বায়ে অভিযুক্ত শাহপরান, ডানে আহত আকরাম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আকরাম চৌধুরীর ওপর হামলা করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে একই ব্যাচের শিক্ষার্থী শাহপরান হোসাইনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।
রবিবার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মামা হোটেলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শিক্ষার্থী শাহপরান হোসাইন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় মূল ফটক সংলগ্ন মামা হোটেলের সামনে পিছন থেকে লোহার শিকল দিয়ে অতর্কিত হামলা করে শাহপরান। এতে ভুক্তভোগীর মাথা, চোখ, হাত ও পিঠে লোহার শিকলের আঘাতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে রক্তক্ষরণ হয় এবং ঘটনাস্থলে রাস্তায় পড়ে যায়। আক্রমণকারী তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে গেলে সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
অভিযোগ পত্রে আরও উল্লেখ রয়েছে, কুমিল্লা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, চোখের উপরের কোনায় ৫টি এবং নিচে ৩টি সেলাই করা হয় এবং মাথার পেছনে মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় চিকিৎসক সিটিস্ক্যান করানো হয়। এছাড়া হাতে এবং পিঠে ব্যান্ডেজ করানো হয় বলেও জানান তিনি।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আকরাম চৌধুরী বলেন, 'আমি সকাল সাড়ে দশটার দিকে ক্লাসের উদ্দেশ্যে মামা হোটেলের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম। মামা হোটেল অতিক্রম করার মুহূর্তে শাহপরান হাতে শিকল বেঁধে পেছন থেকে হামলা করে। প্রথমেই শাহপরান আমার চোখের উপর ঘুসি মারে। আমি মাটিতে পড়ে যাই। তারপর, সে আমাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুসি ও লাতি মারে। যখন আশেপাশের মানুষ আটকাতে আসে তখন সে গাড়িতে উঠে চলে যায়।'
কোন কারণে তাকে হামলা করা হয়েছে, এই প্রশ্নে আকরাম চৌধুরী বলেন, 'আমি জানি না, সে আমাকে কেন মারছে। হঠাৎ সে আমার পিছন থেকে মারা শুরু করে এবং আমি পড়ে যাই।'
অভিযুক্ত শাহপরান হোসাইনকে এই ঘটনা বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: বেলাল হুসাইন বলেন, 'ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী প্রক্টর বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শৃঙ্খলা কমিটি এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন।'
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো: আবদুল হাকিম বলেন, 'আমি অভিযোগপত্র পেয়েছি। অফিস টাইম শেষ হওয়ার পরে অভিযোগপত্র পাওয়ার কারণে এই বিষয়ে মিটিং করতে করতে পারিনি। আমি ভিসি স্যারের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলেছি। পরবর্তীতে মিটিং করে ব্যাপারে বিস্তারিত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'
জবিতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামছুল আরেফিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন অনিকের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে সদস্য সচিব শামছুল আরেফিন ও তার অনুসারীরা ধাওয়া খেয়ে ক্যাম্পাস ছেড়ে পালিয়েছেন বলে দাবি নাহিয়ান বিন হক অনিকের।
আজ রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের ভিক্টোরিয়া পার্কের গেটসংলগ্ন এলাকায় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
জানা যায়, ভিক্টোরিয়া পার্কের গেটের পাশে একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় নাহিয়ান বিন অনিক গ্রুপের উপর শামছুল আরেফিনের অনুসারীরা রড নিয়ে হামলা চালান। পরে আত্মরক্ষার্থে তারা পাল্টা ধাওয়া দিলে শামছুল আরেফিনসহ তার অনুসারীরা ক্যাম্পাসের দিকে চলে যান।
সংঘর্ষের পেছনে সম্প্রতি সদস্য সচিব শামছুল আরেফিনের আয়োজিত একটি পাঠচক্রকে ঘিরে বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ রফিক ভবনে ‘শিক্ষা ভাবনা, ওরিয়েন্টালিজম এবং চিন্তার মৌলিকত্ব’ শীর্ষক পাঠচক্র আয়োজন করেন শামছুল আরেফিন। এ আয়োজন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাহিয়ান বিন হক অনিক একটি সমালোচনামূলক পোস্ট দেন। পরে পোস্টটি মুছে ফেলা হয়। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে।
