একসময় ব্যবহৃত হতো গুদামঘর হিসেবে। শত বছরের পুরোনো সেই ভবনটি এখন যেন ফিরে পাচ্ছে নতুন পরিচয়। সংস্কার, নতুন রং, চলাচলের রাস্তা মেরামত, সিসি ক্যামেরা স্থাপন—সব মিলিয়ে রাজকীয় আবহে সাজানো হচ্ছে রংপুরের বিভাগীয় কাস্টমস কর্মকর্তার পুরোনো বাংলোটি। জানা গেছে, ভবনটি বর্তমানে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারের বাংলো হিসেবে ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। তবে এই সংস্কারকাজ ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম স্থাপন নিয়ে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন গুদামঘর হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া প্রায় শত বছরের পুরোনো ভবনটিতে সম্প্রতি সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। ভবনের বিভিন্ন অংশে রং করার পাশাপাশি চলাচলের রাস্তা সংস্কার করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য স্থাপন করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। একই সঙ্গে কমিশনার কার্যালয়ের মূল গেটের কাছে বসানো হয়েছে আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টর বা ওয়াক-থ্রু মেটাল ডিটেক্টর গেট।
পুরোনো ভবনটির স্থাপত্য ও অবয়ব এখনো অনেকটাই রাজকীয় প্রাসাদের মতো। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত বা গুদাম হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার পর ভবনটি নতুন করে কমিশনারের বাংলো হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
তবে সংস্কারকাজ, ভবনে রং করা, সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টর বসানোর ক্ষেত্রে কোনো টেন্ডার বা দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের একটি অংশের অভিযোগ, এসব কাজের ক্ষেত্রে যথাযথ দরপত্র প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। ফলে সরকারি অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে জানতে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ রাশেদুল আলমের সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করা হলেও তাকে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয়নি। পরে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ওয়াহিদ হাসান বলেন, ‘আমি সবে মাত্র যোগদান করেছি। স্যার খুব ব্যস্ত রয়েছেন, সাক্ষাৎ করতে পারবেন না।’
তবে সংস্কারকাজের ব্যয়, দরপত্র প্রক্রিয়া এবং মেটাল ডিটেক্টরসহ নিরাপত্তা সরঞ্জাম স্থাপনের অনুমোদন ও সরকারি বিধি অনুসরণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে শতবর্ষী ঐতিহ্যবাহী ভবনটির সংস্কার ও নতুন ব্যবহার নিয়ে যেমন আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তেমনি সরকারি অর্থ ব্যয় ও দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা প্রশ্নেরও স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দুই যুবককে আটক করেছে নলছিটি থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের জিরোপয়েন্ট সংলগ্ন শহিদ মিয়ার অটো গ্যারেজের সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন, দপদপিয়া ইউনিয়নের ভরতকাঠি গ্রামের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আলী হোসেন হাওলাদারের ছেলে মো. মিজানুর রহমান (২২) এবং একই এলাকার মো. কালু গাজীর ছেলে মো. মেহেদী গাজী (২৩)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নলছিটি থানার এসআই (নিঃ) রুম্মান হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে ওই দুই যুবককে আটক করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক দুই যুবকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নীলফামারীর জলঢাকায় অবৈধভাবে মজুদ করা ৪৬৪ বস্তা সার জব্দের পর তা কৃষকদের পরিবর্তে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জব্দকৃত সার প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
গত মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের বালারপুকুর স্বপনবাজার এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে মেসার্স মুয়াজ এন্টারপ্রাইজ থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা ৪৬৪ বস্তা সার জব্দ করেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জব্দকৃত সার কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
তবে অভিযোগ উঠেছে, জব্দ করা এসব সার কৃষকদের কাছে বিক্রি না করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. হোসেন আলী ও মো. শামসুজ্জামান।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে বুধবার সরেজমিনে গেলে স্থানীয় এক পাইকারের কাছে ২৫ বস্তা সার বিক্রির বিষয়টি সামনে আসে। ভ্যানে করে ওই সার নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা ভ্যানটি আটক করেন। পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ভ্যানে থাকা সারগুলো পুনরায় গোডাউনে নামিয়ে রাখে।এসময় মোরছালিন( পাইকার) সার কেনার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। খেরকাটি বাজারে তার একটি খুচরা সারের দোকান রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জব্দকৃত সার কৃষকদের মধ্যে বিক্রির কথা থাকলেও বাস্তবে নামমাত্র কয়েকজন কৃষককে সার দিয়ে বাকিগুলো ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেই ব্যবসায়ীদের কাছে সার বিক্রি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে বাজারে সারের সংকটের মধ্যে জব্দ করা সার সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ন্যায্যমূল্যে পাওয়ার প্রত্যাশা করেছিলেন স্থানীয় কৃষকেরা। কৃষকদের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের কাছে সার বিক্রির অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা।
জব্দ করা সার বিক্রির বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. হোসেন আলী বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে জলঢাকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, “ওখানে কি হয়েছে বিষয়টি আগে জানতে হবে, তারপর মন্তব্য দেব।”
তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।”
