শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ফেরানোর পরিবেশ সৃষ্টি, জাতীয় পাঠ্যক্রম পর্যালোচনা ও কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নকে শিক্ষা খাতের তিন অগ্রাধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন নতুন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নতুন সরকারের এ পদক্ষেপের কথা জানান। এসময় শিক্ষা নিয়ে নতুন সরকারের ১২টি পরিকল্পনা থাকার কথাও তুলে ধরা হয়। পরে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এসময় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও কথা বলেন।
সর্বশেষ বিএনপি সরকারে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা মিলন এবার একই সঙ্গে শিক্ষার পাশাপাশি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পেয়েছেন। দায়িত্ব নেওয়ার দ্বিতীয় দিনে আজ বৃহস্পতিবারও তিনি সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেন।
আগের দফায় দেশে বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় নকল কমাতে ভূমিকা রেখে প্রশংসা পাওয়া মিলন আশা করছেন অতীতের মতো তার আর নকলবিরোধী অভিযানের প্রয়োজন হবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এক সময় দেশে মব হয়েছে, শিক্ষার্থীরা অটোপাস নিয়েছে। এই সংস্কৃতিতে আর ফিরে যাবে না দেশ।”
প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষকদের চাহিদা মেটানোর কাজ সরকারই করবে তুলে ধরে তিনি বলেন, শিক্ষকদের নানা দাবি-দাওয়া নিয়ে আর আন্দোলন করতে হবে না।
“আপনি শিক্ষকতা করবেন, পাশাপাশি আন্দোলন করবেন-এটা হতে পারে না। আপনাদের দাবি-দাওয়া যা আসে, আমরা তা দেখব। রাজপথ দখল করে কোনো দাবি-দাওয়া আদায়ের প্রয়োজন নেই।
“আমরা বুঝি কোনটা দিতে হবে, কোনটা দিতে হবে না। আমরা তাদের (শিক্ষক) পক্ষেই থাকি, কেননা তারা তো মানুষ গড়ার কারিগর।”
দুর্নীতি রোধে শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বদলি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে করতে অ্যাপ চালুর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “বদলি হবে মেধার ভিত্তিতে, কোনো প্রকার দুর্নীতি ছাড়া। অ্যাপে সব তথ্য থাকবে, অটোমেটিক সিস্টেমে বদলি হবে।”
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির প্রক্রিয়াটিও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চালুর আশা প্রকাশ করে মিলন বলেন, তা চালু না হওয়া পর্যন্ত ‘সিস্টেমে’ কোনো ত্রুটি থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি নীতিমালার আওতায় আনার বিষয়ে পর্যায়ক্রমে পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, যত্রতত্র অনিবন্ধিত বা অস্থায়ী অবকাঠামোয় স্কুল পরিচালনা গ্রহণযোগ্য নয়। স্কুল পরিচালনার ক্ষেত্রে অগ্নি নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত মানদণ্ড বাধ্যতামূলক করা হবে। নিবন্ধন ছাড়া কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার সুযোগ থাকবে না।
বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় মন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, “এই ট্রাস্ট দ্রুত পুনর্গঠন ও বকেয়া ভাতা পরিশোধের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি সরকারের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।”
শিক্ষা নিয়ে ১২ পরিকল্পনা
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ শিক্ষা নিয়ে নতুন সরকারের ১২টি পরিকল্পনা থাকা কথা তুলে ধরে বলেন, সরকার শিক্ষা খাতকে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ, মানবসম্পদের মূল কারখানা এবং জাতি গঠনের প্রধান প্রকল্প হিসেবে দেখবে।
“আমরা শিক্ষা নিয়ে রাজনীতি করব না, আমরা শিক্ষা দিয়ে রাষ্ট্র গড়ব।”
এ খাতের উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়ন, উন্নয়ন ব্যয়কে অগ্রাধিকার, ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব' নীতি গ্রহণ, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাস্তবায়ন, মাধ্যমিক থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা, পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষায় কারিগরি সংস্কার, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জ্ঞান চর্চার প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপান্তর এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
তিনি বলেন, এগুলো তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছেন তারা।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের নবনিযুক্ত ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিদ্দিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (বিভিএসডব্লিউএ-বাকৃবি) নেতৃবৃন্দ ও অনুষদের বিভিন্ন লেভেলের শিক্ষার্থীরা। এ সময় অনুষদের শিক্ষা ও অবকাঠামোগত পরিবেশের উন্নয়নসহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়।
রোববার (১ নভেম্বর) বিকেল ৫টায় ডিন কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নবনিযুক্ত ডিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর নতুন দায়িত্ব পালনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পাশাপাশি অনুষদের বিভিন্ন লেভেলের ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভদের (সিআর) পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে শিক্ষার্থীরা সেমিস্টারের মেয়াদ যৌক্তিকভাবে কমিয়ে সেশনজট নিরসন, শ্রেণিকক্ষ ও ওয়াশরুম সংস্কার, ফ্যাকাল্টি ক্যাফেটেরিয়া চালু এবং দ্রুত ছাত্রসমিতির নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন অধ্যাপক ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান। শিক্ষার পরিবেশ ও ক্যাম্পাসজীবনের মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানান তিনি।
খুবির ক্যারিয়ার ক্লাবের ‘পাবলিক স্পিকিং’ গ্রান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) ক্যারিয়ার ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘পাবলিক স্পিকিং প্রোজ ৪.০’ অনুষ্ঠানের গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১ নভেম্বর) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সালাউদ্দীন।
এ সময় তিনি বলেন, পাবলিক স্পিকিংয়ের ক্ষেত্রে নিজের বক্তব্য তুলে ধরার পাশাপাশি অন্যের মতামত, অনুভূতি ও মূল্যবোধের প্রতি সম্মান দেখানো জরুরি। মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে কাউকে আঘাত না করে নিজের বক্তব্য সাবলীলভাবে উপস্থাপন করা একটি চর্চার বিষয়। পাবলিক স্পিকিং কিংবা বিতর্কে কাউকে হারানোই মূল লক্ষ্য নয়; বরং ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে যুক্তির মাধ্যমে নিজের মত প্রকাশ করাই গুরুত্বপূর্ণ।
এসময় তিনি সফলভাবে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবকে ধন্যবাদ জানান এবং সব প্রতিযোগী ও বিজয়ীদের শুভেচ্ছা জানান।
গ্র্যান্ড ফাইনালটি বাংলা ও ইংরেজি—দুই সেগমেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। ইংরেজি সেগমেন্টে প্রথম স্থান অধিকার করেন ইংরেজি ডিসিপ্লিনের আদিত্য লস্কর ভূমি, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের কাজী তানভীর এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন ইংরেজি ডিসিপ্লিনের সোহানা খাতুন।
অন্যদিকে, বাংলা সেগমেন্টে প্রথম স্থান অধিকার করেন ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের নাহিয়ান আদিব মাহিম, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের জিহাদ হোসাইন এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের ফাওজিয়া ফারিয়া জেবা।
ক্লাবের ডেপুটি ডিরেক্টর রুকাইয়া আফিয়া নেহা বলেন, “নবীন শিক্ষার্থীদের কথা বলার ভয় দূর করা এবং তাদের পাবলিক স্পিকিং ও যোগাযোগের দক্ষতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই আমাদের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম ‘পাবলিক স্পিকিং প্রোজ’ আয়োজন করা হয়। এবার প্রতিযোগিতাটির চতুর্থ আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ ও ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এবারও অসাধারণ সাড়া পেয়েছি। প্রাথমিক পর্যায় থেকে বাংলা ও ইংরেজি—দুই সেগমেন্টে আটজন করে মোট ১৬ জনকে গ্র্যান্ড ফাইনালের জন্য নির্বাচিত করা হয়। সেখান থেকে চ্যাম্পিয়ন, প্রথম ও দ্বিতীয় রানারআপ নির্বাচন করা হয়েছে। তবে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক শিক্ষার্থীই অভিনন্দন পাওয়ার যোগ্য। তারা সবার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের, নিজেদের ডিসিপ্লিনের পাশাপাশি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কেও প্রতিনিধিত্ব করছে। তাদের সবার জন্য আমাদের ক্লাবের পক্ষ থেকে শুভকামনা।”
সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের ২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী জিহাদ হাসান বলেন, “গত বছরও এই প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছিলাম, এবারও দ্বিতীয় হয়েছি। সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা অনেক ভালো। এ ধরনের পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সবাইকে ধন্যবাদ।”
ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাহিয়ান আদিব মাহিম বলেন, “পাবলিক স্পিকিং এমন একটি দক্ষতা, যা হাতে-কলমে অনুশীলন ও বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়া উন্নত করা কঠিন। মানুষের সামনে কথা বলার সুযোগ না পেলে জড়তা কাটিয়ে ওঠা এবং স্বাচ্ছন্দ্যে বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয় না। ক্যারিয়ার ক্লাব পাবলিক স্পিকিং চর্চার জন্য যে প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, তা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।”
গ্র্যান্ড ফিনালে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন- বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. দুলাল হোসেন, শিক্ষা ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. ফজলে রাব্বী এবং লেক্সিকনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. শোজিবুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সহকারী ছাত্রবিষয়ক পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ডঃ মোঃ তারেক বিন সালাম এবং প্রভাষক মোঃ মতিউর রহমান।
অনুষ্ঠানের স্পন্সর হিসেবে ছিলেন লেক্সিকন, ব্রিটিশ কাউন্সিল, আইএলটিএস, মিডিয়া পার্টনার হিসেবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (খুবিসাস), সোশ্যাল মিডিয়া পার্টনার হিসেবে কেইউ ইনসাইডার্স এবং ফটোগ্রাফি পার্টনার ক্যানভাস।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) র্যাগিং, মারধর, হয়রানি ও মাদকসেবনের ঘটনায় বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ৩০ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে এক থেকে দুই টার্মের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। অন্যদের অর্থদণ্ড এবং অভিভাবকের মুচলেকা দেওয়ার শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বোর্ডের ২৮তম সভায় সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ছাত্রবিষয়ক পরিচালক ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত বছরের ২৯ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া প্রাঙ্গণে ছয় শিক্ষার্থীকে হয়রানির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি (ফউটে) ডিসিপ্লিনের মো. ফারদিন আহমেদ দিপন এবং ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের শেখ আমির মাহদ্বীন ও শেখ মুরসালিন রহমানকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ বছরের ৬ মে ফউটে ডিসিপ্লিনের ২৬ ব্যাচের ১২ শিক্ষার্থী একই ডিসিপ্লিনের ২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের দ্বারা র্যাগিংয়ের শিকার হন। এ ঘটনায় প্রণয় কুমার ঘোষকে পরবর্তী দুই টার্মের জন্য বহিষ্কারের পাশাপাশি ১৫ হাজার টাকা এবং মো. জুবায়ের হোসেনকে এক টার্মের জন্য বহিষ্কারের পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অসিম দাস, তৌফিক মাহিনুল আহছান ও আব্দুল্লাহ আল সিফাতকে ১৫ হাজার টাকা করে এবং স্বপন কুমার দাশ, দেবাশীষ মন্ডল ও সজল পালকে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গত ১২ মে আইন ডিসিপ্লিনের ২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. আমানউল্লাহ আমানকে ফউটে ডিসিপ্লিনের আনুমানিক ২৫ শিক্ষার্থী এলোপাতাড়ি মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীকে পরবর্তী দুই টার্মের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় সুদীপ কুমার নন্দী, মাহমুদুর রহমান, হেমেন্দ্র মৃধা, আসিফ আদনান, আজিজিল ইসলাম কাফফি, শেখ তাজবীদ ইসলাম, রাকিব হোসেন ও প্রণয় কুমার ঘোষকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া গত ১৪ আগস্ট রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত হল রোডসংলগ্ন নয়ন সড়কের একটি আবাসিক বাসায় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের ২৫ ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী ২৬ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক উপস্থিত হতে বলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় মুশফিকুল হক মাহিদকে পরবর্তী দুই টার্মের জন্য বহিষ্কারের পাশাপাশি ১৫ হাজার টাকা, মো. মারুফ সরোয়ারকে এক টার্মের জন্য বহিষ্কারের পাশাপাশি ১৫ হাজার টাকা এবং মো. মিশন রহমান ও মো. খায়রুল ইসলামকে এক টার্মের জন্য বহিষ্কারের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সাইদিস সালেহীন স্বপ্নীল, ঋত্বিক কর্মকার, সৌরভ চন্দ্র বর্মন ও রাগিব শাহরিয়ারকে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী ছাত্রবিষয়ক পরিচালকদের নিয়মিত টহলের সময় ক্যাম্পাসের নির্মাণাধীন ৪ নম্বর একাডেমিক ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে গাঁজাসহ গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা (এমসিজে) ডিসিপ্লিনের তিন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় এস এম তৌফিক আলমকে পরবর্তী দুই টার্মের জন্য বহিষ্কার ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, মুশফিক উল ইসলামকে এক টার্মের জন্য বহিষ্কার ও ১০ হাজার টাকা এবং কাজী রিয়াজুস ছলেহীনকে এক টার্মের জন্য বহিষ্কার ও ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
খুবির প্রথম বই ভিত্তিক সংগঠন ‘বই বৃন্ত’ সভাপতি অপি ও সম্পাদক ওয়ালিদ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) প্রথম বইয়ের সংগঠন "বই বৃন্ত" এর কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে বাংলা ডিসিপ্লিনের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী আসিফ হোসেন অপি সভাপতি এবং ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের ২২ ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈয়দ ওয়ালিদ হাসান সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের সম্পা মালো (২৩ ব্যাচ) এবং গণিত ডিসিপ্লিনের সাদিয়া তাবাসসুম (২২ ব্যাচ)। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন বাংলা ডিসিপ্লিনের সুমাইয়া খাতুন। সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের জাকিয়া ফারহানা চৌধুরী মাধুরী। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইসিই ডিসিপ্লিনের আব্দুল কাদের নিহাজ ও বাংলা ডিসিপ্লিনের মো. শাহারিয়া সাহাদ মাহিন।
অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রিন্টমেকিং ডিসিপ্লিনের মীর্জা নাজমুস সাদাত এবং ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের আঁখি আনিস। দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন ইংরেজি ডিসিপ্লিনের আব্দুর রহমান, ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের আজিজুর রহমান এবং এসডব্লিউই ডিসিপ্লিনের প্রজ্ঞা লাবনী পাল।
প্রচারণা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এস এম সাহেবী ইকরাম রেদোয়ান, লাবণী অধিকারী, মো. শিহাব হোসেন শান, এস এম আনহাজুর রহমান, কে এম রাউফুল আলম অর্ণব, আনিকা শারমিলা ও জাফিয়া সুলতানা নিস্পা।
সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোছা. তাসলিমা জান্নাত মিথিলা, রওনক জাহান লিমা, আয়েশা রহমান সারাহ, আনিকা হোসেন, মুহিব আহমেদ ও চন্দ্রিকা সানা। প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন প্রান্ত মন্ডল, মো. রিমন মিয়া ও মো. মেহেদী হাসান। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইসিই ডিসিপ্লিনের মো. ইয়াসিন হাসান।
এ ছাড়া ২৫ ব্যাচ থেকে নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ঋতিকা কর্মকার, সাবরিনা নওশীন সিমু, তাসমিয়া রহমান অর্থী, খালিদ হোসেন শাওন, ইয়াসির আরাফাত, মো. তানভীর ইসলাম, মনামী সুলতানা উর্মি, শেখ তাসনিয়া তন্নি, মো. মশিউর রহমান খালিদ, সুবাইতা হাবিব সুহা, মাসুম বিল্লাহ, সাইদুল ভূঁইয়া, মোতাসাদ্দিক আহম্মেদ, সাবিহা সুলতানা জেবা ও উর্যসী হাসান।
নব গঠিত সংগঠনের সভাপতি আসিফ হোসেন অপি বলেন, "সুস্থ সাহিত্য চর্চা দ্বারা একটি জনগোষ্ঠির মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন সম্ভব। পাঠাভ্যাস বৃদ্ধি ও সাহিত্য চর্চার প্রসারে বই-বৃন্ত উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদী। বই হোক বন্ধু প্রত্যয়ে আমাদের এই পথ চলা। বইয়ের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি এবং সুস্থ সাহিত্য চর্চার উদ্দেশ্যে এই ক্লাবটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র সৃষ্টি।"
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ওয়ালিদ হাসান বলেন, “বই শুধু জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম নয়, এটি মানুষের চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গি গঠনের অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেই পাঠচর্চাকে আরও বিস্তৃত ও প্রাণবন্ত করতেই ‘বই-বৃন্ত’-এর যাত্রা। আমরা চাই, বই-বৃন্তের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত বই পড়া, বই নিয়ে আলোচনা ও নিজেদের চিন্তা প্রকাশের সুযোগ পাবে। প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আমার প্রত্যাশা, বই-বৃন্ত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বইয়ের সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত করার পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ ও ইতিবাচক বুদ্ধিবৃত্তিক পরিবেশ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোনো গবেষণা মাঠে সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে টানা চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন করছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থীরা। রবিবার (১ নভেম্বর) সকালে বিক্ষোভ মিছিল শেষে আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের সিগন্যালে সড়ক অবরোধ করেন তারা। এ সময় অবরোধে আটকা পড়ে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদের গাড়ি।
অবরোধ চলাকালে কৃষিমন্ত্রী আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমাদের সঙ্গে তো আমার কোনো ফারাক নাই।’
রবিবার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। পরে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রদক্ষিণ করে আগারগাঁওয়ের চীন মৈত্রী সিগন্যালে গিয়ে সড়ক অবরোধ করেন তারা। এ সময় সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা। অবরোধের কারণে ওই এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ‘আমার ক্যাম্পাস আমার থাক, আমলা সচিব বাইরে থাক’, ‘স্বৈরাচারের কালো হাত, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’ এবং ‘আপস না সংগ্রাম’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও কৃষিশিক্ষার জন্য ব্যবহৃত পুরোনো গবেষণা মাঠটি তাদের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে মাঠটি বাণিজ্য মেলাসহ বিভিন্ন মেলা ও জাতীয় আয়োজনের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বাণিজ্য মেলা আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্বাচলে স্থানান্তরিত হওয়ার পরও মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এর মধ্যে সম্প্রতি সেখানে সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা।
তাদের অভিযোগ, মাঠটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রম ও কৃষিশিক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেখানে সচিবালয় স্থাপন করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেছেন, "ডাকসু, রাকসু, জাকসু ও জকসুর মেয়াদ শেষ হলো, কিন্তু তফসিল দেওয়া হচ্ছে না। কারণ, তারা জানে, তাদের চাঁদাবাজ বাহিনী, তাদের রক্ষীবাহিনী এই নির্বাচনে আগের মতো গোহারা হারবে। সুতরাং, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কমিটমেন্ট নিতে হবে যে, ক্ষমতায় যে-ই থাকুক বা না থাকুক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন অবশ্যই দিতে হবে।”
শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ১০টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া লংমার্চের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ছাত্র সংসদগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না করার বিষয়ে এস এম ফরহাদ বলেন, “হয় ডাকসু, রাকসু, জাকসু ও জকসু নির্বাচন দেবেন, নয়তো ক্ষমতা ছাড়ার পথ নিজ দায়িত্বে বেছে নেবেন। যেকোনো একটি করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার নষ্ট করে, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে সংসদে গণতন্ত্রের বয়ান দেবেন—এ বক্তব্য আমরা মেনে নেব না।”
সরকারি নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে তিনি বলেন, “সরকার দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়ার যে প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তার প্রথম কয়েকটি ধাপে তারা ব্যর্থ হয়েছে। সর্বশেষ বিসিএসে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু চাকসু, জাকসু, ডাকসু ও রাকসু যখন রাস্তায় নেমেছে, তখন তারা সেখান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছে। এখন তারা পাঁয়তারা করছে, কীভাবে নানা কারিকুলামের মাধ্যমে সেখানে দলীয় লোক নিয়োগ দেওয়া যায়।”
তিনি আরও বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, এখানকার ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতেই হবে। বিএনপি ১৯৯০ সালে ক্ষমতায় এসে পাঁচ বছর বাংলাদেশে কোনো ছাত্র সংসদ নির্বাচন দেয়নি। কেন দেয়নি? কারণ, তারা শিক্ষার্থীদের ভোটকে ভয় পায়। শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর ভোটকে তারা ভয় পায়, তরুণ প্রজন্মের ভোটকে তারা ভয় পায়।”
এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি আবু সাদিক কায়েম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (চাকসু) সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন রনি, ঢাকা ৪-এর এমপি সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, চুয়াডাঙ্গা ১ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি আবু মুসা, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফিসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।