বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের পতাকা

  • প্রকাশ : শনিবার ১১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:১৮ এএম

বাংলাদেশসহ সাত দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন ‘ভিসা প্যাকেজ’ কর্মসূচি চালু করেছে সৌদি আরব। এ কর্মসূচির আওতায় অনুমোদিত ভ্রমণ প্যাকেজ বুকিংয়ের মাধ্যমে আলাদা আবেদন ছাড়াই ইলেকট্রনিক পর্যটন ভিসা (ই-ভিসা) পাওয়া যাবে। শুক্রবার গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রথম ধাপে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিসর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া ও মেক্সিকোর নাগরিকরা এ সুবিধা পাবেন। ভবিষ্যতে আরও দেশের নাগরিকদের এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।


নতুন ব্যবস্থায় ভ্রমণকারীরা একটি সমন্বিত প্যাকেজের মাধ্যমে যাওয়া-আসার বিমান টিকিট, অনুমোদিত হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং ই-ভিসা একসঙ্গে বুক করতে পারবেন। ফলে আলাদা করে ভিসার আবেদন বা সৌদি দূতাবাসে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।


পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে প্যাকেজ কেনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ই-ভিসা ইস্যু করা হবে। এরপর ভিসা, ভ্রমণ বিমা ও প্রয়োজনীয় ভ্রমণসংক্রান্ত নথি ই-মেইলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত রিজার্ভাল ও আলমোসাফের-এই দুটি ট্রাভেল এজেন্সিকে এ সেবা দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।


নতুন কর্মসূচির আওতায় ইস্যু হওয়া ভিসার মেয়াদ হবে তিন মাস। এটি একবার প্রবেশের (সিঙ্গেল এন্ট্রি) সুযোগ দেবে এবং ভ্রমণকারীরা সর্বনিম্ন দুই দিন থেকে সর্বোচ্চ ৮৮ দিন পর্যন্ত সৌদি আরবে অবস্থান করতে পারবেন। ভ্রমণ প্যাকেজে যাওয়া-আসার নিশ্চিত বিমান টিকিট, পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত কমপক্ষে চার তারকা মানের হোটেলে থাকার ব্যবস্থা এবং ই-ভিসার আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।


প্রথম দুই দিনের জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্কের ন্যূনতম প্যাকেজ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার সৌদি রিয়াল। এরপর প্রতিটি অতিরিক্ত দিনের জন্য এক হাজার রিয়াল করে যোগ হবে। ভিসা ইস্যু ও ভ্রমণ বিমাসহ মোট ভিসা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০২ দশমিক ২১ সৌদি রিয়াল। ভ্রমণকারীরা চাইলে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমের টিকিটও প্যাকেজে যুক্ত করতে পারবেন।


যদিও এই প্যাকেজে ওমরাহ-সংক্রান্ত কোনো সেবা বা মক্কা ও মদিনায় থাকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে না, তবে ই-ভিসাধারীরা সৌদি আরবে প্রবেশের পর দেশটির যেকোনো স্থানে, এমনকি মক্কা ও মদিনাতেও ভ্রমণ করতে পারবেন।


বিমান বা হোটেল বুকিং অনিবার্য কারণে বাতিল হলে অর্থ ফেরত বা বুকিং পরিবর্তনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সির নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।



  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৩ এএম
  • আপডেট : শুক্রবার ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৩ এএম


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৩ এএম

সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বা ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জিং নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধান করেছে সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত চার্জিং পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট গ্যারেজে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জ দিতে হবে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ দিলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার বিভাগ জারি করা ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’-এ এসব বিধান রাখা হয়েছে।


বিধিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ট্রাফিক বিভাগ, স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে অনুমোদিত চার্জিং স্টেশন, গ্যারেজ ও ব্যাটারি বিনিময় কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেবে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বা বেসরকারি খাতের মাধ্যমে এসব অবকাঠামো গড়ে তোলা যাবে। চার্জিং স্টেশন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন নিতে হবে।


চার্জিং অবকাঠামোয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধিমালায় বলা হয়েছে, চার্জিং স্টেশন বা গ্যারেজে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে। পর্যায়ক্রমে বৈধভাবে নিবন্ধিত চার্জিং স্টেশনে ব্যাটারি চার্জিং নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।