স্থানীয়দের দাবি, জব্দকৃত সার বিক্রির প্রক্রিয়া, কৃষকদের তালিকা, ব্যবসায়ীদের কাছে সার বিক্রির অভিযোগ এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে কি না—এসব বিষয় তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জব্দকৃত সার কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ফৌজদারি বিচার প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা আনয়ন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাসমূহ নিরসনপূর্বক বিচার কাজকে আরও দ্রততর করতে বরগুনায় মাসিক পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বরগুনা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আয়োজনে বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
বরগুনা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: ইকবাল মাসুদ এর সভাপতিত্বে ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ হোসাইন’র সঞ্চালনায় কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন- পুলিশ সুপার মোঃ কুদরত-ই-খুদা, পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল, বিজ্ঞ বিচারক বৃন্দ, আইনজীবীগণ, বিভিন্ন পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বরগুনা জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ।
ফৌজদারি মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, যথাযথভাবে ওয়ারেন্ট তামিল, সাক্ষী হাজির করা, তাদের নিরাপত্তা, সময়মতো মালখানা থেকে আদালতে আলামত উপস্থাপন সহ ফৌজদারি মামলায় ন্যায় বিচার নিশ্চিতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় কনফারেন্সে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ দিন বয়সী এক নবজাতকের পা ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির কর্মরত সেবিকাদের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার (১সেপ্টেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে পৌর শহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন ম্যাক্স হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডে ফটো থেরাপি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
তবে নার্সদের অবহেলায় আহত নবজাতকের পা ভেঙে যাওয়ার পরেও বিষয়টি গোপন রাখে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমনকি ভাঙ্গা পায়ের এক্সরে রিপোর্টও অভিভাবকদের না দেখানোর অভিযোগ করেছেন শিশুর স্বজনরা।
সরেজমিনে জানা যায়, গত (২৯ আগষ্ট) শনিবার ওই হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ভর্তি হন প্রসূতি গৃহবধূ জান্নাতি আক্তার কনা বেগম। পরে ওইদিন রাতেই অস্ত্রপাচার সম্পূর্ণ হলে একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন তিনি। তবে বিপত্তি ঘটে হাসপাতাল থেকে ছাড় পত্র নিয়ে বাড়ি ফেরার ঠিক আগ মুহূর্তে।
হাসপাতালের শয্যায় কান্নাজড়িত কন্ঠে নবজাতকের মা কনা বেগম জানান, অনেক সাধনায় ৬ বছর পর প্রথম মা হয়েছি। কিন্তু নার্স খাদিজা আমার বাচ্চাকে চোখের রং পরিবর্তনের জন্য তাপ দিতে নিয়ে গিয়ে পা ভেঙেছে। আমার সুস্থ ছেলের পা ভেঙে দুই টুকরো হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তেন মং বলেন, আমি বর্তমানে অসুস্থ এবং চিকিৎসাধীন। তবে আমি কর্মস্থলে ফিরে এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
গাজীপুরের টঙ্গী গোপালপুর এলাকায় মাদক কারবার নিয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে নুরুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে টঙ্গীর গোপালপুর সোসাইটি মাঠে এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত নুরুল ইসলাম গাজীপুরের শ্রীপুর থানার টেপির বাড়ি এলাকার মৃত নজরুল ইসলাম এর ছেলে। তিনি বর্তমানে টঙ্গী পূর্ব থানা গোপালপুর এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছু দিন ধরে এলাকায় মাদক কারবার এর নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে পার্শ্ববর্তী মরকুন ও পাগাড় এলাকার কতিপয় মাদক কারবারী ও অজ্ঞাত ১০/১২ জন দুষ্কৃতকারী গত রাত সাড়ে ১০টার দিকে নুরুল ইসলামকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাসা থেকে ডেকে গোপালপুর সোসাইটি মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে মাদকের জেরে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাঁটুর নিচে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। রাত ১২টার দিকে হামলাকারীরা দায় এড়াতে একটি সিএনজি (গাজীপুর-থ-১২-১১০১) করে গুরুতর আহত নুরুল ইসলামকে তার বর্তমান বাসার সামনে পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে সিএনজিতে তোলার পরপরই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি বুঝতে পেরে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিএনজি চালককে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মাকছুদুল আলম বলেন এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এবং হত্যাকাণ্ডের জড়িতদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গাজীপুরের কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে পরিচালনাকালে স্টক রেজিস্ট্রারে উল্লেখিত মজুদের পরিমাণের চেয়ে বাস্তবে অতিরিক্ত সার পাওয়া যাওয়ায় দুই সার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের দোলান বাজার এলাকায় প্রকাশ ট্রেডার্স ও মেসার্স এস এস করপোরেশনে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানকালে তাদের স্টক রেজিস্ট্রারে উল্লেখিত সারের মজুদের পরিমাণের তুলনায় বাস্তবে বেশি সার মজুদ থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫৬-এর ০৬ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে দুইটি মামলায় মোট দুই লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন। জরিমানাপ্রাপ্তরা হলেন প্রকাশ ট্রেডার্সের নির্মল দাস (৬০) ও মেসার্স এস এস করপোরেশনের শরীফ ভূইয়া। তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করে। মামলাগুলোতে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রাষ্ট্র। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বেঞ্চ সহকারী হিসেবে মাহবুবুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার জানিয়েছে, বাজারে সারসহ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের মজুদ ও বিতরণ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।