পুত্রজায়ায় যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম

  • প্রকাশ : সোমবার ২২ জুন, ২০২৬, সময় : ৪:১৬ এএম

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সকালে পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান। 


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে আরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ এবং দ্রুত শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছি। পাশাপাশি অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণ এবং আটক বাংলাদেশিদের সম্ভাব্য প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও উত্থাপন করেছি। আমরা একমত হয়েছি যে, শ্রমিক নিয়োগ প্রক্রিয়া হতে হবে স্বচ্ছ, ন্যায্য ও সাশ্রয়ী যাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমে এবং শ্রমিকদের ব্যয় হৃাস পায়।’


দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ে বৈঠকের পর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আসেন। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী। পরে তারেক রহমান দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের বিষয়বস্তু তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে দেন আনোয়ার ইব্রাহিম। বৈঠকে দুই দেশের দ্বি-পক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় এবং সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।


যৌথ সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘গত ফেব্রুয়ারিতে আমি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম যে শুভেচ্ছা বার্তাগুলো পেয়েছিলাম, তার একটি ছিল প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছ থেকে। তিনি আমাকে অভিনন্দন জানান এবং মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান।’


তিনি বলেন, ‘তাঁর সেই আন্তরিক আমন্ত্রণ গ্রহণ করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম বিদেশ সফরে আমার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়ায় আসতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’ বাবা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯৭৯ সালে মালয়েশিয়া সফরের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই সফর দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছিল এবং শ্রমবিষয়ক সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করেছিল। আমি আমার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৯৯৩ সালের মালয়েশিয়া সফরের কথাও স্মরণ করছি। তাঁর সেই সফর আমাদের বন্ধুত্বকে আরও গভীর করে এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচন করে ‘


তিনি বলেন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ অংশীদার। পারস্পরিক আস্থা, অভিন্ন মূল্যবোধ এবং জনগণের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্কের ভিত্তিতে আমাদের এই বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে।


‘ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে’


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমার বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমরা দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মতবিনিময় করেছি।’ তিনি বলেন, ‘আজ আমরা বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছি। যৌথ কমিশন বৈঠক এবং দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় পরামর্শ প্রক্রিয়াসহ বিদ্যমান কাঠামোর মাধ্যমে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধিকে স্বাগত জানিয়েছি এবং বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’


‘দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা’


বৈঠকে সংস্কৃতি বিষয়ক সমঝোতা স্মারকসহ সন্ত্রাসবাদ দমন বিষয়ে গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি দলিল এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত একটি দ্বিপাক্ষিক দলিল বিনিময় হওয়ায় স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এসব উদ্যোগ আমাদের সহযোগিতাকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং সম্পর্কের ইতিবাচক গতিধারা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজকের আলোচনা বাংলাদেশ–মালয়েশিয়া সম্পর্কের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। আমরা যৌথ সমৃদ্ধি, আঞ্চলিক শান্তি এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।’ এ বৈঠকের পর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ ছাড়া সন্ত্রাসবাদ দমন বিষয়ে গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি দলিল এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত একটি দ্বিপাক্ষিক দলিল বিনিময় করা হয়। দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দলিল দুটি বিনিময় করেন। এরপর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।


‘মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের কাছ থেকে শক্তিশালী জনসমর্থন পেয়েছে। জনগণের বিপুল সমর্থনের ভিত্তিতে আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছি।  তিনি বলেন, আমাদের অগ্রাধিকার হলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা। আমরা একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলছি এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছি। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আমি মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের এসব সুযোগ কাজে লাগানোর আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছি।


দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আলোচনা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), জ্বালানি, অবকাঠামো, জনশক্তি, হালাল শিল্প, কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাতকরণ, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রতিরক্ষা, ডিজিটাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর এবং অন্যান্য উচ্চমূল্য সংযোজন খাত অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি শ্রমিক, শিক্ষার্থী, পেশাজীবী এবং উদ্যোক্তারা দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন। তাদের অবদান উভয় দেশের অর্থনীতি ও সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।


‘রোহিঙ্গা সমস্যা প্রসঙ্গে’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুর্দশা নিয়ে আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের বিষয়ে মালয়েশিয়ার ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। 


‘বাংলাদেশ আসিয়ানের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায়’


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়েও আলোচনা করেছি। বাংলাদেশ আসিয়ান এর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততা চায় এবং আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার প্রত্যাশা করে। একই সঙ্গে আমরা আঞ্চলিক সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে (আরসিইপি) যোগদানে আগ্রহী। বাংলাদেশের আঞ্চলিক সংযুক্তি প্রচেষ্টায় মালয়েশিয়ার সমর্থনের জন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক বিষয় নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছি। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে সমর্থন করায় মালয়েশিয়াকে ধন্যবাদ জানাই। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আমাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।



