ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ১৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:২৩ পিএম

আইইএলটিএস পরীক্ষার তারিখ ঠিক করেছেন, হাতে সময় আছে তিন মাস। এখন প্রশ্ন হলো, এই সময়টাকে কীভাবে কাজে লাগাবেন? শুরু থেকেই একের পর এক মক টেস্ট দেবেন, নাকি আগে ইংরেজির দুর্বল জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করবেন? চারটি অংশেই কি সমান সময় দেবেন, নাকি যেটিতে সমস্যা বেশি, সেটিতে বেশি মনোযোগ দেবেন?


তিন মাসে প্রস্তুতি নেওয়ার সুবিধা হলো, পুরো সময়টাকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করে এগোনো যায়। প্রথমে পরীক্ষার ধরন বুঝে নিজের অবস্থান যাচাই করা, এরপর দুর্বল জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করা এবং শেষ দিকে পরীক্ষার মতো পরিবেশে নিয়মিত অনুশীলন করা যায়। তবে তিন মাস সবার জন্য যথেষ্ট হবে, এমন নয়। আপনার ইংরেজির বর্তমান দক্ষতা এবং কাঙ্ক্ষিত ব্যান্ড স্কোরের ওপর প্রস্তুতির সময় অনেকটাই নির্ভর করবে।


তাই হাতে থাকা ১২ সপ্তাহে কত ঘণ্টা পড়বেন, শুধু সেই হিসাব না করে কখন কী নিয়ে কাজ করবেন, সেই পরিকল্পনাটাই আগে করা দরকার।


শুরুতেই নিজের অবস্থান বুঝুন


প্রথম সপ্তাহেই একটি পূর্ণাঙ্গ মক টেস্ট দিয়ে দেখুন বর্তমানে আপনি কোথায় আছেন। সম্ভব হলে পরীক্ষার মতো সময় ধরে লিসেনিং, রিডিং ও রাইটিং অংশগুলো করুন। স্পিকিংয়ের জন্য নিজের উত্তর রেকর্ড করেও শুনতে পারেন।


শুধু কত স্কোর হলো, সেটি দেখলেই হবে না। কোন ধরনের প্রশ্নে বেশি ভুল হচ্ছে, সেটিও খেয়াল করুন। রিডিং শেষ করতে সময় বেশি লাগছে? লিসেনিংয়ে বানান ভুল হচ্ছে? রাইটিংয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লেখা শেষ করতে পারছেন না? নাকি স্পিকিংয়ে উত্তর জানা থাকলেও বলতে গিয়ে আটকে যাচ্ছেন? এই সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেই পরের তিন মাসের পরিকল্পনা সাজান।


প্রথম মাস: ভিত্তি ও পরীক্ষার ধরন বুঝুন


প্রথম মাসের লক্ষ্য হওয়া উচিত আইইএলটিএসের চারটি অংশের সঙ্গে ভালোভাবে পরিচিত হওয়া। লিসেনিং, রিডিং, রাইটিং ও স্পিকিংয়ে কী ধরনের প্রশ্ন আসে এবং প্রতিটি অংশে কতটা সময় পাওয়া যায়, সেগুলো জেনে নিন।


রিডিংয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন আলাদাভাবে অনুশীলন করতে পারেন। শুরুতেই দ্রুত শেষ করার চাপ না নিয়ে কেন উত্তর ভুল হচ্ছে, সেটি বোঝার চেষ্টা করুন।


লিসেনিংয়ে শুধু মক টেস্টের অডিও না শুনে নিয়মিত ইংরেজি শোনার অভ্যাসও তৈরি করুন। সংবাদ, সাক্ষাৎকার, পডকাস্ট বা অন্য কোনো আগ্রহের বিষয় শুনতে পারেন। কোনো অংশ বুঝতে সমস্যা হলে আবার শুনুন এবং নতুন শব্দ বা উচ্চারণ খেয়াল করুন।


রাইটিংয়ের ক্ষেত্রে প্রশ্ন বুঝে উত্তর দেওয়ার দিকে গুরুত্ব দিন। কীভাবে ভূমিকা, মূল অংশ ও উপসংহার সাজাবেন, সেটির চর্চা করুন। কঠিন শব্দ ব্যবহারের চেয়ে বক্তব্য পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করার অভ্যাস তৈরি করুন।


আর স্পিকিংয়ের জন্য প্রতিদিন কিছুটা সময় ইংরেজিতে কথা বলুন। একা হলেও সমস্যা নেই। পরিচিত কোনো বিষয় নিয়ে এক বা দুই মিনিট কথা বলে নিজের ফোনে রেকর্ড করতে পারেন।


দ্বিতীয় মাস: দুর্বল জায়গায় বেশি সময় দিন


এক মাস অনুশীলনের পর নিজের দুর্বল জায়গাগুলো আরও পরিষ্কার হওয়ার কথা। দ্বিতীয় মাসে তাই চারটি অংশে সমান সময় দেওয়ার প্রয়োজন নেই।


ধরুন, রিডিং ও লিসেনিংয়ে ভালো করছেন, কিন্তু রাইটিংয়ে কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে যেতে পারছেন না। তাহলে রাইটিংয়ে তুলনামূলক বেশি সময় দিন। আবার স্পিকিংয়ে বারবার থেমে গেলে নিয়মিত কথা বলার চর্চা বাড়াতে হবে।


এ সময় ভুলের একটি খাতা রাখতে পারেন। রিডিংয়ে কোন ধরনের প্রশ্নে ভুল হচ্ছে, লিসেনিংয়ে কোন শব্দ শুনতে সমস্যা হচ্ছে কিংবা রাইটিংয়ে কী ধরনের ভুল বারবার করছেন, সেগুলো লিখে রাখুন। সপ্তাহ শেষে সেই তালিকা দেখলে নিজের দুর্বলতার ধরন বোঝা সহজ হবে।


এই মাস থেকেই সময় ধরে অনুশীলনের পরিমাণও বাড়ান। কারণ উত্তর জানা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর দিতে পারা এক বিষয় নয়।


তৃতীয় মাস: পরীক্ষার পরিবেশে অনুশীলন করুন


শেষ মাসে নতুন নতুন কৌশল শেখার চেয়ে এত দিনের প্রস্তুতিকে পরীক্ষার উপযোগী করে তোলার দিকে মনোযোগ দিন। নির্দিষ্ট সময় ধরে পূর্ণাঙ্গ মক টেস্ট দিন। পরীক্ষা যদি কম্পিউটারভিত্তিক হয়, তাহলে কম্পিউটারে টাইপ করে রাইটিং অনুশীলন করুন।


প্রতিটি মক টেস্টের পর শুধু ব্যান্ড স্কোর নিয়ে চিন্তা না করে ভুল বিশ্লেষণ করুন। আগের ভুলগুলো কি এখনো হচ্ছে? সময়ের অভাবে কোনো অংশ বাদ যাচ্ছে? তাড়াহুড়ার কারণে সহজ প্রশ্নে ভুল করছেন? সেই অনুযায়ী পরের অনুশীলন ঠিক করুন।


স্পিকিংয়ের ক্ষেত্রেও পরিচিত প্রশ্নের মুখস্থ উত্তর না দিয়ে স্বাভাবিকভাবে কথা বলার চেষ্টা করুন। সম্ভব হলে বন্ধু, শিক্ষক বা অন্য কারও সঙ্গে পরীক্ষার মতো করে অনুশীলন করতে পারেন।


প্রতিদিন কতক্ষণ পড়বেন?


তিন মাসের প্রস্তুতিতে প্রতিদিন ঠিক কত ঘণ্টা পড়তেই হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। কারও জন্য প্রতিদিন এক থেকে দুই ঘণ্টা মনোযোগ দিয়ে অনুশীলন কার্যকর হতে পারে, আবার কারও আরও বেশি সময় প্রয়োজন হতে পারে।


বরং সপ্তাহের জন্য ছোট ছোট লক্ষ্য ঠিক করুন। যেমন: নির্দিষ্ট কয়েকটি রিডিং অনুশীলন শেষ করবেন, দুটি রাইটিং লিখবেন কিংবা কয়েক দিন স্পিকিং রেকর্ড করবেন। এতে শুধু ‘আজ দুই ঘণ্টা পড়েছি’ হিসাব না করে আসলে কী কাজ হলো, সেটি বোঝা যায়। এক দিন পাঁচ ঘণ্টা পড়ে পরের চার দিন কিছু না করার চেয়ে নিয়মিত চর্চা বেশি কাজে আসে।


শুধু মক টেস্টেই আটকে থাকবেন না


প্রতিদিন পূর্ণাঙ্গ মক টেস্ট দিলেই দ্রুত উন্নতি হবে, এমন নয়। মক টেস্ট মূলত আপনি কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন এবং কোথায় সমস্যা হচ্ছে, সেটি বুঝতে সাহায্য করে।


কোনো একটি রিডিংয়ে দশটি ভুল হলে সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি রিডিং শুরু না করে আগের ভুলগুলো দেখুন। একইভাবে রাইটিং লিখে রেখে দিলে হবে না। সম্ভব হলে কারও কাছ থেকে ফিডব্যাক নিন অথবা নির্ভরযোগ্য মূল্যায়নের মানদণ্ড দেখে নিজের লেখা যাচাই করুন। ভুল ধরার পর সেটি ঠিক করার কাজটাই প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।


শেষ সপ্তাহে নতুন চাপ নয়


পরীক্ষার আগের সপ্তাহে হঠাৎ করে পড়ার সময় দ্বিগুণ করার প্রয়োজন নেই। বরং যে ভুলগুলো নিয়মিত হচ্ছিল, সেগুলো আরেকবার দেখুন। পরীক্ষার নিয়ম, সময় এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। পরীক্ষার আগের রাতে নতুন শব্দের দীর্ঘ তালিকা মুখস্থ করা বা রাত জেগে মক টেস্ট দেওয়ার চেয়ে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া বেশি কাজে দেবে।


তিন মাসে আইইএলটিএসের প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে মূল বিষয় হলো পরিকল্পনাটি নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো। প্রথম মাসে পরীক্ষাকে বুঝুন, দ্বিতীয় মাসে দুর্বল জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করুন এবং তৃতীয় মাসে সময় ধরে পরীক্ষার মতো অনুশীলন করুন। অন্য কেউ কত দিনে কত ব্যান্ড পেয়েছেন, সেই হিসাবের সঙ্গে নিজের প্রস্তুতি মেলানোর প্রয়োজন নেই। তিন মাস শেষে আপনার লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু বেশি অনুশীলন করা নয়, বরং আগের চেয়ে কম ভুল করা এবং পরীক্ষার প্রতিটি অংশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামলাতে পারা।



সর্বশেষ সব খবর

শাহ বিলিয়া জুলফিকার ও ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:১৯ এএম

বাংলাদেশে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লিখিত পরীক্ষার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর একটি হলো ভাইভা। জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও আত্মবিশ্বাস, উপস্থাপন ও বাস্তব পরিস্থিতির প্রস্তুতির অভাবে অনেক মেধাবী পরীক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত সাফল্য থেকে পিছিয়ে পড়েন। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে তরুণ লেখক শাহ বিলিয়া জুলফিকারের প্রথম বই ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’ প্রকাশিত হয়েছে।

চার বছর ধরে বিভিন্ন বিচারক ও সফল পরীক্ষার্থীর বাস্তব ভাইভা অভিজ্ঞতা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও প্রকাশ করে আসছেন শাহ বিলিয়া জুলফিকার। কালের কণ্ঠ, আজকের পত্রিকা ও কালবেলাসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এসব অভিজ্ঞতার দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ ও তথ্যভিত্তিক কাজের সমন্বয়েই বইটির জন্ম।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ বিলিয়া জুলফিকার লেখালেখির বিভিন্ন শাখায় সক্রিয়। কবিতা, ছড়া, কলাম, প্রবন্ধ ও ফিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখা জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তিনি কালের কণ্ঠের ‘চাকরি ও সিলেবাসে নেই’ পাতার নিয়মিত লেখক।

ক্লাস সেভেনে স্থানীয় ‘সুসঙ্গ বার্তা’ পত্রিকায় কবিতা প্রকাশের মধ্য দিয়ে তাঁর সাহিত্যযাত্রা শুরু। পরে চাকরি, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস), বার কাউন্সিল প্রস্তুতি ও বাস্তব অভিজ্ঞতাভিত্তিক ফিচার লেখার মাধ্যমে তিনি পাঠকদের কাছে পরিচিতি তৈরি করেন।

প্রকাশকের ভাষ্য, ‘ভাইভা বুস্টার’ শুধু একটি গাইডবই নয়; বরং বাস্তব ভাইভা বোর্ডের অভিজ্ঞতা, সম্ভাব্য প্রশ্ন, প্রস্তুতির কৌশল ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির বিষয়গুলোকে একত্র করা একটি প্রস্তুতি-সহচর। বইটিতে বিজেএস, বার কাউন্সিল, একাডেমিক ও অন্যান্য আইনভিত্তিক ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সাতটি অধ্যায়ে বিভক্ত বইটিতে প্রথমে ভাইভা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা, মানসিক প্রস্তুতি ও করণীয় বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে রয়েছে সফল প্রার্থীদের ভাইভা প্রস্তুতির অভিজ্ঞতা। তৃতীয় অধ্যায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সিভিল জজদের বাস্তব ভাইভা অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে।

চতুর্থ অধ্যায় বইটির সবচেয়ে বিস্তৃত অংশ। এতে সাধারণ জ্ঞান, বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি, পারিবারিক আইন, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন, সাংবিধানিক আইন, সম্পত্তি আইন এবং বিভিন্ন ঐচ্ছিক আইন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিজেএস ও বার কাউন্সিলের বিষয়গুলোর পাশাপাশি জুরিসপ্রুডেন্স, টর্ট, ইকুইটি, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের মতো গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক বিষয়ও প্রশ্নোত্তর আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে।

পঞ্চম অধ্যায়ে রয়েছে ‘লিগ্যাল টার্মস অ্যান্ড ম্যাক্সিম’। এতে গুরুত্বপূর্ণ ল্যাটিন পরিভাষা ও আইনি নীতিগুলো সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ষষ্ঠ অধ্যায়ে ‘কারেন্ট ল অ্যাফেয়ার্স’ অংশে সাম্প্রতিক আইনগত পরিবর্তন, বিচারিক সিদ্ধান্ত ও সমসাময়িক আইনি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সপ্তম ও শেষ অধ্যায়ে রয়েছে ভাইভায় বহুল জিজ্ঞাসিত সাধারণ প্রশ্ন, যা দ্রুত পুনরাবৃত্তি ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক।

বইটির সঙ্গে প্রায় ৪০ জন সিভিল জজ, অ্যাডভোকেট ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছে প্রকাশক। তাঁদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয় বইটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

বইটির সম্পাদনা করেছেন আইন অঙ্গনের লেখক, শিক্ষক ও বিচারক সাইমন সৈয়দ। তিনি বর্তমানে সুনামগঞ্জে সিভিল জজ হিসেবে কর্মরত। তাঁর আইনচর্চা, লেখালেখি ও পাঠদানের অভিজ্ঞতা বইটির বিষয়বস্তুকে আরও ব্যবহারিক ভিত্তি দিয়েছে।

শাহ বিলিয়া জুলফিকার বলেন, “ভাইভা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক ভয় ও অনিশ্চয়তা কাজ করে। বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে এমন একটি বই দিতে চেয়েছি, যা শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্বাস দুটোই বাড়াতে সাহায্য করবে।”

বইটির সম্পাদক সাইমন সৈয়দ বলেন, “ভাইভা শুধু জ্ঞানের পরীক্ষা নয়, এটি আত্মবিশ্বাস, উপস্থাপন ও প্রাসঙ্গিকভাবে উত্তর দেওয়ারও পরীক্ষা। ‘ভাইভা বুস্টার: দ্য ফাইনাল রাউন্ড’ বইটিতে বাস্তব অভিজ্ঞতা, গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও ব্যবহারিক দিকগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, বইটি বিজেএস, বার কাউন্সিল ও আইনভিত্তিক ভাইভা প্রস্তুতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য কার্যকর সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।”

তিনি আরও বলেন, “একজন পরীক্ষার্থীর প্রস্তুতি তখনই পূর্ণতা পায়, যখন সে শুধু প্রশ্নের উত্তর মুখস্থ না করে প্রশ্নের অন্তর্নিহিত বিষয়টি বুঝতে শেখে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে তা প্রকাশ করতে পারে। এই বইটি সেই প্রস্তুতির একটি কার্যকর সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।”

বইটি প্রকাশ করেছে লিগ্যাল হোম পাবলিকেশন। প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন শিল্পী মাহমুদুল হাসান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে ভাস্কর্যে এমএফএ ডিগ্রিধারী এবং শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির চারুকলা বিভাগের প্রভাষক ও সহকারী প্রক্টর হিসেবে কর্মরত।

লিগ্যাল হোম পাবলিকেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বইটি ইতোমধ্যে আইন অঙ্গনের পাঠকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।

সর্বশেষ সব খবর

ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু

  • প্রকাশ : বুধবার ১৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৫০ এএম

সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে অবশেষে ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের নোয়াবাদ এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে এই নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেনী ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ (BoT)-এর সম্মানিত সদস্য ও প্রজেক্ট কমিটির কনভেনার আলতাফ হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (অ্যাক্টিং) ড. মাসুদুল হক চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মোহা. মোস্তাফিজুর রহমান, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক এবং প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. জালাল আহমেদ।


এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, শিক্ষক এবং কর্মকর্তাবৃন্দ।


দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের মূল ভবনের নির্মাণকাজ দ্রুততম সময়ে এবং নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। একইসাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।


উল্লেখ্য, ফেনী সদর উপজেলার শর্শদী ইউনিয়নের নোয়াবাদ এলাকায় ফেনী ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রকল্পের প্রাথমিক কার্যক্রম ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয়। পরবর্তীতে ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে জমির উন্নয়ন ও অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কাজ শুরু হয়। সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার পর আজ ১৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মূল ভবনের নির্মাণকাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে এখানে একটি ৭ তলা বিশিষ্ট আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হবে।


নভেম্বর ২০১২-এ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর অনুমোদন লাভের পর ১৫ মে ২০১৩ তারিখে ‘সেন্টার ফর লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ স্লোগানকে সামনে রেখে ফেনী ইউনিভার্সিটি তার একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।


বর্তমানে ফেনী ইউনিভার্সিটিতে ৩টি অনুষদ, ৮টি বিভাগ, ফেনী ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সেল এবং ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) -এর কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসের নতুন এই মূল ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত হবে।

সর্বশেষ সব খবর

নোবিপ্রবি ছাত্রদল।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৩২ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। একই সঙ্গে শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের অনুমোদনক্রমে সংগঠনটির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো। শিগগিরই উক্ত ইউনিটের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।




কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।


উল্লেখ্য, নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার বিষয়টি এমন সময়ে এলো, যখন মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সংবাদ সংগ্রহের সময় দুই সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগও ওঠে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসের সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।


  নোবিপ্রবিতে ছাত্রদলের দু’পক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত ৫

সর্বশেষ সব খবর

চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করছেন কুবি উপাচার্য

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:১৫ পিএম

শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন, ইন্টার্নশিপ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘রাউন্ডটেবিল অন ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া কোলাবোরেশন ইনিশিয়েটিভস’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাসভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন। এ ছাড়া বৈঠকে ৪২টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।


বৈঠকে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি চাকরিতে কুবি শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ল্যাব সুবিধা বিনিময়েরও প্রতিশ্রুতি দেন তারা। এছাড়া, শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও যুগোপযোগী করতে কারিকুলাম পুনর্বিন্যাসের পাশাপাশি বাস্তবমুখী ও কর্মসংস্থান উপযোগী বিষয় চালুর পরামর্শ দেন তারা।


বৈঠক শেষে ছয়টি প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে এমওইউ স্বাক্ষরে সম্মতি জানায়।


এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম বলেন, ‘আমাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা। আমরা শুরু থেকেই ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করার কথা বলে আসছি। বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির উৎসাহেই আজকের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ ৪২টি প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমরা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছি। এসব এমওইউর মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ ও চাকরির সুযোগ তৈরি করা, ফ্যাকাল্টি এক্সচেঞ্জ, পারস্পরিক চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কাজ করা এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের ল্যাব পারস্পরিকভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করা।’


তিনি আরও বলেন, ‘আজ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমওইউ হয়েছে, সামনে আরও হবে। আজ ইউজিসির সদস্য জানিয়েছেন, দুই মাস পর এ উদ্যোগের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে। আমরা কতটুকু করতে পেরেছি, তা দেখা হবে। আমরা অবশ্যই আমাদের মূল লক্ষ্য, অর্থাৎ দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কর্মযোগ্যতা ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে কাজ করে যাব।’



ইউজিসির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন। এর অন্যতম অনুষঙ্গ হলো একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করা। আমরা আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধানে যেসব সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হচ্ছে, সেগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং এমওইউর উদ্দেশ্যের কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না, তা নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে আমরা যে জব লার্নিং পিরিয়ড নির্ধারণ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয় ও একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রির সম্পর্কের মাধ্যমে সেটিও যেন ফলপ্রসূ হয়, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।’


তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ধরনের আয়োজন এবারই প্রথম। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এটি এ ধরনের ১২তম আয়োজন।’



উল্লেখ্য, ৪২টি প্রতিষ্ঠান বৈঠকে অংশ নিলেও এমওইউ স্বাক্ষর করেছে ছয়টি প্রতিষ্ঠান। স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো স্মার্ট সলিউশন, বাংলাদেশ স্মল অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিক), ড্যাপকো ভেঞ্চারস লিমিটেড, সুপ্রিম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, উইডেভস অ্যান্ড উইল্যাব এবং ফ্লোরিনা কসমেটিকস।

সর্বশেষ সব খবর

ঢাকা এসোসিয়েশনের নবীনবরণ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৩৮ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) অধ্যয়নরত ঢাকাস্থ শিক্ষার্থীদের আঞ্চলিক সংগঠন ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা অ্যাসোসিয়েশন’-এর উদ্যোগে নবীনবরণ ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স রুমে এ নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার এছাড়াও গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান ও প্রভাষক মশিউর রহমানসহ ঢাকা অ্যাসোসিয়েশনের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে পরিচিতি ও মতবিনিময়সহ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।


সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ সাফিন বলেন, “মিলনমেলার উদ্দেশ্যে আয়োজিত আমাদের এই আয়োজনটি ছিল প্রাক্তন, নবীন এবং বর্তমানে ক্যাম্পাসে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি সুন্দর সেতুবন্ধন তৈরি করার প্রয়াস। সবার সঙ্গে দেখা হওয়া, পরিচিত হওয়া এবং একসঙ্গে কিছু সুন্দর মুহূর্ত কাটানোর লক্ষ্যেই আমরা এই আয়োজন করেছি। সবার আন্তরিক অংশগ্রহণ ও ভালোবাসাই আমাদের আয়োজনকে সফল করেছে। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতেও এমন আরও সুন্দর ও বড় আয়োজনের মাধ্যমে আমরা সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে পথ চলতে চাই।”


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৩২ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে দুই গ্রুপের অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সালাম হল এলাকায় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।


প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের অনুসারীদের সঙ্গে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষ ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার সময় সাব্বির হোসেন শান্তর গ্রুপ বহিরাগতদের এনে হলে প্রতিপক্ষ গ্রুপের ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি এবং সেক্রেটারির সালাম হলের রুমে ব্যাপক ভাঙচুর চলে। এছাড়াও , নোবিপ্রবির সালাম ও মালেক হলের বিভিন্ন রুম ভাঙচুর করা হয়। 


পরবর্তীতে, সালাম হল প্রাঙ্গণ থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীরা একজোটে সাব্বির গ্রুপের অনুসারীদের ধাওয়া দেয়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া গড়ায় অডিটোরিয়াম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার প্রাঙ্গণ পর্যন্ত। সেখানে উভয় পক্ষ সংঘর্ষ ও মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হন।


ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রক্টরিয়াল বডি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছে। এ নিয়ে তাতক্ষনিক তদন্ত কমিটি গঠন করেন নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।


উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও আহতদের দেখে জানান, আমরা এ নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা ,কর্মচারীরা এখানে আছেন। পরিস্থিতি এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে। আমরা অতিদ্রুত এ নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করবো। 


উল্লেখ্য, গতকাল গভীর রাতে ছাত্রদলের দু পক্ষের মধ্যে মালেক হল এবং পকেট গেট সংলগ্ন এলাকায় দু পক্ষের সংঘর্ষ হয়। উক্ত সংঘর্ষের জেরে আজ দুপুরে আবার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে আহত হয় প্রায় ৫ জন।

সর্বশেষ সব খবর