ছবি: নোবিপ্রবি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:১২ পিএম

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসত্য, ভিত্তিহীন ও আপত্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সতর্ক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এসব নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিসের প্রশাসন শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ জারি করা হয়। নোটিশে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানারকম অসত্য ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।


নোটিশে বলা হয়, সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশনা-২০১৯’ অনুসরণ করতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার বা রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়—এমন পোস্ট, ছবি, অডিও, ভিডিও, কমেন্ট, লাইক বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। একইসঙ্গে রাজনৈতিক মতাদর্শ বা আলোচনা-সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য বা উপাত্ত প্রচার থেকেও বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে।


এ ছাড়া জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী তথ্য বা উপাত্ত প্রকাশ, কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে এমন কনটেন্ট প্রকাশ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে- এমন পোস্ট, ছবি, অডিও বা ভিডিও আপলোড, কমেন্ট, লাইক ও শেয়ার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নোটিশে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোনো সার্ভিস/পেশাকে হেয় প্রতিপন্ন করে এমন পোস্ট, লিঙ্গবৈষম্য বা এ-সংক্রান্ত বিতর্কমূলক তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ এবং জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে- এমন কনটেন্ট প্রচার থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া মহামান্য আদালত ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের পক্ষে যেকোনো ধরনের প্রচার-প্রচারণা ও কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ থেকেও বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে।


নোটিশে আরও বলা হয়, এসব নির্দেশনা লঙ্ঘন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১-এর ধারা ৪৭(৮) এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ২(খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ এবং চাকরি শৃঙ্খলা পরিপন্থী আচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে।

এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

অন্যথায় উল্লেখিত আইন ও বিধির পাশাপাশি রাষ্ট্রের প্রচলিত অন্যান্য আইন অনুযায়ীও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলে নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।

বিষয় :




সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪৪ পিএম

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলামের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরালো হয়েছে। উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে টানা অষ্টম দিনের মতো মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।


আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ক্ষেত্রে চরম অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি করে আসছেন। এমনকি বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। বিশ্ববিদ্যালয়কে স্থবিরতা থেকে মুক্ত করে স্বাভাবিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে উপাচার্যের অপসারণের কোনো বিকল্প নেই বলে জানান বক্তারা।


অধ্যাপক ড. এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে এবং জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামানের সঞ্চালনায় এই কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা। বক্তাদের মধ্যে ছিলেন অধ্যাপক ছিদ্দিকুল ইসলাম, সাদা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক, সাবেক সভাপতি মাহবুব ইকবাল, আতাউর রহমান ও অধ্যাপক ড. নাজমুল হক।এ ছাড়া কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি গাজী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ নেওয়ামত উল্লাহ, বাছিত উদ্দিন, আশফাক আহমেদ, সিকৃবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন, আশরাফুল ইসলাম ও গোলাম রাব্বানী।


আন্দোলনরত শিক্ষকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী বর্তমান প্রশাসন চলছে না। উল্টো কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মনীতি বহির্ভূতভাবে বদলি করা হচ্ছে এবং ফাইলের অজুহাতে মানসিকভাবে চাপে রাখা হচ্ছে। প্রশাসনের এমন আচরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। 


বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও তার কোনো যথাযথ ফলাফল বা বিচার মিলছে না। তারা অবিলম্বে বর্তমান উপাচার্যকে অপসারণ করে ক্যাম্পাসে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন আন্দোলনকারীরা।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:০৩ পিএম

উপাচার্য পরিবর্তনের প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। সকালে চুয়েটের প্রধান ফটকে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে মূল ফটকে তালা দিয়ে সেখানে অবস্থান নেন তারা। এ সময় বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে আগের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে অপসারণের প্রতিবাদ জানান শিক্ষার্থীরা।


একই দাবিতে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবনের সামনে মানববন্ধন করেন চুয়েটের শিক্ষকরা। এ সময় তারা অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবি জানান এবং বিভিন্ন বক্তব্য দেন।