সর্বশেষ সব খবর

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৫৩ পিএম

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের অগ্রভাগের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। আগামীকাল বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরের দিকে এটি উপকূলটিতে আঘাত হানবে। বাংলাদেশে কেবল দমকা হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবৃষ্টির প্রভাব থাকবে। আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ ও ভারতের আবহাওয়া এমন তথ্য জানিয়েছে।


ভারতের আবহাওয়াবিদ উমশঙ্কর দাশ জানিয়েছেন, বর্তমানে ঘণ্টায় ৬ কিলোমিটার বেগে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। অর্থাৎ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে।


দুপুরে অর্ণব অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপাটনাম থেকে ১৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে, কাকিনাড়া থেকে ১৮০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে, মাচিলিপাটনাম থেকে ২৭০ কিলোমিটার পূর্বে, বাপটলা থেকে ৩৫০ কিলোমিটার পূর্বে ও ওড়িশার গোপালপুর থেকে ৩৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে অবস্থান করছিল।


এদিকে বাংলাদেশের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, একই সময়ে ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৩০ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১০৯৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৬৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৮৫ কি.মি. দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।


এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামীকাল ২৮ অক্টোবর দুপুর নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

ভারতের আবহাওয়া অফিস বলছে, অন্ধ্রপ্রদেশের বাপটলা এবং বিশাখাপাটনামের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে বুধবার দুপুরের দিকে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব উপকূলে উঠে আসবে। সে সময় এর গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার। মূলত ভোরেই এর অগ্রভাগ ১৬০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানবে। এরপর ধীরে ধীরে শক্তিক্ষয় করে বৃহস্পতিবার স্থল নিম্নচাপে পরিণত হবে। পরের দিন এটি গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে।


আন্দামান দ্বীপ, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, তেলেঙ্গানা, ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড, বিহারে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ঝড়ের সঙ্গে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ, সিকিমে হতে পারে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি।


২৮ অক্টোবর সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে সমুদ্রের অবস্থা অতি প্রতিকূল হতে পারে। একই সময়ে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূলের আশপাশের সমুদ্রও বিক্ষুব্ধ থেকে অত্যন্ত বিক্ষুব্ধ হয়ে ২৮ অক্টোবর সকালে অতি প্রতিকূল অবস্থায় পৌঁছাতে পারে। ইতোমধ্যে জেলেদের অন্ধ্রপ্রদেশ-ওড়িশা উপকূলের আশপাশে সমুদ্রে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


অর্ণবের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলীয় এলাকা ও সংলগ্ন দক্ষিণ ওড়িশায় ঝড়ের প্রভাবে কাঁচা ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি এবং খড়ের ছাউনি দেওয়া ঘর পুরোপুরি ধ্বংস হতে পারে। পাকা বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিদ্যুৎ ও যোগাযোগের খুঁটি বাঁকা বা উপড়ে যেতে পারে। ভেঙে পড়তে পারে গাছের ডাল, উপড়ে যেতে পারে বড় গাছ।


এ ছাড়া ফসল, বাগান ও ফলের বাগানের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। রাস্তা, রেলপথ, বিদ্যুৎ ওভারহেড লাইন ও সিগন্যালিং ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। ছোট নৌকা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি নোঙর করা নৌযানও বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।


অন্যদিকে অর্ণবের প্রভাবে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল, পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের কিছু অংশ এবং উত্তরাঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে কমতে থাকবে ঝড়ের প্রভাব।

সর্বশেষ সব খবর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৫০ পিএম

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘উনি (আইজিপি) সহজ–সরল মানুষ। আইনের কঠোর প্রয়োগের বিষয়ে বলতে গিয়ে অসতর্কতাবশত বলে ফেলেছেন। এটা ঠিক হয়নি, উচিত হয়নি।’ 


আইজিপির বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার তো ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স।’ 


আগের দিন সোমবার রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বলেছেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। তিনি বলেন, পুলিশ বলপ্রয়োগ করলে এক পক্ষ পুলিশকে ফ্যাসিস্ট বলে, আবার নিষ্ক্রিয় থাকলে দুর্বল বলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার তো ক্রসফায়ার চায় না; বরং সরকার ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স। সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না, এ বিষয়ে সরকার অত্যন্ত কঠোর। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, কাস্টডিয়াল ডেথ (পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু) সহ্য করবে না।


তিনি বলেন, আইনের শাসন সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। এ পর্যন্ত ক্রসফায়ারে মৃত্যু এবং হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। তবে অপরাধ দমন এবং আইনের যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকার যা যা দরকার, সব করবে।


