ছবি : সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী বল প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর মিলিটারি অপারেশনস পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গুলিস্তানে জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম এলাকায় ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে গুলিস্তানের জাতীয় স্টেডিয়ামে অবস্থিত সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং অসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
নির্বাচনী কেন্দ্রগুলোর অবস্থা বিবেচনায় যদি অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর রুলস অফ এনগেজমেন্টটা কী হবে? বিজিবি বলেছে তারা কোনো অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করবে না।
এ ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী কী করবে? জানতে চাইলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, সেনাবাহিনীর জন্য সুনির্দিষ্টভাবে এনগেজমেন্ট বলে দেওয়া আছে। আমরা আইনের আওতায় থেকে সে রুলস অফ এনগেজমেন্ট অনুসরণ করে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করে থাকি।
যদি সত্যি সত্যি কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রয়োজন হয়, তাহলে রুলস অফ এনগেজমেন্টে যে ক্রমান্বয়ে বল প্রয়োগের মাত্রা বৃদ্ধির একটা প্রক্রিয়া আছে সেটা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোটের দিন, আগে কিংবা পরে মব হলে সেনাবাহিনীর কী ভূমিকা থাকবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইতিপূর্বে দেখেছি যে বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটেছে, মবের ইনসিডেন্ট আমরা দেখেছি। বাংলাদেশ সরকার, নির্বাচন কমিশন, অসামরিক প্রশাসন এবং সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী একটি অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা যা করণীয় তা করতে বদ্ধপরিকর।
একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করতে গিয়ে যা করণীয়, আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, সে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১০ জানুয়ারি থেকে মাঠপর্যায়ে সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা ৩৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০ জানুয়ারি তা এক লাখে উন্নীত করা হয়।
পাশাপাশি নৌবাহিনীর ৫ হাজার এবং বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সেনাবাহিনী দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৬২ জেলায়, ৪১১টি উপজেলায় এবং মেট্রোপলিটন শহরগুলোয় মোট ৫৪৪টি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে। নিয়মিত টহল, যৌথ অভিযান ও চেকপোস্টের মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি অস্ত্র উদ্ধারের হারও বেড়েছে বলে জানিয়েছেন দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন। তিনি বলেন, ২০ জানুয়ারি থেকে গত ১৪ দিনে প্রায় দেড় শতাধিক অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, যার অধিকাংশই দেশি-বিদেশি পিস্তল। এ ছাড়া গোলাবারুদ, ককটেল ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
৩১ জানুয়ারি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলায় যৌথ অভিযানে চারটি বিদেশি পিস্তল ও ১০টি গ্রেনেডসদৃশ হাতবোমা উদ্ধার করা হয়। এ পর্যন্ত সেনাবাহিনী মোট ১০ হাজার ১৫২টি অস্ত্র ও ২ লাখ ৯১ হাজার গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। একই সঙ্গে ২২ হাজার ২৮২ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতিকারীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সেখানে তিনি দুটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। প্রথমত, নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে আশ্বস্ত করা যে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেবে; দ্বিতীয়ত, সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে আস্থা তৈরি করা, যাতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সরঞ্জাম পরিবহনে সামরিক হেলিকপ্টার ও জলযান প্রস্তুত থাকবে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য বিভিন্ন স্থানে আগে থেকেই হেলিকপ্টার মোতায়েন থাকবে।
সেনাপ্রধানের নির্দেশনায় নির্বাচন কমিশন, অন্তর্বর্তী সরকার, অসামরিক প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী, গণমাধ্যম ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ও অপতথ্য প্রচার এবারের নির্বাচনে বড় হুমকি উল্লেখ করে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, এই অপতথ্যের মাধ্যমে প্রার্থী বা দলকে হেয় করা, ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করা কিংবা নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা অথবা যেকোনো একটি ছোট বিষয়কে অতিরঞ্জিতভাবে প্রকাশ করে সাধারণ মানুষের মনে ভীতির সঞ্চার করার চেষ্টা হতে পারে। এ ধরনের অপপ্রচার প্রতিরোধে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন তারা।
নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে আপনাদের নিজস্ব কোনো থ্রেট অ্যানালাইসিস রয়েছে কি না- জানতে চাইলে তিনি বলেন, থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট অবশ্যই একটি সেনাবাহিনী তার কর্মপন্থায় প্রথম কাজ যেটা করে তা হচ্ছে থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট। আমরা অবশ্যই এটা একটা থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট করেছি এবং সে অনুযায়ী আমাদের এই মোতায়েন পরিকল্পনা করা হয়েছে।
আমরা নন-লিথাল ওয়েপন এবং রায়ট কন্ট্রোল ইকুইপমেন্ট দিয়ে আমাদের বাহিনীকে ইকুইপ করেছি। নির্বাচনকেন্দ্রিক কথা যদি বলি আমরা; নির্বাচনকে সামনে রেখে আরও বেশকিছু রায়ট কন্ট্রোল ইকুইপমেন্ট আমাদের সেনা সদস্যদের জন্য নিয়ে এসেছি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি বড় রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ (কার্যক্রম) হওয়ার কারণে বা কার্যক্রম না থাকার কারণে এই নির্বাচন থেকে বাইরে আছে এবং এই দলের অনেক নেতাকর্মী আত্মগোপন করে আছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বা ভার্চুয়াল জগতে দেখা যাচ্ছে দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক থ্রেট বা হুমকি ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে বা না যাওয়ার বিষয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোনো থ্রেট পেয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিষয়গুলোতে আমি আলোচনায় যাবো না। যেকোনো ধরনের সহিংসতা বা নাশকতা প্রতিরোধে যে ধরনের প্রস্তুতি দরকার, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীও সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
ইলেকশনের আর মাত্র এক সপ্তাহের কম সময় আছে, সেখানে এখনো মানুষের মাঝে একটা সংশয় রয়ে গেছে যে আসলে ইলেকশনটা কীভাবে হবে, কতটুকু এনভায়রনমেন্ট আসলে হয়েছে বা ভোট হবে কি না।
এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ব্যর্থতা দেখছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই সংশয় দূর করার জন্যই সেনাবাহিনী প্রধান সব বিভাগে ব্যক্তিগতভাবে গিয়েছেন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অসামরিক প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী যারা এই নির্বাচনের সঙ্গে নিয়োজিত থাকবেন তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন।
দুটো উদ্দেশ্য নিয়ে গিয়েছেন। একটা হচ্ছে, তাদের আস্থা দেওয়া যে তাদের যেকোনো সহায়তা প্রদানের জন্য সেনাবাহিনী প্রস্তুত আছে। দ্বিতীয়টি হচ্ছে, জনগণকে আস্থা দেওয়া এবং ওই বার্তাটা সুস্পষ্টভাবে দেওয়া যে, সব বাহিনী সমন্বিতভাবে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম সবসময় একটি সেনসিটিভ জায়গা এবং এ ব্যাপারে আপনারা জানেন যে শুধুই বর্তমানে নির্বাচনকেন্দ্রিক নয়, নির্বাচনের পূর্বাপর সময়ও ওখানে আমাদের সেনা মোতায়েন সার্বক্ষণিক থাকে। যেই আশঙ্কার কথা আপনি বলেছেন এগুলো আমাদের অ্যাসেসমেন্টের মধ্যে নিয়েছি।
অপর আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে এবং স্বাচ্ছন্দ্যে আসতে পারেন; সে ব্যাপারে আমাদের নিয়মিত টহল জারি থাকবে। এ কারণেই আমরা এবার উপজেলাভিত্তিক এবং ক্ষেত্রবিশেষে কেন্দ্রভিত্তিক ক্যাম্প স্থাপন করেছি, যেন বিপুলসংখ্যক পেট্রোল একসঙ্গে বাইরে থাকতে পারে এবং সাধারণ মানুষের মনে আস্থার জায়গাটা হয়। নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতা বন্ধে সর্বাত্মক আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।
নির্বাচনকালীন সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকা অবস্থায় ভোটের আস্থা যদি ক্ষুণ্ন হয় এবং নির্বাচন পরবর্তী ফলাফল নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে তবে সেনাবাহিনী যে মাঠে গণতান্ত্রিকভাবে নিরপেক্ষ ছিল, এটি কীভাবে প্রমাণ করবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী এবং দেশমাতৃকার সেবায় নিয়োজিত একটি বাহিনী।
সেনাপ্রধান পরিষ্কারভাবে একটি কথা বলে দিয়েছেন যে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করবো। দেশের সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে এবং তার ভোটটা সে দিতে পারে, এটা নিশ্চিত করা হবে আমাদের অন্যতম দায়িত্ব। আর দায়িত্ব পালনকালে আমরা যদি আমাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারি তাহলে আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে জনগণ আমাদের নিরপেক্ষতার প্রমাণ আলাদা করে পেয়ে যাবে।
একটি রাজনৈতিক দলের দু’জন শীর্ষ নেতার অ্যাকাউন্ট (সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট) হ্যাক হয়েছে, যা চরম বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এই হ্যাকারদের চিহ্নিত করতে সেনাবাহিনীর আইটি সেকশন বা সেনাবাহিনী কোনো ভূমিকা রাখছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের নিজস্ব প্রয়োজনে আমরা যেন এই আক্রমণের শিকার না হই; সে প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি।
আর এর বাইরে প্রত্যেকের যার যার জায়গা থেকে এই প্রস্তুতি তাকে নিতে হবে। আমি আপনাকে আশ্বস্ত করতে পারি যে, সেনাবাহিনী তার যেসব আইটি সাইট আছে সেগুলো যেন হ্যাক না হয় সে ব্যাপারে যতটুকু প্রস্তুতি নেওয়ার সেই প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি এবং নিচ্ছি।
ছবি : সংগৃহীত
ভারতের ছত্তিশগড়ে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আজ থেকে আগামী পাঁচ দিন সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সংস্থাটি জানায়, এ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আগামী পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং প্রথম ২৪ ঘণ্টায় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের দেওয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
আগামী শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আগামী রোববার (২ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সচিবালয়ে আইনগত সহায়তা নিয়ে ব্র্যাক ও ব্লাস্টের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনা আবারো আগামী ডিসেম্বরে আসার কথা জানিয়েছেন একটি ইন্টারভিউতে, এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ কী হবে- জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রথম কথা হলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার প্রত্যর্পণের চেষ্টা করছে কি করছে না, সেটা আপনি কীভাবে জানেন? অবশ্যই চেষ্টা করছে, আমি বলছি। দ্বিতীয়ত হলো- একজন ফাঁসির আসামি হলেও সে যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়, বাংলাদেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে বাংলাদেশে এসে সারেন্ডার করতে চায়, সেখানে হয়তো তার সারেন্ডারের আগেই অ্যারেস্ট হবে। কিন্তু তার সেই তো অধিকার তো আছে।
‘এলে আসবেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সেখানে তো আমাদের... আইনের ব্যত্যয় করে আমরা কিছু করবো না। আইন যেভাবে আমাদের অথরিটি দিয়েছে, আমরা সে অথরিটি এক্সারসাইজ করব।’ বলেন আইনমন্ত্রী।
ওনার কাছে পাসপোর্ট নেই, উনি এলে কীভাবে আসবেন? জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, উনি কীভাবে আসবেন এটা ওনার সমস্যা। এটা আমার সমস্যা না। আমাদের... এটা হলো আমার চৌহদ্দির মধ্যে যখন ঢুকবেন, সেই চৌহদ্দিতে ঢুকলে আইন যেটা আমাকে ক্ষমতা দিয়েছে, আমি আইনের প্রয়োগটা করবো। দ্যাটস সিম্পল এজ ইট ইজ।
আপনি বলেছিলেন যে, সেপ্টেম্বরে জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। তো এখন কি সে পর্যায়ে আছে? নাকি স্পেশাল অধিবেশন ডাকতে হবে? এ বিষয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, এটা এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো আলোচনায় আসেনি। আমি বলেছি সাংবিধানিক ব্যাখ্যা। আমার সংবিধানে আছে, ১২৩-এর ২ অনুচ্ছেদে, রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, তার থেকে ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রশ্ন এসেছিল যে, আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকবো কি না। তো ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে, আর আমার নেক্সট অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে ডাকতে হবে, গত অধিবেশন শেষ হওয়া থেকে আগামী অধিবেশন পর্যন্ত ৬০ দিনের মধ্যে আমার ডাকতে হবে। সুতরাং এই দুইটা টাইম যেহেতু ম্যাচ করছে, আমি সে কারণে বলছি বিশেষ অধিবেশনের আপাতত প্রয়োজনীয়তা দেখছি না। যদি সরকার মনে করে, নিশ্চয়ই ডাকতে পারেন।
প্রতীকী ছবি
দেশে গত এক দিনে হামে আক্রান্ত হয়ে আরো একজন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বুধবার জানিয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৬ জনের। আর হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩২০ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১০৭ জন। এছাড়া রাজশাহীতে ৯১, চট্টগ্রামে ৬১, বরিশালে ৪৪, ময়মনসিংহে ৬৯, খুলনায় ৩২ ও রংপুর বিভাগে ১১ জন মারা গেছে।
মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আরো ৯৯৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে এসেছে। তাদের মধ্যে ভর্তি হয়েছে ৯২৫ জন।
আর যাদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল, তাদের ৭৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এই সময়ে। তবে হাসপাতালে যাওয়া সবার নমুনা পরীক্ষা হয় না বলে এই সংখ্যা দিয়ে এ রোগের বিস্তারের প্রকৃতি চিত্র পাওয়া যায় না।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হামের তথ্য প্রকাশ করে আসছে। ওই সময় থেকে এক লাখ ২৬ হাজার ৫৪০ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে গেছে।
তাদের মধ্যে এক লাখ ৯ হাজার ৩৬৬ জন হাসপাতালে ভার্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। আর নমুন পরীক্ষার মাধ্যমে ১৫ হাজার ৭৩৯ জনের ক্ষেত্রে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে।
প্রতীকী ছবি
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৫০ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ ও ৩০ জন নারী।
আর আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৬৪৪ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বরিশাল বিভাগ ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছে।
ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা-সার্ককে ফের কার্যকর করার বিষয়ে একমত হয়েছেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল ও ঢাকায় নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি। বুধবার জাতীয় সংসদে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের কার্যালয়ে তাদের সৌজন্য সাক্ষাতে এ বিষয়ে আলোচনা হয় বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেছেন যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়িয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সার্ক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সার্ককে আবার কার্যকর করে সেই লক্ষ্য অর্জনের সুযোগ এখনও রয়েছে।
এক্ষেত্রে তিনি নেপালকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালে রাষ্ট্রদূত তাতে একমত হন।
নেপালের ফেডারেল পার্লামেন্টে ‘বাংলাদেশ-নেপাল সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ’ গঠিত হওয়ায় দেশটির স্পিকার দোল প্রসাদ আর্যালকে ধন্যবাদ জানান কায়সার কামাল।
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদেও শিগগির এই মৈত্রী গ্রুপ গঠন করে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময়ের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, উভয় দেশের সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ কার্যকর হলে জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে সংসদীয় কূটনীতি ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করা সম্ভব হবে।
এছাড়া পারস্পরিক সংসদীয় সফর আয়োজন, আইন প্রণয়ন ও সুশাসনের অভিজ্ঞতা বিনিময়, আন্তর্জাতিক ফোরামে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা এবং দুই দেশের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানির প্রসঙ্গ তুলে কায়সার কামাল বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ, পানি, জ্বালানি, আঞ্চলিক যোগাযোগ, বাণিজ্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়ে আলোচনার ক্ষেত্র বাড়ানোর সুযোগ দুই দেশ কাজে লাগাতে পারে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেপালের রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ‘নতুন অভিযাত্রার’ প্রশংসা করেন এবং বর্তমান সরকারের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জনের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা করেন তিনি।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ জাতিসংঘের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন অর্জন করতে সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন নেপালের রাষ্ট্রদূত।
সাক্ষাতকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নেপাল দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব দ্য মিশন প্রতিক কার্কি এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া।
প্রতীকী ছবি
বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব আষাঢ়ী পূর্ণিমা আজ বুধবার। আষাঢ়ী পূর্ণিমা বৌদ্ধদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র দিন। কেননা এই দিনে বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতম বুদ্ধ মাতৃগর্ভে প্রতিসন্ধি গ্রহণ করেন, ২৯ বছর বয়সে গৃহত্যাগ করেন এবং ভারতের সারানাথে পাঁচজন শিষ্যের কাছে প্রথম ধর্মপ্রচার করেন, যাকে ধর্মচক্র প্রবর্তন সূত্র বলা হয়।
এ উপলক্ষে আজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে। বৌদ্ধ সম্প্রদায় নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালার দিনটি উদযাপন করবে।
বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের উদ্যোগে রাজধানীর মেরুল বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ মহাবিহারে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানমালা আয়োজিত হবে। অনুষ্ঠানমালায় রয়েছে- ভোরে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন, সকালে ভিক্ষুসংঘের প্রাতঃরাশ, বৌদ্ধ পূজা ও ভিক্ষু সংঘের শীল গ্রহণ, ভিক্ষু সংঘের পিন্ডদান, অতিথি আপ্যায়ন, বিকেলে পবিত্র ত্রিপিটক পাঠ ও ধর্মীয় আলোচনা সভা, সন্ধ্যায় প্রদীপ পূজা, আলোকসজ্জা ও প্রদীপ প্রজ্জালন এবং দেশের সমৃদ্ধি ও বিশ্বশান্তি কামনায় সমবেত উপাসনা।
বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের উদ্যোগে রাজধানীর সবুজবাগের ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে দিনব্যাপী অনুরূপ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হবে।