নাহিয়ান বিন হক অনিক বলেন, “আমাদের উপর ভেক্টরিয়া পার্কে তারা হামলার পর আমরা প্রথমে হামলার শিকার হই। এরপর তাদের রড নিয়ে তাদেরকেও আত্মরক্ষার্থে আমরাও ধাওয়া দেই। এরপর ধাওয়া খেয়ে ক্যাম্পাস থেকে সদস্য সচিব সামছুল আরেফিনসহ তার কর্মীরা পালিয়ে যায়।”
তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তারা কোনো ধরনের সংঘর্ষের প্রস্তুতি নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন না। ভিক্টোরিয়া পার্কের গেটসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় তাদের ওপর হামলা করা হয়।
নাহিয়ান আরও বলেন, “ওরা রড নিয়ে আমাদের উপর হামলা করছে এবং আমাদের একুশতম আবর্তনের একজনের হাত ভাঙছে।” আহত ওই শিক্ষার্থী অর্থনীতি বিভাগের বলে দাবি করেন তিনি।
নাহিয়ানের অভিযোগ, সংঘর্ষের আগে ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলেও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। হামলাকারীদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী নন, এমন ব্যক্তিরাও ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
ঘটনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতিকেও দায়ী করেন নাহিয়ান। তার ভাষ্য, আগেই হুমকির বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। এরপরও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে সংঘর্ষের বিষয়ে বক্তব্য জানতে জবি ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামছুল আরেফিনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কল কেটে দেন। ফলে এ ঘটনায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
জবি প্রক্টর অধ্যাপক মোঃ গোলাম আজম বলেন, “নাহিয়ান বিন হক অনিক এসে অভিযোগ দিয়ে গেছেন। আমরা সবকিছু পর্যবেক্ষণে রাখছি। কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে অনলাইন লাইভ মেন্টর (ওএলএম) প্ল্যাটফর্ম। আজ ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে শিক্ষার্থী নিবন্ধন। ওএলএম প্ল্যাটফর্মে ঘরে বসেই যেকোনো সময় নিজের পছন্দের মেন্টরের কাছে পড়া বুঝে নিতে পারবেন একাদশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা। তাঁদের শেখাকে সহজ করে তোলার উদ্দেশ্যেই বাংলাদেশের এডটেক প্রতিষ্ঠান ননঅ্যাকাডেমির উদ্যোগে যাত্রা শুরু করেছে ওএলএম- এমনটি জানিয়েছেন ননঅ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী এ আই আরিফ।
ওএলএম সম্পর্কে আরিফ বলেন, 'শিক্ষার্থীদের শেখার ক্ষেত্রে অনেক সময় পুরো বিষয়টি নয়, নির্দিষ্ট একটি অধ্যায় বা ছোট একটি বিষয় বুঝতেই সমস্যা হয়। কিন্তু সেই মুহূর্তে একজন শিক্ষক বা মেন্টরের সহায়তা পাওয়া সব সময় সম্ভব হয় না। আমরা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চেয়েছি, যেখানে শিক্ষার্থী তাঁর প্রয়োজন অনুযায়ী মেন্টর খুঁজে নিয়ে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যুক্ত হতে পারবেন। একই সঙ্গে যাঁরা পড়াশোনার পাশাপাশি পড়ান, তাঁরাও তাঁদের জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ পাবেন।'
ওএলএম কিভাবে কাজ করে সে বিষয়ে তিনি জানান, প্ল্যাটফর্মটিতে কোনো শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট বিষয়ে সমস্যায় পড়লে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা অধ্যায়ের নাম দিয়ে মেন্টর খুঁজতে পারবেন। সেখানে কোন কোন মেন্টর অনলাইনে আছেন, তাঁদের প্রোফাইল এবং প্রতি ঘণ্টায় পারিশ্রমিকের তথ্য দেখা যাবে। শিক্ষার্থী নিজের পছন্দ অনুযায়ী মেন্টর নির্বাচন করে অনুরোধ পাঠাতে পারবেন। মেন্টর অনুরোধ গ্রহণ করলে নির্ধারিত পারিশ্রমিক পরিশোধের পর সরাসরি অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকবে। ক্লাস রেকর্ডিং, হোয়াইট বোর্ডসহ ক্লাস নেওয়ার সকল সুবিধা থাকবে। একাদশ শ্রেণি থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিকভাবে এ সেবা চালু করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরও যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যারা পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশন করান তাদের জন্যও ওএলএম সুযোগ তৈরি করেছে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) এবং বিভিন্ন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী মেন্টর হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা, পড়ানোর বিষয় ও পারিশ্রমিকের তথ্য দিয়ে মেন্টর প্রোফাইল প্রস্তুত করেছেন তারা। শিক্ষার্থীরা সেই প্রোফাইল দেখে প্রয়োজন অনুযায়ী মেন্টর নির্বাচন করবেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের সুবিধাজনক সময়ে ঘরে বসে টিউশন করানোর মাধ্যমে অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ পাবেন।
