• প্রকাশ : শনিবার ০৬ জুন, ২০২৬, সময় : ৩:৩৫ এএম

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীকে নিয়ে আবেগঘন একটি বার্তা শেয়ার করেছেন আলোচিত উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী । 


বিয়ের বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!’ তাঁর এ পোস্ট ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।


চ্যানেল আইয়ের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘টু দ্য পয়েন্ট’, ‘স্ট্রেইট কাট’সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দর্শকের কাছে পরিচিতি পাওয়া দীপ্তি চৌধুরীর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা আজ শুক্রবার সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকার বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় দুই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ অনুষ্ঠিত হয়। পারিবারিক আয়োজনে সম্পন্ন হওয়া এ অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন।


দীপ্তি চৌধুরীর স্বামীর নাম মুশতাক ইবনে আইয়ুব। পেশায় তিনি শিক্ষক ও গবেষক। উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছেন তিনি। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করার পর বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন একাডেমিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও যুক্ত।


বিয়ের খবরটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরীর পরিবারের এক সদস্য বলেন, ‘আজ আক্দ হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বড় আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় সবাইকে দাওয়াত দেওয়া হবে। সবার কাছে দীপ্তির নতুন জীবনের জন্য দোয়া চাই।’


এরপর সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বিয়ের আরও কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন দীপ্তি। ছবিগুলোতে নবদম্পতিকে হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত মুহূর্তে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে স্বামীকে ‘মাস্টার সাহেব’ সম্বোধন করে লেখা তাঁর আবেগঘন বার্তাটি দ্রুতই নজর কাড়ে নেটিজেনদের।


পোস্টের মন্তব্যের ঘরেও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বন্যা বইছে। সহকর্মী, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নবদম্পতির সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

বিয়ের খবর প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীপ্তি চৌধুরীকে ঘিরে আলোচনা চলছে। অনেকেই তাঁর নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়ে পোস্ট ও মন্তব্য করছেন। নতুন এ অধ্যায়ে পা রাখা দীপ্তি ও মুশতাক ইবনে আইয়ুবের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন তাঁদের ভক্ত-অনুরাগীরাও।


প্রসঙ্গত, দীপ্তির ব্যবহৃত বাক্যটি মূলত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় উপন্যাসের সংলাপের অনুকরণে লেখা। মূল লেখায় হুমায়ূন আহমেদ লিখেছিলেন, ‘ডাক্তার সাহেব, তুমি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছ! তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব।’ সাহিত্যপ্রেমীদের কাছে বহুল পরিচিত এ সংলাপকে নিজের বাস্তব জীবনের আবেগের সঙ্গে মিলিয়ে ‘ডাক্তার সাহেব’-এর জায়গায় ‘মাস্টার সাহেব’ ব্যবহার করেছেন দীপ্তি। ফলে তাঁর বিয়ের ছবির সঙ্গে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত বার্তাটি শুধু ভালোবাসার প্রকাশই নয়, হুমায়ূন আহমেদের সাহিত্যজগতের প্রতি একধরনের নস্টালজিক ইঙ্গিত বললে বাড়াবাড়ি হবে না।




সালমান খান

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:২৬ পিএম

বলিউড সুপারস্টার সালমান খান ও তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে দায়ের করা এক মামলায় আদালত তাকে তলব করেছেন। একই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে তার বোন আলভিরা অগ্নিহোত্রীকেও। 


বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চণ্ডীগড়ের ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্তা অভিযোগ করেছেন, সালমান খানের দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘বিয়িং হিউম্যান’-এর নাম ব্যবহার করে তাকে গয়নার শোরুম খুলতে উৎসাহিত করা হয়। কিন্তু ব্যবসা শুরুর পর চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন। 


অরুণ গুপ্তার দাবি, শোরুমে তার মোট ৩ কোটি রুপি বিনিয়োগ ছিল। ব্যবসা শুরুতেই প্রায় ১ কোটি রুপি ব্যয় হয়। তবে ‘বিয়িং হিউম্যান’-এর জুয়েলারি বিক্রির লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেড প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সহায়তা না করায় ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে শোরুমটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন তিনি।


তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে সালমান খানের পক্ষ। তাদের দাবি, অরুণ গুপ্তার সঙ্গে সালমানের কোনো প্রত্যক্ষ চুক্তি ছিল না। তিনি কেবল ব্র্যান্ডের লাইসেন্স ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। 


মামলাকারীর আরও দাবি, ‘বিগ বস’-এর সেটে সালমান খানের সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল এবং শোরুম উদ্বোধনে যাওয়ার আশ্বাসও পেয়েছিলেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হয়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সালমান খান বা আলভিরা অগ্নিহোত্রী প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। 