চুয়েটের স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রাশেদুল হাসান বলেন, ‘এক মাস ২২ দিনে আমরা দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখেছি। কাজের মধ্যে গতি ও প্রাণচাঞ্চল্য এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন জীবন ফিরে এসেছে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্রেও অগ্রগতি হয়েছে। মাত্র এক মাস ২২ দিনের মধ্যে তাকে কেন সরিয়ে দেওয়া হলো, এর সুস্পষ্ট ও যৌক্তিক কারণ আমরা জানতে চাই।’


তিনি বলেন, ‘নতুন উপাচার্য চুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী। তার প্রতি আমাদের সম্মান রয়েছে। তবে আমরা অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহাল চাই, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন অব্যাহত থাকে। যৌক্তিক ব্যাখ্যা না দেওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের অবস্থানে থাকব।’


চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. বশির জিসান বলেন, ‘একজন উপাচার্যকে পদে রাখার দাবিতে আন্দোলন-এমন ঘটনা বিরল। কিন্তু এখানে শিক্ষার্থীরা তা করছে, কারণ তিনি শিক্ষার্থীদের একটি ভিশন দিয়েছেন। সরকার যাচাই-বাছাই করে তাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। তাহলে আবার কেন তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো?’


তিনি আরও বলেন, ‘এতে শিক্ষক সমাজ ও চুয়েটকে হেয় করা হয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা তার পুনর্বহাল চান। নতুন নিয়োগের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করতে হবে। তা না হলে নতুন যিনি এসেছেন, তাকেও যেন কোনোভাবে অপমানিত হতে না হয়। পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে।’


মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে সংহতি জানান।


যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব হাসান বলেন, ‘আমাদের উপাচার্য আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম স্যারকে কোনো কারণ ছাড়াই সরিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে গতকাল রাত থেকেই আমাদের কর্মসূচি চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আমরা ক্যাম্পাস অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। সায়েম স্যার চুয়েট ও শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষক। আমরা তার পুনর্বহাল চাই।’


সোমবার রাতে অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।


এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সোমবার রাতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভ শেষে উপাচার্যের বাসভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। পরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৯ এএম

আর্থ অবজারভেশন বৈজ্ঞানিক তথ্য ও গবেষণায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রম জোরদারে চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের (CAS) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। 


গত ১৪ সেপ্টেম্বর চীনের সাংহাইয়ে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।


সমঝোতা স্মারকের আওতায় ইন্টারন্যাশনাল ডেটা নেটওয়ার্ক ফর আর্থ অবজারভেশন (IDN4EO)-এর অধীনে বাংলাদেশে একটি ‘ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ (ICoE-Bangladesh) প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আর্থ অবজারভেশন ডেটা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন অধ্যাপক লি গুওছিং। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। অনুষ্ঠানে উপাচার্য বাংলাদেশ থেকে ভিডিও বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সাংহাইয়ে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদের ও ড. মো. আব্দুল মালেক।


ভিডিও বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, এ সমঝোতা স্মারক শুধু একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি নয়; এটি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা, উদ্ভাবন, উন্নত গবেষণা ও টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও উন্নত প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং গবেষণা সক্ষমতা জোরদারে এ অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


তিনি যৌথ গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাডেমিক বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব লাওস এবং থাইল্যান্ডের মাহানাকর্ন ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় দুটিও চীনা অংশীদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পৃথক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এর ফলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় এবং চীনের বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আর্থ অবজারভেশন, বৈজ্ঞানিক তথ্য ও গবেষণা সহযোগিতার একটি আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে।


স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাংলাদেশে ICoE-Bangladesh প্রতিষ্ঠা, ভবিষ্যৎ যৌথ গবেষণা, বৈজ্ঞানিক তথ্য আদান-প্রদান, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য সম্ভাব্য সহযোগিতামূলক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাস্তবভিত্তিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।


