালো, তবে ‘বেশি মানেই ভালো’ নয়। দীর্ঘ সময় ধরে সাপ্লিমেন্ট বা ফোর্টিফাইড খাবারের মাধ্যমে অতিরিক্ত ভিটামিন এ গ্রহণ করলে চুলের ফলিকলগুলো অকালেই ঝরে পড়ার পর্যায়ে পৌঁছে যায়।


৬. অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহল শরীরকে পানিশূন্য করে ফেলে এবং জিঙ্ক ও ফোলেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়। যেহেতু চুল মূলত প্রোটিন দিয়ে তৈরি, তাই পুষ্টির এই অভাব নতুন চুলকে দুর্বল করে ফেলে।


৭. খুব কম প্রোটিনযুক্ত ডায়েট: চুল প্রধানত ‘কেরাটিন’ নামক প্রোটিন দিয়ে তৈরি। ক্রাশ ডায়েট বা ওজন কমানোর জন্য প্রোটিন জাতীয় খাবার (যেমন- ডাল, ডিম, মাছ, দুধ) বাদ দিলে শরীর অত্যাবশ্যকীয় অঙ্গগুলোকে বাঁচাতে চুলের পুষ্টি বন্ধ করে দেয়, ফলে প্রচুর চুল ঝরে যায়।


৮. রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট: সাদা পাউরুটি, পেস্ট্রি বা চিনিযুক্ত ব্রেকফাস্ট সিরিয়াল খুব দ্রুত হজম হয়ে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। সময়ের সাথে সাথে এই পরিবর্তনগুলো হরমোনের ওপর প্রভাব ফেলে এবং চুলের বৃদ্ধিতে বিঘ্ন ঘটায়।


মাঝেমধ্যে এসব খাবার খাওয়ায় কোনো সমস্যা নেই, তবে এগুলো যেন আপনার প্রতিদিনের প্রধান খাবারে পরিণত না হয়। একটি সুষম এবং পুষ্টিকর খাবারই পারে আপনার চুলকে মজবুত ও উজ্জ্বল রাখতে।

বিষয় : চুল

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:৩৭ পিএম

আজকাল দেখা যাচ্ছে একই বাড়িতে থাকেন, প্রতিদিন দেখা হয়, সংসারের সব দায়িত্বও একসঙ্গে সামলান -তারপরও দম্পতিদের মধ্যে বাড়ছে মানসিক দূরত্ব। বাইরে থেকে সবকিছু স্বাভাবিক দেখালেও ভিতরে ভিতরে তারা অনুভব করছেন একাকীত্ব। 


মনোবিদদের ভাষায়, একে বলা হয় ‘ইমোশনাল লোনলিনেস’-যেখানে একসঙ্গে থেকেও মানুষ নিজেকে একা অনুভব করেন।


বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান ব্যস্ত জীবন, প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহার এবং যোগাযোগের অভাবের কারণে এই সমস্যা আগের তুলনায় অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ঠিক কী কী কারণে স্বামী-স্ত্রীদের মধ্যে বাড়ছে দূরত্ব। 


কথোপকথন কমে যাওয়া


সম্পর্কে মানসিক দূরত্বের অন্যতম বড় কারণ হলো যোগাযোগের অভাব।দিনের বেশিরভাগ সময় কেটে যায় অফিস, সংসার, সন্তান কিংবা আর্থিক দায়িত্ব সামলাতে। ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাবার্তা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। এতে ধীরে ধীরে সম্পর্কের আবেগও কমতে থাকে।


অনুভূতিকে গুরুত্ব না দেওয়া


অনেক সময় দেখা যায় একজন হয়তো নিজের মনের কথা বলতে চান, কিন্তু অন্যজন তা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন না। বারবার এমন হলে মানুষ ধীরে ধীরে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার আর আগ্রহ পায় না। বরং ভিতরে জমতে থাকে অভিমান ও অপূর্ণতার অনুভূতি।


কথোপকথন কমে যাওয়া


সম্পর্কে মানসিক দূরত্বের অন্যতম বড় কারণ হলো যোগাযোগের অভাব।দিনের বেশিরভাগ সময় কেটে যায় অফিস, সংসার, সন্তান কিংবা আর্থিক দায়িত্ব সামলাতে। ফলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাবার্তা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। এতে ধীরে ধীরে সম্পর্কের আবেগও কমতে থাকে।


অনুভূতিকে গুরুত্ব না দেওয়া


অনেক সময় দেখা যায় একজন হয়তো নিজের মনের কথা বলতে চান, কিন্তু অন্যজন তা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন না। বারবার এমন হলে মানুষ ধীরে ধীরে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার আর আগ্রহ পায় না। বরং ভিতরে জমতে থাকে অভিমান ও অপূর্ণতার অনুভূতি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:৪৭ পিএম

