• প্রকাশ : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:২৪ এএম

কৃষকদের মধ্যে বালাইনাশকের নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ব্যবহার প্রসার এবং কৃষিকাজে বালাইনাশকজনিত স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি কমাতে মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। 


গত ১৬ থেকে ২০ আগস্ট ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় পাঁচ দিনব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ক্যাবির সহযোগিতায় ‘বালাইনাশক ঝুঁকি হ্রাস-সামাজিক ও আচরণগত পরিবর্তনভিত্তিক যোগাযোগ মাঠ কার্যক্রম (পাইলট পর্যায়)’ শীর্ষক উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হয়।


এতে ৩২টি কৃষক গ্রুপের ৬৪০ জন কৃষক অংশ নেন। প্রতিটি গ্রুপে প্রায় ২০ জন কৃষককে নিয়ে সরাসরি আলোচনা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি আচরণ পরিবর্তনভিত্তিক যোগাযোগ কার্যক্রমও চালানো হয়। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণ কেন্দ্রের সহায়তায় কার্যক্রমটি বাস্তবায়িত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ এর সমন্বয় করেন।


জানা যায়, মাঠ পর্যায়ের আলোচনায় বালাইনাশক ব্যবহারের সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত ও পরিবেশগত ঝুঁকি, নিরাপদ বালাই ব্যবস্থাপনা এবং ঝুঁকি কমানোর বাস্তবসম্মত কৌশল তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি কম ঝুঁকিপূর্ণ উদ্ভিদ সুরক্ষা পণ্য ব্যবহার, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা (আইপিএম) এবং নিরাপদ বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বালাইনাশকের ওপর নির্ভরতা কমানোও এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য ছিল।


কার্যক্রমে কৃষকেরা তাঁদের দৈনন্দিন বালাইনাশক ব্যবহারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এ সময় বালাইনাশক প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিকূলতা, প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ এবং নিরাপদ পদ্ধতি গ্রহণে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি সরাসরি কথোপকথন ও অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে কোন ধরনের বার্তা ও যোগাযোগ পদ্ধতি বেশি গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হয়।


অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেন, এই পাইলট উদ্যোগের লক্ষ্য কেবল তথ্য দেওয়া নয়; নিরাপদ কৃষি অনুশীলনে কৃষকদের মধ্যে স্থায়ী আচরণগত পরিবর্তন আনা। মাঠ থেকে পাওয়া প্রতিক্রিয়া ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে কার্যক্রমকে আরও কৌশলগত ও কৃষকবান্ধব করে তুলতে সহায়ক হবে।


পাইলট কার্যক্রমে ৩২টি গ্রুপের ৬৪০ জন কৃষকের সরাসরি অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিরাপদ বালাইনাশক ব্যবহার ও টেকসই বালাই ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কৃষকদের অভিজ্ঞতা, ঝুঁকিবোধ এবং আচরণগত প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য ভবিষ্যতে বৃহত্তর পরিসরে কৃষককেন্দ্রিক আচরণ পরিবর্তনমূলক যোগাযোগ কার্যক্রম পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে কাজে লাগবে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:২৮ এএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) লিও ক্লাবের ৫ম কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। নতুন কমিটিতে জেনেটিক্স অ্যান্ড প্ল্যান্ট ব্রিডিং বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ ওমর আসিফ সভাপতি এবং ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী জুনায়েদ ইসলাম সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন।


মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির এক বিজ্ঞপ্তিতে ৫২ সদস্যের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। নতুন কমিটিকে অনুমোদন দিয়েছেন ক্লাবের নবনিযুক্ত উপদেষ্টা কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিক-ই-রব্বানী।


কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে এ.এস.এম. মুশফিকুর রহিম ইফতি, কোষাধ্যক্ষ রিয়াজ উদ্দিন, ক্লাব ডিরেক্টর সানজিদা হায়দার, কাওসার হামিদ ও লিও আবু সাঈদ, সদস্য আহ্বায়ক তাবের হোসাইন অন্তর, ক্লাব কো-অর্ডিনেটর মো. তাওহীদুল ইসলাম, প্রোটোকল অফিসার নির্মল ডাহাল, পাবলিসিটি অফিসার মেহরাব হোসাইন বাপ্পী, পাবলিক রিলেশন অফিসার বিবেক পাকওয়াল, স্পোর্টস কো-অর্ডিনেটর লুৎফর রহমান তুহিন এবং সদ্য সাবেক সভাপতি ছিলেন মো. রাকিব হাসান দায়িত্ব পেয়েছেন।


উল্লেখ্য, লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের যুব সংগঠন লিও ক্লাব বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। বাকৃবিতে অধ্যয়নরত ২০ জনের বেশি বিদেশি শিক্ষার্থী সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:৩১ এএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ফিচার, কলাম অ্যান্ড কনটেন্ট রাইটার্সের (JnUFCCW) ২০২৬–২৭ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন ফাহিম হাসনাত এবং সাধারণ সম্পাদক মাইমুন ইসলাম অমি।


মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সংগঠনটির উপদেষ্টামন্ডলীর সইকরা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।


কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রাকিব হোসেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাহুল শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক নুসরাত জাহান অর্পিতা, দপ্তর সম্পাদক মালিহা মেহনাজ ঐশী, অর্থ সম্পাদক জয়া রাণী পাল এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হুমায়ুন আহমেদ নাঈম।


এ ছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন ইলমা জাহান, আকাশ আহমেদ রুপম, শ্রেয়া বাইন ও হাসনাত হাবিব। সমন্বয় সহযোগী হিসেবে রয়েছেন আরাফাত চৌধুরী লিনয় ও তাসনিমা আক্তার।


কমিটির সভাপতি ফাহিম হাসনাত বলেন, “জগন্নাথ ইউনিভার্সিটি ফিচার, কলাম অ্যান্ড কনটেন্ট রাইটার্সের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে কৃতজ্ঞ ও সম্মানিত বোধ করছি। আমি বিশ্বাস করি, লেখালেখি শুধু মত প্রকাশের মাধ্যম নয়; এটি চিন্তা, সৃজনশীলতা ও দায়িত্বশীলতারও প্রতিফলন। আমরা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা ফিচার, কলাম ও বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট রাইটিংয়ে নিজেদের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাবে। সবার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে সংগঠনটিকে আরও কার্যকর, সৃজনশীল এবং শিক্ষার্থীবান্ধব একটি লেখক-কমিউনিটিতে পরিণত করার জন্য আমরা কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।”


সাধারণ সম্পাদক মাইমুন ইসলাম অমি বলেন, “আমার কাছে লেখালেখি শুধু নিজের ভাবনা প্রকাশের মাধ্যম নয়, বরং যেকোনো সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম শক্তিশালী প্রতীক। একটি লেখা মানুষের চিন্তাকে প্রশ্ন করতে পারে, সচেতনতা তৈরি করতে পারে এবং পরিবর্তনের পথে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে পারে। তাই সংগঠনের সেক্রেটারি হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, আমাদের কার্যক্রম শুধু সংগঠনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। লেখালেখি, চিন্তাচর্চা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখাই হবে আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।”


নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখালেখি, সাংবাদিকতা, গবেষণা ও সৃজনশীল কনটেন্টচর্চাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৭ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সঙ্গে ইরাসমাস প্লাস মোবিলিটি কর্মসূচির আওতায় নোবিপ্রবি সফররত তুরস্কের সাকারিয়া ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস এর প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) নোবিপবি উপাচার্যের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নোবিপ্রবিতে স্বাগত জানান। এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, এ মোবিলিটি কর্মসূচির আওতায় উভয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক ও পেশাগত জ্ঞান আদান-প্রদান সহজতর হবে বলে আমি মনে করি। এর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন ও দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময়ের সুযোগ পাবে। এ সময় উভয় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে এবং শিক্ষার্থী বিনিময়, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমে সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টিতে এ কর্মসূচি অবদান রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।


সাক্ষাৎকালে অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন, নোবিপ্রবি ইন্টারন্যাশনাল কোলাবরেশন এন্ড এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্সের অতিরিক্ত পরিচালক ও ইরাসমাস প্লাস কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. রোকনুজ্জামান সিদ্দিকী, নোবিপ্রবি ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শিবলুর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।


উল্লেখ্য, নোবিপ্রবি সফররত সাকারিয়া ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস এর প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ হলেন- কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সেলমান হিজাল, ছাত্র পরামর্শ বিভাগের প্রধান জনাব হাসান তুর্ক ও সহকারী অধ্যাপক ড. এ এফ এম. শোয়াইব আখতার। প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ নোবিপ্রবিতে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং মোবিলিটি কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্নের স্বীকৃতিস্বরূপ নোবিপ্রবির পক্ষ থেকে তাদের সনদ প্রদান করা হয়।


প্রসঙ্গত, Erasmus+ KA171 মোবিলিটি কর্মসূচির আওতায় এ সফর সম্পাদিত হচ্ছে। এই মোবিলিটি কর্মসূচির লক্ষ্য হলো জ্ঞান আদান-প্রদান সহজতর করা, প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক জোরদার এবং নোবিপ্রবি ও সাকারিয়া ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লায়েড সায়েন্সেস এর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

সর্বশেষ সব খবর

চিঠি দিবস

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:১২ পিএম

চিঠি দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ‘বই প্রবাহ’ মার্কেটিং বিভাগের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে ভিন্নধর্মী এক কর্মসূচি। ক্যাম্পাসের কাউকে চিঠি লিখে তা প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ করে দিতে এ আয়োজন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের নিচতলায় দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।


আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চিঠি লেখার মাধ্যমে ক্যাম্পাসের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবার মধ্যে ব্যক্তিগত অনুভূতি, ভালোবাসা, শুভেচ্ছা ও নানা কথা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য। চিঠিতে প্রেরক ও প্রাপকের নাম, ব্যাচ ও বিভাগ উল্লেখ করে তা নির্ধারিত স্থানে জমা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।


আয়োজনের অংশ হিসেবে চিঠি লেখা ও প্রদর্শনের ব্যবস্থাও রাখা হয়। এতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্দেশে চিঠি লেখার পাশাপাশি নিজেদের অনুভূতি ও ভাবনা প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছেন অংশগ্রহণকারীরা।


বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের  শিক্ষার্থী আকাশ আহমেদ রুপম বলেন, “চিঠি লেখার মতো সুন্দর ও পুরোনো একটি মাধ্যমকে ক্যাম্পাসে এভাবে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগটি সত্যিই আনন্দের। ব্যস্ততার সময়ে হাতে লেখা চিঠির মাধ্যমে নিজের অনুভূতি প্রকাশের সুযোগটি আমাদের জন্য ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে।”


এ বিষয়ে বই প্রবাহ এর সভাপতি  মুনায়েম শারিয়ার চৌধুরী বলেন, “আমরা মার্কেটিং বিভাগ থেকে ‘বই প্রবাহ’ নামের একটি সংগঠন পরিচালনা করছি। এই সংগঠনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের মধ্যে বই আদান-প্রদান করে থাকি এবং সাহিত্য চর্চা করি। সেই সংগঠন থেকেই মূলত আমার আজকের এই আয়োজন ‘চিঠি উৎসব’।”


চিঠি হারিয়ে যাওয়া এক ঐতিহ্যে পরিণত হচ্ছে দিন দিন। অথচ একসময় এই চিঠির মধ্য দিয়েই আমাদের মনের ভাব ও সাহিত্য ফুটে উঠতো। সেই ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্যই আমাদের আজকের এই আয়োজন। মার্কেটিং বিভাগের ‘বই প্রবাহ’ থেকে আমরা এটি আয়োজন করেছি।


তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক ভালো সাড়া পাচ্ছি সবার কাছ থেকে। এই এআই (AI) এবং ডিজিটাল মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপের যুগেও আমার মনে হয়, হাতে লেখা চিঠি এবং খামে ভরে পাঠানো চিঠির কদর এখনো কোনো না কোনো জায়গায় রয়ে গেছে। আমরা মনে করি, এই অভ্যাসটি আমাদের ধরে রাখা উচিত। চিঠির মধ্যে আমরা নিজেদের খুঁজে পাই; একটি লিখিত চিঠির মাধ্যমে নিজের কিছু অংশ অন্য কারও কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। সেখানে আমাদের আঁকাবাঁকা হাতের লেখা এবং কাগজের ওপর হাতের স্পর্শ থাকে যা আসলে কোনো দিনও কোনো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম দখল করতে পারবে না।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:১৬ পিএম

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা জিয়া পরিষদ।


সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) এক শুভেচ্ছা বার্তায় জিয়া পরিষদ ইবি শাখার সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ফারুকুজ্জামান খান ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম এ শুভেচ্ছা জানান।


শুভেচ্ছা বার্তায় বলা হয়, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা রেস্তোরাঁয় এক সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। স্বাধীনচেতা পররাষ্ট্রনীতি, মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস এবং ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত জাতি গঠনের দর্শনের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই দলটিকে ব্যাপক জনপ্রিয় করে তোলে। 


বার্তায় আরও বলা হয়, ১৯৮১ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর বিএনপি সংকটের মুখে পড়ে। পরবর্তীতে দলের নেতৃবৃন্দের অনুরোধে বেগম খালেদা জিয়া বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় বছরের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিজয় আসে। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করে এবং পরবর্তীতে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালেও দলটি সরকার পরিচালনা করে।


পরবর্তীতে ওয়ান ইলেভেনের সময় নানা ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে হাসিনার ফ্যাসিজমের যাত্রা শুরু হয়। ক্ষমতা প্রাপ্তির পথ সুগম করতে নির্বাচনের আগেই শহিদ জিয়ার দুই সন্তানকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার ও নির্যাতন করে নির্বাসনে যেতে বাধ্য করা হয়। এদিকে গুম ও খুনের নির্মমতা উপেক্ষা করে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির অকুতোভয় নেতাকর্মীগণ জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনতে লাগাতার আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েন। বেগম খালেদা জিয়াসহ বিএনপির লক্ষ লক্ষ নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা, জেল-জুলুম-হুলিয়া নির্বিচারে চলতে থাকে। শহিদ জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো বিনা চিকিৎসায় বিদেশে মৃত্যুবরণ করেন। বেগম জিয়াকে এক প্রহসনের বিচারে জেলে প্রেরণ করা হয়। তারপরও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীরা আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যাহত রাখেন।


শুভেচ্ছা বার্তায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে বিএনপি, ছাত্রদল ও দলটির অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের কথা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে বিএনপির ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।


বার্তায় আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দল ও দেশের মানুষ শোকাহত হয়। তাঁর অবর্তমানে দলের নেতৃত্ব তারেক রহমানের ওপর অর্পিত হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও সহযোগী দলগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়।


শুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, সংগ্রাম ও আধিপত্যবাদবিরোধী ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং দেশের জনগণকে জিয়া পরিষদ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে ‘সংগ্রামী শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন’ জানানো হয়।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১:০৭ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একমাত্র হল নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হলে ছাত্রদল নেত্রী আর্নিকা আরাফাতের উদ্যোগে প্রজনন স্বাস্থ্য ও জীবন দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী হলের একটি কক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গ্রিনভয়েস শাখা ও বহ্নিশিখার সমন্বয়ে এবং জকসু অপরাজিতার অগ্রযাত্রা হল সংসদের সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক ও ছাত্রদল নেত্রী আর্নিকা আরাফাতের উদ্যোগে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।


কর্মশালায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. ঈশিতা বিশ্বাস, মেডিসিন স্পেশালিস্ট, ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও কনসালটেন্ট, আজগর আলী হাসপাতাল। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যসচেতনতা ও সুস্থ জীবনযাপনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করেন।


কর্মশালার অংশ হিসেবে ‘Yoga for Women’ সেশন পরিচালনা করেন যোগা স্পেশালিস্ট বৈশাখী মুখার্জী। সেশনে নারীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে যোগব্যায়ামের গুরুত্ব এবং দৈনন্দিন জীবনে এর ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা ও অনুশীলন করানো হয়।


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গ্রীনভয়েস কেন্দ্রীয় শাখার সদস্য ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির এবং ছাত্রদল হল কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফারজানা রিমি।


অনুষ্ঠানে আর্নিকা আরাফাত বলেন, “জকসু নির্বাচনে যারা আমাকে দায়িত্বশীল মনে করে ভোট দিয়েছেন, তাদের সেই বিশ্বাসের জায়গা থেকেই নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এটি আমার দ্বিতীয় উদ্যোগ। সামনে শিক্ষার্থী কল্যাণমূলক আরও উদ্যোগ গ্রহণ করব। আমি সাংগঠনিক মানুষ। পরিবেশ ও সমাজকল্যাণমূলক কাজ শুধু দায়িত্বের জায়গা থেকে নয়, আবেগের জায়গা থেকেও করি।”


গ্রীনভয়েস কেন্দ্রীয় শাখার সদস্য ও বাপার সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির বলেন, “নারী স্বাস্থ্যকে খরচ নয়, বরং বিনিয়োগ হিসেবে দেখে বহ্নিশিখা।” তিনি নারী স্বাস্থ্য ও সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে এ ধরনের উদ্যোগকে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করেন।




সর্বশেষ সব খবর