ছবি: নোবিপ্রবির জুলাই শহীদ স্মৃতি ছাত্রী হলে ফ্রেশার্স রুম

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:০৭ এএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) জুলাই শহীদ স্মৃতি ছাত্রী হলে নবীন ছাত্রীদের জন্য তিনটি ফ্রেশার্স রুম, আবাসিক ছাত্রীদের জন্য হল লাইব্রেরি ও গেম রুম উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোবিপ্রবি জুলাই শহিদ স্মৃতি ছাত্রী হলে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। এতে সভাপতিত্ব করেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ছাত্রী হলের প্রভোস্ট ড. নাহিদ সুলতানা। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


নবীন ছাত্রীদের পারস্পরিক পরিচয়, যোগাযোগ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফ্রেশার্সদের জন্য নির্ধারিত তিনটি কক্ষের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ঐক্য’, ‘সখ্য’ ও ‘মৈত্রী’। নবীন শিক্ষার্থীদের আবাসিক জীবনে একটি আনন্দময় ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে এসব কক্ষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আবাসিক ছাত্রীদের নিয়মিত পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ বাড়াতে চালু করা হয়েছে ‘অনির্বাণ লাইব্রেরি’। লাইব্রেরিটি দুটি অংশে বিভক্ত। এর একটি অংশে রয়েছে ছাত্রীদের জন্য রিডিং রুম এবং অন্য অংশে রয়েছে জুলাই কর্নার-সম্বলিত হল লাইব্রেরি। এর মাধ্যমে আবাসিক ছাত্রীরা নিরিবিলি ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশে পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ পাবেন।


এছাড়া আবাসিক ছাত্রীদের অবসর সময়কে আনন্দময় করা এবং সুস্থ বিনোদনের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে উদ্বোধন করা হয়েছে ‘প্রজন্ম খেলাঘর’ নামে একটি গেম রুম। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি বিনোদন ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

হল সংশ্লিষ্টরা জানান, আবাসিক ছাত্রীদের শিক্ষা, জ্ঞানচর্চা, মানসিক বিকাশ, সুস্থ বিনোদন ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নবীন ছাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও হলজীবনে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরিতেও ফ্রেশার্স রুমগুলো ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বিষয় :



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:২০ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অধ্যয়নরত মাগুরা জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন মাগুরা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির ২০২৬-২৭ বর্ষের জন্য পুর্নাঙ্গ নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছে আল হাদিস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. গোলাম রাব্বি নয়ন ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছে লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. তুষার আহম্মেদ। 


আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির উপদেষ্টা এবং সদ্য সাবেক আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়। দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি আগামী এক বছরের জন্য নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

 

নতুন কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহ-সভাপতি মুরাদ আলী, খলিল, মো: মিশকাত জামী প্রজ্ঞা, মো: শাহীন মিয়া, নাহিদ হোসেন, মারুফ হাসান শোভন, মো: সানজিদ, মো: ফারহান, মো: জাকারিয়া শান্ত, মো: আবিদুল ইসলাম, মো: আবু হুরায়রা, মো: আদীব, শিমলা সিজুকা, উমাইয়া ইয়াসমিন সৃষ্টি, মুন্নি খাতুন। 


এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সদর, সাংগঠনিক সম্পাদক মোছা. হিতুয়ারা খাতুন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সিনথিয়া মাহবুব, আইন বিষয়ক সম্পাদক হুমায়রা অসীমা প্রীতি, উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক নদীয়া আক্তার নদী, প্রচার সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, উপ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, মুসফিকা ইশা, অর্থ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম, উপ-অর্থ সম্পাদক জিতুন জারা হাবিবা, দপ্তর সম্পাদক তহিদুল ইসলাম, উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. হৃদয় হাসান রিয়াদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. শাহীন, উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সামিউল, শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আসনাইন আসনান, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রাতুল হাসান, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক ইমরান খান, উপ-শিক্ষা সম্পাদক আফিয়া আমিন নদী, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রূপংকর বিশ্বাস, উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক পাপুই জামান, উপ-সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক সাব্বির, সাহিত্য সম্পাদক মো. হাসিব, উপ-সাহিত্য সম্পাদক বিজয় মজুমদার, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক তাহিরা তারমিম প্রাপ্তি, উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক তাবাসসুম মোহসীনা, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সাব্বির হুসাইন, উপ-তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল, বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক মো. হাবিবুল্লাহ।


সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছে সৌরভ পাল, আবু উবাইদা, সামিয়া মুন্নি, সামান্তা রহমান ছোয়া, হাসিবুল ইসলাম।


নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি মো. গোলাম রাব্বি নয়ন বলেন, "এই দায়িত্ব আমার জন্য শুধু সম্মানের নয়, এটি একটি বড় দায়িত্ব ও আমানত। মাগুরা থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রতিটি শিক্ষার্থীর পাশে থাকা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করা এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।"


তিনি আরও বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি-ব্যক্তি নয়, সংগঠন বড়; পদ নয়, দায়িত্বই মুখ্য। তাই সকলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও কল্যাণমুখী সংগঠন হিসেবে মাগুরা জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতিকে এগিয়ে নিতে চাই।"

সর্বশেষ সব খবর

সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার শীলা।

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৮:১৮ পিএম

কুমিল্লার আলোচিত কিশোর ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের তৃতীয় দিনেও উত্তাল রয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি)। মানববন্ধনে অপ্রতিমের মা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের পক্ষে হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন তথ্য তুলে ধরা হয় এবং গ্রেপ্তারদের বয়স ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাইয়ের দাবিসহ তিনটি দাবি জানানো হয়।


সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে কুবি শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব দাবি তুলে ধরেন বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার শীলা।


মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আজাদ হোসেন সরকার, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেনসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা।


ড. কামরুন নাহার শীলার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৬) ঘটনার প্রায় ১০ দিন আগে অপ্রতিমের বাবার প্রতিষ্ঠানে বিনা বেতনে চাকরি নেন।


এছাড়া ড. নাহিদা বেগম সহকারী প্রক্টর থাকাকালে মাদকবিরোধী অভিযানে স্থানীয় কয়েকজন কিশোর গ্যাং সদস্যকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন বলেও জানানো হয়। তার দাবি, ওই গ্যাংয়ের নেতৃত্বে ছিলেন মামলার আরেক আসামি সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯)। এই ঘটনার সঙ্গে অপ্রতিম হত্যার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।


ড. নাহিদা বেগমের দ্বিতীয় দাবি ছিল, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজনকে অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছে। তারা প্রকৃতপক্ষে অপ্রাপ্তবয়স্ক কি না, তা ডিএনএ পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।


এছাড়া অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আইন সংশোধনেরও দাবি জানান অপ্রতিমের মা।


ড. কামরুন নাহার শীলা বলেন, “আমি অপ্রতিমের মায়ের সঙ্গে দেখা করেছি। তার অবস্থা খুবই খারাপ। তারপরও তিনি আমাকে কয়েকটি দাবি জানিয়েছেন। তার পক্ষ থেকেই আমি আজ এসব দাবি তুলে ধরছি।”


বিষয় :

সর্বশেষ সব খবর

নোবিপ্রবি ফটোগ্রাফি ক্লাবের নেতৃত্বে তুষার-আবিদ

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৪২ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ফটোগ্রাফি ক্লাবের ২০২৬–২৭ সেশনের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফলিত গণিত বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মেহরাব জামাল তুষার এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী মো. ফজলুল হক আবিদ।


নবগঠিত কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের শাহেনুর আক্তার। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এগ্রিকালচার বিভাগের আসিফ ইকবাল সজীব এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের মো. সাদমান সাকিব।

এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সুরাইয়া জান্নাত এবং দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের রাকিব হোসাইন।