এ ক্ষেত্রে নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সৌরবিদ্যুৎ ও জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের সংযোগ স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে দিনের বেলায় সৌরবিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহ করে প্রয়োজন অনুযায়ী রাতে গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ব্যাটারি চার্জ করা যাবে।


বিধিমালায় প্রতিটি ওয়ার্ডে বা উপযুক্ত স্থানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পার্কিং এলাকা নির্ধারণের ব্যবস্থাও রাখতে বলা হয়েছে। চার্জিং স্টেশন ও গ্যারেজের তথ্য ই-রিকশার ব্লু-বুকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।


ব্যাটারি ব্যবস্থাপনায় পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। পুরোনো বা অকার্যকর ব্যাটারি খোলা জায়গা, মাটি, জলাশয় কিংবা সাধারণ বর্জ্যে ফেলা বা পোড়ানো যাবে না। ব্যাটারি বিক্রেতাকে নতুন ব্যাটারি বিক্রির সময় ক্রেতার কাছ থেকে পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ করে অনুমোদিত পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় পাঠানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।


এ ছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া ব্যাটারি ভাঙা বা গলানোর কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না। পুরোনো ব্যাটারি অনুমোদিত এজেন্ট, ডিলার বা সংগ্রহকারীর কাছে হস্তান্তর করতে হবে।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১০:১৪ এএম

জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৪৮ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী, তাঁর সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার জাপানের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৫৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে বলে জানান তিনি।


জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে তারেক রহমানের এ সফরে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর, বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে জাপানি ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা এবং দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও জ্বালানি স্থাপনা পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত ছিল।


২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠকে তারেক রহমান ও তাকাইচি দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় বিশেষ গুরুত্ব পায়।


দুই নেতা বাংলাদেশের জ্বালানি, অবকাঠামো এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতে এক ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েন বা ৬৩০ কোটি মার্কিন ডলার বেসরকারি বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা করেন। এ বিনিয়োগ পরিকল্পনার অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে জাপানের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে পাঠানোর বিষয়েও তাঁরা আলোচনা করেন।


প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে বাংলাদেশ ও জাপান ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা দলিলে স্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি ৪৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ২৯৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলারের দুটি ঋণ প্রকল্পের প্রতিশ্রুতিও পাওয়া গেছে। স্বাক্ষরিত দলিলগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা জোরদারে একটি টহল জাহাজ সরবরাহের জন্য সর্বোচ্চ ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন ইয়েন বা ১ কোটি ৩৪ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলারের অনুদান চুক্তি।


এ ছাড়া ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন, কৃষি, দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান কর্মসূচি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সহযোগিতার জন্যও একটি অভিপ্রায়পত্র স্বাক্ষর করা হয়েছে। ঋণ প্রকল্প দুটি বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন এবং উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।


সরকারি পর্যায়ের চুক্তির পাশাপাশি জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) আয়োজনে বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।


২৮ অক্টোবর টোকিওতে জেট্রোর সদর দপ্তরে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরাম সংলাপে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোকে পাঁচটি অগ্রাধিকার খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। খাতগুলো হলো মোটরগাড়ি উৎপাদন, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মহাকাশ, দ্রুতগতির রেল ও লজিস্টিকস এবং কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ।


সফরকালে তারেক রহমান জাপানের রাজনৈতিক নেতা, উন্নয়ন সহযোগী ও ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট আকিহিকো তানাকা, জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের (জেবিআইসি) গভর্নর কাজুহিকো আমাকাওয়া এবং জেট্রোর প্রেসিডেন্ট সুসুমু কাতাওকা।


ইউনিক্লো, মিতসুই অ্যান্ড কোম্পানি, সুমিতোমো করপোরেশন ও জেইআরএসহ জাপানের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষতা উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।


২৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী জাপানের ফুতসুতে জেইআরএর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং ইচিকাওয়ায় নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি জাপানের জ্বালানি ও পণ্য পরিবহন ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন।


বৃহস্পতিবার তারেক রহমান নাগোয়া সফর করেন। সেখানে টয়োটা মোটর করপোরেশনের মোটোমাচি কারখানা এবং টয়োটা কমেমোরেটিভ মিউজিয়াম অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড টেকনোলজি পরিদর্শন করে জাপানের মোটরগাড়ি উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা নেন।


