• প্রকাশ : বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ১১:১৬ এএম
  • আপডেট : বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ১১:১৬ এএম

  • প্রকাশ : বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, সময় : ১১:১৬ এএম

কলম্বিয়ায় দ্রুত বেড়ে ওঠা বন্য জলহস্তীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। কুখ্যাত মাদক সম্রাট পাবলো এসকোবারের আনা জলহস্তীগুলোর অনিয়ন্ত্রিত বংশবৃদ্ধি ও জননিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে অন্তত ৮০টি জলহস্তী নিধনের পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছে। 


দেশটির পরিবেশমন্ত্রী আইরিন ভেলেজ জানান, পূর্বে নেওয়া বন্ধ্যাকরণ বা স্থানান্তরের মতো পদ্ধতিগুলো অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং কার্যকর প্রমাণিত হয়নি। তাই বাস্তুসংস্থান রক্ষায় কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই।


১৯৮০-এর দশকে হ্যাসিয়েন্ডা নাপোলেস নামের ব্যক্তিগত খামারে চারটি জলহস্তী আমদানি করেছিলেন এসকোবার। তার মৃত্যুর পর সেগুলো বংশবিস্তার করে এখন শতাধিক হয়ে গেছে। কলম্বিয়ার ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর এক গবেষণা অনুযায়ী, ২০২২ সালেই দেশটিতে প্রায় ১৭০টি জলহস্তী ছিল, যা এখন আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


বর্তমানে এই জলহস্তীগুলো খামার ছাড়িয়ে ১০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ম্যাগডালেনা নদী উপত্যকা অঞ্চলে এদের উপস্থিতি বেড়েছে, যেখানে তারা স্থানীয় মানুষ ও কৃষিকাজের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বড় আকারের প্রাণীগুলো স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের জন্য হুমকি। তারা খাবার ও আবাসস্থল দখল করে নিচ্ছে, যার ফলে ‘রিভার ম্যানাটি’-র মতো স্থানীয় প্রজাতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।


তবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রাণী অধিকারকর্মীরা। সিনেটর আন্দ্রেয়া পাদিলা একে ‘নিষ্ঠুর’ বলে উল্লেখ করে বলেছেন, সুস্থ প্রাণী হত্যা কোনো সমাধান হতে পারে না।


উল্লেখ্য, আফ্রিকার বাইরে একমাত্র দেশ হিসেবে কলম্বিয়াতেই এখন বন্য জলহস্তীর স্থায়ী জনসংখ্যা রয়েছে। সরকার মনে করছে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।


সূত্র: সিএনএন 




সর্বশেষ সব খবর

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:৫২ পিএম

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত এশিয়ায় পারস্পরিক আস্থা ও আস্থা বৃদ্ধির পদক্ষেপবিষয়ক সম্মেলনের (সিআইসিএ) সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সময় সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।


বিজ্ঞপ্তিতে জানা‌নো হয়, বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ছাড়াও বেশ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরা সম্মেলন কক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য বয়কট করে কক্ষ ত্যাগ করেন।


আজারবাইজানের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত সিআইসিএ-এর এই সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ ও উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়েছেন। এখানে এশিয়া অঞ্চলে আঞ্চলিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৪৫ পিএম

পাকিস্তানের পেশোয়ার শহরে একটি স্কুলের  ছাদ ধসের ঘটনায় ২৯ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারের দির কলোনি এলাকায় একটি বেসরকারি স্কুলে আজ বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।


রেসকিউ ১১২২-এর আঞ্চলিক পরিচালক আরিফ খাত্তাক জানিয়েছেন, স্কুল ভবন ধসে পড়ার পর উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে। তার তথ্যমতে, একজন নারী শিক্ষকসহ মোট ২৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।


এক বার্তায় তিনি বলেন, "ভবনটি ধসে পড়ার পর প্রাথমিকভাবে ১৬টি মরদেহ শনাক্ত করা হয়েছিল। এরপর চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ধরে অভিযান চলে এবং শেষ পর্যন্ত ২৯টি মরদেহ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে একজন নারী শিক্ষক রয়েছেন।"


