ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ
২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধনী ম্যাচ হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচ দিয়ে। ঢাকায় অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে পাকিস্তান ১-০ গোলে ভারতকে হারিয়েছিল। ২২ বছর পর আজ ঢাকায় সাফ ফুটবলে আবার উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। এই ম্যাচে ভারত ৩-২ গোলে পাকিস্তানকে পরাজিত করেছে।
ম্যাচের ১৩ মিনিটে ভারত লিড নেয়। বা প্রান্ত দিয়ে মুহাম্মদ সুহাইল ভাটের উদ্দেশ্যে বল বাড়ান। তিনি আলতো ছোঁয়ায় বল জালে পাঠান। ছয় মিনিট পর পাকিস্তানি ডিফেন্ডারদের মাঝে দারুণ দক্ষতায় সুহাইল আহমেদ ভাট পুনরায় গোল করেন। ৩০ মিনিটে ম্যাংলেংথাম কিপজেনের গোলে ভারত ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
চার মিনিট পর পাকিস্তান পেনাল্টি পায়। শায়ক দোস্তর শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। এই মিস করায় পাকিস্তান গোল না করেই প্রথমার্ধে ড্রেসিংরুমে ফেরে।
ম্যাচ শেষে পাকিস্তানের আক্ষেপ হয়ে দাঁড়ায় পেনাল্টি মিসই। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ইনজুরি সময়ে দুই গোল করে পাকিস্তান। রেফারি চার মিনিট ইনজুরি সময় দেন। ঐ চার মিনিটের মধ্যে পাকিস্তান দুই গোল করে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন। ৯১ মিনিটে নাজিব উল্লাহ পাকিস্তানের পক্ষে টুর্নামেন্টে প্রথম গোল করেন। দুই মিনিট পরই বক্সের মধ্যে দুর্দান্ত ভলিতে আলমগীর গাজী আরেকটি গোল করেন।
পাকিস্তান শেষ মুহূর্তে খেলায় ফিরে পেনাল্টি মিসের আফসোস পুড়ছে। ২০০৯ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সাফের স্বাগতিক ছিল। দুই আসরেই ভারত ও পাকিস্তান অংশগ্রহণ করলেও মুখোমুখি হয়নি। ২০০৩ সালের পর আবার ২০২৬ সালে দুই দল ঢাকায় সাফে উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে ক্রিকেটে হ্যান্ডশেক নিয়ে বিতর্ক উঠেছিল।
আজ দুই দলের ফুটবলারদের মধ্যে সৌহার্দ্যতা ছিল বেশ। খেলার পর দুই দলের ফুটবলাররা করমর্দন করেছেন। কোনো দলের ফুটবলার মাঠে আহত হলে অন্য দলের ফুটবলাররা এগিয়ে গেছেন সহায়তায়।
সংগৃহীত ছবি
ইব্রাহিমের একমাত্র গোলে ভুটানকে ১-০ গোলে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দারুণ শুরু করল বাংলাদেশ।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে বাংলাদেশ। একাধিকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও বিশ্বনাথের কয়েকটি ব্যর্থ প্রচেষ্টা এবং ভুটানের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দল।
শুরুর দিকে দুই উইং ব্যবহার করে আক্রমণ সাজিয়েছে বাংলাদেশ। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ তৈরি এবং দূরপাল্লার শটেও গোলের চেষ্টা করতে দেখা যায় স্বাগতিকদের।
প্রথমার্ধে বল দখলের লড়াইয়েও এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। ৬৪ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে তারা, যেখানে ভুটানের দখলে ছিল ৩৬ শতাংশ। এই সময়ে বাংলাদেশের নেওয়া ১২টি শটের বিপরীতে ভুটান শট নেয় ৪টি। তবে লক্ষ্যে শটের সংখ্যা দুই দলেরই ছিল সমান—দুটি করে।
বিরতির পরও আক্রমণের গতি ধরে রাখে বাংলাদেশ। অবশেষে ৬৯তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামা ইব্রাহিমের গোলে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায় দল।
গোলের শুরুটা হয় বক্সে করা একটি ক্রস থেকে। সেই বলে হেড নেন শমিত সোম। তার হেডে বল ওপরের দিকে উঠে গেলে গোলমুখের সামনে সুযোগ পেয়ে যান ইব্রাহিম। দারুণভাবে পা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন এই বদলি ফরোয়ার্ড।
এরপর দুই দলই একাধিক আক্রমণের সুযোগ তৈরি করলেও জালের দেখা পায়নি। ফলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ পরের ম্যাচটি খেলবে ১১ নভেম্বর, প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবে শ্রীলংকা। এছাড়া আজকের দিনের আরেক ম্যাচে ‘বি’ গ্রুপের খেলায় পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয় তুলে নিয়েছে ভারত।
বাংলাদেশ-ভুটান ফুটবল ম্যাচ। ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত
জামাল ভূইয়া। ছবি: বাফুফে