২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রথমবারের মতো অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষরের পর দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের উদ্যোগের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর এ সফর অনুষ্ঠিত হলো। চুক্তিটি দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের নতুন কাঠামো তৈরি করেছে। জাপান দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী।


এর আগে গত সোমবার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে জাপান যান তারেক রহমান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল।


  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৫ পিএম

মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা আগামী ১৫ নভেম্বরের পরিবর্তে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট সংযোজনের বাস্তবতা বিবেচনায় এ সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।


বিআরটিএর চেয়ারম্যানের বিবেচ্যপত্রে বলা হয়েছে, দেশে নিবন্ধিত মোটরযানের সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ, যা মোট নিবন্ধিত মোটরযানের প্রায় ৭৪ শতাংশ। এত বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন সম্পন্ন করা অত্যন্ত কঠিন।


বিষয়টি নিয়ে মোটরসাইকেল মালিকদের বিভিন্ন মতামত ও মন্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে আলোচনা চলছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পূর্বনির্ধারিত সময়সীমা ১৫ নভেম্বরের পরিবর্তে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে।


এর আগে বিআরটিএর এক গণবিজ্ঞপ্তিতে মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন করে প্রদর্শনের জন্য ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়। 


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ ও সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনে কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত আরএফআইডিসহ উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব প্লেটে নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। এর পাশাপাশি মোটরসাইকেলের সামনের অংশেও নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুটারের সম্মুখভাগে নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য ২০০ মিলিমিটার ও প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার হতে হবে। অন্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্লেটের দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে।


নম্বরপ্লেটটি স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি হতে হবে। সাদা পটভূমির ওপর কালো রঙে বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা লিখতে হবে। এতে কোনো শোভাবর্ধক উপাদান বা নকশা ব্যবহার করা যাবে না। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নিবন্ধন নম্বর একটি আনুভূমিক রেখায় প্রদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে।


প্রাথমিক পর্যায়ে মোটরসাইকেল মালিকদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসব শর্ত মেনে সামনের নম্বরপ্লেট সংযোজন করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংযোজন না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টি প্রস্তাব আকারে এসেছে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৩৪ পিএম

জাপানের বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটার মোতোমাচি কারখানা (Toyota Motomachi Factory) পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় কারখানাটি পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কার পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। 


কারখানায় পৌঁছানোর পর টয়োটা কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে গাড়িতে ওঠার আমন্ত্রণ জানান। এসময় সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে নিয়ে গাড়িটিতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি কারখানার গাড়ি সংযোজন (অ্যাসেম্বলি) প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন।


পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন টয়োটা মোটর করপোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসাহিকো মোয়েদা (Masahiko Moeda), টয়োটা সুশো করপোরেশনের মোবিলিটি বিভাগের সিইও শিগেরু হারাদা (Shigeru Harada) এবং প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) শিনিচিরো ওতসুকাসহ (Shinichiro Otsuka) সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং গবেষণা কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীসহ অন্যরা।


১৯৩৫ সালে তৈরি হয় টয়োডা পরিবারের প্রথম গাড়ির প্রোটোটাইপ টয়োডা মডেল এ১। আর এই ধারাবাহিকতায় ১৯৩৬ সালে তৈরি হয় টয়োডা মডেল এএ, যা টয়োটার প্রথম উৎপাদিত যাত্রীবাহী গাড়ি। 


বর্তমানে জাপানের টয়োটা সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত রয়েছে গাড়িটির প্রতিরূপ। চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে এখন জাপানে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


তাহসিফ সাউরি

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:০১ পিএম

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজধানীর উত্তরখানে তুরাগ নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের পর সামনে এসেছে তার সামরিক জীবন, বিমানবাহিনী থেকে অবসর এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের সময়কার আলোচিত ভিডিও নিয়ে বিতর্কের নানা দিক।


গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন তাহসিফ। পরদিন বুধবার বিকালে উত্তরখানের রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


১৯৯৮ সালে জন্ম নেওয়া তাহসিফের বয়স হয়েছিল ২৮ বছর। তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম হেলাল। পরিবার নিয়ে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে বসবাস করতেন তিনি।


পরিচিতজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাহসিফ ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে পড়াশোনা করেন। পরে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ৭৯তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সমমানের জয়েন্ট সার্ভিস কোর্স সম্পন্ন করে বিমানবাহিনীতে যোগ দেন। সামরিক পাইলট হিসেবে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।


তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের বায়োতে লেখা ছিল, ‘Veteran Military Pilot | Strategist | Entrepreneur’। মৃত্যুর তিন দিন আগে ভাটারায় এক অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদন শেয়ার করে তিনি লিখেছিলেন, ‘Lol! Shame on DMP, Government needs to verify this case’। তার ফেসবুক আইডিতে অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে ৯ হাজার।


৫ আগস্টের ভিডিও নিয়ে কেন আলোচনা?


২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ওই দিন গণভবন এলাকা থেকে তার দেশত্যাগের ঘটনাপ্রবাহের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ধারণ ও প্রকাশের সঙ্গে তাহসিফ সাউরির নাম জড়িয়ে যায়। 


বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেও ভিডিওটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে তাহসিফ নিজেই ভিডিওটি ধারণের বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন।


তার পরিচিতজনদের কারও কারও দাবি, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের নেতিবাচক প্রচার শুরু হয়। ফলে ভিডিওটি ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক তার পরিচিতির অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে ওঠে।


বিমানবাহিনী থেকে অবসর কেন?


তাহসিফের বিমানবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার বিষয়টিও তাকে ঘিরে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট এক বিবৃতিতে জানায়, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি ও ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট রিফাত আশরাফীকে বিমানবাহিনীর প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় অবসর দেওয়া হয়েছে।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাদের অবসরের সঙ্গে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্টতার কোনো সম্পর্ক নেই। এর আগে একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ওই দুই কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। আইএসপিআর ওই দাবিকে বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছিল।


যেভাবে উদ্ধার হলো তাহসিফের মরদেহ


মঙ্গলবার রাত থেকে নিখোঁজ থাকার পর বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর আসে, উত্তরখান থানার রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদে একটি মরদেহ ভাসছে। খবর পেয়ে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন। 


নৌ পুলিশের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, উদ্ধারের সময় তাহসিফের পরনে ছিল সাদা পায়জামা ও কালো জামা। তার হাতে ঘড়ি ছিল এবং পকেটে পাওয়া যায় একটি আইফোন। ফোনের সূত্র ধরে পরে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।


আজ বৃহস্পতিবার নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মরদেহের শরীরে বাইরে থেকে দৃশ্যমান কোনো আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে বাইরে থেকে আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।


তাহসিফের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ।


তাহসিফের মৃত্যু, ৫ আগস্টের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক এবং বিমানবাহিনী থেকে তার অবসর-এই তিনটি বিষয়কে ঘিরে আবারও আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে।


প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:১৮ পিএম

জাপান থেকে ঢাকায় ফেরার পথে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানবন্দরে আটকে আছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট। ৩ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ত্রুটি সারানো সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিমান থেকে নেমে গেছেন। অন্য যাত্রীদেরও নেয়া হয়েছে বিমানবন্দরের লাউঞ্জে।


বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিমানের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, প্রকৌশলীরা ত্রুটি সারাতে কাজ করছেন। এজন্য আরও দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।


এর আগে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) ফ্লাইটটির উড্ডয়নের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪০ মিনিট পর ককপিট থেকে পাইলট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যাত্রায় বিলম্বের কথা জানান এবং দুঃখপ্রকাশ করেন।


এদিকে সন্ধ্যায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি ৩৭৭ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়নে বিলম্ব হচ্ছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এয়ার ক্রু ও প্রকৌশল দল ত্রুটি নিরসনে কাজ করছে। এ বিষয়ে পরবর্তী তথ্য যথাসময়ে জানানো হবে।


এর আগে জাপান সফর শেষে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকায় ফেরার ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। 


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪০ মিনিট পর ককপিট থেকে পাইলট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যাত্রা বিলম্ব হওয়ার কথা জানান। সেই সঙ্গে এ জন্য তিনি দুঃখপ্রকাশও করেন।


গত ২৬ অক্টোবর চার দিনের সরকারি সফরে জাপানে পাড়ি জমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন। 


এ ছাড়াও সরকারপ্রধান জাপানের বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।


এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়াও জাপান সফরকালে প্রধানমন্ত্রী দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।