ভাত বাঙালির প্রতিদিনের খাবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের মধ্যে একটি ধারণা বেশ প্রচলিত যে, ভাত মানেই কার্বোহাইড্রেট, আর কার্বোহাইড্রেট মানেই ওজন বৃদ্ধি ও রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়া। তাই অনেকে সাদা ভাত ছেড়ে ব্রাউন রাইস বা অন্য চালের দিকে ঝুঁকেন। কিন্তু সত্যি হলো, সব ধরনের চালের পুষ্টিগুণ এক নয়। চালের ধরন, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পলিশ করার মাত্রার ওপরই নির্ভর করে কোন ভাত কতটা স্বাস্থ্যকর হবে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাতে শুধু কার্বোহাইড্রেটই থাকে না। এতে ফাইবার, বি-ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খনিজও থাকতে পারে। তবে চাল যত বেশি পলিশ করা হয়, ততই এর বাইরের আবরণ বা ব্র্যান স্তর নষ্ট হয়ে যায়। আর এই স্তরেই থাকে অধিকাংশ পুষ্টি উপাদান। তাই সঠিক চাল বেছে নেওয়া যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি পরিমিত পরিমাণে খাওয়াও সমান জরুরি।


পুষ্টির শীর্ষে ব্ল্যাক রাইস

পুষ্টিগুণের দিক থেকে ব্ল্যাক রাইসকে সবচেয়ে সমৃদ্ধ চালগুলোর একটি ধরা হয়। এটি সাধারণত আনপলিশড অবস্থায় বাজারে আসে, ফলে এর প্রাকৃতিক পুষ্টি অক্ষুণ্ন থাকে।


গাঢ় কালো বা বেগুনি রঙের এই চালে রয়েছে অ্যান্থোসায়ানিন, যা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এছাড়া এতে পর্যাপ্ত ফাইবার, আয়রন, ভিটামিন ই এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান পাওয়া যায়। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ব্ল্যাক রাইস খেলে শরীরের প্রদাহ কমাতে, কোষের ক্ষয় রোধ করতে এবং দীর্ঘমেয়াদে হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে।


ফাইবার ও মিনারেলে ভরপুর লাল চাল

লাল চালও তুলনামূলকভাবে কম প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এতে রয়েছে ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বি-কমপ্লেক্স ভিটামিন।


যারা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে চান বা ধীরে ধীরে শক্তি পেতে চান, তাদের জন্য লাল চাল একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। এটি হজম প্রক্রিয়াকেও তুলনামূলক ধীর করে, ফলে রক্তে শর্করার ওঠানামাও কিছুটা নিয়ন্ত্রিত থাকে।


স্বাস্থ্যসচেতনদের জনপ্রিয় পছন্দ ব্রাউন রাইস

ব্রাউন রাইসের জনপ্রিয়তা গত কয়েক বছরে অনেক বেড়েছে। কারণ এটি পলিশ করা হয় না এবং চালের বাইরের ব্র্যান স্তর অক্ষত থাকে।


এতে ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং বিভিন্ন ভিটামিন পাওয়া যায়। ব্রাউন রাইস ধীরে হজম হয় বলে দীর্ঘ সময় ক্ষুধা কম লাগে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে কিংবা সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে চাইলে এটি ভালো বিকল্প হতে পারে।


সুগন্ধের সঙ্গে পুষ্টিতে সমৃদ্ধ বাসমতি চাল

বাসমতি চাল শুধু সুগন্ধের জন্যই নয়, তুলনামূলক কম গ্লাইসেমিক সূচকের কারণেও অনেকের কাছে জনপ্রিয়।

বাসমতির দুটি ধরন রয়েছে-সাদা ও বাদামি। বাদামি বাসমতি রাইসে ফাইবার ও খনিজ উপাদান বেশি থাকে, কারণ এটি কম প্রক্রিয়াজাত। অন্যদিকে সাদা বাসমতি চাল পলিশ করা হলেও এতে অ্যামাইলোজ তুলনামূলক বেশি থাকে, যা সাধারণ সাদা চালের তুলনায় কিছুটা ধীরে হজম হয়।


বিরিয়ানি, পোলাও কিংবা ফ্রায়েড রাইসের জন্য বাসমতি চালের ব্যবহার বেশি হলেও প্রতিদিনের খাবার হিসেবেও এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।


বেশি খাওয়া হয় সাদা চাল

আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয় সাদা চালের ভাত। তবে এটি সবচেয়ে বেশি পলিশ করা হয় বলে এর বাইরের পুষ্টিকর স্তর প্রায় পুরোপুরি অপসারণ করা হয়। ফলে ফাইবার, ভিটামিন এবং অনেক খনিজ উপাদান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। তবে এর একটি সুবিধা হলো এটি দ্রুত রান্না হয় এবং সহজে হজম হয়।


তাই সাদা চাল সম্পূর্ণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে পরিমিত পরিমাণে সাদা ভাতের সঙ্গে ডাল, শাকসবজি, মাছ, ডিম বা মাংস যোগ করলে সেটিও একটি সুষম খাবারে পরিণত হতে পারে।


কোন চাল খাবেন?

