ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহত চার সাংবাদিককে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) নেওয়া হয়েছে। রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত সাংবাদিকেরা হলেন- দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান ও আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম। এ ছাড়া কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছেন- বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সহদপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলম। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, ছাত্রদলের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী হামলায় অংশ নেন।
যেভাবে হামলা
প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে মিছিল নিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে আসেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলামকে মারধরের উদ্দেশ্যে তারা সেখানে এসেছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
তাদের কয়েকজনের হাতে রামদা, চাপাতি, হকি স্টিক, পাইপ ও বেসবল ব্যাটসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়।
খবর পেয়ে প্রক্টর মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে গেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অস্ত্রগুলো লুকিয়ে ফেলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। পরে তাদের হাতে অস্ত্র দেখতে পেয়ে দৈনিক সমকাল ও আজকের পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা ভিডিও ধারণ করতে এগিয়ে গেলে সমকালের প্রতিনিধিকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় আজকের পত্রিকার প্রতিনিধির মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
একপর্যায়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধিকেও মারধর করা হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। পরে প্রক্টর সাংবাদিকদের হলের ভেতরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংবাদিকদের ওপর হামলার খবর পেয়ে অন্য সাংবাদিকেরা ঘটনাস্থলে গেলে দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল ও আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলামকে মারধর করা হয়। এতে জাহিদুলের মাথা ফেটে যায়।
এ সময় সাংবাদিকদের ‘পুঁতে ফেলার’ হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানান তারা।
ফেসবুক পোস্টের মন্তব্য ঘিরে বিরোধ
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা এম আহসান হাবীবের একটি ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত।
আহসান হাবীবের অভিযোগ, ওই পোস্টের মন্তব্যে রাকসুর সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম তার মা ও বোনকে নিয়ে গালাগাল করেছেন। অন্যদিকে রাকিবুলের দাবি, তাকে মারধরের হুমকি দিয়ে অবস্থান জানতে চেয়েছিলেন আহসান হাবীব। পরে দুজনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে পাল্টাপাল্টি পোস্ট করেন।
শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে অবস্থান করেন রাকিবুল। পরে বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে সেখানে অবস্থান নেন আহসান হাবীব। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ছাত্রদল নেতাকর্মীর হাতে বেসবল ব্যাট দেখা যায়। তারা রাত ১০টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থানের ঘোষণা দেন।
ছাত্রদলের ওই অবস্থানের সমালোচনা করে শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘তারেক রহমানের সোনার ছেলেরা চাঁদাবাজি ছেড়ে দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে।’
এরপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রড, পাইপ, চাপাতিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে অবস্থান নেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে সেখানে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘বিষয়টি আমি সেন্ট্রাল ছাত্রদলকে জানিয়েছি। দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা ব্যর্থ। আমাদের দ্বারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। আমরা পুলিশকে ফোন দিয়েছি। কিন্তু পুলিশও ভয়ে পালিয়ে গেছে।’
জবি প্রেসক্লাব
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (৫ অক্টোবর) জবি প্রেসক্লাবের দপ্তর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ রোকুনুজ্জামান গোলাম রাব্বী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতি এই প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।
জবি প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সভাপতি মো. মুসফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. লিমন ইসলামের উক্ত যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম সূত্রে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ জানতে পেরেছেন গত রবিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। যেখানে দৈনিক সমকালের মাঈনুল ইসলাম রাজু, দ্য ডেইলি স্টারের নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আরিফ উজ্জামান কোরবান ও আগামীর সময়ের জাহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন। তাদের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
জবি প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ বলেন, পেশাগত দায়িত্বের অংশ হিসেবে সাংবাদিকরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ঘটনা, অনিয়ম ও সংশ্লিষ্ট বিষয় গণমাধ্যমে তুলে ধরেন। এ দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন কিংবা সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়া স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি।
জবি প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, সাংবাদিকদের নিরাপদ পরিবেশে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় এনে ভবিষ্যতে যাতে সাংবাদিকরা দায়িত্ব পালনে বাধার মুখে না পড়েন, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
বিবৃতি শেষাংশে জবি প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ হামলার ঘটনায় প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে আহত সাংবাদিকদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত এবং দেশের সব সাংবাদিকের নির্বিঘ্নে, নিরাপদে ও স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
জাবি ছাত্রদল নেত্রী সুমাইয়া সুলতানা ছিয়া। ছবি: সংগৃহীত
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির চারুকলা বিভাগের ৫২তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সুমাইয়া সুলতানা ছিয়া।
এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিস্থিতি আমার রাজনৈতিক বিশ্বাস, মূল্যবোধ এবং প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হচ্ছে না। সাম্প্রতিক সময়ে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ নানা বিষয়, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়েছে।’
তিনি যোগ করেন, ‘একজন সচেতন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নিজের বিবেক ও মূল্যবোধের জায়গা থেকে আমি মনে করছি, এই মুহূর্তে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি থেকে নিজেকে বিরত রাখাই আমার জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত।’
এই বিবেচনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্যপদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছেন বলে জানান তিনি।
তবে তার এই পদত্যাগকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানো হিসেবে না দেখার আহ্বান জানিয়ে সুমাইয়া বলেন, ‘আমি পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি, আদর্শ থেকে নয়। শহিদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এবং জাতীয়তাবাদী রাজনীতির প্রতি আমার বিশ্বাস ও ভালোবাসা আগের মতোই অটুট থাকবে।’
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ এবং দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস ধারণ করে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি। এসব আদর্শের প্রতি তার শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও ভালোবাসা কোনও ব্যক্তিগত পদ বা সাংগঠনিক অবস্থানের ওপর নির্ভরশীল নয়।
তিনি বলেন, এটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে তার সাময়িক বিরতি, জাতীয়তাবাদী রাজনীতি থেকে অবসর নয়। যতদিন পর্যন্ত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাজনীতি তার কাছে সুশৃঙ্খল, আদর্শনিষ্ঠ ও সুস্থ ধারায় পরিচালিত হচ্ছে বলে মনে না হবে, ততদিন তিনি এই সাংগঠনিক রাজনীতিতে ফিরবেন না।
ভবিষ্যতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল শহিদ জিয়ার আদর্শ, শৃঙ্খলা, নীতি ও সাংগঠনিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে পরিচালিত হলে সময় ও পরিস্থিতি বিবেচনায় পুনরায় সক্রিয় হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।
সুমাইয়ার ভাষ্য, ‘আমার এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায়, নিজের বিবেক, রাজনৈতিক বিশ্বাস ও মূল্যবোধের জায়গা থেকে নেয়া। ব্যক্তিগত কোনো বিরোধ, পদ-পদবি কিংবা সুযোগের প্রত্যাশা থেকে নয়। পদত্যাগ করছি একটি পদ থেকে, পদত্যাগ করছি না আমার আদর্শ থেকে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ আমার বিশ্বাস, শহিদ জিয়ার আদর্শ আমার রাজনৈতিক চেতনার ভিত্তি। এই বিশ্বাস নিয়েই আমি সামনে এগিয়ে যেতে চাই।’
তবে সুমাইয়ার পদত্যাগের বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর বলেন, ‘তার পক্ষ থেকে আমি বা আমার দপ্তর এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও পদত্যাগপত্র পাইনি।’
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালান ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ছবিঃ সংগৃহীত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এতে চার সাংবাদিকসহ গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে চারজনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
রোববার (০৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত সাংবাদিকেরা হলেন আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান ও দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু। এছাড়া আরও কয়েকজন সাংবাদিক এ হামলায় আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে হামলাকারীরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম, ছাত্রদলের সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম, সহদপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রদলের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী এ হামলায় অংশ নেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট থেকে মিছিল নিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে আসেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলামকে মারধরের উদ্দেশে তারা সেখানে এসেছিলেন। তাদের কয়েকজনের হাতে রামদা, চাপাতি, হকি স্টিক, পাইপ, বেসবল ব্যাটসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়।
খবর পেয়ে প্রক্টর মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে গেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অস্ত্রগুলো লুকিয়ে ফেলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। পরে তাদের হাতে অস্ত্র দেখতে পেয়ে দৈনিক সমকাল ও আজকের পত্রিকার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিরা ভিডিও ধারণ করতে এগিয়ে গেলে সমকালের প্রতিনিধিকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় আজকের পত্রিকার প্রতিনিধির মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিনিধিকেও মারধর করা হয়। পরে প্রক্টর সাংবাদিকদের হলের ভেতরে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন।
সাংবাদিকদের ওপর হামলার খবর পেয়ে অন্য সাংবাদিকেরা ঘটনাস্থলে গেলে দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল ও আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলামকে মারধর করা হয় বলে। এতে জাহিদুলের মাথা ফেটে যায়। এছাড়াও অন্যান্য সাংবাদিকরা রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসলে তাদের পুঁতে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, ‘বিষয়টি আমি সেন্ট্রাল ছাত্রদলকে জানিয়েছি। দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা ব্যর্থ। আমাদের দ্বারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। আমরা পুলিশকে ফোন দিয়েছি। কিন্তু পুলিশও ভয়ে পালিয়ে গেছে।’
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা এম আহসান হাবীবের একটি ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত। আহসান হাবীবের অভিযোগ, ওই পোস্টের মন্তব্যে রাকসুর সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম তার মা ও বোনকে নিয়ে গালাগাল করেছেন। অন্যদিকে রাকিবুলের দাবি, তাকে মারধরের হুমকি দিয়ে অবস্থান জানতে চেয়েছিলেন আহসান হাবীব। পরে দুজনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে পাল্টাপাল্টি পোস্ট করেন।
এর আগে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে অবস্থান করেন রাকিবুল। পরে বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে সেখানে অবস্থান নেন আহসান হাবীব। এ সময় তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ছাত্রদল নেতা-কর্মীর হাতে বেসবল ব্যাট দেখা যায়। তারা রাত ১০টা পর্যন্ত সেখানে অবস্থানের ঘোষণা দেন।
ছাত্রদলের ওই অবস্থানের সমালোচনা করে শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘তারেক রহমানের সোনার ছেলেরা চাঁদাবাজি ছেড়ে দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে।’
এরপর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা রড, পাইপ, চাপাতিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে অবস্থান নেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে সেখানে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
জবি ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মুস্তাফিজুর রহমান রুমির গ্রেফতার ও আদালতের কিছু দৃশ্য
২০১৪ সালের ৩ অক্টোবর গ্রেপ্তার হয়ে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কারাগারে যাওয়ার স্মৃতি ১২ বছর পরও ভুলতে পারেননি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মুস্তাফিজুর রহমান রুমি। কারাবাসের সেই সময়কে নিজের রাজনৈতিক জীবনের ‘কঠিন পরীক্ষা’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, কারাগারের অন্ধকার তাকে দুর্বল করেনি, বরং নিজের আদর্শ ও রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি আরও দৃঢ় করেছে।
আজ রবিবার (৪ অক্টোবর) এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ২০১৪ সালের ওই দিনের স্মৃতিচারণ করেন মুস্তাফিজুর রহমান রুমি।
তিনি জানান, ০৩ অক্টোবর ২০১৪ইং, একটি দিন, যা আজও ভুলতে পারিনি। ওই দিন তিনি ষষ্ঠবারের মতো গ্রেপ্তার হন এবং দ্বিতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কারাগারে যেতে হয়। কারাগারের সেই সময়ের স্মৃতি মনে পড়লে এখনো তার বুক ভার হয়ে আসে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
কারাবাসের সময়কার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রুমি বলেন, শত অত্যাচার-নির্যাতন, ভয় ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দেশ, দলের আদর্শ ও রাজনৈতিক কমিটমেন্ট থেকে সরে আসেননি। বরং কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে নতুন উদ্যমে রাজপথে নেমেছেন এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সোচ্চার হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।
