প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৩৯ পিএম

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নেওয়া একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার ১১টা ১৫ মিনিটে বাগেরহাটের মোংলায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।


প্রকল্পটির আওতায় দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। এর মাধ্যমে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো এবং বন্দরসেবার আধুনিকায়ন করা হবে।


এর আগে সকালে এক দিনের সরকারি সফরে খুলনা ও বাগেরহাটের বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দিতে হেলিকপ্টারে করে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে মোংলায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।


সেখানে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেন।


ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের পক্ষে সংস্থাটির ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনস বিভাগের সদস্য সালেহ আহমেদ এবং চীনা পক্ষের হয়ে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান লি চংইয়াং সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।


এমওইউ অনুযায়ী, দুই পক্ষ জ্বালানি, শিল্প অবকাঠামো, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো, পরিবহন, লজিস্টিকস ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করবে।




শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:০৯ পিএম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পলাতক সন্ত্রাসী, প্রত্যাবর্তন নয়। বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় তাঁকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।


ঢাকা সফরে আসা চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ মন্তব্য করেন।


জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসির দণ্ড নিয়ে দিল্লিতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস দেওয়ার প্রসঙ্গকে ‘হাস্যকর’ বলে বর্ণনা করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।


ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁর হস্তান্তর চাওয়ার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে কি শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াইতে আসবেন যে তাঁকে পাসপোর্ট দেব, আর পাসপোর্ট দিয়ে আসবেন? শেখ হাসিনা হচ্ছেন পলাতক সন্ত্রাসী। স্বৈরাচার, একটা পালিয়ে যাওয়া টেররিস্ট; এখানে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন, তাঁকে কি নরমাল কমার্শিয়াল ট্রাভেলার হিসেবে দেখব যে পাসপোর্ট দেব? আসেন, আসিয়া আপনার শ্বশুরবাড়ি রংপুর বেড়াইয়া যান। আমাদের অ্যাকটিভ এক্সট্রাডিশন ট্রিটি আছে টেররিস্টদের ধরার, ক্রিমিনালকে ধরার। সন্ত্রাসী আর অপরাধীকে ধরতে পাসপোর্ট লাগে না, এটা হস্তান্তর হয়।’


ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা দেওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসিনা পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাসের জন্য আবেদন করেছেন কি না, এই প্রশ্ন করা হয়েছিল হুমায়ুন কবিরকে।


  শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না : হুমায়ুন কবির


জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠক থেকে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন তিনি। এ কারণে বিষয়টি এখনো তাঁর জানা নেই। পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাসের বিষয়টাই ‘হাস্যকর লাগল’ বলে মন্তব্য করেন হুমায়ুন কবির।


২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তাঁদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলার বিচার চলমান।


জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই আন্দোলনে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। মৃত্যুর সংখ্যা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁর আইনজীবীরা।


ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় দিল্লির সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। দুই দেশের মধ্যকার প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাঁকে ফেরত দেওয়ার কথা বারবার বলে আসছে ঢাকা। ঢাকার তরফ থেকে এ নিয়ে কয়েক দফা চিঠি দেওয়া হলেও দিল্লির কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। এ ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া পর্যালোচনার কথা বলে আসছে ভারত।


শেখ হাসিনা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে গত জুলাই মাসে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আগামী ডিসেম্বর নাগাদ তাঁর দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা রয়েছে।


প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘তাঁর (শেখ হাসিনা) প্রত্যর্পণের বিষয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আর আইনি প্রক্রিয়াগুলো বিদ্যমান। সুতরাং এখানে পাসপোর্ট দেওয়ার বা হস্তান্তরের প্রয়োজন নাই।...বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে কার্যকর থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী অপরাধী ও সন্ত্রাসীদের প্রত্যর্পণের সুযোগ রয়েছে।’

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৪২ পিএম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৯:৫৭ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:৪২ পিএম

আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে জাতীয় সাংস্কৃতিক উৎসব পালিত হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।


বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।


সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের অন্যান্য খাতের মতো সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গনকেও নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে চায় সরকার। দীর্ঘদিন ধরে এ দুটি ক্ষেত্র অবহেলিত ছিল। সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গনে নানা ধরনের নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলাও ছিল। সবার সহযোগিতায় একটি সুস্থ, সুন্দর ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ক্রীড়াঙ্গন গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।তিনি বলেন, রাজবাড়ীর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অবস্থা দীর্ঘদিনের অবহেলা ও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে। স্টেডিয়াম, সুইমিং পুল ও শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে। ইতোমধ্যে স্টেডিয়াম ও সুইমিং পুল পুনর্গঠনসহ ক্রীড়াভিত্তিক বেশ কিছু কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, রাজবাড়ীর ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অতীতে সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ছিল। সেই ঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনতে চায় সরকার। নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে নানা কারণে তরুণ প্রজন্ম খেলাধুলা ও সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে গেছে।


নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা শিশু-কিশোরদের মানসিক উৎকর্ষ, সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশপ্রেম ও মানবিক বোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তুলতে তাদের খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে যুক্ত করতে হবে। নতুন প্রজন্মকে সময়োপযোগী মানসিকতায় গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ আয়োজন।


এর আগে, রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভার্চ্যুয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপভোগ করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মসহ উপস্থিত অতিথিরা।


প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর রাজবাড়ী সদর উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে রাজবাড়ী সদর উপজেলা প্রশাসন ও রাজবাড়ী পৌরসভার আয়োজনে স্থানীয় পর্যায়ে বেলুন উড়িয়ে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের (সিজন-২) শুভ উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক, আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার, মীর মনির হোসেন এবং রাজবাড়ী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মো. ফয়জুর রহমানসহ অন্যরা।


দুদক চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৫:০৪ পিএম

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ডিউটি চিকিৎসকদের কারও ড্রেসআপ না থাকায় তারা চিকিৎসক, নার্স নাকি দালাল; তা বুঝা মুশকিল বলে মন্তব্য করেছেন দুদক চেয়ারম্যান।


বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে হাসপাতালে অভিযান চালায় দুদক। এ সময় চিকিৎসকদের কয়েকটি কক্ষে তাদের উপস্থিতি না পেয়ে শোকজের নির্দেশ দেন দুদক চেয়ারম্যান।


দুদক চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান বলেন, এখানকার রোগীদের সব সময় অভিযোগ থাকে, কারা ঠিকমত চিকিৎসা পান না, চিকিৎসক থাকেন না। এবিষয়টি প্রধানমন্ত্রীও উদ্বিগ্ন। তিনি সেজন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। আজকে আমরা (দুদক) ঢাকা মেডিকেলে এসেছি। এরপর অন্যান্য হাসপাতালেও যাব।


তিনি বলেন, ঢাকা মেডিকেলে এসে জরুরি বিভাগে কয়েকটি রুমে চিকিৎসকদের পাইনি। জরুরি বিভাগের ডা. তানভির, এছাড়া নিওরোসার্জারি বিভাগের প্রদানকেও তার রুমে পাইনি। জরুরি বিভাগের ডিউটি ডাক্তার কারোর ড্রেসআপ নেই। তারা ডাক্তার, নার্স নাকি দালাল তা বুঝা মুশকিল৷ এজন্য ডাক্তারদের আইডেন্টিফাই করতে পারছি না। তারা সেবা দিচ্ছে কি না সেটিও জানি না। এখন বাজে বেলা সোয়া বারোটা, ডাক্তারদের কেউ বলছেন বাইরে গেছেন, কেউ বলছেন চা খেতে গেছেন। রোগীরা চিকিৎসার জিনিসপত্র খুঁজতে দৌড়ে বেড়াচ্ছেন। এতে আসলে জনগণ ঠিকমত সেবা পাচ্ছেন না। 


এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা হাসপাতাল পরিচালককে বলে গেলাম, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের শোকজ করতে। আমরাও আইনগত ব্যবস্থা নেব।


সরকারি হাসপাতালটিতে দালালের দৌরাত্ম ও চিকিৎসকদেরও সরাসরি দালালি ও রোগী ভাগানোর সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধেও এ্যাকশনে যাব। প্রাইভেট হাসপাতালের এটি একটি ব্যবসা। এটি বন্ধ করতে সরকার ব্যবস্থা নেবে। এটি আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। 


এসময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ. কে. এম. ফরহাদ হোসেন বলেন, আমি হাসপাতালটিতে নতুন এসেছি। আসার পর কিছু পরিবর্তন করতে পেরেছি। দুদক চেয়ারম্যান যে বিষয়গুলো বলেছেন, আমরা সেগুলো সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেব। হাসপাতাল দালালমুক্ত করতে চিকিৎসকসহ সবার কাছে সাহায্য চেয়েছি।


মার্কিন ট্রেড শো অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৩ পিএম

বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ‘৩০তম মার্কিন ট্রেড শো’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।


স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ইতিবাচক। বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কৌশলগত সম্পর্ক সময়ের পরিক্রমায় বিকশিত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের এককভাবে বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সৈয়দ কামাল হোসেন।


হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩০তম ট্রেড শো যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে জোরালোভাবে উপস্থাপন করে। তিন দশক ধরে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের পথচলা বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে সহজতর করেছে।


