সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নতুন আইন ও নামে নতুন এলিট ফোর্স করার কথা ভাবছে সরকার। শিগগিরই এ বিষয় আইন প্রণয়ন করা হবে। সে আইনে এলিট ফোর্স পরিচালিত হবে। আজ সোমবার র্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর কুর্মিটোলা র্যাব সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘র্যাবের নিজস্ব কোনো আইন নেই। ব্যাটালিয়ানের একটি আইনে র্যাব এতদিন পরিচালিত হতো। এভাবে পরিচালিত হওয়া সঠিক ছিল না। এখন আমরা একটা আইন করব। আলাদা এলিট ফোর্সের জন্য, এখানে অথরিটি কে থাকবে, রেসপন্সিবিলিটিজ কী থাকবে তা সুনির্দিষ্ট করা থাকবে। সেটার ভিত্তিতে এলিট ফোর্স পরিচালিত হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একটা আইন করব, সে আইনের অধীনে এলিট ফোর্স পরিচালিত করব। আমরা র্যাবের নাম রাখব কি না, নাকি অন্য নতুন ফোর্স গঠন করব কি না তা চিন্তা ভাবনার বিষয়। তবে অবশ্যই নতুন আইনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকবে।’
র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘রাষ্ট্রের এমন কোনো সংস্থা বাহিনী ছিল না যারা ফ্যাসিবাদী শাসনামলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুলিশ, বিজিবি, সেনাবাহিনী সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিছু কর্মকর্তার জন্য র্যাব প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল। তাদের বিষয়ে যার যার সংস্থার আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া অনুশাসন দেওয়া হয়েছে। যখন আমেরিকা অনুশাসন দিয়েছিল, তখন র্যাবের কিছু কর্মকর্তা এমন কিছু কার্যক্রম করেছিল, রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত ছিল, যা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল, ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য, একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করার জন্য বাহিনীগুলোকে ব্যবহার করেছিল। সেজন্য আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। প্রতিষ্ঠান হিসেবে র্যাব দায়ী না। আমরা বিষয়টি সেভাবে দেখি। কিন্তু আমরা যদি একটা নতুন এলিট ফোর্স গঠন করি, তাহলে হয়তো তার সেটা বিবেচনা করবে। সেটা আশা করা যায়। নতুন নামে আসলে হয়তো তারা বিবেচনা করবে। আমরা সেজন্য নতুন আইন করব।’
আগের মতো র্যাব রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্নের সুরে বলেন, ‘গত তিন মাসে কি অন্য কোনো বাহিনী ব্যবহৃত হয়েছে? পুলিশ ব্যবহৃত হয়েছে? সুতরাং মর্নিং শোজ দ্য ডে।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে একটি এলিট ফোর্সের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সে বিবেচনায় র্যাবের বিদ্যমান আইন পরিবর্তন ও সংশোধনপূর্বক এটিকে যুগোপযোগী ও বিশ্বমানের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে করে এলিট ফোর্সটির সদস্যদের পেশাদারিত্বের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়। একইসঙ্গে র্যাবের বিদ্যমান নাম পরিবর্তনের কথাও বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক রাখতে এলিট ফোর্সের প্রয়োজনীয়তার কথা ভেবে ২০০১ সালের বিএনপি সরকারের মেয়াদে র্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, র্যাব যে উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, তখন র্যাবকে কেবল সে উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হয়েছে। পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় র্যাবকে রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। যার ফলে প্রতিষ্ঠান হিসেবে র্যাব ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে সেনা, নৌ, বিমান ও পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ব্যাটালিয়নের অধিনায়কেরা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি : সংগৃহীত
আগামী বছরের জন্য হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হচ্ছে সোমবার (২৭ জুলাই) থেকে। ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ নিবন্ধন কার্যক্রম। এ সময়ের মধ্যেই হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ রোববার এ তথ্য জানিয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় বলছে, ১৫ বছরের কম বয়ই কেউ হজে যেতে পারবে না। এছাড়া, দুরারোগ্য ব্যাধি যেমন- হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার বা কিডনি রোগ, স্নায়ুবিক বা মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত ও ডিমনেশিয়া রোগী, কেমোথেরাপি বা বায়োলজিক্যাল থেরাপি বা রেডিওথেরাপি নিচ্ছেন-এমন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী হজে যেতে পারবে না। এছাড়া জনস্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে এমন সক্রিয় সংক্রামক রোগ যেমন-যক্ষ্মা ও হেমোরেজিক ফিভারে আক্রান্ত ব্যক্তি হজে যেতে পারবে না। গর্ভাবস্থার শেষ দুই মাস ও ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় কোনো মহিলা হজযাত্রী ফিটনেস সনদ পাবেন না। প্রাথমিক নিবন্ধনের সময় হজযাত্রীদের আবশ্যিকভাবে প্রশিক্ষণ ও টিকা গ্রহণের জেলা, হজের ধরণ ও হজ প্যাকেজ নির্বাচন করতে হবে। এছাড়া, ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ সম্বলিত পাসপোর্ট প্রয়োজন হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ঘোষিত হজ কার্যক্রমের রোডম্যাপ অনুযায়ী এই সময়সূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের ধর্ম মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাড়ে তিন লাখ টাকা জমা দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি যে কোনো মাধ্যমে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন করা যাবে। প্রাথমিক নিবন্ধিত ব্যক্তিদের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজ মূল্যের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধনের আগে হজযাত্রীদের ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন করতে হবে।
সরকারি মাধ্যমে ই-হজ সিস্টেমে (hajj.gov.bd) ইউজার তৈরি করে যে কেউ নিজেই নিবন্ধন করতে পারবেন। এতে আরও বলা হয়, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম অফিস ও ঢাকা হজ অফিসে হজের নিবন্ধন করা যাবে। এ ছাড়া ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা মডেল মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম অফিস ও ঢাকা হজ অফিসে হজের নিবন্ধন করা যাবে।
সরকারি মাধ্যমে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের সোনালী ব্যাংকের যেকোনো শাখায় ভাউচারের মাধ্যমে টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন করতে হবে। তবে বেসরকারি মাধ্যমের হজযাত্রীদের হজ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে এজেন্সির নির্ধারিত হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। এজেন্সির ব্যাংক হিসাবের তথ্য হজ পোর্টালে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রোফাইলে পাওয়া যাবে।
ছবি : সংগৃহীত
অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর উদ্যোগ এবং পুলিশে জনবল ও যানবাহনের সংকট থাকায় ১৮ জন মন্ত্রীর চলাচলের সময় দেওয়া পুলিশের এসকর্ট বা প্রটোকল প্রত্যাহার করেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তার নিজের প্রটোকল কমিয়ে এনেছেন। বর্তমানে শুধু ১৪ জন পুলিশের মুভমেন্ট এসকর্ট সুবিধা পাচ্ছেন। সরকারি ও পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ইতিমধ্যে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মন্ত্রিসভার এক সদস্য গতকাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পুলিশের যানবাহনেরও সংকট রয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকজন মন্ত্রী নিজেরাই তাদের এসকর্ট প্রত্যাহারের জন্য সরকারকে অনুরোধ করেছিলেন।
মন্ত্রিসভার একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানায়, বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর অনুরোধ উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নিজের প্রটোকল কমিয়েছেন। তার চলাচলের সময় এসকর্ট হিসেবে থাকা চারটির জায়গায় এখন দুটি গাড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে।
সূত্রটি আরও জানায়, এরপর প্রধানমন্ত্রী যাদের জন্য এসকর্ট সুবিধা আর প্রয়োজন বলে মনে করেননি, সেই সব মন্ত্রীর এসকর্ট প্রত্যাহারের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দেন। গত সপ্তাহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ডিএমপিকে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন।
ডিএমপির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এখন থেকে শুধু যাদের প্রয়োজন, তাদেরই চলাচলের সময় এসকর্ট দেওয়া হবে।
এখন যারা পুলিশ এসকর্ট পাচ্ছেন তাদের মধ্যে সাতজন হলেন জাতীয় সংসদের পদাধিকারী স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, চিফ হুইপ এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ।
বাকি সাতজনের মধ্যে আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, এলজিআরডিমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং মন্ত্রী পদমর্যাদার পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
ডিএমপি সূত্র জানায়, এসকর্ট প্রত্যাহারের এই সিদ্ধান্ত শুধু ঢাকার ভেতরে চলাচলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সরকারি সফরে ঢাকার বাইরে গেলে মন্ত্রীরা আগের মতোই গানম্যান, হাউস গার্ড এবং পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তাসুবিধা পাবেন।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এই ১৮ মন্ত্রী ঢাকায় পুলিশের মুভমেন্ট এসকর্ট সুবিধা পাচ্ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মন্ত্রিসভায় আরও ২৪ জন মন্ত্রী রয়েছেন। এ ছাড়া সরকারে ২৫ জন প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা আছেন।
সাধারণত একজন মন্ত্রীর মুভমেন্ট এসকর্টে একজন উপপরিদর্শক (এসআই), চারজন কনস্টেবল এবং পুলিশের একটি পিকআপ ভ্যান থাকে। এদের বেতন, ভাতা ও জ্বালানি খরচ সরকার বহন করে।
যাদের এসকর্ট প্রত্যাহার হলো
যে ১৮ জন মন্ত্রীর এসকর্ট প্রত্যাহার করা হয়েছে, তারা হলেন—ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ; পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু; মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আজম খান; সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী; ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু; বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা; বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির; শ্রম ও প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী; তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং কৃষি ও মৎস্যমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
এ ছাড়া পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকীর মাহবুব আনাম এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের এসকর্টও প্রত্যাহার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিসহ (ভিআইপি) ঢাকায় ভিআইপিদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও চলাচলের জন্য পুলিশের ১ হাজার ৬৯১ জন সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।