কারাগারে থাকার সময়ের মানসিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কঠিন সময় কখন শেষ হবে, তা নিয়ে অনেকবার তার মনে প্রশ্ন জেগেছে। ওই সময়ে প্রিয়জন ও রাজপথের সহযোদ্ধাদের কথাও মনে পড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি মনে পড়েছে নিজের বিশ্বাস, আদর্শ এবং যে পথকে সত্য মনে করে রাজনীতিতে এসেছিলেন, সেই পথের কথা।
রুমি আরও বলেন, ব্যক্তিগত কষ্ট ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি সেই বিশ্বাস থেকে সরে আসেননি। যতবারই কারাগারে যেতে হয়েছে, কারাগারের অন্ধকার তাকে দুর্বল করতে পারেনি; বরং নিজের অবস্থান, আদর্শ ও প্রতিশ্রুতির প্রতি আরও দৃঢ় করেছে।
নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কারাগারে কাটানো সময়কে শুধু কারাবাসের স্মৃতি হিসেবে দেখেন না জানিয়ে রুমি বলেন, এটি তার রাজনৈতিক জীবনের একটি কঠিন পরীক্ষা ছিল। সেই পরীক্ষা তাকে আরও দৃঢ় ও প্রত্যয়ী করে রাজপথে ফিরিয়ে এনেছিল বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
শেষাংশে তিনি রাজনৈতিক আন্দোলনে কর্মীদের ত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, তাদের মতো হাজার হাজার কর্মীর শ্রম, ঘাম, রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজকের বাংলাদেশ।
দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সরকারের ঘোষিত তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে ফেলা হয়।
কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মামুন আল রশীদ, জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. সরফরাজ নেওয়াজ, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি আব্দুল মঈদ বাবুলসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্টরা।
অভিযানের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে জমে থাকা পানি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাইকে সচেতন করা হয়।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বলেন, ‘‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুধু এক দিনের কর্মসূচি নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক উদ্যোগ। ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব এখন শুধু ঢাকা শহরেই সীমাবদ্ধ নেই, প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হতে হবে।’’
তিনি আরও বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, ক্লিন ও গ্রিন ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এ বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের অন্যতম মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে। একাডেমিক উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী শিক্ষার পাশাপাশি ক্যাম্পাসের পরিবেশ উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। নিজ নিজ আঙিনা, ঘরের ভেতর ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সবাইকে নিজ দায়িত্বে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী এক মাসের মধ্যে ক্যাম্পাসে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছি। পরিচ্ছন্নতার এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।’’
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস) ও রিমোট সেন্সিং বিষয়ে ছয় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৯টায় এগ্রোমেটিওরোলজি বিভাগের স্ট্যাটিস্টিক্যাল, জিআইএস অ্যান্ড ক্রপ মডেলিং ল্যাবে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়।
উচ্চশিক্ষা ত্বরান্বিতকরণ ও রূপান্তর (হিট) প্রকল্পের আওতায় ‘ট্রেনিং অন অ্যাডভান্সড লেভেল অব জিআইএস অ্যান্ড রিমোট সেন্সিং’ শীর্ষক প্রশিক্ষণটি চলবে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও বাকৃবির কৃষি অনুষদের যৌথ উদ্যোগে প্রশিক্ষণটির আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষা বিভাগের ২০ জন শিক্ষক অংশ নিচ্ছেন।
‘কৃষি গ্র্যাজুয়েটদের গুণগত মান উন্নয়নে কৃষি শিক্ষার রূপান্তর’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আধুনিক কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় জিআইএস ও রিমোট সেন্সিংয়ের উন্নত ব্যবহার, শিক্ষা কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং দক্ষ কৃষি গ্র্যাজুয়েট তৈরির বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। হিট প্রকল্পের উপপ্রকল্প ব্যবস্থাপক অধ্যাপক মাসুম আহমাদের সভাপতিত্বে ও অধ্যাপক মোহাম্মদ মফিজুর রহমান জাহাঙ্গীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক জি. এম. মুজিবর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক এম. হাম্মাদুর রহমান এবং পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মোশাররফ উদ্দীন ভূঞা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও স্মার্ট কৃষিব্যবস্থা গড়ে তুলতে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের বিকল্প নেই। জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং বিষয়ে এ ধরনের উন্নত প্রশিক্ষণ শিক্ষক ও গবেষকদের আধুনিক গবেষণায় দক্ষতা বাড়াবে। এর মাধ্যমে বিশ্বমানের কৃষি গ্র্যাজুয়েট তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।’