সমঝোতা স্মারকের আওতায় কৃষি পর্যবেক্ষণ, দুর্যোগকালীন জরুরি সাড়া প্রদানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক তথ্যভিত্তিক পণ্য (data products) উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি মানসম্মত ডেটাসেট, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-উপযোগী ডেটাসেট যৌথভাবে উন্নয়নের সুযোগ থাকবে।


এ ছাড়া শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে কারিগরি প্রশিক্ষণ, জনবল বিনিময়, আন্তর্জাতিক একাডেমিক সম্মেলন ও বিষয়ভিত্তিক কর্মশালা আয়োজনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর ফলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা অর্জনের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে।


জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন এ অংশীদারিত্বের জন্য চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট গবেষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক আর্থ অবজারভেশন বৈজ্ঞানিক তথ্য ও গবেষণা সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হবে।


সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের তারিখ থেকে তিন বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। উভয় পক্ষের পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে এর মেয়াদ নবায়ন করা যাবে। স্বাক্ষর শেষে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদের ও ড. মো. আব্দুল মালেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের কাছে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের অনুলিপি হস্তান্তর করেন।


ছবি: নোবিপ্রবির জুলাই শহীদ স্মৃতি ছাত্রী হলে ফ্রেশার্স রুম

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:০৭ এএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) জুলাই শহীদ স্মৃতি ছাত্রী হলে নবীন ছাত্রীদের জন্য তিনটি ফ্রেশার্স রুম, আবাসিক ছাত্রীদের জন্য হল লাইব্রেরি ও গেম রুম উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোবিপ্রবি জুলাই শহিদ স্মৃতি ছাত্রী হলে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। এতে সভাপতিত্ব করেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ছাত্রী হলের প্রভোস্ট ড. নাহিদ সুলতানা। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


নবীন ছাত্রীদের পারস্পরিক পরিচয়, যোগাযোগ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফ্রেশার্সদের জন্য নির্ধারিত তিনটি কক্ষের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ঐক্য’, ‘সখ্য’ ও ‘মৈত্রী’। নবীন শিক্ষার্থীদের আবাসিক জীবনে একটি আনন্দময় ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে এসব কক্ষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আবাসিক ছাত্রীদের নিয়মিত পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ বাড়াতে চালু করা হয়েছে ‘অনির্বাণ লাইব্রেরি’। লাইব্রেরিটি দুটি অংশে বিভক্ত। এর একটি অংশে রয়েছে ছাত্রীদের জন্য রিডিং রুম এবং অন্য অংশে রয়েছে জুলাই কর্নার-সম্বলিত হল লাইব্রেরি। এর মাধ্যমে আবাসিক ছাত্রীরা নিরিবিলি ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশে পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ পাবেন।


এছাড়া আবাসিক ছাত্রীদের অবসর সময়কে আনন্দময় করা এবং সুস্থ বিনোদনের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে উদ্বোধন করা হয়েছে ‘প্রজন্ম খেলাঘর’ নামে একটি গেম রুম। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি বিনোদন ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

হল সংশ্লিষ্টরা জানান, আবাসিক ছাত্রীদের শিক্ষা, জ্ঞানচর্চা, মানসিক বিকাশ, সুস্থ বিনোদন ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নবীন ছাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও হলজীবনে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরিতেও ফ্রেশার্স রুমগুলো ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বিষয় :


  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:২০ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অধ্যয়নরত মাগুরা জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন মাগুরা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির ২০২৬-২৭ বর্ষের জন্য পুর্নাঙ্গ নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছে আল হাদিস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. গোলাম রাব্বি নয়ন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছে লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. তুষার আহম্মেদ। 


আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির উপদেষ্টা এবং সদ্য সাবেক আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি আগামী এক বছরের জন্য নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

 

নতুন কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহ-সভাপতি মুরাদ আলী, খলিল, মো: মিশকাত জামী প্রজ্ঞা, মো: শাহীন মিয়া, নাহিদ হোসেন, মারুফ হাসান শোভন, মো: সানজিদ, মো: ফারহান, মো: জাকারিয়া শান্ত, মো: আবিদুল ইসলাম, মো: আবু হুরায়রা, মো: আদীব, শিমলা সিজুকা, উমাইয়া ইয়াসমিন সৃষ্টি, মুন্নি খাতুন। 


এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সদর, সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা. হিতুয়ারা খাতুন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সিনথিয়া মাহবুব, আইন বিষয়ক সম্পাদক হুমায়রা অসীমা প্রীতি, উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক নদীয়া আক্তার নদী, প্রচার সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, উপ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, মুসফিকা ইশা, অর্থ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, উপ-অর্থ সম্পাদক জিতুন জারা হাবিবা, দপ্তর সম্পাদক তহিদুল ইসলাম, উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. হৃদয় হাসান রিয়াদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহীন, উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সামিউল, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আসনাইন আসনান, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রাতুল হাসান, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক ইমরান খান, উপ-শিক্ষা সম্পাদক আফিয়া আমিন নদী, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রূপংকর বিশ্বাস, উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক পাপুই জামান, উপ-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক সাব্বির, সাহিত্য সম্পাদক মো. হাসিব, উপ-সাহিত্য সম্পাদক বিজয় মজুমদার, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক তাহিরা তারমিম প্রাপ্তি, উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক তাবাসসুম মোহসীনা, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সাব্বির হুসাইন, উপ-তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক মো. হাবিবুল্লাহ।


সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছে সৌরভ পাল, আবু উবাইদা, সামিয়া মুন্নি, সামান্তা রহমান ছোয়া, হাসিবুল ইসলাম।


নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি মো. গোলাম রাব্বি নয়ন বলেন, "এই দায়িত্ব আমার জন্য শুধু সম্মানের নয়, এটি একটি বড় দায়িত্ব ও আমানত। মাগুরা থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাশে থাকা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।"


তিনি আরও বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি-ব্যক্তি নয়, সংগঠন বড়; পদ নয়, দায়িত্বই মুখ্য। তাই সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও কল্যাণমুখী সংগঠন হিসেবে মাগুরা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতিকে এগিয়ে নিতে চাই।"


সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার শীলা।

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:১৮ পিএম

কুমিল্লার আলোচিত কিশোর ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের তৃতীয় দিনেও উত্তাল রয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি)। মানববন্ধনে অপ্রতিমের মা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের পক্ষে হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন তথ্য তুলে ধরা হয় এবং গ্রেপ্তারদের বয়স ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাইয়ের দাবিসহ তিনটি দাবি জানানো হয়।


সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে কুবি শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব দাবি তুলে ধরেন বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার শীলা।


মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আজাদ হোসেন সরকার, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।


ড. কামরুন নাহার শীলার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৬) ঘটনার প্রায় ১০ দিন আগে অপ্রতিমের বাবার প্রতিষ্ঠানে বিনা বেতনে চাকরি নেন।


এছাড়া ড. নাহিদা বেগম সহকারী প্রক্টর থাকাকালে মাদকবিরোধী অভিযানে স্থানীয় কয়েকজন কিশোর গ্যাং সদস্যকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন বলেও জানানো হয়। তার দাবি, ওই গ্যাংয়ের নেতৃত্বে ছিলেন মামলার আরেক আসামি সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯)। এই ঘটনার সঙ্গে অপ্রতিম হত্যার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।


ড. নাহিদা বেগমের দ্বিতীয় দাবি ছিল, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজনকে অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছে। তারা প্রকৃতপক্ষে অপ্রাপ্তবয়স্ক কি না, তা ডিএনএ পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।


এছাড়া অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আইন সংশোধনেরও দাবি জানান অপ্রতিমের মা।


ড. কামরুন নাহার শীলা বলেন, “আমি অপ্রতিমের মায়ের সঙ্গে দেখা করেছি। তার অবস্থা খুবই খারাপ। তারপরও তিনি আমাকে কয়েকটি দাবি জানিয়েছেন। তার পক্ষ থেকেই আমি আজ এসব দাবি তুলে ধরছি।”


বিষয় :