যদি সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ চান, তাহলে ব্ল্যাক রাইস বা লাল চাল খেতে পারেন। প্রতিদিনের জন্য ব্রাউন রাইসও উপকারী। বাসমতি চাল স্বাদ ও তুলনামূলক কম গ্লাইসেমিক সূচকের কারণে ভালো পছন্দ হতে পারে। আর সাদা চাল খেতে চাইলে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অবশ্যই প্রোটিন ও শাকসবজির সঙ্গে খাওয়ার চেষ্টা করুন।


স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস শুধু চালের ধরন দিয়ে নির্ধারিত হয় না। আপনি কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন, কী দিয়ে খাচ্ছেন এবং আপনার দৈনন্দিন জীবনযাপন কেমন এসব বিষয়ও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:৩৯ এএম

স্টমাক ওয়াশ বা গ্যাস্ট্রিক ল্যাভাজ হলো বিশেষ নল দিয়ে পাকস্থলীর ভেতরের বিষাক্ত পদার্থ বের করার চেষ্টা। উদ্দেশ্য হলো, বিষ শরীরে আরও শোষিত হওয়ার আগেই পাকস্থলী থেকে তা যতটা সম্ভব সরিয়ে ফেলা।


তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিষ পাকস্থলী থেকে অন্ত্রে চলে যায় এবং শরীরে শোষিত হতে শুরু করে। তাই সময় এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


সময়


সাধারণত বিষ গ্রহণের এক ঘণ্টার মধ্যে রোগী হাসপাতালে এলে এবং বিষের পরিমাণ সম্ভাব্যভাবে প্রাণঘাতী হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক স্টমাক ওয়াশ বিবেচনা করতে পারেন।


তবে এটিকে কোনো ‘নির্দিষ্ট নিয়ম’ হিসেবে মনে করা যাবে না। রোগীর অবস্থা, কী বিষ খেয়েছেন, কতটা খেয়েছেন এবং কতক্ষণ আগে খেয়েছেন—সবকিছু বিবেচনা করা হয়।


কেন সব সময় করা হয় না


 স্টমাক ওয়াশের কিছু গুরুতর ঝুঁকি রয়েছে। এতে—


> খাবার বা পাকস্থলীর তরল ফুসফুসে ঢুকে যেতে পারে।


> শ্বাসনালিতে খিঁচুনি


> অক্সিজেন কমে যাওয়া


> হৃদ্‌যন্ত্রের ছন্দের সমস্যা


> এমনকি গলা বা খাদ্যনালির আঘাতও হতে পারে


তাই রোগীর জ্ঞান কমে গেলে বা নিজের শ্বাসনালি সুরক্ষিত রাখার ক্ষমতা না থাকলে, বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া স্টমাক ওয়াশ করা বিপজ্জনক।


কোন ক্ষেত্রে করা যাবে না?


অ্যাসিড বা ক্ষারজাতীয় ক্ষয়কারী পদার্থ পান করলে স্টমাক ওয়াশ করা উচিত নয়। এতে ক্ষত আরও বাড়তে পারে। একইভাবে কেরোসিন বা উচ্চমাত্রায় ফুসফুসে ঢুকে যাওয়ার ঝুঁকিযুক্ত হাইড্রোকার্বন পান করলেও সাধারণত এটি এড়ানো হয়।


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা, বাড়িতে কখনো নিজে থেকে বমি করানো বা নল ঢুকিয়ে স্টমাক ওয়াশ করার চেষ্টা করবেন না।


এমন রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান এবং কী বিষ, কতটা এবং কখন খাওয়া হয়েছে—এই তথ্য চিকিৎসককে জানান। সময়মতো সঠিক চিকিৎসাই জীবন বাঁচাতে পারে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৮:১৫ পিএম

বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৃথিবীর বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে  আগামী ৩০,  ৩১ ও ১ লা আগস্ট ৩ দিনব্যাপী এবং ২ রাত ৩ দিনের এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমন্ত্রিত অতিথি, অংশীদারবৃন্দ,  শুভানুধ্যায়ী, উদ্যোক্তা ও সম্মানিত সদস্যরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।


অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে কক্সবাজারের হোটেল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনালে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে থাকবে কেক কাটা, আলোচনা সভা, সম্মাননা প্রদান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন, মতবিনিময় সভা এবং অংশগ্রহণকারীদের জন্য বিভিন্ন আনন্দঘন আয়োজন।



বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্টের প্রতিষ্ঠাতা ও সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিষ্ঠার এক বছরে প্রতিষ্ঠানটি কৃষিভিত্তিক পর্যটন, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছে। আগামী দিনগুলোতে আরও বৃহৎ পরিসরে কার্যক্রম সম্প্রসারণের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।




বাংলাদেশ এগ্রো রিসোর্ট পরিবারের পক্ষ থেকে সকল শুভাকাঙ্ক্ষী, সদস্য ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর