অভিযুক্ত শিক্ষক পলাশ সাহা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৩:৪৭ পিএম

সাভারের ঢাকা–আরিচা মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ভাঙচুর ও চালককে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষক পলাশ সাহা আইবিএ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।


বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক (ডেইরি গেট) সংলগ্ন মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।


প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, সাভার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ডেইরি গেট এলাকায় যাত্রী নামানোর জন্য থামানো হয়। এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষক মোটরসাইকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলে পাশ দিয়ে একটি পিকআপ ভ্যান চলে আসায় হঠাৎ ব্রেক কষেন এবং মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি বাসে উঠে চালকের কাছ থেকে চাবি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। চালক চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানালে শিক্ষক তার হাতে থাকা হেলমেট দিয়ে বাসের জানালার কাঁচ ভাঙচুর করেন।


এতে ভাঙা কাঁচের আঘাতে বাসচালকের মাথা কেটে রক্তপাত হয় এবং বাসে থাকা এক নারী যাত্রীর আঙুল ভেঙে যায়। পাশাপাশি তার মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।


আহত বাসচালক ও নারী যাত্রীকে তাৎক্ষণিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে চালককে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হলে প্রক্টরের সঙ্গে আলোচনার সময় অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীরা তাকে ডেইরি গেট পর্যন্ত বাসে পৌঁছে দেন।


তবে অভিযোগ রয়েছে, বাসে ওঠার সময় শাখা ছাত্রদল নেতা মো. জাবেরের নেতৃত্বে আইবিএ বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী পুনরায় বাসচালককে মারধর করে এবং আবারও ক্ষমা চাইতে বাধ্য করে। অভিযুক্ত মো. জাবের শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও মওলানা ভাসানী হলের বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫১তম ব্যাচের আইবিএ বিভাগের শিক্ষার্থী।




বাসচালক তারেক চৌধুরী বলেন, আমাকে কয়েকবার মারধর করা হয়েছে। আমি কিছুই করিনি, তারপরও আমাকে সবার সামনে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। ভুক্তভোগী হয়েও অপরাধীর মতো দাঁড় করানো হয়েছে। চিকিৎসার জন্য সামান্য টাকা দেওয়া হলেও পরে আবার ছাত্ররা আমাকে হুমকি ও মারধর করে।



অন্যদিকে, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মো. জাবের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো হামলায় জড়িত ছিলাম না। আমাদের শিক্ষক আহত হয়েছেন শুনে আমরা সেখানে যাই এবং তাকে মেডিকেলে নিয়ে যাই।


তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে ছাত্রদল নেতা মো. জাবেরের নেতৃত্বে কয়েকজন শিক্ষার্থী পুনরায় বাসে উঠতে দেখা যায়। তবে জাবের ছাড়া বাকিদের পরিচয় সনাক্ত করা যায় নি।



এদিকে আহত নারী যাত্রীর আঙুল ভেঙে যাওয়ায় এক্স-রে করানোসহ উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।


আহত নারী যাত্রীর বাবা গণমাধ্যমকে বলেন, বাসটি তখন থামানো ছিল। শিক্ষক নিজেই গাড়ি ব্যাক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারান। এতে বাসের কোনো দোষ ছিল না। পরিচয় দেওয়ার পরও তিনি উগ্র আচরণ করেন এবং হেলমেট দিয়ে বাসের কাঁচ ভেঙে ফেলেন। এতে আমার মেয়ের আঙুল ভেঙে গেছে, মাথা ফুলে গেছে এবং ড্রাইভারের মাথাও ফেটে গেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। 


এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাশ সাহা বলেন, বাসটি রাস্তার মাঝখানে ছিল। পিকআপ থেকে নিজেকে বাঁচাতে গিয়ে আমি পড়ে যাই। রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। শিক্ষক হিসেবে এটা আমার করা ঠিক হয়নি। আমি আমার ভুল স্বীকার করছি।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম রাশিদুল আলম বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। পরে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।


উল্লেখ্য, এর আগেও গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ২টার দিকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ হলের ছাদে মদ ও গাঁজা সেবনকালে শিক্ষার্থীদের হাতে ধরা পড়েন মো. জাবের। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিচারকার্য চলমান রয়েছে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:০৫ পিএম

নানান আয়োজনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী পালিত হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টা ২০ মিনিটে প্রশাসন ভবন চত্বরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং আনন্দের প্রতীক বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.কে.এম মতিনুর রহমান। 


দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নেতৃত্বে প্রশাসন ভবন চত্বর থেকে একটি আনন্দ র‍্যালি বের হয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে টিএসিসি মিলনায়তনে এসে আলোচনা সভায় সমবেত হয়। এসময় শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা, ছাত্র-শিক্ষকদের জুলাই বিপ্লবের ভূমিকা নিয়ে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন ও শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া করা হয়।


অনুষ্ঠানে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় এবং জুলাই ৩৬ এর ২য় বর্ষ পালন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস শাহীদ মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক। এছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় সভাপতি, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সমিতি ও সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে  গ্রেফতারকৃত শিক্ষার্থী, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও শিক্ষক-কর্মকর্তার সংগঠনের প্রতিনিধিসহ অন্যান্য অতিথিরা বক্তব্য রাখেন।


অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. মতিনুর রহমান বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে যারা নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে নিজের জীবনকে তুচ্ছ করে দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন, তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদের প্রতি সমবেদনা; তাদের পরিবারের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। একই সাথে এই বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্বাধীনতার দিন থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনে অন্যায়ভাবে যাদেরকে গুম ও হত্যা করা হয়েছে, তারাসহ সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, যিনি এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা রেখেছেন। সেই সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণে যে সকল প্রাজ্ঞ ব্যক্তি চিন্তা করেছেন, দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা দিয়েছেন, তাদেরও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।


তিনি আরও বলেন, বিপ্লবের সময়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়াটা মোটেই কোনো সহজ বিষয় ছিল না, অনেক কঠিন বিষয় ছিল।

আমরা ২৪ জুলাই ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিস্ট তাড়িয়েছিলাম; আজ আবার নতুন করে শপথ গ্রহণ করি। আমি মনে করি যে জুলাই একটি আবেগ ছিল, কিন্তু পুরোটাই যদি আবেগের বশবর্তী হয়, তাহলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে। আমরা যদি সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি, ইনশাআল্লাহ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে লক্ষ্য—আমি আগেও বলেছি, আজও এই ৫ আগস্টের ৩৬ জুলাই উপলক্ষে বলতে চাই—সেই লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যকে ধারণ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এদেশ আমাদের। এ দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন, এ দেশটাকে আমরা ভালোবাসি, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হই, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, সমালোচনা থাকবে এবং সেটি আমরা অব্যাহত রাখব।


এরপরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়ামে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও হলসমূহের মধ্যে প্রীতি ভলিবল প্রতিযোগিতা ও মহিলাদের মধ্যে পিলো পাসিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ সব খবর

জাককানইবি উপাচার্য ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫৯ পিএম

“জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস এক অর্থে গণতন্ত্র পুনরুত্থান দিবস। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে কাজ করতে হবে।” জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।


তিনি বলেন, জুলাই একদিকে আনন্দঘন, অন্যদিকে বেদনাবিধুর। এই মাস দেশের জন্য আত্মত্যাগের স্মারক। “জুলাই মানে সন্তানহারা মা-বাবার বুকফাটা কান্না, ভাইহারা বোন ও বোনহারা ভাইয়ের কান্না। পৃথিবীতে সবচেয়ে প্রিয় জিনিস মানুষের জীবন। অথচ দেশের প্রয়োজনে এ দেশের মানুষ নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। জুলাইয়ের শহিদরা জীবন দিয়ে মৃত্যুকে জয় করেছেন।”





উপাচার্য আরও বলেন, ছাত্র-শিক্ষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সার্বজনীন আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল। সেই চেতনাকে ধারণ করে সব ধরনের বিভেদ ও বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে বিশ্ববিদ্যালয়কে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে হবে। একই সঙ্গে বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।


এর আগে বক্তব্যের শুরুতে তিনি জুলাইসহ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে দেশের জন্য আত্মাহুতি দেওয়া ব্যক্তিদের এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়াকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।



জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার এবং আইন অনুষদের ডিন মুহাম্মদ ইরফান আজিজ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন ও উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামাল। স্বাগত বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসান এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম।


আলোচনা সভায় বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এবং অনেকে তাঁদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।


এর আগে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি বিজয় র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জুলাই স্কয়ারে গিয়ে শেষ হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে নির্মিতব্য প্রস্তাবিত জুলাই সোপানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:০৪ পিএম

‎বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আয়োজনে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। 

জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহর সঞ্চালনায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকবৃন্দ। 

চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ক,খ,গ,ঘ মোট চারটি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রতিটি বিভাগ থেকে তিনজন করে মোট ১২ জন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করা হয়।