তিনি বলেন, এই প্রদর্শনী স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আইসিটি ও ডিজিটাল অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা, ম্যানুফ্যাকচারিং, শিক্ষা এবং কৃষিব্যবসা খাতে উদ্ভাবনী ধারণাকে তুলে ধরেছে।


স্পিকার জ্বালানি সংকট নিরসনে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা ও বঙ্গোপসাগরে তেল ও গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিকে আমন্ত্রণ জানান।


পরবর্তী সময়ে স্পিকার ‘৩০তম ইউএস ট্রেড শো-২০২৬’-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।


এই শো বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত অন্যতম প্রধান তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী। ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ৫ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তা, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যানসহ নির্বাহী সদস্য, আমন্ত্রিত অতিথি ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:২৫ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ করা হলে এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য একটি সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হবে।


তিনি বলেন, মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোরসহ এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে পঞ্চগড় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ, বন্দরের সরবরাহব্যবস্থা ও পণ্য পরিবহন সুবিধা সম্প্রসারণে সরকার উদ্যোগ নিতে চায়। বৃহস্পতিবার মোংলায় ‘মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।


আজ সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ সময়ে বন্দরপ্রাঙ্গণে তিনি একটি গাছের চারাও রোপণ করেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ জোরদার ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ সম্ভব হবে।


একই সঙ্গে খানজাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম চালু করাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।


তারেক রহমান বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দর জ্বালানি, সার, খাদ্যশস্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি এবং দেশীয় পণ্য রপ্তানিতে একটি পরিপূরক বন্দর হিসেবে জাতীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তা আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল, ইয়ার্ড ও কার্গো হ্যান্ডলিং সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে এসব কাজ সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে এবং সারা দেশের জন্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।


তিনি বলেন, প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শুধু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বন্দরসেবার মান কতটা উন্নত হলো, পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কতটা কমল, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কতটা বাড়ল এবং পরিবেশ কতটা সুরক্ষিত থাকল, তার ওপরই প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে।


প্রধানমন্ত্রী পরিবেশবান্ধব সেবা ব্যবস্থাপনা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জাহাজের নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও নিরাপত্তার মানদণ্ড অনুসরণ, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে।পাশাপাশি বিপজ্জনক কার্যক্রম ব্যবস্থাপনায় অগ্নিনিরাপত্তা, প্রশিক্ষিত জনবল ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।


তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।


এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে বিনিয়োগে আন্তর্জাতিক অংশীজন, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।


তিনি বলেন, বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ, সহজ সেবা প্রক্রিয়া, নির্ভরযোগ্য অবকাঠামো এবং নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্দরের নাব্যতা, নৌ চ্যানেলের নির্ভরযোগ্যতা, জাহাজের নিরাপদ চলাচল এবং প্রতিযোগিতামূলক বন্দরসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছে মোংলা বন্দরকে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। একইসঙ্গে উপযুক্ত বাণিজ্যিক ও পরিচালনাগত শর্তে এটিকে ফার্স্ট কলিং পোর্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।


তিনি আরও বলেন, মোংলা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় খুলনা ও আশপাশের এলাকায় অনেক মিল-কারখানা ছিল। সরকার এ অঞ্চলের হারিয়ে যাওয়া শিল্পঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনতে চায়।


তিনি বলেন, আজকের এ উদ্যোগ দেশের শিল্প-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে।বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে আস্থা এবং আঞ্চলিক সুষম উন্নয়নে টেকসই আর্থসামাজিক মূল্য সংযোজন করবে।


বাংলাদেশের অবকাঠামো ও উন্নয়নে চীনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।


প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি থেকে কনটেইনারবাহী ট্রেন সরাসরি মোংলা বন্দরে চলাচল করতে পারবে।এতে বন্দরের পণ্য পরিবহন সক্ষমতা বাড়বে এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে।


অনুষ্ঠানে যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা এবং চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান দাই হেগেন বক্তব্য রাখেন।


এ সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:১৩ পিএম

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে ভারত থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কোনো সাধারণ পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। 


তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাকে দিল্লি থেকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।


বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানানোর সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।


এ সময় চীন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে নিয়ে পরিকল্পিত ত্রিপক্ষীয় করিডোর বাস্তবায়িত হলে পুরো অঞ্চলটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।


তিনি বলেন, এই আঞ্চলিক করিডোরে যুক্ত হতে ঢাকার যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। তবে এর আগে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।


পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, লিউ হাইশিংয়ের এই সফরের মধ্য দিয়ে আগামী দিনে চীন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর ও গতিশীল হবে।


চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের (আইডিসিপিসি) মন্ত্রী লিউ হাইশিং তিন দিনের সফর শেষে বৃহস্পতিবার ঢাকা ছাড়েন।