কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৪১ পিএম

সম্প্রতি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক গোপনে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।


'বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ' নামে টেলিগ্রামে খোলা একটি সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। ওই প্রতিবেদনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষকের নামও রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা নিরূপণে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।


আদেশে বলা হয়, গত ৪ ও ৫ আগস্ট বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত ওই সংবাদের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের তৎপরতা এবং নাম প্রকাশিত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন (বর্তমান ও সাবেক) শিক্ষকের সম্পৃক্ততা বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত যাচাই, শিক্ষকদের পরিচয় ও কার্যক্রম নিরূপণের লক্ষ্যে উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।


৪ সদস্যের কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম। সদস্য হিসেবে রয়েছেন সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ ফয়সল বিন আবদুল আজিজ এবং আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পিন্টু চন্দ্র পাল। সদস্য-সচিব হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মনিরুজ্জামান।


প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষকের নাম ওই তালিকায় রয়েছে। তারা হলেন, (যেভাবে উল্লেখ ছিলো) ড. কাজী ওমর সিদ্দিকী, বাদশা মিয়া, মো. ইকরাবুল হক, ড. আবদুল্লাহ আল মাসুম, আলম (সাংকেতিক নাম), অধ্যাপক ড. এম. এ. এ. মামুন, আইয়ুব আনসারী পিনু, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রাসেল, রাসূল আমিন, জি. এম. সাদিক হাসান এবং ড. হেলাল উদ্দিন।


তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, "আজই আমরা অফিস আদেশটি পেয়েছি। প্রকাশিত সংবাদে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষকের নাম এসেছে। প্রাথমিকভাবে দেখেছি, সেখানে কয়েকটি নামের গরমিল রয়েছে। এসব তথ্যের সত্যতা ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করাই আমাদের মূল কাজ। খুব শিগগিরই কমিটির সভা করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করব এবং নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেব।"


তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়। আমরা কেবল তদন্ত করে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করব। পরবর্তী সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নেবে।"


উল্লেখ্য, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জমা দিতে কমিটিকে বলা হয়েছে।



সর্বশেষ সব খবর

কুবি শিবির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৪৩ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পার হলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কুবি শাখার সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির।


৫ আগস্ট (বুধবার) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স রুমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ অভিযোগ করেন।


মোজাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমরা যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম, সেই প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে তফাৎ অনেক। আওয়ামী লীগের যেসব দোসর আমাদের ওপর হামলা করেছিল, তারা এখনো ক্যাম্পাসে মাথা উচু করে চলাফেরা করছে। যেসব শিক্ষক ওই হামলায় মদদ দিয়েছিলেন, তাদের মধ্যেও ন্যূনতম লজ্জাবোধ আমরা দেখতে পাই না।"


তিনি বলেন, "বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যাদের পড়াশোনা শেষ হয়েছে, তাদের সনদ বাতিল করা হয়েছে এবং যাদের পড়াশোনা শেষ হয়নি, তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের ক্যাম্পাসে এখনো দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এটি আমাদের জন্য যেমন লজ্জাজনক, তেমনি দুঃখজনক।"


তিনি আরও বলেন, "সময় থাকতে আওয়ামী লীগের বিচার নিশ্চিত করুন। অন্যথায় তারা যদি আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, তখন তারা কে বিএনপি, কে জামায়াত তা দেখবে না। তাদের প্রথম ছোবল প্রশাসনের ওপরই আসবে।"

সর্বশেষ সব খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যালি

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৩৩ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় ছাত্র-জনতার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ এর ২য় বর্ষপূর্তি পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র শহীদ আব্দুল কাইয়ুমকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

‎বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের মূল ফটক হয়ে গোলচত্বর ও শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

‎পরে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং তাঁর মায়ের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

‎আলোচনা সভা শেষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

‎অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম। এছাড়া শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমের মা, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎শহীদ আব্দুল কাইয়ুমের কথা স্বরণ করে অশ্রুশিক্ত কণ্ঠে তাঁর মা বলেন, "আমার ছেলের কথা বলতে গেলে কখনো শেষ হবে না৷ আমি মনে করি আমার ছেলের মতো আর দ্বিতীয় কেউ হতে পারবে না। আমার ছেলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই এত বড় একটা আয়োজন করেছে এটার জন্য আমি খুশি। আপনারা জানেনই আমার অবস্থা; স্যাররা গিয়েছিলো আমার বাড়িতে, তারা দেখে আসছে৷"

‎কোষাধক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, "আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে চাই এদেশ বিনির্মাণে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন এবং সর্বশেষ ২৪ এর জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত হয়েছেন তাদেরকে। জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে সামনে রেখে আমাদের দেশ, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমরা যে যেখানে আছি সে জায়গা থেকে কাজ করে যেতে চাই। আব্দুল কাইয়ূম আমার বিভাগের একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী স্টুডেন্ট ছিলেন। আমার প্রত্যাশা থাকবে আমরা যেন শহীদ আব্দুল কাইয়ূম কে ভুলে না যাই। প্রশাসনের প্রতি আমার প্রত্যাশা আব্দুল কাইয়ূম এর পরিবারকে যেন সর্বোচ্চ সহায়তা করা হয়।"

‎শহীদ আব্দুল কাইয়ুম এবং তার পরিবারকে নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, "আমরা আব্দুল কাইয়ুমের পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ তারা আমাদের ডাকে সারা দিয়েছেন, আমাদের অনুষ্ঠানে এসেছেন। আব্দুল কাইয়ুম কোন ফ্যাকাল্টিতে পড়তো, কোন বিভাগে ক্লাস করতো, পরীক্ষা দিতো এগুলো তার পরিবারকে দেখানোর জন্যই এই ফ্যাকাল্টিতে আয়োজন করেছি। শহীদ আব্দুল কাইয়ুম ৪ তারিখে যেদিন গুলিবিদ্ধ হয় সেদিন স্বৈরাচার দেশে ছিলো, আর ৬ তারিখ যেদিন মারা যায় সেদিন দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছিলো।"

‎তিনি আরও বলেন, "সরকার শহীদ পরিবারদেরকে যে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিচ্ছে। আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, যেন আপনাদের পরিবারও সেই সুবিধাটুকু পায়৷ সেটা পাওয়ার জন্য আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু করা লাগে আমরা সবটুকুই করবো। প্রয়োজনে আমরা মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে দেখা করে সেই সুবিধাটুকু নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো। আপনারা আমাদের মাঝে এসেছেন৷ আপনাদের হারানের যে বেদনা সেটা পূরণ করার ক্ষমতা আমাদের নেই। কিন্তু আপনাদের হারানোর মাধ্যমে দেশ যে প্রাপ্তিটা পেয়েছে, আমরা যে প্রাপ্তিটা পেয়েছি তার কৃতজ্ঞতা আপনাদের পরিবারের প্রতি আমাদের সারা জীবন থাকবে।" 

‎অনুষ্ঠানের সভাপতি ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের আবেগের সঙ্গে জড়িত। যারা এ আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। সেই সময়ে শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের সাহসী অংশগ্রহণ না থাকলে আন্দোলনটি গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিত কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে ।'

‎তিনি আরও বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সাংস্কৃতিক সংগঠনকে নিয়ে আমরা একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছি। তারা একসঙ্গে বসে বছরের কোন সময়ে কোন সাংস্কৃতিক আয়োজন হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। তারা নিজস্ব কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং এ ক্ষেত্রে ছাত্র উপদেষ্টা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আয়োজন সফল করার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।'

সর্বশেষ সব খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বুটেক্সের হলগুলোতে গণভোজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরা, শহীদদের স্মরণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২৭ পিএম


জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) আবাসিক হলগুলোতে গণভোজের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরা, শহীদদের স্মরণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 


আজ বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি আবাসিক হলে এ আয়োজন করা হয়। এতে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন।


বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আজিজ হল, জি. এম. এ. জি. ওসমানী হল, সৈয়দ নজরুল ইসলাম হল এবং মেয়েদের বীর প্রতীক ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম হলে একযোগে গণভোজ অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খাদ্য টোকেন সংগ্রহ করা শিক্ষার্থীদের এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। আয়োজনে শিক্ষার্থীদের পোলাও, মুরগির রোস্ট, গরুর কালাভুনা, ডিম, মিষ্টি ও সফট ড্রিংকস পরিবেশন করা হয়।


হলগুলোতে আয়োজনের প্রশংসা করলেও এর পরিধি আরও বাড়ানোর প্রত্যাশা জানিয়েছেন শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ। জি. এম. এ. জি. ওসমানী হলের অ্যাপারেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আতিক হাসান বলেন, “হলগুলোতে জুলাই স্মরণে গণভোজের আয়োজন অবশ্যই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে আয়োজনটি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক হলে ভালো হতো। আন্দোলনে সক্রিয় হলের বাইরের শিক্ষার্থী ও জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো আয়োজন করেনি। যেখানে জুলাই আমাদের শিক্ষা দেয় সব বৈষম্যের বিরুদ্ধে সক্রিয় হতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে নিয়ে আয়োজন করা গেলে জুলাইয়ের ঐক্য ও সম্প্রীতির চেতনা আরও সুন্দরভাবে ফুটে উঠত।”


তবে আয়োজনকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীদের অনেকে। সৈয়দ নজরুল ইসলাম হলের ইয়ার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. ইসরাক আহাম্মদ সায়েম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমার কাছে অন্যায়, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার সাহসী প্রতিবাদ এবং আত্মত্যাগের প্রতীক। হলে আয়োজিত গণভোজ আসলেই একটি ভালো উদ্যোগ। এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, ঐক্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি করবে এবং জুলাইয়ের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করবে।”


আয়োজনের উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব তুলে ধরে শহীদ আজিজ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান অন্যায়, দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজের সাহসী অবস্থানের প্রতীক। ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, জুলাই আন্দোলনও তারই ধারাবাহিকতা।”


তিনি আরও বলেন, “দিবসটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা, আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ঐক্যের পরিবেশ জোরদার করাই ছিল আমাদের মূল উদ্দেশ্য। এই চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে লালন করা প্রয়োজন, যাতে তারা ভবিষ্যতে ন্যায়, সাম্য ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য কাজ করতে পারে। গণভোজের এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি, ঐক্য ও অংশগ্রহণের মনোভাব আরও জোরদার করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।”

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:১৪ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ বুধবার (০৫ আগস্ট ২০২৬) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি উদযাপন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


কর্মসূচিসমূহে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এদিন সকাল ১০টায় নোবিপ্রবি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বিজয় শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।


শোভাযাত্রা শেষে নোবিপ্রবি শহিদ মিনারে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর নোবিপ্রবি বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠ, জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।


আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। জুলাই যোদ্ধা, শহিদ পরিবার ও আহতদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের মাধ্যমেই প্রকৃত সম্মান প্রদর্শন সম্ভব।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে অতীতের মতো ঐক্য ও সহযোগিতার মনোভাব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে নোবিপ্রবিতে একটি জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনার বিরোধী কার্যক্রম এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিরুদ্ধে আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


অনুষ্ঠানের সভাপতি ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক নোবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, আজকের আলোচনা থেকে যেটা উঠে এসেছে তা হলো আমাদের ঐক্য দরকার। গণতন্ত্রের জন্য এবং বৈষম্যের বিরুদ্ধে শতশত মানুষ প্রাণ দিয়েছে এবং আহত হয়েছে। আমরা কি জবাব দিবো সেই মাকে যেই মা সন্তান হারিয়েছে, যিনি আজও দরজায় দাঁড়িয়ে সন্তানের আগমনের অপেক্ষা করছে। যখন কোথাও ঐক্য না থাকে তখনই তৃতীয় শক্তি আসার সুযোগ পায়। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ না থাকি তাহলে দেশে আবার ফ্যাসিবাদের উত্থান হবে। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকাটা অত্যন্ত জরুরী। আমরা ন্যায্যতার ভিত্তিতে এ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করতে চাই। আজ জুলাই যোদ্ধা এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে যারা উপস্থিত রয়েছেন তাদের এবং আয়োজনকে স্বার্থক করার জন্য বিভিন্ন কমিটিতে যারা কাজ করেছেন তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।


সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নোবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান ছিল ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের সংগ্রামের একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়। কোটা সংস্কার আন্দোলন পরবর্তীতে স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয় এবং ৫ আগস্ট নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। অভ্যুত্থানে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা, আহতদের সুস্থতা এবং ভবিষ্যতেও দেশ গঠনে জাতীয় ঐক্য ও ধৈর্য বজায় রাখার আহ্বান জানায়। 


আলোচনা সভায় গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ ও সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার। সভায় অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, নোবিপ্রবি ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ, প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান, ফলিত গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবদুল করিম। এ সময় নোবিপ্রবির বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগের চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, দপ্তর ও শাখা প্রধান, ছাত্র-শিক্ষক, কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে অন্যান্য আয়োজনের মধ্যে ছিল, ভিডিও প্রদর্শনী, পুরস্কার বিতরণ, সম্মাননা প্রদান, দোয়া ও মুনাজাত। অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধা ও আহতদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়াও চিত্রাঙ্কন ও নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের জুলাই বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী। এদিন বিকেলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ সব খবর

ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:১৩ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে  পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম ঘোষিত ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন ক্যাম্পাস’ উদ্যোগকে সামনে রেখে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করিম। এ সময় উপাচার্যের উপস্থিতিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেন। পাশাপাশি প্রশাসনিক ভবনের সামনের আঙিনাও পরিষ্কার করা হয়।


কর্মসূচি সম্পর্কে কুবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, “৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান দিবস আমাদের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এ দিনে আমরা হাসিনা রেজিম থেকে মুক্তি লাভ করেছি। তাই অতীতের সকল জঞ্জাল, অপরাজনীতি ও অপসংস্কৃতিকে পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই। উপাচার্য স্যারের ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন ক্যাম্পাস’ উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়ে তাঁর উপস্থিতিতেই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছি।”


তিনি আরও বলেন, “পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে জুলাই আন্দোলনের শহীদ ওয়াসিম আকরাম এবং কুবির একমাত্র শহীদ আব্দুল কাইয়ুমের স্মরণে দুটি বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। যেহেতু আব্দুল কাইয়ুম ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের শিক্ষার্থী ছিলেন, তাই তাঁর স্মরণে ওই অনুষদের সামনে গাছ দুটি রোপণ করা হয়েছে।”

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৪৯ পিএম

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ইউসুব আলী বলেছেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে নিরাপদে পদচারণা করবে। কিন্তু আমরা দেখেছি ক্ষমতা পাওয়ার সাথে সাথে ছাত্রদলের ভাইয়েরা ক্যাম্পাসগুলোতে আধিপত্য বিস্তার করার জন্য সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করা শুরু করেছে। আমরা ধৈর্য ধারণ করছি। ধৈর্যের বাঁধ যদি একবার ভেঙে যায়, তাহলে আপনাদের পিঠের চামড়া আমরা তুলে ফেলব।

 

বুধবার ( ৫ আগস্ট) দুপুরে জুলাই বিপ্লবের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত 'অদম্য জুলাই মিছিল' পরবর্তী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। 



তিনি আরও বলেন, "বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল ক্যাম্পাসগুলোতে আবারও গণরুম-গেস্টরুম কালচারের পাঁয়তারা করছে। তারা ইতোমধ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি জায়গায় আবারও গণরুম-গেস্টরুম কালচার চালু করে দিয়েছে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, আমরা আর সহ্য করবো না। শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ার মাধ্যমে এই গণরুম-গেস্টরুম কালচার চালুকারিদেরকে আমরা ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করবো।"


ছাত্রলীগের পরিণতির স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, ''আমাদের জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ছিল হল দখলের রাজনীতি মূলোৎপাটন করা। কিন্তু আমরা দেখেছি যে, সেই রাজনীতি আবার শুরু হয়ে গেছে। আমরা সতর্ক করে দিতে চাই, ছাত্রলীগ এই কাজ করেছে, সুতরাং ছাত্রলীগের পরিণতি কি ভয়ানক হয়েছে, সেই পরিণতির দিকে আপনারা আসবেন না।"

সর্বশেষ সব খবর