"ক" দলে নার্সারী থেকে ২য় শ্রেণী পর্যন্ত শিশুরা অংশ নেয় এবং এতে ১ম স্থান অধিকার করে শিশু নিকেতনের রাইয়ান আদিয়ান, ২য় স্থান অধিকার করে একই বিদ্যালয়ের ওয়াসিফা রহমান ইনারা এবং ৩য় স্থান অধিকার করে ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজের খাদিজা তুজ তাহিরা। 

"খ" দলে ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অংশ নেয় এবং এতে ১ম স্থান অধিকার করে কে বি হাই স্কুলের ৫ম শ্রেণীর ছাত্র মোঃ শায়ান হোসেন, ২য় স্থান অধিকার করে একই বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র জারিফ আরিয়ান এবং ৩য় স্থান অধিকার করে একই বিদ্যালয়ের নেহরিন ইঞ্জিলা সাত্তার। 

"গ" দলে ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। ১ম স্থান অধিকার করে ইউনিক প্রগ্রেসিভ স্কুলের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী তানিশা তাবাসসুম ইথা, ২য় স্থান অধিকার করে ইউনিক প্রগ্রেসিভ স্কুলের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী শ্রেয়া মন্ডল অন্বেষা এবং ৩য় স্থান অধিকার করে বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী তাসনিম হোসেন রাইসা।

"ঘ" দলে ৯ম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।১ম স্থান অধিকার করে ভবেখালি দাখিল মাদ্রাসার ১০ম শ্রেণীর ফাতিমাতুজ জাহরা, ২য় স্থান অধিকার করে কে বি হাই স্কুলের ৯ম শ্রেণীর ছাত্র সামিন নিহাল এবং বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয় কে বি হাই স্কুলের জাইমা ইসলামকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তোমাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ছাত্র-জনতা ও সর্বস্তরের মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদের বিদায় হয়েছে। এ গণঅভ্যুত্থান থেকে অর্জিত চেতনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সর্বদা সচেতন থাকতে উদ্বুদ্ধ করবে।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৫১ পিএম

জুলাই’২৪ গণঅভ্যুত্থানের গৌরবময় স্মৃতি ও চেতনাকে ধারণ করে আয়োজিত দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ( বাকৃবি) বিজয় শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার(৫ আগষ্ট) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আয়োজনে এটি অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখ থেকে শুরু করে কৃষি অনুষদের করিডোর হয়ে কৃষি অনুষদ ছাত্র সমিতির সামনে গিয়ে শেষ হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় অংশ নেন রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো: হেলাল উদ্দীন, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো: শহীদুল হক, সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ সহ বিশ্ববিদ্যলয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্র প্রতিনিধিরা।

শোভাযাত্রা শেষে সকলের উদ্দেশ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, "ছাত্রজনতার বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনর সূত্র ধরেই এদেশের সাধারন জনগন রাজপথে নেমেছিল ফ্যাসিবাদী সরকারকে প্রতিহত করার জন্য। এদেশের মানুষের উপরে নির্যাতন, নিপীড়ন, হেলিকপ্টার থেকে গরম পানি নিক্ষেপ থেকে শুরু করে এমন কিছু নেই যেটা সেই ফ্যাসিবাদী সরকার করেনি।"

তিনি আরও বলেন, "তারা এখনো নানা বিধি চেষ্টা করছে এই অর্জনকে ধূলিসাৎ করার। কিন্তু এদেশের নিপীড়িত মানুষ আর কখনোই তাদেরকে বাংলার মাটিতে মেনে নিবে না।"

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৪৮ এএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) বায়োইনফরমেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের প্রথম ইন্টার্নশিপ থেকে অর্জিত জ্ঞান তুলে ধরতে পোস্টার প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকাল ১০টায় কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অফিসের সামনে এ প্রেজেন্টেশনের আয়োজন করা হয়। 

এতে কম্পিউটার সায়েন্স এ্যান্ড ম্যাথমেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ রাকিব হাসান, সহযোগী অধ্যাপক ড. মেছবাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য অনুষদের শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীরা দেড় মাসে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সম্পন্ন করা ইন্টার্নশিপের অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করেন। প্রতিটি শিক্ষার্থী পোস্টারের মাধ্যমে ইন্টার্নশিপ চলাকালে ব্যবহৃত প্রযুক্তি, গবেষণার ফলাফল এবং অর্জিত দক্ষতা তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

পোস্টারগুলোতে জিনোম ও ট্রান্সক্রিপ্টোম বিশ্লেষণ, নেক্সট জেনারেশন সিকোয়েন্সিং (NGS), ভ্যারিয়েন্ট কলিং, মেশিন লার্নিংভিত্তিক জিন শনাক্তকরণ, কৃষিতে জিওস্পেশিয়াল এআই, ইউএভি (ড্রোন) নির্ভর প্রিসিশন এগ্রিকালচার, ডেঙ্গু পূর্বাভাস মডেল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বায়োমেট্রিক ও ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন, মাছের জিনোম বিশ্লেষণসহ নানা আধুনিক গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর কাজের স্থান পায়। 

