বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা।

  • প্রকাশ : সোমবার ০৫ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ২:৩১ এএম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ব্যবসায় সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে বলে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সবক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনার বিষয়েও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। 


গতকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা বৈঠক করেন তারেক রহমানের সঙ্গে। বৈঠকে তারা দেশের অর্থনৈতিক বর্তমান অবস্থান, বেকারত্বসহ বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক হয়। এসময় তারেক রহমান ব্যবসায়ীদের সমস্যার কথা শোনেন ও ক্ষমতায় গেলে সেসব সমাধানের আশ্বাস দেন।


বৈঠকের পর এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন বলেন, আমরা আজ আলোচনা করেছি ব্যবসা ক্ষেত্রে চলমান যে সমস্যা রয়েছে আমাদের, আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে চালিয়ে রাখা, কর্মসংস্থানকে ঠিক রাখা এবং বর্ধিত করা- সেটা নিয়ে আমরা আমাদের কথাগুলো বলেছি। আমরা বলতে চেয়েছি যে, সরকারে যেই আসুক অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে ব্যবসায়ীদের কনফিডেন্স আনতে হবে। কারণ, আমাদের সফলতা কিন্তু সরকারের সফলতা। আমরা আমাদের আলোচনাগুলো করেছি। আমরা আমাদের সমস্যাগুলো বলেছি। তারেক রহমান ওয়েল নোট করেছেন। ওনারা আসলে হয়তো সব জায়গায় (সমস্যা সমাধান করতে) পারবেন না বা কিছু জায়গায় পারবেন। বাট আন্তরিকভাবে তারা করতে চান।


বিসিআই সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী বলেন, ইকোনমি যদি ঠিক করতে হয় ব্যবসায়ীদের কিন্তু সঙ্গে নিয়ে কাজ করা উচিত। সেটাই কিন্তু আমরা তারেক রহমানকে বলেছি। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কর্মসংস্থান তৈরি করা। এখন কিন্তু আস্তে আস্তে অনেক বেকারত্ব বেড়ে যাচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রিগুলো বসে যাচ্ছে। আমরা বলেছি যে এগুলো আসলে কীভাবে রিভাইভ করা যায় সেটা নিয়ে আমরা ওনার সঙ্গে বিস্তারিত আলোপ আলোচনা করেছি।


তিনি বলেন, আমাদের কথা হলো যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন তারা যাতে সেই দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করেন। ইকোনমি ইজ নাম্বার ওয়ান, যদি সেটাকে দাঁড় করাতে হয় তাহলে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়েই সরকারকে কাজ করা উচিত। যেটা উনি (তারেক রহমান) পরবর্তীতে বললেন, হ্যাঁ উনিও মনে করেন যে উনারা যদি আসতে পারেন তাহলে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে পলিসিগুলি যেখানে যেখানে যাওয়া দরকার এবং কিছু কিছু জায়গায় হয়তো পারা যাবে। কিছু কিছু জায়গায় হয়তো পারা যাবে না। বাট একটা স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করবেন এবং ব্যবসায় সহায়ক একটা পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে।


এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার উল আলম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সবার আগে যে জিনিসটা ইমিডিয়েটলি দরকার বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করা উচিত। মব কালচার থেকে আমাদের বের হওয়া উচিত। এই জিনিসটা আমরা ওনাদের বারবার বলেছি এবং এটা না হলে ব্যবসা কেন আমরা সাধারণ মানুষই তো আর নড়তে চড়তে পারি না।


তারেক রহমানের আশ্বাসের বিষয়ে এক প্রশ্নে মীর নাসির হোসেন বলেন, বডি ল্যাংগুয়েজে আমাদের পজিটিভ মনে হয়েছে। তারেক রহমান আন্তরিকতার সঙ্গে শুনেছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন যে- যদি ক্ষমতায় আসতে পারেন আমাদের নিয়ে কাজ করবেন। যাতে দেশের উন্নয়ন হয়, অর্থনৈতিকভাবে আমরা এগিয়ে যাই।


বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- আইসিসির সভাপতি মাহবুবুর রহমান, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, বিজেএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রীতি চক্রবর্তী, এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান টি রহমান, ডিসিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদ, বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, বিকেএমএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিএসএমএ সভাপতি মইনুল ইসলাম স্বপন, বিএবি সভাপতি আবদুল হাই সরকার, বিজিএপিএমইএ সভাপতি মো. শাহরিয়ার, স্টিল মিল মালিক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, বিএপিআইয়ের আব্দুল মুক্তাদির, বিএসআরএম সভাপতি আলী হুসাইন আকবর আলী, এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান।


ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যার আহসান খান চৌধুরী, স্কয়ার গ্রুপের তপন চৌধুরী, উত্তরা মোটরসের মতিউর রহমান, ট্রান্সকম গ্রুপের সিমিন রহমান, মেঘনা গ্রুপের মোস্তফা কামাল, সিকম গ্রুপের আমিরুল হক, পারটেক্স গ্রুপের আজিজুল কায়সার টিটু, ইউসিবিএল চেয়ারম্যান শরীফ জহির প্রমুখ।


এছাড়া বিজেএমইএর সাবেক সভাপতি কুতুব উদ্দিন আহমেদ, ফজলুল হক, বিটিএমএর সাবেক সভাপতি আবদুল মতিন চৌধুরী, এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি নাহিদ কবির, ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি হোসেন খালেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




আদিল চৌধুরী

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:২৪ পিএম

আর্থিক সংকটে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আদিল চৌধুরী পদত্যাগ করেছেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি চলতি সপ্তাহের শুরুতে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পদত্যাগপত্র জমা দেয়ার পর থেকে তিনি নিয়মিত ব্যাংকের কার্যালয়েও যাচ্ছেন না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।


গত বছরের ৭ জুলাই তিন বছরের জন্য ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন আদিল চৌধুরী। এর আগে তিনি ব্যাংক এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে ন্যাশনাল ব্যাংকে তার মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত এলো। এর আগেও ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. তৌহিদুল আলম খান মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন।


আদিল চৌধুরীর পদত্যাগ এমন এক সময়ে হলো, যখন ন্যাশনাল ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। উচ্চ খেলাপি ঋণের বোঝা, ধারাবাহিক লোকসান এবং আমানত প্রত্যাহারের চাপ ব্যাংকটির সামগ্রিক কার্যক্রমকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ফেলেছে। ২০২২ সাল থেকে টানা লোকসানে রয়েছে ব্যাংকটি। খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের প্রভাবে ব্যাংকটির পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।


ব্যাংকটির আর্থিক সংকট কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকার পান্থপথে নির্মাণাধীন ‘টুইন টাওয়ার’ ভবন ইজারা দেয়ার অনুমতি দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাংকটির আয় বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।


ন্যাশনাল ব্যাংকের মালিকানা ও পরিচালনা নিয়েও গত কয়েক বছরে বড় পরিবর্তন এসেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দীর্ঘদিন সিকদার গ্রুপ ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপের পর গ্রুপটি ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ হারায়। এরপর পুনর্গঠিত পরিচালনা পর্ষদে মাল্টিমোড গ্রুপ, হোসাফ গ্রুপ এবং আর্মানা গ্রুপ সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যরা যুক্ত হন।


এদিকে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের পদত্যাগের পর ব্যাংকটির নেতৃত্বে কে আসছেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। পরিচালনা পর্ষদ পদত্যাগপত্র গ্রহণ এবং নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:১০ পিএম

মাত্র তিন দিন আগে দাম কমানোর পর দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম এক লাফে দুই হাজার ২১৬ টাকা বেড়ে ভ্যাটসহ দুই লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হয়েছে।


বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।


নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম এক লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরির দাম রাখা হয়েছে এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা।


সংগঠনটি জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও কারুকাজ অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে প্রযোজ্য হবে। যেহেতু স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে, তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে পৃথকভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি এবং পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালা বহাল থাকবে।


এর আগে ২৪ জুলাই স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সেদিন প্রতি ভরিতে তিন হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ দুই লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।


তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ছিল দুই লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম এক লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল এক লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা


রংপুর-৪ আসনের এমপি আখতার হোসেন

  • প্রকাশ : রবিবার ২৬ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:০২ পিএম

সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আলাদা করে কোনো আর্থিক অনিয়মের তদন্ত করবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম খতিয়ে দেখার সময় যদি কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান বাংলাদেশে ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। 


আরিফ হোসেন বলেন, সাহাবুদ্দিন সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে ছিলেন, তাই তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে আলাদা কোনো অনুসন্ধান চালাবে না নিয়ন্ত্রক সংস্থা। তবে দেশের আর্থিক খাতের সংস্কারে ব্যাংকভিত্তিক যে তদন্তগুলো চলছে, সেখানে কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


তিনি বলেন, ‘গ্রাহকরা ব্যাংকের কাস্টমার।


আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকে ইন্সপেকশন করে। তদন্তের সময় কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে বাংলাদেশ ব্যাংক সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কোনো ব্যক্তি অনিয়ম করলে, সেই অনিয়মের সঙ্গে পর্ষদ জড়িত কি না সেটাও দেখা হয়।’