ওএলএম চালুর পেছনের ভাবনা সম্পর্কে আরিফ বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দেখেছি, অনেক বন্ধু টিউশন করানোর জন্য বাসায় বাসায় যাতায়াত করেন। এক ঘন্টার টিউশন কিন্তু যাতায়াতসহ সময় চলে যায় ৩ঘন্টা। একদিকে সময় নষ্ট অন্যদিকে ক্লান্তি। আবার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় আমার নিজেরও এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে যে কোনো অধ্যায়ের নির্দিষ্ট একটি বিষয় বুঝতে পারছি না। তখন তাৎক্ষণিকভাবে সেটির সমাধান পাওয়ার কোনো সুযোগ আমি পাই নি। রাত ১২টার সময় ক্লাসের শিক্ষক বা টিউশন শিক্ষককে পাওয়া যেত না। গুগলে এলোপাথারি খুঁজেও নির্দিষ্ট সমস্যার সহজ সমাধান আমি পাই নি। এই অভিজ্ঞতাগুলো থেকেই শেখানো ও শেখার পদ্ধতিকে আরও সহজ করার চিন্তা আসে।'
একজন শিক্ষার্থী তাঁর প্রয়োজনের সময়ে ওএলএমডটবিডি (olm.bd) থেকে একজন উপযুক্ত মেন্টরের কাছে পৌঁছাতে পারবেন। একই সঙ্গে একজন মেন্টরও নিজের সময় ও দক্ষতা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে পারবেন। এভাবেই শেখা ও শেখানো দুটো প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও কার্যকর করাই ওএলএম এর লক্ষ্য।
দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্মকর্তাদের জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ২৫ দিনব্যাপী ৩০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (জিটিআই) শ্রেণিকক্ষে এ বুনিয়াদি কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অর্থায়নে এবং জিটিআইয়ের ব্যবস্থাপনায় এ প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করা হয়।
এবারের প্রশিক্ষণে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করছেন। ২৫ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কোর্সে কর্মকর্তাদের পেশাগত জ্ঞান, দক্ষতা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা ও ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো: হেলাল উদ্দীন। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল আলীমসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্বে ছিলেন জিটিআই'র ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রশিক্ষণ কোর্সের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক এ. কে. এম. রফিকুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. জি. এম. মুজিবর রহমান বলেন, পরিবর্তনশীল বিশ্বে জ্ঞান ও দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। সময়ের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে হালনাগাদ করতে হলে প্রশিক্ষণ ও ধারাবাহিক শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি অপরিহার্য। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং সেবার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি এই প্রশিক্ষণের ফলাফল সবার জীবনে বহুমুখী কাজে লাগবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানাই। এ ধরনের প্রশিক্ষণ প্রত্যেকের পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভেটেরিনারি পেশার মর্যাদা নিশ্চিত, পেশাগত অধিকার রক্ষা এবং তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (বিভিএসডব্লিউএ) উদ্যোগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একই সময়ে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাকৃবিতেও এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে ভেটেরিনারি অনুষদের সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। মানববন্ধনে অনুষদের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, পেশাগত স্বকীয়তা ও ক্যাডার কাঠামোর মর্যাদা রক্ষায় নন-ভেটেরিনারিয়ানদের পদোন্নতি ও প্রশাসনিক দায়িত্বের সুস্পষ্ট সীমানা নির্ধারণ করা জরুরি। তারা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরোধী না হয়ে কেবল পেশাগত মর্যাদা ও যৌক্তিক অধিকার রক্ষায় সরকারের ইতিবাচক ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, 'আমরা চাই আমাদের সংশ্লিষ্ট যে দপ্তরগুলো আছে তারা আমাদের দাবি পূরনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। আমরা জানি আমাদের দাবিটা খুবই যৌক্তিক। পরবর্তীতে যদি আমাদের যৌক্তিক দাবি মানা না হয়, তাহলে আমরা কঠোর থেকে কঠোরতর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব। আমরা চাই সরকার তাদের দেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দ্রুত তা বাস্তবায়ন করুক এবং সে বিষয়ে আমরা সাহায্য করতেও প্রস্তুত। তবে ডিপ্লোমাধারীদের বিষয়গুলো যদি দ্রুত সমাধান করা না হয়, তাহলে আমরা খুব দ্রুতই কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।'
ভেটেরিনারি অনুষদের শিক্ষার্থী তানভীন ইসলাম লাবণ্য বলেন, 'ভেটেরিনারিয়ানরা হচ্ছে হেলথ অফিসার, কিন্তু সেখানে সহকারী হেলথ অফিসার পদে কীভাবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে? আমরা এত কষ্ট করে এত বছর পড়াশোনা করার পর শেষে গিয়ে যদি ডিপ্লোমাধারীদের অধীনে কাজ করতে হয়, তাহলে আমাদের এত বছর কষ্ট করে পড়ার কোনো মানে হয় না। ইন্টার বা সমমানের পড়ালেখা শেষে ডিপ্লোমা করেই তারা ১০ম গ্রেড থেকে শুরু করে ধাপে ধাপে ৫ম গ্রেড পর্যন্ত পদোন্নতি পেয়ে যাচ্ছেন। অথচ আমরা ১০ম বা ৯ম গ্রেডে নিয়োগ পেয়ে অবশেষে ওই ডিপ্লোমাধারীদের নির্দেশেই কাজ করতে হবে এটা কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।'
মানববন্ধন থেকে বিভিএসডব্লিউএ-এর সাধারণ সম্পাদক বুরহান উদ্দিন সিয়াম শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো—
১. প্রতিটি উপজেলায় ৪ জন ভেটেরিনারি সার্জনের পদ দ্রুত সৃজন করে নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগ অতি দ্রুত কার্যকর করতে হবে।
২. সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার (৯ম গ্রেড) পদে শুধুমাত্র নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়োগ দিতে হবে।
৩. ক্যাডার কাঠামোর বাইরে নন-ভেটেরিনারিয়ানদের পদোন্নতি দিয়ে নিবন্ধিত (রেজিস্টার্ড) ভেটেরিনারিয়ানদের সমকক্ষ বা উচ্চতর পদে পদায়নের কোনো সুযোগ ভবিষ্যতে রাখা যাবে না।
তিনি আরও বলেন, 'অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক সহকারী ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার পদটি সৃষ্টির প্রেক্ষিতে আমাদের মনে সংশয় জাগে ডিপ্লোমাধারীদের এই পদে নিয়োগ দেওয়া হলে তারা কার অধীনে এবং কীভাবে কাজ করবেন। বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল আইন অনুযায়ী যেকোনো সিদ্ধান্ত কেবল নিবন্ধিত ভেটেরিনারিয়ানরাই নিতে পারেন, আর প্যারাভেটরা তাদের অধীনে থেকে শুধু প্রথম চিকিৎসা, টিকাদান বা কৃত্রিম প্রজননের মতো কাজগুলো সম্পাদন করবেন। তাই উপজেলা পর্যায়ে সরাসরি কোনো ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ অফিসার না থাকা সত্ত্বেও ডিপ্লোমাধারীদের এমন দায়িত্বশীল পদে নিয়োগ দেওয়া হলে তা ভেটেরিনারিয়ানদের পেশা, জনস্বাস্থ্য এবং প্রাণিকল্যাণের জন্য হুমকি বা এক ধরণের প্রতারণার শামিল।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড ইনোভেশন ইকোসিস্টেম ডেভেলপমেন্ট (ডিইআইইডি) প্রকল্পের আওতায় ইউনিভার্সিটি ইনোভেশন হাব প্রোগ্রাম (ইউআইএইচপি) থেকে সিড গ্র্যান্ট পেয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাতটি উদ্ভাবনী দল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সিড গ্র্যান্টের জন্য নির্বাচিত দলগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়। নির্বাচিত সাতটি দলের প্রত্যেককে প্রকল্পের প্রয়োজন ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সিড গ্র্যান্ট দেওয়া হয়েছে। দলগুলো হলো- এপিআর ফার্মিং, অ্যাকুয়াভার্ডা, নিউট্রিলাইভস্টক, টিম ব্লুভিয়া, সহজায়ন, করিকাঠ নেক্সাস ও গুড হেলথ অ্যাগ্রো ভেঞ্চার।
জানা যায়, ইউআইএইচপির চারটি ইনোভেশন কোহর্টের (আইসি-১ থেকে আইসি-৪) মাধ্যমে বাকৃবিতে প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্ভাবনী ধারণাগুলোকে উদ্যোক্তা উদ্যোগে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। চারটি কোহর্টে প্রাথমিকভাবে ১০০টির বেশি ধারণার মধ্য থেকে ৩৭টি দল নির্বাচন করা হয়। পরবর্তীতে মেন্টরিং, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কোহর্টভিত্তিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ১৮টি দল ক্যাম্পাস পর্যায়ে প্রি-সিড গ্র্যান্টের জন্য নির্বাচিত হয়।