আদালত আগামী ৫ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন। একই সঙ্গে স্টাইল অ্যান্ড কনটেন্ট জুয়েলারি প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালকদের পাশাপাশি সালমান খান ও আলভিরা অগ্নিহোত্রীকেও তলব করা হয়েছে।


বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে সংগীতশিল্পী রুনা লায়লার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন আয়োজনের প্রধান অতিথি সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। ছবি: বাসস

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৪ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:০০ এএম

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে ৬২ বছর পর গান গাইলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। এ সময় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে শিল্পীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।


সুরের মূর্ছনায় দর্শকে মোহিত করে অগণিত শ্রোতাদের মুগ্ধ করলেন কিন্নরকণ্ঠী। বানভাসি অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগীত পিপাসুদের হৃদয় জয় করে নিলেন তিনি।


‘শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাবো’ শিরোনামের এই একক সংগীতানুষ্ঠানে নিজের জনপ্রিয় ও কালজয়ী দশটি গান গেয়ে শোনান দেশবরেণ্য এই শিল্পী।


দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা ও জনপ্রিয় সংগীত তারকা ৭৪ বছর বয়সি রুনা লায়লা সংগীত ভুবনের এক দীপশিখা। তিনি প্রমাণ করেছেন সংগীত কেবল বিনোদনের অনুষঙ্গ নয়, এটি হয়ে উঠেছে সৌন্দর্যবোধ, মানবিকতা ও দেশাত্মবোধের মেলবন্ধন।


পুরো অনুষ্ঠানে শুধু একটি কথাই প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল- কেমন করে সাবলীলভাবে এসব গান গাইলেন, কেউ কেউ বলেছেন- রুনা লায়লার তুলনা রুনা লায়লাই। ক্যারিয়ারে কণ্ঠ থেকে তিনি যে সুর ছড়িয়েছেন, সেই সুরে তারুণ্যের উন্মাদনাই ফুটে উঠেছে। শিল্পকলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার ৫৪ বছরের ইতিহাসে এটাই রুনা লায়লার প্রথম একক সংগীতানুষ্ঠান।


দেশাত্মবোধক গান দিয়ে শুরু করেন রুনা লায়লা ‘শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাবো’ অনুষ্ঠান। একে একে নিজের জনপ্রিয় দশটি গান পরিবেশন করেন। 


বন্যার্ত মানুষের সাহায্যার্থে শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এগিয়ে আসেন কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী রুনা লায়লা।


শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিনের সভাপতিত্বে এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। 


বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, সচিব কানিজ ফাতেমা।


মিলনায়তনের ভেতর ও বাইরে কানায় কানায় পূর্ণ আসরে তার প্রতিটি গানের পরিবেশনা শেষে নাট্যজন আফজাল হোসেনের উপস্থাপনায় দর্শক শ্রোতাদের মুহুর্মুহু করতালি ও করতালির মাধ্যমে গানের আবেদন শিল্পীকে প্রশংসার জোয়ারে ভাসিয়েছে।


সালমান খান

  • প্রকাশ : সোমবার ০৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:১৯ পিএম

বলিউড সুপারস্টার সালমান খান এবার প্রকাশ্যে জানালেন জেলে কাটানো সময়ের অভিজ্ঞতা। রিয়েলিটি শো অ্যালায়েন্স-এ ভাই সোহেল খানকে সমর্থন জানাতে গিয়ে কারাগারের কঠিন পরিবেশের কথা তুলে ধরেন তিনি।


সম্প্রতি প্রকাশিত শো-টির একটি প্রোমোতে সালমান বলেন, 'অনেক বছর আগে যখন আমি জেলে ছিলাম, তখন আমাদের সামনে লোহার গ্রিল ছিল। খুব ছোট একটি জায়গায় ৬০-৭০ জন মানুষ থাকত। সবার জন্য ছিল মাত্র একটি ভারতীয় স্টাইলের বাথরুম। সেখানে কখনও টিকটিকি থাকত, আবার অনেক সময় পানি ও ময়লায় ভরে থাকত।'


এর আগে পডকাস্টেও বলেছিলেন জেলের অভিজ্ঞতা জানিয়েছিলেন সালমান। চলতি বছরের শুরুতে ভাগ্নে আরহান খানের পডকাস্ট ডাম্ব বিরিয়ানিতে জেলে থাকার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেছিলেন সালমান।


সেখানে তিনি বলেন, 'অনেকে বলে থাকেন আমি ক্লান্ত। এটা নিয়ে মানুষ হতাশায় ডুবে যায় কিন্তু আমি বলি, উঠে দাঁড়াও। যতই ক্লান্ত হও না কেন, কাজ করো। অনেকে বলে ঘুম হয় না। আমি বলি, ঘুমিও না, কাজ করো। দেখবে নিজে থেকেই ঘুম চলে আসবে। এসব অজুহাত আমি বুঝি না।'