কমিটিতে ডকুমেন্টেশন বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের মাইশা মালিহা। জনসংযোগ বিভাগের প্রধান হয়েছেন ইংরেজি বিভাগের ফাবিহা ফাইজা। চলচ্চিত্র বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রিজন ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মো. শরীফুল ইসলাম।



‎দপ্তর সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বলেন,"সর্বপ্রথম আমি শুকরিয়া আদায় করবো আল্লাহর কাছে ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আগের কমিটির কাছে যারা আমাকে এই কাজের জন্য যোগ্য মনে করেছেন।"

তিনি আরোও বলেন, "অফিস সেক্রেটারি হিসেবে নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করবো ও পাশাপাশি নতুন কিছু শিখতে পারবো বলে আশা রাখছি।আর আমি চাইবো এবার আমরা দেশব্যাপী সাড়া জাগানো "বাংলা দর্পন:সিজন ৭"এর মতো প্রোগ্রামকে ছাড়িয়ে যাবো এবারের ১০ম কমিটি।"


‎সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল হক আবিদ বলেন, 

"‎সাধারণ সম্পাদক  হিসেবে এই দায়িত্ব আমার জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি একটি বড় দায়িত্ব ও অঙ্গীকারের বিষয়। নোবিপ্রোবি ফটোগ্রাফি ক্লাব আমার কাছে শুধু একটি সংগঠন নয়; এটি আমাদের সৃজনশীলতা, অনুভূতি ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের একটি জায়গা। তাই নতুন কমিটির মাধ্যমে এই জায়গাটিকে আরও প্রাণবন্ত ও সবার জন্য আরও কার্যকর করে তোলাই আমার অন্যতম লক্ষ্য।"

তিনি আরোও বলেন, "আমি চাই, আমাদের প্রতিটি সদস্য যেন নিজের দৃষ্টিভঙ্গি ও সৃজনশীলতাকে বিকশিত করার সুযোগ পায় এবং ফটোগ্রাফির মাধ্যমে নিজের গল্প বলার আত্মবিশ্বাস অর্জন করে। নিয়মিত কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন ও নতুন নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করতে চাই।"

সকলের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, "আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৃজনশীলতার শক্তিতে নোবিপ্রোবি ফটোগ্রাফি ক্লাবকে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই আমার স্বপ্ন।"


নবগঠিত কমিটি নিয়ে সভাপতি মেহরাব জামাল তুষার বলেন,"নোবিপ্রবি ফটোগ্রাফি ক্লাব এর এডভাইজার স্যার, ম্যাম ও আলোমনাই দের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই যে আমাকে এত বড় একটি দায়িত্ব দেয়ার জন্য যোগ্য মনে করছেন। পূর্ববর্তী কমিটির মেম্বার রা সকলে আমাদের এই ক্লাবকে অনেক ভালো একটি পজিশনে নিয়ে এসেছেন। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব ক্লাব এর এই অগ্রগতি বহাল রাখতে এবং আমাদের জুনিয়রদের জন্য আরও সুন্দর একটি পরিবার তৈরি করে যেতে।"

নোবিপ্রবি ফটোগ্রাফি ক্লাবের সদ্য বিদায়ী সাধারণ সম্পাদক ও অ্যালামনাই হাবিবুল্লাহ রাকিব বলেন, "নোবিপ্রবি ফটোগ্রাফি ক্লাবের নতুন কমিটিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। ফটোগ্রাফি শুধু ছবি ধারণের মাধ্যম নয়, বরং এর মাধ্যমে আমরা সময়, স্মৃতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যকে তুলে ধরতে পারি। আশা করি, নতুন কমিটির নেতৃত্বে ক্লাবটি আরও সৃজনশীল ও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে যাবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান, প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও শিক্ষার্থীদের প্রতিভা দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ক্লাবটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রতি আমার পূর্ণ সহযোগিতা ও শুভকামনা রইল।”