আইজিপির বক্তব্য সরকারের জন্য বিব্রতকর

অন্যদিকে দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তিনি ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য সরকারের জন্য বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, যে বিএনপি দীর্ঘদিন গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, সেই দলের সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় পুলিশপ্রধানের মুখে ক্রসফায়ারের কথা তাঁদের ভাবিয়ে তুলছে।


সোমবার ‘সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ক্রসফায়ার করা হবে’— আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের এই বক্তব্যের পরপর তাৎক্ষণিকভাবে জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, এবি পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন তীব্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভ জানায়।


এ বক্তব্য নিয়ে সমালোচনার মধ্যে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর একটি ব্যাখ্যা দেয়। তাতে বলা হয়, আইজিপি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বা বিচারিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তি দেওয়ার অর্থে ‘ক্রসফায়ার’ শব্দটি ব্যবহার করেননি।

সর্বশেষ সব খবর

মানিক পশারী

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৭:৩২ পিএম

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, পিরোজপুরে তাঁর মরদেহ দাফনে জামায়াতের বাধা দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।


বিবৃতিতে বলা হয়, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠায় জীবনবাজি রেখে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তাঁর প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন এবং মৃত্যুর পর মর্যাদার সঙ্গে শেষবিদায় নিশ্চিত করা আমাদের নৈতিক, মানবিক ও জাতীয় দায়িত্ব। তাঁর মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিপন্থী।


এতে আরও বলা হয় আমরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানবিক মর্যাদা, আইনের শাসন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।

সর্বশেষ সব খবর

ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৫৪ পিএম

পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় থাকা ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে আগামীকাল বুধবার দুপুরের দিকে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।


আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ছয়টার দিকে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছিল।


আজ সকাল ছয়টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।


বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামীকাল দুপুর নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে।


অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।


উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।


ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে। আবহাওয়াবিদ মো. আবদুল হামিদ মিয়া আজ দুপুরে বলেন, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকাসহ উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। ঢাকায় আগামীকাল বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।


এদিকে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার আগে গতকাল দেশের তাপমাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চট্টগ্রামের আমবাগানে-৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীতেও তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আবদুল হামিদ মিয়া বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের আগে বাতাস সমুদ্রগামী হয়। তাতে ঠান্ডা হাওয়া কমে যায়, ভ্যাপসা ভাব চলে আসে। তার ফলেই এত গরম ছিল। তবে বৃষ্টির পর আগামীকাল তাপমাত্রা কমতে পারে।

সর্বশেষ সব খবর

সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:১৭ পিএম

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাকে কোনো মব বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে না, বরং তিনি আইনের আওতায় পুরোপুরি ন্যায়বিচারের মুখোমুখি হবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।


ডা. জাহেদ বলেন, শেখ হাসিনা ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তিনি দেশে ফিরে এলে আইনি প্রক্রিয়ায় যা হওয়ার তা-ই হবে। দেশে তার ফেরা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা মন্তব্য করেন, “উনি এলে আমরা খুশি, তাহলে আর বেঁধে আনতে হলো না।”


সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের পতনের সঙ্গে তুলনা টেনে তিনি বলেন, এরশাদ পতনের পরও দেশে ছিলেন, কারাবরণ করেছেন এবং নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। শেখ হাসিনা কারও প্রতি সুবিচার না করলেও বর্তমান সরকার তাঁর সঙ্গে পূর্ণ ন্যায়বিচার করবে বলে আশ্বস্ত করেন তথ্য উপদেষ্টা।

সর্বশেষ সব খবর

সংগৃহীত ছবি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৩৮ পিএম

মেঘনাঘাট-হরিপুর জাতীয় গ্রিড লাইনে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তবে এরই মধ্যে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনর্বহাল করা হয়েছে। বাকি এলাকাগুলোতেও দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিদ্যুৎ বিভাগের এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় গ্রিডে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পুনর্বহাল করা সম্ভব হয়েছে। অবশিষ্ট এলাকাগুলোতেও স্বল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।


এর আগে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে মেঘনাঘাট-হরিপুর জাতীয় গ্রিড লাইনে ত্রুটি দেখা দিলে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়।


পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ জানায়, গ্রিডে ত্রুটির কারণে রাজধানীর ভুলতা, হরিপুর, সিদ্ধিরগঞ্জ, গুলশান, রামপুরা, উলন ও মতিঝিলসহ ঢাকার পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। একই সময়ে চট্টগ্রামের একাংশও বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।


এদিকে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের প্রভাব পড়ে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়েও। দুপুরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বেলা সোয়া ২টার দিকে সেখানে পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়।

সর্বশেষ সব খবর