প্রেজেন্টেশনে অংশ নেওয়া বায়োইনফরমেটিক্সের শিক্ষার্থী এম রাফিউল বাহার রাফি বলেন,

"প্রথম ব্যাচ হিসেবে আমরা দেড় মাস দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ করেছি, যেখানে ডিএনএ, আরএনএ ও জিনোমিক ডেটা বিশ্লেষণসহ বায়োইনফরমেটিক্সভিত্তিক কাজ পরিচালিত হচ্ছে। ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে বাংলাদেশের এ খাতের বর্তমান সক্ষমতা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। ভবিষ্যতে কৃষি, জনস্বাস্থ্য, জীবনিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির বিস্তৃত প্রয়োগ এবং দেশীয় স্টার্টআপ ও প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ রয়েছে। আজকের পোস্টার প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে আমরা ইন্টার্নশিপে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও দেশের বায়োইনফরমেটিক্স শিল্পের বর্তমান চিত্র সবার সামনে তুলে ধরেছি।"

উল্লেখ্য, ইন্টার্নশিপের জন্য শিক্ষার্থীরা ইনভেন্ট টেকনোলজিস লিমিটেড, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার এগ্রিকালচার (বিনা), বাংলাদেশ ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই), বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর), মাইক্রোম্যাক টেকনো ভ্যালি লিমিটেডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:১৪ পিএম


যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজায় ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযান ও সহিংসতার প্রতিবাদে ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি জানিয়ে পতাকা উত্তোলন করেছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) শিক্ষার্থীরা।


মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১টা ১০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলরব প্রাঙ্গণে এ আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এ সময় ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি গাজায় চলমান মানবিক সংকট ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দেন তাঁরা।


শিক্ষার্থীদের কণ্ঠে ‘ফ্রম দ্য রিভার টু দ্য সি, প্যালেস্টাইন উইল বি ফ্রি’, ‘ফ্রি, ফ্রি প্যালেস্টাইন’, ‘আমেরিকার দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘ইসরায়েলের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘ভারতের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’—এ ধরনের স্লোগান শোনা যায়। এ সময় কিছুক্ষণ ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে ক্যাম্পাসে অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা।


অংশগ্রহণকারীরা বলেন, গাজায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি, বাস্তুচ্যুতি ও চলমান মানবিক সংকটের প্রতিবাদ জানাতেই এ আয়োজন। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি গাজার পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান তাঁরা।


এ বিষয়ে ৪৯তম ব্যাচের অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফুল হক দিপু বলেন, “আজকের কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করা। আমরা পৃথিবীর অন্য প্রান্তে থাকলেও ফিলিস্তিনের মানুষের পাশে আছি—পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সেই বার্তাই দিতে চাই। তাদের ওপর চলমান নির্যাতন, ক্ষুধা, বাস্তুচ্যুতি ও মানবিক সংকট যেন আমাদের চিন্তা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে হারিয়ে না যায়।”



ফিলিস্তিনের মানুষের নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকারের কথা তুলে ধরে ৫২তম ব্যাচের ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জাহিদ হাসান বলেন, “গত কয়েক দিনে ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই এ ধরনের হামলা চালানো হচ্ছে। আমরা বুটেক্সের শিক্ষার্থীরা আজকের এই পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে জানাতে চাই, ফিলিস্তিনের মানুষেরও নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। ফিলিস্তিনের প্রতিটি শিশুর স্বাধীনভাবে বেড়ে ওঠার অধিকার রয়েছে। আমরা চাই, বিশ্বের মানুষ এই সহিংসতার বিরুদ্ধে দাঁড়াক।”



অন্যদিকে, ৫১তম ব্যাচের ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রিয়াদ হাসান বলেন, “ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় নিরীহ ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানি ও মানবিক বিপর্যয় আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে। আমরা জানি, তাদের সামরিক সক্ষমতা অনেক বেশি। তারপরও নিজেদের অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব প্রতিবাদ জানাতেই এই আয়োজন। এর মাধ্যমে সমাজের মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন করা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে উদ্বুদ্ধ করাই আমাদের উদ্দেশ্য।”



পরে শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর উদ্যোগ ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি গাজার মানবিক সংকট সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার কথাও বলেন তাঁরা।

সর্বশেষ সব খবর