জাতীয় ফুটবল দলে দীর্ঘদিন নিয়মিত অধিনায়ক ছিলেন জামাল ভূইয়া। অধিনায়ক থাকলেও গত কয়েক মাসে বেশিরভাগ ম্যাচেই শুরুর একাদশে ছিলেন না, এমনকি অনেক ম্যাচে মাঠেই নামা হতো না। নেতৃত্ব হারানোর পর আজই প্রথম মাঠে নামবেন তিনি। এ ম্যাচের শুরুর একাদশে আছেন জামাল।
গোলরক্ষক পজিশনে মেহেদী হাসান শ্রাবণের ওপর আস্থা রেখেছেন ডুলি। অধিনায়ক তপু বর্মণের সঙ্গে ডিফেন্সে থাকছেন জিদান ইউসুফ। ইন্দোনেশিয়া আসিয়ান কাপে শৃঙ্খলা নিয়ে অভিযোগ উঠা সাদ উদ্দিনের ওপর কোচ ভরসা রেখেছেন। জায়ান আহমেদও রয়েছেন ডিফেন্স লাইনে।
বিশ্বনাথ ঘোষকে ফরোয়ার্ড পজিশনে অনুশীলন করিয়েছেন গত কয়েক দিন। এই ম্যাচে তার পজিশন নিয়ে একটু কৌতুহল রয়েছে। যদিও খেলোয়াড় তালিকায় ডিফেন্ডার হিসেবেই রয়েছেন। তবে কোচ তাকে ফরোয়ার্ড পজিশনে খেলালে অবাক হওয়ার থাকবে না। আক্রমণভাগে বাংলাদেশের চালিকাশক্তি মূলত সামিত সোম ও রাকিব হোসেন।
বাংলাদেশ একাদশ:
মেহেদী হাসান শ্রাবণ (গোলরক্ষক), জিদান ইফসুফ, তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন, জামাল ভূইয়া, জায়ান আহমেদ, তারিক কাজী, সামিত সোম, রাকিব হোসেন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম।
পর্তুগালের কিংবদন্তি ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ছবি : সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। পর্তুগাল জাতীয় দলের জার্সিতে ২৩ বছরের দীর্ঘ পথচলার ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই মহাতারকা। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত জানান ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
পর্তুগালের সাত নম্বর জার্সিকে বিদায় জানিয়ে রোনালদো লিখেছেন, ‘আমাদের জাতীয় দলের সাত নম্বর জার্সিটি তুলে রাখার সময় এসেছে। জার্সিটি কখনোই শুধু আমার ছিল বলে মনে করিনি। তবে ২৩ বছর ধরে এটি পরার, রক্ষা করার এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের স্টেডিয়ামে বয়ে নিয়ে যাওয়ার সৌভাগ্য ও দায়িত্ব আমার হয়েছে।’
সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না জানিয়ে রোনালদো আরও লিখেছেন, ‘আজ সেই জার্সি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের হাতে তুলে দেওয়ার সময় এসেছে। সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। কারণ কিছু সিদ্ধান্ত শুধু মাথা দিয়ে নেওয়া যায় না, হৃদয়েরও ভূমিকা থাকে।’
২০০৩ সালের আগস্টে পর্তুগাল জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল রোনালদোর। এরপর ২৩ বছরের পথচলায় নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২৩৪ ম্যাচ খেলার পাশাপাশি করেছেন রেকর্ড ১৪৬ গোল। পুরুষ ফুটবলে আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও গোলের সংখ্যায় তার ধারেকাছেও নেই কেউ।জাতীয় দলের হয়ে রোনালদোর সবচেয়ে বড় সাফল্য ২০১৬ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জয়। এ ছাড়া পর্তুগালের হয়ে দুবার উয়েফা নেশন্স লিগের শিরোপাও জিতেছেন তিনি। দীর্ঘ এই যাত্রায় পেয়েছেন অসংখ্য ব্যক্তিগত ও দলীয় সাফল্য।
বিদায়বার্তায় নিজের ক্যারিয়ারের স্মৃতিও তুলে ধরেছেন রোনালদো। তিনি বলেন, ‘২০০৩ সালের আগস্টে শুরু হওয়া যে যাত্রা আমার জীবন চিরতরে বদলে দিয়েছে, তার সমাপ্তি ঘটল। জাতীয় দলের হয়ে সবকিছু ফিরে দেখলে শুধু ম্যাচ, গোল, রেকর্ড কিংবা ট্রফি চোখে পড়ে না। মনে পড়ে মানুষগুলোর কথা। বিদেশে থাকা পর্তুগিজদের কথা, যারা ৯০ মিনিটের জন্য হলেও নিজেদের মাতৃভূমির আরও কাছে অনুভব করেছেন। এমন লাখো পর্তুগিজের কথা, যাদের কখনো দেখিনি, অথচ তারা আমার জীবনের অংশ হয়ে উঠেছেন। কারণ ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, ফুটবল মানুষের গল্প।’
জাতীয় দলের হয়ে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন রোনালদো। তার ভাষায়, ‘পুরো ক্যারিয়ারে আমি নিজের সামর্থ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। জিততে চেয়েছি, আরও ভালো হতে চেয়েছি, ইতিহাস গড়তে চেয়েছি। সব সময় নিজের কাছে সর্বোচ্চ প্রত্যাশা রেখেছি। এই জার্সির জন্য আমার সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি।’
আন্তর্জাতিক ফুটবলে যেমন স্মরণীয় জয় এসেছে, তেমনি আছে হতাশার মুহূর্তও। সেসব স্মৃতিও আড়াল করেননি পর্তুগিজ অধিনায়ক। রোনালদো বলেন, ‘এমন কিছু বিকেল ও রাত ছিল, যা কখনো ভুলব না। এমন কিছু জয় ছিল, যা চিরকাল মনে থাকবে। আবার কিছু পরাজয় আছে, যেগুলো মনে করলেও এখনো কষ্ট হয়। ভুল করেছি, কষ্ট পেয়েছি। কখনো কখনো পর্তুগালের মানুষ যা চেয়েছে, তা দিতে পারিনি। কিন্তু কখনো হাল ছাড়িনি। আর সবচেয়ে বড় কথা, পর্তুগালের প্রতিনিধিত্ব করার গর্ব কখনো হারাইনি।’
রোনালদোর শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল গত সেপ্টেম্বরে ওয়েলসের বিপক্ষে। সেই ম্যাচে ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল পর্তুগাল। এরপরের ম্যাচে তাকে বদলি খেলোয়াড়ের তালিকায় রাখা হলেও মাঠে নামানো হয়নি। পরে পর্তুগাল দলের ক্যাম্প আগেভাগে ছেড়ে যাওয়ায় জরিমানা ও নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়েন তিনি। যদিও তখন দেওয়া দীর্ঘ বিবৃতিতে অবসরের কথা অস্বীকার করেছিলেন এই ফরোয়ার্ড। তবে শেষ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তই নিলেন রোনালদো।
জাতীয় দলের হয়ে অবসর নিলেও ক্লাব ফুটবলে খেলা চালিয়ে যাবেন কি না, সে বিষয়ে এই ঘোষণায় কিছু জানাননি তিনি।
ফুটবল মাঠে লাল কার্ড দেখার ঘটনা নতুন নয়। তবে একই ম্যাচে ৫৩টি লাল কার্ড! অবিশ্বাস্য মনে হলেও ব্রাজিলে ঘটেছে এমনই ঘটনা। অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ের একটি ম্যাচে দুই দলের খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাসহ মোট ৫৩ জনকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি। ইএসপিএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক ম্যাচে সর্বোচ্চ লাল কার্ড দেখানোর নতুন বিশ্বরেকর্ড এটি।
বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ব্রাজিলের মিনাস জেরাইস রাজ্যে স্থানীয় অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল মামোরে ও উবেরলান্দিয়া। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে মামোরে ৩-১ গোলে এগিয়ে থাকার সময় দুই দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। মুহূর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।রেফারি ফার্নান্দো প্যাট্রিক দ্রোশগিচ মোদেস্তোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংঘর্ষের ঘটনায় দুই দলের ৪০ জন খেলোয়াড় ও আটজন টিম কর্মকর্তা লাল কার্ড দেখেছেন। এর আগে ম্যাচে আরও তিনজন খেলোয়াড়কে বহিষ্কার করেছিলেন রেফারি। পাশাপাশি উবেরলান্দিয়ার পরিচালনা পর্ষদের দুই সদস্যকেও মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে লাল কার্ডের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৩।
এত দিন এক ম্যাচে সর্বোচ্চ লাল কার্ড দেখানোর রেকর্ড ছিল ৩৬টি। ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগের দুই দল আতলেতিকো ক্লায়পোলে ও ভিক্টোরিয়ানো আরেনাসের ম্যাচে এই ঘটনা ঘটেছিল। এবার সেই রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেল ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ের ম্যাচটি।
রেফারির প্রতিবেদনে সংঘর্ষের সূত্রপাতের কারণও উঠে এসেছে। মামোরের খেলোয়াড় দাভি দলের তৃতীয় গোল উদ্যাপনের সময় প্রতিপক্ষের ডাগআউটের দিকে কটাক্ষ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উবেরলান্দিয়ার গোলকিপিং কোচ পাওলো সার্জিও দিয়াস দোস সান্তোস মাঠে ঢুকে তার মুখোমুখি হন। এরপর দুই দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।
ঘটনার সময় রেফারিকেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তার দাবি, কয়েকজন ব্যক্তি তাকে হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার ভয় দেখিয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি।
উত্তপ্ত পরিস্থিতির কারণে প্রায় ৪০ মিনিট খেলা বন্ধ রাখতে হয়। পরে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সংঘর্ষের পর দুই দলের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। উবেরলান্দিয়ার কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামোরের সরঞ্জাম নষ্ট করার অভিযোগ করেছে প্রতিপক্ষ। অন্যদিকে মামোরের দলের সদস্যদের বিরুদ্ধে উবেরলান্দিয়ার ড্রেসিংরুমে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে।