• প্রকাশ : বুধবার ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৯:৩৬ এএম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদেরকে সম্মানী ভাতার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারিত করতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি চক্র। 

এই চক্রের পাতা ফাঁদে পা না দিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষভাবে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সম্প্রতি ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে ইসি জানায়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, একটি প্রতারক চক্র নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাচনকালীন সম্মানী দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা করছে। প্রতারকরা মূলত ০১৩৪২০৪৬২৩২ ও ০১৬১২৬৭৭০৭৪ নম্বর ব্যবহার করে এসব প্রতারণামূলক ফোনকল করছে।


বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন তাদের বক্তব্যে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে স্ব স্ব কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সব কর্মকর্তাকে বিধি অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সম্মানী দেওয়া হবে। এজন্য কোনো ব্যক্তি বা আলাদা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের কোনো প্রয়োজন নেই।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা যেন এই প্রতারক চক্রের কোনো প্রলোভন বা ফোনকলে সাড়া না দেন। সরকারি এই পেমেন্ট প্রক্রিয়ার জন্য কোনো ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং তথ্য বা পিন নম্বর চাওয়ার সুযোগ নেই। যদি কেউ ইসি’র পরিচয় দিয়ে তথ্য চায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর পরামর্শ দিয়েছে ইসি।



সর্বশেষ সব খবর

ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:০৯ পিএম

পারিবারিক সচেতনতা, সামাজিক প্রতিরোধ ও চিকিৎসার মাধ্যমে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ। মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে দিনাজপুর জেলা পুলিশ। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্মিলিত উদ্যোগে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।


সম্প্রতি দিনাজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের মিডিয়া সেল গ্রুপে প্রচারিত এক সচেতনতামূলক বার্তায় জেলা পুলিশ মাদককে না বলে জীবনকে হ্যাঁ বলার আহ্বান জানায়। বার্তায় মাদক প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতন হওয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগীতা করা এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধের তথ্য পুলিশকে জানানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।


মাদকের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ। জেলা পুলিশের সচেতনতামূলক বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, মাদক গ্রহণের ফলে মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি, কর্মক্ষমতা হ্রাস এবং পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের অবনতি ঘটতে পারে। 


মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ব্যক্তির শিক্ষা, কর্মজীবন ও অর্থনৈতিক অবস্থার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি পরিস্থিতিভেদে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও তৈরি হয়। মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব শুধু একজন ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; এর প্রভাব পরিবারের সদস্যদের জীবন, সামাজিক সম্পর্ক ও সামগ্রিক পরিবেশেও পড়তে পারে। তাই মাদক প্রতিরোধকে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়ীত্ব হিসেবে না দেখে একটি সম্মিলিত সামাজিক দায়ীত্ব হিসেবে বিবেচনা করা জরুরী।


মাদক প্রতিরোধে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, মাদক থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে পরিবারের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে জেলা পুলিশ। সন্তানদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া, তাদের সঙ্গে আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা, চলাফেরা ও বন্ধুবান্ধব সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং সুস্থ জীবনযাপনে উৎসাহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, শিক্ষা ও বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে তরুণদের সম্পৃক্ত করা মাদকবিরোধী সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।


পরিবারে কেউ মাদকাসক্ত হয়ে পড়লে তাকে অবহেলা বা অপমান না করে সহানুভূতির সঙ্গে বোঝানো এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের সহায়তায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করাও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ গ্রহণের মাধ্যমে মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা উচিত। একই সঙ্গে পরিবার ও সমাজের সহযোগীতামূলক পরিবেশ তার সুস্থ হয়ে ওঠার পথকে সহজ করতে পারে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে আইন মানার আহ্বান জেলা পুলিশের বার্তায় মাদকদ্রব্যের অবৈধ উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন, সরবরাহ ও ক্রয়-বিক্রয়সহ আইন দ্বারা নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। 


মাদকদ্রব্যসংক্রান্ত অপরাধের ধরন ও প্রযোজ্য আইনের বিধান অনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধের তথ্য জানা থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে জেলা পুলিশ। তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলেই তাকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা না করে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তথ্য যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী।


জরুরী প্রয়োজনে যোগাযোগের অনুরোধ দিনাজপুর জেলা পুলিশের সচেতনতামূলক বার্তায় জরুরী প্রয়োজনে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে যোগাযোগ এবং জেলা পুলিশের কন্ট্রোল রুমে তথ্য দেওয়ার জন্যও অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জেলা পুলিশের দেওয়া যোগাযোগের তথ্য অনুযায়ী—
জাতীয় জরুরী সেবা: ৯৯৯
পুলিশ কন্ট্রোল রুম, দিনাজপুর: ০১৩২০-১৩৭২৯৮
মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চাই সম্মিলিত উদ্যোগ মাদক প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, জনপ্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়, হাটবাজার, বাস টার্মিনাল ও জনসমাগমস্থলে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে এ বিষয়ে মানুষের সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব।


মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে শুধু অভিযান বা শাস্তির ওপর নির্ভর না করে প্রতিরোধ, সচেতনতা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে আইনসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ঝুঁকিতে থাকা তরুণদের সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগও জরুরী। দিনাজপুর জেলা পুলিশের আহ্বানের মূল বার্তাও হলো মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন হোন, অপরাধ প্রতিরোধে সহযোগীতা করুন এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়ীত্ব পালন করুন। 

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৫ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৫ এএম


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৫ পিএম

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে করণীয় সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশমালা প্রণয়নে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো জাতীয় গ্রিড পরিচালনাকারী সংস্থার বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সঞ্চালন-২ এর প্রধান প্রকৌশলী (অতিঃ দায়িত্ব) সৈয়দ এবাদুল্লাহ হায়দার আলীর  নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এ কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এর আগে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে একযোগে রাজধানী ঢাকার পূর্বাঞ্চলের বড় একটি এলাকা এবং চট্টগ্রামের কিছু অংশে হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর প্রায় দুই ঘণ্টা পর যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে সচল হয় জাতীয় গ্রিড। এখন পর্যায়ক্রমে বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু করা হচ্ছে।

বিকেলে জাতীয় গ্রিড পরিচালনাকারী সংস্থা পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির পাঠানো বার্তায় বলা হয়, দুপুর আড়াইটায় জাতীয় গ্রিডের রিস্টোরেশন কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যুতের সব গ্রিড লাইন ও গ্রিড উপকেন্দ্রগুলো চালু রয়েছে। 

পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো চালু করা হচ্ছে। উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষিপ্ত লোডশেডিংও কমে আসবে।

অনাকাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জনসাধারণের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ।

সর্বশেষ সব খবর

দুদক ভবন। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:৩৮ পিএম

ভুয়া বিল তৈরি করে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের মধ্যে রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা এবং সীমান্ত ব্যাংকের কর্মকর্তারা রয়েছেন।


সোমবার (২৬ অক্টোবর) চট্টগ্রামে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ বাদী হয়ে মামলাটি করেন দুদকের উপপরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন।


মামলার আসামিরা হলেন, রেলওয়ের অস্থায়ী কর্মচারী মো. হাবিবুল্লাহ খান, সাবেক অডিটর পবন কুমার পালিত, জুনিয়র অডিটর মোহাম্মদ মেহেদী হাসান ও খোকন চন্দ্র দে, হিসাব কর্মকর্তা মো. মামুন হোসেন, হিসাবরক্ষক সৈয়দ মো. সাইফুর রহমান, হিসাব কর্মকর্তা মো. আবু নাছের এবং অফিস সহায়ক মো. মাকসুদুর রহমান।


এ ছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্স ও বিজ্ঞাপন পরিদর্শক মুহাম্মদ ইকবাল, সাবেক উপকর কর্মকর্তা এম. মনজুর উদ্দিন চৌধুরী ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে আসামি করা হয়েছে। আসামি হিসেবে আরও রয়েছেন, সীমান্ত ব্যাংক পিএলসির সাবেক অফিসার মো. পারভেজ, রিলেশনশিপ ম্যানেজার বিদেশ বড়ুয়া এবং সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক গোলাম মোহাম্মদ ফরহাদ সরওয়ার।


মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে জালিয়াতি, প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে রেলওয়ের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। ‘মেসার্স দি কসমোপলিটন করপোরেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের চারটি বিলের বাইরে অতিরিক্ত ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকার একটি ভুয়া বিল তৈরি করে অর্থ পরিশোধ করা হয় বলে অভিযোগ করেছে দুদক। ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর রেলওয়ের ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকার একটি চেক ইস্যু করা হয়। পরদিন চেকটি সীমান্ত ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখায় ‘দি কসমোপলিটন করপোরেশন’-এর নামে খোলা একটি হিসাবে জমা দেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে ওই হিসাব থেকে পুরো টাকা তুলে নেওয়া হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।


দুদকের অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে দপ্তরের বিল রেজিস্টার ও অন্যান্য নথিতে কথিত ভুয়া বিলটির বৈধ এন্ট্রি পাওয়া যায়নি। বিল গ্রহণ ও চেক ইস্যুর প্রক্রিয়ায় নিয়ম অনুসরণ না করা এবং মূল ঠিকাদারের তথ্য যাচাই না করার অভিযোগও আনা হয়েছে।


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নেওয়া এবং সীমান্ত ব্যাংকে হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কোহিনুর আক্তার নামের এক নারীর পরিচয় ব্যবহার করা হয়। তবে প্রকৃত কোহিনুর আক্তার নিজেকে শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবসা ও ব্যাংক হিসাবের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।


চট্টগ্রাম দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২ এর দুদকের উপপরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘আসামিরা পরস্পরের সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া বিলের মাধ্যমে রেলওয়ের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।’


অনুসন্ধানকালে কথিত ভুয়া কোহিনুর আক্তার ও সোহাগ আলীকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তদন্তে তাদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়া অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানায় দুদক।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:১০ পিএম

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুরাতন ভবনের দ্বিতীয় তলায় ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (ডিক্যাব)-এর লাউঞ্জে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।


সোমবার (২৬ অ‌ক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে এই আগুন লাগে।বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুমের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম।


তিনি বলেন, পাঁচতলা ভবনের দোতলায় সাংবাদিকদের বসার রুমে বই পুস্তকে আগুন লাগে। অবশ্য সিদ্দিক বাজার ফায়ার স্টেশনের দুটি ইউনিট পৌঁছানোর আগেই আগুন নিভে যায়।তদন্ত করে আগুন লাগার উৎস বের করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:১৩ পিএম

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযান মালিকদের জন্য বড় সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। কোনো ধরনের জরিমানা ছাড়াই বকেয়া কর ও ফি জমা দিয়ে মোটরযানের কাগজপত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সময়সীমা আরও বাড়োনো হয়েছে।


সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিআরটিএর এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জরিমানা ছাড়া কেবল মূল কর ও ফি জমা দিয়ে সব প্রকার মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিট এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করার সুযোগ আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে সরকার।


বিআরটিএ জানিয়েছে, এটিই শেষ সুযোগ। তাই জরিমানা এড়াতে নির্ধারিত বৃহস্পতিবারের মধ্যে মূল কর ও ফি পরিশোধ করে মোটরযানের সব ধরনের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার জন্য সব যানবাহন মালিক ও চালকদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:২৮ পিএম

বিমান চলাচল খাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টির পাশাপাশি নিরাপত্তার ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) যৌথ ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক উড্ডয়ন সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিমান বাহিনী প্রধান বলেন, ফ্লাইট সেফটি নিশ্চিত করতে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, যথাযথ প্রশিক্ষণ, দক্ষ জনবল, কার্যকর নেতৃত্ব, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় ও দলগত কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি ফ্লাইট সেফটি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও দলগত কার্যক্রমের সমন্বিত প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সেমিনারে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২০টি দেশের বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সর্বশেষ সব খবর