বর্তমান প্রটোকল অনুযায়ী, একজন ভিআইপির বাসভবনে শিফট অনুযায়ী চারজন পুলিশ সদস্য পাহারায় থাকেন, একজন তার কার্যালয়ে থাকেন এবং পাঁচজন তার গাড়িবহরের সঙ্গে থাকেন। স্পেশাল ব্রাঞ্চও (এসবি) একজন গানম্যান দিয়ে থাকে।
ভিআইপিদের তালিকায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, বিরোধীদলীয় নেতা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এ ছাড়া সরকারি গেজেটের মাধ্যমে অন্যান্য ব্যক্তিকেও ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া হতে পারে।
সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকেও ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া হয়েছে এবং তার নিরাপত্তার জন্য পাঁচজন পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।
বিদেশ ভ্রমণের পরিকল্পনায় অনেক সময় সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় ভিসা প্রক্রিয়া। তবে বাংলাদেশি সাধারণ পাসপোর্টধারীদের জন্য এশিয়ার কয়েকটি দেশে আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে। কোথাও সম্পূর্ণ ভিসামুক্ত প্রবেশ করা যায়, আবার কোথাও পৌঁছানোর পর নেওয়া যায় ভিসা অন অ্যারাইভাল (Visa on Arrival)।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্সের ২০২৬ সালের জুলাই সংস্করণ অনুযায়ী, বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ৩৫টি গন্তব্যে ভ্রমণ করতে পারেন। সূচকে বাংলাদেশ তিন ধাপ এগিয়ে ৯৭তম স্থানে উঠেছে। এ অবস্থানে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে উত্তর কোরিয়া।
এশিয়ায় বাংলাদেশিদের জন্য আগাম ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে মোট ছয়টি দেশে।
ভুটান
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাহাড়ি পরিবেশ ও শান্ত জীবনযাপনের জন্য পরিচিত ভুটানে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বাংলাদেশি নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন।
মালদ্বীপ
সমুদ্র, প্রবাল দ্বীপ ও বিলাসবহুল রিসোর্টের জন্য বিশ্বখ্যাত মালদ্বীপে বাংলাদেশিরা পৌঁছানোর পর ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা পান। অবকাশ যাপন ও হানিমুনের জন্য এটি অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য।
নেপাল
হিমালয়ঘেরা নেপালেও বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা অন-অ্যারাইভাল ভিসা নিয়ে প্রবেশ করতে পারেন। কাঠমান্ডু, পোখারা এবং এভারেস্ট অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ।
শ্রীলঙ্কা
ঐতিহাসিক নিদর্শন, সমুদ্রসৈকত ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশিদের জন্য সহজ ভ্রমণ সুবিধা রয়েছে। তবে যাত্রার আগে দেশটির সর্বশেষ ভিসানীতি যাচাই করে নেওয়া উচিত।
কম্বোডিয়া
বিশ্বখ্যাত আঙ্কোর ওয়াট মন্দিরের দেশ কম্বোডিয়াতেও বাংলাদেশি নাগরিকরা পৌঁছানোর পর ভিসা অন অ্যারাইভাল নিতে পারেন। ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বে আগ্রহীদের কাছে এটি একটি জনপ্রিয় গন্তব্য।
তিমুর-লেস্তে (ইস্ট তিমুর)
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রেও বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা রয়েছে। শান্ত পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কারণে দেশটি ধীরে ধীরে পর্যটকদের আগ্রহের কেন্দ্র হয়ে উঠছে।
ভ্রমণের আগে যা জানা জরুরি
আগাম ভিসা ছাড় বা ভিসা অন অ্যারাইভাল সুবিধা থাকলেও ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের সর্বশেষ প্রবেশনীতি যাচাই করা প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে অন্তত ছয় মাস মেয়াদি পাসপোর্ট, ফেরার টিকিট, হোটেল বুকিং, পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বিদেশ সফরের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা সরকারি ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করেই ভ্রমণ পরিকল্পনা করা সবচেয়ে নিরাপদ।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
পছন্দ-অপছন্দ ও রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্ব ও আনুগত্যের ভিত্তিতে সেনাসদস্যদের পদোন্নতি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (২৬ জুলাই) সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’ (১ম পর্ব)-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন। এই পর্ষদের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল থেকে কর্নেল পদবিতে যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নির্বাচনী পর্ষদের উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শুরুতে স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। পাশাপাশি মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদ, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সশস্ত্র বাহিনীর সকল বীর সেনানীদের অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘তাদের এই মহান আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে।’ পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে আহত ও শহীদ সেনা সদস্যদের প্রতিও তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানান।
কর্মকর্তাদের পদোন্নতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী পর্ষদের সদস্যদের স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, পদোন্নতির ক্ষেত্রে যেন কোনো ধরনের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ কাজ না করে। তিনি কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলী, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য ও নিযুক্তিগত উপযুক্ততাকে পদোন্নতির মূল মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানান।
দেশের নিরাপত্তা ও সার্বিক উন্নয়নে সেনাবাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার মূল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে যেভাবে সহায়তা দিয়ে আসছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। দেশমাতৃকার প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর এই ত্যাগের জন্য তিনি সেনাপ্রধানসহ বাহিনীর সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
এর আগে, সকালে প্রধানমন্ত্রী সেনাসদরে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান এবং চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। শত ব্যস্ততার মাঝেও উপস্থিত হয়ে পর্ষদের উদ্বোধন করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সেনাপ্রধান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সেনা কর্মকর্তাদের সাথে ফটোসেশনে অংশ নেন এবং সেনাবাহিনীর পরিদর্শক বইয়ে তাঁর মূল্যবান মন্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ায় দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর, উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে আপাতত এই লঘুচাপ নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা দেখছে না আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আজ শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্কবার্তায় বলা হয়, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ-উত্তর উড়িষ্যা উপকূলীয় এলাকায় লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা বলেন, বর্তমানে লঘুচাপটি নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এটি সর্বোচ্চ সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হতে পারে। তাই, এর বড় ধরনের কোনো প্রভাব বাংলাদেশে পড়ার আশঙ্কা নেই। তবে তিনি বলেন, লঘুচাপের প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টিপাত কিছুটা বাড়তে পারে। এছাড়া ২৮ জুলাইয়ের পর উত্তরাঞ্চলেও বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নিয়মিত আবহাওয়া বুলেটিনে অধিদপ্তর জানায়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ ভারতের রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, উত্তর প্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে।
অন্যদিকে উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যান্য এলাকায় মৌসুমি বায়ু প্রবল অবস্থায় বিরাজ করছে।
আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে বঙ্গোপসাগরে এ ধরনের লঘুচাপ সৃষ্টি স্বাভাবিক ঘটনা। তবে এর অবস্থান ও গতিপ্রকৃতির ওপর নির্ভর করে বৃষ্টিপাত, দমকা হাওয়া এবং সমুদ্রের পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে। তাই, উপকূলীয় এলাকায় বসবাসকারী মানুষ এবং সমুদ্রে থাকা জেলেদের সর্বশেষ আবহাওয়া বার্তা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পে-স্কেল বাস্তবায়ন
পে স্কেল কার্যকরে এখন শুধু অপেক্ষা গেজেটের। তবে গেজেট যখনই হোক না কেন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৯ম জাতীয় পে-স্কেল নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বাস্তবায়ন হবে।
জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ এর সুপারিশ পর্যালোচনার জন্য গঠিত কমিটি চলতি মাসের মধ্যেই তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দিবে। এরপর প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সব ধরনের প্রশাসনিক ও নীতিগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আগামী আগস্টের মধ্যেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা হবে। তবে নতুন বেতনকাঠামোর আর্থিক কার্যকারিতা গণনা করা হবে ১ জুলাই থেকে। অর্থাৎ গেজেট পরে প্রকাশ পেলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ১ জুলাই থেকেই নতুন বেতনের সুবিধা পাবেন।
সূত্রের তথ্য বলছে, নতুন পে-স্কেল একবারে কার্যকর করা হবে, নাকি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে-সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এবার শুধু মূল বেতন বৃদ্ধি নয়; সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াত ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে সরকারের শীর্ষ এক কর্মকর্তা জানান, ‘পে-স্কেল বাস্তবায়ন যথা সময়েই হবে। জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিষয়টি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গেজেট জারিসহ অন্যান্য বিষয় কার্যকর হতে কিছুটা সময় লাগলেও পে-স্কেল বাস্তবায়ন হবে।’
এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নতুন পে স্কেল দেওয়ার তো সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটা আমরা গ্রহণ করেছি এবং এটার বাস্তবায়ন করা হবে। দেশে বর্তমান আর্থিক প্রেক্ষাপটের কঠিন সময় আমরা অতিক্রম করছি। এটাকে মাথায় নিয়ে পে স্কেল ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়ন করা হবে।’
সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়াতে সাবেক সচিব জাকির হোসেনের নেতৃত্বে নবম পে কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রায় ছয় মাসের পর্যালোচনার পর প্রতিবেদন জমা দেয় ২১ সদস্যের কমিটি। যেখানে কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়। সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আগস্টে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।