তিনি আরও বলেন, "প্রথমে আমাদের জানানো হয়েছিল যে ভবনটি ধসে পড়েছে। কিন্তু এখানে পৌঁছানোর পর আমরা জানতে পারি, এটি তিনতলা একটি ভবন ছিল। এই তিনতলা ভবনটি ছিল অস্থায়ী কাঠামোর... গুরুতর আহত হয়েছেন ৪৫ জন। তাদের প্রদেশের বড় হাসপাতালগুলোতে স্থানান্তর করা হয়েছে।" আরিফ খট্টক জানান, এই উদ্ধার অভিযানে ১০০ জন উদ্ধারকর্মী, ১৮টি অ্যাম্বুলেন্স এবং তিনটি ভারী যান অংশ নেয়।


এদিকে, স্থানীয় লেডি রিডিং হাসপাতালের (এলআরএইচ) মুখপাত্র মুহাম্মদ আসিম এক বিবৃতিতে বলেছেন, আহতদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বেশিরভাগ শিশুই মাথায় আঘাত পেয়েছে। অনেক অভিভাবক হাসপাতালে এসে জড়ো হয়েছেন এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশের সহায়তা চেয়েছে।


মুখপাত্রের তথ্য অনুযায়ী, শিশুদের বয়স ছয় থেকে ১২ বছরের মধ্যে। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর এলআরএইচে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পেশোয়ারের কর্তৃপক্ষ দুপুরের দিকে জানিয়েছে যে স্কুল ভবন ধসে পড়ার পর উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে। তবে সেখানে এখনো ধ্বংসস্তূপ পড়ে আছে।


পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলটির মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিলাল আহমেদ ঘটনাস্থল থেকে আরো জানিয়েছেন, স্কুলটি একটি দোতলা ভবনে অবস্থিত। ভবনটিতে প্রচলিত পদ্ধতিতে তৈরি ছাদের বদলে প্রিফ্যাব্রিকেটেড ছাদ ছিল বলে মনে হচ্ছে। ধ্বংসাবশেষ দেখে ধারণা করা যায়, ওপরের একটি কক্ষের ছাদের ধ্বংসাবশেষ নিচে পড়ার পর সেটিই নিচতলায় দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুদের ওপর গিয়ে পড়ে।


স্কুলটির সামনে মানুষের ভিড় 


এদিকে, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, "এই হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডিতে পুরো জাতি স্তম্ভিত হয়ে পড়েছে।" প্রেসিডেন্ট নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানিয়েছেন বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।


এতে আরও বলা হয়, প্রেসিডেন্ট "আহতদের সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন"। এছাড়া তিনি ঘটনার কারণ নির্ধারণে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্তের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দিয়েছেন।


পেশোয়ারের দির কলোনি এলাকায় এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করার পাশাপাশি তাদের সম্ভাব্য সব ধরনের চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রাদেশিক গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্ডি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছেন।


সরু রাস্তার কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা


ঘটনাস্থলে থাকা এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, স্কুলটি শহরের এমন একটি সরু গলির মধ্যে অবস্থিত, যেখানে একবারে মাত্র একটি গাড়ি চলাচল করতে পারে। এ কারণে উদ্ধারকর্মীরা উদ্ধারকাজ চালাতে এবং আহতদের হাসপাতালে নিতে সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে।


প্রত্যক্ষদর্শী সোহাইল বলেন, "আমার বোন আমাকে ফোন করে বলেছিল, 'ভাই, তাড়াতাড়ি আসো'। স্কুলের ছোট ছোট শিশুরা ছাদের নিচে চাপা পড়েছিল। আমি এবং এলাকার লোকজন দ্রুত কোদাল দিয়ে তাদের বের করার চেষ্টা করি।" উদ্ধারকাজ এখনো চলছে এবং স্কুলটি বা সেখারকার কারো সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন, এমন ব্যক্তিদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।


এর আগে পেশোয়ারের উদ্ধার কর্মকর্তা বিলাল ফাইজি বলেন, "আজ সকালে ৮টা ৪৮ মিনিটে নিয়ন্ত্রণকক্ষে খবর আসে যে স্কুলটির ছাদ ধসে পড়েছে। আমরা সেখানে পৌঁছে দেখি, ভবনটির একটি ছাদ আরেকটি ছাদের ওপর ধসে পড়েছে। ওই শ্রেণিকক্ষের শিশুরা এর নিচে চাপা পড়ে।"

সর্বশেষ সব খবর

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:২৩ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ কিংবা টানা আলোচনা-কোনোটিই চায় না ইরান। তবে ওয়াশিংটন তেহরানের দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।


তার মতে, যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্যকে রাজনৈতিক অঙ্গনেও সুসংহত করতে হবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্সের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।


গালিবাফ বলেন, ‘যখনই আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয় অর্জন করব, তখন রাজনৈতিক অঙ্গনেও সেই বিজয়ের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে হবে।’


ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বলেন, ‘এর অর্থ অন্তহীন যুদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী আলোচনা নয়। আমরা শত্রুকে ক্লান্ত করে তুলতে লড়াই করি, যাতে তারা আমাদের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়।’


এদিকে হরমুজ প্রণালীর কাছে দুটি জাহাজ ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্রসদৃশ কোনো বস্তু আঘাত হানে। অন্য জাহাজটি সমুদ্রের মাইনে আঘাত পেয়ে ডুবে যায় বলে জানা গেছে। ওই অঞ্চলে অব্যাহত হামলার কারণে জাহাজ চলাচলের গতি কমে এসেছে। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।


যদিও ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হবে বলে আবারও দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, হরমুজ প্রণালীর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে এবং ইরান তাদের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, রাডার ব্যবস্থা ও আকাশ প্রতিরক্ষা হারিয়েছে।


অ্যারিজোনার বুলহেড সিটিতে এক সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের প্রথম সারির নেতারা চলে গেছেন। তারা দ্বিতীয় সারির নেতাদের বেছে নিয়েছিল। তাদেরও অনেকে চলে গেছেন। এরপর তৃতীয় সারির নেতাদের বেছে নেয়া হয়েছে। তাদের অর্ধেকও চলে গেছেন। তারা আমাকে আর কাউকে হত্যা না করার প্রতিশ্রুতি দিতে বলেছিল। আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।’

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:০৬ এএম

ভারতের উত্তর প্রদেশের মিরাটে মার্চেন্ট নেভির কর্মকর্তা সৌরভ রাজপুতকে হত্যার দায়ে তার স্ত্রী মুসকান রাস্তোগি ও স্ত্রীর প্রেমিক সাহিল শুক্লাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ১২৬টি শুনানি ও ২২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার (১৪ অক্টোবর) এ রায় ঘোষণা করেন জেলা জজ অরবিন্দ কুমার মিশ্র। এর দুই সপ্তাহ আগে দুজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। খবর এনডিটিভির।


মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ মার্চ মিরাটের ইন্দ্রা নগরে নিজেদের বাড়িতে সৌরভকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মুসকান ও সাহিল। প্রথমে খাবারের সঙ্গে ওষুধ মিশিয়ে সৌরভকে অচেতন করেন তার স্ত্রী। পরে সাহিল বাড়িতে পৌঁছালে দুজন মিলে তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন।


হত্যার পর বাথরুমে সৌরভের মরদেহ টুকরো টুকরো করা হয়। এরপর দেহের খণ্ডিত অংশগুলো একটি বড় নীল প্লাস্টিকের ড্রামে ভরে তাতে বালি, পানি ও সিমেন্টের মিশ্রণ ঢেলে দেওয়া হয়। মরদেহের অস্তিত্ব গোপন করতেই এভাবে ড্রামটি সিমেন্ট দিয়ে বন্ধ করে দেন তারা। মামলার গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে ড্রামটি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।ঘটনার পর মুসকান ও সাহিল হিমাচল প্রদেশে পালিয়ে যান। এদিকে, সৌরভ বেঁচে আছেন এবং ব্যবসায়িক কাজে বাইরে রয়েছেন—এমন ধারণা তৈরি করতে স্বামীর ফোন ব্যবহার করে স্বজনদের বার্তা পাঠাতেন মুসকান।


তবে স্বজনদের সন্দেহ হলে ১৭ মার্চ তারা স্থানীয় প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে সৌরভের বাড়িতে যান। এ সময় সৌরভ ও মুসকানের ছয় বছর বয়সী মেয়ে প্রতিবেশীদের বলে, ‘বাবা ড্রামের ভেতর।’ পরে পুলিশ ড্রামটি কেটে সেখান থেকে মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে। এর দুই দিন পর মুসকান ও সাহিলকে গ্রেপ্তার করা হয়।


বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ পারিপার্শ্বিক, প্রযুক্তিগত ও ভৌত প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করে। স্থানীয় দোকানিরা সাক্ষ্য দেন, অভিযুক্তরা তাদের কাছ থেকে নীল ড্রাম, সিমেন্ট, বালি ও মাংস কাটার ছুরি কিনেছিলেন। এ ছাড়া মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড ও টাওয়ারের অবস্থানসংক্রান্ত তথ্যের মাধ্যমে অপরাধের সময় ঘটনাস্থলে সাহিলের উপস্থিতির বিষয়টি তুলে ধরা হয়।


রায় ঘোষণার আগে মুসকানের বাবা-মা আদালতকে জানান, সৌরভ ভালো মানুষ ছিলেন এবং অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে তাদের আপত্তি নেই। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর থেকে মুসকানের পরিবারের সদস্যরা কারাগারে তার সঙ্গে দেখা করতে যাননি।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:১৬ এএম

হাসপাতালের নোংরা মেঝে পরিষ্কার করতে বাধ্য করা হয়েছে এক রোগীর মাকে—এমন একটি হৃদয়বিদারক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের দামো জেলা হাসপাতালে। হাসপাতালের নিজস্ব সেবা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা থাকতে কেন একজন অসহায় রোগীর স্বজনকে দিয়ে এই কাজ করানো হলো, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে এবং বিভিন্ন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।


দেশটির সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রদেশের দামো জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মাকে জোরপূর্বক হাসপাতাল চত্বরের মেঝে থেকে ময়লা পরিষ্কার করানোর এই অভিযোগ সামনে আসে। এই ন্যক্কারজনক ঘটনাটি সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের অবহেলা, হাসপাতালের কর্মীদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং সাধারণ রোগীদের স্বজনদের সঙ্গে অমানবিক আচরণের বিষয়টি আবার নতুন করে উসকে দিয়েছে।


তবে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সংক্ষিপ্ত ওই ভিডিওটি থেকে ঘটনার পেছনের আসল প্রেক্ষাপট বা ঠিক কী পরিস্থিতিতে ওই মহিলাকে মেঝেসাফাইয়ের কাজ করতে বলা হয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।


এদিকে  ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে সাফাই গেয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, সম্প্রতি নয় বরং এই ভিডিওটি দেড় থেকে দুই মাস আগের পুরনো একটি ঘটনা। পুরো বিষয়টি নিয়ে হাসপাতাল প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিও দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

নেহা বোরা

  • প্রকাশ : বুধবার ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:২৩ পিএম

প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ৬ষ্ঠ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও সাধারণ সম্মেলন উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও সংহতি বার্তা জানিয়েছেন ভারতের প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন ‘অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’ (আইসা)-র সর্বভারতীয় সভাপতি নেহা বোরা। 


গতকাল মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিজেদের ফেসবুক পেজে ভিডিও বার্তাটি শেয়ার করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।


ভিডিও বার্তায় নেহা বোরা বলেন, ভারতজুড়ে এখন যে জেন-জি আন্দোলন চলছে, তা মূলত শুরু হয়েছে বাংলাদেশকে দেখে। আমাদেরকে পথ দেখানোর জন্য ও ভারতের তরুণ সমাজের প্রতি সমর্থন জুগিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আমরা জানি, বাংলাদেশে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল তা ছিল, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াই। বর্তমানে ভারতে যে বিক্ষোভ চলছে, তার উদ্দেশ্যেও এক।


তিনি আরও বলেন, আমরা আপনাদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি। আপনাদের কাছ থেকে আমরা অনুপ্রেরণা পেয়েছি ও আপনাদের করা আন্দোলন থেকে শিখতে পেরেছি। আশা করি, আপনারা ও আমরা মিলে একটি ভালো দক্ষিণ এশিয়া গড়তে পারবো।


সূত্র: সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ফেসবুক পেজ

সর্বশেষ সব খবর