পরবর্তী ধাপে এসব দল সিড গ্র্যান্টের জন্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। সারাদেশ থেকে জমা পড়া ৩০০টির বেশি উদ্ভাবনী ধারণার মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে বাকৃবির সাতটি দল সিড গ্র্যান্টের জন্য নির্বাচিত হয়।
বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ডিইআইইডি প্রকল্পের মাধ্যমে ইউআইএইচপি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণাকে উদ্যোক্তা উদ্যোগে রূপ দেওয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাকৃবি ইনোভেশন হাবের ফোকাল পয়েন্ট অধ্যাপক ড. জোয়ার্দ্দার ফারুক আহমেদ বলেন, বাকৃবি থেকে সাতটি দল সিড গ্র্যান্ট পাওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত। এটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও একটি ভালো অর্জন। ইনোভেশন হাবটি প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতে এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্বতন্ত্র সেকশন হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
তিনি বলেন, এখানে নতুন ও সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তারা কাজ করার সুযোগ পাবেন। শিক্ষার্থীরা মেন্টরশিপ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও কোম্পানি ডেভেলপমেন্টের মতো কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি নিজেদের নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করতে পারবে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা তৈরির একটি কার্যকর পরিবেশ গড়ে উঠবে বলে আমরা আশা করছি।
জবি ছাত্রদলের ২ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমির নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল
নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কথিত ‘লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপতৎপরতার বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের ২ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমির নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটক, জজকোর্ট ও ভিক্টোরিয়া পার্ক হয়ে আবার প্রধান ফটকের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, “বিগত ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সর্বশেষ জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ পেয়েছি। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, গণহত্যার জন্য দায়ীদের দোসররা ন্যূনতম অনুশোচনা না করে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের এই অর্জনকে ম্লান করার জন্য বিভিন্নভাবে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তারা গোপনে বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করছে।”
তিনি আরও বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এক ইঞ্চি মাটিতেও গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দোসরদের জায়গা দেওয়া হবে না। শুধু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের এক ইঞ্চি মাটিতেও তাদের জায়গা দেওয়া হবে না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের প্রতিটি নেতাকর্মী এ ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে।”
রুমি বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশনায়ক জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান সাম্য, মানবিকতা ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন। এই প্রচেষ্টাকে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে আমরা রাজনৈতিকভাবে তার মোকাবিলা করব। বাংলাদেশের প্রশ্নে এবং জনাব তারেক রহমানের প্রশ্নে আমরা ঐক্যবদ্ধ।”
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “সারাদেশে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও বোমাবাজির ঘটনাগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। ৭১ এর পরাজিত শক্তি এবং ২৪ এর পরাজিত শক্তির মধ্যে কোনো ধরনের যোগসাজশ রয়েছে কি না, তদন্তের মাধ্যমে সেটিও খতিয়ে দেখা উচিত।”
তিনি আরও বলেন, “রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশকে শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল রাখতে যা যা করা প্রয়োজন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল তা করবে।”
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।