‎নতুন কমিটির নেতৃত্বে ফটোগ্রাফি ক্লাবের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার প্রত্যাশা করছেন সংগঠনটির সদস্যরা।

বিষয় :

সর্বশেষ সব খবর

নোবিপ্রবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:৩০ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ক কর্মশালা ও মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোবিপ্রবি জুলাই শহিদ স্মৃতি ছাত্রী হলে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।  নোবিপ্রবিতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা ও সচেতনামূলক কার্যক্রম গ্রহণ। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা, কর্মচারীদের প্রতি নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাসহ যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা না ফেলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।


কর্মশালায় আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন। কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হলের প্রভোস্ট ড. নাহিদ সুলতানাসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।


এ সময় হলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, বিনোদন, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কয়েকটি কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। তন্মধ্যে রয়েছে ২১তম ব্যাচের নবীন ছাত্রীদের জন্য ঐক্য, সখ্য ও মৈত্রী নামক তিনটি ফ্রেশার্স রুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, আবাসিক ছাত্রীদের নিয়মিত পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চার সুবিধার্থে ‘অনির্বাণ লাইব্রেরি’ নামক জুলাই কর্নার সম্বলিত হল লাইব্রেরি ও মনোরম পরিবেশের একটি রিডিং রুম এবং আবাসিক ছাত্রীদের মানসিক প্রশান্তি, সুস্থ বিনোদন ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘প্রজন্ম খেলাঘর’ নামক একটি গেম রুম উদ্বোধন।


উল্লেখ্য, ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ফগার মেশিন দ্বারা মশক নিধন কার্যক্রম উদ্বোধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছনতা কর্মসূচি পরিচালনা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

বিষয় :

সর্বশেষ সব খবর

নোবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের উদ্বোধন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:২৪ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র উদ্বোধনের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্র্তৃক নির্মিত ৩৩০০০/১১০০০ ভোল্ট এবং ১০/১৪ এমভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন এ বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, এ উপকেন্দ্র চালুর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হলো এবং এর মাধ্যমে নোবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ সমস্যার একটি স্থায়ী সমাধান হবে বলে আমি মনে করি। তিনি আরও বলেন, একমাত্র জাতীয় গ্রিডের সমস্যা অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যতীত এই উপকেন্দ্রের মাধ্যমে  বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। এ সময় সুষ্ঠুভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এ ধরনের আরও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।


উদ্বোধনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন, পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও পরিচালক (অ.দা) মো. জামাল হোসেন ও পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) প্রকৌ: মোহাম্মদ শরীফ হোসেন। অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) এর ডিজিএম ও পবিস সোনাপুর, নোয়াখালী’র ডিজিএমসহ নোবিপ্রবির শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

বিষয় :

সর্বশেষ সব খবর

‘Special Research Award’ অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষককে সম্মাননা

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৬:০৬ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রথমবারের মতো ‘Special Research Award’ অর্জনকারী শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। 


আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০১৮-২০১৯ থেকে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগের ৩৪ জন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল উদ্দেশ্য শুধু শিক্ষাদান ও ডিগ্রি প্রদান নয়; নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করাও এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষকদের চিন্তার পরিসর বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গবেষণাভিত্তিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।” 


সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দীন বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘Special Research Award’ প্রদান করতে পেরে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত।” 


গবেষণার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গবেষণার পরিধি আরও বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে পুরস্কারপ্রাপ্তদের পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তাদেরও গবেষণায় আরও উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।” 


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘Special Research Award’ শুধু স্বীকৃতি নয়, বরং গবেষণায় আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা। নতুন ও তরুণ গবেষক এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।


২০১৮-২০১৯ থেকে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত ‘Special Research Award’ অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষকের মধ্যে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ১ জন এবং ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষে ১ জন রয়েছেন।


গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, অধ্যাপক, গ্রন্থাগারিক, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিবহন প্রশাসক ও ছাত্র উপদেষ্টাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকরা তাঁদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। পরে তাঁদের হাতে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর