ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শনিবার ২২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৫৬ এএম

বিএনপি সরকারের গঠনের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান; জ্যেষ্ঠতম মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রেক্ষাপটে আসা এই রদবদলে নির্বাহী দায়িত্বে তিনি আনলেন নতুন ছয় মুখ।


নির্বাহী বিভাগের পুনর্গঠনে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে বাদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী; তাকে মন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাকে দপ্তর পাল্টে তার জায়গায় পদোন্নতি দিয়ে আনা হয়েছে রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে; এতদিন ওই মন্ত্রণালয়ে রিতার জুনিয়র মন্ত্রী ছিলেন তিনি।


প্রায় দুই দশক বিরতির পর বেশিরভাগ নতুন মুখ নিয়ে আসা বিএনপি সরকারের জন্য এমন পরিবর্তনকে স্বাভাবিকই মানছেন বিশ্লেষকরা।


আবার কারও কাছে মাত্র ছয় মাসে এই রদবদল ‘অবাক করা’।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিপুল বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার। সেদিন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।


মন্ত্রীদের মধ্যে হাফিজ উদ্দিন আহমদ পরে স্পিকারের দায়িত্ব পান। আর প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে কায়সার কামাল গত মার্চে ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পান।


হাফিজ উদ্দিনের জায়গায় মন্ত্রিসভায় আসেন আহমেদ আযম খান। আর ১ জুন পদত্যাগ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিতে যাওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর পদও শূন্য হয়। আর শুক্রবারের রদবদলে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন।


ফলে সব মিলিয়ে তারেক রহমানের সরকারে মন্ত্রীর সংখ্যা হল ২৬ জন, আর প্রতিমন্ত্রী থাকলেন ২৪ জন। এর বাইরে প্রধানমন্ত্রীর ১০ জন উপদেষ্টা ছিলেন। তাদের পাঁচজন মন্ত্রী এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।


তাদের মধ্যে হুমায়ুন কবির প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় এবং জহির উদ্দিন স্বপন মন্ত্রী থেকে উপদেষ্টা হওয়ায় উপদেষ্টাদের মোট সংখ্যায় কোনো পরিবর্তন হল না।


৫১ জন সদস্য নিয়ে মন্ত্রিসভার এই পুনর্গঠনকে কুঁড়েঘরের ‘খুঁটি পাল্টানোর’ সঙ্গে তুলনা করেছেন সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার।


ছয় মাসের কাজ দেখে দায়িত্বে এমন পরিবর্তনের কথা তুলে ধরে এই বিশ্লেষক বলেন, “প্রধানমন্ত্রী একেবারে শূন্য থেকে শুরু করেছিলেন বলা যায়। আবার তার মন্ত্রিসভায় অধিকাংশই ছিলেন নতুন মুখ। এখন তিনি কাজ দেখলেন, নাড়াচাড়া করে দেখে খুঁটিতো বদলাতে হয়।”


প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার একানব্বইয়ের সরকারের শুরু দিকেও মন্ত্রিসভায় এমন পরিবর্তন আসার কথা তুলে ধরে সাবেক এই সচিব বলেন, “দীর্ঘ বিরতির পর কোনো দল ক্ষমতায় এলে এটা স্বাভাবিকভাবে করতে হয়।


“কারণ, আগে সরকারে থাকা সিনিয়র অনেক নেতা মারা যান এবং কেউ কেউ বার্ধ্যক্যজনিত কারণে কর্মক্ষম থাকেন না।”


তবে, আরেক বিশ্লেষক অধ্যাপক জোবাইদা নাসরীন বলেছেন, “রদবদল তো সবসময় মন্ত্রিসভায় হয়। তবে ছয় মাসের মধ্যে রদবদল হয়তো মানুষকে একটু অবাক করে দিয়েছে। আমার কাছে মনে হচ্ছে ছয় মাসের মধ্যেই যে বিষয়টি হচ্ছে সরকার এবং বিএনপি দল অনেকটাই কাছাকাছি চলে আসছে। যে কারণে রাজনীতির দল হিসেবে বিএনপির আলাদা যে গুরুত্ব, আলাদা যে অবস্থান সেটি বিলীন হয়ে যাচ্ছে।


“বিলীন হওয়ার কারণে যেটা হচ্ছে যে নতুন সদস্যদের মন্ত্রীর জায়গায় অন্তর্ভুক্তি এবং এখন পর্যন্ত আপনার, আমরা দেখেছি যে হয়তো আরো সামনে মন্ত্রিপরিষদে নতুন অন্তর্ভুক্ত হবে।”


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের এই অধ্যাপক বলেন, “এখন বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ থেকে অন্তর্ভুক্তিগুলো করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে দলের যারা তরুণ তারাও আছেন, আবার যারা অভিজ্ঞ, তারাও আছেন।


“তো একটি হল যে সমন্বয়, আরেকটি হল আমার কাছে মনে হচ্ছে যে এক ধরনের বিএনপির অভ্যন্তরের রাজনীতি ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতি এবং দল ও সরকার দুটোর মধ্যে একটা সমঝোতা করার চেষ্টা। পাশাপাশি নানারকম চাপ থাকতে পারে।”


কার ভাগে কোন মন্ত্রণালয়


তারেক রহমানের সরকারে যুক্ত হয়েছেন চারজন নতুন মন্ত্রী, তাদের একজন আগে প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। আর নতুন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন দুজন, তাদের একজন আগে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।


মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত।


আর প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।


শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর পরপরই তিনি চারজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রীকে শপথ পড়ান।


রাতেই তাদের দপ্তর বণ্টনের তথ্য দেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। পরে জারি করা হয় প্রজ্ঞাপন।


মির্জা ফখরুলের ছেড়ে আসা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির প্রবীণ নেতা আবদুল মঈন খান। তিনি নরসিংদী-২ আসনের এমপি।


খালেদা জিয়ার ১৯৯১-৯৬ মেয়াদের সরকারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন মঈন খান। পরে ২০০১-২০০৬ মেয়াদের সরকারে প্রথমে তথ্য এবং পরে বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ছিলন।


আন্দালিভ রহমান পার্থ বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ভোট করে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তাকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


বর্তমানে তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা জহির উদ্দিন স্বপনকে মন্ত্রী মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা করা হয়েছে।


গত আড়াই মাস ধরে খালি থাকা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সাচিং প্রু জেরী।


এর আগে ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনেও তিনি এমপি হয়েছিলেন। বান্দরবান সদর উপজেলা ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও সামলেছেন।


মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, প্রতিমন্ত্রী থেকে পদোন্নতি পাওয়া রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়েরই মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। আর বর্তমান মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতাকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে।


নতুন প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এই মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।


আর প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করে আসা হুমায়ুন কবিরকে পরররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েই প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।


কিন্তু ওই মন্ত্রণালয়ে বর্তমানে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “এক মন্ত্রণালয়ে দুইজন প্রতিমন্ত্রী থাকলে তো অসুবিধা নেই।”


একই মন্ত্রণালয়ে দুই প্রতিমন্ত্রী থাকলে কোনো অসুবিধা না থাকার কথা বলেছেন সাবেক সচিব আবদুল আউয়াল মজুমদারও।


এ বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতার ক্রম, কে কোথায় যাবেন, কোন মন্ত্রণালয়ে কতজন প্রতিমন্ত্রী থাকবেন- এগুলো একেবারেই এবং পুরোপুরি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। এখানে কার্যবিধিমালার কোনো ব্যত্যয় হবে বলে মনে হয় না।


পরিবর্তনে ইঙ্গিত কী


নতুনদের দিয়ে শুরু করা সরকারে মন্ত্রীদের ‘পারফরমেন্স’ দেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন করা হয়েছে বলে মনে করছেন সাবেক সচিব আবদুল আউয়াল মজুমদার।


তিনি বলেন, “প্রধামন্ত্রী তারেক রহমান সরকারে একেবারে নতুন এবং দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। সরকার গঠনের পরপরই তিনি বিভিন্ন আলোচনায় কিন্তু বলেছেন, মন্ত্রীদেরও ‘পারফরমেন্স’ বিবেচনা করে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন।


“আর মন্ত্রিসভায় যারা এসেছিলেন, তাদের বেশিরভাগও ছিলেন অনভিজ্ঞ ও নতুন। এখন ছয় মাস পার এসে তিনি দেখেছেন, কোথায় কোথায় পরিবর্তন করা দরকার এবং সেভাবে পরিবর্তন করছেন।”


তথ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তনের কারণ প্রকাশ পেলে অন্যরাও সতর্ক হবেন বলে মনে করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান।


তিনি বলেন, “এই পরিবর্তনের মূল কারণটা যেটা আসবে বা প্রকাশ পাবে, সেটার ভিত্তিতে অন্যদের কাছেও বার্তা যাবে। নেতিবাচক কারণে পরিবর্তন হলে অন্য মন্ত্রীরাও সাবধান হবেন।”


রাষ্ট্রপতি হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জায়গায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে মঈন খানের যাওয়াকে ‘যথার্থ’ বলেই মানছেন অধ্যাপক কাজী মাহবুব।


জোটসঙ্গী বিজেপির আন্দালিভ রহমান পার্থকে মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসার মাধ্যমে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে, সেটা এখনও স্পষ্ট না হওয়ার কথা তুলে ধরে এই বিশ্লেষক বলেন, “হয়ত তিনি আউটস্পোকেন হওয়ায় সরকারের পক্ষে বক্তব্য দিতে পারবেন এবং জনমত তৈরি করতে পারবেন।”


দলীয় কাজে জহির উদ্দিন স্বপনকে আরও বেশি পরিমাণে কাজে লাগানোর চিন্তা থেকে তাকে উপদেষ্টা করা হয়েছে, ধারণা এই বিশ্লেষকের।


সরকারে নতুন গতিবেগ দেওয়ার দেওয়ার এই পরিবর্তন আনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমার মনে হয় না যে, কারও অদক্ষতা বা ব্যর্থতার কারণে এই রদবদল করা হয়েছে বা সেটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল কি-না। গুরুত্বপূর্ণ ছিল কাকে কোথায় কাজে লাগানো যায় সেই বিবেচনা।


“সামান্য কিছু পরিবর্তন এনে গতি বা মাত্রা বাড়ানো যায় কি-না, সেই চিন্তা করা হয়েছে। এই পুনর্গঠনের বড় রকমের প্রভাব সরকারে উপর পড়বে বলে মনে হয় না। দল এবং সরকারের প্রয়োজনে কিছু জায়গায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।”




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৫৫ পিএম

হেলিকপ্টারে সুন্দরবন পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আকাশপথে সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্ট ও সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার দাকোপের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।


প্রধানমন্ত্রীর সুন্দরবন পরিদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম। পরে প্রধানমন্ত্রী নলিয়ান থেকে নৌপথে মোংলা যান।


বিকেলে মোংলা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও জেটি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে তিনি প্রস্তাবিত বেজা ইকনোমিক জোন এলাকা ঘুরে দেখবেন। দিনব্যাপী সরকারি কর্মসূচি শেষে বিকেল ৪টায় মোংলার হেলিপ্যাড থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৫ এএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) খুলনা ও বাগেরহাট সফর করবেন। দিনব্যাপী এ সফরে তিনি সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও সংলগ্ন এলাকা আকাশপথে পরিদর্শন, মোংলা বন্দরের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং প্রস্তাবিত বেজা ইকনোমিক জোন পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি সরকারি একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এ সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।


সফরসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় নিজ বাসভবন থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৯টায় হেলিকপ্টারে করে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি। সকাল ১০টার দিকে আকাশপথে হিরণ পয়েন্ট ও এর আশপাশের সুন্দরবন এলাকা পরিদর্শন করবেন।


পরে সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সড়কপথে লঞ্চঘাটে গিয়ে নৌপথে বাগেরহাটের বানৌজা মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করবেন তিনি।


দুপুরে বানৌজা মোংলা জেটিতে পৌঁছানোর পর ওয়ার্ডরুমে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত একটি সভায় অংশ নেবেন তিনি।


বিকেলে মোংলা বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও জেটি পরিদর্শন করবেন তারেক রহমান। এরপর বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে প্রস্তাবিত বেজা ইকনোমিক জোন এলাকা ঘুরে দেখার কর্মসূচি রয়েছে তার।


দিনব্যাপী সফর শেষে বিকেল ৪টায় মোংলার হেলিপ্যাড থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল ৫টার দিকে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষরিত এক পত্রে জানানো হয়েছে, সফরে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন।


প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে খুলনা ও বাগেরহাট জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়েছে।


সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৫১ পিএম

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) একটি দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী দল। বাংলাদেশের জনগণ তাদের আর কখনও রাজনীতি করতে দেবে না।


বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের (এপিজি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।


স্পিকার বলেন, ‘আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় বসেছিল দেশের সম্পদ লুটপাট করতে। দলটির এমপি-মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে লুটপাটের মাধ্যমে বিদেশে বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের এক প্রতিমন্ত্রীর বিদেশে দুই শতাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।’


বিগত শাসনামলে নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন অন্যায়-অপরাধের কথা তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানান, ২০০১ সালে এই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। তিনি পরাজিত হওয়ায় পরে ঢাকা থেকে এক সন্ত্রাসীকে এনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করান শেখ হাসিনা।


অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তজুমদ্দিন উপজেলা শাখার পক্ষ থেকেও স্পিকারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।


বিগত শাসনামলে নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন অন্যায়-অপরাধের কথা তুলে ধরে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ২০০১ এই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। তিনি পরাজিত হওয়ায় পরবর্তীতে ঢাকা থেকে এক সন্ত্রাসীকে এনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করান শেখ হাসিনা।


তিনি আরও জানান, সেই ব্যক্তি দুর্নীতির মাধ্যমে লালমোহনে ৫০০ বিঘা জমি ও ঢাকায় একাধিক বাড়ি করেছিলেন। তবে, ৫ আগস্টের পর সেসব সম্পদ রেখে সপরিবারে পালিয়ে যান।


নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের আশ্বাস দিয়ে স্পিকার বলেন, তজুমদ্দিনকে পৌরসভায় রূপান্তর করা হবে। এ ছাড়া বিনোদনের জন্য মেঘনার পাড়ে একটি পার্ক নির্মাণ করা হবে। সন্ত্রাসীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করে দেন তিনি।


তজুমদ্দিন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ গোলাম মোস্তফা মিন্টুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আলহাজ ওমর আসাদ রিন্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন। এ সময় জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


এর আগে স্পিকার উপজেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩২ পিএম

দীর্ঘসময়ের বিরতির পর অবশেষে চালু হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বহুল কাঙ্ক্ষিত ডাইভারসিটি ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা ‍ডিভি লটারি। ট্রাম্প প্রশাসনের ডিভি লটারি বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা একটি মামলায় রায়ে গত সোমবার (১৯ অক্টোবর) ডিভি লটারি পুনরায় চালুর পক্ষে রায় ‍দিয়েছে দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। খবর বিখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের


আদালতের রায় অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ডিভি লটারির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। আবেদনের জন্য নির্ধারিত পোর্টাল চালু করার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে নভেম্বরের ১ তারিখ। নিবন্ধন কার্যক্রম অন্তত ৩০ দিন চালু থাকবে। এ ছাড়া ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত আবেদনকারীদের বিষয়ে নোটিশ দেওয়ার সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে। 


এবারের আবেদনে বাংলাদেশের নাম থাকা নিয়ে এখনও বিস্তারিত জানায়নি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে ২৯ অক্টোবরের ডিভি লটারির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর। 


২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি (ডাইভারসিটি ভিসা) লটারি বন্ধ রয়েছে। মূলত, ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র তথা আমেরিকা ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি অভিবাসী পাওয়ায় দেশটি এই কর্মসূচির বাইরে চলে যায়। কারণ ডাইভারসিটি ভিসা বা ডিভি লটারি কর্মসূচিটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রে কম অভিবাসী পাঠানো দেশগুলোর জন্য প্রযোজ্য।


আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পূর্বে যোগ্যতার শর্ত, সঠিক ওয়েবসাইটের ঠিকানা এবং আবেদনের নির্ভুল পদ্ধতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য সতর্কতার সঙ্গে অপেক্ষা করতে হবে।


সেখানে আরও বলা হয়েছে, গ্রিন কার্ড লটারিতে চান্স পাইয়ে দেওয়া বা অর্থের বিনিময়ে বিজয়ী করার নামে কোনো প্রতারকের ফাঁদে পা দেবেন না। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মার্কিন সরকারের অফিসিয়াল পোর্টালে সম্পন্ন করতে হবে।

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:১৯ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:১৯ পিএম


  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:১৯ পিএম

ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ সাতটি জটিল ও দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত রোগীদের এককালীন এক লাখ টাকা করে চিকিৎসা সহায়তা দেবে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৬৫ হাজার রোগীকে এ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।


সমাজসেবা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘমেয়াদি ও দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত দরিদ্র ও অসচ্ছল রোগীদের চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে সহায়তা করা এবং তাদের পরিবারের আর্থিক চাপ কমানো এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।


যে সাত রোগে মিলবে আর্থিক সহায়তা


সরকারের এ কর্মসূচির আওতায় সাতটি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন। রোগগুলো হলো-


১. ক্যান্সার

২. কিডনি রোগ

৩. লিভার সিরোসিস

৪. প্যারালাইসিস

৫. হৃদরোগ

৬. লিউকেমিয়া

৭. থ্যালাসেমিয়া


কারা পাবেন অগ্রাধিকার


আর্থিক সহায়তা পেতে আবেদনকারীকে বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে। রোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে দরিদ্র ও অসচ্ছল ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ জন্য পরিবারের আয়-ব্যয় ও আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করা হবে।


এ ছাড়া যেসব রোগীর জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন এবং যাঁদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, শিশু, নারী ও প্রবীণ রোগীরাও অগ্রাধিকার পাবেন।


তবে আবেদনে ভুল তথ্য দেওয়া, জাল কাগজপত্র জমা দেওয়া, একই বিষয়ে সরকারের অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করা কিংবা তালিকাভুক্ত হওয়ার পর সহায়তা নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করলে সংশ্লিষ্ট কমিটি আবেদন বাতিল করতে পারবে।


নিয়ম অনুযায়ী, একজন আবেদনকারী একই অর্থবছরে একবার এবং সারা জীবনে সর্বোচ্চ তিনবার এ সহায়তা পেতে পারবেন।


আবেদনে যেসব কাগজপত্র লাগবে


আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করতে রোগীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি দিতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক রোগীর ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদের ফটোকপি জমা দিতে হবে।


এ ছাড়া প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আবেদনকারী বা অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের এক কপি ছবি, নমিনির তথ্য, রোগী বা আবেদনকারী কিংবা অভিভাবকের ব্যাংক হিসাবের তথ্য এবং ব্যাংকের চেকবইয়ের কভার পাতার ফটোকপি দিতে হবে।


আবেদনের সঙ্গে চিকিৎসকের সর্বশেষ ব্যবস্থাপত্রের ফটোকপি এবং রোগ শনাক্তকরণ-সংক্রান্ত পরীক্ষার রিপোর্টের সত্যায়িত কপিও জমা দিতে হবে।


রোগভেদে যেসব পরীক্ষার রিপোর্ট প্রয়োজন


ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের টিস্যু ডায়াগনস্টিক, হিস্টোপ্যাথলজি, সাইটোপ্যাথলজি, বোন ম্যারো বা বায়োপসি রিপোর্টসহ প্রযোজ্য পরীক্ষার প্রতিবেদন দিতে হবে।


কিডনি রোগীদের রক্তে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা নির্ণয়ের রিপোর্ট এবং ডায়ালাইসিস বা কিডনি প্রতিস্থাপন-সংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিতে হবে। নিয়মিত ডায়ালাইসিস নেওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা সেবাকেন্দ্রের চিকিৎসকের সনদও প্রয়োজন হবে।


লিভার সিরোসিসে আক্রান্তদের লিভারের আল্ট্রাসনোগ্রাম ও ফাইব্রোস্ক্যান রিপোর্টসহ প্রাসঙ্গিক পরীক্ষার প্রতিবেদন দিতে হবে। প্যারালাইসিসের ক্ষেত্রে এমআরআই বা সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট কিংবা রোগের প্রমাণযোগ্য ছবি জমা দেওয়া যাবে।


হৃদরোগীদের এনজিওগ্রাম বা ইকোকার্ডিওগ্রামের রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষার প্রতিবেদন দিতে হবে। অন্যদিকে, থ্যালাসেমিয়া ও লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস বা প্রযোজ্য অন্যান্য পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।


অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, রোগ শনাক্তকরণ-সংক্রান্ত পরীক্ষার রিপোর্ট সাধারণত এক বছরের বেশি পুরোনো হওয়া যাবে না। প্রয়োজনীয় রিপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে; মূল কপি জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।


যেভাবে আবেদন করবেন


আর্থিক সহায়তা পেতে প্রথমে নির্ধারিত অনলাইন লিংকে প্রবেশ করে আবেদন করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন করার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদনপত্রের স্বাক্ষরিত প্রিন্টকপি, চিকিৎসকের সর্বশেষ ব্যবস্থাপত্রের ফটোকপি এবং পরীক্ষার রিপোর্টের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।


অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আবেদন ফরম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রত্যয়নপত্র পূরণ করে দুই কপি সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে জমা দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।


তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয় থেকে সর্বশেষ নির্দেশনা, নির্ধারিত অনলাইন আবেদনের লিংক এবং কাগজপত্র জমা দেওয়ার পদ্ধতি নিশ্চিত করে নেওয়া উচিত।


আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।


প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:০৭ পিএম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৭ জন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৩৭৩ জন। আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  


এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৭ জন মারা গেছেন। 


স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৬৪ জন মারা গেছেন। 


এছাড়া, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ১৬ হাজার ৯৯০ জন।