সালমান খানের ভাষায়, 'আমি সাধারণত দেড় থেকে দুই ঘণ্টা ঘুমাই। মাসে একদিন হয়তো সাত ঘণ্টা ঘুম হয়। শুটিংয়ের ফাঁকে পাঁচ মিনিট সময় পেলেও চেয়ারেই ঘুমিয়ে নিই। আর এমন জায়গায়, যেখানে কিছুই করার ছিল না-যেমন জেলে-সেখানেই ঘুমিয়েছি। কারণ সেখানে করার মতো আর কিছুই ছিল না।'


তিনি আরও বলেন, ‘কাজ কিংবা পরিবারের ক্ষেত্রে সব সময় চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। পরিবার, বন্ধু এবং নিজের কাজের পাশে থাকাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’


১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার (ব্ল্যাকবাক) শিকার মামলায় সালমান খানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ২০০৬ সালে এই মামলায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই জামিন পান। 


পরে ২০১৮ সালে একই মামলার একটি রায়ে আবারও তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সে সময় কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর তিনি পুনরায় জামিনে মুক্তি পান।


সূত্র: এনডিটিভি


ইলিয়াস কাঞ্চন

  • প্রকাশ : সোমবার ০৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৩৬ পিএম

যুক্তরাজ্যে ১৫ মাসের বেশি সময়ের চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন। 


আজ সোমবার বিকেল পাঁচটার দিকে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। খবরটি নিশ্চিত করেছেন নিসচার ভাইস চেয়ারম্যান লিটন এরশাদ। তিনি বলেন, ‘রোববার বাংলাদেশ সময় গভীর রাতে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে মেয়ে ও জামাতাকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই। আজ বিকেল পাঁচটায় তাকে বহনকারী উড়োজাহাজটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা।’


ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে গত বছরের এপ্রিলে থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। সেখানকার হাসপাতাল ও মেয়ে ইমা ইসলামের বাসায় থেকে চলে তার চিকিৎসা। 


গত বছরের আগস্টে লন্ডনের একটি হাসপাতালে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। চিকিৎসকেরা টিউমারের একটি বড় অংশ অপসারণ করলেও ঝুঁকির কারণে পুরো টিউমার সরাতে পারেনি। পরে চিকিৎসক জানান, তার ব্রেন ক্যানসারের কথা।


পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন করে ১২ সপ্তাহের চিকিৎসায় মধ্যে প্রায় ৬০টির বেশি কেমোথেরাপি নিতে হয়েছে এই অভিনেতাকে। এরপর তিন মাসের প্রথম ধাপের ওরাল থেরাপি শেষ করে তিনি দ্বিতীয় ধাপের আরও তিন মাসের ওরাল থেরাপি নিয়েছেন। তিন ধাপে সব মিলিয়ে মোট শ খানেক কেমোথেরাপি নিয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন।


লিটন এরশাদ বলেন, ‘দেড় বছরের বেশি সময় ধরে দেশে বাইরে থাকতে থাকতে ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই অস্থির হয়ে ওঠেছেন। দেশে ফেরার জন্য তার মন টানছিল। পরিবারকেও বলছিলেন, তৃতীয় ধাপের থেরাপি যেহেতু শেষ হয়েছে, কয়েক মাসের জন্য দেশে ফিরতে চান। কাঞ্চন ভাইয়ের ইচ্ছাতে তাকে দেশে আনা হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। অবস্থার উন্নতিও খুব একটা নেই। তৃতীয় ধাপের থেরাপি গত ৩০ জুলাই শেষ হয়েছে। এরপর আবার তার নতুন চিকিৎসা শুরু হবে। তার আগে দেশে কিছুদিন কাটাতে চাইছেন।’


কতদিন দেশে থাকবেন-এ প্রশ্নে লিটন বলেন, ‘ইলিয়াস কাঞ্চন ভাই সম্ববত ৭ থেকে ১০ দিন দেশে অবস্থান করবেন। এরপর আবার যুক্তরাজ্যে যাবেন।’


সাদিয়া জাহান প্রভা।

  • প্রকাশ : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৪৭ পিএম

অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। তবে মাঝেমধ্যেই স্যোশাল মিডিয়ায় রহস্যময় পোস্ট করে ভক্তদের কৌতূহলে রাখেন তিনি। এবারও তেমনই এক আবেগঘন বার্তা দিয়ে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী।


সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে কয়েকটি নতুন ছবি প্রকাশ করেছেন প্রভা। ছবিগুলোতে সফট প্যাস্টেল রঙের পোশাক, মিনিমাল সাজ এবং স্নিগ্ধ এথনিক লুকে ধরা দিয়েছেন তিনি। খোলা চুলে গোলাপি-সাদা সালোয়ার-কামিজে তার উপস্থিতি নজর কেড়েছে ভক্তদের।


তবে ছবির চেয়েও বেশি আলোচনায় এসেছে ক্যাপশনটি। সেখানে প্রভা লিখেছেন, ‘তোমাকে ছাড়া এখনও বেঁচে আছি। আবার দেখা হবে- সেই দিনটির অপেক্ষায় প্রতিটি দিন গুনছি।’


কার উদ্দেশে এমন আবেগঘন বার্তা লিখেছেন, সে বিষয়ে কিছুই জানাননি অভিনেত্রী। ফলে পোস্টটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। অনেকেই ধারণা করছেন, প্রিয় কোনো মানুষকে উদ্দেশ্য করেই হয়তো এই কথাগুলো লিখেছেন। তবে এ বিষয়ে প্রভার পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।


প্রকাশিত ছবিগুলোতে কখনো পার্কের বেঞ্চে বসে, কখনো ফুলের দিকে হাত বাড়িয়ে, আবার কখনো রাস্তার পাশে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে দেখা গেছে তাকে। সব মিলিয়ে তার স্বাভাবিক ও নান্দনিক উপস্থিতি ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।


এদিকে অভিনয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রভা। সম্প্রতি তিনি ফয়েজ আহমেদ রেজা পরিচালিত ‘লুক আ লাইক’ শিরোনামের একটি ফিকশনে অভিনয় করেছেন। ফিকশনটি শিগগিরই বঙ্গ প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।


শ্রেয়া কালরা, রাম কাপুর ও গৌতমী কাপুর

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:১৯ পিএম

রিয়েলিটি শো 'লক আপ: সাচ ইয়া সাজা’র দ্বিতীয় মৌসুম' নতুন মোড় নিয়েছে আলোচিত বিতর্ক। পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের বিশেষ পর্বে প্রতিযোগী রাম কাপুরের স্ত্রী অভিনেত্রী গৌতমী কাপুর শোতে এসে সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরার কাছে স্বামীর আচরণের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।


কয়েক সপ্তাহ ধরে ‘লক আপ ২’-এ রাম কাপুরের আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরা অভিযোগ করেন, রাম কাপুর একাধিকবার তাঁর ব্যক্তিগত পরিসীমা অতিক্রম করেছেন। বিভিন্ন টাস্ক শেষে তাঁর গালে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে চুম্বন করায় তিনি অস্বস্তি বোধ করেন বলেও জানান।


একটি পর্বে শ্রেয়া ও সহপ্রতিযোগী শিল্পা শিন্দে বলেন, ‘একটু সীমারেখা বজায় রাখুন। আমার বাবা পর্যন্ত আমাকে এত চুমু দেন না। দয়া করে এখন আর আমাকে চুমু দেবেন না।’ 


তাঁর এই মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিতর্কের শুরুতে গৌতমী কাপুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে স্বামীকে সমর্থন করেছিলেন। সেখানে তিনি রামকে ‘খুবই ভালো মনের মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন। তবে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের পর্বে তাঁর অবস্থানে পরিবর্তন দেখা যায়।


শ্রেয়ার প্রেমিক ঋষভ জয়সওয়ালের সঙ্গে শোতে প্রবেশ করে গৌতমী সরাসরি শ্রেয়ার কাছে যান। দুই হাত জোড় করে তিনি বলেন, ‘আপনার যদি কোনো কষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে ক্ষমা করবেন। রাম যদি আপনাকে অনুচিতভাবে স্পর্শ করে থাকেন, তাহলে তাঁর পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাইছি।’


শুধু শ্রেয়ার কাছেই নয়, অনুষ্ঠানের অন্য কোনো নারী প্রতিযোগীও যদি রাম কাপুরের আচরণে অস্বস্তি বোধ করে থাকেন, তাঁদের কাছেও ক্ষমা চান গৌতমী। তবে একই সঙ্গে গৌতমী বলেন, ‘আমি ওর পক্ষ নিয়ে সাফাই গাইছি না। ওর স্বভাবটাই এমন।’ 


গৌতমীর ক্ষমা প্রার্থনা ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেন শ্রেয়া কালরা। হাসিমুখে তিনি জানান, এ নিয়ে তাঁর মনে কোনো ক্ষোভ নেই।


রাম কাপুরের আচরণ নিয়ে বিতর্ক এখনো দর্শকদের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। গৌতমীর এই প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এখন দেখার বিষয়, শোয়ের পরবর্তী পর্বগুলোতে এই ঘটনার কী প্রভাব পড়ে।