তিনি যোগ করেন, ‘এটা ব্যাংক নিজেরাই অডিট করে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকও করে এবং এক্সটার্নাল অডিটও হয়।


এটা কোনো ব্যক্তি বিশেষকে টার্গেট করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক করবে না। বিশেষ প্রায়োরিটি নিয়ে কিংবা টার্গেট করে কাজ করছে, এমন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’


গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। এর এক দিন পর আজ রবিবার বঙ্গভবন ছেড়ে রাজধানীর গুলশানের বাসায় ওঠেন তিনি।


এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করা হয়েছে।


রবিবার বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।


প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:০৮ এএম

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬: ড্রাইভিং ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ফর জবস অ্যান্ড প্রসপারিটি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও ইনভেস্টরস এক্সপোতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামনে যেমন নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তেমনি রয়েছে বিপুল সম্ভাবনাও। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে নিরাপদ ও টেকসই বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে কর ও ভ্যাট ব্যবস্থার সরলীকরণ, বিনিয়োগ-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পমেয়াদি নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই বিদেশি বিনিয়োগ চায়।


তারেক রহমান বলেন, দেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। অর্থনীতির বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে ভ্যাট ও কর ব্যবস্থার সংস্কার, সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশন এবং বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৭:১৭ এএম

চলতি করবর্ষে আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন প্রথম প্রান্তিকেই দাখিল করে প্রণোদনা পেতে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ই-রিটার্ন সেবা চালু করেছে এনবিআর।


করদাতাদের জন্য ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু করে বুধবার এনবিআর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এর ফলে এখন থেকেই অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাচ্ছে।


এনবিআর বলছে, করসেবা সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বুধবার থেকে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের এই সুবিধা দিচ্ছে; এতে করে করদাতারা এখন ঘরে বসেই তাদের বার্ষিক আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে পারবেন।


২০২৬-২০২৭ করবর্ষ হতে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে নিট প্রদেয় করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা প্রণোদনা পাওয়ার বিধান রয়েছে।


ফলে এ সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা প্রণোদনা পাবেন। এই সময়ের পর দাখিলকৃত রিটার্নের ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না বরং ডিসেম্বর পরবর্তী সময়ে দাখিলকৃত রিটার্নে অতিরিক্ত কর প্রদান করতে হবে।


তাই এনবিআর 'যথাসময়ে রিটার্ন দাখিলের জন্য করদাতাদের ‘বিশেষ অনুরোধ করছে' বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।


২০২১ সালে অনলাইন রিটার্ন দাখিল পদ্ধতি চালুর পর থেকে পদ্ধতিটা করদাতাদের মাঝে সাড়া ফেলে।


২০২৫-২০২৬ করবর্ষে রেকর্ড প্রায় ৪৭ আখ ব্যক্তিশ্রেণির করদাতা ই-রিটার্ন সিস্টেমের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন।


এদিকে এনবিআর এবারেও গত করবর্ষের মতই বিশেষ আদেশ জারির মাধ্যমে স্বাভাবিক ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে।


তবে, ৬৫ বছর বা তার চেয়ে বয়সের প্রবীণ করদাতা, সনদপত্র দাখিল সাপেক্ষে শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার পক্ষে প্রতিনিধি অথবা বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকরা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার পরিবর্তে পেপার রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।


এছাড়াও, ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে অন্যান্য স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাগণ অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলে সমর্থ না হলে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত বা যুগ্মকর কমিশনারের অনুমোদনক্রমে পেপার রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।


জাতীয় রাজস্ব বের্ডের www.etaxnbr.gov.bd সিস্টেমে করদাতারা ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিস এর মাধ্যমে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করতে পারবেন। পাশাপা<ই সঠিক তথ্য দিয়ে নির্ভুলভাবে রিটার্ন প্রস্তুতপূর্বক রিটার্ন জমা দিয়ে তাৎক্ষণিক প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও আয়কর সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন।


অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হলে তা সমাধানের জন্য রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা সরকারি ছুটি ছাড়া অফিস চলাকালীন কল সেন্টার (০৯৬৪৩৭১৭১৭১) এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সেবা দেবেন।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:৪১ এএম

দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শুক্রবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করে। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, খাঁটি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।


নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১১ হাজার ৪৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন মূল্য ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অলংকারের ডিজাইন ও কারুকাজভেদে মজুরি আলাদাভাবে যুক্ত হবে। রুপার অলংকারের ভ্যাট বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।


এদিকে ২২ ক্যারেট রুপার দাম ভরিপ্রতি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম ৩ হাজার ৭৯০ টাকা, সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৭ টাকা।